ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৫০:০০

পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক ভল্লুকের মৃত্যু

পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক ভল্লুকের মৃত্যু

বাধ্যক্য জনিত কারণে বিশ্বের একমাত্র পোলার ভল্লুকের মৃত্যু হয়েছে। সিঙ্গাপুরের একটি চিড়িয়াখানায় ভল্লুকটির মৃত্যু হয়। এর মৃত্যুতে পশুপ্রেমীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। এর নাম ছিল ইনোকা। সিঙ্গাপুর জো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমরা অনেক চেষ্টা করেছি পোলার ভল্লুকটিকে বাঁচানোর জন্য। তবে মানুষের স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে ভল্লুকটিকে না বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নিই। এই চিড়িয়াখানাতেই ভল্লুকটির জন্ম হয়েছিল। এদিকে পোলার ভল্লুকটির জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। সম্প্রতি ইনোকার শারীরিক পরীক্ষা করে দেখা গেছে, সে শ্বাসকষ্ট, দাঁতের সমস্যায় ভোগছে। পাশাপাশি প্রাণীটির কানে ইনফেকশান হয়েছে বলেও জানান চিকিৎসকরা। সিঙ্গাপুরের পশু সংরক্ষণ বিভাগের উপ-প্রধান নির্বাহী চেং ওয়েন হাউর বলেন, আমরা এটাকে দীর্ঘদিন ধরে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেছি। তবে সবার কল্যাণের কথা মাথায় রেখেই তাকে আর না বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইনোকাও বেশ কিছু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাই যতদিন সে বেঁচে থাকতো ততোদিন দুঃখ নিয়েই বাঁচতো। সিঙ্গাপুরে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে। তাই প্রাণীটির জন্য টিকে থাকা বিজজ্জনক হয়ে পড়েছে। ইনোকো ১৯৯০ সালে ২৬ নভেম্বর জন্ম নেয়। তাকে এতদিন একটি নিয়ন্ত্রিত তাপকক্ষে রাখা হয়েছিল।
‘ইনোসেন্ট’ শিশুটি যেখানে যায় সেখানেই আগুন লাগে!

পেইন্টিংটি দেখলে মনে হবে যে শিশুটিকে কেন্দ্র করে এটি আঁকা হয়েছে সে পৃথিবীর সবচেয়ে ‘ইনোসেন্ট’ বা নির্দোষ। রাজ্যের বিষণ্ণতা ও অবলীলায় তাকিয়ে থাকা ছেলেটিকে দেখলে যে কারো মায়া জন্মাবে। কিন্তু প্রকৃতির কী নির্মম পরিহাস! এ শিশুটিই নাকি মনে করা হয় অভিশপ্ত, পিশাচ। সে যেখানে যায় সেখানেই আগুন লাগে। তার চেয়ে অভাগা কে আছে? চোখের সামনে আগুনে মাকে ভস্মিভূত হতে দেখেছে। এরপর কান্নাই যেন তার নিত্য সঙ্গী। ১৯৮৮ সালের ঘটনা। ঘটনাস্থল ইংল্যান্ডের হ্যাসোয়েল। সেখানে এমোস পরিবারের বাড়িতে হঠাৎ এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। রহস্যময় ওই অগ্নিকাণ্ডে বাড়িটি প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় সাজানো-গোছানো বাড়িটি। ফায়ার ব্রিগেডের সদস্য ও উদ্ধারকর্মীরা যখন আগুনে ছাই হয়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন তখন তারা একটি ফ্রেমে বাঁধানো পোট্রেটের সন্ধান পান। এই পোট্রেটটি ছিল কান্নারত একটি বালকের। বালকটি ছিল খুব সুন্দর, যার চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছিল। স্বভাবতই শিশুটির চেহারা ছিল বিষণ্ণ। সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হল আগুনের দোর্দণ্ড আগ্রাসনে বাড়ির সবকিছু যেখানে পুড়ে ছাই, সেখানে পোট্রেটটি ছিল অক্ষত। এতে উদ্ধারকর্মীরা ভড়কে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেবারের ঘটনা ওই অবাক হয়ে যাওয়া পর্যন্তই। কে জানত এর সঙ্গে জড়িত আরও অনেক রহস্য তখনও ছিল বাকি! এরপর আরও একবার বিস্ময়ের জন্ম দেয় পোট্রেটটি। এবারের ঘটনা ব্র্যাডফোর্ড শহরের। এবারও অগ্নিকাণ্ড। পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে আবারও এক কান্নারত ছেলের ছবি পাওয়া গেল। এবারও ছবিটি ছিল ধ্বংসস্তূপের মাঝখানে একেবারেই অক্ষত। ঘটনাটি ফলাও করে ছাপা হয় স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে। সংবাদপত্রগুলো এ বিষয়ে মন্তব্য জানার জন্য জেঁকে ধরে ইয়োর্কশায়ারের তৎকালীন ফায়ার ব্রিগেড প্রধানকে। প্রথমে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানালেও পরবর্তী সময়ে তিনি একটি বিবৃতি দেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, পরপর বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে একই ছবি অক্ষত পেয়েছেন দমকল কর্মীরা। এই স্বীকারোক্তির পর সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল ছবিটি অশুভ কিনা। এটি ভূত কিংবা প্রেতাত্মা কি না? এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। ১৯৯৮ সালে ডাবলিনে এক বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড হয়। আর সেখানেও এই একই ছবি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সমস্যা হল, এই অভিশপ্ত ছবির ছেলেটির পরিচয় বা ছবিটি কে এঁকেছিলেন, সে ব্যাপারে কিছুই জানা যাচ্ছিল না। ডাবলিনের ঘটনার তিন বছর আগে ১৯৯৫ সালে ডেভন শহরের একজন স্কুলশিক্ষক, যিনি একইসঙ্গে প্রখ্যাত একজন গবেষক জর্জ ম্যালোরি দাবি করেন, তিনি অবশেষে ছবিটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তিনি জানান, একজন বৃদ্ধ স্প্যানিশ পোস্টকার্ড শিল্পী ফ্র্যাঙ্কট সেভিল এই ছবিটি এঁকেছিলেন। তিনি মাদ্রিদে থাকতেন। ১৯৬৯ সালে ওই শিল্পী মাদ্রিদের রাস্তায় ছবির ছোট ছেলেটিকে ঘুরে বেড়াতে দেখতে পান। ছেলেটি কখনই কথা বলত না। তার চোখে থাকত রাজ্যের বিষণ্ণতা। সেভিল এ ছেলেটির ছবি আঁকেন। এক পাদ্রী ছেলেটিকে চিনতে পারেন। তিনি বলেন, ছেলেটির নাম ডন বনিলো, যে নিজের চোখে তার বাবা-মাকে পুড়ে ছাই হতে দেখেছিল। পাদ্রী আরও বলেন, ছেলেটিকে এক জায়গায় বেশি দিন যেন থাকতে দেওয়া না হয়। কারণ যেখানেই সে কিছুদিন অবস্থান করে সেখানে রহস্যজনকভাবে আগুন লেগে যায়। এজন্য গ্রামবাসী ছেলেটিকে পিশাচ নামে সম্বোধন করত। ছেলেটির পরিচয় সম্পর্কে ধারণা করা গেলেও ইউরোপজুড়ে অগ্নিকাণ্ড আর তার সঙ্গে অশুভ এই ছবি উদ্ধারের কোনো ব্যাখ্যা এখনও মেলেনি। সূত্র : ডেইলি মেইল /এআর /

ভাইকিংকরা দ্বীপের রহস্যময় গুহা

স্কটল্যান্ডের অদূরে উত্তাল সমুদ্রের নীল পানির বুকে দাঁড়িয়ে থাকা তেমনি ভাইকিংকরা দ্বীপটি। বিস্ময়কর সেই দ্বীপে অবশ্য কেউ বাস করে না। হাজার বছর ধরে নাবিকেরা রহস্যময় এই দ্বীপটিকে দেখে আসছে। একই সঙ্গে ভর করেছে আতঙ্ক।দ্বীপটির রহস্যময়তার কারণে লুকিয়ে থাকা কিংবা ধনরত্ম গোপনে রাখার জন্য সেটি উত্তম হলেও উত্তর ইউরোপের জলদস্যুরা সেটির কাছেও জায়নি। বরং সব সময় দ্বীপটিকে এড়িয়ে চলেছে। স্কটল্যান্ডের অধীনে উত্তরাঞ্চলীয় সমুদ্রের মাঝে স্টাফা দ্বীপপুঞ্জে ‘ফিংগাল’স কেভ’র অবস্থান। প্রকৃতির আশ্চর্য খেয়ালের কারণে ‘ফিংগাল’স কেভ’-এর ভেতরে তৈরি হয়েছে অসংখ্য খিলান। ভূতত্ত্ববিদদের মতে, আজ থেকে প্রায় ছয় কোটি বছর আগে লাভা থেকে এই গুহার সৃষ্টি। এর গলিত পাথর খড়িমাটির ওপর দিয়ে যাওয়ায় গুহাটি এই বিশেষ আকৃতি পায়। আয়ারল্যান্ডের ‘জায়ান্ট’স কজওয়ে’ নামের অপর স্থানের সঙ্গেও এর আশ্চর্য রকমের মিল। যদিও ভূতত্ত্ববিদদের মতে, এদের মধ্যে মিল নাকি আপতিক নয়। তবে তাদের ধারণা, এই দুই প্রাকৃতিক বিস্ময়ের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। তারা মনে করেন, একই লাভাস্রোত থেকে এই দুই গুহার সৃষ্টি হয়। এমনকি দুটি গুহার সঙ্গে সংযোগ ছিল বলেও উপকথা রয়েছে। পরে নাকি সেই সেতু ধ্বংস হয়ে যায়। এসএইচ/

২০০ বছর পরে সব থেকে বড় প্রাণী হবে গরু!

আগামী ২০০ বছরের মধ্যে সব থেকে বড় প্রাণী হিসেবে থাকবে কেবল গরু। বর্তমানে যেসব পশু বিলুপ্তির পথে এগোচ্ছে এবং যাদের বেশি মাত্রায় হত্যা করা হচ্ছে, সেই ধারা যদি আগামী দিনে বজায় থাকে, তাহলে নাকি গরুর সংখ্যাই সব থেকে বেশি হবে বলে জানা যাচ্ছে। নিউ মেক্সিকো ইউনিভার্সিটিতে এক সমীক্ষায় এই রিপোর্ট উঠে এসেছে। অন্তত এক লাখ ২৫ হাজার বছরের ইতিহাস খতিয়ে দেখা হয়েছে। একটি সায়েন্স জার্নালে সেই সমীক্ষা বা গবেষণার তত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা বিভিন্ন প্রমাণসহ দেখিয়েছেন, কিভাবে স্তন্যপায়ী প্রাণীরা ক্রমেই অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তারা সতর্ক করে বলেছেন, ২০০ বছরে প্রচুর পরিমাণ হাতী, জিরাফ, হিপ্পোর মৃত্যু হবে। লক্ষাধিক বছর আগে আফ্রিকার মানুষের চেহারা ছিল অনেক বড়। অন্যান্য দেশে তুলনামূলকভাবে অনেক ছোট ছিল মানুষের চেহারা। আর এই প্রজাতিই সবার আগে হারিয়ে গিয়েছে। তাই বড় আকারের স্তন্যপায়ী প্রাণীদের আগে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। বর্তমানে হাতীই সব থেকে বড় আকারের প্রাণী। আর সেটা অবলুপ্ত হয়ে গেলে থাকবে গরু। বর্তমানে শুধু মাংস নয়, অন্যান্য কারণেও বড় আকারের প্রাণী শিকার করে চলেছে মানুষ। কিছুদিন আগেই আফ্রিকার নর্দার্ন হোয়াইট প্রজাতির শেষ পুরুষ গণ্ডারটি মারা গেছে। জিরাফও রয়েছে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর তালিকায়। ফেলিসা স্মিথ বলেন, বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীগুলো আগামী ২০০ বা ৩০০ বছরের মাঝে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে। ফলে গরুর চাইতে বড় কোনও প্রাণীই আর থাকবে না পৃথিবীতে। তথ্যসূত্র: কলকাতা ২৪ঘণ্টা। এসএইচ/

যে হোটেল গ্রীষ্মে পানিতে ভাসবে শীতে বরফে জমবে 

সুইডেনে তৈরি করা হচ্ছে এমন একটি হোটেল ও স্পা, যা গ্রীষ্মকালে পানিতে ভেসে থাকবে। আর শীতে বরফে জমে যাবে। হোটেলটির অপরূপ সৌন্দর্যের দিক দিয়ে এককথায় অপূর্ব।     ‘দ্য আর্কটিক বাথ’ নামের এ হোটেলটির অবস্থান স্ক্যান্ডিনেভিয়ার উত্তরাঞ্চলে লিউলে নদীর ওপরে। হোটেলটির অবস্থান সুমেরুর প্রভা বা নর্দার্ন লাইট উপভোগের জন্য খুবই চমকপ্রদ। হোটেলটির বৃত্তাকার গঠন প্রকৃতি এর ভেতরের পরিবেশ ও অতিথিদের সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করবে। এ এমন এক স্বর্গ যেখানে অতিথিরা আয়েশ করে স্থানীয় শীতল পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। হোটেলটিতে থাকছে ছয়টি বিলাসবহুল কক্ষ। প্রতিটি কক্ষ থেকে উপভোগ করা যাবে শীত-গ্রীষ্মের সৌন্দর্য। হোটেলটি নদীর তীরের সঙ্গে মজবুত করে বেঁধে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। স্রোতের সঙ্গে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা নেই। আর্কটিক বাথের খোলা ছাদে রয়েছে সূর্যস্নান, বরফ স্নান এবং নর্দার্ন লাইট ও তারা ভরা আকাশ উপভোগের ব্যবস্থা। এখানে বরফ স্নানের ব্যবস্থাটি অবশ্য দুর্বলচিত্তের মানুষের জন্য নয়।  ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রার এই বরফশীতল পানি সবার উপভোগ না করাই ভালো। এটি বাদ দিলেও তেমন সমস্যা নেই, উপভোগ করার জন্য সূর্যস্নান এবং উষ্ণ স্পার ব্যবস্থা তো থাকছেই। অনেককেই দেখা যায় হিমশীতল পানিতে গোসল করে চলে যান গরম গরম এক গোসল সারতে- এমন ব্যবস্থাও রয়েছে। শীতের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য দ্য আর্কটিক বাথ সত্যিই একটি অদ্বিতীয় জায়গা। এর নির্মাণের পেছনের কলাকুশলীরা যথাসম্ভব সম্পূর্ণতা দিচ্ছেন এই হোটেলের সব সেবার ক্ষেত্রেই। নির্মাণ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত জোহান কাউপ্পি বলেন, জীবনে নতুন কিছু উপভোগের চমৎকার জায়গা হবে এটি। এর চারপাশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নকল করার কোনো দরকার নেই।  হোটেলটির নকশাকার বার্তিল হার্সট্রম বলেন, সুইডেনের প্রাচীন লগ-শিপিং ঐতিহ্য থেকে এর ধারণা নেয়া হয়েছে। ২০ শতকের দিকে জলপথে সুইডেনের বিভিন্ন জায়গায় গাছের গুঁড়ি পরিবহন করা হতো। তিনি আরও বলেন, ‘শৈশবের স্মৃতি মনে করে হোটেলটির নকশা তৈরি করা হয়েছে। ফেলে আসা যুগের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে এটি।’ হোটেলটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণভাবে শেষ না হওয়ায় এটি এখনও উন্মুক্ত করা হয়নি। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হবে এটির কার্যক্রম। হোটেলটি চালু হলে কেউ চাইলে ছয় মাস আগে থেকেই রুমের জন্য অগ্রিম বুকিং দিতে পারবেন। অবকাশকালীন সময়ে যে কেউ ঘুরে আসতে পারেন এই দৃষ্টিনন্দন হোটেলটি। কেআই/এসি        

সুপ্ত আগ্নেয়গিরি জেগে উঠল ২৫০ বছর পর

জাপানের কিরিশিমা পর্বতে অবস্থিত একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি জেগে উঠল ২৫০ বছর পর। দেশটির মেটেরিওলজিক্যাল এজেন্সির মতে, ১৭৬৮ সালের পর আগ্নেয়গিরি জেগে উঠার এটাই প্রথম ঘটনা৷ আগ্নেগিরি জেগে উঠার পরই সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে চতুর্দিক৷ এই ঘটনায় বিশ্ময় প্রকাশ করেছেন খোদ বিজ্ঞানীরা৷ ভৌগোলিক দিক থেকে যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে জাপান৷ একে প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ার বলে মনে করা হয়৷ এই দেশে বর্তমানে ১১০টিরও বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে৷ আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আশপাশের এলাকাসহ জায়গাটিকে `নো এন্ট্রি` জোন ঘোষণা করেছে দেশটির প্রশাসন। প্রসঙ্গত, গত মার্চে এই ধরণের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি জেগে উঠেছিল। সেটি জেগে উঠে প্রায় সাত বছর পরে৷ কিন্তু ২৫০ বছর পর আগ্নেয়গিরির জেগে উঠার বিষয়টি বিস্ময়-জাগানিয়া। সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক পোষ্ট / এআর /

আত্মহত্যার পথকে সহজ করবে ‘সারকো’

অভিমান কিংবা হতাশা থেকে কেউ কেউ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। আবার এমন মানুষও আছেন যারাদীর্ঘ যন্ত্রণাময় অসুস্থতার কবল থেকে রক্ষা পেতে স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে বেছে নিতে চান। নিজের ইচ্ছায় মৃত্যু কামনা করা এসব ব্যক্তির জন্য সহজ সমাধানে আসছে ‘সারকো’ নামে এক বিশেষ যন্ত্র। অস্ট্রেলিয়ার স্বেচ্ছামৃত্যু বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘এক্সিট ইন্টারন্যাশনাল’ এই বিশেষ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেছে। মূলত মৃত্যুর পথ বেদনাহীন করাই এ মেশিনের কাজ। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই মেশিনের সাহায্যে মৃত্যুপথযাত্রী মানুষ চোখের পলক ফেলার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ফিলিপ নিৎস্ক জানান, আত্মহত্যা লুকিয়ে করার ব্যাপার নয়। তার দাবি, আত্মহত্যায় জন্য বাজারে প্রচুর বিষ ও প্রাণঘাতী ওষুধ পাওয়া গেলেও ‘সারকো’ ব্যতিক্রম। যন্ত্রটি আত্মহত্যার পথকে সহজ করে দেয়। প্রাথমিকভাবে মেশিনটির থ্রিডি নকশা তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের শেষ দিকে নেদারল্যান্ডস’এ ‘সারকো’র কাজ সম্পূর্ণ হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বেচ্ছায় মৃত্যুতে আগ্রহী ব্যক্তিদেরকে ওই মেশিনে শুইয়ে দেওয়া হবে। এরপর মেশিনের বিশেষ চেম্বারে রাখা নাইট্রোজেন ভর্তি ক্যাপসুল প্রয়োগ করে তার জীবন কেড়ে নেওয়া হবে। নেদারল্যান্ডস’এ মেশিন তৈরির কাজ শেষ হলে তা পরীক্ষার জন্য সুইজারল্যান্ডে পাঠানো হবে। কারণ দেশটিতে আত্মহত্যা আইনত বৈধ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট   আর

আজও যেখানে চিঠি নিয়ে উড়ে যায় পায়রা

প্রযুক্তি যখন আকাশ ছুঁয়েছে৷ তখন ঐতিহ্যকে আমরা প্রায় ভুলতে বসেছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দৌঁডানোর গতিও বাড়ছে৷ পথে হেঁটে চিঠি লেখার রেওয়াজ কমেছে৷ বদলে গেছে চিঠি পাঠানোর পদ্ধতিও৷ কিন্তু শত বছরের ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছেন ভারতের ওড়িশা পুলিশকর্মীরা৷ এখানে ডাক যোগে চিঠি আদানপ্রদান নয়, তাদের গুরুত্বপূর্ণ চিঠি নিয়ে যাচ্ছে পায়রা৷ পায়রা যে একসময় প্রধান বার্তা বাহক ছিল। আমরা ভুলতে বসেছিলাম সেই প্রথাকে। প্রথা ধরে রাখতেই পুলিশকর্মীদের এমন উদ্যোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পঞ্চাশটি পায়রা নিয়ে একটি পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছিল ওড়িশা পুলিশ৷ কটক থেকে ভুবনেশ্বর পাঠানো হয় পায়রাগুলিকে৷ প্রত্যেকের কাছেই ছিল চিঠি৷ যা তাদের পায়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল৷ ২০ মিনিটেরও কম সময়ে পায়রাগুলি ২৪ কিমি রাস্তা অতিক্রম করে৷ সত্তর বছরের পুরোনো ওড়িশা পুলিশ পিজিয়ন সার্ভিস এই আয়োজনের উদ্যোক্তা৷ পায়রা দিয়ে চিঠি আদান প্রদানের ধারা তারা বজায় রাখতে চান বলে জানালেন সাবেক ডিজিপি অমিয় ভূষণ ত্রিপাঠি৷ ১৯৭০ সালে ২০০ টি পায়রা নিয়ে শুরু হয়েছিল ওড়িশা পুলিশ পিজিয়ন সার্ভিস৷ দেশের মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো এই পরিষেবা৷ ১৯৯৯ সালে সুপার সাইক্লোনের সময় যখন রেডিও ব্যাবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে, তখন তাক লাগিয়েছিল এই পায়রা পরিষেবা৷ এর মাধ্যমেই চলত জরুরি বার্তা আদানপ্রদান৷ কলকাতা২৪   আর

দুর্লভ মূর্তি জড়িয়ে বসেছিল বিষধর সাপ!

ভারতের মহারাষ্ট্রের বিড জেলায় অম্বেজোগইয়ে একটি রাস্তার খননের কাজ চলছিল৷ রাস্তা খুঁড়তে গিয়ে হঠাৎ চমকে গেলেন শ্রমিকরা। রাস্তা খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এল একটি দুর্লভ মূর্তি৷ আর মূর্তিটিকে জড়িয়ে বসেছিল একটি বিষধর সাপ৷ প্রাচীন মূর্তি পাওয়া ও মূর্তির গায়ে তিন ঘণ্টা সাপ জড়িয়ে ছিল এ ঘটনার খবর ছড়াতে দেরি হয়নি৷ মূর্তির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিষধর সাপ এই খবর ছড়াতেই এলাকায় মানুষ এমনকি অন্য গ্রামের মানুষও ছুটে আসেন মূর্তি দেখতে। ডেকান কলেজের অধ্যাপক ও পুরাতত্ববিদ ড. শিন্দে জানিয়েছেন, মূর্তিটি প্রাচীন সূর্য দেবতার৷ এই ধরণের মূর্তি ১১ শতাব্দীর৷ যাদব সাম্রাজ্যের সময়কালের মূর্তি এটি৷ সেসময়ের মূর্তি গুলি এরকম হত৷ ইতিহাসবিদরা বলছেন, সম্ভবত ১১ই শতাব্দীতে এই এলাকায় যাদব সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করতেন। এর আগেও এই এলাকায় এরকম বেশ কয়েকটি মূর্তি পাওয়া গিয়েছে৷ তবে দেড় ফুটের মূর্তির মাত্র অর্ধেক অংশ পাওয়া গেছে। বাকি অর্ধেক এখনও পাওয়া যায়নি৷ বাকি অর্ধেক অংশকে খুঁজতে এখনও প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে৷ মূর্তিটি দেখতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে এলাকায়৷ তারা রীতিমত পূজাও শুরু করে দিয়েছেন।   আর

৭০০ বছরের বটগাছকে বাঁচানোর চেষ্টা স্যালাইন দিয়ে

প্রাচীন একটি বটগাছ। বয়স ৭০০ বছরেরও বেশি। কিন্তু পোকার কারণে পড়েছে হুমকির মুখে। এই গাছটি দক্ষিণ ভারতের তেলেঙ্গানায়। গাছটিতে উইপোকার মারাত্মক আক্রমণ ঘটেছে। কীটনাশকের স্যালাইন দেওয়ার মাধ্যমে কর্মকর্তারা এখন বিরল এই বৃক্ষটিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে চেষ্টা করছেন। প্রায় তিন একর জায়গা জুড়ে গাছটি বিস্তৃত। বলা হচ্ছে, এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বটগাছ। সে কারণে দেশ বিদেশ থেকে বহু পর্যটক গাছটি দেখতে যান। কর্মকর্তারা এখন এই গাছটিকে পোকার সংক্রমণ থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। নতুন করে যাতে পোকার সংক্রমণ না ঘটে সেজন্যে এর শেকড়েও পাইপ দিয়ে কীটনশাক দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তা প্রান্ডুরাঙ্গা রাও বিবিসিকে বলেছেন, আমরা বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছি। গাছটি যাতে পড়ে না যায় সেজন্যে সিমেন্টের প্লেট দিয়ে এর শাখাগুলো আটকে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে গাছটিতে সারও দেওয়া হচ্ছে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, গাছটির যেসব জায়গায় উইপোকার সংক্রমণ ঘটেছে সে সব জায়গায় আমরা ফোটায় ফোটায় কীটনাশক দিচ্ছি। স্যালাইনের মতো করে। আমাদের ধারণা এতে কাজ হবে। প্রসঙ্গ, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কর্তৃপক্ষের চোখে পড়ে যে গাছটির ডালপালা ভেঙে পড়ছে। তারপর থেকে সেখানে পর্যটকদের যাওয়া আসাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উইপোকার আক্রমণে গাছটি প্রায় ঝাঝড়া হয়ে গেছে। তারা বলেছেন, অনেক পর্যটক ডালপালা ধরে দোল খাওয়ার কারণেও গাছটি অনেক নুয়ে পড়েছে। ভারতীয় বটগাছ খুব বড় হয় এবং তাদের শেকড়ও হয় খুব শক্ত। এসব গাছ এতো বড় হয় যে ডালপালা থেকেও এর শেকড় ঝুলতে থাকে। গাছটি সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার জন্যেও এসব শেকড়ের ভূমিকা রয়েছে। সূত্র: বিবিসি একে// এআর

এবার মোটরসাইকেলের হেলমেটেও এসি

বৈশাখের গরমে চারিদিকে হাসফাঁস। বেলা বাড়তেই চাঁদিফাটা রৌদ্দুরে ছায়া খুঁজছেন সবাই। প্রামে পুকুর-দিঘি দাপাচ্ছে খুদেরা। কিন্তু এই গরমে নিস্তার নেই বাইক আরোহীদের। পথে আগুনঝরা রৌদের মধ্যেই মাইলের পর মাইল পথ অতিক্রম করতে হয় তাদের। এবার বাইক আরোহীদের জন্য স্বস্তির খবর। হেলমেটের জন্য এয়ার  কুলার (এসি) এল। দামও সাধ্যের মধ্যেই। ভারতের বেঙ্গালুরুর ব্লু আর্মর নামে একটি নব বিকশিত সংস্থা তৈরি করেছে এই হেলমেট এয়ার কুলার। ব্লু স্ন্যাপ নামে এই কুলার লাগানো যাবে যে কোনও ফুল ফেস হেলমেটের সামনে। একটি ফিতার সাহায্যে হেলমেটের সামনে কয়েক সেকেন্ডেই আটকে যাবে এই এয়ার কুলার। নতুন এই হেলমেট কুলার ব্যবহার করলে তাপমাত্রা ৬ - ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমানো যাবে বলে দাবি সংস্থাটির। শুধু গরম থেকে রেহাই-ই নয়, ব্লু স্ন্যাপে রয়েছে একটি এয়ার ফিল্টার। যার ফলে এই যন্ত্র ব্যবহার করে এড়ানো যাবে পথের দূষণ। চালু করার আগে এই এয়ার কুলারে ভরতে হবে পানি। একবার পানি ভরলে টানা ২ ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে ব্লু স্ন্যাপ। এই এয়ার কুলারে রয়েছে একটি রিচারজেবল ব্যাটারি। একবার চার্জ দিয়ে ১০ ঘণ্টা ব্যবহার করা যাবে যন্ত্রটিকে। চার্জ দেওয়া যাবে যে কোনও ৫ ভোল্ট আউটপুট থেকে। ব্লু আর্মরের ওয়েবসাইটে দাবি করা হয়েছে, ৩-৬ মাস চলবে এয়ার কুলারে ব্যবহৃত এক একটি এয়ার ফিল্টার। ফিল্টার বদলানো যাবে সহজেই। তাছাড়া হেলমেটের সঙ্গে মানানসই স্ট্র্যাপ ব্যবহার করা যাবে এই এয়ার কুলারের সঙ্গে। সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে ১,৯৪৮ টাকায় মিলছে ব্লু স্ন্যাপ।  তবে এই এয়ার কুলার ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের প্রশ্ন, দুর্ঘটনায় নিরাপদ বলে দাবি করা হলেও এ ব্যাপারে সংস্থা কী পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি।   আর

একটা কলার দাম ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!

অনলাইনে তিনি মাত্র একটি কলা কিনেছিলেন৷ আর তার জন্য বিল এল ৯৩০ পাউন্ড? বাংলাদেশি মু্দ্রায় যার দাম প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা? কলা খাবেন কি, বিল দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ ওই নারীর। ঘটনাটি ঘটেছে গ্রেট ব্রিটেনের নাটিংহামে৷ ওই নারীর নাম ববি গার্ডন৷ ব্রিটেন সুপারমার্কেটের চেন আসদায় তিনি একটি কলার অর্ডার দিয়েছিলেন৷ যখন কলাটির অর্ডার দেন, তার দাম ছিল ১০০ পাউন্ডেরও কম৷ খুব স্বাভাবিক বিষয়৷ একটা কলার আর কত দাম হতে পারে? কিন্তু যখন অর্ডার বাড়িতে এল, অবস্থা দেখে ভিরমি খাওয়ার মতো অবস্থা ববির৷ যেখানে তিনি মাত্র ১১ পেনি দিয়ে কলাটি অনলাইন কিনতে চেয়েছিলেন, তার জন্য তাকে দিতে হল ৯৩০.১১ পাউন্ড৷ ১৭ এপ্রিল ট্যুইটারে তিনি সেই কলার ছবি পোস্ট করেন৷ সেই সঙ্গে এই ভয়ঙ্কর খবরটি দেন৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ ববির ক্রেডিট কার্ডের ফ্রড টিম সেই পেমেন্ট থামিয়ে দেয়৷ এ ঘটনার পর আসদার এক কর্মী ক্ষমা চেয়েছেন৷ তিনি বলেছেন, বিলটি “স্লিপ আপ” হয়েছে৷ তবে এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে অনলাইনে একটি ফোনের অর্ডার দিয়েছিলেন এক ব্যক্তি৷ তার পরিবর্তে ওই ব্যক্তির হাতে এসেছিল একটি সাবানের বার৷   আর

এক কলার দাম লাখ টাকা!

যুক্তরাজ্যের সুপারমার্কেট আসডা থেকে অনলাইনে মেয়ের জন্য একটি কলা কিনেছিলেন ববি গর্ডন। এরপর তিনি জানতে পারলেন, সেই কলার বিল হয়েছে ৯৩০ পাউন্ড বা বাংলাদেশি টাকায় এক লাখ ১০ হাজার টাকা। যদিও এর দাম হওয়ার কথা ১৩ টাকার মতো। নটিংহ্যামের শেরউডের ববি গর্ডন বলছেন, প্রথমে বিলটি দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান। তার ক্রেডিট কার্ডে বিলটি চার্জ করা হলেও, কার্ড কোম্পানির প্রতারণা ঠেকানোর টিম সেটি আটকে দিয়ে তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠায়। ববি প্রথমে বিলটি দেখে অবাক হলেও, তিনি এবং তার স্বামী ভেবেছিলেন এটা হয়তো দোকানের ভুল হয়েছে। তারা বিষয়টি ধরতে পারবে। কিন্তু যখন এজন্য আবার তার ক্রেডিট কার্ডে চার্জ করা হয়, তখন তার সত্যিই হতবাক হয়ে যান। তবে একে কম্পিউটারের ভুল জানিয়ে ক্ষমা চেয়েছে আসডা। আসডার একজন মুখপাত্র বলছেন, যদিও আমাদের কলাগুলো চমৎকার, কিন্তু এটা ঠিক যে, তার দাম এতো নয়। এটি নিঃসন্দেহে কম্পিউটারের একটি ভুল। তারা বলছেন, আমরা গর্ডনকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তিনি বিলটি যাচাই করে দেখেছেন। এরকম ভুল যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। ববি বলছেন, এরপর আমি আমার সাতবছরের মেয়েকে বললাম, তোমার উচিত কলাটা খুব মজা করে খাওয়া, প্রতিটি কামড় ভালো করে খাওয়া উচিত। সূত্র: বিবিসি একে// এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি