ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২২:৩২:১৩

হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমার পার্থক্য কী

হাইড্রোজেন বোমা ও আণবিক বোমার পার্থক্য কী

যুদ্ধ ও বোমা নিয়ে এখন সরগরম গোটা বিশ্ব৷ উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি, পাল্টা হুমকিতে বারবার ঘুরেফিরে আসছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমার কথা ৷ পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হচ্ছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা। পারমাণবিক বোমার শক্তি বিশ্ববিদিত ৷ কিন্তু তার চেয়েও শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমা৷ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধ নিয়ে যে হুমকি, পাল্টা হুমকির পর্ব চলছে, তাতে এই দুটি বোমার প্রসঙ্গ বারবার উঠে আসছে৷ উত্তর কোরিয়া ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তার কাছে পারমাণবিক বোমা ও হাইড্রোজেন বোমা আছে ৷ এর একটাও যদি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, তবে গোটা বিশ্ব তার ফল ভোগ করবে৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের উপর যখন আমেরিকা লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান ফেলেছিল, তখন কী হয়েছিল, তা কারোরই অজানা নয়৷ দুটোই ছিল পারমাণবিক বোমা ৷ নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় এই বোমা তৈরি করা হয় ৷ বোমাটি বিস্ফোরণ ঘটালে তার মধ্যস্থিত ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের পরমাণু ভাঙতে থাকে৷ সেখান থেকেই এনার্জি তৈরি হয়৷ যার পরিণতি ইতিমধ্যেই হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে দেখেছে বিশ্ব৷ এ-বোমা (অ্যাটোমিক বোম) প্রথম টেস্ট করা হয় মরুভূমিতে৷ জায়গাটি ছিল আমেরিকার নিউ মেক্সিকোয়৷ সময়টি ছিল ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই৷ মনহাট্টন প্রজেক্টের এটি ছিল সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ৷ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এর গবেষনা শুরু হয়৷ ব্রিটেন ও কানাডার সহযোগিতায় আমেরিকা এটি শুরু করেছিল । প্রজেক্টের দেশগুলি মনে করেছিল নাজি জার্মানিও এমনই কিছু পরিকল্পনা করছে৷ ১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট আমেরিকা জাপানের হিরোশিমার উপর প্রথম পরমাণু বোমাটি ফেলে৷ বোমার নাম ছিল লিটল বয়৷ বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ তবে অবস্থার এখানেই শেষ নয়৷ এখনও পর্যন্ত এর প্রভাব বয়ে চলেছে হিরোশিমায়৷ এর ঠিক ৩ দিন পর নাগাসাকির উপর ফ্যাট ম্যান ফেলে আমেরিকা৷ সেখানে ৭৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়৷ এই বোমা দুটির বিস্ফোরণের ফলে যে এনার্জি উত্পন্ন হয়, তা প্রায় ২০ হাজার টিএনটি (ট্রাই নাইট্রো টলুইন)-র সমান৷ দ্বিতীয় দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায় সোভিয়েত ইউনিয়ন৷ ১৯৪৯ সালে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা৷ ব্রিটেন হল তৃতীয় দেশ যেটি পারমাণবিক বোমা টেস্ট করে৷ চিন, ফ্রান্স, ভারত, উত্তর কোরিয়া ও পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷ ইজরায়েলের কাছে এই বোমা আছে কিনা তা জানাতে অস্বীকার করেছে তারা৷ পারমাণবিক বোমার থেকেও শক্তিশালি হাইড্রোজেন বোমা৷ এর আর এক নাম থার্মোনিউক্লিয়ার বোম৷ হাউড্রোজেনের আইসোটোপের নিউক্লিয় সংযোজন পদ্ধতিতে এই বোমা কাজ করে৷ এই বোমা বিস্ফোরণের ফলে যে উত্তাপ তৈরি হয় সেটি সূর্যের মধ্যস্থিত শক্তির সমান৷ এখনও পর্যন্ত হাইড্রোজেন বোমা কোনো যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়নি৷ হাইড্রোজেন বোম দুই প্রক্রিয়ায় বিস্ফোরণ হয় ৷ প্রথমে নিউক্লিয়ার বিস্ফোরণ হয়৷ এর ফলে প্রচুর পরিমাণে তাপ উত্পন্ন হয়৷ তারপর সেটি নিউক্লিয়ার ফিউশনকে উদ্দীপ্ত করে৷ গোটা প্রক্রিয়ায় বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে৷ মার্কিন সেনারা প্রথম হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করে ১৯৫২ সালে৷ পারমাণবিক বোমার চেয়ে এটি ৭০০ গুণ বেশি শক্তিশালী৷ এর এক বছর পর সোভিয়েত ইউনিয়ন নিজের হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়৷ সালটি ছিল ১৯৬১৷ তসার বোম্বা নামে একটি হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় তারা ৷ বিস্ফোরণের ফলে প্রায় ৫৭ মেগা টন শক্তি উত্পন্ন হয়৷ তবে এখনও পর্যন্ত কোনো যুদ্ধে হাইড্রোজেন বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়নি৷ ২০১৬ সালে উত্তর কোরিয়া একটি হাইড্রোজেন বোমা টেস্ট করে৷ উত্তর কোরিয়া ৩ সেপ্টেম্বর আরও একটি হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা করে। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টি ফোর /এম/এআর
৪০ বছর যাবৎ মহাকাশে হাঁটছে এই দুই পথিক

ভয়েজার-১ এবং ভয়েজার-২ নামে দুটি মাহাকাশযান মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। পাঠানোর ৪০ বছর পার হয়েছে। প্রত্যেকটি কথাই তারা রেখে চলেছে। একের পর এক ‘স্টেশন’ গিয়ে ছুঁয়েছে একের পর এক মাইলস্টোন। হাড়জমানো ঠাণ্ডায় আদিগন্ত, অতলান্ত মহাকাশে ঘন, জমজমাট, গা ছমছমে অন্ধকারে তারা ছুটে চলেছে। ৪০ বছর ধরে! দু’জনে দু’দিকে। মানবসভ্যতার পাঠানো প্রথম দুই মহাকাশযান। ভয়েজার-১ এবং ভয়েজার-২। মহাকাশেই যাদের এগিয়ে চলার জ্বালানি সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার রয়েছে।  দুই ‘পথিক’ই মহাকাশে এগিয়ে চলেছে ঘণ্টায় ৩০ হাজার মাইলেরও বেশি গতিবেগে। নাসা জানাচ্ছে, সেই যাত্রাপথে আমাদের গ্যালাক্সির পরবর্তী নক্ষত্রের ‘রাজত্বে’ পৌঁছতে ভয়েজার-১ মহাকাশযানের সময় লাগবে আরও ৪০ হাজার বছর! অজানা, অচেনা ব্রহ্মাণ্ডকে চিনতে জানতে দু’জনকে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল ৪ দশক আগে। ১৯৭৭-এ। দু’টিই নাসার মহাকাশযান। ভয়েজার-১ যাত্রা শুরু করেছিল ’৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আর তার ‘যমজ’ ভয়েজার-২ যাত্রা শুরু করেছিল তার ১৬ দিন আগে। ’৭৭-এর ২০ অগস্ট। ’৮০-র নভেম্বরে শনিকে ‘বাই বাই’ করে ভয়েজার-১ ঢুকে পড়েছিল আমাদের ছায়াপথ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির এমন এক জায়গায় যেখানে এর আগে সভ্যতা পৌঁছতে পারেনি কোনও দিন। এখনও পারেনি কেউ। সেটা আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের এলাকা বা ইন্টারস্টেলার স্পেস। দু’টি নক্ষত্রের মাঝের অঞ্চল। আজ থেকে ৫ বছর আগে ২০১২-র ২৫ অগস্ট সেই আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডল ছাড়িয়ে আমাদের সূর্য, গ্রহ-উপগ্রহ আর সৌর ঝড়কে ঘিরে থাকা ম্যাগনেটিক বাবল্স বা চৌম্বক বুদবুদগুলিকে (হেলিওস্ফিয়ার) পিছনে ফেলে আরও অনেক অনেক দূরে পৌঁছে গিয়েছে ভয়েজার-১। এর আগে আর কোনও মহাকাশযানই সূর্যের হেলিওস্ফিয়ার টপকানোর সাহস দেখাতে পারেনি। ভয়ডর না করে আমাদের সৌরমণ্ডলের চৌহদ্দি পেরিয়ে সূর্য থেকে সবচেয়ে বেশি দূরে পৌঁছনোর সাহস যদি দেখাতে পেরে থাকে কোনও মহাকাশযান, তা হলে সেটা ভয়েজার-১। যা রয়েছে এখন সূর্য থেকে ২ হাজার ১০০ কোটি কিলোমিটার বা ১ হাজার ৩০০ কোটি মাইল দূরে। গত ৪ দশক ধরে মহাকাশের আরেক ‘পথিক’ ভয়েজার-২ আজ থেকে ২৮ বছর আগে, ১৯৮৯’র অগস্টে নেপচুনকে ছেড়ে রওনা হয়ে গিয়েছে আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডল বা ইন্টারস্টেলার স্পেসের দিকে। আর কয়েক বছরের মধ্যেই তারও ঢুকে পড়ার কথা আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলে। ভয়েজার-২’ই প্রথম মহাকাশযান যা আমাদের সৌরমণ্ডলের বাইরের দিকে থাকা ৪টি গ্রহ- বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুনের কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছে। এই ভয়েজার-২ মহাকাশযানই প্রথম গিয়েছিল ইউরেনাস আর নেপচুনের মুলুকে। এটাই প্রথম মহাকাশযান যা বৃহস্পতি, ইউরেনাস ও নেপচুনের বলয়ের (রিং) ছবি তুলতে পেরেছিল। নাসা জানিয়েছেন, পৃথিবীর বাইরে ভিন গ্রহের অচিন মুলুকেও যে জীবন্ত আগ্নেয়গিরি রয়েছে, সবার আগে তার হদিশ দিয়েছিল ভয়েজার-১। দেখিয়েছিল বৃহস্পতির চাঁদ আইও’তেই রয়েছে জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। যা থেকে এখনও বেরিয়ে আসছে লাভাস্রোত। পৃথিবীর বাইরে অন্য গ্রহেও যে বজ্রবিদ্যুৎ হয়, ভয়েজার-১’ই প্রথম তার সন্ধান পেয়েছিল বৃহস্পতিতে। আর মহাকাশের প্রথম দুই লম্বা দৌড়ের ঘোড়াই প্রথম জানিয়েছিল পৃথিবীর মতো অতলান্ত মহাসাগর রয়েছে বৃহস্পতির চাঁদ ইউরোপাতেও। এখানেই শেষ নয়। ভয়েজার-১ মহাকাশযানই প্রথম পৃথিবীর বাইরে কোনও ভিন গ্রহের ভিন মুলুকে এমন বায়ুমণ্ডলের হদিশ পেয়েছিল, যেখানে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন। শনির চাঁদ টাইটানে। পাসাডেনায় নাসার জেট প্রোপালসন ল্যাবরেটরির (জেপিএল) মিডিয়া সেলের অন্যতম মুখপাত্র এলিজাবেথ লান্ডুই মেলে জানিয়েছেন, হেলিওস্ফিয়ার ছাড়িয়ে প্রথম আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলে ঢুকে পড়ার কৃতিত্ব দেখানো ছাড়াও ভয়েজার-১’ই প্রথম কোনও মহাকাশযান যা মহাজাগতিক রশ্মির (কসমিক রে) তীব্রতা মাপতে পেরেছিল। প্রথম মাপতে পেরেছিল আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিমাণও। নক্ষত্রদের মৃত্যুর সময় যে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ (সুপারনোভা) হয়, সেখান থেকে মহাকাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়া পদার্থ দিয়েই গড়ে ওঠে আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের পদার্থ। সেই আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের পদার্থের ঘনত্বও প্রথম মাপতে পেরেছিল ভয়েজার-১ মহাকাশযানই। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা এম/ডব্লিউএন

২৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ফোন নিয়ে এল ভিভো

চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা ভিভো সম্প্রতি ভিভো ভি 7 প্লাস নামের নতুন একটি স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে এসেছে। এই ফোনে রয়েছে ২৪ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা! বিশ্বে এটাই প্রথম ২৪ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরার স্মার্টফোন। কালো ও সোনালী দুটি রঙে আসছে ফোনটি। আপনি চাইলে ইতিমধ্যে অনলাইনে এই ফোনের অর্ডার দিতে পারেন। এই সেলফি ফোন বাজারে নিয়ে আসার কারণ জনপ্রিয় স্মার্টফোন অপ্পো এফ 3 এর সঙ্গে এই সংস্থা প্রতেযোগিতার বাজারে নামতে চাইছে। ভিভো ভি 7 প্লাস ফোনটির ডিসপ্লে ৫.৯৯ ইঞ্চি, ফুল এইচডি (৭২০X১৪৪০ পিক্সেল), ১৮:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিও। স্ক্রিনটি কর্নিং গরিলা গ্লাস 3 এর আবরণে ঢাকা ফলে তাতে কোনো আঁচড় পড়বে না। সেলফি ক্যামেরাটি ২৪ মেগাপিক্সেল এবং এফ/২.০ অ্যাপারচারের। এর সঙ্গে আছে সফট ফ্ল্যাশ। রিয়ার ক্যামেরাটি ১৬ এমপির। এছাড়া এতে ফেস বিউটি ৭.০ এবং পোট্রেট মোডও আছে। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড 7.2 নুগেট।প্রসেসরটি হলো অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৪৫০। সাথে ৪জিবি র‌্যাম। ৬৪জিবি মেমোরি ২৫৬জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। আরকে/ডব্লিউএন

কেন এটিএম কার্ডে ৪ অঙ্কের পিন?

বর্তমানে এটিএম কার্ডের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। ব্যাংকগুলো একের পর এক এটিএম বুথ স্থাপন করছেন। নগদ টাকা নিয়ে চলাচলের ঝামেলা রয়েছে, কিন্তু কার্ড থাকলে প্রয়োজন হলেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়ার সুবিধা আছে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চার অঙ্কের পিন নম্বর। এই কার্ডের চার অঙ্কের পিন যতক্ষণ সুরক্ষিত, আপনার টাকাও ততক্ষণ সুরক্ষিত। কিন্তু এই নম্বরটি চার অঙ্কেরই কেন হয়? কেন বেশি হয় না। এ নিয়ে রহস্যটাও বেশ মজার। ১৯৬৭ সালে এটিএম বা অটোমেটেড টেলারিং মেশিনের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়। এই মেশিন তৈরি করেন স্কটিশ বিজ্ঞানী জন অ্যাড্রিয়ান শেফার্ড-ব্যারন। তিনি প্রথমে এটিএম কার্ডের পিনের ক্ষেত্রে ৬ সংখ্যার কথা ভেবেছিলেন, কিন্তু তাঁর স্ত্রী একথা শুনেই বেঁকে বসেন। তাঁর স্ত্রীর মতে, ৬ সংখ্যার পাসওয়ার্ড মনে রাখা বেশ কঠিন। তাঁর অনুরোধেই অ্যাড্রিয়ান ৪ সংখ্যার পিন দেন। আর তখন থেকে সেটাই চলে আসছে। আর/ডব্লিউএন

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কেড়ে নিবে দৃষ্টিশক্তি

যুবকসহ সব বয়সীর হাতের মুঠোয় নিত্যসঙ্গী স্মার্টফোন। টাচ স্ক্রিনে অবিরাম আঙুলের স্পর্শে চলছে মেসেজ, ভিডিও গেম খেলা, খবর বা ছবি তোলা। চিকিৎসকদের দাবি, প্রযুক্তির এই লাগামছাড়া ব্যবহারই শারীরিক সমস্যা ডেকে আনছে। অতিরিক্ত ‘টাচ’ ফোন ব্যবহারের জন্য কনুই, চোখ, ঘাড়ের নানা সমস্যায় ভুগছেন ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সি ছেলে-মেয়েরা। বিগত পাঁচ বছরে এই ভুক্তভোগীর সংখ্যা ২৫ শতাংশ বে়ড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত ভাঁজ করে অতিরিক্ত সেলফি তুললে কনুইয়ের কাছে ব্যথা হতে পারে। চিকিৎসকেরা একে ‘সেলফি ড্যামেজ’ বলছেন। অত্যধিক ‘টাচ’ ফোন ব্যবহারের কারণে অনেকের বুড়ো আঙুলের স্নায়ুগুলো ঠিক মতো কাজ করে না। ভারতের স্নায়ুশল্য বিভাগের চিকিৎসক এস কে সাহা বলেন, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে স্নায়ুর সমস্যাও হচ্ছে। ফোন থেকে এক ধরণের রশ্মি নির্গত হয় যা শুধু হাত নয়। সারা শরীরের স্নায়ুর পক্ষে ক্ষতিকর। হাতের পাশাপাশি এটির ব্যবহার চোখ এবং ঘাড়ের ক্ষতি করছে। দীর্ঘক্ষণ ঘাড় নীচু করে ভিডিও গেম খেলার বা সিনেমা দেখার জেরে ঘাড়ের যন্ত্রণায় ভুগছেন অনেকেই। চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ সময় মোবাইলের উজ্বল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকায় চোখ থেকে পানি পড়তে থাকে। এর ফলে মাথা ব্যথা হয়, চোখের চারপাশ ভারী হয়ে যায়। পাশাপাশি, চোখের পলক পড়া কমে যায়। এর কারণ, স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় নিয়ম মতো চোখের পলক পড়ে না। এতে চোখের সামনের ঝাপসাভাব বাড়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর কারণে চোখের দৃষ্টিশক্তি কমতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ অবস্থায় অনেককে কাজের জন্য দিনের অধিকাংশ সময় মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়। প্রতি ২০ মিনিট অন্তর ২০ ফুট দূরের কোনও জিনিসের দিকে ২০ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকতে পারলে চোখের সমস্যা কমবে।   //আর//এআর

বাজারে এলইউএম’র নতুন কমান্ডো ক্রুজার বাইক

বাজারে এসেছে এলইউএম রেনেগ্রেডের নতুন কমান্ডো ক্রুজার বাইক। ক্ল্যাসিক ও মোজাভি দুটি মডেলে পাওয়া যাচ্ছে এই বাইক। যুক্তরাষ্টের মোজাভি মরুভূমির নামের সঙ্গে মিল রেখে বাইকটির নাম রাখা হয়েছে। বাইকটির ডিজাইন ও রঙ করা হয়েছে মরুভূমির সঙ্গে মিল রেখে। এছাড়াও সবুজ ও কালো দুইটি রঙের ডিজাইন আছে এই মডেলটির। ভারতের উত্তরখাণ্ডের কাশিপুরে অবস্থিত কারখানায় প্রস্তুত হয়েছে এই বাইকটি। ৪ ভালভের এই বাইকটিতে রয়েছে ২৭৯ সিসি’র শক্তিশালী ইঞ্জিন। ক্যা মসিক ও মোজাভি দুটি মডেলেই রয়েছে ৬-স্পিড ট্রান্সমিশন বক্স। শক্তিশালী ইঞ্জিনের এই বাইকটি ৭ হাজার আরপিএম –এ সর্বোচ্চ ২৩ এন এম টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। অর্থ্যাৎ আর সব ক্রুজার বাইক থেকে এর গতি হবে আরও দ্রুত। তবে এই বাইকটি কিনতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু। এখন শুধুমাত্র ভারতের বাজারেই পাওয়া যাচ্ছে এটি। তাও প্রি বুকিং-এ। তবে চলতি মাসে গ্রাহকের কাছে পৌছানো হবে জানায় সংস্থাটি। ক্ল্যাসিক মডেলটির জন্য ক্রেতাকে গুণতে হবে ১.৮৫লাখ রুপি এবং মোজাভির জন্য ১.৮০লাখ রুপি। সূত্রঃ আনন্দবাজার //এস এইচ//এআর

দূরপাল্লার বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজারে আনল নিসান

১৯৯৭ সাল থেকে জাপানী গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানি নিসান বাজারে নিয়ে এসেছে দূরপাল্লার বৈদ্যুতিক গাড়ি। এটি বর্তমানে প্রচলিত অন্যান্য গড়ির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন মডেলের এই গড়িটি এক চার্জেই ১৫০ মাইল যেতে সক্ষম। এটির আগের মডেলের চেয়ে ৪০ মাইল বেশি অতিক্রম করতে সক্ষম। অত্যাধুনিক নকশা ও স্বশাসিত ড্রাইভিং প্রযুক্তিও এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে । দ্রæত উন্নয়নশীল সবুজ গাড়ি মার্কেটের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হচ্ছে লিফ নামক বেস্ট সেলিং এই  বৈদ্যুতিক গাড়িটি। নতুন লিফ গাড়িটিতে রয়েছে ৪০ কিলোওয়াট ঘন্টা ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি। সূত্র : বিবিসি। //এআর    

স্মার্টফোনের চার্জ বাঁচানোর উপায়

স্মার্টফোনে বর্তমানে নানা অ্যাপস, গেম এবং অতিরিক্ত টেকনোলজির কারণে ফোনের চার্জ সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয় না। তাই ফোনের চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখা অনেকের প্রধান মাথা ব্যাথা। অনেক সময়েই দেখা যায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা ঘুরতে যাওয়ার মত জরুরি সময়ে ফোনের চার্জ ধরে রাখাটা কঠিন হয়ে পড়ে। এছাড়াও চরম লোডশেডিংয়ের সময় ফোনের চার্জ না থাকলে তো হয়ে গেল। আপনি চাইলে কিছু সহজ উপায়ে ফোনের চার্জ ধরে রাখতে পারবেন। আসুন জেনে নেই এমনই কিছু উপায়- ফোনের ব্লুটুথ এবং ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ রাখতে হবে। পুরোপুরি ফোন বন্ধ না করতে চাইলে ফোনটিকে ‘এয়ারপ্লেন মোডে’রাখতে পারেন। এতে করে ফোনে কল বা মেসেজ না আসলেও ফোনটি চালু থাকবে। বেশিরভাগ স্মার্টফোনে ইমেল এবং অন্যান্য অ্যাকাউন্ট সিংক করা থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত পুশ নোটিফিকেশন আসতে থাকে। আর এই পুশ নোটিফিকেশন বন্ধ করে আপনি অনেকটাই চার্জ ধরে রাখতে পারেন। জরুরি সময়ে ফোনে মিউজিক শোনা বা স্ট্রিমিং থেকে বিরত থাকুন। এটি আপনার ব্যাটারি ড্রেইনের অন্যতম কারণ। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস ফোনের অনেকখানি চার্জ শেষ করার কারণ। তাই যতটা সম্ভব ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে কল করার পরিবর্তে একেবারে শর্ট মেসেজ পাঠাতে পারেন। এই উপায়গুলোতে সহজে জরুরি অবস্থাতেও অনেকক্ষণ চার্জ ধরে রাখা যাবে। এসএইচ/ডব্লিউএন

আইফোনের নতুন মডেলের নাম ‘এক্স’!

চলতি মাসেই বাজারে আসবে আইফোনের নতুন মডেল। নতুন এই মডেলটির নাম হতে পারে ‘এক্স’। অ্যাপল কোম্পানির নতুন এই হ্যান্ডসেটের নাম ‘আইফোন ৮’ এর পরিবর্তে ‘আইফোন এক্স’ হবে বলে জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম ফোনএরিনা। চীনের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ফোনএরিনা এমন তথ্য জানান। ভিন্ন এই নাম করণে রোমান সংখ্যার ‘x’ হরফ দিয়ে দশ সংখ্যাকে বোঝানো হয়েছে বলেই দাবি সংবাদ সংস্থাটির। চলতি বছর আইফোন দশ বছরে পা দিল। দশ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যেই চিরাচরিত সিরিয়াল নামকরণের পরিবর্তে এমন নামকরণ হচ্ছে বলেই সূত্রটির দাবি। তবে এবারও নতুন ডিভাইস নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি অ্যাপল করপোরেশন।   সূত্র মতে, ডিভাইসটিতে থাকতে পারে বেজেলহীন ৫ দশমিক ৮ ইঞ্চির পর্দা, এলইডি ফ্ল্যাশ, অগমেন্টেড রিয়েলিটি ফিচার ও ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের সুবিধা। ফোর্বস ওয়েবসাইটে মোবাইল কেস তৈরির একটি প্রতিষ্ঠানের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এতে  ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রাখা হচ্ছে পাশে থাকা ভলিউম কম বেশি করার বাটনের জায়গায়। জানা গেছে, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অ্যাপল নতুন আইফোনের ঘোষণা দেবে। আর ১৫ সেপ্টম্বর থেকে এর প্রি-অর্ডার শুরু হবে। সর্বশেষ ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ডিভাইসটি বাজারে পাওয়া যাবে। সূত্র : টেকশহর। এসএইচ/ডব্লিউএন

আর ব্লক করা যাবে না জাকারবার্গের আইডি

ফেসবুক ব্যবহারকারী চাইলে তার অপছন্দের কোনো ব্যক্তির আইডি ব্লক করতে পারেন। বিশেষত আপনি যখন চান কারও ছবি বা পোস্ট আপনার ফেসবুক আইডির নিউজফিডে আসবে না বা কোনো ব্যক্তি আপনার আইডি দেখতে পারবে না অথবা আপনাকে মেসেজ দিতে পারবে না তখন আপনি সেই আইডিটিকে ব্লক করতে পারবেন। কিন্তু ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গের ব্যক্তিগত আইডি আর ব্লক করা যাবে না। এমনকি তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান এর আইডিকেও ব্লক করা যাবে না। আর ব্লক না করতে পারার এই কারণটিও বেশ চমকপ্রদ। ২০১০ সাল থেকে জাকারবার্গ আর তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানের আইডি এতবার ব্লক করা হয়েছে যে তাদের আইডি আর ব্লক করা যাবে না। ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্ক জাকারবার্গ তার ব্যক্তিগত আইডিতে বেশ একটিভ থাকেন। তার ব্যক্তিগত জীবনের বিষয় নিয়ে বেশকিছু পোস্ট শেয়ার করেন তিনি। ফেসবুকের এলগারিদমের সুবিধায় সেই পোস্টগুলো অনেক মানুষের নিউজফিডে চলে আসে। আর তাদের মধ্যে অনেকেই এসব পোস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে তাদের আইডি ব্লক করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগ দুনিয়ার এই জায়ান্টের নিয়ম অনুযায়ী, একটি আইডিকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যকবারই ব্লক করা যাবে। কোনো আইডিকে যদি তত সংখ্যক আইডি থেকে ব্লক করা হয় তাহলে ঐ আইডিকে নতুন কোনো ব্যক্তি আর ব্লক করতে পারবে না। আর ঠিক এই কারণেই মার্ক জাকারবার্গ আর তার স্ত্রী প্রিসিলা চ্যান-এর আইডি আর ব্লক করা যাবে না। তাহলে ভেবে দেখুন, নিজের প্রতিষ্ঠিত সাইট থেকে কতবার ব্লক হয়েছেন এই কনিষ্ট বিলিওনিয়ার! এসএইচ/ডব্লিউএন

৭১ কোটি ইমেল হ্যাক, আপনারটা সুরক্ষিত কি?

বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তা এখন প্রশ্নের মুখে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হ্যাকাররা নানা রকম ম্যালওয়ারের সাহায্যে খুব সহজেই কম্পিউটার হ্যাক করতে পারে। ফলে আপনার যাবতীয় গোপন নথি ও তথ্য এখন আর মোটেই সুরক্ষিত নয়। সম্প্রতি  প্যারিসের এক দল গবেষক দাবি করেছেন, প্রায় ৭১ কোটি ১০ লাখ ইমেল আইডি, পাসওয়ার্ড ও ফোন নম্বর হ্যাক হয়েছে। প্যারিসের সাইবার বিশেষজ্ঞ বেনকো ইমেল আইডি হ্যাক হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রথম নজরে আনেন। তিনি জানান, হ্যাকারেরা ‘অনলাইনার’নামে একটি স্প্যামবটের (ম্যালওয়ার) সাহায্যে ইমেল হ্যাক করে সেখান থেকে তার যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করছে। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইটে স্প্যামিং করার জন্য স্বয়ংক্রিয় নানা সফটওয়্যার ব্যবহার করছে  হ্যাকাররা। এই কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারকে বলা হয় স্প্যামবট। কোনো ওয়েবসাইটে স্প্যামবট ঠেকাতে ব্যবহার করা হয় ক্যাপচা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বর্তমানে ওই ক্যাপচা কোড ভেঙেও সাইটের নিরাপত্তা তছনছ করে দিতে সক্ষম এই হ্যাকাররা। পিক্সেল সাইজের ছবি দিয়ে তারা স্প্যাম মেসেজ পাঠায় গ্রাহকদের কম্পিউটারে। এই মেসেজ ওপেন করলেই যাবতীয় তথ্য চলে আসে হ্যাকারদের নাগালে। কী ভাবে বুঝবেন আপনার ইমেল আইডি সুরক্ষিত রয়েছে কি না? অস্ট্রেলিয়ার একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ট্রয় হান্ট বলেছেন, আপনার ইমেল আইডি সুরক্ষিত রয়েছে কিনা তা জানার জন্য  https://haveibeenpwned.com নামক একটি ওয়েবসাইট খুলতে হবে এবং সেখানে আপনার  ইমেল আইডি দিলেই জানা যাবে তা হ্যাক হয়েছে কি না। আর বিশেষজ্ঞরা ইমেল আইডি সুরক্ষিত রাখার জন্য আরও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। আর/ডব্লিউএন  

ক্যান্সারের লক্ষণ শনাক্ত করবে সেলফি

এমন একটি অ্যাপ আবিস্কার হয়েছে যার মাধ্যমে প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার শনাক্ত করা যাবে। এর মাধ্যমে সেলফি তুললে সেই সেলফি বিশ্লেষণ করেই প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সার ধরতে পারবে অ্যাপটি।  ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের গবেষকরা  এটি আবিস্কার করেছেন। এই অ্যাপের নাম `বিলিস্ক্রিন` যেটা স্মার্টফোনের ক্যামেরাকে ব্যবহার করা হবে। কম্পিউটারের ভিশন অ্যালগোরিদম আর মেশিন লার্নিং টুলস এর মাধ্যমে যিনি সেলফি তুলবেন তার চোখের সাদা অংশের বিলিরুবিনের মাত্রা পরীক্ষা করবে। প্রধান গবেষক অ্যালেক্স মারিয়ামাকিস বলেন, এই অ্যাপটির মাধ্যমে ক্যান্সারের আক্রান্তদের সময়মতো চিকিৎসা শুরু দেওয়া যাবে। অ্যাপটিতে মানুষ যেন ঘরে বসেই সেলফি তোলার মতো মজার কাজ থেকেই এ ধরনের রোগের বার্তা পেতে পারে সেই ব্যবস্থাই করা হয়েছে।  প্রাথমিক অবস্থায় এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় ৭০ জনকে বেছে নেওয়া হয়। তাদের সেলফি তুলে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই অ্যাপটি চোখের সাদা অংশের রংয়ের বিশ্লেষণ করে। সমস্যা ধরা সম্ভব হয়েছে ৮৯.৭ শতাংশ নিখুঁতভাবে। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।   //আর//এআর

সিঁদুরের আয়োজনে নারী উদ্যোক্তাদের জমকালো পুনঃর্মিলনী

ফেসবুকের এই যুগে ‘গেট টু গেদার’ বা পুনঃর্মিলনী অনুষ্ঠানগুলো দিন দিন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর এসব পুনঃর্মিলনী ই-কমার্স বা এফ-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য তৈরি করছে ব্যবসার নতুন বাজার। শনিবার রাজধানীর ডিএসএস কনভেনশন সেন্টারে অনলাইন শপ সিঁদুরের আয়োজনে শতাধিক নারী উদ্যোক্তা এবং এর সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হল তেমনই একটি জমকালো পুনঃর্মিলনী। ‘সিঁদুর প্রথম গ্র্যান্ড গ্রেট টুগেদার ট্যাম্পটেশন-২০১৭’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে শুধু নারীদের জন্য পরিচালিত গ্রুপ সিঁদুর এর প্রায় দেড় শতাধিক সদস্য অংশ নেন।  দিনব্যাপি জমকালো এ অনুষ্ঠানটি প্রায় শতাধিক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি উদ্যোক্তাদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। পুনঃর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন সম্পর্কে আয়োজক প্রতিষ্ঠান সিঁদুর-এর কর্ণধার আফসানা মীর সিথী একুশে টিভি অনলাইনকে (ইটিভি অনলাইন) বলেন, বাংলাদেশে ইন্টারনেটে কেনাকাটা করা ক্রেতার সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এই সুযোগটাকে কাজ লাগিয়ে আমরা নারী উদ্যোক্তারা যেন কাজ করে যেতে পারি সেজন্যই মূলত এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন । ইতোমধ্যে সিঁদুর এফ-কমার্স ভিত্তিক মাঝারি পরিসরের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাধারণ ক্রেতাদের থেকে সুনাম এবং আস্থা অর্জন করেছে। আমরা এর পরিধি আরও বাড়াতে চাই। অনুষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিল শটগান এন্টারটেইনমেন্ট, ডেজার্ট ল্যান্ড, স্মার্ট মেহেদী ফ্যাশন বাই মনিরা, রেজ জুয়েলারী, তুসি কালেকশন, এ টু জেড, এস এম কালেকশন, আরটি ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড, ওশেন, বিউটি টানেল, কারু কাব্য, মিরর, সাজনপাতি, নাহার অনলাইন স্টোর, হিজাব শপ অনলাইন স্টোর, নাদিয়া’স ফ্যাশনিষ্ট, আয়াত কালেকশন হাউস, প্রীতি প্রিন্স, মেক ওভার বাই শিফা, প্রোভা’স মেকওভার এন্ড বিউটি সেলুন, ফটোলিক, ড্রেস ডিলাইট, প্রিন্সেস ফ্যাশন বিডি, নুজহাত ফ্যাশন, টিজে শপ, ক্রাফ্ট এন অনলাইন সাপ্লাইয়ার বিডি, তামি’স ফ্যাশন বিডি, এস এম স্টাইল হাউজ, টিপটপ সাজ, প্রিয়াঙ্গন, মেহেদি স্পন্সর প্রিটি পিঞ্চ, ফটোলেডি বাই ফারজানা রহমান সনিয়া ও বাজেট ফ্রেন্ডলি অনলাইন শপ। অনুষ্ঠানটির একমাত্র ডেলিভারি পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিল এম.জে ডেলিভারি এন্ড কুরিয়ার সার্ভিসেস।অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তাদেরকে তাদের পণ্য বা সেবা প্রদর্শনীর সুযোগ রাখা হয়। এছাড়া ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নৃত্য, বালিশ খেলা, গান, র্যা ম্প শো, র্যা ফেল ড্র এবং সবশেষে ডিজে শো।//এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি