ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৪:৫৮:৩৯

মোবাইলের কারণে বাড়ছে যেসব রোগ

মোবাইলের কারণে বাড়ছে যেসব রোগ

মোবাইল ফোন মানুষের অনেক উপকার করে থাকে। যোগাযোগ ব্যবস্থায় এনেছে বড় এক পরিবর্তন। এখন খুব সহজেই মোবাইলের মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যোগাযোগ করা যায়। কিন্তু এই মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে বাড়ছে বেশ কিছু অসুখ। নিম্নে সেগুলো আলোকপাত করা হলো- মোবাইল ফোনে যে তেজস্ক্রিয় পদার্থ থাকে বা তা থেকে যে বিকিরণ আসে, তা শরীরের জন্যে কতটা ক্ষতিকর? ফোনের লেডের কারণে কি টিউমার হতে পারে? এসব থেকে বাঁচার কি কোনো উপায় আছে? গত কয়েক বছর ধরেই এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদিও এখনো সব প্রশ্নের পুরোপুরি উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, মোবাইল ফোন হয়তো ব্রেন টিউমার বা মাথা ও গলার টিউমারের ঝুঁকি অনেকটা বাড়িয়ে দিতে পারে। ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলি শহর একটি রুল জারি করেছে যেখানে প্রতিটি মোবাইল সেন্টারের দেয়ালে দেয়ালে ঝুলিয়ে রাখতে হবে, মোবাইল ব্যবহারের এই স্বাভাবিক মাত্রার উল্লেখ। কারণ বেশিরভাগ ফোনেই আপনি এটা খুব সহজে খুঁজে পাবেন না। মার্কিন এবং কানাডিয়ান ক্যান্সার বিজ্ঞানিরা ইদানিং অনেক ক্যান্সারের রোগীকেই পাচ্ছেন, যাদের মাত্রাতিরিক্ত ফোন ব্যবহারের অভ্যাসের সঙ্গে ক্যান্সারকে মেলানোর যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। যেমন, ২১ বছর বয়সী স্তন ক্যান্সারের একজন রোগী। নিজের ফোনটা সে সাধারণত অন্তর্বাসের ভেতরে রাখতো। দেখা গেল, তার স্রেফ একটি স্তনে ক্যান্সার হয়েছে এবং ৩/৪ টি আলাদা আলাদা এমন আকৃতির টিউমার জন্মেছে যা তার বয়সী কোনো নারীর হওয়ার কথা নয়। এবং তার স্তনের ঠিক সে জায়গাগুলোতেই এই টিউমারের বিস্তৃতি হয়েছে যেখানে সে ফোনটা রাখতো। গবেষকরা বলেন, আপনার দেহের যে অংশগুলো মোবাইল ফোনের বেশি কাছাকাছি থাকে, সে অংশগুলোর ঝুকিও বেশি। যেমন, পুরুষরা বেশিরভাগ সময়ই মোবাইল রাখে তাদের প্যান্টের সামনের বা পেছনের পকেটে। ১০ বছর ধরে পরিচালিত হয়েছে এমন একটি পরীক্ষা থেকে দেখা গেছে, এতে করে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ যেমন কমেছে, তেমনি কমেছে এর উর্বরাশক্তি। এসএইচ/
শিশুর হাতে প্রযুক্তিপণ্য নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ দেশে দেশে

প্রযুক্তিপণ্য শিশুদের হাতে দিলে ভালোর চেয়ে খারাপ হচ্ছে বেশি বলেই জানা গেছে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট। তাই উন্নত বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রের বিদ্যালয়েই ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইতোমধ্যে। আর এতে সাধুবাদ জানিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। আমেরিকায় একের পর এক বিদ্যালয়ে ফোন নিষিদ্ধের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। শুধু আমেরিকায় নয়, ইংল্যান্ডের বোর্ডিং-স্কুলে ফোন নিষিদ্ধকে স্বাগতম জানিয়েছেন সেই দেশের মানুষ।ফ্রান্সের স্কুলের ভর্তি নির্দেশনায় ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে মোবাইল ফোন-ইন্টারনেট। দেশে দেশে এই ধরনের প্রযুক্তিপণ্য নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জানা গেছে, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাবর্ষে ফ্রান্সজুড়ে স্কুলগুলোতে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের একটি নির্দেশনা জারি হতে যাচ্ছে। ২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রী জ্যঁ মিশেল ব্লাংকোয়েরের দেওয়া এক বক্তব্য থেকে ফ্রান্স সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানা যায়। ব্ল্যাংকোয়ের বলেন, আমরা দেখছি, টিফিন বিরতির সময়ও শিশুরা এখন খেলতে চায় না। বরং নিজের স্মার্টফোনটা নিয়ে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে ওটার দিকে। বিষয়টা নিঃসন্দেহে উদ্বেগের। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোন তাই প্রস্তাব করেছেন, সেকেন্ডারি স্কুলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ বয়স ১৫ বছর না হওয়া পর্যন্ত ফ্রান্সের সব স্কুল শিক্ষার্থীর জন্যে স্কুলে মোবাইল নিয়ে আসাকে নিষিদ্ধ করতে চান তিনি। ক্লাসে ফোন নিয়ে আসার ক্ষেত্রে ফ্রান্সের স্কুলশিক্ষার্থীদের ওপর আগে থেকেই যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, নতুন এই নিয়মের ফলে তা আরো কঠোর হবে। লকারে ফোন রেখে ক্লাসে ঢুকছে অস্ট্রেলিয়ার স্কুলশিক্ষার্থীরাঅস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের স্কুলশিক্ষার্থীরা এখন ক্লাসে ঢুকছে স্কুলের লকারে তাদের ফোন রেখে। বের করছে আবার বিকেলে বাড়ি যাওয়ার সময়। এমনকি মধ্যাহ্ন বিরতিতেও ফোন বের করার অনুমতি নেই তাদের। আর তার ফল হলো, বিরতির সময় খুব প্রাণবন্ত কাটছে তাদের সময়। সহপাঠীদের সঙ্গে গল্প, খেলাধূলা, খাওয়া-দাওয়ার মধ্য দিয়ে আবারো চাঙ্গা হয়ে নিতে পারছে ওরা। ক্লাসের পড়ায় মনোযোগের অবস্থাও এখন খুব ভালো। আগে যেখানে প্রতি ১০ বা ১৫ মিনিটে একবার করে শিক্ষককে এটা নিয়ে কথা বলতে হতো, এখন তার কিছুই করতে হচ্ছে না। একটানা ক্লাস নিয়ে শিক্ষক ক্লাস থেকে বেরুচ্ছেন। ছাত্রছাত্রীদের রেজাল্টও ভালো হচ্ছে আগের থেকে। আর শিক্ষাথীদের ইতিবাচক এ পরিবর্তন দেখে ভিক্টোরিয়ার রাজ্যপ্রধান ড্যানিয়েল এন্ড্রুজ বলেন, ভিক্টোরিয়া রাজ্যের অন্যান্য স্কুলগুলোও চাইলে তাদের শিক্ষার্থীদের ওপর এ নিয়ম আরোপ করতে পারে। ইংল্যান্ডের বোর্ডিং স্কুলে ফোন নিষিদ্ধকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষার্থীরামোবাইল ফোনের কারণে ইংল্যান্ডের সারে-র ক্রানলি বোর্ডিং স্কুলের শিক্ষার্থীদের অনেকগুলো সমস্যা নজরে এল স্কুল কর্তৃপক্ষের। এর মধ্যে আছে আসক্তি, অনিদ্রা, ‘লাইক’ পাওয়াজানিত মানসিক জটিলতা, বিচ্ছিন্নতা এবং পর্নো-আসক্তি। ফলে জুনিয়র ছাত্রছাত্রীদের জন্যে ফোনকে তারা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। যদিও প্রথমদিকে এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ ক্ষোভ এবং অসন্তোষ দানা বাঁধে, কিন্তু অচিরেই তারা বুঝতে পারল, কর্তৃপক্ষ আসলে পদক্ষেপটি নিয়েছেন তাদের মঙ্গলের কথা চিন্তা করেই। ফলে তারা নিজেরা শুধু এটা ব্যবহার থেকে বিরত হয়েছে তা নয়, সারে-র অন্যান্য স্কুলছাত্রছাত্রীদেরও তারা বোঝাচ্ছে এর ক্ষতি সম্পর্কে, উদ্বুদ্ধ করতে চাইছে, যাতে তাদের স্কুলেও এরকম উদ্যোগকে সমর্থন জানায় তারা। আমেরিকার একের পর এক রাজ্যের স্কুল থেকে আসছে ফোন নিষিদ্ধের নোটিশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস, ইলিনয়েস এবং মেইন রাজ্যের নামকরা সব স্কুলগুলোতে সম্প্রতি মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়েছে। ওল্ড রচেস্টার রিজিওনাল স্কুল ডিসট্রিক্টের মেটাপয়সেট ক্যাম্পাসের প্রিন্সিপাল মাইকেল ডিভল নিজেই একসময় শিশুদের প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন। কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের ওপর এর মারাত্মক ক্ষতিকর সব প্রভাব দেখে তিনি এতটাই সিরিয়াস যে, যে নিষেধাজ্ঞা তিনি তার ছাত্রছাত্রীদের দিয়েছেন, তা আগে নিজেই প্রতিপালন করছেন কঠোরভাবে। ক্লাসে তিনি কখনো ফোন নিয়ে যান না। এমনকি দিনভর ক্যাম্পাসের এ জায়গা-সে জায়গা করে বেড়ালেও ফোনটা থাকে তার সেই অফিসেই, সকালবেলা যেখানে তিনি রেখে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ইলিনয়েসের কলিনসভিল মিডল স্কুল। ২০১৮ সালের ১ মার্চ থেকে এ স্কুলে সকাল ৮:২৫ থেকে বিকেল ৩:৩০ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সবরকম মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ- এ মর্মে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন স্কুলের প্রিন্সিপাল কিম্বারলি জ্যাকসন। নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের সর্ব উত্তরের রাজ্য মেইন। এ রাজ্যের অক্সফোর্ড হিলস মিডল স্কুল কর্তৃপক্ষও সম্প্রতি স্কুল আওয়ারে শিক্ষার্থীদের কাছে মোবাইল ফোন থাকার ব্যাপারে তারা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করেছে। তারা বলেন, সোশাল মিডিয়া বুলিংয়ের কারণে সাম্প্রতিক কয়েকটি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা তাদেরকে এ ব্যাপারে কঠোর হতে বাধ্য করছে। গুটিকয় অভিভাবক ছাড়া অধিকাংশ মা-বাবাই এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ন্ত্রণ চীনে টেনসেন্ট নামে বড় ইন্টারনেট কোম্পানি বাচ্চারা কত ঘণ্টা ইন্টারনেটে তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলো খেলবে, তার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। জাপানে যারা খেলে তারা প্রতিমাসে একটা নির্দিষ্ট সময়ের বেশি খেললে তাদের সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার একটা নতুন আইন করেছে যাতে ১৬ বছরের কমবয়সীদের মধ্যরাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত অনলাইন গেমস খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এসএইচ/

বেকারত্ব দূরীকরণে নতুন সম্ভাবনার নাম ‘সিভিলিংকড’

আমাদের দেশে প্রচলিত নিয়মানুযায়ী, অনলাইন চাকরি অনুসন্ধানের ওয়েবসাইটগুলোতে চাকরিপ্রার্থীরা বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি দেখে চাকরির আবেদন করে থাকেন। প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায় প্রার্থীরা এমন বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করেন যে পদের জন্য যথাযথ যোগ্যতা তাদের নেই। কোম্পানিগুলো যেমন যোগ্যকর্মী খুঁজতে গিয়ে হয়রানিতে পড়েন, তেমনি যারা চাকরি খুঁজছেন তাদের শ্রম পণ্ডশ্রমে পরিণত হয় প্রায়ই। এসব সমস্যার সামধান নিয়ে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আসছে অনলাইনভিত্তিক সেবা ‘সিভিলিংকড’ (Cvlinked)। যা একাধারে সিভি ব্যাংক এবং চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রদানের উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। এ প্রসঙ্গে ‘সিভিলিংকড’ অনলাইনভিত্তিক সেবাটির প্রধান নির্বাহী মীর তাইফুজ্জামান শিশির বলেন, ‘বিগত কয়েক বছর ধরেই মানবসম্পদ নির্বাচনের জন্য এ ধরনের প্রথাগত নিয়মের বাইরে গিয়ে দ্রুততর ও সহজ পদ্ধতির কথা ভাবছিলাম। সেই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আমরা নিয়ে আসি অনলাইনভিত্তিক সেবা ‘সিভিলিংকড’। আমরা চাই সঠিক মানুষ তার যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে সঠিক চাকরি খুঁজে পাই’। সাধারণত দেখা যায়, কোম্পানিগুলোর তাদের চাহিদা মোতাবেক কর্মী খুঁজে বের করার জন্য দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইনে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অথবা অভ্যন্তরীণ মাধ্যমের সাহায্যে কর্মী নির্বাচন করেন। এগুলো সময় সাপেক্ষ এবং যোগ্যতার বিচারে কিছুটা কম সম্ভাবনাময়। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ‘সিভিলিংকড’ (Cvlinked) এর বেশ কিছু অভিনব সেবার মধ্যে অন্যতম হলো, এখানে কোন প্রার্থীকে চাকরি খুঁজতে হবে না এবং চাকরির আবেদন করতে হবে না। যেহেতু এটা একটা সিভি ব্যাংক তাই এখানে প্রতিটা সিভি চাকরিদাতা কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত থাকবে। সুতরাং কোন সিভি পছন্দ হলে সরাসরি সেই প্রার্থীর সঙ্গে ফোনে বা মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হবে। জানা গেছে, ইতোমধ্যে, ‘সিভিলিংকড’ (Cvlinked)- এর সিভি ব্যাংকে ১ লাখেরও বেশি ভেরিফায়েড সিভি জমা আছে। এই সিভি ব্যাংকের প্রতিটি সিভি সঠিক পদ্ধতি মেনে তৈরিকৃত, একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর সিভিগুলোর তথ্য আপডেট করা হয় এবং এখানে কোন সিভি অসম্পূর্ণ নয়। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, সিভি দেখার জন্য কোনরকম বাড়তি সার্ভিস চার্জ দিতে হবে না, কোন কোম্পানি চাইলে এক বা একাধিক সিভি পছন্দ হলে শর্ট-লিস্ট করতে পারবেন এবং নূন্যতম সার্ভিস চার্জের বিনিময়ে সিভি কালেক্ট করতে পারবেন। একজন চাকরিদাতা তার পছন্দ অনুযায়ী সিভি নির্বাচন করতে পারবেন। ফলে থাকছে না আর অহেতুক অপ্রয়োজনীয় শ’খানেক সিভির জঞ্জালে সময় নষ্ট হওয়ার চিন্তা। বরং একজন যোগ্যপ্রার্থী তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত কোম্পানিতে নিজেকে উপস্থাপনের যথাযথ সুযোগ পাচ্ছেন অনায়াসে। এছাড়াও, স্মার্ট কী-ওয়ার্ড সুবিধার মাধ্যমে কোম্পানিগুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী যোগ্যতা দিয়ে ‘সিভিলিংকড’ (Cvlinked)-এ অনুসন্ধান করলে সাথে সাথে যথাযথ প্রাসঙ্গিক ফলাফল দেখতে পাবেন। এছাড়াও ‘সিভিলিংকড’ (Cvlinked) ক্যারিয়ার ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক কর্মশালা ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। ‘সিভিলিংকড’ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে হলে যেতে হবে : http://cvlinked.com/ এই ঠিকানায়। আর Cvlinked এর অ্যাপটি প্লে-স্টোর রয়েছে। ডাউনলোড করা যাবে : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.cvlinked.thati.cvlinked এই লিংক থেকে। এসএইচ/

ক্রেডিট কার্ডের থেকেও পাতলা ফোন

বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ফোন প্রকাশ্যে আনল জাপানি সংস্থা কায়োসেরা। পাতলা এই ফোনটির আকার ক্রেডিট কার্ডের সমান। মাত্র ৫ দশমিক ৩ মিলিমিটার পাতলা ও ৪৭ গ্রাম ওজনের ফোনটিকে বলা হচ্ছে ‘কার্ড ফোন’ কেওয়াই-০১এল। আগামী মাসে জাপানের সবচেয়ে বড় মোবাইল অপারেটর এনটিটি ডোকোমো বাজারে আনবে এই ফোনটিকে। নতুন এই ফোনটিকে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ফোন দাবি করেছে ডোকোমো। ২ দশমিক ৮ ইঞ্চি মোনোক্রোম ই-পেপার পর্দা রয়েছে ফোনটিতে। আর এলটিই সংযোগ সমর্থন করবে ডিভাইসটি। ৩৮০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ব্যাটারি রয়েছে ডিভাইসটিতে। ফোনটিতে রাখা হয়নি কোনও ক্যামেরা বা অ্যাপ স্টোর। কিন্তু ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য একটি ব্রাউজার রয়েছে এতে। ডোকোমোর কার্ড ফোনটিকে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা স্মার্টফোন দাবি করা হলেও সে দাবি করতে পারে মটোরলাও। ২০১৬ সালে মোটো জেড স্মার্টফোন আনে প্রতিষ্ঠানটি, যা ছিল ৫ দশমিক ২ মিলিমিটার পুরু। কিন্তু ডিভাইসটিতে বড় একটি ক্যামেরা বাম্প ছিল বলে আপাতত নতুন কার্ড ফোনকেই সবচেয়ে পাতলা ধরা যেতে পারে। নতুন কেওয়াই-০১এল কার্ড ফোনটির বাজার মূল্য বলা হয়েছে ৩০০ মার্কিন ডলার। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

আজ এমএনপি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল বা মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে আজ।রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে এমএনপি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এমনটি জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।এদিকে অপারেটর ও গ্রাহকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এমএনপি সেবার জন্য খরচ কমতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।এমএনপি সেবা গ্রহণের জন্য একজন গ্রাহককে কাঙ্খিত অপারেটরের নতুন সিম ও এমএনপি চার্জ বাবদ ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা গুণতে হবে। এর মধ্যে এমএনপি চার্জ ৫০ টাকা ও ভ্যাট সাত টাকা ৫০ পয়সা। আর সিম ক্রয় বাবদ গ্রাহককে ১০০ টাকা অতিরিক্ত শুল্ক বাবদ দিতে হচ্ছে। তবে ১০০ টাকা অতিরিক্ত শুল্ক তুলে দেওয়া হচ্ছে।গ্রাহককে কাঙ্খিত অপারেটরের সেবা কেন্দ্রে গিয়ে নির্দিষ্ট ফি প্রদান ও পুরোনো সিম বদল করে নতুন সিম নিতে হবে। এমএনপি সেবা পেতে আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সেবা চালু হলে পরবর্তী ৯০ দিন তিনি অপারেটর পরিবর্তন করতে পারবেন না।উল্লেখ্য, বর্তমানে বিশ্বের ৭২টি দেশে এমএনপি সেবা চালু আছে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ২০১১ সাল থেকে এবং পাকিস্তান ২০০৭ সাল থেকে এমএনপি সেবা দিচ্ছে। এসএ/  

মহাকাশে ১০ কোটিরও বেশি আবর্জনা রয়েছে

মহাকাশে নানাধরনের ১০ কোটিরও বেশি আবর্জনা রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে এই আবর্জনার মধ্যে বেশিরভাগ রয়েছে পুরনো স্যাটেলাইটের ফেলে দেওয়া যন্ত্রপাতি, রকেট বা স্যাটেলাইটের ছুটে যাওয়া বিভিন্ন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ। পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে এসব বিপুল পরিমাণ আবর্জনা সরানোর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করেছে জাপান। অটোম্যাটিক কার্গো মহাকাশযানটির নাম দেওয়া হয়েছে সারস পাখি বা জাপানি ভাষায় কোনোতোরি। অ্যালুমিনিয়াম এবং স্টিলের তার দিয়ে তৈরি প্রায় ৭০০ মিটার লম্বা একটি দড়ির সাহায্যে মহাকাশে থাকা আবর্জনার গতি স্তিমিত করে সেটিকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। মাছ ধরার জাল তৈরি এমন একটি সংস্থা এই যন্ত্রটি বানাতে সাহায্য করেছে। এসব বস্তুর অনেকগুলোই পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ২৮ হাজার কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত উচ্চগতিতে চলছে এবং যে কোনও সময় কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে এগুলোর সংঘর্ষের মাধ্যমে বিশ্বের টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ১৯৫৭ সালে সোভিয়েত উৎক্ষেপিত প্রথম স্যাটেলাইট, স্পুৎনিক মহাকাশে পাঠানোর পর থেকে গত ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এসব আবর্জনা মহাকাশে জমা হয়েছে। স্যাটেলাইটের মধ্যে সংঘর্ষ এবং স্যাটেলাইট ধ্বংসকারী অস্ত্রের পরীক্ষার ফলে এই অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, পিচ্ছিল এবং ইলেক্ট্রো ডায়নামিক দড়িটি কোনও বস্তুকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো শক্তি উৎপাদন করবে। এসব আবর্জনাকে সেটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের দিকে ঠেলে দেবে এবং যার ফলে বস্তুটি সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

যে কারণে আকাশে আস্ত চাঁদ পাঠাচ্ছে চীন

রাস্তায় জ্বলবে না স্ট্রিট ল্যাম্প। ফলে ইলেকট্রিকও পুড়বে অনেক কম। সেই উদ্দেশে একেবারে অসাধ্য সাধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। আকাশে একটা আস্ত চাঁদ বসিয়ে দেবে তারা। আর তা থেকেই আলো হবে রাস্তাঘাট। দেশটির একটি শহরে উৎক্ষেপণ করা ওই চাঁদ আকাশ থেকে চারপাশের প্রায় ৫০ কিলোমিটার এলাকা আলোকিত করবে। ২০২০ সালে সেই চাঁদটি শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চেংগদু শহরে উৎক্ষেপণের কথা রয়েছে। ওই অঞ্চলের ওপরে নিক্ষেপ করা এই উপগ্রহটি সত্যিকারের চাঁদের চেয়ে আটগুণ বেশি আলো দেবে। উপগ্রহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই প্রকল্পের কিছু কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হচ্ছে, ফ্রান্সের একজন শিল্পীর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েই এ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তারা। ওই শিল্পী আকাশ থেকে পৃথিবীতে আয়নার একটি নেকলেস ঝুলিয়ে দেওয়ার কথা প্রথম কল্পনা করেছিলেন। চেংগদু অ্যারোস্পেস সায়েন্সে টেকনোলোজি মাইক্রো-ইলেক্ট্রনিক্স সিস্টেম রিসার্স ইন্সটিটিউট কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান উ চুংফেন্ড ১০ অক্টোবর কৃত্রিম চাঁদ নামের এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রথম জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। এমন চাঁদের ব্যাপারে উ চুংফেন্ডকে সংশয়ের কথা জানালে তিনি বলেন, আমরা অনেক বছর ধরে এটির উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আর বর্তমানে আমরা এ ব্যাপারে আশাবাদী যে ২০২০ সালের মধ্যে আমরা এটিকে সফলভাবে উৎক্ষেপণ করতে পারবো। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ফেসবুকের পদ থেকে জাকারবার্গকে সড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তাব

একের পর এক অভিযোগের তীর আসছে ফেইসবুকের বিরুদ্ধে। এর সূত্র ধরে ফেইসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মার্ক জাকারবার্গ পরেছেন চরম বিপাকে। এমনকি ফেসবুকে তার পদ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ তাকে এ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ারও প্রস্তাব করেছে। সম্প্রতি ফেসবুকের চারটি বড় পাবলিক ফান্ড জাকারবার্গের সড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে। কিন্তু আলোচনা করলেও ফেসবুকের বেশির ভাগ শেয়ার জাকারবার্গের অধীনে থাকায় তা খুব একটা সম্ভব নয়। তবে এর মাধ্যমে কোনো লাভ না হলেও ফেসবুকের সমস্যা সমাধানে আগ্রগতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী বছরের মে মাসে ফেসবুকের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তাই ওই সভাকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটির বড় শেয়ারহোল্ডাররা এই দাবী উত্থাপন করছে। এরই মধ্যে ফেসবুকের বিরুদ্ধে মার্কিন নির্বাচনের ভোটারদের তথ্য বেহাত হওয়ার অভিযোগ,  দুই কোটি ৯০ লাখ অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার মতো বড় বড় অভিযোগ উঠেছে। সূত্র : দ্যা ইন্ডিপেনডেন্ট এমএইচ/  

সঠিক ঘুমে সাহায্য করবে এই অ্যাপ: গবেষণা

স্মার্টওয়াচের জন্য বিশেষভাবে বানানো হয়েছে অ্যাপ, স্লিপগার্ড (SleepGuard)৷ সঠিক ঘুমের জন্য টিপস দেবে অ্যাপটি।  ইউকে ও নর্থইস্টের গবেষকদের দৌলতেই গ্রাহক অ্যাপটিকে পেতে চলেছেন৷ ইতিমধ্যেই অ্যাপটি ১৫ জন অংশগ্রহণকারীর উপর পরীক্ষা করা হয়েছে৷ যেটির মাধ্যমে স্লিপ কোয়ালিটি পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ শুধু তাই নয়, কম ঘুম, অনিদ্রার কারণ খোঁজার চেষ্টা করা হয়৷ স্বাভাবিকের থেকে কম ঘুম বা অনিদ্রার কারণ কী, কীভাবেই বা মুক্তি পাওয়া সম্ভব এই সমস্যা থেকে তারই সমাধানে সাহায্য করবে এই নয়া প্রযুক্তি৷ এমনটাই আশা করছেন গবেষকরা৷ কিন্তু খুব সহজেই এই ধরণের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে৷ কীভাবে? বেডরুমের আলোতে পরিবর্তন, বেশি শব্দকে এড়িয়ে যাওয়া, শয়নভঙ্গি এবং হাতের পজিশন পরিবর্তন করে এই সমস্যা থেকে খানিক মুক্তি পাওয়া যেতে পারে৷ স্লিপগার্ড প্রধানত ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটিস ক্যাপচার করে থাকে৷ গবেষকরা জানাচ্ছেন, বডি মুভমেন্টের সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িত এই স্লিপ কোয়ালিটির বিষয়টি৷ স্লিপগার্ড সাধারণত চারটি বেসিক স্লিপ পসচারকে ক্যাপচার করতে পারে৷ সঠিক ঘুমের সঙ্গে শয়নভঙ্গির খুবই গভীর সম্পর্ক রয়েছে৷ অনেকেই পেটের উপর হাত রেখে ঘুমান৷ যেটিকে অস্বস্তির কারণ বলা যেতে পারে৷ যার ফলে ব্যাঘাত হতে পারে ঘুমে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

আপনার ব্যক্তিগত তথ্যগুলো যেভাবে চুরি হচ্ছে!

প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি তৈরী হচ্ছে। আর প্রত্যেকটিতেই থাকছে প্রচুর পরিমানে দুর্বলতা। কোন হ্যাকার ওই প্রযুক্তিতে দুর্বলতা খুঁজে বের করতে পারলেই তা হ্যাক করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে পারবে অনায়াসেই। সম্প্রতি ব্যাক্তিগত তথ্য চুরির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে একাধিক সংস্থা৷ কিন্তু, কীভাবে হয় এই তথ্য চুরি? উত্তর খুঁজতে গিয়ে উঠে এসেছে নানা তথ্য৷ অনেক সময়ই বিভিন্ন ধরণের অনলাইন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে থাকেন ব্যবহারকারীরা৷ বিজেতাদের দেওয়া হয় পুরষ্কারও৷ তবে, সেজন্য রয়েছে বেশ কিছু বৈধ অ্যাপ৷ যারা বিক্রেতাদের থেকে গিফ্ট কার্ড কোডগুলিকে কিনে নেন৷ ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ধরণের ওয়েবসাইটগুলি৷ আর, সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই সাইবার ক্রিমিনালরা সংগ্রহ করছে ইউজারদের গোপন তথ্য৷ ক্যাসপারস্কি ল্যাবের এক আধিকারিক বলেন,‘ব্যবহারকারীদের বিনামূল্যে কিছু পাওয়ার মনোভাবই সাইবার ক্রিমিনালদের প্রতারণার সুযোগ করে দিচ্ছে৷ যদিও, গুরুত্বপূর্ণ কিছু না করেই তারা বেশিরভাগ সময় কাটান, সঙ্গে অর্থের অপচয়ও করে থাকেন৷ তাই, শুধুমাত্র বৈধ ও বিশস্ত সাইটগুলির থেকেই গিফ্টকার্ড সংগ্রহ করুন৷’ গিফ্টকার্ডের কোড পাওয়ার জন্য ইউজারকে প্রমান করতে হয় তিনি রোবট নন৷ আর সেন্যই ব্যবহারকারীকে একাধিক লিঙ্ক এবং টাস্ক করতে হয়৷ উদারহণ হিসেবে বলা যায়, অনেকসময়ই ইউজারকে একটি ফর্ম ফিলাপ করতে বলা হয়৷ যেটিকে ফোন নম্বর, ই-মেল সহ অন্যান্য তথ্যাদির প্রয়োজন পড়ে৷ এরপর, গ্রাহক পান অর্থহীন কোডটি৷ এভাবেই দিনের পর দিন নিজের অজান্তে সাইবার ক্রিমিনালদের আয় বৃদ্ধি করে চলেছে ব্যবহারকারীরা৷ তাই, এই ধরণের লিঙ্কগুলিকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে নিষেধ করছেন ক্যাসপারস্কি ল্যাবের গবেষকরা৷ ফাঁদগুলিকে এড়িয়ে যাওয়াই প্রতারণা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়, এমনটাই মনে করছেন তাঁরা৷ উল্লেখ্য, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ও স্কাইপের মতো জনপ্রিয় অ্যাপ স্মার্টফোনে ব্যবহার হচ্ছে ম্যালওয়্যার। যা প্রতিনিয়ত এসব অ্যাপ থেকে গোপনীয় অনেক তথ্য চুরি করছে। পালো আল্টো নেটওয়ার্ক নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা সম্প্রতি স্পাইডিলার নামের এমন একটি উন্নত অ্যান্ড্রয়েড ম্যালওয়্যার আবিষ্কার করেছেন যা কিনা ৪০টি অ্যাপ থেকে প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করছে।

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি