ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫৭:০৪

রাবিতে চাকরি মেলা বৃহস্পতিবার

রাবিতে চাকরি মেলা বৃহস্পতিবার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্যোগে ৫ম বারের মতো দু’দিনব্যাপী চাকরি মেলা শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ দু’দিন এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় মেলাটি উদ্বোধন করবেন রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনন্দ কুমার সাহা। মেলাটি শেখ রাসেল স্কয়ার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। দু’দিন ব্যাপী মেলায় মোট ২৬টি কোম্পানি অংশ গ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে চাকুরি প্রত্যাশিদের থেকে বায়োডাটা সংগ্রহ করা হবে। পরের দিন বায়োডাটা বাছাই শেষে যোগ্যতা সম্পন্ন জনশক্তি নিয়োগ দেবে কোম্পানিগুলো। এছাড়া দু’দিনে মোট ১১ টি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে বিভিন্ন দেশি বিদেশী রিসোর্স ব্যক্তিত্ব বক্তা হিসাবে থাকবেন। চাকুরি প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে ক্লাব থেকে। শুক্রবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক লাউঞ্জে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শাহিনুর আহমেদ শাকিল। এসময় ক্লাবের উপদেষ্টা মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক শাহ আজম শান্তনু, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আকাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুজ্জামান লিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এমএইচ/টিকে
ডিএসসিইতে মাস্টার্স ইন উদ্যোক্তা ইকোনমিক্স কোর্স চালু

উদ্যোক্তা সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরো বেগবান এবং কর্মোদ্যমকে জাগ্রত করার প্রয়াসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত প্রতিষ্ঠান ঢাকা স্কুল অব ইকনোমিকস (ডিএসসিই) দেশে প্রথমবারের মত উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ের ওপর স্নাতকোত্তর কোর্স মাস্টার্স ইন উদ্যোক্তা ইকোনমিক্স প্রোগ্রামস্ চালু করেছে। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বর্তমানে ডিএসসিইর গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। কোর্সের সমন্বয়ক ডিএসসিইর অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী জানান, দেশে প্রথমবারের মতো উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে। এ পাঠ্যক্রম এমনভাবে তৈরী করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব হ্রাসে সহায়তা করতে পারে। দেশে উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ে প্রশিক্ষিত জনবলের চাহিদা মেটাতে এই কোর্স বিশেষ সহায়ক হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, ড. মাহবুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন বিষয়ের ওপর দেশের একমাত্র পোস্ট ডক্টরেট ডিগ্রীধারী। এসি/

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে ডিজিটাল পদ্ধতি

আগামীতে এসএসসিসহ পাবলিক পরীক্ষায় ছাপানো প্রশ্নপত্রে আর পরীক্ষা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য সব শিক্ষা বোর্ডের জন্য কেন্দ্রীয় `প্রশ্নব্যাংক` তৈরি করা হবে। এই প্রশ্নব্যাংক থেকে পরীক্ষার দিন সকালে কেন্দ্রীয়ভাবে কমান্ড দিলে ডিভাইসে ভেসে উঠবে প্রশ্নপত্র। এ বিষয়ে সংশ্নিষ্ট সকলের মতামত নিতে খুব শিগগিরই একটি সেমিনারের আয়োজন করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। পরীক্ষার জন্য নতুন দুটি ডিভাইসের কথা ভাবা হচ্ছে। এগুলোর একটি হলো পরীক্ষার হলে ট্যাবের মতো ছোট একটি ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবহার। এবং অন্যটি পরীক্ষার্থীরা ব্যবহার করবে। এ পদ্ধতিতে ডিজিটাল `প্রশ্নব্যাংকে`র মাধ্যমে অটোমেটিক (স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাৎক্ষণিক) প্রশ্নপত্র তৈরি হবে। পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রশ্নের `কোড` জানিয়ে দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ আসনে বসলে তাদের একটি করে ডিজিটাল ডিভাইস দেওয়া হবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে দ্বিতীয় বিকল্প পদ্ধতিতে বিজি প্রেসে ছাপানো প্রশ্নপত্র সেখানেই `রিমোট আনলক স্মার্টবক্স` নামক যন্ত্রে ভরা হবে। এই ডিভাইস আনলক করার ক্ষমতাও থাকবে নিয়ন্ত্রিত। এই বক্স খুলতেও ব্যবহার করা হবে বিশেষ পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড। এ ছাড়া এই বক্সে থাকবে বিশেষ অ্যালার্ম সিস্টেম। কেউ প্রশ্নপত্রের বাক্স খোলার চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সিগন্যাল যাবে। পরীক্ষা পদ্ধতি বদলানোর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার খবর প্রকাশিত হওয়ায় দশম শ্রেণিপড়ূয়া পরীক্ষার্থীর মধ্যে নানা শঙ্কা কাজ করেছে। কারণ এই পরীক্ষার্থীরা আগামী বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থী। রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম বলেন, নতুন করে কোনো পদ্ধতি চালু করার আগে ভালোভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নেওয়া দরকার। তা না হলে ভবিষ্যতে নানা জটিলতা এড়ানো যাবে না। শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন জানান, এ পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ছাড়াই প্রশ্নপত্র পাঠানো সম্ভব হবে। প্রতিটি যন্ত্রের (ডিভাইস) মূল্য পড়বে আনুমানিক দেড়শ` ডলার (প্রায় ১২ হাজার টাকা) করে। তিনি জানান, তারা হিসাব করে দেখেছেন, এতে সরকারের প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লাগবে। তারা পুরো বিষয়টি ভালো করে ভেবেচিন্তে দেখছেন। বিনা ইন্টারনেটেও এ যন্ত্রে প্রশ্ন পাঠানো যাবে বলে এটিকে মোটামুটি উপযোগী পদ্ধতি মনে করছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারকরা। কারণ, এতে হ্যাকারদের হাতে পড়ারও ভয় থাকবে না। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, প্রশ্নব্যাংকে শিক্ষকরা সারাবছরই প্রশ্ন পাঠাতে পারবেন। জমা থাকা হাজার হাজার প্রশ্ন থেকে পরীক্ষার দিন তা থেকে নির্ধারিত ১০টি প্রশ্ন যন্ত্রের সাহায্যে বাছাই করে চূড়ান্ত করা হবে। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সাল থেকে যশোর শিক্ষা বোর্ডে প্রশ্নব্যাংক পদ্ধতির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর অভিজ্ঞতা বেশ ভালো বলে মনে করছেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় নতুন এই পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা থেকে পদ্ধতিটি চালু হবে। তবে এর আগে সেমিনারের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হবে। একে// এমজে  

চবি ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সম্প্রতি ছাত্রলীগ নেতাদের তাণ্ডবে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। টেন্ডারবাজিসহ দলের আধিপত্যকে বিস্তার করে গত কয়েকদিন ধরেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনটি। তবে এর দায়ভার নিচ্ছে না কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের নেতারা। জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের অন্যতম প্রধান কারণ টেন্ডারবাজি। বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নয়ন মূলক যত কাজ হয়েছে, তার সব কটিতেই টিকাদারির ভাগ বসিয়েছেন দলের সিনিয়র নেতারা। শুধু তাই নয়, ছাত্রলীগের বর্তমান নেতাদের ব্যবহার করে চবি ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন সাবেক নেতা এসব টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, ছাত্রদলের সাবেক নেতারাও টেন্ডার পেতে দৌড়ঝাপ করেছেন অতীতে। এরইমধ্যে খোদ ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের মধ্যেই বেশ কয়েকটি গ্রুপ টেন্ডারবাজির সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে। তাই এসব নেতার নির্দেশেই চবি ছাত্রলীগের বড় একটি অংশ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এত ব্যহত হচ্ছে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। বারবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ থেকে নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও, থামানো যাচ্ছে না চবি ছাত্রলীগকে। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই চবি ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। কমিটি বিলুপ্ত হলেও চবি ছাত্রলীগের নেতারা চলছেন চবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের নির্দেশে। বিশেষ করে টেন্ডারের ভাগ পাওয়ার আশায় বর্তমান ছাত্রলীগ লাইনচ্যূত হচ্ছেন বলে মনে করছেন দলটির বেশ কয়েকজন নেতা। আর টেন্ডার পেতে সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি মাথায় রাখেন তারা, তা হলো আধিপত্য। যে গ্রুপ যত শক্তিশালী, সে গ্রুপ টেন্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে তত অগ্রগামী। এই মন্ত্রই বারবার চবি ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধিয়েছে বেশিরভাগ। এরই অংশ হিসেবে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ। একটি পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন চবি ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি আলমগীর টিপু। অন্যটির নেতৃত্বে রয়েছেন ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন। সংঘর্ষে পুলিশসহ বেশ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আহত হন। এরপরই রাতে হলে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ বেশ কয়েকজন ছাত্রকে আটক করে। উদ্ধার করে দুটি কাটা রাইফেলসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র। ঘটনার পরের দিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অচল করে দেয় ছাত্রলীগের একটি অংশ। পরদিন ২০ ফেব্রুয়ারি চবি শাটল ট্রেনের হুইস পাইপ কেটে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয় তারা। শুধু তাই নয়, প্রক্টরের কার্যালয়সহ ৬টি শেণিকক্ষ এবং শিক্ষকবাসসহ ১৫টি যানবাহন ভাঙচুর করেন ছাত্রলীগ নেতারা। এসময় তারা প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন।ওই অংশটির নেতৃত্বে আছেন আলমগীর টিপু। জানা গেছে, আবাসিক হলের সম্প্রসারণের জন্য ২০ কোটি টাকার টেন্ডারকে সামনে রেখে সংঘর্ষে জড়ায় দুটি পক্ষ। এদিকে টেন্ডার পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে চবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেদ চৌধুরী। আর আলমগীর টিপুর নেতৃত্বাধীন গ্রুপটি বর্তমানে খালেদ চৌধুরীর হয়ে টেন্ডারবাজিতে অংশ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। বিপরীতে ফজলে সুজনের গ্রুপও আরেক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার হয়ে টেন্ডার পেতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদিকে জীববিজ্ঞান অনুষদের তৃতীয় পর্যায়ের সম্প্রসারণের কাজ না পাওয়ায় খালেদ চৌধুরীর অনুসারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর ফজলের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এসময় তাঁর কক্ষ ভাঙচুর করা হয়। তছনছ করা হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৯ অক্টোবর ৯৫ কোটি টাকার টেন্ডারকে কেন্দ্র করে খুন হন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও চবি ছাত্রলীদের সাবেক নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরী। ওই মামলায় আলমগীর টিপুসহ তার বেশ কয়েকজন অনুসারীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা চলছে আদালতে। এ ছাড়া ওই মামলায় চবির এক সহকারি প্রক্টরকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে এম এ খালেদ চৌধুরী জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ আর বিশৃঙ্খলার ঘটনায় যারা জড়িত, বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা। চবি ছাত্রলীগকে ব্যবহার করছেন তিনি এমন অভিযোগও অস্বীকার করেন চবি ছাত্রলীগের সাবেক এই নেতা। এমজে/  

উচ্চতর গণিতের প্রশ্নপত্রও হোয়াটসঅ্যাপে !

এবার উচ্চতর গণিতের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে উচ্চতর গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা। উচ্চতর গণিতের বহুনির্বচনি পরীক্ষার খ সেট প্রশ্নপত্রসহ উত্তরপত্র হোয়াটসঅ্যাপে আসে সকাল ৯টা ৪ মিনিটে। অন্যদিকে বিজ্ঞানের প্রশ্নপত্র আসে হোয়াটসঅ্যাপে ১০টায়। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নের সঙ্গে ফাঁস হওয়া সেটের হুবহু মিল পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ঢাকা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহেদুল খবির চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রশাসন এখন সজাগ। তারা এই চক্রকে ধরার চেষ্টা করছে। এ পর্যন্ত অনেককে ধরেছেও।’ উল্লেখ্য, চলতি এসএসসি পরীক্ষায় এ নিয়ে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১২ বিষয়ের সবকটি বিষয়ের প্রশ্নই ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া গেলো। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ, পরীক্ষার্থীদের আধা ঘণ্টা আগে পরীক্ষাকক্ষে বসা এবং কেন্দ্রের ভেতর মোবাইল ফোন না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল সরকার। কিন্তু কোনও পদক্ষেপই কাজে আসেনি। পরীক্ষার দিন ইন্টারনেট সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধের চেষ্টা করেও প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো সম্ভব হয়নি। একে// এআর  

শিক্ষা প্রশাসনের ৩০ কর্মকর্তা বদলি

শিক্ষা অধিদফতর ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ বিভিন্ন কার্যালয়ের ৩০ জন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সিনিয়র সহকারী সচিব ফাতেমা তুল জান্নাতের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে আছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ উপপরিদর্শক মন্মথ রঞ্জন বাড়ৈ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ড. মো. আশফাকুস সালেহীন, বিদ্যালয় পরিদর্শক এটিএম মঈনুল হোসেন, মাউশির পরিচালক ড. মো. সেলিম। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) এসব কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ বেতন ও বেতনক্রমে পাশে বর্ণিত পদ ও কর্মস্থলে বদলি করা হলো। অপর এক আদেশে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) খুলনা অঞ্চলের পরিচালকের দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক টিএম জাকির হোসেনকে বদলি করে নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজে পাঠানো হয়েছে। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের রাজবাড়ী, নারায়ণগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, যশোর, কিশোরগঞ্জ, সিলেট, জয়পুরহাট, ফেনী, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, শরীয়তপুর, ভোলা, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, বগুড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বরিশাল, পটুয়াখালী, ফরিদপুরের বিভিন্ন কলেজে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির দুই কর্মকর্তাকে দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার ও ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠার পর মন্ত্রণালয়, মাউশি ও শিক্ষা বোর্ডে বদলি আতঙ্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, বদলি হওয়া শিক্ষা ক্যাডারের এসব কর্মকর্তারা সরকারি কলেজে ক্লাসে পড়াতে আগ্রহী নন। তারা প্রশাসনিক পদে থেকে অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব পদ আঁকড়ে ধরে আছেন। চাকরিবিধি অনুযায়ী এক পদে তিন বছরের বেশি থাকার বিধান না থাকলেও এসব কর্মকর্তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঁচ থেকে ১২ বছর ধরে কর্মরত রয়েছেন। একই পদে বহাল থাকার জন্য পদোন্নতি পর্যন্ত নেননি অনেক কর্মকর্তা। আরকে// এআর

যেসব কারণে প্রশ্ন ফাঁস

প্রশ্নফাঁস নিয়ে করণীয় নির্ধারণে তিনজন মন্ত্রী এবং ছয়জন সচিবের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে ছয়টি কারণ চিহ্নিত হয়েছে বলে বৈঠকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। আজ মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে লিখিত পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করতে হলে এর উৎস এবং পরীক্ষা গ্রহণ পদ্ধতির ত্রুটিসমূহ চিহ্নিত করা প্রয়োজন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের কয়েকটি বড় ক্ষেত্র রয়েছে। সেগুলো হলো- প্রথমত : বিজি প্রেসে প্রশ্ন কম্পোজ, এডিট, প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং পর্যায়ে প্রায় ২৫০ জনের মতো কর্মী প্রশ্ন দেখতে পারে। তারা প্রশ্ন কপি করতে না পারলেও স্মৃতিতে ধারণ করা অসম্ভব ব্যাপার নয়। ৩-৪ জনের একটি গ্রুপের পক্ষে এভাবে প্রশ্ন ফাঁস করা সম্ভব হতে পারে। দ্বিতীয়ত : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে ট্রেজারি/ নিরাপত্তা হেফাজত হতে প্রশ্ন গ্রহণ করে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, অনেক কেন্দ্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যথাযথভাবে দায়িত্বপালন করছেন না মর্মে অভিযোগ রয়েছে। তৃতীয়ত : অতিরিক্ত কেন্দ্র অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার ব্যবস্থাপনা করার মতো পর্যাপ্ত জনবল নেই; তাছাড়া ভেন্যুগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মূল কেন্দ্র হতে দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত। ফলে ৩০ মিনিট সময়ের অধিক পূর্বে কেন্দ্র সচিবরা প্রশ্ন খুলতে বাধ্য হচ্ছেন। চতুর্থত : পরীক্ষার্থী কিংবা পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের স্মার্টফোন নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। গুটিকয়েক শিক্ষক/ কর্মচারীর কারণে গোটা প্রশ্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে পড়ছে। পঞ্চমত : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসকারীদের চিহ্নিত করতে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে। এটা পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্ব হতে করা সম্ভব হলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। গোয়েন্দা সংস্থার লোকবল ও অবকাঠামোগত ও প্রযুক্তিগত স্বল্পতার কারণেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নজরদারি করা সম্ভব হচ্ছে না মর্মে প্রতীয়মান হয়। দুষ্কৃতকারীদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতার ও শাস্তি প্রদান করতে না পারায় অন্যরাও অপরাধ করতে ভয় পাচ্ছে না। ষষ্ঠতম : বিটিআরসি কর্তৃক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন আপলোডকারীদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না এবং সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। যৌথসভার বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোজাম্মেল হক খান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরীও অংশ নেন। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, বিটিআরসির চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরকে/টিকে

ছাত্রলীগের সংঘর্ষের জেরে দুর্ভোগে চবি শিক্ষার্থীরা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পর হলে তল্লাশি চালিয়ে কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনায় শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ছাত্রলীগের একটি পক্ষ। শুধু তাই নয়, কোন শিক্ষক বাসকেও ক্যাম্পাসে আসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠেছে। তবে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও নির্ধারিত সময়ে ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। ষোলশহর স্টেশনের মাস্টার মো. শাহাবউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার সকালে বটতলী স্টেশন (পুরাতন চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী কোনো ট্রেন ছেড়ে আসতে পারেনি। শহর থেকে ছেড়ে আসা তিনটি ট্রেনের একটিও এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদল্যালয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যায়নি। ট্রেনের হুইস পাপ কেটে দেওয়াসহ বাস চালকদের কাছ থেকে চাবি কেড়ে নেওয়ার ঘটনায় ইতোমধ্যে বেশ সমালোচিত আন্দোলনকারীরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চলছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী। জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ জালাল ও শাহ আমনত হলে অবস্থান নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের কর্মীরা সংঘর্ষে জড়ায়। এতে অন্তত ছয় ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। ছাত্রলীগের ওই দুই পক্ষের মধ্যে একটি গ্র্রুপ প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সিটি মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। অন্য পক্ষটি নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এদিকে সংঘর্ষের পরই রাতে শাহজালাল ও শাহ আমানত হলে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় কয়েকজনকে আটক করা হয়। প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তায় চালানো ওই অভিযানে শাহজালাল হলের পেছনে পাহাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া দুই হলে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র পাওয়া গেছে। এমজে/    

প্রাথমিক সমাপনীতে শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্ন

এখন থেকে শতভাগ সৃজনশীল প্রশ্নে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ব্যাপারে ২০১৮ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কাঠামো ও নম্বর বিভাজন জাতীয় কর্মশালায় চূড়ান্ত করা হয়েছে। সোমবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতি বিষয়ে শতভাগ যোগ্যতাভিত্তিক প্রশ্ন হবে। প্রসঙ্গত, সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ফলে পাবলিক পরীক্ষায় নকলের প্রবণতা কমাছে বলে দাবি করে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের চিন্তা করে উত্তর লেখার দক্ষতাও বাড়ছে বলে দাবি শিক্ষামন্ত্রীর। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে শুরু হওয়া প্রাথমিক সমাপনীতে ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো ১০ শতাংশ সৃজনশীল প্রশ্ন সংযোজন করা হয়েছিল। পরে ২০১৩ সালে ২৫ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৩৫ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৫০ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে প্রতি বিষয়ে ৬৫ শতাংশ  সৃজনশীল প্রশ্নে সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া হয়। আর ২০১৭ সালে ৮০ শতাংশ সৃজনশীর প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বাকি প্রশ্ন ছিল ট্রাডিশনাল। একে// এআর

এবার জীববিজ্ঞানের প্রশ্নও ফাঁস

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের গত সবগুলো পরীক্ষার প্রশ্নপত্রই ফাঁস হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার অনুষ্ঠিত জীববিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নের সঙ্গে মিলিয়ে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে। রুটিন অনুযায়ী আজ ‘জীববিজ্ঞান ও অর্থনীতি’র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জীববিজ্ঞানের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার উত্তরপত্রসহ প্রশ্নপত্র হোয়াটসঅ্যাপে সোমবার সকাল ৮টা ৫৭ মিনিটে পাওয়া গেছে। এর কিছুক্ষণ পর সকাল সোয়া ৯ টায় বোর্ডের দেওয়া অতিরিক্ত খাতায় লেখা এমসিকিউ’র সমাধান লেখাসহ ফাঁস হয় প্রশ্নপত্র। সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে ‘Biology’ নামের একটি গ্রুপে আসে জীববিজ্ঞানের ‘ক সেট’ সৃজনশীল প্রশ্নপত্র। উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এবারের এসএসসি ও সমমানের সবকটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। এসব ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষা শেষে হাতে পাওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া গেছে। নানা রকম ব্যবস্থা নেওয়ার পরও প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে গত বৃহস্পতিবার শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘বিদ্যমান পদ্ধতিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকানো সম্ভব নয়। তাই পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন নিয়ে ভাবছে সরকার।’ প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণও পেয়েছে তদন্ত কমিটি। একে// এআর  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি