ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ৪:২০:০৬

২০২১ সালের মধ্যে ২০ লাখকে আইসিটি সেক্টরে আনা হবে: পলক 

২০২১ সালের মধ্যে ২০ লাখকে আইসিটি সেক্টরে আনা হবে: পলক 

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সোসাইটির রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন মার্কেট প্লেসে ওয়ার্ক ফোর্স হিসাবে কাজ করছে বাংলাদেশ। এখানে প্রায় ৬ লক্ষ মেধাবী ও দক্ষ তরুণ-তরুণী কাজ করে থাকেন। আমরা ২০২১ সাল নাগাদ দেশের ২০ লাখ তরুণ-তরুণীকে আইসিটি সেক্টরের পেশায় নিয়ে আসবো।’       রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে দশটার দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পৃথিবীতে চারটি বিপ্লব ঘটেছে। প্রথমটি পণ্য পরিবহনের জন্য রেললাইন আবিষ্কার, দ্বিতীয়টি বিদ্যুৎ আবিষ্কার, তৃতীয়টি ইন্টারনেট ও কম্পিউটার আবিষ্কার আর চতুর্থটি বর্তমান সময়ে অটোমেথেড মেশিনের ব্যবহার। এখন মানুষ সব সময় ইন্টারনেটে সংযুক্ত হচ্ছে। মানুষ নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন, রোবটিক্স আবিষ্কার ব্যবহারের মাধ্যমে প্রযুক্তির জগৎ বিশাল ক্ষেত্রে পরিণত করেছে। তথ্য ও প্রযুক্তির ফলে পৃথিবী হয়ে বর্ডারলেস। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৯ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে।’ সরকারের দেওয়া ‘আর্নিং এ্যান্ড লার্নিং’ প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় ১৩ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১১ প্রশিক্ষাণার্থী এক বছরে ২০ লক্ষ ডলার আয় করেছে। চলতি বছরে এ প্রকল্পের আওতায় আরও ৪০ হাজার তরুণ তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্কের প্রকল্প পরিচালক একেএম ফজলুল হক। আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম সেখ, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ওসমান গনি তালুকদার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা।এর আগে, সকাল ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেন্টারে এআর/ভিআর/এমআর ল্যাব উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ল্যাবটি রাজশাহীতে বাস্তবাধীন বঙ্গবন্ধু হাই-টেক পার্ক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়। কেআই/এসি  
মঙ্গলাভিযানের জন্য নতুন রোভার ছাড়ছে নাসা

নাসা ফের একটি রোভার ছাড়বে মঙ্গলগ্রহে। সেই রোভারের নামকরণের জন্য পড়ুয়াদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতার আয়োজনও করেছে তারা। এই প্রতিযোগিতার সহযোগীর সন্ধানে চলছে এখন জোরকদমে। ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই ২০২০ সালের মঙ্গলাভিযানের জন্য প্রস্তুত রোভারটির নাম ঠিক করে দিতে হবে। ২০২০ সালের ওই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মঙ্গলাভিযানে লাল গ্রহে জীবনের চিহ্ন খুঁজে বেড়াবে রোভারটি। যে কোনও ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেশন নাসার ওই প্রতিযোগিতাতে স্পনসরশিপের জন্য আবেদন জমা করতে পারবে। গত শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়ে নাসা জানায়, আগামী  ৯ অক্টোবরের মধ্যে সব প্রস্তাব বা আবেদন নাসার কাছে জমা পড়তে হবে। ‘১৯৯৭ সালে মঙ্গলে প্রথম রোভার পাঠানোর সময়টি থেকেই এই নামকরণের প্রতিযোগিতা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি’, ওয়াশিংটনে নাসা সদর দফতরে দাঁড়িয়ে এ কথা বলেন সায়েন্স মিশন ডিরেক্টরেটের সহকারী প্রশাসক টমাস জুরবুচেন। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের জুলাই বা অগস্ট মাসে ফ্লোরিডা থেকে নাসা ছাড়তে চলেছে ওই নতুন রোভারটি। সূত্র: এনডিটিভি একে//

ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা ফোন আনছে স্যামসাং

দুর্দান্ত লুক আর ফিচারের মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোন আনছে স্যামসাং। এর আগেও নজরকাড়ার মতো স্মার্টফোন এনেছে সংস্থাটি। তবে এই ফোনটির কয়েকটি বিশেষ ফিচার গ্রাহকদের মন সহজেই জয় করবে বলেই আশাবাদী স্যামসাং। ২০ সেপ্টেম্বরই দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন মডেলটি লঞ্চ হয়েছে। স্যামসাংয়ের মিড-রেঞ্জের এই নতুন মডেলটির নাম গ্যালাক্সি এ৭। ফোনটির দাম হতে পারে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৫ হাজারের মধ্যে। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়ে়ড ৮.০ অরিও। থাকছে ডুয়াল সিমের সুবিধাও। থাকছে সুপার অ্যামোলেড ইনফিনিটি ফুল এইচডি প্লাস ৬ ইঞ্চি (১০৮০X২২২০ পিক্সেল) ডিসপ্লে। আসপেক্ট রেশিও ১৮ দশমিক ৫:৯। গ্যালাক্সি এ৭-এ থাকবে কোয়াড কোর প্রসেসর। দু’টি ভ্যারিয়েন্টে আনা হচ্ছে এই ফোন। একটি ৪ জিবি ইন্টারনাল এবং ৬৪ জিবি এক্সটারনাল, অপরটি জিবি ইন্টারনাল এবং ১২৮ জিবি এক্সটারনাল। ফোনটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় ফিচারের মধ্যে রয়েছে ট্রিপল ক্যামেরা। ২৪ মেগাপিক্সেল প্রাইমারি সেন্সর। ৮ মেগাপিক্সেলের সঙ্গে থাকছে ওয়াইড অ্যাঙ্গল লেন্স এবং ৫ এমপি ডেপ‌্থ সেন্সর। সেলফি তোলার জন্য ২৪ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা থাকছে। এই প্রথম স্যামসাং ট্রিপল ক্যামেরাবিশিষ্ট ফোন আনছে। গ্যালাক্সি এ৭ থাকবে ৩৩০০ এমএএইচ ব্যাটারি। এ ছাড়াও থাকবে ডলবি অ্যাটম অডিও এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

১৬ আলোকবর্ষ দূরেই মিলল নতুন গ্রহ

বিজ্ঞানীদের কাজেই হচ্ছে নতুন ‍কিছু আবিষ্কার করা। এবার বিজ্ঞানীরা মহাকাশে গবেষণা করে আরও এক গ্রহের সন্ধান পেয়েছে। এর চরিত্রও নাকি পৃথিবীরই মতই। তবে, এরে প্রাণ আছে কিনা তা আরও গবেষণা করে ভবিষ্যতে জানানো হবে। নতুন এই গ্রহ আয়তনে পৃথিবীর প্রায় দ্বিগুণ। এই গ্রহের খোঁজ মিলেছে আলাদা একটি স্টার সিস্টেমে। যার নাম ৪০ এরিদানি। কল্পবিজ্ঞানের জনপ্রিয় গল্প স্টার-ট্রেকের অন্যতম চরিত্র স্পোরক-এর গ্রহ ভালকান এখানে অবস্থিত। ইউনিভার্সিটি অফ ফ্লোরিডার বো-মা এবং তাঁর কয়েকজন সহকারী অ্যারিজোনা থেকে ১.৩ মিটার টেলিস্কোপের সাহায্যে পৃথিবীর মতো এই গ্রহটিকে খুঁজে পেয়েছেন। এর ঘনত্ব পৃথিবীর তুলনায় সাড়ে আট গুণ বেশি। এই গ্রহটি তার সৌরবলয়ের মূল নক্ষত্রকে ৪২ দিনে একবার প্রদক্ষিণ করে। এই নক্ষত্র এইচডি ২৬৯৬৫ বা ৪০ এরিদানি নামে পরিচিত। এই নক্ষত্র পৃথিবী থেকে মাত্র ১৬ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এই নক্ষত্রের বয়স সূর্যের মতো হলেও তা অনেকটাই ঠাণ্ডা এবং এর ঘনত্বও অনেক কম। ১৯৯১ সালে স্টার-ট্রেকের জন্মদাতা জেনি রোডেনবেরি লিখেছিলেন ৪০ এরিদানি ভালকান গ্রহের মূল স্টার। এই বলয়ে তিনটি মূল স্টার রয়েছে। যার জন্য একে ট্রিপল স্টার সোলার সিস্টেম বলা হয়। প্রত্যেক স্টারেরই নিজস্ব কিছু গ্রহ রয়েছে। যারা শুধু নির্দিষ্ট একটি মূল স্টারকেই প্রদক্ষিণ করে। যেমন পৃথিবীর মতো দেখতে গ্রহটি ৪০ এরিদানি-কে প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবী থেকেই খালি চোখে প্রত্যক্ষ করা যেতে পারে উজ্জ্বল এবং জ্বলজ্বলে ৪০ এরিদানিকে। পৃথিবীর মতো দেখতে চিহ্নিত হওয়া গ্রহটির বায়ুমণ্ডলে ঘন গ্যাসবীয় জিনিসের আস্তরণ দেখা গিয়েছে। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/  

সাগরের প্রাণী বাঁচাবে রোবট

রোবট জেলিফিশ। সাগরের নিচে গিয়ে যে সব স্থানে প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখান থেকে তথ্য পাঠাবে এটি। শুধু তাই নয়, মাইক্রো প্লাস্টিকের মতো ক্ষতিকর জিনিসগুলো শুষে নেবে। সম্প্রতি এমনই বিশেষ রোবট তৈরি করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা। জেলিবট নামের রোবটটি সমুদ্রের নিচে তার শরীর থেকেই শক্তি উৎপন্ন করে চলাফেরা করবে। এ ছাড়া চাইলে এতে ক্যামেরা ও অন্য ক্ষুদ্র যন্ত্রপাতিও সংযোজন করা যাবে। বিজ্ঞানী এরিক এনজিবার্গ জানান, এরই মধ্যে তারা এ ধরনের একাধিক রোবট পানিতে নামিয়ে পরীক্ষা করেছেন। তারা দেখেছেন, রোবটগুলো সমুদ্রতলের বিশাল চাপ সহ্য করে সেখানকার জেলিফিশের ঝাঁকের সঙ্গে মিশে যেতে সক্ষম। ভবিষ্যতে জেলিবটগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাল প্রাচীরগুলোয় পাঠানো যাবে বলে মনে করছেন তিনি। সূত্র: ডেইলি মেইল একে//

কম্পিউটার সুরক্ষার ৫ কৌশল

কয়েক বছর আগে শখ করে কম্পিউটার কিনেছেলেন কিন্তু সেটি এখন আর কাজ করছে না। অথবা নতুন কেনা ল্যাপটপ চালু হতেই বেশ অনেক্ষণ লেগে যায়? এই ধরনের সমস্যা ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে দেখা দিলে মেজাজ খুব খারাপ হয়ে যায়। কম্পিউটার বা ল্যাপটপ সবই আছে কিন্তু আপনার গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ আপনি করতে পারছেন না। সত্যিই খুব খারাপ লাগার কাজ। তবে এ ধরনের সমস্যা অনেকটা আপনি নিজেও খুব সহজে মিটিয়ে ফেলতে পারেন। দরকার শুধু একটু নিয়মিত যত্ন আর চেকআপ। তাপমাত্রা সাধারণত আমরা খেয়াল করি না কম্পিউটারের ভিতরে কী চলছে। এক-দুই বছরের পুরনো হতে থাকে যখন কম্পিউটার, স্বাভাবিকভাবেই সিপিইউ-এর উপর যে কুলার থাকে, সেখানে ধুলো জমে কুলিং-এর কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। এ ছাড়াও ওই ফ্যানের নিচে আর সিপিইউ-এর মাঝে একটা পাতলা থার্মাল পেস্টের লেয়ার থাকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেটাও কিছুটা শুকিয়ে আসে। ফলে সিপিইউ থেকে তাপ কুলার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না। এখন থেকে কম্পিউটার চালিয়ে এইচডব্লিউ-মনিটর (HWMonitor) নামের সফটওয়্যার (বিনামূল্যে পাবেন) ব্যবহার করুন। মাঝে মাঝে খেয়াল করে দেখুন, কম্পিউটার যখন চালু করছেন, আর যখন খুব কাজ করছেন, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কত। যদি দেখেন সাধারণ ভাবে ৩৫-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ ৭৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে, খুব একটা চিন্তার কারণ নেই। তাপমাত্রা যদি তার থেকে বেড়ে যায় সেক্ষেত্রে ভাল করে ভিতরের ধুলো পরিস্কার করুন। অনেক ক্ষেত্রে এতেই কাজ হয়ে যায়। কিন্তু তাতেও না হলে থার্মাল পেস্ট পাল্টাতে হতে পারে। নিজে না পারলে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিন। হার্ড ডিস্ক স্লো কম্পিউটার চালু হতেই অনেক সময় নিচ্ছে? অথবা সামান্য একটা ফাইল খুলতে গেলে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে? ভাল করে খেয়াল করে দেখুন, আপনার ল্যাপটপের হার্ড ডিস্কের স্পিড কত আরপিএম। যদি সেটা ৫,৪০০ রোটেশন প্রতি মিনিট হয়, তবে তা সাধারণ ৭,২০০ আরপিএম হার্ড ডিস্কের থেকে স্লো হবেই, কিছু করার নেই। এটা কেনার আগেই খেয়াল করবেন। কিন্তু আপনার যদি সাধারণ ৭,২০০ আরপিএম এর হার্ড ডিস্ক আগের থেকে স্লো হয়ে যায়, সেটাকে ডিফ্র্যাগ করুন। এর ফলে যত তথ্য রয়েছে হার্ড ডিস্কে, সব একটা নির্দিষ্ট অংশে থাকবে, হার্ড ডিস্ক জুড়ে ছড়িয়ে থাকবে না, ফলে আপনি যখন কোনও ফাইল খুঁজবেন, অনেক তাড়াতাড়ি সেটা খুঁজে পাবেন, খুলে ব্যবহার করতে পারবেন। যদি নতুন কম্পিউটার হয়ে থাকে, তাতে শুরুতেই বায়োস সেটিংস (BIOS Settings) ব্যবহার করে ফাস্ট বুট চালু করে দিন, এতে উইনডোজ চালু হবে আরও তাড়াতাড়ি। র‍্যামের যথাযথ ব্যবহার আট জিবি র‍্যাম থাকা সত্বেও সামান্য কিছু ট্যাব খুলতেই প্রায় অর্ধেক র‍্যাম ভরে যাচ্ছে, তারপর ছবি বা ভিডিও এডিটের মত কাজ করার কোনও উপায় প্রায় থাকছেই না। এক্ষেত্রে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে কম্পিউটার শুরু হতেই পিছনে কী কী সফটওয়্যার চালু হয়ে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে একাধিক এ রকম সফটওয়্যারও চালু হয়ে যায়, যা আপনি হয়ত কোনও দিন ব্যবহারও করেন নি বা খুব অল্প ব্যবহার করেছেন। টাস্ক ম্যানেজার থেকে দেখুন স্টার্ট আপে কী কী সফটওয়্যার চালু হচ্ছে। অপ্রয়োজনীয় সবকটি সফটওয়্যার বন্ধ করুন। দেখুন অটো আপডেটে কী কী সফটওয়্যার রয়েছে, যার জন্যে আপনার কম্পিউটার এবং নেট স্লো হয়ে যেতে পারে, সব বন্ধ করুন। ম্যানুয়ালি আপডেট করুন নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী। খেয়াল রাখুন ক্যাশে মেমরি এবং টেম্প ফাইল, জাঙ্ক ফাইল নিয়মিত ক্লিয়ার করার কথা। শুধু র‍্যাম নয়, ফাস্ট হবে গোটা কম্পিউটার, লাভবান হবেন আপনি। সি-ক্লিনার (C Cleaner) এ রকমই একটা সফটওয়্যার, ফ্রি-তে পাবেন, আপনার জন্যে এ রকম সব কাজ একটা ক্লিকে করে দেবে। প্রয়োজনীয় আপডেট সাধারণত কোনও আপডেট দেখলেই সেটা ‘রিমাইন্ড মি ল্যাটার’ করে রাখি আমরা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এটা শুধু দরকারি তাই নয়, আপনার কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখার জন্যেও এটা ভাল। ওয়ানাক্রাই (Wanna Cry) বেশি দিন আগের কথা নয়। এটা এমন এক ভাইরাস, যা আপনার কম্পিউটারকে হ্যাক করে এমন অবস্থায় রেখে দেবে, দাবি অনুযায়ী টাকা না দেওয়া অবধি আপনি কিছু করতে পারবেন না ওই কম্পিউটারে। কিন্তু এই ভাইরাস আসার আগে আগেই উইনডোজ আপডেট দিয়েছিল সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্যে, এবং যারা আপডেট করে নিয়েছিলেন, তাদের কিন্তু কিচ্ছু হয়নি। আপডেটগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কোনও নতুন ফিচার বা পুরনো সমস্যা মেটানোর জন্যই, তাই আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারগুলি আপডেট করে রাখুন । ক্লিন ফরম্যাট ডেস্কটপ ভর্তি আইকন, ফাইল, হার্ড ডিস্ক প্রায় ভর্তি, এ রকম অবস্থায় কম্পিউটার আগের থেকে স্লো চলবে, সেটাই স্বাভাবিক। সব থেকে ভাল, সমস্ত ফাইলের ব্যাকআপ নিন একটা হার্ড ডিস্কে, নিয়ে ক্লিন ফরম্যাট করুন। এটা ঠিক, তার পর সমস্ত সফটওয়্যার ইনস্টল করা, বুকমার্ক তৈরি করা, সব মেল আইডি ধরে লগ ইন করা, হাজার ঝক্কি। কিন্তু যদি মনে করেন আগের থেকে একটু ভাল ভাবে কম্পিউটারটা চলুক, তা হলে হয় আপনার অগোছালো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে, অথবা ক্লিন ফরম্যাট। সূত্র : আনন্দবাজার। কেএনইউ/

আবেগ-অনুভূতি দেখাচ্ছে এই রোবট

মানুষ তার চাহিদা মেটাতে অনেকদূর যেতে পারে৷ এমনকি প্রেম-ভালোবাসা-যৌনতার মতো অনুভূতিও তার ব্যতিক্রম নয়৷ বার্সেলোনা শহরে এমনকি রোবটদের একটি যৌনপল্লিও খোলা হয়েছে৷ এমন রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক যে, আবেগ-অনুভূতি দেখাতে পারে৷ স্যার্শি সান্টস সেই স্বপ্ন দেখেন৷ বার্সেলোনা শহরের এই ইঞ্জিনিয়ার এমন ‘সেক্স রোবট’ তৈরির কাজ করছেন, যারা মানুষের ভাবাবেগ নকল করতে পারবে৷ তিনি বলেন, ‘আমার কাছে আবেগ-অনুভূতির কাঠামো রয়েছে৷ সেটাই আমার মৌলিক ভিত্তি৷ আমার কাছে মস্তিষ্কের স্থাপত্য বা কাঠামো রয়েছে, যা আবেগ প্রকাশ করতে পারে৷ যেমনটা ভেবেছিলাম, বিষয়টা তা থেকে ভিন্ন৷ তারপর হিউম্যানয়েড সিস্টেমের খোঁজ করে সেক্স ডল শিল্পে তার খোঁজ পেলাম৷ এবার আমার সহজলভ্য কম্পিউটার চাই, যা দ্রুত তৈরি করা যেতে পারে৷ সবকিছু জোড়া দেওয়ার জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তিও প্রয়োজন৷’ তার তৈরি রোবট কথা শুনে ও সেন্সরের মাধ্যমে স্পর্শ অনুভব করে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে৷ সেন্সরগুলো কৃত্রিম মস্তিষ্কের মধ্যে কাজ করে৷ তারপর রোবট বিভিন্ন আবেগের পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলে৷ বন্ধুত্বপূর্ণ, রোমান্টিক ও যৌন আবেদন প্রকাশ করে যন্ত্র৷ সান্টোসের তৈরি রোবটের মূল্য প্রায় ৬ হাজার ডলার৷ অনেকেই সেগুলো কিনতে আগ্রহী৷ সেন্ট গ্যালেন বিশ্ববিদ্যালয়ের টোমাস বেশর্নার বলেন, ‘ইউরোপে প্রায় ৪০ শতাংশ পুরুষ রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্কের বিষয়ে খোলামনে ভাবতে পারেন৷ নারীদের সংখ্যা কম হলেও সে ক্ষেত্রে সম্ভাবনা রয়েছে৷’ বার্সোলানায় যৌনতার সঙ্গে সম্পৃক্ত শিল্পক্ষেত্র এই সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেখেছে৷ সেখানে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম রোবটদের যৌনপল্লি যাত্রা শুরু করে৷ ঘণ্টায় ১০০ ইউরোর বিনিময়ে গ্রাহকরা পুতুল দিয়ে নিজেদের চাহিদা মেটাতে পারেন৷ কিন্তু রোবটের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক আমাদের প্রেম-ভালোবাসা কতটা বদলে দেবে?  লিনৎস প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবট মনস্তত্ববিদ মার্টিনা মারা মনে করেন, এর ফলে প্রকৃত সম্পর্কে সমস্যা হতে পারে৷ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বাজারে যে সেক্স রোবট রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ নারীদের সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার প্রতিফলন ঘটায়৷ অর্থাৎ, নারী মানেই পরোক্ষ ভূমিকা পালন করবে৷ একদিকে মানুষ, অর্থাৎ নারীর শরীরকে বস্তু হিসেবে আরেও তীব্রভাবে তুলে ধরা হচ্ছে৷ অন্যদিকে, রোবটের মাধ্যমে নারী ও পুরুষের পার্থক্য সম্পর্কে বদ্ধমূল ধারণাগুলো আসল সম্পর্কের উপরেও প্রভাব রাখছে৷’ সেক্স রোবট কিন্তু কাজেও লাগতে পারে৷ ‘ফাউন্ডেশন ফর রেসপন্সিবল রোবটিক্স’ এর মাধ্যমে সেই সব মানুষের থেরাপির সম্ভাবনা দেখছে, যৌনতা নিয়ে যাদের সমস্যা রয়েছে৷ এথিক্সের অধ্যাপক টোমাস বেশরর্মার এমনকি মনে করেন যে, সেক্স রোবটদের প্রতি আমাদের মনে প্রকৃত অনুভূতি জাগতে পারে৷ টোমাস বলেন, ‘এইসব যন্ত্রের সঙ্গে দ্রুত ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে উঠবে বলে আমার জোরালো অনুমান রয়েছে৷ এমন রোবটের মালিক দ্রুত তার নাম রাখবে৷’ এমন সম্পর্ক শুধু একতরফা হোক, ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে স্যার্শি সান্টস তা চান না৷ তাই তিনি তার পুতুলগুলোকে যতটা সম্ভব মানুষের মতো আবেগময় করে তুলতে চান৷ আমরা মানুষরা ঠিক কী কারণে ভিন্ন, এমন প্রেক্ষাপটে তার মনে সেই প্রশ্ন জাগে৷ স্যার্শি বলেন, ‘নিজের সত্ত্বা নিয়ে প্রশ্ন জাগে৷ আমি আসলে কে? নিজের সম্পর্কে কী ভাবি? এটা যে আমি, সেই সিদ্ধান্ত কীভাবে আসে? এইসব বিষয় সম্পর্কে আমার চিরকাল আগ্রহ ছিল৷ তার ফলে আমার মস্তিষ্কের কাঠামো নিয়ে ভেবেছি৷’ ডিজিটাল প্রযুক্তি ও রোবটিক্স আমাদের প্রেম-ভালোবাসার মধ্যেও প্রবেশ করছে৷ স্বপ্ন বা সমস্যা, বিষয়টিকে যেভাবেই দেখা হোক না কেন, এমন পুতুলের সঙ্গ মেনে নেওয়া সহজ নয়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি