ঢাকা, সোমবার, ১৮ জুন, ২০১৮ ২৩:২৩:৩৯

বিনামূল্যে গেমস অ্যাপস ডেভেলপ প্রশিক্ষণ পাবে ১৬ হাজার শিক্ষার্থী

বিনামূল্যে গেমস অ্যাপস ডেভেলপ প্রশিক্ষণ পাবে ১৬ হাজার শিক্ষার্থী

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন আইসিটি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৬ হাজার ১০০ তরুণ ডেভেলপারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। উদ্বোধনকালে আইসিটি মন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করতে মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশন দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, প্রাথমকিভাবে পাঁচ মাসব্যাপী এ প্রশিক্ষণে প্রথম দফায় বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩০ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পর্যায়ক্রমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, দেশে প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ কম থাকায় প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতা কাজে লাগাতে বর্তমান সরকার তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। ডিজিকন টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মোবাইল গেম ও অ্যাপ্লিকেশনের পকল্প পরিচালক, কেএম আবদুল ওয়াদুদ এবং উপপ্রকল্প পরিচালক শেখ খলিলুর রহমানও বক্তব্য দেন। একে//
থাকা খাওয়ার সুবিধাসহ পাঁচ বিষয়ে ফ্রি প্রশিক্ষণ

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কারিগরি প্রতিষ্ঠান হাতে কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা প্রশিক্ষণ একাডেমি নারীদের জন্য বিনামূলে  পাঁচ বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থ্যা করেছে। গাজীপুরের জিরানীতে অবস্থিত এই একাডেমি প্রশিক্ষানার্থী ভর্তির করার জন্য বাংলাদেশের যেকোনো এলাকার ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী নারীদের দরখাস্ত করার জন্য আহবান করেছে। প্রতিষ্ঠানটি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত।আবাসিক প্রশিক্ষণার্থীদের নিরাপত্তাসহ  সুশৃঙ্খল পরিবেশে বিনামূল্যে থাকা ও খাওয়ার সু-ব্যবস্থা আছে। মাসিক ৩০০ টাকা হারে ভাতাও দেওয়া হবে। যেসব কোর্সে প্রশিক্ষণ দেবে- ১) কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন। আসন সংখ্যা ৬০ টি।কোর্সের মেয়াদ ৩ মাস। যোগ্যতা এইচ.এস.সি/ সমামান পাশ হতে হবে। ২) ড্রেস মেকিং এন্ড টেইলারিং। আসন সংখ্যা ৩০ টি।কোর্সের মেয়াদ ৩ মাস। যোগ্যতা ন্যূনতম এস.এস.সি/ সমমান পাশ হতে হবে। (বিশেষ ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য) ৩) ইন্ডাস্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেটর ও মেইনটেনেন্স। আসন সংখ্যা ৩০  টি। কোর্সের মেয়াদ ৩ মাস। যোগ্যতা ন্যূনতম এস.এস.সি/ সমমান পাশ হতে হবে। ৪) বিউটিফিকেশন।আসন সংখ্যা ৩০  টি। কোর্সের মেয়াদ ৩ মাস। যোগ্যতা ন্যূনতম এস.এস.সি/ সমমান পাশ হতে হবে।(বিশেষ ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য) ৫) মোবাইল ফোন সার্ভিসিং এন্ড ইন্টারনেট। আসন সংখ্যা ১০ টি। কোর্সের মেয়াদ ৩ মাস। যোগ্যতা ন্যূনতম এস.এস.সি/ সমমান পাশ হতে হবে।(বিশেষ ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য) ভর্তি পরীক্ষার গ্রহণের তারিখ ৩ জুলাই, ২০১৮। যা যা প্রয়োজন *আবেদনের সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, জন্ম নিবন্ধনের সনদপত্র, আবেদনকারীর তিনি কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং অভিভাবকের (যিনি হোষ্টেলে অবস্থান কালে দেখাশুণা করবেন) এক কপি ষ্ট্যাম্প ও ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। *ভর্তির ১০ দিনের মধ্যে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্ধারিত ফি বাবদ ৪৫০ টাকা কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে (সরকারী বাজেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রশিক্ষণ শেষে ফেরত দেওয়া হবে।    যোগাযোগের ঠিকানা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা প্রশিক্ষণ একাডেমি, জিরানী, গাজীপুর। এছাড়াও বিস্তারিত জানতে ০১৭১২৯০০০৭৮, ০১৭৭৭৫৭৪৮০৯, ০১৭৯৯৩৩৬৯১৩ এবং ০১৭১১৮৬৯১১৪ নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন।  এমএইচ/ এআর

বিনামূল্যে নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ‘মহিলা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ নারীদের জন্য বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি প্রার্থীকে সরকারি সার্টিফিকেট এবং ভাতা প্রদান করা হবে। বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ তুলাতলায় অবিস্থত মহিলা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ৪ টি বিষয়ে এ প্রশিক্ষণ দেবে।   কোর্সের নাম ১) ড্রেস মেকিং এন্ড টেইলরিং শিক্ষাগত যোগ্যতা জে.এস.সি/জে.ডি.সি/সমমান ২) কম্পিউটার অফিস এ্যাপ্লিকেশন শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এস.এস.সি পাস/সমমান ৩) বিউটিফিকেশন (বিউটি পার্লার) শিক্ষাগত যোগ্যতা জে.এস.সি/জে.ডি.সি/সমমান ৪) আধুনিক গার্মেন্টস (সুইং মেশিন মেইনটেনেন্স ও অপারেশন) শিক্ষাগত যোগ্যতা জে.এস.সি/জে.ডি.সি/সমমান যোগাযোগের ঠিকানা মহিলা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, তুলাতলা, পো: পোলেরহাট, উপজেলা: মোড়েলগঞ্জ, জেলা: বাগেরহাট। আগ্রহী প্রার্থীরা এই ঠিকানায় আবেদনপত্র সরাসরি/হাতেহাতে জমা দিতে পারবেন। আবেদনপত্র প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট www.watibagerhat.gov.bd থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আবেদনের সময়মীমা আগ্রহী প্রর্থীরা ৩০ জুন, ২০১৮ তারিখের মধ্যে অফিস চলাকালিন সময়ে আবেদনপত্র পাঠাতে পারবেন। এছাড়াও বিস্তারিত তথ্যের জন্য-০১৭৮৪৩১৩৪৯৯, ০১৭১১০৫৯৮০৭, ০১৭১৮৬৬৪৯৯৮, ০১৭১৭৮১০৪০৬ এবং ০১৭২১৮৫৪৭৭১ নাম্বারে যোগাযোগ করুন। এমএইচ/এসি      

নারীদের বিনামূল্যে চার বিষয়ে প্রশিক্ষণ

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রুপান্তর করার লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন কারিগরি প্রতিষ্ঠান হাতে কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে।এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নারীদের জন্য বিনামূলে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থ্যা করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো কর্তৃক পরিচালিত। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্কিলস এন্ড ট্রেনিং এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট STEP এর সহায়তায় এ প্রশিক্ষণ দেবে। ৬ মাস মেয়াদী এ প্রশিক্ষণ চলবে চলতি বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সেশনে। যে সব কোর্সে প্রশিক্ষণ দেবে- ১) আর্কিটেকচারাল ড্রাফটিং উইথ অটোক্যাড(2D, 3D) সময়: বিকাল যোগ্যতা এস.এস.সি/ সমামান পাশ হতে হবে। বিস্তারিত জানতে: ০১৬৭২৯৯৫২৫৪ ২)  কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স সময়: বিকাল বিস্তারিত জানতে:০১৯৭৫৬১৮৮৩১ ৩)ডাইং, প্রিন্টিং এন্ড ব্লক বাটিক সময়: সকাল ৮টা এবং বিকাল বিস্তারিত জানতে: ০১৮৭৪০৪১২০১ ৪) গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং সময়:সকাল ৮টা ও বিকাল বিস্তারিত জানতে: ০১৬৮০১৫০৮১৬ ভর্তির যোগ্যতা ৮ম শ্রেণি/ জে.এস.সি/ সমমান পাশ। ভর্তি ফরম সংগ্রহ ও জমাদান- আগ্রহী প্রার্থীরা ২৬ জুন, ২০১৮ তারিখ পর্যন্ত ভর্তি ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন। পরীক্ষা, ফলাফল ও ক্লাস পরীক্ষা নেওয়া হবে ১ জুলাই, ২০১৮ তারিখ এবং ফলাফল দেওয়া হবে ২ জুলাই, ২০১৮ তারিখ ১২ টার পর।ক্লাস শুরু হবে ৫ জুলাই, ২১০৮ তারিখ। যোগাযোগের ঠিকানা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, টেকনিক্যাল মোড়, মিরপুর রোড, দারুস সালাম রোড, ঢাকা-১২১৬।   এমএইচ/ এআর            

বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেবে বিটাক  

মেশিনশপ প্র্যাকটিস, ওয়েল্ডিং ও ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স এসব বিষয়ে আমাদের দেশে প্রশিক্ষিত তেমন কোন দক্ষ কর্মী নেই বললেই চলে। যদিও দেশের অনেক যুবক এই ধরণের কাজের সাথে যুক্ত রয়েছে। অভিজ্ঞতার অভাবে অনেক সময় ওয়েল্ডিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায়। আমাদের দেশের বেকার যুবকদের এসব বিষয়ে যদি স্বচ্ছ ধারণা থাকতো তাহলে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হতো। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একদিকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে যেমন মুক্তি পাওয়া যেত, তেমনি এই প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে গিয়ে ভালো উপার্জন করতে পারতো। বিশ্ববাজারে এ সব খুঁটিনাটি কাজের বিপুল চাহিদা রয়েছে। সে লক্ষে সরকার সমাজের অনগ্রসর তরুণদের জন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  বাংলাদেশ ব্যাংকের স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট কর্মসূচী (সেপ) এর অর্থায়নে মেশিনশপ প্র্যাকটিস, ওয়েল্ডিং ও ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স বিষয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।      বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তাকেন্দ্র (বিটাক) ঢাকা ও বগুড়া কেন্দ্র এ প্রশিক্ষণ দেবে।   প্রকল্প পরিচালক ড. এহসানুল করিম বলেন, ‘স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট কর্মসূচী (সেপ) অর্থায়নে মেশিনশপ প্র্যাকটিস, ওয়েল্ডিং ও ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেন্যান্স বিষয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আমাদের দেশে এখন অনেক কর্মক্ষম শিক্ষিত- অর্ধশিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে যারা কর্ম সংস্থানের অভাবে তারা বিপথে যাচ্ছে। যদি এদের কে এসব প্রশিক্ষণের আওতায় আনা যায় তবে দেশের অর্থনীতি আরও বেগবান হবে। সরকার তরুণদের প্রশিক্ষিত করতে অনেক গুলো উদ্যোগ নিয়েছে তাঁর মধ্যে এই প্রকল্প অন্যতম।’   শিক্ষাগত যোগ্যতা এই তিনটি বিষয়েই ভর্তির যোগ্যতা ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি বা জেএসসি পাস। ঢাকা কেন্দ্রের প্রার্থীদের বয়স ন্যূনতম ১৫ বছর এবং বগুড়া কেন্দ্রের প্রার্থীদের বয়স কমপক্ষে ১৭ বছর হতে হবে। ভর্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে সমাজের দরিদ্র, অনগ্রসর, সুবিধাবঞ্চিত, প্রতিবন্ধী ও মহিলা প্রার্থীদের। প্রশিক্ষণের মেয়াদকাল   চার মাস মেয়াদি এ প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রতি ট্রেডে প্রশিক্ষণ পাবেন ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী। আবেদন করবেন যেভাবে প্রশিক্ষণার্থীকে অবশ্যই বিটাকের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে বিটাকের ওয়েবসাইট (www.bitac.gov.bd) এবং ফেসবুক পেইজ www.facebook.com/bitachq থেকে সংগ্রহ করা যাবে। কেন্দ্র দুটির ভর্তি শাখায়ও ফরম পাওয়া যাবে।  তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮ কেন্দ্রের ভর্তি ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩ জুন। ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য একই দিনে সকাল ৯টায় নেওয়া হবে মৌখিক পরীক্ষা। সান্তাহার রোড, কারবালা, নিশিন্দারা, বগুড়া-৫৮০০ কেন্দ্রের ভর্তি শাখা থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে।  আগামি ২৯ মে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে ৩০ মে এবং একই দিন ফল প্রকাশ করা হবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে অন্যান্য দিন ক্লাস নেওয়া হবে।   ভাতা ও সনদ কোর্সে অংশ নিতে কোনো ফি দিতে হবে না। ক্লাসে উপস্থিতির ভিত্তিতে দেওয়া হবে ভাতা। ঢাকা কেন্দ্রের প্রার্থীদের তিন মাসের থিওরিটিক্যাল ক্লাস শেষে তিন হাজার টাকা এবং এক মাসের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস শেষে দেওয়া হবে এক হাজার ৫০০ টাকা। এছাড়া পাওয়া যাবে আবাসন সুবিধা। তবে আবাসন সুবিধা না দিতে পারলে কোর্স শেষে এককালীন ৩৫০০ টাকা দেওয়া হবে । বগুড়া কেন্দ্রের প্রার্থীদের উপস্থিতি হিসাবে প্রতিদিন ১০০ টাকা হারে ভাতা দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে সনদ। কোর্স শেষে চাকরির বিষয়েও বিটাক থেকে সহযোগিতা করা হবে। যোগাযোগ : প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য ঢাকা কেন্দ্র ০২-৮৮৭০৫৬২ এবং বগুড়া কেন্দ্রের ০১৭২৮৬২১৪৩৮ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। কেআই/এসি       

সরকারিভাবে জর্দান নেবে ১৪০০ কর্মী

বাংলাদেশ থেকে জনবল নেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্দান। স্বল্প খরচে ১৪৪৭ জনকে নেবে। বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে গার্মেন্ট খাতে এ জনবল নেওয়া হবে। এসব লোকবল নেবে জর্দানের পাঁচটি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান। কোন কাজে কতজনমেশিন অপারেটর পদে ১২৭১ জন, লিংকিং অপারেটর পদে ১২৫ জন, সুইং মেশিন অপারেটর পদে ৫০ জন, ওয়েলফেয়ার অফিসার পদে একজনসহ মোট ১৪৪৭ জন কর্মী পাঠানো হবে। জর্দানের পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ক্লাসিক ফ্যাশন অ্যাপারেল ইন্ডাস্ট্রি, সেঞ্চুরি মিরাকেল, রেইনবো টেক্সটাইল, গ্যালাক্সি অ্যাপারেল ও এটাটেকস ফরেন ট্রেড বাংলাদেশ থেকে এসব কর্মী নেবে।বাছাইয়ের দিনবোয়েসেলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, বাছাই পরীক্ষায় হাজির হওয়ার দিন সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে জীবনবৃত্তান্ত, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, মূল পাসপোর্ট এবং পাসপোর্টের ছবিযুক্ত অংশের এক সেট রঙিন ও চার সেট সাদা-কালো ফটোকপি। রেইনবো টেক্সটাইল এলএলসির জন্য দুই কপি রঙিন ছবি হলেই চলবে। এ ছাড়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অভিজ্ঞতার সনদ (যদি থাকে), বর্তমানে কর্মরত অফিসের পরিচয়পত্র, পরিচয়পত্র না থাকলে হাজিরা কার্ড সঙ্গে নিতে হবে।যোগ্যতা মেশিন অপারেটর পদে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে। থাকতে হবে যেকোনো তৈরি পোশাক কারখানায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের অভিজ্ঞতা। লিংকিং অপারেটর পদে আবেদন করতে এ পদেও চাওয়া হয়েছে একই যোগ্যতা। ওয়েলফেয়ার অফিসার পদে স্নাতক হতে হবে। সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলা, লেখা ও কম্পিউটারে দক্ষতা থাকা চাই। সব পদে বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩০-এর মধ্যে। প্রার্থীকে বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী হতে হবে এবং থাকতে হবে পাসপোর্টের মেয়াদ।বেতনপ্রায় সবগুলো প্রতিষ্ঠানেই নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীদের থাকা-খাওয়া, প্রাথমিক চিকিত্সাসহ প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা দেবে। চাকরিতে যোগদানের বিমানভাড়া এবং চাকরি শেষে দেশে ফেরার বিমানভাড়া নিয়োগকারী কম্পানি বহন করবে।যোগাযোগএ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করুন বোয়েসেল, প্রবাসী কল্যাণ ভবন (পঞ্চম তলা), ৭১-৭২ ইস্কাটন গার্ডেন রোড (রমনা থানার পশ্চিম পাশে), রমনা, ঢাকা-১০০০।ফোন : ০২-৯৩৩৬৫০৮, ৯৩৬১৫১৫ ও ৯৩৬১১২৫ওয়েব : www.boesl.org.bd/ এআর /

দক্ষ কর্মীর অভাবে বাংলাদেশের চাকরির বাজারে বিদেশিদের দাপট

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদেশি কর্মীদের মাধ্যমে দেশ থেকে প্রতিবছর কয়েকশো কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। শুধু ভারতেই যাচ্ছে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। তারা বলছেন, দক্ষ জনশক্তির অভাবেই বাংলাদেশ কোটি কোটি ডলার হারাচ্ছে। বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্যবসায়ী নেতা ফজলুল হক বলছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানি, গার্মেন্টস, ওষুধ কোম্পানি কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কাজ করছেন অনেক বিদেশি নাগরিক। তিনি জানান, এসব কর্মীদের মধ্যে শীর্ষে আছে ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা। এর পরে পাকিস্তান, ফিলিপিন, কোরিয়া ও চীন থেকে আসা কর্মীরা। এই তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, দেশে মিড লেভেল ও টপ লেভেলের প্রফেশনালদের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত হয়ে আসা কর্মীরা চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে বাধ্য হয়ে বিদেশ থেকে এসব কর্মী আনতে হচ্ছে। গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ সিপিডি বলছে, তাদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের ২৪ শতাংশ তৈরি পোশাক কারখানাতে বিদেশি কর্মীরা কর্মরত আছেন। দু`বছর আগে সিপিডির আরেক গবেষণার তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে যে রেমিটেন্স যায় তার মধ্যে শুধু ভারতেই যায় ৫০০ কোটি ডলারের মতো, জানান সিপিডির গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি জানান, দক্ষতার ঘাটতির কারণেই বিদেশি কর্মীদের হাতে চলে যাচ্ছে দেশের অর্থ। কিন্তু বর্তমানে দেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর ডিগ্রি নিয়ে বের হচ্ছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। কিন্তু তারপরও কেন বাইরের দেশের কর্মীদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে? এ প্রশ্নে ব্যবসায়ী ফজলুল হক বলেন, পেশাগত দক্ষতার অভাবের পাশাপাশি ভাষা-গত দক্ষতারও অভাব রয়েছে। বিশেষ করে ইংরেজি ভাষার দক্ষতা এবং পেশাগত কৌশলের ঘাটতি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষার অভাবটাই প্রকট। আমাদের এখানে ইউনিভার্সিটিগুলোতে যে ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে সেগুলো বেশিরভাগই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে ফোকাস করে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের ফোকাসটা অন্য জায়গায়। ফলে যেরকম গ্রাজুয়েট দরকার সেরকম আমরা পাচ্ছি না। একদিকে দেশের ভেতরে বেকার এবং শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা যেখানে প্রকট সেখানে দেশ থেকে প্রবাসী অর্থ চলে যাওয়ার বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন গবেষক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম হোসেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্থে দেশ সচল করার কথা বলা হচ্ছে একদিকে কিন্তু অন্যদিকে বিদেশি কর্মীদের হাত দিয়ে দেশ থেকে চলে যাচ্ছে বহু কোটি ডলার। তার মতে, দেশের ভেতরে যারা গ্রাজুয়েট হচ্ছেন, তারাও উপযুক্ত মানসম্পন্ন নন। তাদের দক্ষতার অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, আপনি আশ্চর্য হবেন যে, এক-তৃতীয়াংশ বেকার দেখতে পাচ্ছি যারা গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন, অন্যদিকে দেশের ভেতরেই বিদেশিরা কাজ করছেন এবং দেশ থেকে অর্থ নিয়ে যাচ্ছেন। একদিকে এমপ্লয়াররা প্রফেশনাল লোক খুঁজছেন, দেশের ভেতরে পাচ্ছে না। অন্যদিকে বিদেশি প্রফেশনালরা আমাদের এখানে কাজ করছেন, আমাদের জায়গাগুলো তাদের দিয়ে দিতে হচ্ছে, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। গবেষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, তৈরি পোশাকে যে উন্নতি হয়েছে তার বড় অংশই এসেছে দক্ষ শ্রমিকদের হাত ধরে। সেখানে ম্যানেজমেন্ট লেভেলে দক্ষতার ঘাটতির বিষয়টি থেকে গেছে উপেক্ষিত। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

নির্মাণ খাতে ৫ লাখ শ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেবে এইচবিআরই

নির্মাণশ্রমিকদের দক্ষতা বাড়াতে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এইচবিআরআই)। প্রশিক্ষণ কাজ এগিয়ে নিতে এরইমধ্যে ৮০জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এভাবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে মোট ৩৮৪ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। যারা জেলা পর্যায়ে গিয়ে ট্রেইনার হিসেবে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের পাঁচ লাখ পেশাদার নির্মাণশ্রমিক তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করবেন। এইচবিআরআই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, রাজধানীর কল্যাণপুরে অবস্থিত এইচবিআরআই নির্মাণশ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিতে অর্থসহায়তাসহ প্রয়োজনীয় প্রস্তাবনা সম্প্রতি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। প্রস্তাবনাটি পরিকল্পনা কমিশন ও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে পাশ হলেই এ প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে প্রস্তবনা পাশ হওয়ার জন্য ছয় মাস সময় হাতে রেখে এরইমধ্যে প্রশিক্ষণের প্রাথমিক কাজ শুরু হয়ে গেছে। দেশব্যাপী মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য দক্ষ প্রশিক্ষক গড়ে তোলা হচ্ছে। এইচবিআরআই ভবনে এরইমধ্যে তিনধাপে ৮০ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রতিটি জেলা থেকে ২জন ডিপ্লোমা ইন সিভিল এবং ৪জন ডিপ্লোমা ইন ইলেক্ট্রনিক্স হিসেবে মোট ৩৮৪ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ প্রকৌশলী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করা হবে। এরপর প্রশিক্ষিত প্রকৌশলীরা দেশের ৬৪ জেলায় মাঠ পর্যায়ের নির্মাণ শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দেবেন। প্রকল্পের বিষয়ে কথা হয় প্রকল্পটির সমন্বয়ক ও এইচবিআরআইয়ের জ্যেষ্ঠ গবেষক আকতার হোসেন সরকারের সঙ্গে। নিয়োগের বিষয়ে খসড়া প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এ বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি। প্রাথমিক পর্যায়ে এখন ট্রেনিং ফর ট্রেইনার (টট) কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে গণপূর্ত, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, স্থানীয় সরকার ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ এখানে দেওয়া হচ্ছে। তারা এ প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তারা যে জ্ঞান অর্জন করবেন, তা সাধারণ শ্রমিকদের শেখাবেন। আমাদের আলোচনা চলছে। প্রতি জেলার পিডব্লিউডি অফিসে এ প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যাপারে। আগামী  পাঁচ বছর পর্যন্ত এ প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে। প্রশিক্ষণের পরে নির্মাণশ্রমিকদের একটি সনদপত্র দেওয়া হবে। সেই সনদ তাঁরা দেশে-বিদেশে দেখাতে পারবেন। এটি দেখালে শ্রমিকের পেশাগত দক্ষতা প্রকাশ পাবে, যা তাদের পারিশ্রমিক বাড়াতে সাহায্য করবে। জেলা পর্যায়ে প্রতি ব্যাচে ২০ জন শ্রমিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। হাতেকলমে তারা শিখবেন মোট ৬০ দিন। প্রশিক্ষণের সময় শ্রমিকেরা প্রতিদিন নাস্তা ও দুপুরের খাওয়াসহ যাতায়াতের জন্য ১০০টাকা ভাতা পাবেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ চলবে। জানা গেছে, এই প্রকল্পের জন্য সরকারের কাছে তিন হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পাঠিয়েছে এইচবিআরআই। ডিপিপি পাশ হলেই প্রকল্পের প্রশিক্ষণ কাজ এগিয়ে নিতে সারা দেশ থেকে ১ হাজার প্রকৌশলী নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু ডিপ্লোমা ইন সিভিল ও ডিপ্লোমা ইন ইলেক্ট্রনিক্স এ পাশ করা প্রার্থীরাই আবেদনের সুযোগ পাবেন। প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী আগামী ৫ বছরের জন্য অস্থায়ীভাবে এ নিয়োগ দেওয়া হবে। তবে সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের সমমানের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা থাকবে। আরকে// এআর

জনশক্তি রফতানি : অবশেষে দুয়ার খুলছে আমিরাতের

প্রায় ছয় বছর পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজার খুলতে যাচ্ছে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া একেবারেই কমিয়ে দেয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। এখন ১৯টি খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে আমিরাত। সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৬০০ ডলার (৫০ হাজার টাকা)। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ বিষয়ে দুবাইতে দেশটির সঙ্গে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই তা কার্যকর হয়েছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল। কয়েক দফায় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। চূড়ান্ত আলোচনা শেষে উভয় দেশের আগ্রহ ও সম্মতির ভিত্তিতে সমঝোতা স্মারক সই হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার বর্তমানে আরব আমিরাত সফর করছেন। সফরে তিনি বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৯ ক্যাটাগরির কর্মী নিয়োগ বিষয়ে দেশটির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। আমিরাতের পক্ষে সমঝোতায় সই করেন মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশন-এর আন্ডার সেক্রেটারী সাইফ আহমেদ আল সুআইদি। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নারী-পুরুষ উভয় শ্রেণির কর্মী যাবেন সমঝোতা স্মারকের অধীনে। তবে প্রথম পর্যায়ে শুধু নারীরা যাবেন। তবে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম জানান, নারী ও পুরুষ দুই ধরনের কর্মী যাবেন। তিনি বলেন, নারীদের কাজ করার মতো ১৯টি খাতই নেই আরব আমিরাতে।  তবে সমঝোতা স্মারকের আওতায় কত সংখ্যক কর্মী আরব আমিরাত যাবেন, তা নির্ধারণ করা হয়নি। প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী জানান, আরব আমিরাতের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী পাঠানো হবে। তাদের চাহিদার বিপরীতে রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হবে। সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। এর মধ্যে অন্যতম ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ থেকে চার লাখ ২০ হাজার কর্মী নিয়েছিল আমিরাত। পরের বছরগুলোতে বার্ষিক দুই লাখের বেশি করে বাংলাদেশি কর্মী দেশটিতে যান। ২০১২ সালে দুই লাখ ১৫ হাজার কর্মী আমিরাত যান।  কিন্তু ২০১২ সালের ১২ আগস্ট নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেয় দেশটি। এরপর থেকে পাঁচ বছর কেটে গেলেও দেশটিতে নতুন করে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ ছিল। একে//এআর

নারীদের প্রশিক্ষণ দেবে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর

বর্তমানে দেশের নারীরা ছোট ছোট উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কিন্তু পর্যাপ্ত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের অভাবে তারা অনেক সময় সফল হতে পারেন না। অথচ দেশের মোট জনশক্তির অর্ধেকই নারী। নারীকে যদি কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় তবে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়ে যাবে বহুগুণে। দেশের অর্থনীতির ভিতকে শক্ত করতে হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীকেও এগিয়ে নিতে হবে। নারীদেরকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করতে সরকার মহিলা অধিদফতরের মাধ্যমে বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নারীদেরকে আরও স্বাবলম্বী হতে সহয়তা করবে। যেসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিবে দরজি বিজ্ঞান, এমব্রয়ডারি, ব্লক-বাটিক ও টাই-ডাই বিষয়ে নারীদেরকে এ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে আবেদনকারীকে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে। প্রশিক্ষণের তথ্য প্রতি বছর তিনটি সেশনে এখানে প্রশিক্ষাণার্থী নেওয়া হয়। প্রথম সেশন জানুয়ারি থেকে এপ্রিল সেশন, দ্বিতীয় সেশন মে থেকে আগস্ট এবং তৃতীয় সেশন সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর। এ তিনটি সেশনে মোট ৩০ জন করে প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির সুযোগ পান। এই প্রশিক্ষণের মেয়াদ চার মাস। দ্বিতীয় সেশনের জন্য আবেদন করতে হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে। আবেদন ফরম পাওয়া যাবে (৩৭/৩, ইস্কার্টন গার্ডেন রোড, ঢাকা) মহিলা অধিদফতরের অফিসে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া আবেদনকারীরা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রতি ব্যাচে সর্বোচ্চ ৩০ জন ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবেন। মে মাস থেকে ক্লাস শুরু হয়ে  চলবে আগস্ট পর্যন্ত। আবেদনকারীকে প্রতিটি কোর্সের ফি বাবদ ৩৩০ টাকা প্রদান করতে হবে। তবে এর মধ্যে ২০০ টাকা জামানত জমা হিসেবে নেওয়া হবে। যা কোর্স শেষে প্রশিক্ষাণার্থীদের ফেরত দেওয়া হবে। দরজি বিজ্ঞানের প্রশিক্ষক মমতাজ বেগম বলেন,‘নারীদেরকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হাতে কলমে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নারীরা ঘরে বসেই বাড়তি আয়ের সুযোগ পেতে পারে। দুস্থ নারীদের পুনর্বাসনের লক্ষে এই অধিদপ্তর বিনামূল্যে সেলাই মেশিন সরবরাহ করে থাকে। এখানে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে নানা পেশার নারীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকেন। এই ট্রেডে কাজ শিখে অনেকে উদ্যেক্তা হয়ে নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করতে সচেষ্ট হয়েছেন।" প্রশিক্ষণ নিতে আসা আকতারা বাণু একুশে  টেলিভশন অনলাইনকে বলেন, ‘আমি পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারিনি। তাই এখানে এসে কাজ শিখে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি।’ অন্য এক প্রশিক্ষণার্থী তানজিনা বলেন, ‘আমি একজন পুলিশের বাসায় কাজ করতাম। বাহিরে কাজ করতে ভালো লাগে না। আর তাই প্রশিক্ষণ নিয়ে টেইলার্সে যেন কাজ করতে পারি সেজন্য এখানে আসা। এই প্রশিক্ষণ আমাদের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়তা করবে।” অন্য কোর্সের নাম চার মাস মেয়াদি কম্পিউটার বেসিক, উইন্ডোজ অপারেশন ও আউটসোর্সিং কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা এসএসসি। কোর্স ফি আড়াই হাজার টাকা। গ্রাফিকস ডিজাইন ও আউটসোর্সিং বিষয়ে ভর্তির যোগ্যতা এইচএসসি। কোর্স ফি পাঁচ হাজার টাকা। ওয়েব ডিজাইন কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা এইচএসসি। কোর্স ফি আট হাজার টাকা। এ সকল কোর্সের প্রতি শিফটে নেওয়া হবে ২০ জন করে। এই প্রশিক্ষণ সম্পর্কে কম্পিউটার প্রোগ্রামার ফজলে রব একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, ‘ কম্পিউটারের এই প্রশিক্ষণ কোর্স সময় উপযোগী পদক্ষেপ । সমাজের অনগ্রর নারীরা এসব কোর্স করে  স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবে। নারীরা ঘরে বসেই সেলাই কাজ এবং এডভান্সড কোর্স হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েভ ডিজাইন, আউট সোর্সিং করে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে। এখানে প্রশিক্ষণ নিয়ে কর্মজীবনে উদ্যেক্তা হয়ে বেশ সাফল্য অর্জন করেছেন অনেক নারী। প্রশিক্ষণ নিতে আসা রাবেয়া আকতার বলেন, ‘এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আউটসোর্সসিং করে নিজের আয় বাড়াতে চাই। ক্যারিয়ার গড়তে চাই। এখানে বেশ আগ্রহের সাথে শিখতে পারছি।’ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভর্তি আবেদন পত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ও স্ট্যাম্প সাইজের এক কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি যুক্ত করতে হবে। কেআই/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি