ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে খুলছে নতুন দুয়ার, অনিশ্চিত বাংলাদেশিরা

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৪৭, ২২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১০:৪৮, ২২ অক্টোবর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার পাবার নতুন দুয়ার খুলেছে। দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাসের স্বপ্ন দেখেন বিশ্বের লাখো মানুষ। সেই স্বপ্ন পূরণের অন্যতম সুযোগ ডাইভারসিটি ভিসা বা ডিভি লটারি। দীর্ঘদিন স্থগিত থাকা ২০২৭ সালের ডিভি কর্মসূচি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ফেডারেল আদালত। এতে নতুন করে নিবন্ধন শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হলেও বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর আসবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। 

দীর্ঘদিন ধরেই ডিভি লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বাংলাদেশিদের। কেন এই সুযোগ হারিয়েছে বাংলাদেশ? আর কি করলে খুলতে পারে সম্ভবনার দুয়ার?

স্বপ্ন পূর্ণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন প্রত্যাশিদের। ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচি চালুর নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ফেডারেল আদালত। দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে কর্মসূচিটি আবারও এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

১৯৯০ সালের ইমিগ্রেশন অ্যাক্টের আওতায় চালু হয় ডিভি লটারি কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলক কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠায় এমন দেশের নাগরিকদের স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ তৈরি করাই ছিলো এর মূখ্য উদ্দেশ্য।

প্রতি বছর এই কর্মসূচিতে প্রায় ৫৫ হাজার ভিসা বরাদ্দের বিধান রয়েছে। তবে লটারিতে নাম উঠলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত নয়। আবেদনকারীকে পূরণ করতে হয় নির্ধারিত শিক্ষাগত বা কর্ম-অভিজ্ঞতার যোগ্যতা এবং অন্যান্য অভিবাসনসংক্রান্ত শর্ত।

বাংলাদেশিদের জন্য অবশ্য পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। ডিভি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয় দেশভিত্তিক অভিবাসনের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, আগের পাঁচ বছরে কোনো দেশ থেকে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হিসেবে গেলে সেই দেশ ডিভি কর্মসূচির বাইরে থাকতে পারে।

সেই কোটা পূর্ণ করায় আগের ডিভি কার্যক্রম থেকেই বাংলাদেশকে অযোগ্য দেশের তালিকায় রাখা হয়েছে। যদি বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক ও কর্মসংস্থানভিত্তিক অভিবাসন নির্ধারিত সীমার নিচে নেমে আসে তাহলে নতুন করে সুযোগ তৈরি হতে পারে। 
যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত বা আনিগত পরিবর্তন আসলেও নতুন সুযোগ পেতে পারে বাংলাদেশীরা। এক্ষেত্রে ২০২৫ সালে নীতি পরিবর্তনের আলোচনা ওঠে। 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাঠামোগত বাণিজ্য চুক্তি ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কিছুটা এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা আছে। 

তবে অভিবাসন নীতি কঠোর করার অংশ হিসেবে ভিসা বাতিলের সংখ্যাও বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তিন লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অভিবাসন আইন কার্যকর করতেই এসব পদক্ষেপ।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি