ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৮ জুলাই ২০১৯

রিফাত হত্যায় রাব্বি ও কামরুল রিমান্ডে

 প্রকাশিত: ২০:১৭ ১২ জুলাই ২০১৯  

বরগুনায় চাঞ্চল্যকর রিফাত হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকনকে সাতদিন এবং জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার কামরুল হাসান সাইমুনকে পুনরায় তিনদিন পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

আজ শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিচারক মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম এই রায় দেয়। আসামিদের বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশের পক্ষ থেকে রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালতের গাজী রাব্বির ৭ দিন ও কামরুলের ৩ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি রাব্বি আকনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আর হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার সাইমুনের পুনরায় ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত রাব্বি আকনের ৭ দিন ও কামরুলের ৩ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিফাত হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার কামরুল হাসান সাইমুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ নিয়ে চতুর্থ দফায় রিমান্ডে পেল পুলিশ।

এই হত্যা মামলায় এপর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই ভোররাতে মামলার প্রধান আসামি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ সাত আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় বর্তমানে ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিন্নি হামলাকারীদের বাধা দিলেও তাদের দমাতে পারেননি। একাধারে রিফাতকে কুপিয়ে বীরদর্পে অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা ত্যাগ করে হামলাকারীরা।

তারা চেহারা লুকানোরও কোনো চেষ্টা করেনি। গুরুতর আহত রিফাতকে ওইদিন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

টিআর/

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি