ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:৪৯:৫২

শাক-সবজির নির্যাস দিয়ে নকশী কাঁথায় রঙ [ভিডিও]

শাক-সবজির নির্যাস দিয়ে নকশী কাঁথায় রঙ [ভিডিও]

সম্পূর্ণ নিজস্ব চিন্তা ও পদ্ধতিতে মৌসুমী ফল, ফুল, পাতা ও শাকসবজির নির্যাস দিয়ে তৈরি করছেন রঙ। আর সেই রঙ পোশাক ও নকশীকাঁথায় ব্যবহার করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন নেত্রকোনার এক দম্পতি। তাদের সঙ্গে কাজ করে অনেকেই এখন বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন, ফিরছে সংসারের সচ্ছলতা। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বিসিক নেত্রকোণা। নেত্রকোণা জেলার পৌরশহরের বড়পুকুরপাড় এলাকার অতনু পত্রনবীশ ছোটন। মাত্র ৪২ বছর বয়সে শারিরীক কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন। সংসারের হাল ধরতে তার সহধর্মিনী শিউলী পত্রনবীশ তুলির একান্ত চেষ্টায় ২০০৮ সালে মৌসুমী ফল-ফুল ও শাকবজীর নির্যাস থেকে রং তৈরি করে বিভিন্ন পোশাকে ব্যবহার শুরু করেন। দৃঢ় মনোবল ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে পাড়ি দিলেন দুর্গম পথ-প্রতীক্ষীত হাসি ফুটলো শারীরিক প্রতিবন্ধী ছোটন পত্রনবীশ ও তার স্ত্রীর মুখে। তাদের তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি, থ্রিপিস, বেডশিট, পাঞ্জাবী ,শার্ট ও নকশীকাঁথার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাহিদা রয়েছে ভালো। বর্তমানে জেলার দূর্গাপুর, গূবধলা, মদনসহ বিভিন্ন গ্রামের ৬০ জন নারীকে কর্মমুখী করে তুলছেন এই দম্পতি। আর এই দম্পতির এমন উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন বিসিকের এই কর্মকর্তা।  একে// এসএইচ/
সাতক্ষীরা-খুলনা-বাগেরহাটে চিংড়ি চাষে বেড়েছে কর্মসংস্থান (ভিডিও)

সাতক্ষীরা-খুলনা ও বাগেরহাটে উৎপাদন বেশি হওয়ার পাশাপাশি দাম ভাল পাওয়ায় চিংড়ি চাষে আগ্রহ বেড়েছে। সাধারণ চাষীদের এই আগ্রহের কারণে বাড়ছে কর্মসংস্থান, আর্থিকভাবেও স্বচ্ছল হচ্ছেন চিংড়ি চাষীরা। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রাও আয় করছে সরকার। সরকারি সহায়তা পেলে চিংড়ী চাষীরা আরও বেশি লাভবান হবেন। ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে চিংড়ি। সাতক্ষীরার ছেশট্টি হাজার নয়শ’ দশ (৬৬,৯১০) হেক্টর জমিতে প্রায় পঞ্চান্ন হাজার একশ’ ১২টি ঘেরে (৫৫,১১২) চিংড়ি উৎপাদিত হয়। জেলার প্রায় ৬০শতাংশ মানুষ কোন না কোনোভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ বছরে এ জেলায় চিংড়ির উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১০হাজার মেট্রিক টন। ২০১২সালে যেখানে চিংড়ি উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৪০৮ মেট্রিক টন। সেখানে ২০১৭ সালে উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ১৪২ মেট্রিক টন। বৎসর ওয়ারী ৫ বছরের তথ্য : সাল                       উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা                       উৎপাদন ২০১৩                       ১৯,৫৪২ মে: টন                       ১৬,৫০০ মে: টন ২০১৪                       ২২,৬০৭ মে: টন                        ১৯,০৯২ মে: টন ২০১৫                       ২২,৮০০ মে: টন                       ২০,৬৮০ মে: টন ২০১৬                       ২২,১২০ মে: টন                       ২৫,৩৫৪ মে: টন ২০১৭                       ২৭,৫০০ মে: টন                       ২৭,১৪২ মে: টন এদিকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে জেলা থেকে গত কয়েক বছরে চিংড়ী থেকে আয়ও বেড়েছে। খুলনা সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা থেকে চিংড়ি থেকে আয়ের বিবরণ: ২০১৪- ২০১৫               ৩৩,৬৩৯ মে: টন মাছ               ২,৬৫১ কোটি টাকা ২০১৫-২০১৬                 ৩১,৬৮৭ মে: টন মাছ               ২,৫৪৩ কোটি টাকা ২০১৬-২০১৭                 ৩০,২১৭ মে: টন মাছ               ২,৫৮৮ কোটি টাকা জুলাই-সেপ্টেম্বর (তিনমাস)   ৮,৯২৬ মে: টন মাছ                   ৮৫৭ কোটি টাকা লাভজনক হওয়ায় জেলার মানুষ চিংড়ি চাষে আরো আগ্রহী হচ্ছে। এদিকে মৎস্য কর্মকর্তা মনে করছেন, এ শিল্প থেকে আরো বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। এ অবস্থায় চিংড়ি শিল্পে সরকারের আরো পৃষ্ঠপোষকতা দাবি করেছেন চাষীরা।   / এআর /

বগুড়ায় ট্যানারি শিল্প হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে (ভিডিও)

উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় চামড়ার বাজার বগুড়ায়। আশপাশের জেলার হাট-বাজারে জবাই করা পশুর চামড়া এনে বিক্রি করা হয় এখানে। পরে লবণজাত করে চামড়া পাঠানো হয় ঢাকার ট্যানারিগুলোতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বগুড়ায় ট্যানারি শিল্প গড়ে তোলা গেলে, চামড়ার গুণগতমান ভালো থাকার পাশাপাশি বাড়বে রফতানির সুযোগ। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার গলি এটি; মূলত চামড়াপট্টি হিসেবে পরিচিত। রোজ ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে গরু-ছাগলের চামড়া কেনাবেচা। জয়পুরহাট, গাইবান্ধাসহ কয়েক জেলার হাটবাজারে জবাই করা পশুর চামড়া জড়ো করা হয় এখানে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এখান থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ চামড়া ঢাকার ট্যানারিগুলোতে সরবরাহ করা হয়। বগুড়ায় শুধুমাত্র চামড়া লবণজাত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই এলাকায় ট্যানারি শিল্প স্থাপন করা হলে, চামড়ার পরিবহন ব্যয় যেমন কমবে, তেমনি বাড়বে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার গুণমত মান। ব্যবসায়ীরা বলছেন, উত্তরাঞ্চলের চামড়া দিয়েই বগুড়ায় ট্যানারি পরিচালনা করা সম্ভব। চামড়া শিল্পের বিকাশে পরিবেশবান্ধব ট্যানারি গড়ে তুলতে উদ্যোক্তাদের জমি বরাদ্দসহ সবধরনের সহযোগিতার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। স্থানীয়রা বলছেন, চামড়া শিল্প গড়ে উঠলে এই অঞ্চলে সুযোগ হবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের।  

সেচপাম্প চালু ও বন্ধ করতে মোবাইল ডিভাইস(ভিডিও)

বিদ্যুত চালিত সেচপাম্প চালু ও বন্ধ করতে অভিনব মোবাইল ডিভাইস সাড়া ফেলেছে চাষীদের মাঝে। মোবাইল ফোন থেকে ডিভাইসযুক্ত ফোনে রিং দিলেই চালু ও বন্ধ হয় সেচপাম্প। ফলে সাশ্রয় হচ্ছে কিছুটা বিদ্যুত। কমছে পানির অপচয়। ডিভাইসটির উদ্ভাবক মেহেরপুর সদরের শ্যামপুর গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান মনিরুল ইসলাম। মোবাইল ডিভাইস যুক্ত করে চলছে রিমোট কন্ট্রেলের কাজ। বিদ্যুৎ চালিত সেচপাম্প নিয়ন্ত্রক এই যন্ত্রটির আবিস্কারক ইলেকট্রিশিয়ান মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, সেচপাম্পে যুক্ত ডিভাইসটিতে আছে একটি সিমকার্ড। প্রায় ৩ কিলোমিটারের মধ্য থেকে ঐ সিমকার্ডের নম্বরটিতে রিং দিলে চালু হচ্ছে সেচপাম্প। আবার রিং দিলে তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ডিভাইসটি মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ব্যবহারকারী কৃষকরা জানান বাসা বা টঙ ঘরে বসে থেকেই সেচপাম্প চালু ও বন্ধ করা যাচ্ছে। ফলে বিদ্যুত সাশ্রয়ের পাশাপাশি কমছে পানির অপচয়ও। নিয়োগ করতে হচ্ছে না অতিরিক্ত শ্রমিক। মনিরুলের ডিভাইসটি উদ্ভাবনের ফলে কৃষকরা উপকার পাচ্ছেন বলে জানলেন বিএডিসি উপ-সহকারি প্রকৌশলী।           উৎপাদন খরচ কমাতে এধরনের উদ্যোগ কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখতে পারে।

সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌ-চাষে স্বাবলম্বী কৃষক (ভিডিও)

মৌ চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে গাজীপুরের বেশ কয়েকটি পরিবার। সরিষা ক্ষেতের পাশে বাক্সে মৌ-চাষের মাধ্যমে বাড়তি আয় করার সুযোগ হচ্ছে তাদের। এতে ভাগ্য ফিরেছে অনেকের। এ বিষয়ের চাষীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। জেলার কালিয়াকৈরে দেওয়াইর গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে সরিষা ক্ষেতের পাশে শুরু হয়েছে মৌ-চাষ প্রকল্প। স্থানীয় কৃষক ও উদ্যোক্তারা সরিষা ক্ষেতের পাশে একশ’ ১২টি বাক্স বসিয়ে মৌ-চাষ করছেন। কৃষকরা জানান, সরিষা ক্ষেতে মৌ-চাষের ফলে কীটপতঙ্গ ও পোকামাকড় ফসলের ক্ষতি করতে পারছে না। এর ফলে দু’ভাবেই লাভবান হচ্ছেন তারা। মৌ-মাছি সরিষা ক্ষেত থেকে মধু আহরণ করে ফিরে আসে নিধারিত বাক্সে। এভাবে এক সপ্তাহ পর সংগ্রহ করা হয় মধু। সংগৃহিত মধু স্থানীয় ক্রেতাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। সরিষা ক্ষেতগুলো মৌ-চাষের আওতায় আনতে চাষীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। এবার গাজীপুরে সরিয়া আবাদ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার একর জমিতে। এসব ক্ষেত থেকে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩ টন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে  

ময়মনসিংহে কুমির চাষে সম্ভাবনা (ভিডিও)

বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার তৃতীয় কুমির রফতানিকারক দেশ। এ অর্জনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে ভালুকার বেসরকারি কুমির চাষ প্রকল্প রেপটাইলস ফার্ম লিমিটেড। নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে কুমির চাষ। ভালুকার হাতীবেড়ি গ্রামে কুমির চাষ প্রকল্পটির শুরু একযুগেরও বেশি সময় আগে। ৫ কোটি টাকা বিনিয়োগে রেপটাইলস ফার্ম লিমিটেডের বাণিজ্যিক কুমির চাষ শুরু হয়। উদ্যোক্তা রাজিব সোম ১৩ একর জমিতে ৭৫টি মা কুমির নিয়ে শুরু করেন খামারটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৩ দফায় ১ হাজার ৩০টি কুমির রপ্তানীর পরও খামারে এখন কুমিরের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার। বর্তমানে ১৬ একরে বিনিয়োগ দাড়িয়েছে ৩০কোটিতে। প্রজনন উপযোগীঅনুকূল পরিবেশে প্রকল্পটি কাংখিত লক্ষ্য অর্জন করেছে। এই ফার্মের কুমির যাচ্ছে জার্মান ও জাপানে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের কুমিরের চাহিদাও আছে বেশ। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসলে এ খাতেও সম্ভাবনা উকি দিচ্ছে বলে জানালেন প্রাণিবিদরা। সরকার সঠিক পরিকল্পনা নিলে কুমিরও অন্যতম রপ্তানী খাত হিসেবে গড়ে উঠবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা|

কম্পোজ সার তৈরি করে স্বাবলম্বী মর্জিনা (ভিডিও)

অভাব অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী। তিন বেলা জুটতো না খাবার। এখন বর্গা নেওয়া জমিতে সুগন্ধি ধান, ভুট্টা, আলু ও শাকসব্জি চাষ আর নিজের তৈরি ভার্মি কম্পোজ সার বিক্রি করে স্বাবলম্বী মর্জিনা বেগম। তার সাফল্য অনুপ্রাণিত করেছে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার অন্য নারীদেরও। একসময় চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন পায়রাবন্দের চুহড় গ্রামের কৃষাণী মর্জিনা। বর্তমানে বছরে লাখ টাকারও বেশি আয় করেন তিনি। বাস্তুভিটা ছাড়া নিজের কোন জমি ছিল না তার। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় উন্নত জাতের আলু, ভুট্টা, সুগন্ধি ধান চাষ করছেন মর্জিনা বেগম। জমিতে নিজের তৈরি ভার্মি কম্পোজ সার প্রয়োগ করে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন করছেন তিনি। কৃষানি মর্জিনার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেকেই এখন স্বাবলম্বী হবার স্বপ্ন দেখছেন। এসএইচ/

চাহিদা বাড়ছে রাখাইনদের তৈরি তাঁত কাপড়ের [ভিডিও]

এক সময়, নিজেদের প্রয়োজনের কাপড় বুনতো কক্সবাজারের দ্বীপ ‘মহেশখালী’র’ রাখাইন জনগোষ্ঠী’র মানুষ। বর্তমানে, এটাই তাদের আয় রোজগারের অন্যতম প্রধান উৎস। গুণে ও মানে উন্নত বলেই হস্তচালিত তাতের কাপড়ের চাহিদা বাড়ছে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বড় বড় শহরে। সরকারের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা পেলে, দেশের সীমানার বাইরে বাজার প্রসারিত হবার সম্ভাবনা আছে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সুতা ও রং মিশেলে বিভিন্ন ধরনের শাল, বেডসিট, ফতুয়া, গজ কাপড়সহ হরেক রকমের কাপড় তৈরির ব্যস্ততা, কক্সবাজারের দ্বীপ ‘মহেশখালী’র রাখাইন পল্লীর। আদিনাথ মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরের দর্শনার্থীরা আগ্রহ ভরে কেনেন এসব কাপড়। উপকরণ দু একটা কেনা; বাদবাকীসব প্রক্রিয়ায় নিজেরা যুক্ত বলে, লাভের পাল্লায় ভালোই থাকে। পরিবারের মা ও বয়োজোষ্ঠ্যদের কাছেই শেখা হয়ে যায় বলেই পরিবারের নবীন সদস্যদের বাইরে কোথাও যেতে হয় না। ক্রমশ এই কাপড়ের চাহিদা’র ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়ছে, দেশজুড়ে। ”এক জেলা;একটি পণ্য”, ব্রান্ডিং করতে, সরকারের প্রচেষ্টা চালু আছে, সেই হিসেবে এই কাপড় তৈরী করেছে নতুন সম্ভাবনার, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। এখন শুধু প্রয়োজন সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ ও বিপনন ব্যবস্থাকে আরো ঠেলে সাজানো।

পর্যটন শিল্পে বিপ্লব ঘটাবে ৩ পর্যটন পার্ক

বছরে অতিরিক্ত দুই বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি করতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে তিনটি পর্যটন পার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এ ট্যুরিজম পার্কগুলো স্থাপনের ফলে আগামী ৮ বছরের মধ্যে দুই লাখ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্পে বাংলাদেশ অবস্থান বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ের ১২৭ থেকে দুই ডিজিটের ঘরে চলে আসবে। এ তিনটি পর্যটন পার্ক বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে বিপ্লব ঘটবে বলে মনে করছেন সংশিষ্টরা। ইতোমধ্যে বেজা কর্তৃক নাফ ট্যুরিজম পার্কের উন্নয়ন কাজ হাতে নিয়েছে। আর সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অপরদিকে সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক স্থাপনেরর উদ্দেশ্যে বেজা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় করছে। তাছাড়া সেখানে বসবাসরত ৩৩৩টি পরিবারকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় আনতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ তিন চ্যুরিজম পার্ক স্থাপনে অনেক আগেই প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেয়েছে বেজা। এক নজরে তিনটি পার্ক নাফ ট্যুরিজম পার্ক পর্যটন নগরী কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদীর একটি মনোরম দ্বীপ জালিয়ার দ্বীপ। এই দ্বীপের মোট ২৯১ একর জায়গার মধ্যে নাফ ট্যুরিজম পার্ক গড়ে উঠছে। পাহাড় আর নদীর বৈচিত্র্যময় দৃশ্য, নির্মল বাতাস, সুউচ্চ পাহাড়ের সৌন্দর্য দ্বীপটিকে অনন্য সাধারণ রূপ দিয়েছে। নাফ পর্যটন পার্ক হবে দেশের প্রথম বিশেষ পর্যটন পার্ক। পার্কটি সফলভাবে সম্পন্ন হলে পর্যটন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বেজা বলছে, এ পার্কটি প্রতিষ্ঠত হলে  এখানে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। নাফ ট্যুরিজম পার্কে যা থাকবে: বেজা বলছে, দৃষ্টিনন্দন এ পার্কটিতে পর্যটকদের সুবিধার্থে সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হবে। হোটেল, কটেজ, ইকো-ট্যুরিজম, ৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার ক্যাবল নেটওয়ার্ক, ভাসমান জেটি, ঝুলন্ত সেতু, শিশু পার্ক, ইকো কচেজ, ওসানোরিয়াম/মেরিন অ্যাকুয়ারিয়মের ব্যবস্থা রাখা হবে। এছাড়া আন্ডার ওয়াটার রেস্টুরেন্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্টসহ বিনোদনের সব সুবিধার ব্যবস্থাও থাকবে। পুরোদমে চলছে পার্ক উন্নয়ন কাজ: বেজা কর্তৃপক্ষ জানায়, নাফ পর্যটন পার্কে ঝুলন্ত ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ডিজাইন প্রস্তুতকরণের কাঝ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এর সম্ভাব্য উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫ কোটি টাকা। ১৯ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয়ে জেটি নির্মাণের জন্য দরপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে। ভূমি উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে। এর সম্ভাব্য উন্নয়ন কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ২৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। পার্কটিতে ২৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে বাধ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক: সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক দেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলার সাগর তীরে অবস্থিত। মোট  এক হাজার ৪১ একর জায়গার উপর পার্কটি গড়ে উঠছে। পাহাড় ও সাগরের বৈচিত্র্যময় দৃশ্য, সুদীর্ঘ বালুকাময় সৈকত এ স্থানকে সৌন্দয্যের লীলাভূমিতে পরিণত করেছে। সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি বিনোদনপ্রেমীদের অন্যতম আর্ষণীয় স্থানে পরিণত হবে বলে মনে করছেন পার্ক নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা। আর পার্কটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে দেশের পর্যটন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এখানে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ৭০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বেজা কর্তৃপক্ষ।  যা থাকছে পার্কটিতে: সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটিতে পাঁচ তারকা হোটেল, ইকো-ট্যুরিজম, মেরিন অ্যাকুরিয়াম, সি-ক্রুজ, বিদেশি পর্যটকদের জন্য বিশেষ সংরক্ষিত এলাকা, সেন্টমার্টিনে ভ্রমণের বিশেষ ব্যবস্থা, ভাসমান জেটি, শিশু পার্ক, ইকো-কটেজ, ওসানেরিয়াম, আন্ডার ওয়াটার রেস্টুরেন্ট, ভাসমান রেস্টুরেন্টসহ নানা বিনোদনের সুবিধা রাখা হবে। সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক: কক্সবাজারের সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্কটি মহেশখালি উপজেলার সোনাদিয়া, বিজয় একাত্তর ও সমুদ্র বিলাস মৌজায় অবস্থিত। পার্কটি মোট ৯ হাজার ৪৬৭ একর জায়গার উপর গড়ে উঠছে। পার্কটি নির্মাণের জন্য বেজা কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সমীক্ষার কাজ হাতে নিয়েছে। পার্কটি পরিবেশ বান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিকভাবে মোট জমির ৩০ শতাংশ  জায়গা ব্যবহাররের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যাতে পরিবেশের উপর কোন প্রভাব না পড়ে। বেজা অভিযোগ করে বলছে, এখানে অবৈধভাবে বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দারা অবৈধভাবে ঘের নির্মাণ করে মাছ চাষ করছেন। এটা পরিবেশে ও জীববৈচিত্রের জন্য হুমকি স্বরুপ। ইকো-ট্যুরিজম পার্ক নির্মাণের ফলে একদিকে যেমন অবৈধভাবে ঘের পরিচালনা বন্ধ হবে অন্যদিকে পরিকল্পিত ট্যুরিজমের ফলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের সুযোগ তৈরি হবে। সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্কের বৈশিষ্ট্য: পার্কের মোট বালুকাময় সমুদ্র তীরের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ২ কিলোমিটার। কক্সবাজারের ২ দশমিক ৬ কিলোমিটারের মধ্যে পার্কটির অবস্থান। এখানে থাকছে ঝাউবনের মনমাতানো ঝিরিঝিরি শব্দ, দৃষ্টি নন্দন লাল কাঁকড়া, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, শুটকি মাছ প্রক্রিয়াকরণ, সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ। সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড় তুলতে বেজার প্রকল্প: এখানে বসবাসরত ৩৩৩টি পরিবারকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে বেজা কর্তৃপক্ষ। সোনাদিয়া দ্বীপে নতুন করে যাতে মৎস্যঘের ও অবৈধভাবে বসতি গড়ে না ওঠে সে বিষয়ে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। সোনাদিয়া দ্বীপে বিদ্যুৎ সাবস্টেশন স্থাপনে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রয়োজনী কাজ করছে। দ্বীপ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে। দ্বীপের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড একটি পরিকল্পনা নিয়েছে। সেখানে তাদের স্থাপনার জন্য জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বীপের জীব-বৈচিত্র বজায় রেখে পরিবেশ-বান্ধব ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তুলতে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করা হচ্ছে। দ্বীপের উপকূলীয় অংশে ঝাউবন সৃজনের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া দ্বীপের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ টার্মিনাল স্থাপনে কাজ করছে। সুপেয় পানি নিশ্চিতকল্পে কাজ করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। এছাড়া ইকো-ট্যুরিজম পার্কে কয়েকটি অত্যাধুনিক আবাসিক কটেজ ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ ও অবৈধ দখল বন্ধে পুলিশ ক্যাম্প ও সশস্ত্র আনসার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ইটিভি অনলাইনকে বলেন, আমাদের দেশে মতো সর্ব বৃহৎ সমুদ্র সৈকত রয়েছে, সুন্দরবন, পর্বত ও নদী পৃথিবীর কম দেশেই আছে। কিন্তু দু:খের বিষয় আমাদের দেশে বিদেশি পর্যটক আসে না বললেই চলে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও বিপুল সংখ্যক পর্যটক রয়েছে। বছরে যেখানে ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ এদিক-সেদিক যায়। আবার বাংলাদেশ থেকে শুধু ভারতেই ২০ লাখ পর্যটক ভ্রমণে যায়। এই পরিস্থিতে বিদেশি পর্যটকদের উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা দরকার। আমরা সেজন্য অনেকগুলো এক্সক্লুসিভ ট্যুরিজম পার্ক করছি। এ বিষযে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজারে আমরা একটি সেমিনারও করেছি। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আরও বলেন, কক্সবাজারে আমরা বড় ধরনের ট্যুরিজম সিটির কাজে হাত দিয়েছি। মাস্টার প্লানও করা হয়েছে। এবং সমুদ্র থেকে যাতে সেগুলোকে রক্ষা করা যায় এজন্য সম্ভাব্যতা যাচাইও (ফিজিবিলিটি স্টাডি) চলছে। তবে ট্যুরিজম সিটিটা ২ বছর পর শুরু হবে। আর ট্যুরিজম পার্ক যেটা কক্সবাজারের নাফ নদীতে এবং সাবরাং-এ। এগুলোর অল রেডি কাজ চলছে। সেখানে অনেক ডেভেলপমেন্ট হয়েছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি পর্যটন সেক্টরে গুণগত মানে বড় পরিবর্তন দেখতে পারবেন। আর/টিকে

ময়মনসিংহে হস্তশিল্পে শতাধিক প্রতিবন্ধী নারীর ভাগ্য বদল (ভিডিও)

হস্তশিল্পের কাজ শিখে ভাগ্য বদলে গেছে ময়মনসিংহের শতাধিক প্রতিবন্ধী নারীর। তাদের তৈরি দৃষ্টি নন্দন পণ্য সামগ্রী স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রফতানিও হচ্ছে। প্রতিবন্ধী কমিউনিটি সেন্টারের উইমেনস ক্লাবের কার্পেট কারখানায় প্রশিক্ষণে তারা হয়ে উঠেছেন স্ববলম্বি।  ময়মনসিংহ সদরের শেফালি আক্তার। দুই বছর বয়সে পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে হাটার শক্তি হারিয়ে ফেলে সে। বাবার মৃত্যুতে এসএসসির বেশি লেখাপড়া করতে পারেনি। ২০০৪ সালে শেফালির ঠাঁই মেলে ময়মনসিংহ প্রতিবন্ধী কমিউনিটি সেন্টারের উইমেনস ক্লাবের কার্পেট কারখানায়। এখানেই তার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। এরই মধ্যে ফ্রান্স সফর করেছেন। শেফালি এখন আত্মবিশ্বাসী। শুধু শেফালিই নয়, তার মতো আরও শতাধিক নারী কাজ করছেন উইমেন্স ক্লাবের কার্পেট ও হস্তশিল্প কারখানায়। তাদের হাতে তৈরি পণ্য এখন রফতানি হচ্ছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, আমেরিকা, জাপানসহ প্রায় ১০টি দেশে। তবে কার্পেট তৈরিসহ হস্তশিল্পের কাজ জানা সব প্রতিবন্ধী নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারছে না উইমেনস ক্লাব। প্রতিবন্ধী নারীদের স্বাবলম্বী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসবেন এমনটাই প্রত্যাশা সবার। এসএইচ/

ঘাস চাষে সাবলম্বী কৃষক গফুর শেখ (ভিডিও)

মেধা আর শ্রম দিয়ে দরিদ্রতাকে জয় করেছেন আবদুল গফুর শেখ। নেপিয়ার ঘাস চাষ করে দিনমজুর থেকে হয়েছেন প্রায় কোটি টাকার মালিক। সেইসঙ্গে পাল্টে দিয়েছেন একটি জনপদের চিত্র। তাকে দেখে গ্রামের অনেকেই নেপিয়ার চাষে উদ্যোগী হয়েছেন, হয়েছেন স্বাবলম্বী। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর সুলতানপুর, বাড়ইপাড়া, কিশোরগাড়ী, প্রজাপাড়া বড়শিমুলতলা, দীঘলকান্দি, কাশিয়াবাড়ীসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩শ’ একর জমিজুড়ে চাষ হয়েছে নেপিয়ারঘাস। যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজের গালিচা। আব্দুল গফুর শেখ ২০০৭ সালে নেপিয়ার ঘাসের চাষ শুরু করেন । এর পর তাকে তার পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি । আগে অন্যের জমিতে কাজ করতেন আব্দুল গফুর এখন তার জমিতেই কাজ করছে অনেকে। নেপিয়ার চাষ করে দারিদ্রতাকে জয় করেছেন তিনি। কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য জেলা পর্যায় ও ২০১৪ সালে পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষিপদক। গফুর শেখকে দেখে ঘাষচাষে উদ্ধুদ্ধ হয়েছেন গ্রামের বহু বেকার যুবক। তারা ঘাস চাষ করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। কৃষি অধিদফতর বলছে, নেপিয়ার ঘাসের চাষ সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে কৃষি ক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি অনেক বেকার যুবকের কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে । কৃষি সম্প্রসারন অধিদফতরের উপ পরিচালক মো. রুহুল আমিন বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ কৃষি ক্ষেত্রে অবদান রাখার পাশাপাশি অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন... / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি