ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ২৩:২১:৩৪

পাঁচশ থানায় রবি’র ৪.৫ জি

পাঁচশ থানায় রবি’র ৪.৫ জি

দেশের পাঁচশ থানায় ছয় হাজারের বেশি বিটিএস সাইটে ৪.৫জি এবং ফোরজি প্লাস সাইট চালু করেছে রবি। পাশাপাশি রবিতে ৪.৫জি গ্রাহক সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ এই মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরের।
বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার

আগামী ১৭ জুলাইয়ের পর আর ইয়াহু ম্যাসেঞ্জার ব্যবহার করা যাবে না। কারণ ওই দিনের পর থেকে এই পরিষেবাটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে যারা নিজেদের পুরনো চ্যাট রেকর্ড হিসেবে রাখতে ইচ্ছুক, তারা ৬ মাস পর্যন্ত সময় পাবেন চ্যাটলগ ডাউনলোড করার জন্য। গত শুক্রবার এমনটাই ঘোষণা করেছে ইয়াহু। ১৯৯৮ সালের ৯ মার্চ আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল ইয়াহু ম্যাসেঞ্জারের। আর সেই সঙ্গেই ইন্টারনেটের সাহায্যে ‘রিয়াল টাইম টেক্সট মেসেজ’-এর ক্ষেত্রে এক নতুন দীগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। সেই থেকেই শুরু ‘চ্যাটিং’-এর। সেই ২০ বছরের পুরনো ‘মেসেজিং সার্ভিস’ এ বার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তবে ‘রিয়াল টাইম মেসেজিং’ পরিষেবা থেকে একেবারেই নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছে না ইয়াহু। জানা গেছে, ইয়াহু স্কুইরেল নামে একটি নতুন মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করছে সংস্থাটি। ইয়াহু’র চিফ আর্কিটেক্ট এমোটজ মাইমন জানান, নতুন পরিষেবাগুলোর দিকে বিশেষভাবে নজর দিতে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরনো ইয়াহু মেসেঞ্জার। পুরনোটি বন্ধ হয়ে গেলে অ্যাপটির চ্যাট কিংবা কোনও তথ্যে প্রবেশ করতে পারবেন না ব্যবহারকারীরা। এ জন্য পুরনো সংস্করণের মেসেঞ্জার অ্যাপলিকেশনের পরিবর্তে ডিসেম্বর, ২০১৭-এ বাজারে আসা নতুন সংস্করণের ইয়াহু মেসেঞ্জার অ্যাপলিকেশনটি ব্যবহার করতে ইউজারদের অনুরোধ জানান তিনি। সূত্র: জিনিউজ একে//

প্রাণের রসদ মিলেছে মঙ্গলের মাটিতে

মঙ্গল গ্রহের মাটিতে প্রাণের রসদ থাকার জোরালো প্রমাণ মিলেছে।নাসার পাঠানো মঙ্গলযান ‘কিউরিওসিটি রোভার’একগুচ্ছ জৈব-যৌগের খোঁজ পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ দাবি করেছে নাসার বিজ্ঞানীরা। লালগ্রহের বায়ুস্তরে মিথেনের মাত্রা কখনো বাডবে, কখনো কমে বলে ধারণা করেছেন তারা। মেরিল্যান্ডে নাসার ‘গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার’-এর অ্যাস্ট্রোবায়োলজিস্ট জেনিফার আইগেনব্রড বলেন, ওই জৈব-যৌগের তিনটি উৎস থাকতে পারে। এক, হতে পারে প্রাণ, আমরা যেটা জানিই না। দুই, মঙ্গলের মাটিতে উল্কাপাত হয়ে থাকতে পারে। যা থেকে ওই জৈব-যৌগের আমদানি ঘটেছে মঙ্গলের মাটিতে। এবং সর্বশেষ, কোনো ভৌগোলিক পদ্ধতিতে ওই বিশেষ পাথরটি (যাতে জৈব-যৌগটি মিলেছে) তৈরি হয়েছে। আইগেনব্রড বলেন, প্রাণের সঞ্চারের জন্য যা যা প্রয়োজন, সবই রয়েছে লালগ্রহে; কিন্তু তাতে এটা বলা যায় না, মঙ্গলে প্রাণ ছিল। মঙ্গলযানের পাঠানো তথ্য নিয়ে বেশ উত্তেজিত বিজ্ঞানীরা। নাসা জানিয়েছে- ৩৫০ কোটি বছরের পুরনো কাদাপাথর (প্রস্তরীভূত শিলা) খুঁড়ে মাত্র ৫ সেন্টিমিটার নীচে তিন ধরনের জৈব-যৌগের কণা খুঁজে পেয়েছে মঙ্গলযান। কিউরিওসিটির পাঠানো দ্বিতীয় চমকপ্রদ তথ্যটি হলো- পৃথিবীর পড়শি গ্রহটিতেও বিশদ ঋতুচক্র রয়েছে। কোনো ঋতুতে বায়ুস্তরে মিথেনের মাত্রা বাড়ে, কখনো আবার কমে।    পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত মিথেনের ৯৫ শতাংশ তৈরি হয় জৈবিক কার্যকলাপ থেকে। সূত্র : আনন্দবাজার। এমএইচ/

পৃথিবীর ২৭ গুণ বড় গ্রহের সন্ধান

সৌরমণ্ডলের বাইরে আরও একটি গ্রহের খোঁজ মিলল। সেই আবিষ্কার ঘটল এক বাঙালির নেতৃত্বে একদল ভারতীয় বিজ্ঞানীর হাত ধরে। পৃথিবী থেকে ৬০০ আলোকবর্ষ দূরের এক তারা বা নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে ওই গ্রহটি। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৭ গুণ বড়। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর অধীনে আমদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা এই আবিস্কার করেন। এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঙালি বিজ্ঞানী অভিজিৎ চক্রবর্তী। অভিজিৎ জানান, শনির চেয়ে ছোট, অথচ নেপচুনের চেয়ে বড় এমনই একটি ভিনগ্রহের সন্ধান পেয়েছি আমরা। ২৭টি পৃথিবী জুড়লে যতটা হয়, ঠিক সেই চেহারারই এই গ্রহের। আর ব্যাস পৃথিবীর ব্যাসের ছ’গুণ। আমাদের ছায়াপথের এই সদ্য আবিষ্কৃত তারামণ্ডলটি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে গবেষণা করছে ইসরো। তবে কিছু কিছু তথ্য এর মধ্যেই বিজ্ঞানীদের কাছে স্পষ্ট। যেমন আমাদের সূর্য থেকে আমাদের পৃথিবীর যে দূরত্ব (৮ আলোকমিনিট), তার সাত ভাগের এক ভাগ হল নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটির সঙ্গে তার সূর্যের (নাম এপিক-২১১৯৪৫২০১) দূরত্ব। তার মানে, ওই ভিনগ্রহটি তার নক্ষত্রের অনেক বেশি কাছাকাছি আছে। ফলে, গ্রহটির বছর হয় ১৯.৫ দিনে। আগেই বলা হয়েছে নতুন আবিষ্কৃত গ্রহটি আমাদের থেকে ৬০০ আলোকবর্ষ দূরে। শূন্য স্থানে আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকেই বলা হয় এক আলোকবর্ষ। এই ভাবে এক মিনিটে আলো যতটা যায়, তাকে বলা হয় এক আলোকমিনিট। যাই হোক, এই ৬০০ আলোকবর্ষ দূরত্বকে কিলোমিটারে হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রায় ১০ লক্ষ কোটি কিলোমিটার। সূত্র : আনন্দবাজার। / এআর /

ফেসবুকে দেখা যাবে সংবাদ

কেলেঙ্কারির পর থেকে ফেসবুক তাদের ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস পুনঃস্থাপনের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে তারা এবিসি, সিএনএন এবং ফক্স নিউজের মাতো টিভি চ্যানেলের সংবাদমূলক অনুষ্ঠান প্রচার করবে। ফেসবুক তাদের ‘ভিডিও সার্ভিস’ এর মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানগুলো সম্প্রচার করবে। এরই মধ্যে ওই টিভি চ্যানেলগুলোর সঙ্গে ভিডিও সম্প্রচার নিয়ে চুক্তিও হয়েছে। সম্প্রচারের জন্য এই চ্যানেলগুলো ফেসবুকের নিজস্ব অর্থানেই তৈরি করবে। স্বাভাবিকভাবেই সেগুলো শুধু ফেসবুকে সম্প্রচারের জন্যই তৈরি করা হবে। ফেসবুকের গ্লোবাল নিউজ পার্টনারশিপের প্রধান ক্যাম্পবেল ব্রাউন বলেন, আমরা ছয় মাস ধরে পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানের ওপর জোর দিয়েছি। তিনি আরোও বলেন, জনপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল ছাড়াও অন্য সংবাদমাধ্যমগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ফেসবুক এবং আশা করা যাচ্ছে এই মাসের মধ্যে আরও কিছু ঘোষণা আসবে।   এমএইচ/ এসএইচ  

উড়ুক্কুযান আনলো কিটি হক

যাত্রী নিয়ে আকাশে উড়বে যান। ভাবতে অবাক লাগলেও এমন যান উন্মোচন করেছে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কিটি হক। উড়ুক্কু যানকে মানুষের ‘দৈনন্দিন জীবনের অংশ’ করার লক্ষ্যেই এ যানটি উন্মোচন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, গ্রাহক চাইলে এখনই কিনতে পারবেন ফ্লাইয়ার। ফ্লাইয়ার নামের এ যানটি ওড়ানো একাবারে সহজ বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও সেবাস্টিয়ান থরুন। তিনি বলেন, এটি বিনোদনমূলক কাজের জন্য নিখুঁত। এছাড়া সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এটি অত্যন্ত নিঃশব্দে চলে। তবে উড়ুক্কুযানটির বাজারমূল্য এখনও নিশ্চিত করে বলা হয়নি। ছোট এই উড়ুক্কুযানটির পাখার বিস্তৃতি ৮x১৩ ইঞ্চি। এ যানটি মাত্র একজন ব্যক্তিকে উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারবে। গতি এবং সর্বোচ্চ উচ্চতার দিক থেকে কিছুটা কম আকর্ষণীয় হতে পারে এটি। তিন মিটার উচ্চতায় ঘন্টায় সর্বোচ্চ ২০ মাইল বেগে উড়তে পারে ফ্লাইয়ার। উড়ুক্কুযানটি যখন আকাশে থাকে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে ঘাস কাটার যন্ত্র (৫০ ফুট) বা জোরে কথোপকথনের (২৫০ ফুট) মতো শব্দ করে। সূত্র: সিএনএন একে//  

মঙ্গলে ৩ বিলিয়ন বছরের পুরনো জৈবপদার্থ

লাল এই গ্রহটিকে নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই মানুষের মাঝে। পৃথিবীর প্রতিবেশী এ গ্রহটিতে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে চলছে বিস্তর গবেষণা। এ উদ্দেশ্য নিয়ে ২০১২ সালে মঙ্গলে গিয়ে পৌঁছে নভোযান কিউরিওসিটি। এ পর্যন্ত মঙ্গলের বহু ছবি পাঠিয়েছে নাসার এ যানটি। তবে এবারের পাঠানো ছবিতে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার মঙ্গলে সন্ধান মিলেছে ৩ বিলিয়ন বছরের পুরনো জৈবপদার্থ। মঙ্গলের একটি প্রাচীন লেক থেকে এক ধরণের মিথেন গ্যাসের সন্ধান দিয়েছে কিউরিওসিটি। যা এত বছর ধরে বিদ্যমান রয়েছে। এমনকি গ্রীষ্ম, শীত, বসন্ত ঋতুভেদে তারতম্য ঘটে এ গ্যাসের। আর এতে মঙ্গলের প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনাকে আবারো জাগিয়ে তুলেছে। পৃথিবীর অধিকাংশ বার্যমন্ডলীয় মিথেন প্রাণী এবং উদ্ভিদ জীবন থেকে আসে। ধারণা করা হচ্ছে মঙ্গলেও এর তারতম্য হয়নি। এটা প্রাণের প্রত্যক্ষ প্রমাণ না হলেও, মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, মিথেন ছাড়া প্রাণের বিস্তার সম্ভব নয়। নতুন এই তথ্যকে মঙ্গল গবেষণায় মাইলফলক বলছে নাসা। মঙ্গল চষে বেড়ানো নাসার নভোযান কিউরিওসিটির পাঠানোর ছবি ঘেঁটে বিজ্ঞানীরা বলছেন, লাল গ্রহটির বিষুবরেখার কাছে যে শুষ্ক হ্রদ, সেখানেই পাওয়া গেছে এই জৈবযৌগ। ঋতুভেদে চরিত্র বদলানো এই মিথেনের বয়স ৩ বিলিয়ন বছর। তথ্যগুলো নাসার মহাকাশ-জীববিদ্যা গবেষণাকেই প্রাণময় করে তুলেছে। নতুন করে ভাবছে বিজ্ঞান, অতীতে কোনও এক সময়ে সত্যিই কি মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত ছিল... নাকি এখনও আছে!   একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি