নামের মিলে ১ বছর ধরে কারাগারে, সেই আলমাসকে মুক্তির নির্দেশ
প্রকাশিত : ১৩:৫৩, ৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রায় ১ বছর ধরে নামের মিলে কারাগারে থাকা মো. আলমাসকে দ্রুত মুক্তি দিতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ হাইকোর্টের। মূল দণ্ডিত আসামি বর্তমানে আলমাছ কানাডায় আছে।
রোববার বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বে দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আলমাছ কেরানীগঞ্জ কারাগারে আছেন, আজই মুক্তি পেতে পারে বলে জানান তার আইনজীবী তানভির হাসান। মুক্তির পর ৫ কোটি টাকা চেয়ে ক্ষতি পূরনের উপর জারি করা রুলের বিষয়টি তার সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান আইনজীবী।
দুই যুগ আগে করা এক অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড হয় মো. আলমাছের। সেই মামলার সাজা পরোয়ানায় গ্রেফতার হয়ে এক বছরে কারাগারের দিন কাটাচ্ছেন মো. আলমাস নামের আরেক ব্যক্তি। অথচ তিনি ওই মামলার আসামিই নন।
মামলার প্রকৃত সাজাপ্রাপ্ত মো. আলমাছ এখন অবস্থান করছেন কানাডায়। শুধু নামের মিল, বাবার নামের আংশিক সাদৃশ্য এবং ঠিকানার ভুলের কারণে একজন নিরপরাধ মানুষকে কারাগারে থাকতে হচ্ছে।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল দিয়ে আলমাস (কারাগারে থাকা) এবং দণ্ডিত ব্যক্তির পরিচয় ও বিস্তারিত তথ্য যাচাইয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।
আদেশে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে তার তত্ত্বাবধানে একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অনুসন্ধান (তদন্ত) পরিচালনা করতে বলা হয়। আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ে।
গ্রেপ্তার হওয়া মো. আলমাছ এবং অস্ত্র আইনে মিরপুর থানায় ওই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আলমাছ দুজন সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যক্তি বলে অনুসন্ধান প্রতিবেদনের সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার মো. আলমাস (পিতা–শেখ খলিল, মাতা–রশনারা/রাসনারা বেগম, গ্রাম–সুন্দরীপাড়া, ডাকঘর–কুসুমহাটি, থানা–দোহার, জেলা–ঢাকা) অস্ত্র আইনের ওই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন। পলাতক মো. আলমাছ (পিতা–মো. খলিলুর রহমান/খলিল আহম্মেদ/মো. আবুল খায়ের (খলিল), মাতা–সালমা আক্তার, গ্রাম–পূর্ব ধোয়াইর, ডাকঘর–দক্ষিণ বাহ্রা, ইউনিয়ন-নয়াবাড়ী, খানা–দোহার, জেলা–ঢাকা) মিরপুর থানার অস্ত্র আইনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তিনি বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন।
আগের ধারাবাহিকতায় হাইকোর্ট বেঞ্চের আজকের কার্যতালিকায় রিটটি ওঠে।
এএইচ
আরও পড়ুন










