ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:১৮:৩২

২০২১ সালের মধ্যেই শতভাগ ইন্টারনেট: পলক

২০২১ সালের মধ্যেই শতভাগ ইন্টারনেট: পলক

২০২১ সালের মধ্যে দেশে শতভাগ মানুষের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার। সেই সঙ্গে সারাদেশকে ৫০ শতাংশ ব্রডব্যান্ড সংযোগের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল সাইবার স্পেস সম্মেলন-২০১৭’-এর ‘ব্রিজিং দা ডিজিটাল ডিভাইড-এমপাওয়ারিং বাই টেকনোলজি লিড ইনক্লুসিভনেস’ শীর্ষক সম্মেলনে ডিজিটাল বাংলাদেশ সম্পর্কে এসব তথ্য তুলে ধরেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সম্মেলনে পলক বলেন, প্রযুক্তিবৈষম্য কমাতে চ্যালেঞ্জগুলো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তা হচ্ছে- ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি ও সহজ সেবা, ডিজিটাল যন্ত্র ও অ্যাপ্লিকেশন  সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট সেবা, ব্যবহার, দক্ষতাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীর অভাব ও সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা সৃষ্টি করা। এ বিষয়গুলোয় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাংলা গভনেট, ইনফো সরকার-২ প্রকল্পের পর ইনফো সরকার-৩ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এছাড়া ‘কানেকটেড বাংলাদেশ’ নামের একটি প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে।  প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং গবেষণা ও উন্নয়ন খাত থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একে// এআর
এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন সেলফি এক্সপার্ট ফোন আনল অপো

দেশের বাজারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন সেলফি এক্সপার্ট ফোন আনল চীনের হ্যান্ডসেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অপো। ফোনটির মডেল অপো এফ ফাইভ। ফোনটির বিশেষত্ব হচ্ছে এতে ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে। চার ও ছয় জিবি র‌্যাম ভার্সনে ফোনটি পাওয়া যাবে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে ফোনটির বিক্রির ঘোষণা দেন অপো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড্যামন ইয়াং। এসময় উপস্থিত ছিলেন অপো্র পণ্য ব্যবস্থাপক রথীন্দ্রনাথ সরকার এবং জনসংযোগ ব্যবস্থাপক ইফতেখার উদ্দিন সানি। রথীন্দ্রনাথ সরকার জানান, ৬ ইঞ্চি ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লের এই ফোনটি সেলফিকে প্রধান্য দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে। এতে রয়েছে ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা এবং ১৬ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা। ফোনটি পরিচালনার জন্য মিডিয়াটেক এমটি৬৭৬৩টি মডেলের অক্টাকোর ২.৩ গিগাহার্জের এআরএম প্রসেসর সংযোজন করা হয়েছে। গ্রাফিক্সের জন্য আছে মালি জি৭ওয়ান জিপিইউ। ফোনটিতে অ্যান্ড্রয়েডের সর্বাধুনিক ভার্সন ৭.১.১ ব্যবহার করা হয়েছে। সঙ্গে আছে অপোর নিজস্ব ইউজার ইন্টারফেস কালার ওএস ৩.২। অপোর জন্য অপো এফ ফাইভে আছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তিসম্পন্ন ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি শুটার। রিয়ারে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬ মেগাপিক্সালের ক্যামেরা। বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড্যামন ইয়াং বলেন, ‘বাংলাদেশে দুটি র‌্যাম ভার্সনে অপো এফফাইভ মিলবে। চার জিবি র‌্যাম ও ৩২ জিবি রম ভার্সনটির মূল্য ২৪ হাজার ৯৯০ টাকা। অন্যদিকে ছয় জিবি র‌্যাম ও ৬৪ জিবি রম ভার্সনটির ক্রেতারা ৩২ হাজার ৯৯০ টাকায় কিনতে পারবেন।’ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চার জিবি র‌্যাম ভার্সনের ফোনটি ১০ নভেম্বর থেকে রাজধানীর বসুন্ধরাসিটি শপিং কমপ্লেক্সে ও যমুনা ফিউচার পার্কের অপোর শোরুমে পাওয়া যাবে। এছাড়াও ছয় জিবি র‌্যাম ভার্সনের এফ ফাইভ ক্রেতারা দুই ডিসেম্বর থেকে কিনতে পারবেন। ডব্লিউএন  

বাংলাদেশকে মার্চেন্ট একাউন্ট খোলার সুযোগ দিলো গুগল

বাংলাদেশি অ্যাপ নির্মাতাদের জন্য দারুণ সুখবর দিল গুগল। গুগল প্লে স্টোরে এত দিন মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ ছিল না বাংলাদেশি অ্যাপ নির্মাতাদের জন্য। এত দিন গুগল প্লে-স্টোরে কেবল বিনা মূল্যের অ্যাপ ও গেম তৈরি করে প্রকাশ করতে পারতেন বাংলাদেশি নির্মাতারা। তবে এখন থেকে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট (ব্যবসায়ী হিসাব) খোলার সুবিধা দিল গুগল। অর্থাৎ এখন থেকে বাংলাদেশি নির্মাতারা গুগল প্লে-স্টোরে অ্যাপ ও গেম প্রকাশ করে অর্থ দাবি করতে পারবেন। তবে  এ ক্ষেত্রে মূদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার ব্যবহার করতে হবে।   গুগলের সাপোর্ট পেজে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে বাংলাদেশকে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে অনুমোদনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভেলপারদেরও একই সুবিধা দিয়েছে গুগল। এর আগে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সুবিধা না থাকায় অ্যাপ নির্মাতাদের অ্যাপ বিক্রির জন্য বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হতো। এখন গুগলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলায় সহজে অ্যাপ বিক্রির সুযোগ পাওয়া যাবে। এখন থেকে স্থানীয় অনেক অ্যাপ প্লেস্টোরে পাওয়া যাবে। এতে ব্যবহারকারীরা অনেক পছন্দের উন্নত অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এর আগে বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে গুগল অ‍্যাডসেন্স ব্যবহারের সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেয় গুগল। ‘অ্যাডসেন্স নাউ আন্ডারস্ট্যান্ড বেঙ্গলি (বাংলা) শীর্ষক ব্লগ পোস্টে বলা হয়, বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনলাইনে বাংলা ভাষার ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইনে বাংলা ভাষায় রয়েছে নানা ওয়েবসাইট। তাই সব বিষয় বিবেচনা করে বাংলায় গুগল অ্যাডসেন্স চালু করা হয়েছে। বাংলা অ্যাডসেন্স চালু করার আগে গত ১৪ আগস্ট গুগল নতুন ৩০টি ভাষা যোগ করেছে স্পিচ-টু-টেক্সটে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলা ভাষাও। এতে গুগলের এ সুবিধাটি ব্যবহার করে বাংলায় উচ্চারণ করে টাইপ করা যায়। পাশাপাশি উচ্চারণ করেও গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কোনো কিছু কিছু খোঁজা যায়। গুগল এটিকে বলছে টাইপ কম, কথা বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বিষয়টি নিয়ে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, বাংলাদেশের মেধাবী অ্যাপ ও গেম নির্মাতারা এখন গুগল প্লেস্টোরে মার্চেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। গত মার্চে সিলিকন ভ্যালিতে গুগলের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক হয়েছিল। মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় ডেভেলপারদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ তৈরি হলো। তথ্যসূত্র: গুগল। ডব্লিউএন/ডব্লিউএন

‘কফি রাস্ট’ রোগে বন্ধ হচ্ছে কফি উৎপাদন

কফি রাস্ট রোগের কারণে একের পর এক বন্ধ হচ্ছে কফি চাষ। এতে কফি উৎপাদন ও রপ্তানিতে শীর্ষ দেশগুলোও ক্রমান্বয়ে আমদানি নির্ভর হয়ে পড়ছে। এতে কফির দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। সম্প্রতি কানাডার একদল গবেষক এমন তথ্য দেন। কফি রাস্ট রোগের কারণ ও তা প্রতিরোধে করণীয় বিষয় নির্বাচনে বহু বছর ধরে তারা গবেষণা চালিয়ে আসছেন। ৬০ এর দশকে কানাডার বোগোটায় বিমানবন্দরের পাশে টাঙ্গানো বড় বড় বিলবোর্ড দেখা যেতো। এতে বড় অক্ষরে লেখা থাকতো, কফি রাস্ট (কফির এক ধরণের রোগ) হলো আমাদের শত্রু, বিদেশ থেকে কফির কোন বীজ আনবেন না । কলম্বিয়ার কফি ব্যবসাকে সমৃদ্ধ করা ও তাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিদেশ থেকে কফির বীজ বা চারা আমদানি নিষিদ্ধ ছিল তখন। কফি রাস্ট হলো এমন একটি রোগ যেটি দেশের জাতীয় সম্পদ কফির বাজারকে সঙ্কুচিত করে ফেলতে পারে। কফি রপ্তানি করে বিদেশি মুদ্রা আয় করা কানাডা অর্থনৈতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। গত বছর কানাডা কফি রপ্তানি করে ২.৪ বিলিয়ন ডলার আয় করে, যা তার রপ্তানি আয়ের ৭.৭ শতাংশ। এতে কফি রপ্তানিতে কানাডা বিশ্বের তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে। বলা হচ্ছে, কানাডার কফি উৎপাদন রাস্ট (কফির পাতা বিবর্ণ হওয়া রোগ) রোগে আক্রান্ত হলে বিশ্বে কফির প্রবাহ কমে যাবে। এতে বিশ্বে কফির মূল্য অনেকগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর এ রোগটির কারণ সনাক্ত ও তা প্রতিরোধকল্পে  কলম্বিয়ার বিজ্ঞানীরা কয়েক যুগ ধরে গবেষণা চালিয়ে আসছে। কলম্বিয়ার এক কফি উৎপাদনের পাহাড়ে তারা এ গবেষণাকর্ম চালিয়ে আসছিলেন। তাঁদের প্রশ্নের বিষয় ছিল, কলম্বিয়া কফির স্বাদ কি, তারা ঠিকিয়ে রাখতে পারবে? কফি রাস্ট দেখতে অনেকটা ধূসর বর্ণের পাওডারের মতো যেটি পাতার উপর পড়ে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কফি রাস্ট কৃষকদের ভোগাচ্ছে। যখন একটি গাছ এ রোগে আক্রান্ত হয়, তখন এর পাতা বাদামী ও পাতলা পাওডার উৎপাদন করে, যা অনেকটা জং এর মতো দেখায়। রোগটি এক ধরনের ছত্রাক (হেমেলিয়া ভ্যাসটাটিক্স) এর কারণে হয়ে থাকে। ছত্রাকটি পাতাকে গাঢ় সবুজ থেকে ধূসর হলুদ বর্ণের করে ফেলে। শেষে সব পাতা ঝরে যায় এবং শস্য উৎপাদনের ক্ষমতা হারায়। এ রোগটির প্রতি নজর দেওয়া না হলে, এর মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে বিশ্বকে। ১৯ শতকে শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো  কফি রপ্তানিতে শীর্ষে ছিল। কিন্তু এ রোগটির মারাত্মক পরিণতির কারণে তারা ধীরে ধীরে কফি উৎপাদন বন্ধ করে চা উৎপাদনের দিকে নজর দেয়। এমনকি যুক্তরাজ্যও কফি উৎপাদন ছেড়ে চায়ের দিকে মনোনিবেশ করে। কলম্বিয়ায় দুধরণের কফি উৎপাদন হয় । এক ধরণের নাম কফি বিউটি আরেক ধরণের নাম কফি বিস্ট। কফি বিউটির চাহিদা আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক বেশি হলেও এটিই রাস্ট রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে আছে। সুত্র: বিবিসি / এআর /  

রবি নিয়ে এলো বিশ্বের শীর্ষ ডিজিটাল বিনোদন সেবা ‘আইফ্লিক্স’

বাংলাদেশে এই প্রথম রবি নিয়ে এলো বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল বিনোদন সেবা ‘আইফ্লিক্স’। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বিনোদন প্রেমীরা দেখতে পাবেন ব্লকবাস্টার সিনেমা, এক্সক্লুসিভ শো, পুরস্কারপ্রাপ্ত টিভি সিরিজ, জনপ্রিয় স্থানীয় ও আঞ্চলিক কন্টেন্ট এবং শিশুদের অনুষ্ঠানসহ বিনোদনের নানা রসদ।  আজ রোববার দুপুরে ঢাকার এক অভিজাত হোটেলে এক আনন্দঘন পরিবেশে ডিজিটাল বিনোদন সেবা প্লাটফরম ‘আইফ্লিক্স’ এর উদ্বোধন করা হয়।                                                                                                   জানা গেছে, আইফ্লিক্স বিশ্বব্যাপী ২২০ স্টুডিও ও পরিবেশকদের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অনন্য-বহুল প্রশংসিত টিভি সিরিজ ও জনপ্রিয় সিনেমা নিয়ে আসে। প্রশংসিত এসব সিনেমা বা সিরিজ এখন থেকে বাংলা সাবটাইটেলসহ দেখতে পাবেন সবাই। তবে এ ক্ষেত্রে রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকরা পাবেন বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা। আগামী তিনমাস রবি-এয়ারটেল গ্রাহকরা সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেখতে পাবেন এই প্লাটফরমের হাজার হাজার কনটেন্ট। এই সময়ে নির্দিষ্ট গ্রাহকরা আইফ্লিক্স’র বিভিন্ন শো স্ট্রিমিং ও ডাউনলোড করার জন্য নতুন আকর্ষনীয় ডেটা অফারও উপভোগ করতে পারবেন। এ বিষয়ে আইফ্লিক্সের কান্ট্রি ম্যানেজার ইমরুল করিম বলেন, বাংলাদেশিরা স্থানীয় গল্প ও অনুষ্ঠান ভালবাসে। তাই গ্রাহদের পছন্দের বিষয়টি মাথায় রেখে আইফ্লিক্স নিয়ে এসেছে স্থানীয় কনটেন্ট’র এক সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। আমরা বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিশীল এবং স্থানীয় সৃজনশীল শিল্পীরা যেন তাদের নান্দনিক কাজগুলোকে বৈশ্বিক প্লাটফরমে তুলে ধরতে পারেন সে সুযোগ তৈরিতে আগ্রহী। সব ধরণের গ্রাহকদের জন্য আগামী একমাস থাকছে ফ্রি ট্রায়াল এর বিশেষ সুযোগ।www.iflix.com এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাইন আপ করে বা মোবাইল ও ট্যাবলেট’র মাধ্যমে গুগুল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করে এক মাসের জন্য ফ্রি ট্রায়াল উপভোগ করতে পারবেন গ্রাহকরা। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের গ্রাহকরা মাত্র তিনশ টাকার বিনিময়ে এক মাসের জন্য আনলিমিটেড অ্যাকসেস পাবেন আইফ্লিক্সে।আর কেউ এক বছরের জন্য নিলে তিনি দুই মাসের টাকা ছাড় পাবেন।অর্থ্যাৎ বছর জুড়ে ৩০০০ টাকায় তিনি এ সেবা উপভোগ করতে পারবেন।    #এআর

স্মার্টফোনের আরো কত কাজ

তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে স্মার্টফোন বিস্তর জায়গা দখল করে নিয়েছে। প্রাপ্ত বয়স্কদের পাশাপাশি অপ্রাপ্ত বয়স্কদেরও স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। সহজ যোগাযোগ ছাড়াও আরো অনেক কারণেই এখন স্মার্টফোনের চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু অনেকেই আমরা স্মার্টফোনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না। অনেকে শুধু ফোন এবং বার্তা আদান-প্রদান করেই ক্ষান্ত হন। আসুন জেনে নিই স্মার্টফোনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাড়তি ব্যবহার সম্পর্কে। দূরত্ব পরিমাপ মাঝেমধ্যে হঠাৎ করেই ঘরের সাজসজ্জা পরিবর্তনের ইচ্ছা জাগতে পারে অনেকের। কিন্তু হাতের কাছে `মেজারিং টেপ` কিংবা পরিমাপ করার ফিতা থাকে না বলে অনেকে দ্রুত দমে যান। কিন্তু আপনি যদি জানতেন মোবাইল ফোনের অ্যাপস ব্যবহার করেই মাপার কাজ করা যায় তবে হয়তো সিদ্ধান্ত বদল করতেন না। অ্যাপস স্টোর থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন `SizeUp` অ্যাপটি। এবার চোখের পলকেই ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে পরিমাপ করতে পারবেন যেকোনো কিছু। যে আসবাবপত্রের সাইজ নিতে চান, সেটির উপরে ফোনের ক্যামেরা তাক করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলেই ফলাফল বেরিয়ে আসবে। এটি খুবই সহজ। রিমোট কন্ট্রোলের ব্যাটারি পরীক্ষা টিভি কিংবা এসির রিমোট কন্ট্রোলের ব্যাটারি ফুরিয়ে গেছে কিনা বুঝতে পারছেন না? আবার সুপারমার্কেটে ব্যাটারি বদলানোর জন্য যেতে ইচ্ছে করছে না? এমতাবস্থায় এ পদ্ধতিটি অবশ্যই আপনার সময় বাঁচাবে। স্মার্টফোন বের করুন এবং ক্যামেরা চালু করুন। অতঃপর রিমোট কন্ট্রোল নিয়ে ক্যামেরার দিকে তাক করুন এবং যেকোন বাটনে চাপ দিন। ফোনের ডিসপ্লের দিকে তাকিয়ে রিমোটের মাথা থেকে লালচে বা গোলাপি কোনো আলো যদি বেরিয়ে আসতে দেখেন, তার অর্থ হলো সিগন্যাল ভালোমতো কাজ করছে কিন্তু ব্যাটারি বদলাতে হবে। স্পর্শ না করেই ফোন নিয়ন্ত্রণ করুন ফোন স্পর্শ না করেই নিয়ন্ত্রণ করা জীবনকে অনেক সহজসাধ্য ও সাবলীল করে তুলেছে। আপনি গান ছাড়তে পারবেন, ভিডিও দেখতে পারেন এমনকি ফোনও রিসিভ করতে পারবেন কোনো রকম স্পর্শ ছাড়াই। এতে করে ফোনের ডিসপ্লে ভালো ও পরিষ্কার থাকে এবং রান্না কিংবা ঘর গুছানোর সময় স্বস্তিতে ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যাপটির নাম হলো `ওয়েভ কন্ট্রোল`। অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে স্টোর থেকে এবং আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপল স্টোর থেকে খুব সহজেই নামিতে নিতে পারবেন অ্যাপটি। সাবধানে গাড়ি চালান আপনার যদি অন্ধকারে রাস্তার উপর বিরতিহীনভাবে চোখ রেখে গাড়ি চালাতে হয়, তবে এ `Hudway` অ্যাপ আপনাকে নিঃসন্দেহে বেশ সাহায্য করবে। ফোনটা ড্যাশবোর্ডে রেখে দিন, ব্রাইটনেস অ্যাডজাস্ট করুন এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য আপনি পেতে থাকবেন। কত গতিমাত্রায় গাড়ি চালাতে হবে এবং ঠিকানাও দেখতে পাবেন উইন্ডশিল্ডে। খেয়াল রাখবেন, ফোনের স্ক্রিন যেন যথেষ্ট উজ্জ্বল থাকে। এতে করে নির্দেশনা ভালোমতন অনুসরণ করতে পারবেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারের মাধ্যমে মেসেজ প্রদান খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করার সময়ের আপনার ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে গিয়েছে, অতঃপর বন্ধু কিংবা সহকর্মীর সাহায্য নিতে হয়েছে? এই `Mighty Text` অ্যাপের সাহায্যে আপনি কিছুই মিস করবেন না আর। এটি আপনার ফোনের সঙ্গে কম্পিউটারের মেলবন্ধন ঘটায় এবং ই-মেইলের মাধ্যমে এসএমএস ম্যানেজ করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। আপনার ফোন নম্বরের সঙ্গে যে সকল মেসেজের লিংক থাকবে, সেগুলো সবই কম্পিউটারের স্ক্রিনে দেখাবে আবার মোবাইলের ইনবক্সেও রয়ে যাবে। সুতরাং, কিছুই হারাবে না আর! সূত্র : ব্রাইডসাইট। ডব্লিউএন

নতুন ২০ পৃথিবীর খোঁজ পেল নাসা

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ পৃথিবীর মত এরকম ২০ গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। সৌরমণ্ডলের বাইরে প্রাণ খুঁজতে গিয়ে এ গ্রহগুলোর সন্ধান পেল ‘কেপলার’ মহাকাশ যান। মহাকাশে সম্ভাব্য কোন জায়গায় প্রাণ আছে কিনা  তা খুঁজতে  পাড়ি জমিয়েছিল ‘কেপলার’মহাকাশযান। এ গ্রহগুলো বলা হয়  ‘ভিন গ্রহ’ (এক্সো-প্ল্যানেটস)। নাসা জানান , এই ভিনগ্রহগুলোর সঙ্গে পৃথিবীর সাদৃশ্য রয়েছে। পৃথিবীর পাথরের মতো ওই গ্রহগুলোতে পাথর রয়েছে। এজন্য এদের বলা হচ্ছে, ‘রকি প্ল্যানেট’। আবহাওয়াতেও কিছু সাদৃশ্য রয়েছে। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, সম্প্রতিক কেপলার মিশন ২১৯ টি গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে অন্তত ২০টি একেবারেই আমাদের পৃথিবীর মতো পাথুরে। ] এ নিয়ে বিগত কয়েক বছরে মোট চার হাজার ৩৪টি ভিনগ্রহের সন্ধান পেল কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ (কেএসটি)। যাদের মধ্যে দুই হাজার ৩৩৫টি গ্রহ সম্বন্ধে জানা সম্ভব হয়েছে। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে ‘কেওআই-৭৯২৩.০১’ নামক গ্রহটির। এ গ্রহটি  পৃথিবীর ব্যাসের চেয়ে ৯৭ শতাংশ বেশি। এখানে ৩৯৫ দিনে বছর হয় । এ গ্রহটিকে পৃথিবীর চেয়ে ঠান্ডা বলে মনে করছে  বিজ্ঞানীরা। / এম / এআর

নতুন ২০ পৃথিবীর খোঁজ পেল নাসা!

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ পৃথিবীর মত এরকম ২০ গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। সৌরমণ্ডলের বাইরে প্রাণ খুঁজতে গিয়ে এ গ্রহগুলোর সন্ধান পেল ‘কেপলার’ মহাকাশ যান। মহাকাশে সম্ভাব্য কোনো জায়গায় প্রাণ আছে কিনা তা খুঁজতে পাড়ি জমিয়েছিল ‘কেপলার’মহাকাশযান। এদেরই বলা হয় এক্সো-প্ল্যানেটস বা ভিনগ্রহ। নাসা জানায়, এই ভিনগ্রহগুলোর সঙ্গে পৃথিবীর সাদৃশ্য রয়েছে। পৃথিবীর পাথরের মতো ওই গ্রহগুলোতে পাথর রয়েছে। এজন্য এদের বলা হচ্ছে, ‘রকি প্ল্যানেট’। আবহাওয়াতেও কিছু সাদৃশ্য রয়েছে। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানান, সম্প্রতিক কেপলার মিশনে ২১৯টি গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে অন্তত ২০টি একেবারেই আমাদের পৃথিবীর মতো পাথুরে। এ নিয়ে বিগত কয়েক বছরে মোট চার হাজার ৩৪টি ভিনগ্রহের সন্ধান পেল কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ (কেএসটি)। যাদের মধ্যে দুই হাজার ৩৩৫টি গ্রহ সম্বন্ধে জানা সম্ভব হয়েছে। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে ‘কেওআই-৭৯২৩.০১’ নামক গ্রহটির। এ গ্রহটি  পৃথিবীর ব্যাসের চেয়ে ৯৭ শতাংশ বেশি। এখানে ৩৯৫ দিনে বছর হয়। এ গ্রহটিকে পৃথিবীর চেয়ে ঠান্ডা বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এম/ডব্লিউএন

প্রথম স্মার্ট ট্রেন চালু করল চীন

চীন ক্রমেই বিশ্ববাজার দখল নিচ্ছে। চীনের তৈরি পণ্য ব্যবহার করছে বিশ্বের প্রায় অধিকাংশ দেশ। নতুন নতুন আবিষ্কার করে চীন চমকে দিচ্ছি বিশ্ববাসীকে। এবার তারা আবিষ্কার করল স্মার্ট ট্রেন। ট্রেন ধরতে এবার স্টেশনে নয়, দাঁড়াতে হবে রাস্তার পাশে। বিশ্বের এই প্রথম স্মার্ট ট্রেন সেবা চালু করেছে চীন। এই ট্রেনটি কম্পিউটারে প্রোগ্রাম করা ভার্চুয়াল লাইনের মাধ্যমে শহরের রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে সক্ষম। পথচারী এবং অন্য যানবাহনের সুবিধার্থে এর চলার পথে শুধু দুটি সমান্তরাল রেখা এঁকে দেওয়া হয়েছে। সমপ্রতি চীনের হুনান প্রদেশের ঝোউঝোউ শহরে স্মার্ট ট্রেন সার্ভিসটি চালু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে চীন। শহরের রাস্তায় অন্য যানবাহনের পাশাপাশি স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচলের জন্য ট্রেনের কাঠামোটি  বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে ঝোউঝোউ শহরের ৩.১ কিলোমিটার দূরত্বের চারটি স্টেশনের মধ্যে ট্রেনটির চলাচল সীমাবদ্ধ থাকলেও পরিকল্পনা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে চীনের অন্যান্য শহরেও চলবে এই ট্রেন। ‘চায়নিজ রেল ট্রানজিট ফার্ম’এটি নির্মাণ করে এর নাম দিয়েছেন ‘স্মার্ট বাস’। ট্রেনটি লম্বায় ৩০ মিটার ও পুরোপুরি বিদ্যুৎ চালিত। একবার চার্জ করলে ট্রেনটি একটানা ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারবে। ট্রেনটিতে রয়েছে তিনটি কামরা যাতে একসঙ্গে ৩০০ যাত্রী চড়তে পারবেন। পরবর্তী সংস্করণে যাত্রী ধারণক্ষমতা ৫০০ করার চিন্তা রয়েছে। প্রচলিত ধাতব টায়ারের বদলে এতে থাকবে রাবারের টায়ার। রেললাইন বিহীন ‘স্মার্ট ট্রেন’র প্রধান প্রকৌশলী ফেং জিয়াংহুয়া বলেন, প্রচলিত মেট্রো বা ট্রামের তুলনায় স্মার্ট ট্রেন নির্মাণের খরচ অনেক কম। রেললাইনের জন্য আলাদা পথ তৈরির দরকার নেই এতে। ট্রেনটি চলবে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে। তবে বেসিক কিছু নির্দেশনার জন্য এতে একজন চালক নিযুক্ত থাকবে। এর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার। সূত্র: এনডিটিভি এম/ডব্লিউএন

সামুদ্রিক উদ্ভিদ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চলছে প্রচেষ্টা

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে চলছে নানা গবেষণা। এর মধ্যে  অ্যালজি বা সামুদ্রিক উদ্ভিদ থেকে জ্বালানি তৈরির চেষ্টা চলছে বেশি। জার্মানিতে এই প্রযুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চলছে অভিনব পরীক্ষা। বিষয়টিকে বাড়তি গুরুত্বও দিচ্ছে দেশটি। জার্মানির হামবুর্গ শহরের একটি বাড়ির মধ্যে বায়ো-রিয়্যাক্টরে অ্যালজি বা সামুদ্রিক উদ্ভিদ চাষ হচ্ছে৷ চারিদিকে বুদবুদের স্পন্দন৷ অ্যালজি এমন বায়োমাস উৎপাদন করে, যা থেকে বায়োগ্যাস পাওয়া যায়৷ সেই জ্বালানি দিয়ে বাড়ির ৩০ জন বাসিন্দার জন্য শীতে ঘর গরম রাখা যায়৷ মার্টিন ক্যার্নার বিশ্বের প্রথম ‘অ্যালজি হাউস` উদ্যোগের অন্যতম উদ্যোক্তা৷ সহকর্মীদের সঙ্গে তিনি রিয়্যাক্টরের দেওয়ালটিকে আরও উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছেন৷ সেইসঙ্গে বাড়ির সিস্টেমের সঙ্গে এই জ্বালানির সমন্বয় করতে হয়৷ পুরোটাই বাস্তব পরিস্থিতিতে এক পরীক্ষার মতো৷ মার্টিন বলেন, ‘‘গবেষণাকেন্দ্র হিসেবেও আমরা জায়গাটিকে কাজে লাগাচ্ছি৷ গবেষণা ও উন্নতির স্বার্থে আমরা সেরা বিষয়গুলি পরখ করে দেখছি৷ ছোট আকারে নয়, এখানে আমরা মনের সুখে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছি। মার্টিন ক্যার্নার অ্যালজি হাউস নিয়ে খুবই গর্বিত৷ ২০১৩ সালে নির্মাণের সময় থেকেই তিনি এই বাড়ির তত্ত্বাবধান করছেন৷ এই প্লান্ট শুধু উত্তাপ ও বায়োগ্যাস উৎপাদন করে না৷ এক বিশেষ সিস্টেমের মাধ্যমে বর্জ্য পানি অপচয় না করে আবার কাজে লাগানো যায়৷ মার্টিন ক্যার্নার বলেন, ‘‘আমরা বাড়ির বর্জ্য পানি রিসাইকেল করি এবং সেই প্রক্রিয়ায় মিথেন গ্যাস উৎপাদন করি৷ পানি ও পুষ্টির সঙ্গে সঙ্গে আবার বায়ো রিয়্যাক্টরে কাজে লাগাতে পারি৷ বাড়ির মধ্যেই এক সার্কুলেশন ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে৷ সেখানে বর্জ্য এবং উত্তাপ ও কাঁচামাল সৃষ্টির প্রক্রিয়া পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে৷`` হামবুর্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণাকেন্দ্রে অ্যালজি রিয়্যাক্টরের প্রটোটাইপ রয়েছে৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ প্রযুক্তি ও জ্বালানি বিভাগের ক্যার্স্টিন কুচা অ্যালজি হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেন৷ ক্যার্স্টিন বলেন, ‘‘অত্যন্ত প্রাথমিক স্তরে অ্যালজি হাউস তৈরি করা ছিল এক সাহসী সিদ্ধান্ত৷ অ্যালজি সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান ছিল, কাউকে না কাউকে বড় আকারে এই পদক্ষেপ নিতেই হতো৷ পরিস্থিতি অনুযায়ী অবশ্যই বেশ কিছু রদবদল করতে হয়েছে৷ তবে অগ্রসর হবার এটাই একমাত্র পথ ছিল৷`` সূত্র: ডয়েচে ভেলে এম/ডব্লিউএন

শেষ হলো ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’

দ্বিতীয় বারের মতো রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ ২০১৭। তিনদিনব্যাপী আইডিয়া ল্যাবের মাধ্যবে বিজয়ী তিনটি ধারণা নির্বাচনের মাধ্যমে সোমবার শেষ হয় ইভেন্ট। মানুষের বৈচিত্র্যময় ও শান্তিপূর্ণ রূপ ধরে রাখার সৃজনশীল ধারণা প্রদানের জন্য এই চ্যালেঞ্জের বিজয়ী দলের নাম ঘোষণা করেন বিচারকবৃন্দ। ফেইসবুক, মাইক্রোসফট ও বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ডিভিশনের সহযোগিতায় এবারের ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ’ ২০১৭ আয়োজন করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (ইউএনডিপি)। বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা ও পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য বিজয়ী তিনটি দল পাবে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার। তিন দিনের আয়োজনে ৩০ জন প্রতিযোগী ৬ টি দলে বিভক্ত হয়ে তাদের প্রাথমিক পরিকল্পনাগুলো উন্নয়নের কাজ করেছে। বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তরুণদের মিলিত দলগুলো প্রতিযোগিতায় সীমিত সময়ের মধ্যে তাদের সৃজনশীল সমাধানগুলো বের করে এনেছে বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তরুণদের এই উৎসাহ ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপান্তর করছে প্রতিদিন। বাংলাদেশে ইউএনডিপির ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কিওকো ইয়োকোসুকা বলেন, দেশের বৃহৎ তরুণ জনসংখ্যা কে সঠিক প্ল্যাটফর্ম এবং প্রয়োজনীয় দক্ষতা প্রদানে আগ্রহী ইউএনডিপি।    

আইফোন ৮ আসছে বৃহস্পতিবার

কম্পিউস্টার প্রাইভেট লিমিটেডের মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে আসছে আইফোন-৮। আগামী বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) থেকে ফোনটি পাওয়া যাবে বাজারে। পাশাপাশি রবি এবং গ্রামীণ ফোনও বিশেষ প্যাকেজে বিক্রি করবে ফোনটি। কম্পিউস্টার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কম্পিউস্টারের বিজনেস কন্ট্রোলার (মোবাইল বিভাগ) মোহাম্মদ আফিস আলমগীর বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আইফোন-৮ বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেয় অ্যাপল। ফোনটির প্রি-অর্ডার শুরু হয় গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে। অ্যাপল জানায়, আইফোন-৮ অনেকটাই আইফোন-৭ এর মত। এ ফোনে সিঙ্গেল ক্যামেরার পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়েছে গ্লাস ব্যাক। রূপালী, ধূসর ও সোনালী এই তিন রঙে পাওয়া যাবে পানি ও ধুলা প্রতিরোধী আইফোন-৮। এ ফোনে রয়েছে, ‘ট্রু টোন প্রযুক্তি’ সম্বলিত নিউ রেটিনা এইচডি ডিসপ্লে যা পারিপার্শ্বিক আলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে পারে। আইফোন-৮ এর সাউন্ড সিস্টেমকে ২৫ শতাংশ উন্নত করা হয়েছে। এই ডিভাইসে ৬৪ বিটের এ ১১ বায়োনিক চিপ থাকায় তা আইফোন-৭ এর চেয়ে ২৫ শতাংশ দ্রুতগতিতে কাজ করবে। ৬৪ জিবি এই ফোনের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৯৯ ডলার।   / আর / এআর

মহাবিশ্ব ধ্বংস হবেই!

বিজ্ঞান সত্যিই বিস্ময়কর একটি বিষয়। বিজ্ঞানীরা অনেক বিষয় আবিষ্কারের ‍মাধ্যমে চমকে দিয়েছেন বিশ্বকে। তবু অনেক বিষয় রহস্য হয়ে আজো রয়ে গেছে আবিষ্কারের বাইরে। সম্প্রতি বিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ আরো একটি বিষয় উদ্ঘাটন করেছেন। বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এমন একটা ভবিষ্যৎবাণী করেছেন যা শুনে রীতিমতো অবাক হবেন সবাই। মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে – এমনটাই দাবি করছেন একদল বিজ্ঞানী। সুইজারল্যান্ডের সায়েন্স এলার্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, সব কিছু যেভাবে সৃষ্টি হয়েছে ঠিক সেভাবেই সেগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে। গবেষক দলের একজন হলেন ক্রিশ্চয়ান স্মোরা। তিনি বলেন, "আমাদের সমস্ত পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা জানতে পারি যে মহাবিশ্ব আসলে চিরস্থায়ী কোনো বস্তু নয়। কিছু বিষয় আমরা আজো ঠিক মতো ধরতে পারিনি। সেগুলো বোঝার জন্য আমাদের বিগ ব্যাং থিওরিতে ফিরে যেতে হবে।” গবেষকগণ দাবি করেন যে, সম ক্ষমতা সম্পন্ন্ প্রতিটি কণা তার বিপরীতধর্মী কণার কাছাকাছি আসলে তারা একে অপরকে কিছুটা হলেও ধ্বংস করে। এভাবে প্রতিনিয়তই ধ্বংস প্রক্রিয়া চলে। তাই মহাবিশ্ব একসময় ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে সেটা আজকেই নয়। সূত্র : জি নিউজ এমআর/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি