ঢাকা, শনিবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই সরকারি বাসা ছেড়েছি: আসিফ মাহমুদ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২২:১৯, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত “দুই মাস আগে পদত্যাগ করেও সরকারি বাসায় আসিফ ও মাহফুজ” শীর্ষক সংবাদটিকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ। 

সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “পদত্যাগের পরেও সরকারি বাসায় বসবাস করার যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করি এবং একই মাসের ৩১ তারিখে হেয়ার রোডের সরকারি বাসা ‘নিলয়-৬’ যথাযথভাবে হস্তান্তর করি। বর্তমানে আমি আমার নিজস্ব (ভাড়া) বাসায় বসবাস করছি এবং সেখান থেকেই দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

প্রকাশিত সংবাদে সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “আবাসন বরাদ্দ নীতিমালায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর দুই মাস পর্যন্ত বাসভবনে থাকতে পারবেন। অথচ আমি উক্ত নীতিমালায় নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ ২১তম দিনেই বাসস্থান হস্তান্তর করি। মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করলেই এর সত্যতা সহজেই প্রমাণিত হবে।” 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মচারীই অবগত আছেন যে তিনি এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওই বাসায় থাকছেন না এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার মমিনুর রহমানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বাসাটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন যে, তাকে হেয় প্রতিপন্ন ও হয়রানি করার লক্ষ্যেই এই বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি অনতিবিলম্বে সংবাদটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান এবং নিজের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে বাসা হস্তান্তরের জমাদানের কপিটি জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

এমআর// 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি