ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৩৭:০৬

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা  

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা  

মালয়েশিয়ায় জামাল নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে বাংলাদেশ কমিউনিটিসহ পুরো মালয়েশিয়ায়।       মঙ্গলবার দেশটির ইউনিভার্সিটি মালায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামালের মৃত্যু হয়। নিহত জামাল কুমিল্লা সদর থানার মদিনানগর এলাকার মো. জলিল মিয়ার ছেলে। জামালের স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। নিহত জামালের শ্যালক মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. লিটন মিয়া জানান, জামাল মালয়েশিয়ায় ৯ বছর ধরে অবস্থান করছিল এবং স্থানীয় গ্লোভটনিক্স ইলেকট্রনিকস নামে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন।    গত সোমবার সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হয়ে সানওয়ে মেনতারি কোর্ট এলাকায় যাচ্ছিলেন জামাল মিয়া। সেখানে পৌঁছলে সড়কের লোকজনের সামনে মালয়েশিয়ান চার যুবক ও এক মেয়ে তাকে হকিস্টিক দিয়ে বেদম পেটায়। তবে তাকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেননি। এর এক ঘণ্টা পর পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় বুধবার তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তদন্তের পর থানায় (বালাই) একটি হত্যা মামলা করা হবে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে তার লাশ কয়েক দিনের মধ্যেই দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান লিটন। এ বিষয়ে গ্লোভটনিক্স ইলেকট্রনিকস কোম্পানির সুপারভাইজার লক্ষ্মীপুর জেলার মো. মুসলেহ হোসেন বলেন, জামাল আমার অধীনেই কাজ করতো। ঘটনার খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে তাকে দেখতে গিয়েছিলাম, তখন তার জ্ঞান ছিল।   পরে তিনি জানান, এ হামলার আগে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র তাকে একটি মেয়ে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে। পরে তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। তাদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই তার ওপর এ হামলা চালানো হয়।    এ ঘটনায় মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করা হলে শ্রম কাউন্সিলর মো. সায়েদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় কারা জড়িত। কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে, খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেআই/এসি   
আমিরাতে বৈধ হওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গ হচ্ছে প্রবাসীদের   

পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও ডেমুতে আটকে গিয়ে ধূলিসাৎ হচ্ছে আমিরাতের প্রায় ২ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশির বৈধ হওয়ার স্বপ্ন। বৈধ হওয়ার জন্য তাদেরকে গত ২৮ নভেম্বরের মধ্যে বৈধ পাসপোর্ট আবুধাবীস্থ দূতাবাসে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল।  কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও অনেকেই পাসপোর্ট জমা দিতে পারেননি। তাই তাদের মধ্যে এখন হতাশা বিরাজ করছে।   বিষয়টি নিয়ে মিশন কর্মকর্তারাও বিচলিত। কেবল ঘুম ভাঙেনি আগারগাঁও পাসপোর্ট অধিদপ্তরেরই। হাজারো প্রবাসীর আর্তনাদের আওয়াজ পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও পুলিশ বিভাগের বিশেষ শাখায় (এসবি) পৌঁছলেও তাদের মন গলেনি। এদিকে শত শত প্রবাসী পাসপোর্ট না পেয়ে প্রতিদিন ধর্ণা দিচ্ছেন আবুধাবীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও দুবাইস্থ বাংলাদেশ কন্সূলেটে। মিশন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর না পেয়ে তারা এখন হতাশ। প্রবাসীদের কেউ কেউ স্বজনদের পাঠিয়ে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশে ধর্ণা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে আসতে পারলেও বাকিরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন দূতাবাস ও কন্সূলেট প্রাঙ্গণে। মিশন কর্মকর্তারাও বসে নেই। বিষয়টি সুরাহার জন্য প্রতিনিয়তই চিঠি পাঠাচ্ছেন বাংলাদেশ সরকারে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে। কিন্তু এখনো কোনো আশানুরুপ ফলাফল পাওয়া যায়নি বলে তারা জানান। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও এক মাস সময় চেয়ে আমিরাত সরকারের কাছে চিঠি দিয়ে রেখেছেন। তবে এ আবেদন আমিরাত সরকার গ্রহণ করবে কিনা, তা দেখার অপেক্ষায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা।  এমএইচ/

জাপানে পালিত হলো বাংলার নবান্ন উৎসব

প্রথমবারের মতো বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব ১৪২৫ উদযাপন করলো জাপান প্রবাসী বৃহত্তর খুলনা সমিতি। রোববার সন্ধ্যায় এ উৎসব পালন করা হয় জাপানের রাজধানী টোকিও শহরের ইয়াসকা স্টেশনের সেজাকি কমিউনিটি সেন্টারে। বিদেশের মাটিতে থেকেও দেশীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্য এবং ধারাবাহিকতা রক্ষায় উদ্দীপ্ত সমিতির ৩০০ সদস্য এতে অংশ নেন। বৃহত্তর খুলনার জাপান প্রবাসী ১৮টি পরিবারের মেয়েরা নিজেদের হাতে তৈরি রকমারি পিঠাপুলি, দেশীয় খাবার ও মিষ্টান্ন পরিবেশন করেন নবান্ন উৎসবে। জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. সাহিদা আকতার, কমার্সিয়াল কাউন্সেলর হাসান আরিফ এবং কম্যুনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ উৎসাহী অনেক জাপানি নারীপুরুষের পাশাপাশি বিদেশি অতিথিরাও এতে যোগ দেন এবং বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পিঠাপুলির প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠানের এক পর্বে কীভাবে বাংলার নারীরা ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকিতে ধান ভানার পর চাল বের করে এবং তা গুড়া করার পর কীভাবে চালের গুড়া দিয়ে পিঠা তৈরি হয় তা তুলে ধরেন শিল্পীরা। আয়োজনে বাঙালি লোকগান এবং দেশীয় নৃত্য পরিবেশন ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন সমিতির সদস্যরা। এই প্রথমবারের মতো জাপানের মাটিতে আয়োজিত এ নবান্ন উৎসব বিষয়ে বৃহত্তর খুলনা সমিতির কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা কাকলি এবং তানিজা শারমিন সেবু বলেন, বিদেশে থেকেও দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অনুশীলন এবং তাকে বিদেশিদের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যেই আমাদের এ প্রয়াস। সমিতির অন্যতম সংগঠক বহ্নি আহমেদ এবং গোলাম মাসুম জিকো বলেন, এখন থেকে প্রতিবছর নিয়মিত নবান্ন উৎসবের পাশাপাশি অন্যান্য উৎসবগুলিও উদযাপনের পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। এসএইচ/

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন    

‘তথ্য সেবা, ত্যাগ ও মানব কল্যান’ এই শ্লোগান নিয়ে যাত্রা শুরু করা মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাথে সম্পৃক্ত সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়া হাঁটি হাঁটি পা পা করে একটি বছর শেষ করে পদার্পন করলো দ্বিতীয় বছরে। শনিবার রাতে এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্ট এ কেক কেটে পালন করা হয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এর আগে সংগঠনের সভাপতি মনির বিন আমজাদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় এক আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ব্যবসায়ী কমিউনিটি নেতা দাতু মো. শফিকুল ইসলাম চৌধূরী। আলোচনা সভায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসি বাংলাদেশীদের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ। প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রবাসীদের অবদান অতি গুরুত্বপূর্ণ। প্রবাসীরা অর্থনৈতিক চাকাকে সচল রেখেছেন। প্রবাসীরা যেমন কর্মক্ষেত্রে নিজেদের সাফল্য ধরে রাখছেন তেমনি প্রবাসে সৃজনশীলতা চর্চায়ও অনন্য অবস্থান তৈরি করছেন। প্রবাসী হওয়া সত্ত্বেও তাদের সেই সৃজনশীল চর্চায় একটুও ঘটেনি। বরং সৃজনশীলতা চর্চাকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন তারা। কমিউনিটি নেতারা সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও প্রবাসীদের কল্যাণে তথ্যধর্মী প্রতিবেদন বেশি বেশি করে সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করার আহবান জানান। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমাদুল কবির, সাধারন সম্পাদক বশির আহমেদ ফারুক, সহ-সভাপতি, খন্দকার মস্তাক রয়েল শান্ত, মো. ফরহাদ আহমদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শেখ আরিফুজ্জামান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ওয়াহিদ সোহান, সাংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক ফারজানা সুলতানা, তথ্য-গবেষনা সম্পাদক অরিফুল ইসলাম ও সদস্য আশরাফুল মামুন।  কেআই/এসি    

মালয়েশিয়ায় নতুন কলিংয়ের স্বপ্নে বিভোর দালাল চক্র-২

বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির অন্যতম প্রধান বাজার মালয়েশিয়া। মালয়েশিয়া জনশক্তির জন্য বাংলাদেশকে তাদের ‘সোর্স কান্ট্রির’ তালিকাভুক্ত করেছে। ফলে সেবা, উৎপাদন, নির্মাণসহ পাঁচটি খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। সাম্প্রতিক সময়ে রিক্রুটিং এজেন্সি ও দালালের দৌরাত্ম্যের ঘটনায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রশ্নবিদ্ধ হলেও দুই দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় আবারও খুলতে শুরু করছে নতুন দ্বার। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় জি টু জি প্লাসে দশ সিন্ডিকেট চক্রের কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়মনীতি থাকলেও তা মানা হয়নি। লোভনীয় চাকরি ও উচ্চ বেতনের কথা বলে বাংলাদেশ থেকে কর্মী আনা হয় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কোম্পানিতে। কিন্তু কয়েক মাস না যেতেই অনেক শ্রমিক ওই সব কোম্পানি থেকে পালিয়ে যায়। তাদের সব কাগজপত্র এমনকি ভিসা ওই কোম্পানির নামে থাকলেও ভালো কিছুর আশায় কোম্পানি থেকে পালিয়ে যাচ্ছে অহরহ শ্রমিক। কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না এক কোম্পানি থেকে একজন ব্যক্তি যখন পালিয়ে যাবে তখনই সে মালয়েশিয়ায় অবৈধ হয়ে যাবে। যেটাকে মালয়েশিয়ান ভাষায় বলে ‘লাড়ি’ হয়ে যাওয়া। মালয়েশিয়া আসার পর কোম্পানিতে কাজ না থাকা, আবাসন সমস্যা, কয়েক মাসের বেতন আটকে দেওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে চুক্তিপত্রে ২৬ দিনে দৈনিক ৮ ঘণ্টা ডিউটিতে ১ হাজার থেকে ১২শ’ রিঙ্গিত বেসিক বেতন ও ওভারটাইম দেওয়াসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ থাকলেও তা মানা হয় না। এমনও অভিযোগ আছে, মাস শেষে আবাসন, বিদ্যুৎ বিলসহ বেতনের একটা অংশ কেটে নেওয়া হয় তাদের কাছ থেকে। এছাড়া বছর শেষে লেভির টাকা কোম্পানি মালিকের বহন করার কথা থাকলেও মাস শেষে বেতন থেকে কেটে নেওয়া হয়। জীবিকার তাগিদে সহায়সম্বল বিক্রি করে একজন ব্যক্তি ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা খরচ করে মালয়েশিয়া আসে। সেই খরচের টাকা তুলতে গিয়ে লেগে যায় কয়েক বছর। জুলাই মাসে কলিং ভিসায় আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবাসী বলেন, আমাদের ফেক্টরিতে কাজের পরিমাণ এতো বেশি যে দুইজনের কাজ একজনকে করতে হয় তার পরও ওটি দেয় না! মাস শেষে কোনও রকমে ১১’শ থেকে ১২’শ রিঙ্গিত বেতন পাই, খাওয়া খরচ ও অন্য খরচ বাদে কতো টাকাই বাঁচে! এমন করে চলতে থাকলে কতো বছরে আসল টাকা উঠাতে পারবো তাও জানি না ৷ এ জন্য এ কোম্পানি থেকে অনেকই পালিয়ে যেতে চায় ৷ সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের আগে দূতাবাসের শ্রম শাখার কর্মকর্তারা বিভিন্ন ফ্যাক্টরি পরিদর্শনে যান। এ সময় তারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সভা, কর্মীদের সাক্ষাৎকার, কর্মস্থল ও হোস্টেল পরিদর্শন এবং নতুন কর্মী নিয়োগ করার সুযোগ, আবাসন ব্যবস্থা, চিকিৎসা সেবা, ওভার টাইম, বেতন ব্যাংকের মাধ্যমে দেয় কি-না ইত্যাদি যাচাই করে। এছাড়া বর্তমানে কর্মরত কর্মীদের পে স্লিপ চেক করা, কোম্পানির আয়-ব্যয়, শেয়ার, লাইসেন্স, প্রোডাকশন, এক্সপোর্ট ইত্যাদিও দেখা। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির বিদেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়ার অনুমতি আছে কি-না- সেটিও যাচাই করা হয়। সূত্রে আরও জানা যায়, এ সব ক্ষেত্রেও কোম্পানি মালিক বা এজেন্টরা ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। দূতাবাসের কর্মকর্তারা যখন পরিদর্শনে যান তখন অন্য হোস্টেল ভাড়া নিয়ে নিজেদের বলেও চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ আছে। এদিকে, গত ১১ অক্টোবর মালয়েশিয়ায় এসে মাত্র তিন দিনের মাথায় ৬৮ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরতের ঘটনায় তোলকালাম শুরু হয়। গত ১১ অক্টোবর বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স ক্যাথারাসীজ ওভারসীজের মাধ্যমে মালয়েশিয়ার গ্লোব ফ্যাক্টরির নামে আশা ৬৮ জন বাংলাদেশিকে তিন দিন এয়ারপোর্টে আটকে রাখার পর তাদেরকে গত ১৩ অক্টোবর বিকালে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। (চলবে)একে//  

সন্তানের মুখ দেখা হলো না জসিমের

অভাবের সংসারে তাঁর বেড়ে উঠা। দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের জন্যে কৈশোর থেকেই জীবন সংগ্রাম শুরু হয় তাঁর। কঠোর পরিশ্রম করেও পরিবারের ভরণপোষণ যেন কিছুতেই মিটাতে পারছিলেন না তিনি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। পরিবারের অন্য সব সদস্যগুলোর একই অবস্থা। জীবন যুদ্ধে ঘামে ভেজা শরীর তাদের। কোন মতেই দিনযাপন। কিন্তু দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে পরিবারকে মুক্তি দিতে দু’চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে একদশক আগে মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। প্রবাসে দীর্ঘদিন একটানা খাটুনির ফলে দারিদ্র্যের যাঁতাকল থেকে মুক্ত হয়ে সদ্য আলোর মুখ দেখছিল তাঁর পরিবার- পরিজনরা। স্ত্রী, সন্তান নিয়েই তাঁর সুখের সংসার। ঘর আলো করে একে একে চার সন্তানের বাবা হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, চতুর্থ কন্যা সন্তান জন্মের পর তাঁর মুখ এখনও দেখেনি সে। মেয়েকে দেখার প্রবল আগ্রহে কাটছিল তাঁর দিনগুলো। সহসা দেশে আসার স্বপ্নে বিভোর হয়ে স্বপ্নের কথাগুলো পরিবারের বাকি সদস্যদের বলতেন তিনি। মেয়ের জন্য কিনেছেন খেলনা, চকলেট, নতুন কাপড়। কিন্তু সেই স্বপ্নসাধ পূরণ হলো না? মেয়ের মুখে বাবা ডাক শুনা হল না তাঁর। মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়েড় স্থানীয় সময় পৌনে ৫টার দিকে তিনি সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। তাঁর মৃত্যু সংবাদে গ্রামের বাড়ি সন্দ্বীপে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। জসিমের মতো অনেক প্রবাসীদের জীবন এভাবে পথে-প্রবাসে নিয়তির চরম ছোবলে হারিয়ে যায়। দুঃখের ঘোরে নামে অভাবের কালো দিন। যেখানে আশা-ভরসার সমস্থ আকাশ দুঃখের কালো মেঘে ডেকে যায়। জসিম উদ্দিনের ভাই মনির জানায়, বিকেলে সে বাসা থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়। বাসার কাছেই হাইওয়েতে একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তাঁর মাথায় প্রাপ্ত হয়। ‘রাআস আল খাইমাহ’ একটি হসপিটালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ  ‘রাআস আল খাইমাহ’ হাসপাতালের মর্গে আছে। মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। উল্লেখ্য, নিহত জসিম উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়ের ৮নং ওয়ার্ডে। তাঁর পিতার নাম ফখরুল ইসলাম কালু। মৃত্যুকালে মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন স্ত্রী, তিন কন্যা ও একটি ছেলে সন্তান রেখে গেছেন। কেআই/ এসএইচ/

মালয়েশিয়ায় কর বৃদ্ধি পাচ্ছে বিদেশি শ্রমিকদের

মালয়েশিয়ায় ২০ শতাংশ লেভি (কর) বাড়ছে বিদেশি শ্রমিকদের। এর আরও যুক্ত হয়েছে ৩০০ থেকে এক হাজার ৫০০ রিংগিত শ্রমিক বন্ড নামের নতুন কর। এটা নির্ভর করবে বিদেশি কর্মীর সংখ্যার ওপর।  দেশটিতে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের লেভি গ্রহণের ‘প্রস্তাবিত মাল্টি-স্টিয়ার লেভি পদ্ধতি’ আগামী বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তানশ্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন।  বৃহস্পতিবার বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যৌথসভায় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়ন হওয়ার পর যাতে প্রতিকূল প্রভাব সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা সংশ্লিষ্ট সেক্টর ও উপ-সেক্টরের সঙ্গে আলোচনা করতে সম্মত হয়েছি। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন সাপেক্ষেই মাল্টি-স্টিয়ার লেভি পদ্ধতি বাস্তবায়ন হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, লেভির পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুনঃবিবেচনা করা হবে। ফলে এটি খুব বেশি ভারসাম্যহীন হবে না। নতুন পদ্ধতিতে বর্তমানের লেভির পরিমাণ থেকে বেড়ে ২০ শতাংশের মধ্যে থাকবে। সুতরাং, এটি এত বড় নয়, তবে কিছু উপ-সেক্টরে এটি বড় হবে। নতুন করে ভিসাকর নির্ধারণের বিষয়টি এর আগে গত ১৬ অক্টোবর প্রথম আলোচনায় উত্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বলা হয়, ‘যত বেশি বিদেশি কর্মী নিয়োগ হবে, তত বেশি কর দিতে হবে’। অর্থাৎ বিদেশি কর্মীদের করের পরিমাণ কত হবে তা নির্ভর করবে নিয়োগকারীর অধীনে কতজন বিদেশি কর্মী রয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, নতুন এ পদ্ধতি বিদেশি কর্মীদের ওপর উচ্চ নির্ভরশীলতা কমবে। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন ইয়াসিন বলছেন, সরকার আউটসোর্সিং সিস্টেম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১০০টি আউটসোর্সিং কোম্পানির অধীনে প্রায় ২৬ হাজার কর্মী রয়েছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ বছর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ১৮ লাখ ৯২ হাজার ২৪৭ জন বিদেশি কর্মীর ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। এদের মধ্যে শীর্ষ পাঁচটি দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত ও মিয়ানমার। দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী এম. কুলাসেগারন জানিয়েছেন, ইউনিয়ন, বেসরকারি সংস্থা এবং সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। একে//

খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে মন্তব্য করলেন তসলিমা নাসরিন!

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগির নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভীতিকর মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যার ঘটনাকে উল্লেখ করে বাংলাদেশের দূতাবাসে যেতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসটি  তুলে ধরা হলো- ‘সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে কুচি কুচি করে কেটে ফেলেছে সৌদি রাজ পরিবারের কাছের লোকেরা। তাও আবার ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসের ভেতর। বাংলাদেশ তো সৌদি আরব নামক পবিত্র ভূমির পুজো আচ্চা করে চলে। সৌদি আরবের অনুকরণ করেই চলেছে দেশটি। এখন ভাবছি আমি যে আমার বাংলাদেশ পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য, বা বিদেশি পাসপোর্টে বাংলাদেশের ভিসা নেওয়ার জন্য, বা পাওয়ার অব এটর্নি সত্যায়িত করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসে মাঝে মধ্যে যাই, যদিও ওরা কিছুই দেয় না, না রিনিউ, না ভিসা, না সত্যায়িতের সই, সেই যাওয়া আমার বন্ধ করে দিতে হবে। আমার উপস্থিতি দূতাবাসের লোকদের যথেষ্ট ইরিটেট করে। তারা তো আমাকে কুচি কুচি করে কেটে ফেলবে একদিন। ঠিক যেমন সৌদি আরব কেটেছে জামাল খাশোগির মতো নির্ভীক সাংবাদিককে। কেআই/ এসএইচ/  

মালয়েশিয়া দূতাবাসের সেবা পরিদর্শন করলেন নজিবুর রহমান

মালয়েশিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের কন্স্যুলার সেবা পরিদর্শন করলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।  বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় মালয়েশিয়ার জালান বেছার আম্পাং  দূতাবাসের পাসপোর্ট শাখা পরিদর্শনে যান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, রাষ্ট্রদূত মুহ. শহীদুল ইসলাম, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার উইং প্রধান মো. মশিউর রহমান তালুকদার, পাসপোর্ট বিভাগের এডিশনাল প্রজেক্ট ডাইরেক্টর মো. জুল ফিকার আলী, প্রথম সচিব (বাণিজ্য) মো. রাজিবুল আহসান, ২য় সচিব (শ্রম) মো. ফরিদ আহমদ, পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার অফিস সহকারী সুশান্ত সরকার প্রমুখ।   প্রবাসী কর্মীদের উদ্দেশ্যে মূখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান বলেন, জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির পাশাপাশি মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। সফল ও দক্ষ কার্যক্রমের সুফল হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে সুপরিচিত। ডিজিটাল পাসপোর্ট তৈরি এবং নবায়ন থেকে শুরু করে সব সেবাই আপনারা পাবেন। হাইকমিশনের প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারী সর্বদা আপনাদেরকে সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত মুহ. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমাদের মিশন শ্রমিকবান্ধব হওয়ায় দূতাবাস ছাড়া দেশটির প্রত্যেকটি প্রদেশে গত এক বছর ধরে আপনাদের সেবা দিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতি মাসে শনিবার থেকে রোববার মালয়েশিয়ার জহুর বারু, পেনাং, মালাক্কা, ক্লাং এ কন্স্যুলার সেবা দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, মালয়েশিয়া সরকার অবৈধদের বৈধতার প্রোগ্রামে যারা নিবন্ধিত হয়েছেন যা সর্বমোট আবেদনের যথাক্রমে ৫৭ শতাংশ এবং ৮৯ শতাংশ বাংলাদেশিদের।  এই অভূতপূর্ব সাড়ার উচ্ছসিত প্রশংসা করেন এ কর্মকর্তা এবং উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কন্স্যুলার সেবা পরিদর্শন শেষে সাড়ে ১১টায় কুয়ালালামপুর জালান সুলতান ইয়াহিয়া পেট্রা দূতাবাসের মূল কন্স্যুলার অফিসে রাষ্ট্রদূত মহ. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এক জরুরি বৈঠকে মিলিত হন মূখ্য সচিব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ দূতাবাসের ডেপুটি হাই কমিশনার ওয়াহিদা আহমেদ, শ্রম কাউন্সিলর ও অতিরিক্ত সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা বিভাগের উইং প্রদান এয়ার কমডোর মো. হুমায়ূন কবির প্রমুখ।   এসএইচ/

বাহরাইনে ভবনধসে ৪ বাংলাদেশি নিহত, আহত ২৬   

বাহরাইনের রাজধানী মানামায় বহুতল ভবনধসে ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৬ জন। তাদের মধ্যে ২ জনের আশঙ্কাজনক।    দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার সকালে এক টুইট বার্তায় জানায়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। অপরদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আরও একজন। নিহতরা হলেন, চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পরানপুর গ্রামের আবদুল হান্নান, হাজীগঞ্জ উপজেলার জাকির, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার জয়নাল। নিহত অপরজনের নাম আলো মিয়া। তাৎক্ষণিকভাবে তার সঠিক ঠিকানা জানা যায়নি। তিনতলা ওই ভবনটিতে অর্ধশত বাংলাদেশি শ্রমিক ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন মারাত্মক আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।  উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মানামার আল মির্জা সড়কের পাশে নেস্ট সুপার মার্কেট-সংলগ্ন তিনতলা বিশিষ্ট ওই ভবনধসের ঘটনা ঘটে। কেআই/এসি   

জনগণের ক্ষমতায়ন দিবস উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় যুবলীগের সভা

সফল রাস্ট্র নায়ক শেখ হাসিনার জন্মদিনকে জনগণের ক্ষমতায়ন দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা করায় মালয়েশিয়ায় আলোচনা সভা করেছে আওয়ামী যুবলীগ। রোববার রাত ৮টায় রাজধানী কুয়ালালামপুরের হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালের বলরুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মালয়েশিয়া যুবলীগের আহ্বায়ক তাজকীর আহমেদের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মনসুর আল বাশার সোহেলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, দাউদকান্দি উপজেলার চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী।  বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য আরেফিন মোল্লা। সভায় অন্যানের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, মার্শাল পাবেল, আমান উল্লাহ আমান, মো. আশরাফুল ইসলাম সোহেল, মালয়েশিয়া সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন সেলিম প্রমূখ।   এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি