ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০:২২:১৯

গুগলে মেয়েরা লুকিয়ে লুকিয়ে যে তথ্যগুলো বেশি খোঁজে

গুগলে মেয়েরা লুকিয়ে লুকিয়ে যে তথ্যগুলো বেশি খোঁজে

ডিজিটাল যুগে প্রযুক্তির ছোঁয়া কমবেশি সবারি গায়েই লেগেছে। আজকাল যেকোনো বয়সী নারী পুরুষ যেকোনো বিষয়ে জানতে সার্চ ইঞ্জিন গুগলের সহায়তা নিয়ে থাকেন। মেয়েরা গুগলে গোপনে ১০ টি তথ্য বেশি খোঁজ করে থাকে। সেগুলো নিম্নরুপ- ফর্সা ত্বক পাব কীভাবে ত্বক ফর্সা হোক সেটি সব মেয়েরই চাওয়া। কিভাবে ত্বক ফর্সা হবে সেটি তারা খোঁজ করে গুগল থেকে। গবেষকরা বলছেন, ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনই মূল চাবিকাঠি। এজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, ফল ও জুস খেতে হবে, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে এবং শরীর চর্চা করতে হবে। ত্বকের ধরণ নির্ণয় ত্বক নিয়ে তরুণ-তরুণীদের চিন্তায় কাটে দিনের একটি উল্লেখযোগ্য সময়। ত্বক কি রুক্ষ নাকি তৈলাক্ত এসব জানতে তারা সহায়তা নেয় গুগলের। এই প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো বিজ্ঞানসম্মত উপায় হলো একটি মেডিকেল স্কিন টেস্ট করানো। ঘরে বসেও প্রাথমিক পদ্ধতিতে ব্লটিং পেপার ব্যবহার করেও স্কিন টেস্ট করানো যায়। ব্লটিং পেপারটি আপনার ত্বকের বিভিন্ন এলাকায় লাগিয়ে দিন। এরপর তা তুলে আলোতে দেখুন। এতে যদি প্রচুর পরিমাণ তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বকের ধরন হলো তৈলাক্ত। আর যদি কম তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার চুলের সৌন্দর‌্য ধরে রাখতে কে না চায়? বর্তমানে চুল পড়া একটি কমন সমস্যা। এ থেকে পরিত্রানের উপায় কী জানতে মেয়েরা ঢু মারে গুগলে। এমনকি অফিসে কাজের ফাঁকে ফাঁকেও চুপি চুপি এ কাজটি করে থাকে তারা। অবাঞ্ছিত লোম অপসারণের নিরাপদ পদ্ধতি গুগলে লুকিয়ে লুকিয়ে তরুণীরা যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি জানার চেষ্টা করে সেটি হচ্ছে দেহের অবাঞ্চিত লোম কিভাবে নিরাপদে অপসারণ করা যায়। এই লোম অপসারণের আছে একাধিক উপায়। আপনি কোন উপায়টি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করছে আপনার ত্বকের ধরন এবং লোম গজানোর তীব্রতার ওপর। চোখের ভ্রুর জন্য থ্রেডিং এবং টোয়েকিং ভালো কাজ করে। হাত বা পায়ের জন্য ওয়াক্সিং সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। আর আপনি যদি লেজার হেয়াল রিমুভাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে চান তাহলে অভিজ্ঞ কোনো কসমেটিক সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। চুলে কয়দিন বিরতিতে শ্যাম্পু করা ভালো চুলে শ্যাম্পু করার সঠিক নিয়ম জানার চেষ্টায় গুগলে চাপ পড়ে তরুণীদের। সাধারণত শ্যাম্পু তখনই  করা  উচিত যখন  চুল ও মাথার ত্বকে ময়লা জমে। তবে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর শ্যাম্পু করালে চুল ভালো থাকে। আর চুলের যত্নে শ্যাম্পু করার পাশাপাশি তেল, কন্ডিশানার, ভলুমাইজার এবং অন্যান্য জিনিসও ব্যবহার করতে হবে। অনেকে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করার কথা শুনে আঁতকে ওঠেন। কিন্তু আপনার চুলে যদি প্রতিদিনই কদাকার হয়ে ওঠে তাহলে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করাতে হবে। এতে কোনো ক্ষতি হবে না। চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করার উপায় শসা ও আলুর ফালি এবং আইস বা ঘুমের রুটিন বদলে আপনি আইব্যাগ বা চোখের ফোলাভাব থেকে মুক্ত হতে পারেন। তবে কর্কশ কিছু ব্যবহার করবেন না। কারণ তা আপনার চোখের দৃষ্টির ক্ষতি করতে পারে। আর তাতেও যদি আইব্যাগ দূর না হয় তাহলে একজন ত্বক বিশেষজ্ঞর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। স্মোকি আই মেকআপ করার উপায় স্মোকি আই মেকআপ করার পদ্ধতি সম্পর্কে ইন্টারনেটে প্রচুর সংখ্যক লেখা রয়েছে। যে কোনো একটি পদ্ধতি বাছাই করে সে মতো কাজ করুন। তবে কখনোই দুটো পদ্ধতি সমন্বয় করতে যাবেন না তাহলে কিন্তু বিপদ আছে। এতে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর যেসব কসমেটিকস কেবল চক্ষুবিজ্ঞান এর পদ্ধতি পরিক্ষীত কেবল সেসবই ব্যবহার করুন। তক্বের বলিরেখা দূর প্রথম থেকেই ত্বকের যত্ন শুরু করুন। ৩০ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। কিন্তু আপনি যদি বলিরেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করেন এবং এরপর তা থেকে মুক্ত হতে চান তাহলে ভুল করবেন। বলিরেখার প্রথম লক্ষণ হলো কপালে ভাজপড়া। ওয়েবে ত্বকের বলিরেখা দূর করার ঘরোয়া দাওয়াই সম্পর্কিত নানা লেখা আছে। সেসব পড়ে পড়ে ত্বকের যত্ন করুন ধৈর্য্য ধরে। ঋতুস্রাবের সমস্যা যৌবনের শুরুতে ঋতুস্রাবের সমস্যা অনেক তরুণীরই দেখা দেয়। এ বিষয়টি তারা পরিবারের কাছে গোপন করে থাকে। তাই এ বিষয় জানতে গুগলে সার্চ দেয় তারা। সূত্র : জিনিউজ।
বাংলাদেশী ছাত্রের ঘরের মেঝে পরিষ্কারের যন্ত্র উদ্ভাবন

মেঝে পরিষ্কারের যন্ত্র আবিস্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছেলে নেয়ামুল হক। তার আবিস্কৃত যন্ত্রটি মেঝে পরিস্কারে এক যুগান্তরকারী ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। যন্ত্রটি দেখতে ছোট একটি গাড়ির মতো। এটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রথমে ঘরের সকল ময়লা পরিষ্কার করবে। তারপর এই যন্ত্রটি নিজেই ঘরের মেঝে ধুয়ে এবং ঘষে পরিষ্কার করে দেবে। একই সঙ্গে যন্ত্রটি বাতাস প্রয়োগ করে ঘরের মেঝে শুকিয়ে দেবে। নেয়ামুল হক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র । এ যন্ত্র সম্পর্কে নেয়ামুল জানায়, আমাদের দেশের মহিলাদের ঘরের মেঝে পরিষ্কার করার কষ্ট সম্পূর্ণ দূর করে দেবে এই যন্ত্রটি। কারণ গৃহিনীরা সহজেই সুইচের মাধ্যমে যন্ত্রটিকে নিয়ন্ত্রণ করে ঘরের মেঝের সকল ময়লা পরিষ্কার করে ধুয়ে, মুছে এবং শুকিয়ে নিতে পারবেন। তাই এখন আর ঘরবাড়ি ধুয়া-মুছা এবং পরিষ্কার করার জন্য কাজের লোকের প্রয়োজন হবে না। ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা প্রশাসন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করা হয়। এই প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলায় জেলা শহরসহ সদর উপজেলার প্রায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। নেয়ামুলের উদ্ভাবিত যন্ত্রটি তাদের মধ্যে ‘ক’ গ্রুপ হতে প্রথম স্থান অধিকার করে। তার সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতায় ছিল তার সহপাঠী আবু দারদা জারিফ এবং তাহমিদ এজাজ। এ যন্ত্র আবিস্কারে সার্বিক পরামর্শ দিয়েছেন অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের শিক্ষক চিন্ময় ভট্টাচার্য। এমএইচ/এসি   

ইয়ারফোন ডেকে আনছে ৫ বিপদ

দিন দিন প্রযুক্তির পরিবর্তন হচ্ছে। পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের জীবন যাত্রা। তবে এই প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটি দিক রয়েছে। প্রযুক্তির ব্যবহারে আমরা যদি সচেতন হই তাহলে আমরা উপকৃত হব। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের শরীরের উপর এর প্রভাব পড়বে।  এর একটি ছোট্ট উদাহরণ হলো- ইয়ারফোন, যা আমরা লেপটপ বা স্মার্ট ফোনে ব্যবহার করে গান বা গুরুত্বপূর্ণ কিছু শুণে থাকি। কিন্তু এই ইয়ারফোন অতিরিক্ত ব্যবহার করার মাধ্যমে আমরা নিজেদের অজান্তেই ক্ষতি করে ফেলছি। নিচে এর কিছু খারাপ প্রভাব উপস্থাপন করা হলো। ১) কানে বায়ু চলাচলে ক্ষতিনিজেদের সুবিধার জন্য অনেকেই ইয়ারফোন ব্যবহার করে থাকেন৷ এর দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার কানে বায়ু চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি করে। এর ফলে কানে সংক্রমণ সৃষ্টি হবে এবং দেখে দেবে নানান সমস্যা। ২) শ্রবণশক্তি হ্রাসইয়ারফোনে ৯০ ডেসিবলের উপরে শব্দ শুনলে শ্রবণশক্তিতে সমস্যা সৃষ্টি হবে। এমনকি শ্রবণশক্তি চিরতরে হারিয়েও যেতে পারে। ১০০ ডেসিবলের উপর মাত্র ১৫ মিনিট এয়ারফোন ব্যবহার করলে শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যাবে। ৩) শ্রবণশক্তির জড়তাযারা প্রতিনিয়ত এয়ারফোন ব্যবহার করেন তাদের শ্রবণশক্তিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। তারা কানে কম শুণতে শুরু করবেন। একপর্যায়ে শ্রবণশক্তিও হারিয়ে যেতে পারে। ৪) মস্তিষ্কে সমস্যাবর্তমানে ইয়ারফোন কিছু তড়িত-চুম্বকীয় তরঙ্গ তৈরি করে, যা মস্তিষ্কের জন্য খুবই ক্ষতিকর। প্রতিনিয়ত ইয়ারফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। ৫) ইনফেকশনইয়ারফোন ব্যক্তিগত থাকাই ভালো৷ কিন্তু অনেকেই তা বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন। এতে কানে ইনফেকশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায় । তাই প্রত্যেককে এই বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত। উপরোক্ত সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে কম ভলিউমের ইয়ারফোন ব্যবহার করা উচিত। তবে তা দীর্ঘক্ষণ নয়৷ রাস্তায় চলার সময় ইয়ারফোন ব্যবহার না করাই ভাল। সূত্র: কলকাত টুয়েন্টিফোর এমএইচ/এসি 

ফোরজি কি

ফোরজি হলো ফোর্থ জেনারেশন শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ, যার বাংলা অর্থ হলো চতুর্থ প্রজন্ম। এটি একটি তারবিহীন টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উত্তরসূরি।  ফোরজির মূল সুবিধা হচ্ছে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।  এর গতি হবে সর্বনিম্ন ১০০ মেগাবাইট। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া  ছাড়াও গ্রাহক সব সময়ই মোবাইল অনলাইন ব্রডব্যান্ডের আওতায় থাকতে পারবে। ফোরজির মাধ্যমে মোবাইলে কথোপকথন ও তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা অনেক বেশি ও শক্তিশালী হবে। ফোরজি হচ্ছে দুই প্রকার। ২০০৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম মোবাইল ওয়াইম্যাক্স এবং ২০০৯ সালে নরওয়ের ওসলো এবং সুইডেনের স্টকহোমে প্রথম লং টার্ম ইভোলিউশন বা এলটিই সেবা চালু করে। তবে বর্তমানে ফোজির সেসব প্রাথমিক সংস্করণগুলোকে বাস্তবিক ফোরজি হিসেবে দাবী করা যাবে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, যার প্রধান কারণ হল আইএমটি অ্যাডভান্সডের কিছু প্রয়োজনীয় নিয়ম।   ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে, আইটিইউ-আর ফোরজি প্রযুক্তির দুটি স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদন করে। এর একটি হচ্ছে এলটিই অ্যাডভান্সড এবং অপরটি হচ্ছে ওয়্যারলেসম্যান অ্যাডভান্সড। ফোরজি সুবিধার ক্ষেত্রে আইএমটি-অ্যাডভান্সড সেলুলার সিস্টেম নিচের যোগ্যতাগুলো অবশ্যই পূরন করতে হবে। ফোরজি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপিভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে। ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনও কোনও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন। ২০০৮ সালের মার্চে আইইউটি-আর আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের বেতার যোগাযোগ সেক্টর ফোরজির প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তুসমূহের একটি রূপরেখা প্রবর্তন করে। মোবাইল ওয়াইম্যাক্স এবং এলটিই-এর প্রথম অবমুক্তির পর থেকে যেসব সেবা প্রতি সেকেন্ডে এক গিগাবিটের কম গতি প্রদান করে, আইইউটি-আর এর নীতি অনুযায়ী সেগুলোকে ফোরজি সেবা বলা যাবে না, যদিও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলোকে ফোরজি সেবা বলেই বাজারজাত করে। আগের প্রজন্মগুলো সার্কিট সুইচিং, সার্কিট-সুইচড টেলিফোনি সমর্থন করলেও, ফোরজি তা করেনা। তবে এটি ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক সকল সেবা যেমন: আইপি টেলিফোনি সমর্থন করে। টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন প্রজন্মের নামকরণের মাধ্যমে মূলত টেলিযোগাযোগ সেবার কিছু প্রযুক্তিগত পরিবর্তনকে বোঝায়। প্রায় দশ বছর পর পর টেলিযোগাযোগ প্রজন্মের পরিবর্তন ঘটে। এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ১৯৮১ সালের অ্যানালগ (ওয়ানজি) থেকে ১৯৯২ সালে ডিজিটাল (টুজি) স্থানান্তর প্রযুক্তিতে পরিবর্তনের মাধ্যমে। এরপর ২০১১/২০১২ সালে আসে আসল ফোরজি, যা সমর্থন করে অল-ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক প্যাকেট সুইচড নেটওয়ার্ক, যা ব্যবহারকারীকে আল্ট্রা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে। ধারণা করে হচ্ছে, ফোরজি আমাদের জীবনধারায় অনেক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। কিন্ত দেশের মানুষের ফোরজি নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে। কারণ দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এখনও থ্রিজি ঠিক মতো পৌঁছেনি। তাই সময়ই বলে দিবে ফোরজি দেশের মানুষের জন্য কতটুকু আর্শিবাদ বয়ে আনতে সক্ষম হবে। একে// এআর

গ্রাহকদের যে সুবিধা দেবে ফোর-জি

বাংলাদেশে আজ সোমবার থেকে ফোর-জি সার্ভিস চালু হওয়ার পর বাংলাদেশের গ্রাহকরা আগের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে ইন্টারনেটে তথ্য-আদান প্রদান করতে পারবেন বলে মনে করছে বাংলাদেশ টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন বিটিআরসি। তবে ফোর-জি`র পুরো সুবিধে ভোগ করতে গেলে যে ধরণের অবকাঠামো এবং মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসেট থাকা দরকার, তার ঘাটতি থাকার বিষয়টিও স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটি। বিটিআরসি গত সপ্তাহে ঢাকায় এক উন্মুক্ত নিলামে ফোর-জি ফ্রিকোয়েন্সী বা তরঙ্গ বিক্রি করে। বাংলাদেশের দুটি বড় মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীন ফোন এবং বাংলা লিংক এতে অংশ নেয়। নিলাম থেকে বাংলাদেশ সরকারের কোষাগারে ৫ হাজার ২শ ৬৮ কোটি টাকা আসে বলে বিবিসিকে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহাজাহান মাহমুদ । এর আগের প্রজন্মের প্রযুক্তি ছিল টু-জি এবং থ্রী-জি। টু-জিতে কেবল ফোন কল করা এবং টেক্সট মেসেজ পাঠানো যেত। থ্রী-জি প্রযুক্তিতে মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল করা এবং মিউজিক ও ভিডিও ডাউনলোড করার সুযোগ তৈরি হয়। থ্রী-জি`তে যা যা করা সম্ভব, তার সবকিছু ফোর-জি`তেও করা যাবে, তবে দ্রুতগতিতে এবং ভালোভাবে। কিন্তু বাংলাদেশে থ্রী-জি সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের অনেক অভিযোগ রয়েছে। দেশের মোবাইল ফোন অপারেটররা যেখানে থ্রী-জি সেবা ঠিকমত দিতে পারেনি, সেখানে এই নতুন সেবা কতটা দিতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আবু সাঈদ মনে করেন, ফোর-জি চালু হওয়ার পর দেশের অভ্যন্তরে ডিজিটাল বিভক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে। কারণ বড় বড় শহরের মানুষেরা এ সুবিধা পেলেও দেশের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষগুলো এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। তার যুক্তি হচ্ছে, গ্রাহক স্পিড পাবে না, পাবে ভলিউম। তার ওপর গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে তার সিমটি ফোর জি তে আপগ্রেড করার জন্য। কোনো ধরনের চার্জ নেওয়া এ পর্যায়ে অনৈতিক। এই অর্থ নেয়ার অধিকার নেই। টু-জি থেকে যখন থ্রি-জিতে আসে তখন তো কোনো চার্জ নেওয়া হয়নি। তবে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো অপারেটরই গ্রাহকদের মানসম্পন্ন থ্রী-জি সেবা দিতে পারেনি। ফোর জি সেবা দেবে কিভাবে। সূত্র: বিবিসি একে// এআর

ফোরজি সেবা পেতে করণীয় (ভিডিও)

চতুর্থ প্রজন্মের (ফোরজি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালু হচ্ছে আজ সোমবার থেকে। অনেকেই হয়তো জানেন না ফোরজি আসলে কি? ফোরজি হচ্ছে ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ব্যবহৃত হয় চতুর্থ প্রজন্মের তারবিহীন টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তিকে বুঝাতে। এটি তৃতীয় প্রজন্মের (থ্রিজি) টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উত্তরসূরি। ফোরজি প্রযুক্তি ল্যাপটপ, স্মার্টফোন বা অন্যান্য মোবাইল যন্ত্রে মোবাইল ব্রডব্যান্ড মোবাইল আল্ট্রা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে থাকে। এ তো গেলো ফোরজি সম্পর্কে সাধারণ একটি ধারণা। কিন্তু আপনার সিমটি ফোরজি সুবিধা পাচ্ছে কিনা তা হয়তো জানেন না! সেই সমস্যার সমাধান দিবে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো। আর সিমটি ফোরজি কি না, সেটি জানা যাবে বিনা মূল্যে। মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো কিছু নম্বর দিয়েছে, যা ডায়াল করলে এবং খুদে বার্তা পাঠালেই ফিরতি বার্তা চলে আসবে। আর সংশ্লিষ্ট অপারেটরগুলো সেই বার্তায় জানিয়ে দেবে যে আপনার সিমটি ফোরজি কি না। ইতিমধ্যে মোবাইল অপারেটরগুলো ফোরজি সেবা পেতে আগ্রহী ব্যক্তিদের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে সিম বদলে নেওয়ার জন্যও বার্তা পাঠিয়েছে। ফোরজি টেলিযোগাযোগ সেবা পেতে ঳ সিমকার্ড ও হ্যান্ডসেটটি এ প্রযুক্তির উপযোগী হতে হবে। ঳ সিমটি ফোরজি কি না, সেটি বিনা মূল্যে জানার সুযোগ আছে। ঳ গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা মোবাইল ফোন থেকে *১২১*৩২৩২# ডায়াল করলেই ফিরতি বার্তায় সিমটি ফোরজি কি না, তা জানতে পারবেন। ঳ রবির গ্রাহকদের এ জন্য ডায়াল করতে হবে *১২৩*৪৪#। ঳ বাংলালিংকের গ্রাহকেরা মোবাইল ফোন থেকে 4G লিখে ৫০০০ নম্বরে খুদে বার্তা পাঠালে ফিরতি বার্তায় ফোরজি সিমের বিষয়ে তথ্য পাবেন। ঳ টেলিটক তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য এখনো এ ধরনের কোনো সেবা চালু করেনি। সিমটি যদি ফোরজি না হয় সিমটি যদি ফোরজি না হয় তবে সংশ্লিষ্ট মোবাইল ফোন অপারেটরের গ্রাহকসেবা কেন্দ্র থেকে পরিবর্তন করে নিতে হবে। এ জন্য মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক) খরচ পড়বে ১১৫ টাকা। সিম পরিবর্তন করতে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ছবি ও আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন) দিতে হবে। ফোরজি নেটওয়ার্কে সুবিধা ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য। ফোরজির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। বলাই হচ্ছে, এর গতি হবে সর্বনিম্ন ১০০ মেগাবাইট। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। এ ছাড়া এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক সব সময়ই মোবাইল অনলাইন ব্রডব্যান্ডের আওতায় থাকতে পারবে। ফোরজির মাধ্যমে মোবাইলে কথোপকথন ও তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা অনেক বেশি ও শক্তিশালী। এ ছাড়া ফোরজি মোবাইল গ্রাহকদের ভয়েস মেসেজ, মাল্টিমিডিয়া মেসেজ, ফ্যাক্স, অডিও-ভিডিও রেকর্ডিংসহ নানা ধরনের সুবিধা দেয়। এ ছাড়া এর ডাউনলিংকের ক্ষেত্রে লিংক স্পেকট্রাল এফিসিয়েন্সি প্রতি সেকেন্ডে ১৫ বিট এবং আপলিংকের ক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৭৫ বিট হবে। ভিডিওতে দেখে নিন কি করতে হবে : এসএ/  

কাল চালু হচ্ছে ফোর-জি নেটওয়ার্ক

আগামীকাল সোমবার থেকে সারাদেশে চালু হচ্ছে ফোর-জি নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছে ফোর-জি লাইসেন্স হস্তান্তর করবে বাংলাদেশ টেলিকমিনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন। এরপর রাতেই মোবাইল অপারেটরগুলো চালু করবে বহুল প্রতীক্ষিত চতুর্থ প্রজন্মের এই মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা। ঢাকা ক্লাবের ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগা ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। সভাপতিত্ব করবেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে মোবাইল সংযোগ দেওয়া অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি এবং টেলিটকের কাছে হস্তান্তর করা হবে এ লাইসেন্স। বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্র জানা যায় যে, লাইসেন্স পাওয়ার পরপরই ফোর-জি বা এলটিই সেবা চালু করবে তারা। এর জন্য সকল প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও নিশ্চিত করে গ্রামীণ ফোন এবং বাংলালিংক। লাইসেন্স পাওয়ার ১৫ মিনিটের মধ্যেই রাজধানীর গুলশান, বনানী, উত্তরা, ধানমন্ডিসহ বেশকিছু এলাকায় ফোর-জি সেবা চালু করবে গ্রামীণ ফোন। পাশাপাশি ঢাকার বাইরে একটি বিভাগীয় শহরেও চালু করা হবে এ নেটওয়ার্ক। তবে সেই বিভাগীয় শহর কোনটি সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে লাইসেন্স হাতে পাওয়ার পর ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিশেষ কিছু অঞ্চলে ফোর-জি সেবা চালু করবে আরেক শীর্ষ মোবাইল সংযোগ অপারেটর বাংলালিংক। বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস বলেন, "আগামীকাল ফোরজি সেবা চালুর জন্য আমরা আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছি।" "ফোরজি অগণিত সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে বাংলাদেশকে ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে । আগামীকাল আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবো।" এছাড়াও সরকারি মালিকানাধীন মোবাইল সংযোগ অপারেটর টেলিটকে ফোর-জি আসতে কিছুটা দেরি হবে। সাম্প্রতিককালে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান যে, টেলিটক চলতি বছরের মে মাস নাগাদ ফোর-জি সেবা চালু করবে। তবে এ বিষয়ে রবি’র তরফ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ ডিসেম্বর ফোরজি/এলটিই সেলুলার মোবাইল ফোন সার্ভিসের লাইসেন্সের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি দেয় বিটিআরসি। তবে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওয়াইম্যাক্স সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান বাংলা লায়নের করা রিটের সিদ্ধান্তে ছয় মাসের স্থগিতাদের দিয়েছিল উচ্চ আদালত। আর এতে প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পরেছিল দেশের ফোর-জি সেবা চালুর সম্ভাবনা। কিন্তু সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল চালু হচ্ছে এই সেবা। এর আগে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি ফোর-জি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, টেলিটক এবং সিটিসেল। তবে বিনিয়োগ না পাওয়ায় নিজেদের আবেদন উঠিয়ে নেয় সিটিসেল। যে কারণে সর্বশেষ লাইসেন্স পেতে যাচ্ছে এই চার প্রতিষ্ঠান। এসএইচএস/টিকে

পড়তির মুখে চীনা স্মার্টফোনের বাজার

প্রথমবারের মতো ২০১৭ সালে কোনো প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি চীনের স্মার্টফোনের বাজার। ফলে টানা আট বছরের প্রবৃদ্ধির ধাক্কা খেল বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই মোবাইল ফোন বাজার। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে চীনের স্মার্টফোন ব্যবসা কমেছে ৪ শতাংশ।  চীনের ফোনের বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে মূলত স্মার্টফোন হুয়াওয়ে, ভিভো, অপো। তবে ২০১৭ সালে হুয়াওয়ে কিছুটা সফল ছিল। দুই অঙ্কের ঘরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে কোম্পানিটির। কিন্তু অপো ও ভিভোর স্মার্টফোন সরবরাহ কমেছে যথাক্রমে ১৬ ও ৭ শতাংশ। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের স্মার্টফোনের বাজার দখল করে রাখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল ও দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং। তবে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে ছোট ছোট চীনা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ব্র্যান্ড মাথা তুলে দাঁড়ায়। চীনের বড় বড় শহর যেমন বেইজিং ও সাংহাইয়ের মানুষ আইফোন ও গ্যালাক্সি ছাড়া ভাবতে পারে না। কিন্তু প্রত্যন্ত অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ দামের কারণে এসব ফোন কিনতে পারত না। এমন অবস্থায় ভোক্তাদের সর্বোচ্চ প্রযুক্তির ফোন কম দামে দিতে বাজারে আসে অপো ও ভিভো। মূলত দ্রুতগতির এন্ট্রি-লেভেল ফোন খুবই সুলভ মূল্যে দিচ্ছিল চীনা কোম্পানিগুলো। ফলে চীনের বাজারে ফোনের চাহিদার একটি পরিবর্তন দেখা দেয়। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের আগস্ট পর্যন্ত অ্যাপলের সমপরিমাণ স্মার্টফোন বিক্রি করেছে হুয়াওয়ে। ক্যানালিসের গবেষক মো. জিয়া বলছেন, ‘চীনে স্মার্টফোন বিক্রি কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে, ক্রেতারা ইতিমধ্যে বেসিক ফোন থেকে এন্ট্রি-লেভেল স্মার্টফোন নিয়ে ফেলেছেন। ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো এমন সব ফোন তৈরি করছে, যার ফিচারগুলো আইফোন ও স্যামসাংয়ের ফোনের সমতুল্য। গ্রাহকেরা বলছেন, এখন তাঁদের যে ফোনটি আছে, তা যথেষ্ট ভালো।’ জিয়া বলেন, অপো ও ভিভো রাশিয়া ও জাপানের মতো দেশগুলোতে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চাইছে। এ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ায়ও বাজার আরও গভীর করছে তারা। আর হুয়াওয়ের নজর বাজেট স্মার্টফোনের দিকে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা এই ব্র্যান্ডটির কদর নেই। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই ফোনের চাহিদা বাড়ছে। ক্যানালিস মনে করছে, ২০১৯ সালে পঞ্চম জেনারেশন (ফাইভ-জি) ডিভাইস বাজারে আসার আগ পর্যন্ত চীনের স্মার্টফোনের বাজার আর বিস্তার লাভ করবে না। সূত্র: সিএনএন একে// এআর

দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ব্যবসা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিচ্ছে উবার

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান উবার তাদের দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ব্যবসা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।এর অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক গ্র্যাব-এর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চুক্তির কথা চলছে। তবে এ বিষয়ে দুই প্রতিষ্ঠান এখনও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। অন্যদিকে কবে নাগাদ এটি চূড়ান্ত করা হবে তাও বলা হয়ি নি। এর আগে চীনের ডিডি’র এক কোম্পানির সাথেও এ ধরণের চুক্তি করেছিল উবার। এ কোম্পানির কাছে ক্রমাগত বাজার হারানোর পর এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি। এদিকে জাপানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সফটব্যাংক-এর সাথে চলতি বছর জানুয়ারিতে উবার একটি চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী জাপানি প্রতিষ্ঠান উবারের ১৭.৫ শতাংশ শেয়ার কিনে নেন। সূত্র: সিএনবিসি   এমএইচ/ এআর

১০ শতাংশ নগদ সহায়তা পেতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্সাররা

তথ্য-প্রযুক্তির যুগে ফ্রিল্যান্সিং এখন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীরা ঝুকছে এ পেশায়। সহজে ঘরে বসে আয় করা যায় বলে অনেকেই এ পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চান।এদিকে বাংলাদেশ সরকার এ খাতকে আরোও বেশি গতিশীল করার জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছেন। এর অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক আউটসোর্সকে ক্যাশ ইনসেনটিভ দেয়ার তালিকায় রাখা হয়েছে। তারা সরকারের ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা বা ভর্তুকি পাচ্ছেন। ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা বা ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার দিয়েছে । কিন্তু এতে  ব্যক্তি পর্যায়ে আউটসোর্সিং করা ফ্রিল্যান্সাররা তা পাবেন কিনা তা স্পষ্ট করা হয়নি। এ সম্পর্কে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার জানান, শুধু প্রতিষ্ঠান ছাড়াও  যারা ব্যক্তিগতভাবে ফ্রিল্যান্সিং করেন তারাও যাতে নগদ সহায়তা পেতে পারেন এ চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান  দ্বিতীয়। এমএইচ/ এআর      

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি