ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:২৪:৪১

প্রবাসীদের অংশগ্রহণে মিউনিখে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা

প্রবাসীদের অংশগ্রহণে মিউনিখে প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা

চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম জার্মান সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলনে অংশ নিতে তিনদিনের সফরে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জার্মানির মিউনিখে পৌঁছান তিনি। এ সময় বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ।পরে প্রধানমন্ত্রীকে বর্ণাঢ্য মোটর শোভাযাত্রাসহ হোটেল শেরাটনে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরকালে তিনি এখানে অবস্থান করবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেরাটন হোটেলের বলরুম মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সংবর্ধনায় বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। এ সময় প্রবাসীদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন যারা ক্ষমতায় ছিল তারা দেশকে কিছুই দিতে পারেনি। বরং আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদেরকে অকথ্য অত্যাচার নির্যাতন করেছে। সেনা বাহিনীর হাজার হাজার অফিসার এবং সৈনিকদের হত্যা করেছে।’বিএনপির শাসন আমলের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা ক্ষমতায় থাকতে যে দুর্নীতি করেছে, দশ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজা পেয়েছে, এতিমের অর্থ আত্মসাতের সাজা পেয়েছে তাই জনগণ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। অগ্নি সন্ত্রাস, সাজাপ্রাপ্তদের নেতৃত্ব এবং জামায়াতকে ধানের শীষ মার্কা দিয়ে প্রার্থী করাতে জনগণ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং ভোট দেয়নি।’সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, সর্ব ইউরোপীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী অনীল দাশ গুপ্ত, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান শরীফ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ।’এসএ/  
মালয়েশিয়ায় রাষ্ট্রদূতকে আ.লীগের ফুলেল শুভেচ্ছা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয় অর্জন করায় রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।  সোমবার বাংলাদেশ মিশনে রাষ্ট্রদূতের কার্যালয়ে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ বাদলের নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ডেপুটি হাইকমিশনার ওয়াহিদা আহমেদ, শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম, ফাস্ট সেক্রেটারি শ্রম মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, পাসপোর্ট ও ভিসা উইং প্রধান মো. মশিউর রহমান তালুকদার, ফাস্ট সেক্রেটারি মো. মাসুদ হোসাইন, ফাস্ট সেক্রেটারি তাহমিনা ইয়াছমিন ও শ্রম শাখার ২য় সচিব মো. ফরিদ আহমদকে। রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে যাদের সক্রিয় সহযোগিতায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠানে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক বশির আহমেদ ফারুক ও মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, হুমায়ুন কবির, হাবিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির আমির, প্রদীপ কুমার বিশ্বাস, প্রকৌশলী মো. রাহাদউজ্জামান প্রমুখ।   এসএইচ/

বর্ণিল উচ্ছ্বাসে মালয়েশিয়ায় ইংরেজি নববর্ষ বরণ

চোখ ধাঁধানো আতশবাজির ঝলকানি ও গানের তালে তালে নতুন বছর ২০১৯ সালকে বরণ করে নিল মালয়েশিয়ানদের পাশাপাশি কয়েক লাখ প্রবাসী বাংলাদেশী।         কাউন্টডাউন শেষ হতেই হাজার হাজার আতশবাজির ঝলকানিতে দিনের আলোর মতো আলোকিত হয়ে ওঠে মালয়েশিয়ার শহরের রাতের আকাশ। বর্ণিল আলোকচ্ছটায় জীর্ণতাকে বিদায় জানিয়ে কুয়ালালামপুরের কেএলসিসি (টুইন টাওয়ার), কেএল টাওয়ারের সামনেসহ বিভিন্ন স্থানে নববর্ষ বরণ উৎসবে মেতে ওঠে হাজার হাজার মানুষ।   নতুন বছরের আগমন উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও এই মোহনীয় দৃশ্য দেখতে কুয়ালালামপুরের কেএলসিসি (টুইন টাওয়ার), কেএল টাওয়ার, মারদেকা মাঠ, সানওয়ে লেগুন,  পুত্রাজায়া, বুকিত বিনতাংসহ বিভিন্ন স্থানে জড়ো হন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা।  এর থেকে বাদ যায়নি প্রবাসী বাংলাদেশীরাও।    ‘সিটি অব কালার’ স্লোগান-সম্বলিত ফেস্টুন ও ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছিল কুয়ালালামপুর শহরের বিভিন্ন এলাকাকে।    এক অনুষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় মালয়েশিয়ার ডেপুটি প্রাইমমিনিস্টার ডা. ওয়ান আজিজাহ নতুন বছরের শুভ কামনা করেন এবং সকলকে ১ জানুয়ারি থেকে উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান না করতে সরকার যে রায় করেছে সেটা মেনে চলতে আহ্বান জানান।      এদিকে, নববর্ষ উপলক্ষ্যে যেকোন নাশকতা ঠেকাতে গোটা কুয়ালালামপুর জুড়ে ছিল বিপুলসংখ্যক পুলিশি টহল।  শহরে প্রবেশ করা বাস ও ট্রেনগুলোকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়।  মধ্যরাতে জমকালো আতশবাজির মাধ্যমে মালয়দের পাশাপাশি হাজারো প্রবাসী নতুন বছরকে বরণ করে নেন।নতুন বছর উপলক্ষে দেশবাসীর প্রতি বিশেষ বাণী দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ।     এদিকে, মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার মুহ. শহীদুল ইসলাম দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার নতুন আইন অনুযায়ী সকল রেস্টুরেন্ট ও বাসস্ট্যান্ড এবং উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ।  এ বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন ও আইনকে সম্মান করে প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি বজায় রেখে নিরাপদে চলাফেরার আহ্বান জানান তিনি।  এসি       

আমিরাতে সাধারণ ক্ষমা পেয়েছে ৪০ হাজার অবৈধ বাংলাদেশি

সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়েছেন ৪০ হাজারেরও বেশি অবৈধ বাংলাদেশি। গত ৫ মাসে এতো সংখ্যক বাংলাদেশি এই সুযোগ নিয়েছেন। দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ মিশন প্রধান এ খবর জানান।শুরুতে গত ১ অগাস্ট থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটিতে চলা ৩ মাসব্যাপী অ্যামনেস্টি বা সাধারণ ক্ষমার আওতায় দেশটিতে বসবাসরত বিভিন্ন দেশের অবৈধ অভিবাসীদের বিনা জেল জরিমানায় আমিরাত ত্যাগের কিংবা এখানে তাদের অবস্থান বৈধ করে নেওয়ার সুযোগ আসে, যা অনেকের মতো বাংলাদেশিদের জন্যও স্বস্তির সংবাদ হয়। ধারণা করা হয় যে বৈধভাবে এদেশে এসে বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের সংখ্যা মোট জনশক্তির ১০ শতাংশ।এ প্রসঙ্গে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান বলেন, ‘এককভাবে আমাদের দেশের অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ফিলিপাইনসহ আমিরাতে বসবাসকারী বিভিন্ন দেশের মোট অভিবাসীদের চেয়েও বেশি।’সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রথম দিন থেকে আবুধাবি দূতাবাসে ২-৩ হাজার সেবাপ্রত্যাশী এবং দুবাই কনসুলেটে তার দ্বিগুণ সংখ্যক প্রবাসী ভিড় করতে থাকেন নানা সমস্যা নিয়ে। দূতাবাস তাদের নিয়মিত কনসুলার সার্ভিসের পাশাপাশি এ বিশাল সেবাপ্রত্যাশীদের চাপ মোকাবেলায় ছুটির দিনসহ প্রতিদিন ১০/১২ ঘণ্টা করে কাজ করেও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে থাকে।তাছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে প্রকৃত অর্থে সাধারণ ক্ষমা সংক্রান্ত কাজে সমন্বয় সৃষ্টিতে হয় কিছুটা কালক্ষেপণ। আমিরাত প্রান্তে সবকিছু খানিকটা শৃঙ্খলায় ফিরে এলেও বাংলাদেশ প্রান্তে পুলিশ ভেরিফিকেশন পাওয়াসহ পাসপোর্ট অফিসের নানা জটিলতায় শ্লথ হয়ে পড়ে কাজের গতি। তাতে সাধারণ ক্ষমা প্রত্যাশীদের মধ্যে নেমে আসে হতাশা।সাধারণ ক্ষমার নির্ধারিত তিন মাস সময়ের মধ্যে প্রবাসীরা তাদের পাসপোর্ট পাবেন কিনা সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এসময় রাষ্ট্রদূতের প্রচেষ্টায় আমিরাত সরকার সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ পরপর দুইমাস বাড়াতে রাজি হলে স্বস্তি ফিরে পান প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আগামী ৩১ ডিসেম্বর সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে।রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান জানান, সাধারণ ক্ষমার ৫ মাসে আবুধাবি দূতাবাস ও দুবাই কনসুলেট থেকে ৩৫ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে ‘মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট’ (এমআরপি) সুবিধার আওতায় আনা  হয়েছে, প্রায় ৫/৬ হাজার অভিবাসীকে দেশে ফিরে যাবার জন্য আউটপাশ দেওয়া হয়েছে। যাদের হাতে পাসপোর্ট ছিল তারা সহজেই আমিরাত সরকারের দেওয়া ৬ মাসের জব-সিকার্স ভিসা দিয়ে নতুন স্পন্সর খোঁজার সুযোগ পেয়েছেন, বৈধ করে নিচ্ছেন তাদের অবস্থান।তিনি প্রবাসীদের সতর্ক করে জানান, তারা যেন তাদের দেওয়া ৬ মাসের জব-সিকার্স ভিসা নিয়ে বসে না থাকেন। কারণ এই ভিসার মেয়াদ শেষ হলে তারা বৈধ হবার আর কোনো সুযোগই পাবেন না।এসএ/  

নিউইয়র্ক পুলিশে প্রথম বাংলাদেশি ক্যাপ্টেন খন্দকার আবদুল্লাহ

খন্দকার আবদুল্লাহ। নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশী। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সর্বপ্রথম তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। এর আগে নিউ ইয়র্কের পুলিশের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মার্কিন নাগরিকরা কাজ করলেও কেউই ক্যাপ্টেন পদমর্যাদা পাননি।নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট গত শুক্রবার এক টুইটার পোস্টের মাধ্যমে খন্দকার আবদুল্লাহকে অভিনন্দন জানান। সেই পোস্টে বলা হয়, ক্যাপ্টেন খন্দকার আবদুল্লাহকে নতুন পদোন্নতি পাওয়ার জন্য অভিনন্দন। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি এই পদ অর্জন করলেন।নিয়োগের পর খন্দকার আবদুল্লাহ বলেন, নিউ ইয়র্ক পুলিশের ক্যাপ্টেন হতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। আমি সবার সহায়তা কামনা করছি।এসএ/    

বার্লিনে বাংলাদেশি ব্লগারের রহস্যজনক মৃত্যু

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে এক বাংলাদেশি ব্লগারের রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে। ঠিক কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। মঙ্গলবার পুলিশ তার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। লেখকদের সংগঠন ‘পেন জার্মানি`র উদ্যোগে বার্লিনে আশ্রয় নেয় তমালিকা সিংহ। তিনি ব্লগার হিসেবে স্থানীয় বাঙালি কমিউনিটিতে পরিচিত ছিলেন এবং অর্পিতা রায়চৌধুরী নামে লেখালেখি করতেন৷ বার্লিনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ নিজের আবসস্থলের স্নানঘর থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়৷ সেখানে উপস্থিত একজন চিকিৎসক সিংহকে মৃত ঘোষণা করেন৷ মৃতের পরিবার চাইলে মরদেহ দেশে নেওয়ার ব্যাপারে সহায়তার আশ্বাসও দিয়েছে দূতাবাস৷ কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি পেন জার্মানির মুখপাত্র ফিলিক্স হিলে। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ‘নির্বাসিত লেখক` ফেলো অর্পিতা রায়চৌধুরীর (ছদ্মনাম) মৃত্যুতে অত্যন্ত শোকাহত৷ যেহেতু পুলিশের তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে, তাই এই বিষয়ে আমরা আর কোনো মন্তব্য করতে পারছি না৷` প্রসঙ্গত, বাংলাদেশি আরেক নির্বাসিত ব্লগার জোবায়েন সন্ধি এবং তমালিকা সিংহ কাছাকাছি ভবনে থাকতেন। ডয়চে ভেলেকে তিনি জানান, সিংহর সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। সর্বশেষ ১২ ডিসেম্বর তাদের কথা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি৷ উল্লেখ্য, পেন জার্মানি এখন অবধি বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি ব্লগার এবং লেখককে জার্মানিতে নির্বাসিত জীবনযাপনে সহায়তা করেছে৷ তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন লেখক হুমায়ুন আজাদ৷ তাকে ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট মিউনিখে নিজের আবাসস্থল থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছিল পুলিশ৷ এমএইচ/

নয়াদিল্লীতে ৪৮তম বিজয় দিবস উদযাপন

নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ৪৮তম বিজয় দিবস পালন করেছে।    হাই কমিশন মুক্তিযুদ্ধে ভারতের পূর্ণাঙ্গ সমর্থন ও ভারতীয় যে সব সৈন্যরা বাংলাদেশের মুক্তিসেনাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেন তাঁদের আত্মত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।ডেপুটি হাই কমিশনার এ.টি.এম রকিবুল হক অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের মহান বিজয় দিবসের বাণী সমূহ পাঠের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান সাজানো হয়। ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী কলকাতায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট শাহাদৎবরণ কারী তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।নয়া দিল্লীস্থ হাইকমিশন দিবসটি উদযাপনে সোমবার এক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করবে।এসি    

নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলার প্রস্তুতি নিয়ে কমিটি গঠিত

নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা ২০১৯ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে ৯ ডিসেম্বর বিকেলে জ্যাকসন হাইটসে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ। সভায় নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা ২০১৯-এর ঘোষিত আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলামসহ মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য নিনি ওয়াহেদ, হাসান ফেরদৌস, ফাহিম রেজা নূর, বিশ্বজিত সাহা, ওবায়দুল্লাহ মামুন, আহমাদ মাযহার, আদনান সৈয়দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় জাকিয়া ফাহিমও উপস্থিত ছিলেন। সভার প্রথমেই ফাউন্ডেশনের সভাপতির মাধ্যমে নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা ২০১৯-এর আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলামকে অনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। বইমেলা বাস্তবায়নের জন্য একটি প্রস্তুতি কমিটিও গঠন করা হয়। আহ্বায়কসহ কমিটির সদস্যরা হলেন, নিনি ওয়াহেদ, ফেরদৌস সাজেদীন, সউদ চৌধুরী, হাসান ফেরদৌস, কৌশিক আহমেদ, ফাহিম রেজা নূর, ওবায়দুল্লাহ মামুন, আহমাদ মাযহার, নসরত শাহ, বিশ্বজিত সাহা, আদনান সৈয়দ, রানু ফেরদৌস, সাবিনা হাই উর্বি, তানভীর রব্বানী, শুভ রায়, শেখ শোয়েব সাজ্জাদ, মুরাদ আকাশ, ইউসুফ রেজা, হারুন আলী ও সেমন্তী ওয়াহেদ। বিগত বইমেলার মতো  পিএস-৬৯-এই বইমেলা হবে নাকি অন্য কোনো ভেন্যুতে বইমেলা হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনা হয় বইমেলার জন্য অর্থসংগ্রহ বিষয়েও। সভায় একমত প্রকাশ করা হয় যে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের জন্য স্থায়ী তহবিল গঠন করা হবে। বিভিন্ন নামে পৃষ্ঠপোষক সদস্যপদ গঠনের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বইমেলা উপলক্ষে পূর্বঘোষিত পুরস্কারের পাশাপাশি লেখককে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকাশিত বই জমা দেওয়া সাপেক্ষে বাংলা ভাষার একজন অভিবাসী লেখককেও পুরস্কৃত করা হবে। এই পুরস্কারের অর্থমূল্যও প্রদান করবেন জিএফবি গ্রুপ’। উল্লেখ্য গত ৩ বছের ধরে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য একজনকে আজীবন সম্মাননা প্রদাণ করে আসছে।    

ফ্রান্সে প্রথম বাংলাদেশি অনুবাদকের স্বীকৃতি পেল জুলকিপলা

ফ্রান্সে প্রশাসনিক ও অফিসিয়াল সকল কাজে স্থানীয় ভাষা ফঁসে ব্যবহার হওয়ার কারণে অফিস আদালতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় বাংলাদেশিদের, সে কারণে ফ্রান্সে অভিবাসনে, রাজনৈতিক আশ্রয়ে, ব্যবসা-বাণিজ্যে, সরকারি-বেসরকারি কাজে, আদালতে, কূটনৈতিক পরিধীতে ও নানাবিধ বিষয়ে প্রত্যায়িত অনুবাদ এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। যে কারণে দোভাষী ও অনুবাদকদের এক বিশেষ যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়, আর সে যোগ্যতার স্বীকৃতি যখন দেশের উচ্চ আদালত প্রদান করে, তা গ্রহণ করা নিশ্চিতই এক বিশেষ দায়িত্ব। কেননা সমস্ত প্রসাশনিক কাজে একমাত্র তাদের অনুবাদই গ্রহণযোগ্য। সম্প্রতি প্যারিসের হাইকোর্ট এই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অনুবাদক তুহিন জুলকিপলাকে এই গুরুদায়িত্ব দিল। যদিও ভারতের কয়েকজন বাঙালিকে এই `সন্মান` প্রদান করা হয়েছিল প্যারিস হাইকোর্ট থেকে, কিন্তু এই প্রথম রাজধানী প্যারিসে তুহিন জুলকিপলা এই পদবী ও সন্মানের অধীকারী হলেন। এর কয়েক বছর আগে একই কোর্ট তাকে দোভাষী হিসেবে ও মনোনীত করেছিল। এর আগে প্যারিসের বাইরে অন্য নগরী ভার্সাই হাইকোর্ট থেকে বাংলাদেশি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান এবং ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্তের অপর নগরী তুলুজ হাইকোর্ট থেকে আরও দুজন এই পদবী পেয়েছেন। শফিকুর রহমান (পারভেজ) এবং তুহিন জুলকিপলা প্যারিসের গার দ্যু নর্দ` এ (10, Rue Demarquay,75015 Paris) অবস্থিত `হিমালয় অনুবাদ কেন্দ্র` S.T.I.P (পেশাদার অনুবাদক ও দোভাষী সংগঠন) অফিসে দীর্ঘ এক যুগ অনুবাদের কাজ করে যাচ্ছেন। আরকে//

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা  

মালয়েশিয়ায় জামাল নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে বাংলাদেশ কমিউনিটিসহ পুরো মালয়েশিয়ায়।       মঙ্গলবার দেশটির ইউনিভার্সিটি মালায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামালের মৃত্যু হয়। নিহত জামাল কুমিল্লা সদর থানার মদিনানগর এলাকার মো. জলিল মিয়ার ছেলে। জামালের স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। নিহত জামালের শ্যালক মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. লিটন মিয়া জানান, জামাল মালয়েশিয়ায় ৯ বছর ধরে অবস্থান করছিল এবং স্থানীয় গ্লোভটনিক্স ইলেকট্রনিকস নামে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন।    গত সোমবার সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হয়ে সানওয়ে মেনতারি কোর্ট এলাকায় যাচ্ছিলেন জামাল মিয়া। সেখানে পৌঁছলে সড়কের লোকজনের সামনে মালয়েশিয়ান চার যুবক ও এক মেয়ে তাকে হকিস্টিক দিয়ে বেদম পেটায়। তবে তাকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেননি। এর এক ঘণ্টা পর পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বুধবার তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তদন্তের পর থানায় (বালাই) একটি হত্যা মামলা করা হবে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে তার লাশ কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান লিটন। এ বিষয়ে গ্লোভটনিক্স ইলেকট্রনিকস কোম্পানির সুপারভাইজার লক্ষ্মীপুর জেলার মো. মুসলেহ হোসেন বলেন, জামাল আমার অধীনেই কাজ করতো। ঘটনার খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে তাকে দেখতে গিয়েছিলাম, তখন তার জ্ঞান ছিল।   পরে তিনি জানান, এ হামলার আগে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র তাকে একটি মেয়ে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে। পরে তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। তাদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই তার ওপর এ হামলা চালানো হয়।    এ ঘটনায় মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করা হলে শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় কারা জড়িত। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে, খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেআই/এসি   

আমিরাতে বৈধ হওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গ হচ্ছে প্রবাসীদের   

পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও ডেমুতে আটকে গিয়ে ধূলিসাৎ হচ্ছে আমিরাতের প্রায় ২ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশির বৈধ হওয়ার স্বপ্ন। বৈধ হওয়ার জন্য তাদেরকে গত ২৮ নভেম্বরের মধ্যে বৈধ পাসপোর্ট আবুধাবীস্থ দূতাবাসে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল।  কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও অনেকেই পাসপোর্ট জমা দিতে পারেননি। তাই তাদের মধ্যে এখন হতাশা বিরাজ করছে।   বিষয়টি নিয়ে মিশন কর্মকর্তারাও বিচলিত। কেবল ঘুম ভাঙেনি আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদপ্তরেরই। হাজারো প্রবাসীর আর্তনাদের আওয়াজ পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও পুলিশ বিভাগের বিশেষ শাখায় (এসবি) পৌঁছলেও তাদের মন গলেনি। এদিকে শত শত প্রবাসী পাসপোর্ট না পেয়ে প্রতিদিন ধর্ণা দিচ্ছেন আবুধাবীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও দুবাইস্থ বাংলাদেশ কন্সূলেটে। মিশন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর না পেয়ে তারা এখন হতাশ। প্রবাসীদের কেউ কেউ স্বজনদের পাঠিয়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশে ধর্ণা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে আসতে পারলেও বাকিরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন দূতাবাস ও কন্সূলেট প্রাঙ্গণে। মিশন কর্মকর্তারাও বসে নেই। বিষয়টি সুরাহার জন্য প্রতিনিয়তই চিঠি পাঠাচ্ছেন বাংলাদেশ সরকারে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে। কিন্তু এখনো কোনো আশানুরুপ ফলাফল পাওয়া যায়নি বলে তারা জানান। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও এক মাস সময় চেয়ে আমিরাত সরকারের কাছে চিঠি দিয়ে রেখেছেন। তবে এ আবেদন আমিরাত সরকার গ্রহণ করবে কিনা, তা দেখার অপেক্ষায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা।  এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি