ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ৪:২০:২২

যে সাইকেল পানিতে চলে (ভিডিওসহ)

যে সাইকেল পানিতে চলে (ভিডিওসহ)

আমাদের অনেকেরই সাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতা আছে। কিন্তু পানিতে সাইকেল চালিয়েছেন কখনো? যদি না চালিয়ে থাকেন এবং চালিয়ে এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে চান তাহলে আপনার জন্যই বাজারে এসেছে এমন এক সাইকেল; যা পানিতে চলে।
যে ভাষায় কথা বলেন মাত্র তিনজন

ভাষার নাম `বাদেশি’ ভাষা। উত্তর পাকিস্তানের দুর্গম, পাহাড়ি অঞ্চলের একটি গোষ্ঠী এ ভাষায় কথা বলে। এ ভাষায় কথা বলেন এমন তিনজন বর্তমানে জীবিত রয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে তাদের মৃত্যুর পর এ ভাষা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এ ভাষার কথা বলেন এমন একজন ব্যক্তি হলেন সাইদ গুল। তিনি তার ভাষায় বলেন, অমাদের গ্রাম খুবই সুন্দর । তিনি বলেন, শুরুতে ৯ থেকে ১০ টি পরিবার এ ভাষায় কথা বলতো। কিন্তু অন্যান্য এলাকা থেকে আমাদের অঞ্চলে ভিন্ন ভাষী লোক আসার করণে এ ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে বাদেশি ভাষায় কথা বলা এই তিন জন ব্যক্তি যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে এই ভাষা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। সূত্র: বিবিসি বাংলা এমএইচ/টিকে      

৬ হাজার বছর ধরে জ্বলছে আগুন

অস্ট্রেলিয়ার একটি স্থানে ৬ হাজার বছর ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে জ্বলছে আগুন। দেশটির সাউথ ওয়েলস এর মাউন্ট উইংগেনের বার্নিং মাউন্টেইনের (জ্বলন্ত পর্বত) ভূ-অভ্যন্তরে খ্রিস্টের জন্মের ৪০০০ হাজার বছর আগে থেকেই এই আগুন জ্বলছে। কয়লার আগুন থেকেই সারা বছর পর্বতটিতে ধোঁয়া ওড়ে। এজন্য পাহাড়টিকে বার্নিং মাউন্টেইন বা জ্বলন্ত পর্বত বলা হয়। তবে ওই জায়গায় প্রথম কিভাবে এই আগুনের সৃষ্টি হয়েছিল তা এখনও অজানাই রয়ে গেছে। এর রহস্য উদঘাটনও সম্ভব হয়নি। তবে ওই অঞ্চলের ঐতিহাসিক সম্প্রদায় ওয়ানারুয়াহ এর লোকজনের মতামত অনুসারে, আদিবাসী মানুষেরা হাজার হাজার বছর ধরে তাদের উষ্ণতার জন্য, রান্না-বান্নার জন্য এবং যন্ত্রপাতি তৈরির জন্য এই আগুন ব্যবহার করে আসছেন। সূত্র: সায়েন্সএলার্ট ডট কম একে// এআর

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবন

পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবন নির্মাণ করবে জাপানের একটি কোম্পানি। ২০৪১ সালে নিজেদের ৩৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ ভবন নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সুমিতোমো ফরেস্ট্রি নামে একটি কোম্পানি। রাজধানীর টোকিওতে ৩৫০ মিটার উঁচু ৭০তলা ভবনটি নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি। সুমিতোমো ফরেস্ট্রি নামের ওই কোম্পানি বলছে, ডব্লিউ৩৫০ প্রকল্প নামে ৭০ তলাবিশিষ্ট ভবনটি তৈরিতে মাত্র ১০ শতাংশ স্টিল ব্যবহার করা হবে। আর বাকী অংশে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার ঘনমিটার স্থানীয় কাঠ ব্যবহার করা হবে। এ কাঠ দিয়ে প্রায় ১৮ হাজার বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব হবে। টোকিওতে তৈরি এই ভবনে আট হাজার ঘর থাকবে। প্রতি তলার বারান্দায় বৃক্ষ ও গাছ-লতাপাতা থাকবে। সবুজ প্রকৃতির ছোঁয়া আনতেই এমনটি করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। জাপান ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। সারা বছরই ভূমিকম্প হয়। তাই কম্পন নিয়ন্ত্রণে কাঠের ভেতরে নলের আকৃতির স্টিল ব্যবহার করা হবে। স্তম্ভগুলো হবে স্টিলের। বাঁকানো টিউব স্ট্রাকচারে এমনভাবে ভবনটি তৈরি করা হবে, যার ফলে জাপানের স্বাভাবিক ভূমিকম্পগুলো মোকাবিলা করতে পারবে এটি। ভূমিকম্প প্রবণতার কথা মাথায় রেখেই এই প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। চার লাখ ৫৫ হাজার বর্গমিটার ফ্লোর পুরোটাই কাঠের হবে। আলোয় পরিপূর্ণ অ্যাপার্টমেন্টগুলোতে অফিস ও দোকানের ব্যবস্থা থাকবে। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হবে ৫৬০ কোটি ডলার। একই আকারের প্রচলিত ভবন নির্মাণের চেয়ে এটির খরচ প্রায় দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছে ওই কোম্পানি। কোম্পানিটি বলছে, ২০৪১ সালের মধ্যে এর নির্মাণকাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বে অনেক জায়গায়ই কাঠ ব্যবহার করে তৈরি করা আকাশচুম্বি ভবন আছে। যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিসে কাঠের তৈরি ১৮-তলা একটি অফিস ভবন আছে। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠের ভবনটি রয়েছে ভ্যানকুভারে। শিক্ষার্থী বসবাসের জন্য নির্মিত ভবনটি ৫৩ মিটার উঁচু। সূত্র: ডেইলি মেইল একে// মেইল

জুলিয়েটের সন্ধ্যানে সংগ্রহ ২৫ হাজার ডলার

মাত্র পাঁচ বছর। এর মধ্যে সঙ্গী খুঁজে না পেলে রোমিওর সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাবে পুরো প্রজাতিটাই। কিন্তু পরিবেশবিদরা তা হতে দিতে চান না। তাই তো রুমিওর সঙ্গে ‘জুলিয়েটকে’ খুঁজে পেতে শুরু হয়েছিল তহবিল সংগ্রহের কাজ। দেখা গেল, নিঃসঙ্গ রোমিও প্রত্যাশার চেয়েও ভালোবাসা কুড়িয়েছে বেশ। রোমিও একটি ব্যাঙের নাম। ব্যাঙের টেলমাটোবিডি পরিবারের সদস্য এটি। নিঃসঙ্গ এই ব্যাঙটির বেঁচে থাকার কথা আর পাঁচ বছর। কাজেই এর মধ্যেই খুঁজে পেতে হবে জুলিয়েটকে। সঙ্গী না পেলে এ প্রজাতির নতুন কোন সদস্য পৃথিবীতে অবশিষ্ট থাকবে না। উল্লেখ্য, বলিভিয়ার কোচাবাম্বায় ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে রয়েছে রোমিও। এবারের ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক বন্য প্রাণী সংরক্ষণ (জিডব্লিউসি), বলিভিয়ান অ্যাম্ফিবিয়ান ইনিশিয়েটিভ ও ডেটিং ওয়েবসাইট ম্যাচ রোমিওর জন্য তহবিল সংগ্রহে নেমেছিল। লক্ষ ছিল ১৫ হাজার মার্কিন ডলার। তবে প্রত্যাশার চেয়েও প্রতিষ্ঠানগুলো আয় করেছে অনেক বেশি। এ তহবিলের অর্থ ২৫ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে। জিডব্লিউসি জানিয়েছে, আগামী জুনে বলিভিয়ার আন্দেজ বনাঞ্চলে জুলিয়েট সন্ধ্যানে অভিযানে নামবে বিজ্ঞানীরা। সূত্র: জিডব্লিউসিআরআ/ এমজে

প্রথম কোন শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালেন হিজড়া নারী

শিরোনাম শুনলে অবাক হওয়ারই কথা। প্রশ্ন উঠতেই পারে- কি করে সম্ভব? কিন্তু সিত্যই তাই; হিজড়া এক নারী একটি শিশুকে তার বুকের দুধ খাওয়াতে সক্ষম হয়েছেন। এধরনের ঘটনা এটাই প্রথম। যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছর বয়সী এই হিজড়া নারীর (ট্রান্সজেন্ডার) পার্টনার তার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে না চাইলে ওই হিজড়া নারী এই কাজটি করতে এগিয়ে যান এবং তিনি এই কাজে সফল হয়েছেন। বলা হচ্ছে, বেশ কিছু ওষুধ খাওয়া এবং ব্রেস্ট পাম্পিং-এর পর এটা করা সম্ভব হয়েছে। এই খবর প্রকাশ হওয়ার পর ব্রিটেনের একজন বিশেষজ্ঞ বলেছেন, এটি একটি দারুণ ঘটনা। তিনি বলেন, এনিয়ে গবেষণার পর হয়তো আরও অনেক হিজড়া নারী শিশুকে তার বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন। ওই নারীর শরীরে গত ছ`বছর ধরে হরমোন থেরাপির চিকিৎসা চলছিলো। তবে লিঙ্গ পরিবর্তনের জন্যে তার শরীরে কোনো অপারেশন হয়নি। শিশুটির জন্মের আগে ডাক্তাররা তার বুকে কৃত্রিমভাবে দুধ তৈরির জন্যে সাড়ে তিন মাস ধরে কিছু চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। সাধারণত যেসব নারী শিশু দত্তক নিয়ে থাকে অথবা নিজের গর্ভে অন্যের শিশু জন্ম দিয়ে থাকে (সারোগেট মা) তাদেরকে এই চিকিৎসা দেওয়া হয়। এসব চিকিৎসার মধ্যে আছে ব্রেস্ট পাম্পিং, মায়েরা সাধারণত যেসব হরমোন উৎপাদন করে থাকে সেগুলো গ্রহণ করা, দুধ তৈরির জন্যে উদ্দীপ্ত করতে পারে এরকম ওষুধ খাওয়া এবং পুরুষ হরমোন উৎপাদন আটকে দেওয়া। এসব চিকিৎসার পর ওই হিজড়া নারী শিশুর জন্যে উপযোগী দুধ বের করতে সক্ষম হন। প্রতিদিন তার বুকে ৮ আউন্সের মতো দুধ তৈরি হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, নবজাতকের জন্মের পর প্রথম ছয় সপ্তাহ এই বুকের দুধই তার পুষ্টির প্রথম উৎস। এই সময়ের মধ্যেই শিশুর শারীরিক বিকাশ, খাওয়া দাওয়া এবং পেটের ভেতরে খাবারের হজম পক্রিয়া কিরকম হবে সেটা তৈরি হয়। এই শিশুটির ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে, বুকের দুধ খাওয়ার পাশাপাশি তাকে এখন ফর্মুলা দুধও দেওয়া হচ্ছে। কারণ তার জন্যে পর্যাপ্ত বুকের দুধ তৈরি হচ্ছে না। এই মেয়ে শিশুটির বয়স এখন ৬ মাস। তার ডায়েটের অংশ হিসেবেই তাকে আবার বুকের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, শিশুদেরকে হিজড়া নারীদের বুকের দুধ খাওয়ানোর সক্ষমতার উপর আরও গবেষণার প্রয়োজন। ইম্পেরিয়াল কলেজের একজন শিক্ষক হরমোন বিশেষজ্ঞ ড. চান্না জয়াসেনা বলছেন, এই ঘটনা দারুণ একটি ঘটনা। তিনি জানান, যুক্তরাজ্যে তিনি এরকম দু’একটি ঘটনার কথা শুনেছিলেন যেখানে হিজড়া নারীরা বুকের দুধ খাওয়ানোর ব্যাপারে এগিয়ে এসেছেন। তবে এধরনের কোনো সাফল্যের ব্যাপরে কোনো রিপোর্ট তার চোখে পড়েনি। সূত্র : বিবিসি এসএ/

ভিনগ্রহবাসীর আগমনে খুশি হবে মানুষ!

পৃথিবীতে ভিনগ্রহের অধিবাসী বা এলিয়েনরা মানুষের মারাত্মক বিপদ ঘটতে পারে বলে সতর্ক করছেন অনেকেই। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে ভিন্ন কথা। বিজ্ঞানীদের দাবি, ভিনগ্রহবাসীরা পৃথিবীতে আসলে মানুষ নাকি খুশিতেই তাদের স্বাগত জানাবে। সুইজারল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘ফ্রান্টিয়ার্স অব সাইকোলজি’ সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণারয় উল্লেখ করা হয়, ভিনগ্রহবাসীরা পৃথিবীতে এলে মানুষ খুশিমনে তাদের স্বাগত জানাবে। গবেষণাটি করেছেন অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অস্টিনে আজ রোববার আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব সায়েন্সের সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। এই সম্মেলনে অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মাইকেল ভারনামের ভিনগ্রহবাসী নিয়ে তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত একটি পরীক্ষার ফল উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। আর এই পরীক্ষাতেই পাওয়া গেছে এমন তথ্য। বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং আগেই মানুষকে সতর্ক করে বলেছেন, এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা মানুষের অবস্থান জানিয়ে দেবে। ঠিকানা চিনে পরে এলিয়েনরা এসে মানুষকে পদানত করার চেষ্টা করবে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায়, গবেষকরা বলছেন মানুষ বাস্তবে হলিউডের মুভির মতো মানুষের সঙ্গে সংঘাতও বাঁধবে না এলিয়েনদের। বরং এলিয়েনদের আগমনে খুশি হবে মানুষ। মাইকেল ভারনাম বলেন, আমরা যদি পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বের অন্য কোনো প্রাণীর মুখোমুখি হই তাহলে আমরা আশাবাদী হতে পারি। আমরা এতদিন এসব বিষয়ে নানা ধরনের অনুমান করা সংবাদ পেয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো গবেষণা হয়নি। এ গবেষণার যে ফলাফল পাওয়া গেছে তা খুবই ভালো। মানুষ খুবই আগ্রহী যে, অন্য গ্রহের প্রাণীরা কেমন হবে এটি জানতে। আর এ বিষয়টিতে মানুষ খুবই ইতিবাচক। গবেষকরা দাবি করছেন, এলিয়েনদের দেখা পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ মহাবিশ্বে এত বিপুলসংখ্যক জীবনধারণের মতো গ্রহ রয়েছে যে সেখানে প্রাণী বাস করা কঠিন নয়। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান একে// এআর

আগুনের পাখা

শুনতে অবাক লাগলেও একটা সময় ফ্যান চলত আগুনের জোরেই। স্টিম ইঞ্জিন চালিত সেই ফ্যান আজও আছে অনেক স্মৃতির সাক্ষী হয়ে। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে রবার্ট স্টারলিং নামে এক বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন এই আশ্চর্য ফ্যান, যার নাম কেরোসিন পাখা। এক সময় এই পাখার হাওয়াতেই শরীর জুড়োত। আগুনের ঠেলায় ঘুরত ফ্যানের ব্লেড। সময়ের হাত ধরে এগিয়েছে প্রযুক্তি। এখন স্মৃতির ফলক হয়েই বেঁচে আছে এই কেরোসিন পাখা। তবে এখন কলকাতার বিড়লা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড টেকনোলজি মিউজিয়ামে গেলে দেখা মিলবে এই কেরোসিন পাখার। কেরোসিন পাখার জন্ম বৃত্তান্ত উনিশ শতকের গোড়ার দিকে আবিষ্কার হয় এই পাখা। প্রাকৃতিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঘুরত ফ্যানের ব্লেড। কেরোসিন পাখার আবিষ্কর্তা রবার্ট স্টারলিং। স্টিম ইঞ্জিনের মেকানিজমকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয় এই ফ্যান। কেরোসিন পাখার প্রযুক্তি এই ফ্যানের মধ্যে দুটি সিল্ডিন্ডার থাকে। ৯০ ডিগ্রি কোণ করে জোড়া থাকে সিলিন্ডার দুটি। প্রথম সিল্ডিন্ডারের বায়ুকে বাইরে থেকে আগুন জ্বালিয়ে গরম করা হয়। বায়ু উত্তপ্ত হলে প্রসারিত হয় এবং প্রসারিত বায়ু প্রথম সিলিন্ডার থেকে দ্বিতীয় সিলিন্ডারে যায়। এরপর গরম বায়ু দ্বিতীয় সিলিন্ডারের ঠান্ডা বায়ুকে প্রথম সিলিন্ডারে পাঠিয়ে দেয় এবং বায়ুর এই খেলাতেই ঘুরতে থাকে ফ্যানের ব্লেড। সময় এগিয়ে চলেছে ঝড়ের গতিতে। পুরনো প্রযুক্তিকে সরিয়ে জায়গা দখল করছে নতুন প্রযুক্তি। সেভাবেই কেরোসিন পাখা আজ সময়ের বৃদ্ধাশ্রমের আবাসিক। তবে অনেক স্মৃতির সাক্ষী। সূত্র: জিনিউজ একে// এআর

বিট কয়েন খুঁজতে গিয়ে যে দেশ বিদ্যুৎ সংকটে

আইসল্যান্ডের একটি জ্বালানি কোম্পানি এইচএস ওরকার মুখপাত্র জানিয়েছেন, আইসল্যান্ডে বড় বড় ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করে বিটকয়েন খোঁজার যে হিড়িক পড়েছে তাতে দেশটি এখন বিদ্যুৎ সংকটে পড়তে পারে। এসব ডাটা সেন্টার চালাতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। এ বছর আইসল্যান্ডে সব বাড়িতে যত বিদ্যুৎ খরচ হবে, তার চেয়ে হয়তো বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে এসব ডাটা সেন্টারে। তিনি জানান, আরও অনেকে এখন এসব ডাটা সেন্টার স্থাপনের দিকে ঝুঁকছে। সব প্রকল্প যদি বাস্তবায়িত হয়, সেগুলো চালানোর মতো বিদ্যুৎ আইসল্যান্ডে থাকবে না। বিটকয়েন মাইনিং বলতে বোঝায় বিশ্বজুড়ে যে বিটকয়েন নেটওয়ার্ক আছে তার সঙ্গে কম্পিউটারকে যুক্ত করা এবং এই ক্রিপ্টো কারেন্সীর যে লেন-দেন হচ্ছে সেগুলো যাচাই করা। যেসব কম্পিউটার এই যাচাইয়ের কাজটি করে, তারা সামান্য পরিমাণে `বিটকয়েন পুরস্কার` পায় এর প্রতিদানে। কিন্তু কেউ যদি এই কাজটি বিশাল আকারে করতে পারে, সেটি বেশ লাভজনক। কিন্তু আইসল্যান্ডে এখন এই ব্যবসার বিপুল প্রবৃদ্ধি ঘটছে। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডাটা সেন্টারগুলোর জন্য বিদ্যুৎ খরচ। আইসল্যান্ডের জনসংখ্যা খুব কম, মাত্র তিন লাখ ৪০ হাজার। কিন্তু সম্প্রতি এই দ্বীপে নতুন ডাটা সেন্টার গড়ার হিড়িক পড়েছে। যেসব কোম্পানি এসব ডাটা সেন্টার স্থাপন করছে তারা দেখাতে চায় যে তারা পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করছে। আইসল্যান্ডে উৎপাদিত বিদ্যুতের শতকরা একশো ভাগই আসে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, এবছর আইসল্যান্ডে বিটকয়েন মাইনিং অপারেশনের পেছনে প্রায় ৮শ ৪০ গিগাওয়াট ঘন্টা বিদ্যুৎ খরচ হবে। এর বিপরীতে আইসল্যান্ডের সব বাড়ি মিলে বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে সাতশো গিগাওয়াট ঘন্টা। বিটকয়েন নিয়ে এই পাগলামি যে শীঘ্রি থামবে, তার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। আইসল্যান্ডের ক্রিপটো কারেন্সী মাইনিং ব্যবসা এবছর দারুণ চাঙ্গা হয়ে উঠে `মুনলাইট প্রজেক্ট` নামে একটি বিশাল ডাটা সেন্টার স্থাপন প্রকল্পকে ঘিরে। এ বছরের শেষ নাগাদ এটি চালু হবে। তবে এই শিল্প আইসল্যান্ডের কী কাজে আসবে, তা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন। সূত্র: বিবিসি একে// এআর

কেকের দাম ৬ কোটি!

কেকের দাম ৬ কোটি রুপি! হ্যা এ রকমই একটি কেক বানিয়েছেন ব্রিটিশ ডিজাইনার ডেবি উইংহাম। কেকটি সাজিয়েছেন তিনি কনের সাজে। দুবাইয়ের এক ওয়েডিং শো-এর জন্য তিনি এই কেক  তৈরি করেছে।  ওয়েডিং কেকটির ওজন প্রায় ১২০ কেজি। লম্বায় প্রায় ৬ ফুট। মানুষের  মতো দেখতে এ কেকটি তৈরিতে খরচ পরেছে ৬ কোটিরও বেশি রুপি।  প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জানান, মানুষের মতো দেখতে এই কেকটিকে একদম সত্যিকারের মতোই মনে হয়।এটি খাওয়ার যোগ্য তা খুব কম সংখ্যক লোকই বুঝতে পারবে।  ডেবি উইংহাম ইতোমধ্যে কেটি পেরি, জাসটিন বিবারের মতো সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন অর্ডার সরবরাহ করেছে। বর্তমানে সে এতই  বিখ্যাত যে পরবর্তী ছয় মাস তার কাজের অর্ডার রয়েছে।   তিনি যে শুধু এটিই তৈরি করেছেন তা কিন্তু নয় । গত বছর সে বিশ্বের সবচেয়ে দামী জুতা তৈরি করেছেন। এছাড়াও বিশ্বের সবচেয়ে দামী কালো ডায়মন্ড ড্রেসও তৈরি করেছেন তিনি। সূত্র: টাইমস নাউ এমএইচ/ এআর

যে দ্বীপের রহস্য এখনও ভেদ হয়নি

১৭২২ খ্রিস্টাব্দের ৫ এপ্রিল। নেদারল্যান্ডের নৌ সেনাপতি জ্যাকব রজারভিন আবিষ্কার করেন জনবিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ। ওইদিন ছিল ইস্টার সানডে। যার কারণে তিনি দ্বীপটির নাম দেন ইস্টার আইল্যান্ড। এটি চিলিতে অবস্থিত। এতোদিনেও দ্বীপটির রহস্য ভেদ হয়নি। স্থানীয়রা দ্বীপটিকে বলে ‘টিপিটোওটি হিনুয়া’, যার মানে দাঁড়ায় পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল। দ্বীপটি ত্রিকোণ আকৃতির আগ্নেয় শিলা দিয়ে তৈরি। আয়তন লম্বায় ২৮.৬ কিলোমিটার, চওড়ায় ১২.৩ কিলোমিটার। জ্যাকব রজারভিন দ্বীপটিতে নেমে অবাক হয়ে যান ছড়ানো-ছিটানো শত শত মূর্তি দেখে। তার ধারণা ছিল সামুদ্রিক ঝিনুকের খোলের চুর্ণের সঙ্গে বিশেষ এক ধরনের কাদার প্রলেপ দিয়ে মূর্তিগুলো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তার ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। সব মূর্তিগুলোই নিরেট কালো আর লালচে পাথরে খোদাই করে তৈরি করা। বিভিন্ন আকৃতির মূর্তিগুলোর উচ্চতা ৩ থেকে ৩০ ফুট। এক একটা মূর্তির ওজন কয়েক টন। গবেষণা থেকে জানা যায়, দ্বীপটিতে আদিবাসীদের বসবাস থাকলেও তাদের দ্বারা ওই মূর্তি বানানো সম্ভব ছিল না। আর ইস্টার আইল্যান্ডের মূর্তিগুলোর উপাদান এবং গঠন শিল্পের সঙ্গে মিসরের পিরামিডের মিল রয়েছে। প্রায় ৭ হাজার বছর আগের পিরামিডের সঙ্গে মূর্তিগুলোর মিল সত্যি অবাক করে। ঐতিহ্যের জন্য ইউনেস্কো দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে ।সূত্র : ডয়েচে ভেলে/ এআর /

যে দেশে প্রতি মাসেই ভালোবাসা দিবস

এখন প্রায় পৃথিবীর সব দেশেই ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ানরা প্রতিমাসেই ভালোবাসা দিবস পালন করে থাকে! আর প্রতি মাসের সেই দিনট হলো ১৪ তারিখ। তবে সবার মতোই দক্ষিণ কোরিয়ানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটাকে ভালোবাসা দিবস হিসেবেই পালন করে থাকে। তবে একটু ভিন্ন আকারে। এই দিনে কেবল মেয়েরাই তাঁদের প্রিয় পুরুষটিকে ভালোবাসার নিদর্শন স্বরূপ উপহার দিয়ে থাকে। উপহারটিও আবার সুনির্দিষ্ট, চকলেট ক্যান্ডি। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারির পরে মার্চের ১৪ তারিখ ছেলেরা উপহার দেয় তাদের প্রেয়সীকে। এ দিনটিতে প্রেমিকগণ প্রেমিকাদের দিয়ে থাকে চকলেট ছাড়া অন্য যে কোন স্বাদের ক্যান্ডি। প্রতি মাসের ১৪ তারিখ ভিন্ন ভিন্ন নামে দিবস পালন করলেও তাদের মূল বিষয় হচ্ছে ভালোবাসা প্রকাশ।জেনে নেওয়া যাক তাদের ১২ মাসের বিভিন্ন দিবস সম্পর্কে- ১৪ই জানুয়ারি মোমবাতি দিবস, ১৪ই ফেব্রুয়ারি লাল দিবস, ১৪ই মার্চ সাদা দিবস, ১৪ই এপ্রিল কালো দিবস, ১৪ই মে  গোলাপ দিবস, ১৪ই জুন  চুমু দিবস, ১৪ই জুলাই রুপালি দিবস ১৪ই আগস্ট সবুজ দিবস, ১৪ই সেপ্টেম্বর সংগীত দিবস, ১৪ই অক্টোবর ওয়াইন দিবস, ১৪ই নভেম্বর মুভি দিবস এবং ১৪ই ডিসেম্বর আলিঙ্গন দিবস।  এমএইচ/টিকে    

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সংযোগ সেতু

দুটি দ্বীপ, দুটি দেশ। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সীমানায় এক অভিনব স্থান জ্যাভিকন আইল্যান্ডস। অপূর্ব সুন্দর এই স্থান। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র অন্যদিকে কানাডা। আর তাদের মধ্যে যাতায়াতের জন্য ছোট একটি সেতু। এটিই বিশ্বের ক্ষুদ্রতম আন্তর্জাতিক সেতু। সেন্ট লরেন্স নদীর মধ্যে পড়ে জ্যাভিকন আইল্যান্ডস নামে দুটো দ্বীপ। দ্বীপ দুটো হল জাভিকন আইল্যান্ড এবং লিটল জাভিকন আইল্যান্ড। এর বড়টার মধ্যে একটা বাড়ি আছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে। আর ছোট দ্বীপটা নিঝুম। সেখানে কেউ থাকে না। এই দ্বীপটি পড়েছে কানাডায়। দুটি দ্বীপের মধ্যে যাতায়াত করার জন্য যে সিতুটি আছে, তা মাত্র ৩২ ফুটের। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম আন্তর্জাতিক সেতু হল এটি। গাছে ঘেরা সুন্দর দুটি দ্বীপ। এই দুই দ্বীপ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। উনিশ শতক থেকে বারে বারে উঠে এসেছে জ্যাভিকন দ্বীপের কথা। পুরনো ছবিতে দেখা গেছে, দুই দ্বীপের মধ্যে উড়তে থাকা আমেরিকা ও কানাডার পতাকা। শান্ত নির্বিঘ্ন এই দ্বীপ দুটি এখনও কৌতূহলের কেন্দ্রে।দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক উত্তাপ কোনোকিছুই প্রভাব ফেলে না এখানে। তবে যাই হোক, দুটি দ্বীপের দৃশ্যই অত্যন্ত মনোরম। সূত্র: আলটাসঅবসকারা ডট কম একে// এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি