ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৪ ১২:২৯:৩৫, বুধবার

রোবট ‘লি’ কথা বলে বাংলায়

শাবি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন

রোবট ‘লি’ কথা বলে বাংলায়

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা তৈরি করেছে হিউম্যানোয়েড রোবট ‘লি’। গত ২০ এপ্রিল ঘরোয়াভাবে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপস্থিতিতে উদ্বোধন করা হয় এটির। বাংলা স্বরবর্ণ থেকে হারিয়ে যাওয়া লিপি স্বরবর্ণ ৯ (লি)। এটিকে এ প্রজন্মের অনেকেই হয়তো চিনতে পারবে না। যা দেখতে ‘৯’-এর মতো ছিল। সেই ‘লি’ আবার ফিরে এসেছে। তবে বাংলা বর্ণমালার বর্ণ হিসেবে নয়, রোবট হিসেবে। লি দেখতে অনেকটা মানুষের মতো। শুধু দেখতেই নয়, সে মানুষের মতো দুই পায়ে হাঁটতে পারে, বাংলা ভাষা বুঝতে পারে, বাংলায় কথা বলতে পারে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। এমনকি মানুষের চেহারা মনে রাখতে পারে। লি মানুষের সঙ্গে করমর্দন করে, স্যালুট দেয় এবং নাচতেও পারে। এ ছাড়াও তার চোখ, চোখের পাতা এবং ঠোঁট দিয়ে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করতে পারে। লিয়ের উচ্চতা ৪ ফুট ১ ইঞ্চি এবং ওজন ৩০ কেজি। শাবি শিক্ষার্থীদের লি রোবট তৈরির দলের নাম ফ্রাইডে ল্যাব। এ ল্যাবের দলের দলনেতা ও প্রোগ্রামারের দায়িত্বে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০৯-২০১০ শিক্ষাবর্ষের সাবেক ছাত্র এবং নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক নওশাদ সজীব। নকশাকারের দায়িত্বে ছিলেন স্থাপত্য বিভাগে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র মেহেদী হাসান, ইলেকট্রনিক্সের দায়িত্বে ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র সাইফুল ইসলাম, মেকানিক্যালের দায়িত্বে ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র মোহাম্মদ সামিউল হাসান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বে ছিলেন একই বিভাগ ও বর্ষের শিক্ষার্থী জিনিয়া সুলতানা জ্যোতি। ফ্রাইডে ল্যাব দলনেতা নওশাদ সজীব জানান, আইসিটি ডিভিশনের ইনভেশন ফান্ডের ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে রোবটটি তৈরি করতে সময় লেগেছে তিন বছর। এই দলের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এ দলের পাঁচজন সদস্য ছাড়াও গত তিন বছরে এ রোবট তৈরিতে আরও অনেকেই কাজ করেছেন। তারা হলেন- সাজিদ, শান্ত, খাইরুল, শোভন, সোহান, জান্নাতসহ আরও অনেকে।   লি-এর হাঁটার ভিডিও দেখুন : এসএ/  
যেসব পাসওয়ার্ড হ্যাকিং ঝুঁকি বাড়ায়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ইমেইল কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণের যেকোনো অ্যাকাউন্ট আমরা একটি গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু দেখা যায়, অনেকের পক্ষেই এতোগুলো অ্যাকাউন্টের আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড মনে রাখা সম্ভব হয়না। তাই তারা সহজ একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। সম্প্রতি , নিরাপত্তা গবেষকরা খুঁজে দেখেছেন, বিশ্বের লাখ লাখ মানুষ একটি কমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। আর সেটা হল 123456। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে যে লাখ লাখ মানুষ নিজের ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সংবেদনশীল অ্যাকাউন্ট-গুলোয় সহজে অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। যুক্তরাজ্যের জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) -এর বিশ্লেষণ থেকে জানা গেছে যে, যেসব অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে বেশি হ্যাক হয়েছে বা সহজেই অপর কোন ব্যক্তি অনুপ্রবেশ করতে পেরেছে সেই অ্যাকাউন্টগুলোর বেশিরভাগ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল 123456। কমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে অনিরাপদ হয়ে পড়ে তথ্য। এই গবেষণাটি সাধারণ মানুষের সাইবার-জ্ঞানের স্বল্পতা বা যে ফাঁকগুলো রয়েছে সেগুলো উন্মোচিত করতে সাহায্য করেছে। যেটা কিনা মানুষকে বড় ধরণের বিপদ ও ভোগান্তির ঝুঁকি থেকে সরে যেতে সাহায্য করবে। এনসিএসসি জানায়, তথ্যের নিরাপত্তায় একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড হিসাবে একসাথে তিনটি আলাদা আলাদা শব্দ, যেগুলো কিনা সহজেই মনে রাখা যায়, এমন শব্দ জুড়ে দিয়ে ব্যবহার করতে হবে। সংবেদনশীল তথ্য:এনসিএসসির গবেষক দলটি তাদের প্রথম সাইবার জরিপের জন্য, এ পর্যন্ত হ্যাক বা অনুপ্রবেশ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলোর নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট পাবলিক ডাটাবেস বিশ্লেষণ করেন। তারা বের করার চেষ্টা করেন যে কোন কোন শব্দ, বাক্য এবং সূত্রগুলো লোকজন তাদের পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছিল। মানুষ ঘুরেফিরে হাতে গোনা কয়েকটি কমন পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজেদের তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে।সেই পাসওয়ার্ডগুলোর তালিকার শীর্ষে ছিল 123456। যেটা কিনা দুই কোটি ৩০ লাখেরও বেশি বার বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। দ্বিতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় পাসওয়ার্ডটি হল, 123456789। মানে আরও তিনটি নম্বর বাড়তি জুড়ে দেয়া। নম্বর বাড়ালেও এই ধরণের পাসওয়ার্ড ভাঙা বা ক্র্যাক করা কোন কঠিন বিষয় ছিল না। এছাড়া সহজ ও ঝুঁকিপূর্ণ এসব পাসওয়ার্ডের শীর্ষ পাঁচের মধ্যে রয়েছে, "qwerty", "password" এবং 1111111 । সেইসঙ্গে পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা সবচেয়ে কমন নামটি ছিল অ্যাশলি। এরপরেই রয়েছে মাইকেল, ড্যানিয়েল, জেসিকা এবং চার্লি নামগুলো। অনুমানযোগ্য পাসওয়ার্ডগুলোতে অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন প্রিমিয়ার লিগ ফুটবল দলের নাম। প্রিমিয়ার লীগ ক্লাবের মধ্যে লিভারপুলের নাম সবচেয়ে বেশি পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।সেক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড হিসেবে সবচেয়ে বেশিবার ব্যবহারের ক্ষেত্রে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল এবং দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চেলসি। অন্যদিকে সংগীতের জগতে পাসওয়ার্ড হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে আমেরিকান রক ব্যান্ড Blink-182 নামটি।শব্দ ও নম্বরের সমন্বয় থাকায় এটি এতো মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে বলে ধারণা করা হয়। এনসিএসসি এর কারিগরি পরিচালক ড. ইয়ান লেভি বলেন, যারা পাসওয়ার্ড হিসেবে সুপরিচিত শব্দ বা নাম ব্যবহার করেন তারা নিজেদেরকে হ্যাক হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলে দেন। তিনি বলেন, নিজেদের ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক সংবেদনশীল তথ্যের সুরক্ষায় কারোই উচিত হবেনা এমন কোন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে যা সহজেই অনুমান করা যায়। যেমন তাদের প্রথম নাম, স্থানীয় ফুটবল দল বা প্রিয় ব্যান্ড," বলেন ড. লেভি। হ্যাকারদের থেকে নিজেদের তথ্য সুরক্ষিত রাখতে মানুষের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হল একটি ভাল পাসওয়ার্ড। অনুমান করা কঠিন: এনসিএসসি তাদের গবেষণা পরিচালনার সময় সাধারণ মানুষকে তাদের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট নানা অভ্যাস ও ভয় সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিল। সেখানে দেখা যায় যে, ৪২% মানুষ অনলাইন জালিয়াতির খপ্পরে অর্থ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন এবং শুধুমাত্র ১৫% মানুষ জানিয়েছেন যে তারা নিজেদের অনলাইনে সুরক্ষিত রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন এবং এ ব্যাপারে তারা আত্মবিশ্বাসী। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, যাদের এই নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল তাদের মধ্যে অর্ধেকেরও কম, নিজেদের প্রধান ইমেইল অ্যাকাউন্টের জন্য একটি আলাদা ও কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ট্রোয় হান্ট হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টের ডাটাবেস রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করেন। তিনি বলেন, "নিজেদের অনলাইন নিরাপত্তায় মানুষের সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রণের জায়গাটি হল একটি ভাল পাসওয়ার্ড বাছাই করা। পাসওয়ার্ড ভাল না হলে অনেকে আর্থিক জালিয়াতির শিকার হতে পারেন। মিস্টার হান্ট মনে করেন, সাধারণ মানুষকে যদি জানানো যায় যে কোন পাসওয়ার্ডগুলো ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা ইউজারদের আরও ভাল কোন পাসওয়ার্ড বেছে নিতে সাহায্য করবে। এই পরীক্ষাটি এনসিএসসি এর সাইবার ইউকে সম্মেলনের আগে প্রকাশিত হয়। সম্মেলনটি ২৪ ও ২৫ এপ্রিল স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। আরকে//

দূর থেকেই প্রাচীন নিদর্শন ঘুরে দেখা যাবে?

হাজার বছরের পুরনো কোন নগরী, মসজিদ বা মন্দির, আপনি দূর থেকেই ঘুরে দেখছেন- এ বিষয়টা আপনার কেমন লাগবে? অদ্ভুত লাগলেও প্রযুক্তির সাহায্যে এটা সম্ভব। প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপনা বা নিদর্শন যেন ডিজিটালি সংরক্ষণ করা যায় সেজন্য বিশ্বজুড়ে কাজ হচ্ছে। এই যেমন ভারতের হাম্পির ভার্চুয়াল মডেল নির্মাণ করেছেন ইতিহাসবিদেরা। ১৫৬৫ সালে ধ্বংস হয়ে যাওয়া এই শহরটির থ্রিডি স্ক্যান করেছে অনেকগুলো সংগঠন। মিয়ানমারের হাজার বছরের পুরনো স্থাপনা বাগানেরও থ্রিডি স্ক্যান করা হয়েছে। যেগুলো ভার্চুয়াল সেট-আপের মধ্যে আনার চেষ্টা চলছে। থাইল্যান্ডেও প্রাচীন নগরী আইয়ুথাইয়াতে ৪০০ বছর আগের রূপ দেখতে পাচ্ছেন পর্যটকেরা, যা সম্ভব হয়েছে ভিআর অ্যাপের মাধ্যমে। বাংলাদেশও কিন্তু পিছিয়ে নেই। প্রাচীন স্থাপনা ষাটগম্বুজ মসজিদকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে আনতে কাজ করেছেন আহমেদ জামান। প্রত্নতত্ববিদদের সাহায্যে বাংলাদেশের প্রাচীন এই মসজিদটি পুরনো আমলে কেমন ছিল তার ভার্চুয়াল মডেল নির্মাণ করা হয়েছে। এখন এই মসজিদটির ভেতর আপনি হাঁটতে পারবেন, আশেপাশের রাস্তা ও পরিবেশও আপনি দেখতে পাবেন। যার জন্য আপনার দরকার হবে ভিআর ক্যামেরা ও একটি রিমোট যেটা দিয়ে আপনি যেখানে যেতে চান সেই জায়গা সিলেক্ট করে চলে যেতে পারবেন। এবং আপনার সিলেকশান অনুযায়ী ওই মডেলের কোন জায়গায় আপনি আছেন তাও দেখতে পাবেন। বাংলাদেশে যেসব ঐতিহাসিক স্থাপনা আছে সেগুলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সেট-আপের মধ্যে আনতে কাজ করছেন ভিআর ফিল্মমেকার আহমেদ জামান। ভাচুয়াল রিয়েলিটি সেট-আপের মধ্যে যদি এগুলো আনা যায় তাহলে হয়তো সময়ের সাথে এসব নিদর্শন হারিয়ে যাবে না। প্রযুক্তির সাহায্যেই এসব নিদর্শন ঘুরে দেখা যাবে। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

সারাদেশের উন্নয়ন করছে সরকার : জয়

বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি স্থানের উন্নয়নের জন্য কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আজ বোববার সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে দুই দিনব্যাপী ‘বিপিও সামিট’-১৯ সামিটের উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, এতদিন দেশের সব উন্নয়ন ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। বাকি গোটা দেশই ছিল অবহেলিত। আমার ব্যক্তিগত লক্ষ্য ছিল, ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। সেই লক্ষ্য থেকে ২০টি ডিজিটাল হাইটেক পার্ক গড়ে তোলা হলো এবং সেগুলো দেশজুড়ে গড়ে তোলা হলো। এসময় সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, শুধু হাইটেক পার্ক নয়, সরকার সারাদেশে ফাইবার অপটিক ক্যাবল ছড়িয়ে দিচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে এই ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সংযোগ বিস্তৃত করা হয়। এখন স্থানীয় সরকারের ক্ষুদ্রতম ইউনিট ইউনিয়ন পর্যায়েও তা ছড়িয়ে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ও নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যক্রমের উল্লেখ করে জয় বলেন, বিপিও ও হাইটেক ইন্ডাস্ট্রির জন্য দক্ষ জনবল তৈরি করতে আইসিটি বিভাগ বছরে ৫০ হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের আরেকটি অগ্রাধিকার। তাই এই ৫০ হাজার প্রশিক্ষণার্থীর বাইরে আরও ১০ হাজার নারীকে আলাদাভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যদিও আগের ৫০ হাজারের মধ্যেও প্রায় ৩০ শতাংশই নারী। এছাড়া সরকারই সবচেয়ে বেশিসংখ্যক নারীদের নিয়োগ দিচ্ছে কর্মক্ষেত্রে। আমরা চাই, আইটি ও বিপিও খাতেও নারীরা পুরুষের সমপরিমাণে নিয়োগ পান। সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, ১০ বছর আগেও বাংলাদেশের আজকের এই উন্নয়নের চিত্র মানুষের কল্পনারও বাইরে ছিল। কিন্তু এই সরকার সেগুলো বাস্তবে পরিণত করেছে। এ ক্ষেত্রে আমি বিশেষভাবে গর্বিত যে, কেবল আইটি খাত নয়, সার্বিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার নীতিমালা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা, দেখভালের সবকিছুই এককভাবে সরকারই করছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিদেশিদের সহায়তা নেওয়া হয়েছে, কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে উন্নয়ন কর্মযজ্ঞের পুরো ব্যবস্থাপনাই রয়েছে সরকারের হাতে। টিআর/

কাল শুরু হচ্ছে চতুর্থ বিপিও সামিট

আগামীকাল ২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৯’। চতুর্থবারের মতো আয়োজিত দুই দিনের বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৯ এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরতে এ আয়োজন। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠেয় এ সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক প্রমুখ। বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৯ সম্পর্কে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ বলেন, ২০১৫ সালে বিপিও সেক্টর সম্পর্কে জনগণের তেমন কোনও ধারণা ছিলো না। তিনবারের বিপিও সামিট আয়োজনের ফলে এখন সবাই এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। বিপিও খাতে উন্নয়নের জন্য এ সামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আয়োজন সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন জানান, সব শ্রেণীর মানুষের চাকরির সুযোগ রয়েছে বিপিও সেক্টরে। আমরা এ সামিটে তা তুলে ধরার চেষ্টা করবো। তিনি বলেন, বিপিও সেক্টরে দেশের যে কোনও জায়গায় বসে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বিপিও সামিটে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষ তরুনদের এনে চাকরির দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রফতানি অসীম সম্ভবনা রয়েছে। এ যাত্রা বর্তমান সরকারের আমলে শুরু হয়েছে। আগে আমরা প্রযুক্তি পণ্য আমদানীকারক দেশ ছিলাম, বর্তমানে আমরা উৎপাদন ও রফতানি করছি। বাক্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৯ আয়োজন সফল করার জন্য দেশব্যাপী পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয় এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্রচারণার মাধ্যমে সিভি সংগ্রহ করা হয়। এর আগে ২০১৬ সালে সরাসরি ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে এই সম্মেলন হতে কল সেন্টারসহ বিভিন্ন চাকরি পেয়েছে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী। ২০১৫ সালে প্রথম বিপিও সম্মেলন হতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছিল ২৩৫ শিক্ষার্থী। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই দিনের আয়োজনে দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিপিও খাতের সঙ্গে জড়িতরা অংশ নেবেন। প্রযুক্তি ব্যবসা বিশেষ করে আউটসোর্সিং ব্যবসা পরিচালনা, ব্যবসার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের আদর্শ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব-দরবারে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছে। এবারের আয়োজনে দেশের আউটসোসিং খাতকে আরও কিভাবে ভালো করা যায় সে বিষয় বিশ্বকে জানানো হবে এবং সরকারের রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে বিপিও খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে। বিপিও খাতে দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল তৈরিও এই সামিটের অন্যতম লক্ষ্য। বিপিও খাতে ২০২১ সালের মধ্যে ১ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি লক্ষ্যে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে বলে আশা করেন আয়োজকরা। এবারের আয়োজনে ৪০ জন স্থানীয় স্পিকার, ২০ জন আন্তর্জাতিক স্পিকার অংশগ্রহণ করবে। এবারের বিপিও সামিটে ১২টি সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে’র আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) এর আয়োজনে এই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজনে অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি), আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) ও বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) ইত্যাদি। এসএ/  

গোলাপি চাঁদ অর্থাৎ ‘পিঙ্ক মুন’ দেখবে বিশ্ববাসী

চাঁদের রহস্য যেনো দিন দিন বেড়েই চলছে। এরআগে ব্লাড মুন, সুপার ব্লাড মুন দেখেছে মানুষ। এমনকি সুপার ব্লাড উলফ মুনের কথাও শোনা গেছে। এবার সম্পূর্ণ নতুন রূপ নিয়ে আসছে চাঁদ। এমনটি জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এবার নাকি ‘পিঙ্ক মুন’ বা গোলাপি চাঁদ দেখবে বিশ্ববাসী। এটি মূলত এপ্রিলের পূর্ণাঙ্গ চাঁদ।  যুক্তরাষ্ট্রের নেভাল অবজারভেটরির বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ৮টায় গোলাপি চাঁদ উদিত হবে এবং পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত তা দৃশ্যমান থাকবে। ২০ এপ্রিল সকালে এক ঘণ্টার মতো চাঁদ ও সূর্য আকাশে একইসঙ্গে দেখা যাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ পিঙ্ক মুন বা গোলাপি চাঁদ দেখতে পাবেন। বাংলাদেশ থেকে পিঙ্ক চাঁদ দেখতে হলে শনিবার ভোরে আকাশে চোখ রাখতে হবে। যারা চাঁদ পর্যবেক্ষণ করেন তারা চাঁদের একেক সময় একেক ধরনের নাম দিয়ে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পিঙ্ক মুন নাম দিয়েছেন পর্যবেক্ষণকারীরা। তবে পুরোপুরি না হলেও এর রং কিছুটা গোলাপি হবে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, খুব ভালোভাবে পিঙ্ক মুন দেখতে হলে মূলত বৃহস্পতিবার রাত থেকেই আকাশে চোখ রাখতে হবে। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে শুক্রবার পিঙ্ক চাঁদ স্পষ্ট দেখা যাবে। সূত্র : স্পেস ডটকম এসএ/

ফেসবুকে নারীদের মত প্রকাশ কতটা নিরাপদ?

বাংলাদেশের একজন মডেল ও অভিনেত্রী সাফা কবির একটি রেডিও অনুষ্ঠানে পরকালে বিশ্বাস করেন না এমন মন্তব্যের পর নিজের ফেসবুক পাতায় মারাত্মক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। এফএম রেডিওটির ফেসবুক পাতায় সেটি লাইভ সম্প্রচার করা হয়েছিলো। সেখানে পরকালে বিশ্বাস করেন কিনা এক শ্রোতার পাঠানো এমন প্রশ্নের জবাবে খুব হালকা ভাবে তিনি বলছিলেন তিনি যা দেখেননি তা তিনি বিশ্বাস করেন না। এরপর সেই ফেসবুক লাইভেই ভয়াবহ মন্তব্য আসতে শুরু করে। নিজের ফেসবুক মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে যে পোস্ট দিয়েছেন তিনি সেটিতে মন্তব্য রয়েছে ৬০ হাজারের বেশি। যার বেশিরই নেতিবাচক ও নোংরা। যৌন ইঙ্গিত রয়েছে অনেক মন্তব্যে। এমনকি ধর্ষণের হুমকিও রয়েছে। বাংলাদেশে সরকারি এক হিসেবে বলা হয়েছে অনলাইনে ৭০ শতাংশের বেশি নারী হয়রানির শিকার হয়ে থাকেন। নারীরা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কতটা স্বাধীনভাবে তাদের মত প্রকাশ করতে পারেন? ফেসবুকে সরব এমন একজন সাংবাদিক ও লেখক শারমিন শামস। তিনি বলছিলেন নারীবাদ, নারী অধিকার নিয়ে লেখালেখি করেন বলে সোশাল মিডিয়ায় নিজের পোস্টে, এমনকি নিউজ পোর্টালগুলোতে নিজের লেখার নিচে ভয়াবহ সব মন্তব্য দেখে তিনি অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। একটির কথা উল্লেখ করে তিনি বলছেন, "মেয়েদের চাকরি করা উচিত এমন একটা লেখা ছাপা হওয়ার পর আমাকে লিখেছে আমাকে কোথায় ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হবে। এমনকি আমার মাকে কিভাবে রেপ করা হবে, বিশদ বর্ণনাসহ।" তিনি বলছিলেন সম্প্রতি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাতের হিজাব নিয়ে করা একটি নেতিবাচক মন্তব্যের প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। তিনি বলছেন, "একজন মন্তব্য করেছে যে নুসরাত ইরানি বোরখা পরেছে। তাতে তার পর্দা হয়নি। সে যেহেতু এক সময় এমনিতেই দোজখের আগুনে পুড়তো তাই তাকে এখনি দুনিয়াতে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেটা ঠিক হয়েছে।`` ``এমন মন্তব্যের স্ক্রিনশট আমি ফেসবুকে দিয়েছিলাম। এরপর থেকে সেই লোক একটা ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে আমাকে ইনবক্সে মেসেজ পাঠানো শুরু করলো। ওটা সরাতে বলল। আমাকে গালি দিলো। তার রিপোর্টের জন্য আমার অ্যাকাউন্ট তিনদিনের জন্য ব্লক হয়ে গিয়েছিলো।" লীনা পারভীন একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট। ফেসবুকে তার নিয়মিত উপস্থিতি। বলছিলেন, "অনলাইনে লেখালেখি করি। মাঝে মাঝে দেখা যায় এমন বাজে সব কমেন্ট করা হয়, যেগুলো আমার নারী সত্তাকে কেন্দ্র করেই কমেন্টগুলো আসে। আমি টিপ পরি সে নিয়ে জঘন্য মন্তব্য করা হয়েছে। ধরেন বেশ্যা জাতীয় শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। বাকিগুলো এতই নোংরা যে সেগুলো মুখে উচ্চারণ নাইবা করলাম।" তিনি বলছেন, "আমি ব্যক্তিগতভাবে অনেক জায়গায় মন্তব্য করাই বন্ধ করে দিয়েছি। আমার মতো আরও অনেক নারী যারা ফেসবুকে কথা বলার একটা জায়গা পাচ্ছিলো তারাও অনেকে আস্তে আস্তে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে।" ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক কাবেরী গায়েন বলছেন, "কোন বিষয়ে একজন পুরুষ যদি কিছু বলেন তাকে ঐ বিষয়টা বলার জন্য হেনস্থা হতে হয়। কিন্তু একজন নারী যদি বলেন তার ক্ষেত্রে একটা বাড়তি জিনিস যুক্ত হয়। তাকে নারী হিসেবেও হেনস্থা হতে হয়।" তিনি বলছেন, "এগুলো আগেও ছিল। যেমন আগে যখন আমরা স্কুলে যেতাম আমরা অনেক কথা শুনতাম। কিন্তু ফেসবুক হওয়াতে এগুলো এখন লিখিতভাবে পাওয়া যাচ্ছে। ফেসবুকে এত ধরনের মানুষের এখন অ্যাকসেস হয়েছে যে তাদের মনের কথাটা বা তাদের ধর্ষকামী যে মন, সেটিকে তারা উন্মুক্ত করার সুযোগ পান বাধাহীন ভাবে।`` ``কারণ একই লেখা যদি একটা পত্রিকায় লিখতে হতো তাহলে তো অনেক ফিল্টারিং হতো। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সেটা হচ্ছে না। তাই ওপেনলি তারা তাদের যা খুশি তাই বলতে পারেন। " তিনি বলছেন, এসব ঘটনাকে কোন আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না বিধায় এসব ঘটনা চলছে। আইনের প্রয়োগ একই রকম নয় কেন?বাংলাদেশে সরকার সম্প্রতি খুব কঠোর একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাশ করেছে। অধ্যাপক কাবেরী গায়েন বলছেন, "কোনও নেতা নেত্রীকে কটূক্তি করলে তাদের বিরুদ্ধে সাথে সাথে মামলা হচ্ছে। তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।`` কিন্তু তিনি বলছেন যখন কোন মেয়ের ব্যাপারে এসব কথাগুলো বলা হচ্ছে বা ``মেয়েদের নিয়ে বীভৎস ভাষায় ওয়াজ করা হচ্ছে``, তাদের কিন্তু ধরা হচ্ছে না। আর শারমিন শামস প্রশ্ন তুলছেন, "এই যে মেয়েদের অনলাইনে এত ভয়াবহ কথা বলা হচ্ছে, এই যে সাফা কবিরের ক্ষেত্রে যা ঘটলো বা আমি নিজে অসংখ্যবার পুলিশের কাছে গেছি এসব ক্ষেত্রে একই আইনের প্রয়োগ কেন নেই?" তথ্যসূত্র: বিবিসি।এসএইচ/

২১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে চতুর্থ বিপিও সামিট

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা বিপিও খাতের অবস্থানকে তুলে ধরতে আগামী ২১ ও ২২ এপ্রিল চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘বিপিও সামিট বাংলাদেশ ২০১৯’। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠেয় দুই দিনের বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৯ এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক প্রমুখ। বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৯ সম্পর্কে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ বলেন, ২০১৫ সালে বিপিও সেক্টর সম্পর্কে জনগণের তেমন কোনও ধারণা ছিলো না। তিনবারের বিপিও সামিট আয়োজনের ফলে এখন সবাই এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। বিপিও খাতে উন্নয়নের জন্য এ সামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আয়োজন সম্পর্কে সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন জানান, সব শ্রেণীর মানুষের চাকরির সুযোগ রয়েছে বিপিও সেক্টরে। আমরা এ সামিটে তা তুলে ধরার চেষ্টা করবো। তিনি বলেন, বিপিও সেক্টরে দেশের যে কোনও জায়গায় বসে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। বিপিও সামিটে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষ তরুনদের এনে চাকরির দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রফতানি অসীম সম্ভবনা রয়েছে। এ যাত্রা বর্তমান সরকারের আমলে শুরু হয়েছে। আগে আমরা প্রযুক্তি পণ্য আমদানীকারক দেশ ছিলাম, বর্তমানে আমরা উৎপাদন ও রফতানি করছি। বাক্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপিও সামিট বাংলাদেশ-২০১৯ আয়োজন সফল করার জন্য দেশব্যাপী পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হবে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পেইন চলাকালীন প্রচারণার মাধ্যমে সিভি সংগ্রহ করা হবে। এর আগে ২০১৬ সালে সরাসরি ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে এই সম্মেলন হতে কল সেন্টারসহ বিভিন্ন চাকরি পেয়েছে ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী। ২০১৫ সালে প্রথম বিপিও সম্মেলন হতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেয়েছিল ২৩৫ শিক্ষার্থী। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই দিনের আয়োজনে দেশি-বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, সরকারের নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং বিপিও খাতের সঙ্গে জড়িতরা অংশ নেবেন। প্রযুক্তি ব্যবসা বিশেষ করে আউটসোর্সিং ব্যবসা পরিচালনা, ব্যবসার উন্নয়ন ও বিনিয়োগের আদর্শ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ব-দরবারে ইতোমধ্যে পরিচিতি পেয়েছে। এবারের আয়োজনে দেশের আউটসোসিং খাতকে আরও কিভাবে ভালো করা যায় সে বিষয় বিশ্বকে জানানো হবে এবং সরকারের রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে বিপিও খাতের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হবে। বিপিও খাতে দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল তৈরিও এই সামিটের অন্যতম লক্ষ্য। বিপিও খাতে ২০২১ সালের মধ্যে ১লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি লক্ষ্যে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে বলে আশা করেন আয়োজকরা। এবারের আয়োজনে ৪০ জন স্থানীয় স্পিকার, ২০ জন আন্তর্জাতিক স্পিকার অংশগ্রহণ করবে। এবারের বিপিও সামিটে ১২টি সেমিনার ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে’র আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতর এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য) এর আয়োজনে এই সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজনে অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ ওমেন ইন টেকনোলজি (বিডব্লিউআইটি), আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) ও বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ) ইত্যাদি। সূত্র: বাসস

মহাশূন্য থেকে সমুদ্রের প্লাস্টিক শনাক্ত হবে?

মহাশূন্য থেকে সাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য খুঁজে বের করার কৌশল বের করতে কাজ করছেন এখন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে বর্জ্য বা ধ্বংসপ্রাপ্ত টুকরোগুলো ন্যূনতম বস্তুর আকারের তুলনায়ও ছোট, তখন তা উপগ্রহের মাধ্যমে খুঁজে বের করা খুবই চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু পদ্ধতিটি কাজ করে প্লাস্টিক থেকে পানিতে প্রতিফলিত আলোর সূত্র সন্ধান করে। যুক্তরাজ্যের প্লাইমাউথ মেরিন ল্যাবরেটরিতে এ সংক্রান্ত পরীক্ষার ফল খু্বই আশাব্যঞ্জক। ‘আপনি সমুদ্রে ভাসমান একটি পৃথক প্লাস্টিকের বোতল হয়তো দেখতে পারবেন না, কিন্তু আমরা এই উপাদানের একত্রিতকরণকে শনাক্ত করতে পারি,’ বিবিসিকে একথা বলেছেন ড. লরেন বিয়ারম্যান। ২০১৫ এবং ২০১৭ সালে ইইউ`এর সেনটিল-টু উপগ্রহের কক্ষপথে স্থাপন করা হয় মাল্টি স্পেকট্রাল ইন্সট্রুমেন্টস বা এসএসআই নামের দুটি যন্ত্র। এটি পরিচালনা করছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, আর এ দিয়ে কাজ করছেন পৃথিবী পর্যবেক্ষণরত বিজ্ঞানীরা। এই মিশনের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ভূ-পৃষ্ঠের একটি ক্রমবর্ধমান মানচিত্র তৈরি করা। তবে এই প্রক্রিয়া উপকূলীয় অংশের জলের দৃশ্যও ধারণ করতে পারে। আর এটিই মহাসাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য শনাক্ত করার একটি সুযোগ। কেননা প্রতি বছরে অন্তত আট মিলিয়ন টন প্লাস্টিক নদী কিংবা অন্যসব উৎসের মাধ্যমে সমুদ্রে আসছে। এই দুই সেনটিল উপগ্রহের মাধ্যমে প্রতি দুই দিন অন্তর যুক্তরাজ্যের অংশটির ম্যাপিং করবে। ড. বিয়ারম্যানের মতে, স্যাটেলাইটের ক্যামেরার রেজুলেশন ১০মিটার, এর কঠিন দিকটি হলো যে এই ক্যামেরায় শুধু সেসব বস্তুর ছবিই ধরা পড়বে যার একটি নির্দিষ্ট মাত্রার পিক্সেল তৈরি করতে পারবে। তবে কিছু বিষয় তার পক্ষে কাজ করেছে। একটি হলো নদীতে ভাসমান বর্জ্য বা ধ্বংসাবশেষ যেগুলো ভেসে সমুদ্রে গিয়ে পড়ে তার বেশিরভাগেই থাকে উদ্ভিদ, সেগুলোতে প্লাস্টিকের মতো আবর্জনাও থাকতে পারে। আরেকটি যে বিষয়ের সুবিধা সম্পর্কে ড. বিয়ারম্যান বলছেন তা সেন্টিনেল উপগ্রহের ডিটেক্টরের বিশেষ গুণ। ভিন্ন ভিন্ন আলোক তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বোঝার ক্ষমতা রয়েছে যন্ত্রগুলোতে। ফলে প্লাইমাউথ বিজ্ঞানীরা ক্যামেরায় তোলা চিত্রের পিক্সেল বিশ্লেষণ করতে পারবে। সমুদ্রের পানি নিকটবর্তী ইনফ্রারেড রশ্মি জোরালো ভাবে শোষণ করে। উদ্ভিদ এবং জলে ভাসমান অন্যকিছু এই নিকটবর্তী ইনফ্রারেড রশ্মি প্রতিফলিত করে। তবে উদ্ভিদে প্লাস্টিক মিশে থাকলে তার কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে। আর এই উদ্ভিদ ও প্লাস্টিকের ইনফ্রারেড প্রতিফলের ভিন্নতাই তাদের শনাক্ত করার অন্যতম উপায়, বলছেন ড. বিয়ারম্যান। তিনি বলেন, যে ভাসমান বস্তুর ছবি সংগ্রহ করে তার পিক্সেল বিশ্লেষণ করেই বলা সম্ভব তাতে উদ্ভিদ উপাদান বা প্লাস্টিক উপাদান কেমন রয়েছে। উপগ্রহ থেকে তোলা ছবির বর্ণালী বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন বস্তুর একটি সূচীও তৈরি করা হয়েছে। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার এবং স্কটল্যান্ডের পূর্ব উপকূলে চালানো একই ধরনের পরীক্ষাও আশার সঞ্চার করেছে। ড. বিয়ারম্যানের মতে, এই পদ্ধতিটির আরো পরিমার্জন প্রয়োজন তবে এই প্রাথমিক পরীক্ষার ফল আরো পরীক্ষার তাগিদ দেয়। পরবর্তী পর্যায়ে ছবিগুলো বিশ্লেষণের জন্যে অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হবে। কেননা ধরে ধরে অনুসন্ধান সময়সাপেক্ষ ও বাস্তব সম্মত নয়। অটোমেশনই এর একমাত্র পথ। ড. বিয়ারম্যান প্লাস্টিক বর্জ্য বেশি পরিমাণে নিঃসরণ হয় এমন সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। আর দূষণের প্রভাব মূল্যায়ন করতে তথ্যগুলো ডেটাবেজের সাথে যুক্ত করছেন। তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে নিয়ে তৈরি হবে ‘বৈশ্বিক মহামস্তিষ্ক!’

অদূর ভবিষ্যতে মানুষের মস্তিষ্কের সঙ্গে কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। এতে আমি-আপনিসহ বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে নিয়ে তৈরি হবে ‘বৈশ্বিক মহামস্তিষ্ক।’ ফন্ট্রটিয়ারস ইন নিউরোসায়েন্স নামের বিজ্ঞান সাময়িকীতে এ সংক্রান্ত একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ‘হিউম্যান ব্রেন/ক্লাউড ইন্টারফেস’ শীর্ষক এ নিবন্ধে বলা হয়েছে কম্পিউটার এবং জৈবপ্রযুক্তি বা বায়োটেকনোলজিতে অভাবনীয় সাফল্যের পথ ধরে এমনটি ঘটবে। আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই এমন প্রযুক্তি বাস্তব রূপ পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এ জন্য ন্যানোপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইসহ কম্পিউটার খাতের অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী প্রযুক্তির কল্যাণে এমনটি সম্ভব হয়ে উঠবে। আজ কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে বিনা ঝামেলায় তথ্য আহরণ করি। ভবিষ্যতে একই ভাবে মানব মস্তিষ্কের সঙ্গে ইন্টারনেটের সরাসরি সংযোগ স্থাপন সম্ভব হবে এবং একই ভাবে বিনা বাধায় তথ্য আহরণ করতে পারবে মানুষ। এ সংক্রান্ত গবেষণায় জড়িত অন্যতম ব্যক্তিত্ব হলেন রবার্ট ফেরিটাস জুনিয়র। তিনি বলেছেন, মানব মস্তিষ্কে স্থাপন করা হবে কিছু ন্যাটোবোট বা ন্যাটো প্রযুক্তিতে তৈরি অতি ক্ষুদ্রকায় রোবট। এগুলো মানুষের মন-মানসের সঙ্গে সুপার কম্পিউটারের যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে। ফলে ম্যাট্রিক্স সিনেমার ধাঁচে তথ্যপ্রবাহ মানুষের মন-মানসে নামিয়ে নেয়া সম্ভব হয়ে উঠবে। এ সব ন্যানোবোট মানুষের রক্তপ্রবাহের পথ বেয়ে শেষ পর্যন্ত মস্তিষ্কের কোষরাজিতে সুনির্দিষ্টভাবে নিজেদের অবস্থান করে নেবে। এ কথা আমরা অনেকেই জানি যে,  মানুষের রক্তপ্রবাহের সব উপাদানই মস্তিষ্কে ঢুকতে পারে না। এখানে ব্লাড-ব্রেইন-ব্যারিয়ার হিসেবে পরিচিত একটি বাঁধার দেয়াল তুলে দেয়া আছে। কিন্তু এসব অতি ক্ষুদ্রাকৃতির যন্ত্র যে বাধা পার হয়ে যেতে সক্ষম হবে। এদিকে, একাধিক কম্পিউটারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের কথাও আমার জানি। বা এ ধরণের ব্যবস্থা জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে ব্যবহারও করছি। কিন্তু একাধিক মানুষের মস্তিষ্ক অবলম্বনে ‘ব্রেইন নেটওয়ার্ক’ সৃষ্টির প্রাথমিক কাজে এরই মধ্যে সফল হয়েছেন গবেষকরা। সে তথ্যও অনেকের অজানা নয়। এর মাধ্যমে টাটরিসের মতো খেলাও সফল ভাবে খেলা গেছে। এ জন্য ইইজি’র মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তির মস্তিষ্কের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়েছিল। আর এ যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের। ন্যানোপ্রযুক্তি এ কাজে সফল ভাবে ব্যবহারের আগে অবশ্য মানুষের দেহে এর প্রভাব এবং কুপ্রভাব নিয়ে বহু ধাপের কঠিন পরীক্ষা চালাতে হবে।  কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অদূর ভবিষ্যতে একদিকে ব্যক্তি মানুষের মস্তিষ্কের আওতায়  গোটা ইন্টারনেটের তথ্য ভাণ্ডার এসে যাবে। আর বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে থাকা মানুষ পরিবারের সব সদস্যকে নিয়ে একযোগে চিন্তা-ভাবনা করার সুযোগও সৃষ্টি হবে। এ ভাবেই একদিন সৃষ্টি হবে বিশ্ব-মানুষের প্রতিটি মস্তিষ্কের সহযোগিতায় ‘বৈশ্বিক মহামস্তিষ্ক’ বা ‘গ্লোবাল সুপারব্রেন।’ তথ্যসূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি