ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:২৭:০৩

ইনিই বিশ্বের প্রবীণতম যোগগুরু! বয়স মাত্র ৯৯

ইনিই বিশ্বের প্রবীণতম যোগগুরু! বয়স মাত্র ৯৯

শরীর ও মন— দুয়ের উপরেই যোগাসনের প্রভাব অপরিসীম। ভারতের সঙ্গে গোটা দুনিয়ার নতুন করে যোগসূত্র গড়ে দিয়েছে এই যোগাভ্যাস। আজ, ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যোগচর্চায় মেতেছেন। কর্পোরেট কায়দায় প্রচারের আলোয় এসে দেশের প্রাচীন ঐতিহ্যের এই শরীরচর্চার মাধ্যম এখন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। আমাদের দেশে দেশীয় এই শরীরচর্চার ধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে রামদেবের ভূমিকা অনেকটাই। তবে ভারতের জনপ্রিয় যোগগুরু রামদেব হলেও দেশের প্রবীণতম যোগগুরু কিন্তু একজন মহিলা। নাম ভি নানাম্মল। তামিলনাড়ুর বাসিন্দা নানাম্মলের বয়স মাত্র ৯৯ বছর! এই বয়সেও নানাম্মল একটার পর একটা যোগাসন করে চমকে দিয়েছেন অসংখ্য মানুষকে। ছোটবেলা থেকেই যোগচর্চা করছেন নানাম্মল। প্রচারের আলোয় কখনও সেভাবে না এলেও যোগ-প্রশিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে অসংখ্য মানুষকে সাহায্য করেছেন তিনি। সংসারধর্ম সামলানোর চাপ কোনও দিনই তাঁর যোগচর্চার অভ্যাসের উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি। শুধু তাই নয়, তাঁর পরিবারের প্রায় সকলেই নিয়মিত যোগচর্চা করেন। নানাম্মলের যোগ-দর্শন অনেকের থেকেই আলাদা। তাঁর মতে, যোগচর্চা ঘাম ঝরানোর জন্য নয়। যোগের আসল মন্ত্র শরীরের ক্লান্তি দূর করা। নানাম্মল জানান, এ যাবত্ প্রায় ১০ লক্ষ ছাত্রছাত্রী তাঁর কাছে যোগাসন শিখেছেন। এঁদের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার ছাত্রছাত্রী নিজেরাই এখন যোগ-প্রশিক্ষক হয়ে উঠেছেন। ২০১৭-এ তত্কালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে নারীশক্তি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন তিনি। এ বছর পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে নানাম্মলকে। যে বয়সে সুস্থভাবে বেঁচে থাকাটাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ, সেই বয়সে দাঁড়িয়ে নানাম্মল নিজের বয়সটাকে নিছক সংখ্যা হিসেবে হেলায় পেছনে ফেলে সুস্থ ভাবে হাজার হাজার মানুষকে বাঁচার পথ দেখাচ্ছেন।  
১৫ বছর পর মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে পৃথিবী

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারও পাশাপাশি অবস্থান করবে দুটি গ্রহ৷ পৃথিবী এবং মঙ্গল৷ জুলাইয়ের একেবারে শেষে সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছতে দেখা যাবে গ্রহগুলোকে৷ নাসার তথ্য বলছে, চলতি বছরে মঙ্গলের ‘বিপরীতমুখী অবস্থান’দেখা যাবে ২৭ জুলাই৷ এই অবস্থানটির জন্যই মঙ্গলকে দেখাবে অনেক বেশি উজ্জ্বল৷ গ্রহটি সম্পূর্ণ আলোকিত হবে সূর্যের আলোয়৷ যা দেখতে পাবেন পৃথিবীবাসী৷ নাসার সদস্যরা বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেন৷ তাঁরা বলেন, যদিও মঙ্গল এবং সূর্যকে দেখা যাবে একে অপরের বিপরীতে৷ তাই, আমরা বলব মঙ্গল ‘বিপরীতপন্থী’৷ মঙ্গলের কক্ষপথের যে কোন জায়গায় এই বিপরীতমুখী যেতে দেখা যেতে পারে৷ আর যখনই এটা ঘটবে তখনই লাল-গ্রহটিকে দেখা যাবে সূর্যের কাছাকাছি৷ পৃথিবীর খুব কাছাকাছি অবস্থান করতে চলেছে মঙ্গল আগামী মাসে৷ সংস্থা যোগ করে, কিন্তু বেশ কিছু অবস্থান রয়েছে যেগুলিতে মঙ্গল এবং পৃথিবীর অবস্থানের থেকে অনেক কম দূরত্ব ছিল৷ কিন্তু, ২০০৩ সালের অবস্থানটি ছিল ৬০,০০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কাছের৷ এমজে/  

যে গ্রামে টিকিট ছাড়া প্রবেশ নিষেধ!

চীনের শেংশান দ্বীপপুঞ্জের সবুজে ঘেরা হোউতোওয়ান  নামের  একটি গ্রাম। যে দিনে চোখ যেখানে যায়। সবুজ আর সবুজ। তবে  এ সুবজ গ্রাম নিজ চোখে দেখতে লাগে প্রবেশ মূল্য। গ্রামে ঘুটতে অবশ্যই লাগে টিকিট। গ্রামটি চীনের সাংহাই থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গত শতকের নব্বই দশকের শুরু থেকে এই গ্রামের অধিবাসীরা চীনের মূল ভূখণ্ডে যাওয়া শুরু করেন। এর নেপথ্যে ছিল কর্মসংস্থান কমে যাওয়া। একটা পর্যায়ে গ্রামটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। হোউতোওয়ান গ্রামে ৫০০-র মতো বাড়িঘর। বেশিরভাগই পরিত্যাক্ত। বর্তমানে সেসব বাড়িঘর এমনকি রাস্তাঘাটও সবুজ গাছপালায় একাকার। জানা গেছে, ২০১৫ সালে বার্তা সংস্থা এএফপির এক ফটোসাংবাদিক গ্রামটির কিছু ছবি তুলেন। সেসব ছবির কারণে গ্রামটির সৌন্দর্য সম্পর্কে বর্হিবিশ্বের মানুষ জানতে সমর্থ হয়। এরপর থেকেই গ্রামটি পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করছে। এসব পর্যটকের কারণেই আবার সেখানে কিছু মানুষের আবাস গড়ে উঠেছে। তবে, এই গ্রামে পর্যটকদের প্রবেশ করতে হলে অবশ্য টিকিট কাটতে হবে। সূত্র : ডয়েচে ভেলে। টিআর/ এআর

পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক বনমানুষের মৃত্যু

মৃত্যু হয়েছে সুমাত্রা অঞ্চলের পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক বনমানুষের। পুয়ান নামের এই বনমানুষটি গতকাল সোমবার ৬২ বছর বয়সে মারা যায়। মোট ১১ সন্তানসহ ৫৪ জনের বিশাল বংশ রেখে মারা যায় পুয়ান। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ চিড়িয়াখায় মারা যায় পুয়ান। ১৯৬৮ সালে এখানে আনা হয়েছিল এই বনমানুষটিকে। পুয়ানকে চিড়িয়াখানাটির ‘গ্র্যান্ড ওল্ড লেডি’ নামে ডাকা হতো। ২০১৬ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস পুয়ানকে তার প্রজাতি অর্থ্যাত সুমাত্রান বনমানুষদের মধ্যে সবথেকে বেশি বয়সী বলে ঘোষণা দেয়। এই প্রজাতির বনমানুষের সর্বোচ্চ আয়ু হয় সাধারণত ৫০ বছর। সেদিক থেকে বিরল ঘটনা ঘটিয়েছে পুয়ান। ধারণা করা হয়, ১৯৫৬ সালে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রায় জন্ম হয়েছিল পুয়ানের। পার্থ চিড়িয়াখানার সুপারভাইজার হলি থম্পসন বলেন, “পুয়ান যে প্রজাতির ছিল সেই প্রজাতির মাত্র ১০শতাংশ আর পৃথিবীতে বেঁচে আছে। এই চিড়িয়াখানা এবং নিজ বংশের জন্য অনেককিছু করে গেছে পুয়ান”। সম্প্রতি পুয়ানের বংশের কিছু সদস্যকে সুমাত্রার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। সূত্রঃ বিবিসি //এস এইচ এস// এআর

হারানো তিন সম্পদ

সোনাভর্তি শহর ইউরোপীয়ানদের ভয়ে কখনও নিজেদের ধনসম্পদ নিয়ে শান্তিতে থাকতে পারেনি ইনকা সভ্যতার মানুষ। তাই সম্পদ লুকোতে তারা আশ্রয় নিয়েছিল পাইতিতি নামের এক শহরে। আর সেখানে সোনার গুদাম বানিয়ে ফেলেছিল তারা। কিন্তু সময়ের স্রোতে ইনকা সভ্যতা হারিয়ে যাওয়ায় মুছে যায় সেই সোনাভর্তি শহরের চিহ্ন। শহরটির সন্ধানে এখনও পেরুতে অভিযান চালান অনুসন্ধানীরা। ভিক্টোরিয়ার সংসদীয় দণ্ড সংসদীয় এই দণ্ড ছিল স্পিকার এবং অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার মানুষদের সাংবিধানিক অধিকারের প্রতীক। ১৮৯১ সালের ৯ অক্টোবর হঠাৎ উধাও হয়ে যায় দণ্ডটি। সংসদীয় প্রকৌশলী থমাস জেফরিকে সেদিন দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। সে সময় তার হাতে ছিল একটি বড় থলে। পরবর্তী সময়ে তার ঘরে অনুসন্ধান করা হয়। কিন্তু প্রমাণের অভাবে জেলে যেতে হয়নি জেফরিকে। পাতিয়ালা নেকলেস এটি একটি বহুমূল্য নেকলেস যেটা ২ হাজার ৯৩০টি হীরার সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছিলো যার ভিতরে পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম হীরা, ৪২৮ ক্যারেটের ‘দি বিয়ারস’ ছিল। কিছু হীরা পরে পুনরুদ্ধার করা হয়েছিলো। এই নেকলেসটি তৈরি করেছিলেন হাউজ অফ কার্টিয়ার নামে একটি কোম্পানি ১৯২৮ সালে পাতিয়ালার ভূপতি সিং ও পরবর্তী শাসনকারী মহারাজার জন্য। ১৯৪৮ সালে হারটি সর্বশেষ দেখা যায় যাদাবিন্দ্র সিংয়ের গলায়। এরপর ৫০ বছর পর লন্ডনে আবার দেখা যায় হারটি। কিন্তু তিন কোটি ডলার সমমূল্যের হীরাটিকে আর কখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এক//

আফ্রিকার হাজার বছরের পুরোনো গাছগুলো মরে যাওয়ার নেপথ্যে

আফ্রিকার সাভানাহ তৃণভূমিতে কালে সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে হাজার বছরের প্রাচীন গাছ। হঠাৎ করে সেগুলো মরে যেতে শুরু করায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বিজ্ঞানীরা।বাওব্যাব নামের এসব গাছের বয়স ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর। আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশজুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে।বিজ্ঞানীদের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে গাছগুলোর মরে যাওয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে, যদিও এখনো এ বিষয়ে তাদের কাছে সরাসরি কোন প্রমাণ নেই।এসব গাছ বিশাল আকারে বড় হয়ে থাকে এবং শত শত বছর ধরে বেঁচে থাকে।দক্ষিণ আফ্রিকা, রোমানিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন, এসব গাছ হারানো মানে হচ্ছে যেন হঠাৎ করে বিশাল কিছু হারানোর মতো।‘আমরা সন্দেহ করছি যে, আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ুর কারণে যেসব পরিবর্তন হয়েছে, এসব গাছের মরে যাওয়ার সঙ্গে হয়তো তার সম্পর্ক আছে’-বলছেন, গবেষক দলের অ্যাড্রিয়ান প্যাটরুট, যিনি রোমানিয়ার বাবেস-বোলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আরও গবেষণা করতে হবে।২০০৫ সাল থেকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের দেশগুলোর এসব প্রাচীন গাছগুলো পর্যবেক্ষণ করে আসছেন গবেষকরা। রেডিও কার্বন ব্যবহার করে তারা গাছগুলোর কাঠামো আর বয়স বের করেন।অনেকটা হঠাৎ করেই তারা সনাক্ত করেন যে, ১৩টি প্রাচীন বাওব্যাবস গাছের মধ্যে আটটি আর ৬টি বৃহৎ গাছের ৫টি মারা গেছে অথবা তাদের পুরনো অংশটি নষ্ট হয়ে গেছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা আর খরার কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করেন গবেষক প্যাটরুট। তিনি বলেন, এসব গাছের এভাবে মরে যাওয়াটা অত্যন্ত দুঃখজনক একটি ব্যাপার।জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা আর জাম্বিয়া জুড়ে এসব গাছ ছড়িয়ে রয়েছে। একেকটি গাছ ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার বছর পুরনো।ফলের আকৃতির কারণে স্থানীয়ভাবে এসব গাছকে `মৃত ইঁদুর` গাছ বলেও ডাকা হয়। গাছগুলো লম্বা আর ডালপালা বিহীন হয়ে থাকে।এসব গাছ তাদের শরীরের ভেতর অনেক পানি ধরে রাখে। ফলে রুক্ষ এলাকাতেও এসব গাছ নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারে।বন্যপ্রাণীর জন্যও এসব গাছ সহায়ক হিসাবে কাজ করে। অনেক পাখির আশ্রয়স্থল এসব গাছ। সূত্র : বিবিসি।/ এআর /

এই চেয়ারের দাম ১০ লাখ ডলার

আজ থেকে ৯০ বছর আগে চেয়ারটির নকশা করেছিলেন ডিজাইনার এলিয়েন গ্রে। আর্ম চেয়ারটি খুব শিগগিরই নিলামে তোলা হবে বলে জানা গেছে। আর এই চেয়ারের দামই নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ থেকে ১৫ লাখ ডলার। এর আগেও তার স্থাপত্যকর্ম নিলামে উঠেছে। একটি চেয়ারের দাম ১০ লাখ ডলার, শুনতে বেশি মনে হলেও এখন হরহামেশাই নিলামে হাঁকানো হচ্ছে এমন দাম। ২০০৯ সালে নিলামে গ্রের আরেক চেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছিল ২৮ লাখ ডলার। ক্রিস্টিয়ানোর নিলামঘরে চেয়ারটি তোলা হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ৩ বছর আগে ব্রিটিশ নকাশাকার ম্যাক নিউসনের ডিজাইনকরা একটি চেয়ার নিলামে ৩৭ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এখন পর্যন্ত কোনো চেয়ারের মূল্য এটাই সর্বাধিক ছিল। সূত্র: সিএএনএমজে/

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচানো গেল না শিশুটিকে

ছোট্ট শরীর থেকে বেরিয়ে আসা একটি মাংসপিণ্ড তালে তালে ধুকপুক করছে। দৃশ্যটা দেখেই চমকে উঠেছিলেন ডাক্তারবাবু। হৃৎপিণ্ড যে শরীরের বাইরে। একটু স্থিতিশীল করেই সদ্যোজাতকে রেফার করে দিয়েছিলেন মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকরা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বাঁচানো গেল না বিরল শিশুটিকে। গত বুধবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের তেমাথানির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শিশুটির জন্ম হয়। সিজার করেন ডা. মানস ঘোষ। নার্সিংহোমের কর্ণধার ডা. উত্তম বারিক জানিয়েছেন, শিশুটির বুক ভেদ করে হার্ট বেরিয়ে এসেছিল। আর কোনও অস্বাভাবিকতা ছিল না। স্বাভাবিক শিশুর মতোই কাঁদছিল সে। কিন্তু দুঃখের বিষয় শিশুটিকে বাঁচানো যায়নি। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর মেডিক্যাল থেকে বুধবার রাতেই শিশুটিকে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মেডিক্যাল বোর্ড বসে। সিদ্ধান্ত হয়, অস্ত্রোপচার করে শিশুটির হার্ট ভিতরে ঢোকানোর চেষ্টা হবে। কিন্তু তার আগেই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে মৃত্যু হয়। বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. প্রভাস প্রসূন গিরি জানিয়েছেন, “আমি জীবনে একবারই দেখেছি এমন শিশু। এই রোগকে বলে ‘এক্টোপিয়া কর্ডিস’। বিদেশে হলে তবু বাঁচে। এখানে বাঁচানো মুশকিল। আসলে, হার্ট বুকের ভিতরে ঢোকানোর মতো ‘স্পেস’ পাওয়াই মুশকিল।” জানা গিয়েছে, প্রতি ১০ লাখে এমন একটি শিশুর দেখা মেলে বিশ্বে। এতটাই বিরল। কয়েকদিন আগে কলকাতার চিত্তরঞ্জন সেবাসদনে ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র, পাকস্থলি শরীরের বাইরে নিয়ে জন্মগ্রহণ করে এক শিশু। শিশুটির নাভিমূল থেকে একটি বড় থলির মতো অংশ বেরিয়ে এসেছে। শিশুটির পুরুষাঙ্গ ও যোনি দু’টোই ছিল। এবার হার্ট শরীরের বাইরে নিয়ে জন্মাল তেমাথানির শিশুটি। ডাক্তারদের মত, ইউএসজি-তে এই অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লে ভাল হত। অস্ত্রোপচার করে এই শিশুদের সুস্থ করা খুব মুশকিল। তাছাড়া আরও অনেক অস্বাভাবিকতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সূত্র: কোলকাত ২৪এমজে/

২৪ নয়, ২৫ ঘণ্টায় হবে একদিন

চাঁদ ক্রমেই পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। যে কারণে পৃথিবীর আহ্নিক গতিতে পরিবর্তন আসছে। তাই অদূর ভবিষ্যতে ২৪ ঘন্টায় নয়, ২৫ ঘণ্টায়ই হবে এক দিন। এমনটাই জানালেন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. স্টিফেন মায়ারস।  ড. মায়ারসের সঙ্গে সহমত পোষন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের  কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালবার্তো শিলিনভেরনোও। সম্প্রতি তারা এ বিষয়ে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে, যা ভাবিয়ে তুলেছে অন্য গবেষকদের।ড. মায়ারস বলেন, পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক নিয়ে শিলিনভেরনোর সঙ্গে আমি অনেকদিন কাজ করেছি। প্রায় ১৪০ কোটি বছর আগের পাথরের নমুনা পরীক্ষা করে আমরা চেষ্টা করেছি প্রাচীন ভৌগোলিক সময়সীমা সম্পর্কে ধারণা নিতে। আমরা নিশ্চিত, চাঁদ একসময় পৃথিবীর আরও অনেক কাছে ছিল এবং এক দিনের সময় ছিল বর্তমানের চেয়ে কম। তিনি বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের দূরত্ব ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৩৯৯ কিলোমিটার। প্রতিবছর চাঁদ পৃথিবী থেকে ৩.৮২ সেন্টিমিটার দূরে সরে যাচ্ছে।এদিকে ড. মায়ারসের এই বক্তব্য নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই বলছেন, সময় এক ঘণ্টা বাড়লে এক দিনে অনেক বেশি কাজ করা যাবে। প্রসঙ্গত, চাঁদের সঙ্গে দূরত্বের ওপর পৃথিবীর আহ্নিক গতি অনেকটা নির্ভরশীল। একটা সময় চাঁদ ছিল পৃথিবীর অনেক কাছে। তখন পৃথিবী নিজ অক্ষে একবার পাক খেতে সময় নিত প্রায় ১৮ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। চাঁদ ক্রমেই দূরে সরে যাওয়ায় পৃথিবীর আহ্নিক গতিতে এসেছে পরিবর্তন। এখন ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড অর্থাৎ প্রায় ২৪ ঘণ্টায় এক দিন। সূত্র : এক্সপ্রেস ইউকে।/ এআর /

৮০ প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে তিমির মৃত্যু

৮০টি প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে মৃত্যু হয়েছে বিরল প্রজাতির এক তিমির। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের ঘটনা এটি। থাইল্যান্ডের সাংখালী প্রদেশের এক খালে তিমিটিকে প্রাথমিক অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়। পরে বমি করিয়ে পাঁচটি ব্যাগ বের করা সম্ভব হয়েছে। বাকিগুলো তিমির পেটেই থেকে যায়।তবে সমুদ্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্লাস্টিকের ব্যাগগুলোর ওজন প্রায় ৮ কেজির মতো। কিন্তু তিমির পক্ষে এটা খাবার ভেবে খাওয়া অসম্ভব ছিল। পরিসংখ্যান বলছে, থাইল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষই প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করেন। গত কয়েক মাসে সরকার প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারের হার কমানোর ঘোষণা দেয়।পাইলট হোয়েল প্রজাতির তিমিটিকে গত সোমবার থাইল্যান্ডের ‘না থাপ খালে’ পাওয়া যায়। তিমিটি তখন সাঁতার কাটতে পারছিল না। বিশেষজ্ঞরা তাকে পরীক্ষা করে দেখেন সে একই সঙ্গে ৮০টির মতো ব্যাগ খেয়েছে। সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী থান থমরননাভাসাওয়াত বলেন, আমরা তিমিটিকে ভালো খাবার খাইয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তার পেটে ৮০টির মতো প্লাস্টিক ব্যাগ থাকায় বাঁচানো যায়নি।/ এআর /

ইউরোপে সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীর প্রাণদণ্ড

মৃত্যুদণ্ড। মানুষের নয়, গাভীর। অপরাধ সীমান্ত পার হওয়া! এটি সৌদির মতো রাজতান্ত্রিক দেশে নয়, প্রগতিশীল ইউরোপের ঘটনা। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত পার হওয়ায় এক গর্ভবতী গাভীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।মানুষের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে যেখানে তুমুল বিতর্ক সেখানে একটি অবলা প্রাণীকে তুচ্ছ অপরাধে প্রাণদণ্ড দেওয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, পেনকা নামের ওই গাভীটির তিন সপ্তাহ পর বাচ্চা প্রসব করার কথা। সম্প্রতি গাভীটি বুলগেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম কপিলোভস্তিতে তার পাল থেকে বের হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অসদস্য দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পরেই অবশ্য গাভীটি তার মালিক হারাম্পিয়েভের কাছে ফিরে আসে। কিন্তু ততক্ষণে তার আইন ভাঙার কথা এক কান দু’কান করে ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। আর এতেই বাড়ে বিপত্তি। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ইইউ আইন অনুযায়ী, গাভীটির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে বুলগেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। পশু চিকিৎসক লিউবোমিরভ বলেন, ‘আসলে এসব ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা শুধুই আইনের বাস্তবায়ন করি। আইন তো পাস হয় সেই ব্রাসেলস থেকেই।’রক্ষণশীল দলের এমপি জন ফ্ল্যাক এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ ও ইইউর প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও তাজানির কাছে চিঠি লিখেছেন। তিনি বলেছেন, কঠোর আইনের নামে এই অযাচিত হস্তক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে বন্ধ করা উচিত। চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশন নামে একটি গ্রুপ গাভীটির ব্যাপারে ছাড় দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পেনকার ঘটনায় ইইউ কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের জন্য যে ছাড় দেয়া হয়, তা দেননি, আর পেনকার মালিক ইতিমধ্যে উন্মাদপ্রায়।’ পেনকার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ প্রণীত এ ধরনের অদ্ভুত আইন পরিবর্তনে একটি পিটিশনও আহ্বান করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পিটিশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৮ হাজার ব্যক্তি। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট / এআর /

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ আইসক্রিম

দেখে মনে হবে রেলগাড়ি। যাত্রীরা সবাই সিগনালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। আদতে এটি একটি আইসক্রিম। হ্যাঁ ব্যাপারটি অবাক হওয়ার মতোই। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসক্রিম এটি। একেবারে ১৩৮৬ দশমিক ৬২ মিটার দীর্ঘ! আইসক্রিমটি তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। চার হাজার লোক আইসক্রিমটির স্বাদ নিয়েছে। ইতোমধ্যে এটি গিনেজ বুক অব রেকর্ডসে তালিকাভুক্ত হয়েছে।দেশটির টেক্সাস উৎসব উপলক্ষে বানানো হয়েছে এই বিশেষ মাপের ডেজার্ট। এটি তৈরি করতে কাজ করেছেন কয়ের হাজার ভলান্টিয়ার। সম্প্রতি টেক্সাস উৎসব উপলক্ষে বিশালাকার এই আইসক্রিম তৈরি করা হয়। কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবকের অবদান রয়েছে এই ডেজার্টটি তৈরির পেছনে। আইসক্রিমটির দৈর্ঘ্য ছিল ১৩৮৬ দশমিক ৬২ মিটার। বিশালাকার এই আইসক্রিমটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০০ গ্যালন ভ্যানিলা ও ক্যান্ডি ক্রাঞ্চ চকোলেট, ৩০০ গ্যালন চকোলেট ও স্ট্রবেরি সিরাপ। আর সুস্বাদু করতে ব্যবহার করা হয়েছে দুই হাজার ক্যান হুইপ্ট ক্রিম, ২৫ পাউন্ড স্প্রিংকলস ও ২০ হাজার চেরি ফল।আইসক্রিমটি সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে কিনা ও সব উপাদান সমানভাবে আছে কিনা পরীক্ষা করতে উৎসবে ছিলেন গিনেস বুক অব রেকর্ডের বিচারক ক্রিস্টিনা কোনলোন। তার পরীক্ষার পরেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। গিনেস বুক অব রেকর্ডের বিশেষ সম্মাননার পর ঘটনা উপস্থিত প্রায় চার হাজার মানুষ এর স্বাদ উপভোগ করেন। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে উৎসবে উপস্থিত ওই ৪ হাজার মানুষ সেই আইসক্রিম চেটে-পুটে সাফ করে দেন।সূত্র : ডেইলি হান্ট।/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি