ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২০:১০:৩৫

‘যারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে’

‘যারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে’

নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, এবারের নির্বাচন আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যারা জামায়াত-শিবির, রাজাকার-আলবদর এবং সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে তাদেরকে প্রতিহত করার সময় এখন। আজ শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ জাসদ, মুক্তিযোদ্ধা, ব্যবসায়ী, শ্রমিক নেতা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এ কথা বলেন। শাজাহান খান বলেন, সংলাপের কথা বলছেন কাদের সঙ্গে সংলাপ করব যারা সংলাপের মূল্য বুঝে না, মূল্যায়ন করে না, যে মানুষ একজন প্রধানমন্ত্রীকে সম্মান দিতে জানে না। ফোনে যখন তাকে সংলাপের কথা বলা হলো তখন কি কথা হয়েছিল তা আপনারা সবাই জানেন। যারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি রাজাকার-আলবদরদের পক্ষ নেবে তাদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনও সংলাপ হতে পারে না। তিনি বলেন, ছাত্র আন্দোলনের নামে যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করল, মুক্তিযোদ্ধাদের নামে অকথ্য ভাষায় স্ট্যাটাস দিল এরা কারা? তোমরা কারা যারা বঙ্গবন্ধুকে কটাক্ষ করে গলায় পোস্টার ঝুলাল, যারা পুলিশ, প্রশাসন ও সরকার সম্পর্কে অশ্লীল ভাষায় পোস্টার লিখে গলায় ঝুলিয়ে রাস্তায় দাঁড়াল এরা কারা। এরা কারা যারা একটা জয়বাংলার শ্লোগান দিল না। সভায় আর উপস্থিত ছিলেন- পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধান, পঞ্চগড়-২ আসনে সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়াম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী, পঞ্চগড় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার গিয়াস উদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন ব্যবসায় সংগঠন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসএইচ/
খালেদা জিয়ার বিচারে এত তাড়া কেন: ফকরুল

কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে বিচার বিভাগের তাড়ার বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলা শেষ করার এত তাড়া কেন? সরকার খালেদা জিয়ার মামলা দ্রুত শেষ করে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন মির্জা ফকরুল। নিম্ন আদালতকে সরকার করায়ত্ত করে ফেলেছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় দলের চেয়াপারসনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। বিএনপির মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার কার্যক্রম চলবে বলে আদালতের দেওয়া আদেশ আমরা মেনে নিতে পারছি না। এ সময় এ মামলার শুনানি বন্ধ করে অবিলম্বে কোনও বেসরকারি বিশেষায়িত হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবি জানান তিনি। মির্জা ফকরুল বলেন, ফৌজদারি মামলায় যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় তার উপস্থিতিতেই মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করা আইনসম্মত। কিন্তু খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি চলবে বলে যে আদেশ দেওয়া হয়েছে তা ন্যায়বিচার ও মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ড. মঈন খান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। একে//

সড়কপথে ঢাকা থেকে কক্সবাজার সফর করবেন ওবায়দুল কাদের 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সড়কপথে কক্সবাজার সফর করবেন। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে সড়ক পথে এই সাংগঠনিক সফর শুরু হবে। যাত্রাপথে এদিন তিনি কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ, কুমিল্লা টাউনহল মাঠ, চৌদ্দগ্রাম, ফেনী ও সীতাকুন্ড এবং ২৩ সেপ্টেম্বর রবিবার চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী থানা, লোহাগাড়া উপজেলা, কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাসস্ট্যান্ড, রামু ঈদগাঁ মাঠে বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।    আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিঞ্জপ্তিতে আজ বলা হয়, কর্মসূচিতে দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, উপ-প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন ও উপ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ওবায়দুল কাদের’র সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন। এসি   

রাত ১১টার পর ফেসবুক বন্ধ করা দরকার: রওশন এরশাদ

জাথীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বলেছেন, স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের মাত্রারিক্ত ব্যবহার করছে আমাদের ছেলেমেয়েরা। এরা রাতে ঘুমায় না। জেগে জেগে ফেসবুক দেখে। ফেসবুকে আসক্ত হয়ে গেছে। এটি একটি সময়সীমার মধ্যে আনা গেলে ভালো হয়। ১১টার পরে ফেসবুক বন্ধ করতে পারলে পড়াশোনায় মন থাকবে। আজ বৃহস্পতিবার দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই ফেসবুক নেই। চীনে নেই, সৌদি আরবে নেই। শিশুদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া আর কোকেন তুলে দেওয়া একই কথা। ডিজিটাল বাংলাদেশ, সোনার বাংলাদেশ গড়তে চাইলে ছেলেমেয়দের রক্ষা করতে হবে। উপায় খুঁজতে হবে। এসএইচ/

‘নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে শেখ হাসিনাই বিজয়ী হবেন’

বাংলাদেশ জাতীয় জোট (বিএনএ) ও তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বলেছেন, শেখ হাসিনা তার দৃশ্যমান উন্নয়নের মাধ্যমে যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে বাংলাদেশের জনগণ তাকেই ভোট দিয়ে আবার সরকারে বসাবেন।    বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তোপখানা রোডে মেহেরবা প্লাজায় বিএনএ মিলনায়তনে তৃণমূল জাতীয় মহিলা দলের উদ্যোগে ‘নারী জাগরণে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন নাজমুল হুদা। তিনি বলেন, কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন শেখ হাসিনা সরকারের জনপ্রিয়তা কমেছে, সেটি এখন অতীত। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, ফ্লাইওভার, পোশাক শিল্পের উন্নয়ন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ সর্বোপরী বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ায় দেশের জনগণ অন্য যেকোনো দলের চেয়ে আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে বেশি আসনে বিজয়ী করবে। নাজমুল হুদা আরো বলেন, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব নারী জাগরণের অগ্রদূত। তার সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু যেমন বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠেছিলেন তেমনি স্বাধীন-সার্বভৌম একটি দেশ উপহার দিতে পেরেছিলেন। নারী অধিকার ও নারীর ক্ষমতায়ন তথা নারী স্বাধীনতার ওপর ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের উৎসাহ, অনুপ্রেরণা নারী জাতির কাছে সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তৃণমূল জাতীয় মহিলা দলের সভানেত্রী মাকসুদা বেগম লাবনীর সভাপতিত্বে ও বিএনএর সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন জাগো বাঙালির চেয়ারম্যান ও বিএনএ’র মহাসচিব মেজর (অব.) ডা. শেখ হাবিবুর রহমান, তৃণমূল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান লায়ন সালাম মাহমুদ প্রমুখ। এসি  

খালেদা জিয়ার মুক্তিতে দুটি পথ খোলা আছে: হানিফ  

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য দুটি পথ খোলা রয়েছে। একটি হলো- আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার মুক্তি আর অন্যটি হলো নিজের অপরাধ স্বীকার করে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। যদি রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করেন। এই দু`টি পথ ছাড়া খালেদা জিয়ার মুক্তির আর কোন পথ নেই। আজ দুপুরে রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাবে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তবে তিনি এ কথা বলেন।    হানিফ বলেন, এতিমের টাকা আত্মসাতের কারণেই আজকে খালেদা জিয়া কারাগারে রয়েছেন। আর সেই কারাগার থেকে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করতে পারছে না বিএনপি। তাই এখন সকাল-বিকাল বিএনপি দাবি করছে, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। কিন্তু মুক্তি দেবে কে? তিনি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা আন্দোলনের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। আমরা বলেছি, আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করেন। খালেদা জিয়া টাকা আত্মসাৎ করেছেন। আপনারা আইনি লড়াইয়ে মুক্ত করতে না পেরে রাস্তায় এসে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছেন। তথাকথিত এই আন্দোলন করে কোনো লাভ হবে না। কারণ খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়ার ক্ষমতা সরকারের নাই। ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এ কে এম রহমতুল্লাহের সভাপত্বিতে বর্ধিত সভায় আরো উপস্হিত ছিলেন উত্তরের সহ-সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, নাজিমুদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক এস এম মান্নান কচি, দপ্তর সম্পাদক এম সাইফুল্লাহ সাইফুল প্রমুখ। এসি  

ড. কামালের নেতৃত্ব মেনে নিতে প্রস্তুত বিএনপি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে। তাঁর অনুপস্থিতিতে দলের হাল যার ধরার কথা, সেই তারেক রহমানও ফেরারি হয়ে লন্ডনে দিন যাপন করছেন। কার্যকর নেতৃত্বের অভাবে দলের ভেতরে রয়েছে নানামুখী কোন্দল। যার কারণে গত ১০ বছরে বহু ইস্যু পেলে সরকার বিরোধী দৃশ্যমান কোনো আন্দোলন গড়ে তোলতে পারেনি রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি। এমতাবস্থায় নির্বাচনকে সামনে রেখে একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করা গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে প্রধান করে বৃহত্তর রাজনৈতিক জোট গঠন করার আলোচনা চলছে বিএনপির ভেতর বাইরে। সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে জোটের প্রধান করার ইচ্ছা থাকলেও, শারীরিক অসুস্থতা আর ড. কামালের অনুষ্ঠানে সম্প্রতি তার অনুপস্থিতির কারণে এবার ড. কামালকেই জোটের প্রধান মানতে প্রস্তুত ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর বিএনপি। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘বৃহত্তর জোট’ গঠনের চূড়ান্ত পর্যায়ে বিএনপি। দলটির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, তাঁরা এখনো আশায় আছেন যে বিকল্পধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বিএনপির ও জাতির ‘দুঃসময়ে’ নতুন জোটের অগ্রভাগে থাকবেন। কারণ, তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম। তবে তাঁর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া এবং যুক্তফ্রন্ট ও গণফোরামের যৌথ কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকা নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। আর এ কারণেই ড. কামালকে জোটের প্রধান মেনে নিতে বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের বেশিরভাগ নেতাই নাকি সায় দিয়েছে। শুধু তাই নয়, এ লক্ষ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিদেশ সফর থেকে ফিরেই ড. কামালের দ্বারস্থ হয়েছেন। এদিকে শুনা গেছে, ড. কামালকে প্রধান করতে বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান তারেক রহমানও নাকি গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন। আর তার কাছ থেকে গ্রিন সিগনাল পেয়েই মির্জা ফখরুল লন্ডন থেকে ফিরেই একান্ত বৈঠক করেছেন ড. কামালের সঙ্গে। মির্জা ফখরুল এর আগে বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি তুলে ধরতে জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে ড. কামালের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর জোটের বিষয়টি স্বীকার করতে চাননি তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. কামাল বলেন, ‘না, না, না। আমি এ রকম কোনো সম্ভাবনা দেখি না।’ তবে তিনি বলেন, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া যাতে বেগবান হয়, সে লক্ষ্যে তাঁর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। জানা গেছে, বিএনপির একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বৃহত্তর ঐক্যের লক্ষ্যে গত এক সপ্তাহে গণফোরাম, যুক্তফ্রন্ট ও দুটি প্রভাবশালী বাম দলের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে ইতোমধ্যে বৃহত্তর জোট গঠনের বিষয়ে আলাপ করেছেন। তবে জামায়াত ইস্যুতে প্রতিটি দলেরই আপত্তি রয়েছে বলে জানা গেছে। তাই বিএনপির সঙ্গে সরাসরি জোট বাঁধবে না গণফোরাম, যুক্তফ্রন্ট ও বাম দলগুলো, এমনটাই জানিয়েছেন ওই দলগুলোর নেতারা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম সাংবাদিকদের বলেন, দেশকে দ্বি দলীয় বলয় থেকে মুক্ত করতে কাজ করছে বাম দলগুলো। আর এ প্রশ্নে সিপিব অবিচল। তাই বিএনপির সঙ্গে জোট গঠন করার সম্ভাবনা নাকচ করে দেন তিনি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ড. কামাল হোসেন ও একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বেশ কয়েকদিন ধরেই মিডিয়া পাড়ায় সরব হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন, টেবিল বৈঠক আর ছোটো ছোটো সমাবেশের মধ্য দিয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা। তাদের কর্মকাণ্ডে জনসাধারণের সম্পৃক্ততা না থাকলেও, মিডিয়া পাড়ায় সরগরম এ দুই নেতা। এরইমধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বাইরের দলগুলোকে টানার চেষ্টা করছেন ড. কামাল ও বদরুদ্দোজো চৌধুরী। জানা গেছে, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মহানগর নাট্যমঞ্চে বিশাল সমাবেশ আয়োজনের মধ্য দিয়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারকে কড়া বার্তা দিতে চায় দলটি। এরই লক্ষ্যে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের অন্য দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এদিকে ২২ সেপ্টেম্বরের সমাবেশে মির্জা ফখরুলসহ সরকার বিরোধী গোষ্ঠী যে সরব থাকবে, তা অনুমেয়। এদিকে ‘জাতীয় ঐক্য’ (বৃহত্তর জোট গঠন) প্রক্রিয়ায় বিএনপিসহ জোটের নেতাকর্মীরা যাবেন কি না, এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দলীয়ভাবে বিষয়টি আলোচনা করার পরই তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে মির্জা ফখরুল এও বলেছেন, ‘কেউ উড়ে এসে এখন বাংলাদেশকে উদ্ধার করবে না, বরং ঐক্য গড়ার মধ্য দিয়েই সরকারের পতন ঘটাতে হবে। এদিকে বিএনপি জোটের অন্য নেতাদের মুখেও এমনটাই শুনা গেছে। নির্বাচন সামনে রেখে ১৫ সেপ্টেম্বর ৫ দফা দাবি এবং ৯ দফা লক্ষ্য প্রকাশ করে যুক্তফ্রন্ট ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। অনুষ্ঠানে থাকার কথা ছিল বি চৌধুরীর। কিন্তু তিনি অসুস্থতার কথা জানিয়ে সেখানে যাননি। বিকল্পধারার জ্যেষ্ঠ নেতাদের কাউকেও সেখানে দেখা যায়নি। এরপর থেকেই ঐক্য প্রক্রিয়ায় ভাঙনের গুঞ্জন ওঠে। এদিকে বিকল্প ধারা যদিও শেষ পর্যন্ত ঐক্য প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে যান, তারপরও বৃহত্তর ঐক্যের সঙ্গে থাকার ঘোষণা দিয়েছে আ স ম আবদুর রবের জেএসডি ও মাহমুদুর রহমান মান্নার নাগরিক ঐক্য। এরইমধ্যে কামাল হোসেনের সঙ্গে খুলনা সফরে রব, মান্না ছাড়াও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন। বৃহত্তর জোট কিংবা সরকার বিরোধী জোট যা্-ই বলুক না কেন, জামায়াতের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো অংশগ্রহণ থাকলে বিকল্পধারা আর এ জোটে যাবে না বলে আগেই জোটের অন্য নেতাদের সতর্ক করে দিয়েছেন মাহি বি চৌধুরী। তাই শেষ পর্যন্ত, ড. কামাল, মাহমুদুর রহমান মান্না ও মির্জা ফখরুলদের বৃহত্তর ঐক্য আলোর মুখ দেখবে কি না সে ব্যাপারে যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এমজে/

মানুষের মুখ বন্ধ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: রিজভী  

বিএনপি’র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের মুখ বন্ধ করতে ও গণমাধ্যমের হাত-পা বেঁধে ফেলতে গতকাল সংসদে বির্তকিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস করা হয়েছে। এই আইন সংবিধানবিরোধী। কারণ এটি সংবিধানের মূল চেতনা, বিশেষ করে মুক্ত চিন্তা, বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করেছে।’   বৃহস্পতিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী এই মন্তব্য করেন।    তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের নিরাপত্তা এই আইনের কারণে হুমকির মুখে পড়লো। কারণ আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এখন বিনা ওয়ারেন্টে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের অফিস ঢুকে তল্লাশির নামে তাণ্ডব চালাতে পারবে, কম্পিউটারসহ সকল কিছু সীজ করতে পারবে, যে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারবে। সাধারণ মানুষও এই কালো আইনের থাবা থেকে রেহাই পাবে না।’ বুধবার জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয়। এই আইনের ৩২ ধারায় অফিসিয়াল সিক্রেসি অ্যাক্ট প্রয়োগ করে সরকারি কোনো কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেক্ট্রনিক্সের মাধ্যমে সংগৃহিত তথ্যকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অপরাধ সংঘটন ও সংঘটনে সহায়তার দায়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলকে ৫দিনের রিমান্ডে নেওয়া, প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানীর বাসায় হামলা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলীর বাসভবনে পুলিশি তল্লাশির ঘটনার নিন্দা জানান রিজভী। এসি  

সিনহার বক্তব্যে পরিষ্কার, বিচার বিভাগ হুমকির মুখে: রিজভী

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বক্তব্যকে সমর্থন করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সাবেক প্রধান বিচারপতির বক্তব্যে এটি দেশবাসীর কাছে পরিস্কার যে, বিচার বিভাগ হুমকির মুখে। এস কে সিনহা তার বইতে উল্লেখ করেছেন কীভাবে তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে, কীভাবে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করে বিচার বিভাগকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে নয়া পল্টনে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী আহমেদ এসব কথা বলেন। রিজভীর ভাষ্য, এসকে সিনহার বক্তব্যে আরও পরিষ্কার হলো বন্দুকের নলের মুখে বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় রায় দিয়ে এক নম্বর মিশন কার্যকর করা হয়েছে। এরপর এখন দুই নম্বর মিশন কার্যকর করতে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্টের মামলায় আগামী ১০ অক্টোবর রায় দেওয়া হবে। ১৪ বছর ঝুলন্ত রাখার পর আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা সুপরিকল্পিত নীল নকশারই অংশ বলে উল্লেখ করেন রিজভী। বিএনপির এই নেতা বলেন, এস কে সিনহা তার আত্মজীবনী বইয়ে পরিষ্কার উল্লেখ করেছেন, তিনি সরকারের চাপে ও হুমকির মুখে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি তার ‘এ ব্রোকেন ড্রিম’ বইয়ে পরিষ্কার বলেছেন-বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার হুমকি ও ভীতি প্রর্দশনের মুখে তিনি দেশ ছেড়েছেন এবং তার পরিবারকে জিম্মি করে বিদেশে থাকাকালীন অবস্থায় তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। বিবিসির রিপোর্টসহ দেশের কিছু গণমাধ্যমে আজ তা প্রকাশ পেয়েছে। তাকে পদত্যাগে বাধ্য করে বিচার বিভাগকে সরকার নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। / এআর /

আমার মন্ত্রী হতে বাধা নেই, রওশনের আছে: এরশাদ

নির্বাচনকালীন সরকারে থাকার সম্ভবনার কথা জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন আমার মন্ত্রী হওয়ায় বাধা নেই। তবে রওশন এরশাদের সমস্যা আছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা থেকে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনকালীন সরকারে মন্ত্রী হবে জানিয়ে এরশাদ বলেন, আমার মন্ত্রী হওয়ায় কোনো বাধা নেই। তবে রওশন এরশাদের সমস্যা আছে। কারণ উনি নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে থাকবেন। সে কারণে আমি অবশ্যই মন্ত্রী থাকবো।  গণফোরাম নেতা ড. কামালের নেতৃত্বে যে জোট হচ্ছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, যে কেউ জোট করতে পারে। বিএনপি সে জোটে যোগ দেয়নি, যোগ দেবে বলে শুনছি। তবে তাদের জোট কতখানি শক্তিশালী হবে জানি না। তবে তারা যতই ঐক্য করুক কোনও লাভ হবে না। কারণ দেশের জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না। বিএনপি ড. কামালদের জোটে গেলে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট কেরে নির্বাচন করবে বলেও জানান তিনি। এরশাদ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে এলে জাতীয় পার্টির আওয়ামী লীগ জোটের সঙ্গে থাকবে। দিন পরিবর্তন হয়েছে। মহাজোটের সঙ্গে থাকলে জাপার জয় হবে। নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত নির্বাচন করি নাই, এবার রংপুরের ২২টি আসন ফেরত চাইবো। এই নির্বাচনে ৭০টি আসন চেয়েছি। নির্বাচনকালীন সরকারে থাকতে কোনো বাঁধা নেই জানিয়ে এরশাদ বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারে থাকতে পারি। এ সময় জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান জি এম কাদের, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।  / এআর /

নির্বাচনকালীন সরকারে মন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারি: এরশাদ

নির্বাচনকালীন সরকারে থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, নির্বাচনকালীন সরকারে থাকতে বাধা নেই। এই সরকারে মন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারি। আজ বৃহস্পতিবার রংপুর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এরশাদ বলেন, আমার মন্ত্রী হওয়ায় কোনো বাধা নেই। তবে রওশন এরশাদের সমস্যা আছে। কারণ উনি নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে থাকবেন। সে কারণে আমি অবশ্যই মন্ত্রী থাকবো।  গণফোরাম নেতা ড. কামালের নেতৃত্বে যে জোট হচ্ছে সে সম্পর্কে তিনি বলেন, যে কেউ জোট করতে পারে। বিএনপি সে জোটে যোগ দেয়নি, যোগ দেবে বলে শুনছি। তবে তাদের জোট কতখানি শক্তিশালী হবে জানি না। বিএনপি ওই জোটে গেলে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে থেকে নির্বাচন করবো। খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ কিনা জানি না। সরকার ইচ্ছে করলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পারে। এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। বিএনপি নির্বাচনে আসলে বা না আসলে আমাদের কিছুই যায় আসে না। দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব এখন তারেক রহমান পালন করছে, ফলে তাদের সিদ্ধান্ত তারাই নেবে। তবে তারা যতই ঐক্য করুক কোনও লাভ হবে না। কারণ দেশের জনগণ তাদের বিশ্বাস করে না। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে এরশাদ বলেন, ‘নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কাছে ১০০টি আসন চেয়ে তালিকা দেওয়া হবে। অবশ্যই এর মধ্যে ৭০টি আসন আমাদের দেওয়া হবে।’ এর আগে এরশাদ সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছালে দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পুলিশের একটি দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় জাপার কো চেয়ারম্যান জিএম কাদের, রংপুর মহানগর জাপা সভাপতি সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসিরসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মহাজোটের সঙ্গে নির্বাচন করলে আসন ভাগাভাগি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এরশাদ বলেন, গত নির্বাচন করি নাই, এবার রংপুরের ২২টি আসন ফেরত চাইবো। এই নির্বাচনে ৭০টি আসন চেয়েছি। দু’দিন আগে জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করবে এমন ঘোষণা দিলেও আজ এরশাদ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে এলে জাতীয় পার্টির আওয়ামী লীগ জোটের সঙ্গে থাকবে। দিন পরিবর্তন হয়েছে। মহাজোটের সঙ্গে থাকলে জাপার জয় হবে। এ সময় জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান জি এম কাদের, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। / এআর /

আগেও ইভিএমের পক্ষে ছিলাম না, এখনও নই: এরশাদ

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) জাতীয় পার্টির (জাপা) আস্থা নেই জানিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমি আগেও ইভিএমের পক্ষে ছিলাম না, এখনো নই। ইভিএমে কারচুপি হবে কিনা নিশ্চিত না। আজ বৃহস্পতিবার রংপুর সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। দু’দিন আগে জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচন করবে এমন ঘোষণা দিলেও আজ এরশাদ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে এলে জাতীয় পার্টির আওয়ামী লীগ জোটের সঙ্গে থাকবে। দিন পরিবর্তন হয়েছে। মহাজোটের সঙ্গে থাকলে জাপার জয় হবে। নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত নির্বাচন করি নাই, এবার রংপুরের ২২টি আসন ফেরত চাইবো। এই নির্বাচনে ৭০টি আসন চেয়েছি। নির্বাচনকালীন সরকারে থাকতে কোনো বাঁধা নেই জানিয়ে এরশাদ বলেন, নির্বাচনকালীন সরকারে থাকতে পারি। এ সময় জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান জি এম কাদের, রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর জাপার সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি