ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১২:১০:৫৪

সিইসি’র বিরুদ্ধে জোনায়েদ সাকির আইনি নোটিশ  

সিইসি’র বিরুদ্ধে জোনায়েদ সাকির আইনি নোটিশ  

প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য গণসংহতি আন্দোলনের আবেদন খারিজ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে দলটির নিবন্ধনের আবেদন খারিজ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।    প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব বরাবর এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকির পক্ষে ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এ নোটিশ পাঠান। নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্টদেরকে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নোটিশের জবাব না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত,এর আগে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিবন্ধন চেয়ে নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করে গণসংহতি আন্দোলন। এ বছরের ৮ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়, আবেদনে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের দু’টি প্রবিধান পরিষ্কার করা হয়নি, ওই বিষয়ে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। পরবর্তীতে এ দু’টি প্রবিধানের বিষয়টি ঠিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ২২ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে দাখিল করে গণসংহতি। কিন্তু গত ১৯ জুন আইন অনুসারে আবেদন সঠিক হয়নি উল্লেখ করে তা খারিজ করে দেওয়া হয়। এসি    
খালেদার বড়পুকুরিয়া খনি মামলার চার্জ শুনানি ২৫ অক্টোবর

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় চার্জ গঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ এ মামলার আসামির সংখ্যা ১০ জন। রোববার রাজধানীর বকশীবাজারে আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এএইচএম রুহুল ইমরান শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করেছেন। আসামিরা হলেন- বেগম খালেদা জিয়া, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার মো: আমিনুল হক, মো: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মুঈনুল আহসান, সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশারফ হোসেন। এ মামলার দুই আসামি মো: আমিনুল হক ও এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর পক্ষে মামলাটি হাইকোর্ট স্থগিত করেছেন জানিয়ে সময়ের আবেদন করেন তাদের আইনজীবীরা।

খালেদার খনি দুর্নীতি মামলার চার্জ শুনানি ২৫ অক্টোবর

কারাবন্দি খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর এ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত ‍বিশেষ আদালতের বিচারক এইচ এম রুহুল ইমরান এ দিন নির্ধারণ করেন। এই আদালতে অভিযোগ গঠনের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল আজ। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করলে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন দিন নির্ধারণ করেন। মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন-সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (প্রয়াত), সাবেক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (প্রয়াত), সাবেক শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী (ফাঁসিতে দণ্ডপ্রাপ্ত), সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ (প্রয়াত), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, এম কে আনোয়ার (প্রয়াত), এম শামসুল ইসলাম (প্রয়াত), আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, এ কে এম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এস আর ওসমানী, সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও খনির কাজ পাওয়া কোম্পানির স্থানীয় এজেন্ট হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত করে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। প্রসঙ্গত, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পুনঃদরপত্র ছাড়ায় সিএমসিকে কাজ দেওয়ায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ ২৬ হাজার ৩৪৩ টাকার ক্ষতির অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। একে//

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে ঘিরে পুলিশের কঠোর অবস্থান

ভয়াবহ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করা হলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, আগামী ১০ অক্টোবর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা হবে। এ রায়কে কেন্দ্র করে ‘কেউ যদি নাশকতার চেষ্টা করে তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কোনো হুমকি নেই উল্লেখ করে সিটিটিসি প্রধান বলেন, এরপরও সব কিছু মাথায় রেখে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নিরাপদে পূজা উৎসব পালন করতে পারেন সেজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় একটি চক্র অনলাইনে গুজব রটাতে পারে এমন আশংকা করে তিনি বলেন, এ জন্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: বাসস। কেআই/ এসএইচ/

‘জাতীয় নির্বাচনে সাইবারক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখছে পুলিশ’

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান ডিআইজি মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাইবার ক্রাইমকে হুমকি হিসেবে দেখছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। নির্বাচনের সময় একটি চক্র অনলাইনে মিথ্যা ও গুজব রটাতে পারে। এজন্য পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট সজাগ রয়েছে।’আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) শিশু-কিশোর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজায় সন্ত্রাসীর গোষ্ঠীর কোনো হুমকি নেই। এরপরও আমরা বিষয়টি নজরধারীর মধ্যে রেখেছি।জাতীয় নির্বাচনে সন্ত্রাসীর গোষ্ঠীর হুমকি আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বদ্ধ পরিকর। এরপরও কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিআরইউ সভাপতি সাইফুল ইসলাম, ক্র্যাব সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম, সহ-সভাপতি মাসুম মিজান, ডিএমপি মিডিয়া শাখার উপকমিশনার মাসুদুর রহমান, অতিরিক্ত উপকমিশনার ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।এসএ/  

‘ধুম্রজাল ও চমক সৃষ্টির জন্য বই লিখেছেন সিনহা’

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেছেন, ‘একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতেই নির্বাচনের আগে বই প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। তিনি ধুম্রজাল ও চমক সৃষ্টির জন্য এটা লিখেছেন।’আজ শনিবার সকালে বার কাউন্সিল ভবনে এস কে সিনহার বই নিয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।তিনি আরও বলেন, ‘এস কে সিনহার মত দুর্নীতিগ্রস্ত কোন সাবেক প্রধান বিচারপতি আর নেই। তিনি যখন এসব বক্তব্য দেন তখন বুঝতে হবে কেউ তাকে রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্যে ব্যবহার করছে।’এ সময় তিনি বলেন, ডক্টর কামালের সাম্প্রতিক বক্তব্যও প্রমাণ করে তিনি সিনহার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।এসএ/

জিয়া চ্যারিটেবল মামলার পরবর্তী শুনানি ২৪ সেপ্টেম্বর  

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ চতুর্থ দিনের শুনানি শেষে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মামলার কাজ মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী শুনানি হবে ২৪, ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার আসামি খালেদা জিয়া, জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং মনিরুল ইসলাম খানের জামিন সেই সময় পর্যন্ত বহাল রাখা হয়েছে।    বৃহস্পতিবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টা থেকে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল মামলা চালানো যাবে কি না, শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও আমিনুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন। শুনানি শেষে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০-এর এ ধারা অনুযায়ী আসামির অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দেন। এ ছাড়া খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর নির্দেশনা চেয়ে করা আবেদনের ব্যাপারে আদালত বলেছেন, জেল কোড অনুযায়ী এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি উপলক্ষে আজ সকাল থেকে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ দিন কারাগার চত্বরের যে কক্ষে বিচারকাজ চলছে, দুপুরে সেই ভবনের ছাদে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই কনস্টেবল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠানো হয়। অসুস্থ থাকায় আজও শুনানিতে অংশ নেননি খালেদা জিয়া।    এসি  

খালেদার অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম চলবে

কারাবন্দি খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন আদালত। বিএনপি চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে তার আইনজীবীরা এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করতে পারবেন। একই সঙ্গে এ মামলায় খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত অস্থায়ী ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন। গত দুই তারিখের ন্যায় আজ বৃহস্পতিবারও কারাগারে অবস্থিত অস্থায়ী এ আদালতে উপস্থিত হননি খালেদা জিয়া। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল মামলা চালানো যাবে কি-না, শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে রাষ্ট্রপক্ষে মোশাররফ হোসেন কাজল এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার ও আমিনুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন। শুনানি শেষে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০-এর এ ধারা অনুযায়ী আসামির অনুপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম চলবে বলে আদেশ দেন। মামলার নথি থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশীদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়। উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানে হয় তাকে। তখন থেকে সেখানেই বন্দি রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। একে//

এমপিপুত্র রনির মামলায় রায় ৪ অক্টোবর 

রাজধানী ইস্কাটনে জোড়া খুনের মামলার রায়ের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মামলাটির একমাত্র আসামি আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনি। বুধবার ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঞ্জুরুল ঈমাম মামলাটির যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য এই তারিখ ঠিক করেন।    এর আগে গত ৮ মে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওইদিন বিচারক স্বঃপ্রণোদিত হয়ে রায় ঘোষণার তারিখ বাতিল করে পুনরায় যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন। পরে ওই আদালতের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষের বদলি মিস মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটি দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়। এর আগে মামলাটির বিচারকালে আদালত ৩৭ জনের মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। ২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে দুইটার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তাতে অটোরিকশা চালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তারা। ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছরের ১৫ এপ্রিল একটি মামলা করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে রনির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত অভিযোগ গঠন করে। এসি    

শহিদুলের জামিন শুনানি আগামী সপ্তাহে

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের জামিন চেয়ে করা আবেদনের ওপর আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে। তার জামিন চেয়ে করা আবেদনটি আগামী রোববার কার্যতালিকায় আসবে বলে জানিয়েছেন আদালত। বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে জামিন আবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। আদালত তখন এ মামলার শুনানির জন্য আগামী সপ্তাহ নির্ধারণ করেন। আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। এর আগে গত ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ওই মামলায় শহিদুল আলমের জামিন নামঞ্জুর করেন। এর পর গত সোমবার হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন তিনি। উল্লেখ্য, নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে উসকানিমূলক মিথ্যা প্রচারের অভিযোগে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় গত ৬ আগস্ট শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এর আগে ৫ আগস্ট রাতে ধানমণ্ডির বাসা থেকে তাকে তুলে নেয় ডিবি। সাত দিনের রিমান্ড শেষে গত ১২ আগস্ট শহিদুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন নিম্ন আদালত। একে//

সাতক্ষীরার সাবেক ডিসি ও ইউএনওসহ তিনজনের কারাদণ্ড

সাতক্ষীরার সাবেক জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো. মহিউদ্দিন, আশাশুনির সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুষমা সুলতানা ও আশাশুনি সদরের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেনকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালতের আদেশ অমান্য করায় মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে আশাশুনি আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ সাবরিনা চৌধুরী এ রায় দেন। জেলা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান রায়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মিস কেস ১৩/২০১৭ থেকে উদ্ভূত দেওয়ানি ৬০/২০১৭ এর এক নির্দেশে ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই আদালত এক একর ৬৮ শতাংশ জমির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। মামলার বাদী ননী বালা হালদারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক ও ইউএনও পরস্পর যোগসাজশের মাধ্যমে জমিতে বিবাদী পক্ষকে যেতে সহায়তা করেন। এতে আদালতের আদেশ অমান্য হয়। মঙ্গলবার এ বিষয়ে দীর্ঘ শুনানি শেষে সিনিয়র সহকারী জজ (আশাশুনি আদালত) তাদের তিনজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন। তাদেরকে আগামী এক মাসের মধ্যে সাতক্ষীরার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই আদেশ লংঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে বলেও জানিয়েছেন আদালত। আরকে//

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। রিটে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্রে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর রাখার আইন চ্যালেঞ্জ করা রুলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তফসিল ঘোষণা বন্ধের কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ। এককভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে নিজ এলাকার মোট ভোটারের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রে দাখিলের বিধান রেখে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গেজেট আকারে প্রকাশ করে কমিশন। এতে বলা হয়, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটারের সমর্থন সংগ্রহ, ইত্যাদি (১) স্বতন্ত্র প্রার্থী যে নির্বাচনী এলাকা হইতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিতে ইচ্ছুক, কেবল সেই এলাকার ভোটারদের সমর্থন ফরম (ক)-তে উক্ত প্রার্থীর প্রার্থিতার অনুকূলে সংগ্রহ করিতে হইবে। (২) স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তদকর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি কর্তৃক তফসিলের ফরম-ক-তে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য লিপিবদ্ধপূর্বক ভোটারগণের স্বাক্ষর কিংবা টিপসহি সংগ্রহ করিতে হইবে। এই বিধানকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের রিট আবেদনটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রে দাখিল করার বিধান কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের জবাব দেয়া হয়নি এখনও। আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি