ঢাকা, শনিবার, ২৩ জুন, ২০১৮ ২৩:২১:১৪

সোমবার থেকে আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

সোমবার থেকে আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

আগামী সোমবার থেকে আমরণ অনশনে যাবেন এমপিওর দাবিতে শিক্ষকরা। শনিবার সকালে রাজধানীতে মানববন্ধনে তারা এ দাবি করেন। নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেন, তারা অনশন চালিয়ে যাবেন। আগামীকালকের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া না পেলে সোমবার সকাল ৯টা থেকে আমরণ অনশনে যাবেন তারা। এবার আমাদের যতগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং যত নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক আছেন, একযোগে সবার এমপিওভুক্তির দাবি করছি। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গত ১০ জুন থেকে আন্দোলন শুরু করেন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা জানান, ২০০৬ সাল থেকে তারা আন্দোলন করে আসছেন। এখন পর্যন্ত এটি তাদের ২৭তম পর্যায়ের আন্দোলন। গত ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে তারা আন্দোলন স্থগিত করে ঘরে ফিরে যান। এরপর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বলা হয়েছে,  নতুন অর্থবছরে নতুন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের যে বাজেট প্রস্তাব করেন, সেখানে তিনি নতুন এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু বলেননি। যদিও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা থেকে পর্যায়ক্রমে এমপিওভুক্ত করা হবে। এই প্রেক্ষাপটে পরিবার-পরিজন, স্ত্রী-সন্তানদের রেখে তারা রাজধানীর রাজপথেই ঈদের নামাজ আদায় করেন। এবারের বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের জন্য ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে খাতওয়ারি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ। তবে বরাদ্দের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়, কারিগরি বিদ্যালয় ও কলেজ নির্মাণসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কেআই/ এসএইচ/
রাষ্ট্রপতি বরাবর শিক্ষকদের স্মারকলিপি  

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করার দাবিতে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন নন–এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আন্দোলনরত শিক্ষকরা। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল এ স্মারকলিপিটি প্রদান করেন। ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার, সাধারণ সম্পাদক ড. বিনয় ভূষণ রায়, সিনিয়র সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আশ্রাফুল হক লাভলু প্রতিনিধি দলে ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১০ জুন থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এর আগে একই দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচিতে নামে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশন। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনশন করার পর প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসে তারা অনশন ভঙ্গ করে ফিরে যায়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা তখন তাদের দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন। আরকে// এসএইচ/

বিসিএসসহ সব নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন মুদ্রণ করবে পিএসসি

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে এখন থেকে বিসিএসসহ সব সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার (পিএসএসসির অধীনে) প্রশ্ন নিজেরাই প্রণয়ন ও মুদ্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ কর্মকমিশন (পিএসসি)। ৩৯তম স্বাস্থ্য ক্যাডারে বিশেষ বিসিএস পরীক্ষা নিজেদের মুদ্রণ করা প্রশ্নে আয়োজন করা হবে বলে পিএসসি জানিয়েছে।পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক এ বিষয়ে বলেন, বিসিএস ও অন্যান্য সব পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পিএসসি ভবন থেকে প্রণয়ন ও মুদ্রণ করা হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আরও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ করতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৩৯তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা আয়োজনে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ৩৮তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শুরু হবে। ৮ থেকে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে। এছাড়া সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঐচ্ছিক বিষয়ের পরীক্ষা হবে।পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, একটি নির্ধারিত কক্ষে বসে পিএসসির প্রশ্ন প্রণয়নকারী মডারেটররা একাধিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবেন। এরপর লটারির মাধ্যমে একটি সেট নির্বাচন করা হবে। সেই প্রশ্ন সেটটি পিএসসির নিজস্ব প্রিন্টারে ছাপা হবে। এরপর সেটি পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হবে। লটারির মাধ্যমে প্রশ্ন নির্বাচন থেকে প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে না যাওয়া পর্যন্ত নির্ধারিত রুমটি বন্ধ রাখা হবে। পুরো স্থানটি সিসিটিভি দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।জানা গেছে, চলতি বছর ৪ হাজার সরকারি নার্স নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ বছর শুরুর দিকে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও পরীক্ষার আগেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। পরদিন লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পিএসসি। / এআর /

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন শিক্ষাবিদ

  জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা, যা বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে দেশের বিশিষ্ট সুনামধারী শিক্ষক, চিন্তাবিদ ও গুণী ব্যক্তিদের দিয়ে থাকে। ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে এই সম্মাননা খেতাব দেয়া হচ্ছে। সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন। তবে ক্ষেত্রবিশেষে মেয়াদ আরও দীর্ঘ হতে পারে। পুনর্নিয়োগের ব্যবস্থাও আছে। জাতীয় অধ্যাপকদের কিছু শর্ত মানতে হয়। ২০১৮ সালের নির্বাচিত জাতীয় অধ্যাপকরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক ও ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) উপাচার্য ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী ও ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম। এর আগে গত ৩ জুন সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় অধ্যাপক নির্বাচনী কমিটির সভায় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিতে এ তিনজনের নাম সুপারিশ করা হয়। নির্বাচিত শিক্ষাবিদদের প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি তাদের জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিলেন। জাতীয় অধ্যাপক নির্বাচন কমিটির সভাপতি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান। জানা যায়, সর্বশেষ ২০১১ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে পাঁচজন শিক্ষাবিদকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের জুনে। এই অধ্যাপকদের মধ্যে ড. শায়লা খাতুন ছাড়া সবাই প্রয়াত হয়েছেন। প্রসঙ্গত:একসঙ্গে সর্বোচ্চ চার শিক্ষাবিদকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিধান রয়েছে। জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে যারা নিয়োগ পান তারা সরকারের দেয়া নির্ধারিত হারে সম্মানী ভাতা পান। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাধ্যমে তারা এ ভাতা পাবেন। তারা ইচ্ছানুযায়ী কোনো গবেষণা সংস্থা বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে নিজের পছন্দমতো ক্ষেত্রে গবেষণামূলক কাজ করতে পারবেন। তবে যে ক্ষেত্রে কাজ করবেন তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে জানাতে হবে। তারা যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবেন সে প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজের বার্ষিক প্রতিবেদন দেবেন। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে তাদের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানাবে। তারা যে শিক্ষা বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকবেন সেই প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা বা গবেষণামূলক কাজ করার সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এ পদে থাকাকালীন তাদের যেসব বই-পুস্তক ছাপানো হবে, তা থেকে পাওয়া সব সুযোগ-সুবিধা তারা নিতে পারবেন। তারা সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশে যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারবেন। জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তারা অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারবেন না। যদি করেনও তবে ওই চাকরি থেকে কোনো বেতন বা আর্থিক সুবিধা নিতে পারবেন না। তারা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন না। জাতীয় অধ্যাপক (নিয়োগ, শর্তাবলী ও সুবিধা) সিদ্ধান্তমালা ১৯৮১ (সংশোধিত) অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় অধ্যাপক নিয়োগে বাছাই করে। শিক্ষামন্ত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক মন্ত্রী ও সাবেক জাতীয় অধ্যাপক বা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষাবিদদের নিয়ে এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ দেন। আরকে//    

ঈদের দিনে ভুখা মিছিলে নন-এমপিও শিক্ষকরা

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শনিবার ঈদের নামাজ আদায় শেষে ভুখা মিছিল বের করেন নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। পরিবার-পরিজন ছেড়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। শনিবার ঈদের দিন সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ আদায় শেষে তারা ভুখা মিছিল বের করেন। নামাজ আদায় ও ভুখা মিছিল শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শিক্ষকরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসের বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন বক্তারা। পরে কর্মসূচি একদিনের জন্য মুলতবি করা হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ মাহমুদুন নবী বলেন, ২০০৬ সাল থেকে আমরা আন্দোলন করে আসছি। আজ পর্যন্ত এটি আমাদের ২৭তম পর্যায়ের আন্দোলন। গত ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাসে আমরা ঘরে ফিরে যাই। অথচ এবারের বাজেটে সেই আশ্বাসের প্রতিফলন হয়নি। পরিবার-পরিজন, স্ত্রী-সন্তানদের রেখে আমরা এখানে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের অভিভাবক, আপনি শিক্ষকদের সম্মান দিয়ে তাদের দাবি বাস্তবায়ন করুন। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিনয় ভূষণ রায় বলেন, শিক্ষকরা ঈদ উদযাপন করার অবস্থায় নেই। তাই ঈদের জন্য ভুখা মিছিলের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এমপিওভুক্তির দাবিতে নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার কর্মসূচি শুরু করেন। টানা ওই অবস্থান ও অনশনের একপর্যায়ে গত ৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার তৎকালীন একান্ত সচিব সাজ্জাদুল হাসান সেখানে গিয়ে আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষক-কর্মচারীরা আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন। এরপর সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে বলা হয়েছে, নতুন অর্থবছরে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। কিন্তু অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের যে বাজেট প্রস্তাব করেন, সেখানে তিনি নতুন এমপিওভুক্তির বিষয়ে সুস্পষ্ট কিছু বলেননি।  এবারের বাজেটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের জন্য ৫৩ হাজার ৫৪ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। একে//

২২৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ শৃঙ্খলা পরিষদের

শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং এর অধিভুক্ত সাতটি কলেজের ২২৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় এসব শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে একাধিক তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া অধিভুক্ত সাত কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থীকে শাস্তির সুপারিশ করা হয়েছে ‘পরীক্ষায় নকল’ করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে। উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করায় এবং পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় বিশালসংখ্যক শিক্ষার্থী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে শৃঙ্খলা পরিষদ।’ শৃঙ্খলা পরিষদের সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘সুপারিশকৃত শাস্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’  টিআর/ এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি