ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই, ২০১৮ ২:০৫:৫১

শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে দেশের অর্জনগুলো…

শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে দেশের অর্জনগুলো…

স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের হাত ধরেই উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ। রাজনৈতিক দল হিসেবে সবসময় গণমানুষের পাশে থেকেছে দলটি। ঠিক তেমনি আবার ক্ষমতায় থেকে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ। গত দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার অর্থনীতির বাঁক বদলে দিয়েছে। বৈশ্বিক সব সূচকেই দেশ এগিয়েছে অনেকখানি। উন্নয়নশীল বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়ের পর মহাকাশে জয় এসেছে আওয়ামী লীগের দুরদৃষ্টিতেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই মহান মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীন বাংলাদেশে দলটি ভোট-ভাতের অধিকার আদায়ে সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে। শত বাধা ডিঙিয়ে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই ক্ষুধামুক্ত হয় বাংলাদেশ। উত্তারাঞ্চ্হল থেকে বিদায় নেয় মঙ্গা।  ২০০৮ ও ২০১৪ পর পর দুই মেয়াদে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগের দুরদৃষ্টিতেই সব সূচকেই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দশ বছরে বেড়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, খাদ্য উৎপাদন, রেমিটেন্স, মূল্যস্ফীতি, আমদানি-রফতানি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬শ’ ১০ মার্কিন ডলার। রেমিটেন্স ১২ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন ও মানব উন্নয়ন সূচকেও এগিয়েছে বাংলাদেশ। প্রতি হাজারে মাতৃমৃত্যু হার কমে ১ দশমিক ৭৮ শতাংশে এসেছে। জাতিসংঘের সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য ছুঁয়ে সামনে এখন টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য।   অনেক বাধা পেরিয়ে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে পদ্মাসেতু। ঢাকায় চলবে মেট্রোরেল। রেকর্ড ছাড়িয়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কল্পনা নয়, বাস্তব। সাগরতলে নিজেদের সাবমেরিন। মহাকাশে বাংলাদেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট। এসবই সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে।  একে//
ভোলার দ্বীপে বাণিজ্যিকভাবে কাঁকড়া চাষে সাবলম্বী কৃষক (ভিডিও)

ভোলায় সাগর মোহনার দ্বীপ কুকরি মুকরিতে বাণিজ্যিক ভাবে কাঁকড়া চাষের নতুন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইলিশ, চিংড়ির পর কাঁকড়া এখন এ অঞ্চলের জেলেদের মূল্যবান সম্পদ। এরইমধ্যে কাঁকড়া চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন অনেকেই। পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়তা পেলে কাঁকড়া রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। চর কুকরি মুকুরির চাষী খলিলুর রহমান, কয়েক বছর আগে অনাবাদি  ১৫ একর জমিতে ঘের তৈরি করে কাঁকড়া চাষ শুরু করেন। নদী থেকে জেলেদের ধরে আনা কাঁকড়ার বাচ্চা তিনি খামারে ছাড়েন। খাবার হিসাবে ব্যবহার করেন কুচিলা, পচা চিংড়ি এবং শুটকি। মাত্র ৩ মাস পরই তা ২শ’ থেকে ৩শ’ গ্রাম ওজনে পরিণত হয় এক একটি কাঁকড়া। দেশে-বিদেশে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ভোলার চরফ্যাশনের কুকরি মুকরিতে খামারে কাঁকড়া চাষ শুরু হয়েছে। স্বল্প বিনিয়োগে অধিক লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলে কাঁকড়া চাষ দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শীত মৌসুমে সাগরমোহনার ডুবোচর ও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল থেকে কাঁকড়া ধরে খামারে সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করে অনেকে। এসব কাঁকড়া আকার ভেদে ৪শ’ থেকে ৮’শ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি করে তারা। ছোট বড় এসব খামারে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এই জনপদের অনেকের। কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান মৎস্য কর্মকর্তা। সম্ভাবনাময় কাঁকড়া চাষ এগিয়ে নিতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

পরিত্যক্ত প্লাস্টিক সামগ্রী থেকে সুতা তৈরি (ভিডিও)

পরিত্যক্ত প্লাস্টিক সামগ্রী থেকে সুতা তৈরি হচ্ছে চাঁদপুরে। এতে শহরের পরিবেশ দূষণমুক্ত হওয়ার পাশাপাশি সুযোগ হচ্ছে কর্মসংস্থানের। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এই সুতা সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন স্থানে। শহরের অলি-গলি থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বোতল ও অন্যান্য সামগ্রী সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত করা হয় এই কারখানায়। এরপর তৈরি হয় কেঁকড়া নামে পরিচিত এক ধরনের সুতা। নতুন এই সুতা তৈরির ফলে শহরের পরিবেশ দূষণ মুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান হয়েছে বেশকিছু মানুষের। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই সুতা সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব বলে জানান কারখানার মালিক। এমন পরিবেশবান্ধব কারখানা সারাদেশেই অনুকরণীয় হতে পারে বলে মনে করেন বিসিক কর্মকর্তা। মাটি ও পরিবেশ রক্ষায় সারাদেশেই কেঁকড়া সুতা তৈরির উদ্যোগ নেবে সরকার- এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

যশোরে টার্কি চাষে সাবলম্বী হচ্ছেন খামারিরা (ভিডিও)

যশোরের শার্শায় পারিবারিক ও বাণিজ্যিক ভাবে টার্কি পালন শুরু হয়েছে।  অল্প বিনিয়োগ করে বছরের মধ্যেই দ্বিগুণ মুনাফা পাচ্ছেন খামারিরা। বেকারত্ব নিরসনে টার্কি পালন সহায়ক ভুমিকা পালন করছে বলেও মনে করেন স্থানীয়রা। শার্শার দুই যুবক পড়ালেখা শেষ করে টার্কি পালন করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। আর তাদের দেখে আরও অনেকেই আগ্রহী হচ্ছেন এখন। টার্কির মাংস চর্বিহীন হওয়ায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়। দ্রুত বর্ধনশীল একটি টার্কি বছরে ১২ থেকে ১৫ কেজি ওজন হওয়ায় লাভজনকও। নতুন জন্ম নেয়া বাচ্চা পালন করে মাত্র তিন মাসের মাথায় দ্বিগুণের চেয়েও বেশি দামে বিক্রি করে ভালো মুনাফা পাচ্ছেন খামারীরা। টার্কিদের কলমি, হেলেঞ্চা, সরিষা, পালংসহ বিভিন্ন ধরণের শাক সবজি খাওয়ানো হয়। রোগ বালাই থেকে রক্ষা করতে আড়াই মাস বয়সী টার্কিকে চারটি ভ্যাকসিন দেয়া হয়। টার্কি জ্বর-ঠান্ডা ছাড়া আর কোনো রোগে আক্রান্তও হয় না। তিন বছর আগে লেখাপড়া শেষ করে শার্শার সম্বন্ধকাঠি গ্রামের রাজু হোসেন ও খলিসাখালী গ্রামের সজিব টার্কি পালন শুরু করেন। বর্তমানে অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠেছেন টার্কি পালনে।  লাভজনক হওয়ায় শার্শায় দিন দিন টার্কি পালন প্রসারিত হচ্ছে বলে জানান প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা। বেনাপোল ও শার্শার মানুষ পারিবারিক ও বাণিজ্যিকভাবে টার্কি পালন করে মাংসের চাহিদা পুরণের পাশাপাশি স্বাবলম্বী হচ্ছেন।  

ফল বিক্রেতা থেকে সবজি-মাছ চাষ করে কোটিপতি (ভিডিও)

লঞ্চের কলা বিক্রেতা থেকে কোটি টাকার সবজি ও মৎস্যচাষী নড়াইলের কালিয়া উপজেলার শিবুপদ রায়। ২৬৭ একর জমিতে করেছেন সমন্বিত সবজি ও মৎস্য খামার। মাছ চাষের পাশাপাশি বোরো ধানের আবাদও করছেন। তার খামার থেকে বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার কৃষিপণ্য ও মাছ বিক্রি করা হয়। পরিশ্রম আর অধ্যাবসায় মানুষকে সফলতা এনে দেয়, নড়াইলের শিবুপদ রায় তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। ৭১’ এ পাকিস্তানি বাহিনী ও এদেশীয় দোসরদের হাতে শিবুপদ রায়ের বাবা যখন নিহত হন তখন তার বয়স ১১ বছর ৮ মাস। এরপর থেকেই মা ও দুই বোনকে নিয়ে শুরু জীবনযুদ্ধ। লঞ্চে করে নড়াইলের কালিয়া থেকে বড়দিয়া এবং খুলনার দৌলতপুর পর্যন্ত কলা বিক্রি করতেন শিবুপদ। ৩০০ টাকা বেতনে দোকান কর্মচারীর কাজও করেন কিছুদিন। উপার্জনের জমানো ১৬ হাজার ৬০০ টাকা পুঁজি নিয়ে ১৯৭৮ সালে কালিয়া বাজারে নিজে একটা দোকান শুরু করেন।  ১০ একর জমি লিজ নিয়ে করেন চিংড়িমাছের ঘের। আর এরপর থেকে পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি শিবুপদকে। কালিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভক্তডাঙ্গা বিলে গড়ে তুলেন বিশাল এই কৃষি খামার। ঘেরের পাশাপাশি করেন রাইসমিল। শিবুপদ রায়ের সমন্বিত কৃষি খামারে নিয়মিত ২২ জন এবং খন্ডকালীন হিসাবে কাজ করেন প্রায় দেড়শ’ শ্রমিক। এ ধরণের কৃষি খামার অন্যদেরও অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা। শিবুপদ রায়ের খামারে উৎপাদিত কৃষি পণ্য নড়াইল ছাড়াও যশোর, গোপালগঞ্জ, মাগুরা, ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে বিক্রি হচ্ছে।

পাপোস তৈরির কারখানা গড়ে স্বাবলম্বী নারী (ভিডিও)

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পাপোস তৈরির কারখানা গড়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন আত্মপ্রত্যয়ী নারী ফাতেমা বেগম। অন্যদেরও আয়ের পথ দেখিয়েছেন তিনি। ফাতেমা বলছেন, সহজ শর্তে ঋণ আর বিপনন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে কর্মসংস্থান হবে অনেক মানুষের। অভাবের সংসার ছেড়ে স্বামী ভারতে চলে যাওয়ার পর অসহায় হয়ে পড়েন ঠাকুরগাঁওয়ের ফাতেমা বেগম। পরে ঢাকায় পাপোস তৈরির কাজ শেখেন তিনি। ২০০৪ সালে ৪টি তাঁত বসিয়ে শুরু হয় ফাতেমার উদ্যোক্তা হওয়ার লড়াই। কয়েক বছরের মধ্যেই ব্যাপক উন্নতি হতে থাকে ব্যবসায়। ফাতেমার পাপোস তৈরির কারখানায় এখন তাঁত ৪৫টি। এখানে কর্মসংস্থান হয়েছে শতাধিক নারীর। ফাতেমার অনন্য উদ্যোগে উৎসাহী হয়ে আরো অনেকে গড়ে তুলেছেন পাপোস তৈরির কারখানা। এখানে তৈরি পাপোস, ওয়ালম্যাট, কার্পেট, জায়নামাজসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বাইরেও। উদ্যোক্তারা বলছেন, সুতা ও ঝুটের দাম বেশি হওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না। এই শিল্পের বিকাশে স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এই শিল্পের উদ্যোক্তাদের সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। সরকারি সহযোগিতা আর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে আর্থিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি নারী প্রগতিতেও অনন্য অবদান রাখতে পারবে ঠাকুরগাঁওয়ের পাপোস শিল্প।

দিনাজপুরে চমক লাগানো উটপাখির খামার (ভিডিও)

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উটপাখির খামার গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আরজুমান আরা বেগম। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে উটপাখির বাচ্চা এনে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বড় করছেন তিনি। দিনাজপুরের মালিপাড়া গ্রাম। সবুজ-শ্যামল গ্রামে মরুভূমির পাখির খামার। ৭ বিঘা জমির উপর গড়ে ওঠা ইকো এগ্রো ফার্ম দাপিয়ে বেড়াচ্ছে উটপাখি। মালয়েশিয়া প্রবাসী আরজুমান আরা বেগম নেপালে উটপাখির খামার দেখে, বাংলাদেশে এই উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হন। ২০১৬ সালে পৈত্রিক জমিতে গড়ে তুললেন মরুর দেশের পাখির খামার। এর চাষপদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা নিয়েছেন ইন্টারনেট থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২০টি একদিনের উটপাখির বাচ্চা নিয়ে এসে খামার শুরু করেন আরজুমান আরা। এখন খামারে ১৫টি পাখি আছে। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বেড়ে ওঠা উটপাখিগুলোর ওজন এখন প্রায় ৬০ কেজি। ফিড, লতা পাতা, ও শাক সবজি খেয়ে বড় হওয়া পাখিগুলো বছরে ৫০ থেকে ৭০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। খামারে সব রকমের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা। উট পাখি সঠিকভাবে লালন পালন করতে পারলে মাংসের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশে এর মাংস, চামড়া- হাড় পালক রপ্তানী করা সম্ভব বলে মনে করছে প্রানীসম্পদ বিভাগ।

শাক-সবজির নির্যাস দিয়ে নকশী কাঁথায় রঙ [ভিডিও]

সম্পূর্ণ নিজস্ব চিন্তা ও পদ্ধতিতে মৌসুমী ফল, ফুল, পাতা ও শাকসবজির নির্যাস দিয়ে তৈরি করছেন রঙ। আর সেই রঙ পোশাক ও নকশীকাঁথায় ব্যবহার করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন নেত্রকোনার এক দম্পতি। তাদের সঙ্গে কাজ করে অনেকেই এখন বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন, ফিরছে সংসারের সচ্ছলতা। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বিসিক নেত্রকোণা। নেত্রকোণা জেলার পৌরশহরের বড়পুকুরপাড় এলাকার অতনু পত্রনবীশ ছোটন। মাত্র ৪২ বছর বয়সে শারিরীক কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন। সংসারের হাল ধরতে তার সহধর্মিনী শিউলী পত্রনবীশ তুলির একান্ত চেষ্টায় ২০০৮ সালে মৌসুমী ফল-ফুল ও শাকবজীর নির্যাস থেকে রং তৈরি করে বিভিন্ন পোশাকে ব্যবহার শুরু করেন। দৃঢ় মনোবল ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে পাড়ি দিলেন দুর্গম পথ-প্রতীক্ষীত হাসি ফুটলো শারীরিক প্রতিবন্ধী ছোটন পত্রনবীশ ও তার স্ত্রীর মুখে। তাদের তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ি, থ্রিপিস, বেডশিট, পাঞ্জাবী ,শার্ট ও নকশীকাঁথার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাহিদা রয়েছে ভালো। বর্তমানে জেলার দূর্গাপুর, গূবধলা, মদনসহ বিভিন্ন গ্রামের ৬০ জন নারীকে কর্মমুখী করে তুলছেন এই দম্পতি। আর এই দম্পতির এমন উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন বিসিকের এই কর্মকর্তা।  একে// এসএইচ/

চিংড়ি চাষে ভাগ্য ফিরেছে খুলনা-সাতক্ষীরার চাষীদের (ভিডিও)

সাতক্ষীরা-খুলনা ও বাগেরহাটে উৎপাদন বেশি হওয়ার পাশাপাশি দাম ভাল পাওয়ায় চিংড়ি চাষে আগ্রহ বেড়েছে। সাধারণ চাষীদের এই আগ্রহের কারণে বাড়ছে কর্মসংস্থান, আর্থিকভাবেও স্বচ্ছল হচ্ছেন চিংড়ি চাষীরা। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রাও আয় করছে সরকার। সরকারি সহায়তা পেলে চিংড়ী চাষীরা আরও বেশি লাভবান হবেন। ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে চিংড়ি। সাতক্ষীরার ছেশট্টি হাজার নয়শ’ দশ (৬৬,৯১০) হেক্টর জমিতে প্রায় পঞ্চান্ন হাজার একশ’ ১২টি ঘেরে (৫৫,১১২) চিংড়ি উৎপাদিত হয়। জেলার প্রায় ৬০শতাংশ মানুষ কোন না কোনোভাবে এ শিল্পের সঙ্গে জড়িত। মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ বছরে এ জেলায় চিংড়ির উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১০হাজার মেট্রিক টন। ২০১২সালে যেখানে চিংড়ি উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১৬ হাজার ৪০৮ মেট্রিক টন। সেখানে ২০১৭ সালে উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ১৪২ মেট্রিক টন। বৎসর ওয়ারী ৫ বছরের তথ্য : সাল                       উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা                       উৎপাদন ২০১৩                       ১৯,৫৪২ মে: টন                       ১৬,৫০০ মে: টন ২০১৪                       ২২,৬০৭ মে: টন                        ১৯,০৯২ মে: টন ২০১৫                       ২২,৮০০ মে: টন                       ২০,৬৮০ মে: টন ২০১৬                       ২২,১২০ মে: টন                       ২৫,৩৫৪ মে: টন ২০১৭                       ২৭,৫০০ মে: টন                       ২৭,১৪২ মে: টন এদিকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে জেলা থেকে গত কয়েক বছরে চিংড়ী থেকে আয়ও বেড়েছে। খুলনা সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা থেকে চিংড়ি থেকে আয়ের বিবরণ: ২০১৪- ২০১৫               ৩৩,৬৩৯ মে: টন মাছ               ২,৬৫১ কোটি টাকা ২০১৫-২০১৬                 ৩১,৬৮৭ মে: টন মাছ               ২,৫৪৩ কোটি টাকা ২০১৬-২০১৭                 ৩০,২১৭ মে: টন মাছ               ২,৫৮৮ কোটি টাকা জুলাই-সেপ্টেম্বর (তিনমাস)   ৮,৯২৬ মে: টন মাছ                   ৮৫৭ কোটি টাকা লাভজনক হওয়ায় জেলার মানুষ চিংড়ি চাষে আরো আগ্রহী হচ্ছে। এদিকে মৎস্য কর্মকর্তা মনে করছেন, এ শিল্প থেকে আরো বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব। এ অবস্থায় চিংড়ি শিল্পে সরকারের আরো পৃষ্ঠপোষকতা দাবি করেছেন চাষীরা।   / এআর /

বগুড়ায় ট্যানারি শিল্প হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে (ভিডিও)

উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে বড় চামড়ার বাজার বগুড়ায়। আশপাশের জেলার হাট-বাজারে জবাই করা পশুর চামড়া এনে বিক্রি করা হয় এখানে। পরে লবণজাত করে চামড়া পাঠানো হয় ঢাকার ট্যানারিগুলোতে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বগুড়ায় ট্যানারি শিল্প গড়ে তোলা গেলে, চামড়ার গুণগতমান ভালো থাকার পাশাপাশি বাড়বে রফতানির সুযোগ। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকার গলি এটি; মূলত চামড়াপট্টি হিসেবে পরিচিত। রোজ ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে গরু-ছাগলের চামড়া কেনাবেচা। জয়পুরহাট, গাইবান্ধাসহ কয়েক জেলার হাটবাজারে জবাই করা পশুর চামড়া জড়ো করা হয় এখানে। সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, এখান থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ চামড়া ঢাকার ট্যানারিগুলোতে সরবরাহ করা হয়। বগুড়ায় শুধুমাত্র চামড়া লবণজাত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই এলাকায় ট্যানারি শিল্প স্থাপন করা হলে, চামড়ার পরিবহন ব্যয় যেমন কমবে, তেমনি বাড়বে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার গুণমত মান। ব্যবসায়ীরা বলছেন, উত্তরাঞ্চলের চামড়া দিয়েই বগুড়ায় ট্যানারি পরিচালনা করা সম্ভব। চামড়া শিল্পের বিকাশে পরিবেশবান্ধব ট্যানারি গড়ে তুলতে উদ্যোক্তাদের জমি বরাদ্দসহ সবধরনের সহযোগিতার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। স্থানীয়রা বলছেন, চামড়া শিল্প গড়ে উঠলে এই অঞ্চলে সুযোগ হবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের।  

সেচপাম্প চালু ও বন্ধ করতে মোবাইল ডিভাইস(ভিডিও)

বিদ্যুত চালিত সেচপাম্প চালু ও বন্ধ করতে অভিনব মোবাইল ডিভাইস সাড়া ফেলেছে চাষীদের মাঝে। মোবাইল ফোন থেকে ডিভাইসযুক্ত ফোনে রিং দিলেই চালু ও বন্ধ হয় সেচপাম্প। ফলে সাশ্রয় হচ্ছে কিছুটা বিদ্যুত। কমছে পানির অপচয়। ডিভাইসটির উদ্ভাবক মেহেরপুর সদরের শ্যামপুর গ্রামের ইলেকট্রিশিয়ান মনিরুল ইসলাম। মোবাইল ডিভাইস যুক্ত করে চলছে রিমোট কন্ট্রেলের কাজ। বিদ্যুৎ চালিত সেচপাম্প নিয়ন্ত্রক এই যন্ত্রটির আবিস্কারক ইলেকট্রিশিয়ান মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, সেচপাম্পে যুক্ত ডিভাইসটিতে আছে একটি সিমকার্ড। প্রায় ৩ কিলোমিটারের মধ্য থেকে ঐ সিমকার্ডের নম্বরটিতে রিং দিলে চালু হচ্ছে সেচপাম্প। আবার রিং দিলে তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ডিভাইসটি মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ব্যবহারকারী কৃষকরা জানান বাসা বা টঙ ঘরে বসে থেকেই সেচপাম্প চালু ও বন্ধ করা যাচ্ছে। ফলে বিদ্যুত সাশ্রয়ের পাশাপাশি কমছে পানির অপচয়ও। নিয়োগ করতে হচ্ছে না অতিরিক্ত শ্রমিক। মনিরুলের ডিভাইসটি উদ্ভাবনের ফলে কৃষকরা উপকার পাচ্ছেন বলে জানলেন বিএডিসি উপ-সহকারি প্রকৌশলী।           উৎপাদন খরচ কমাতে এধরনের উদ্যোগ কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখতে পারে।

সরিষা ক্ষেতের পাশে মৌ-চাষে স্বাবলম্বী কৃষক (ভিডিও)

মৌ চাষ করে সাবলম্বী হয়েছে গাজীপুরের বেশ কয়েকটি পরিবার। সরিষা ক্ষেতের পাশে বাক্সে মৌ-চাষের মাধ্যমে বাড়তি আয় করার সুযোগ হচ্ছে তাদের। এতে ভাগ্য ফিরেছে অনেকের। এ বিষয়ের চাষীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। জেলার কালিয়াকৈরে দেওয়াইর গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে সরিষা ক্ষেতের পাশে শুরু হয়েছে মৌ-চাষ প্রকল্প। স্থানীয় কৃষক ও উদ্যোক্তারা সরিষা ক্ষেতের পাশে একশ’ ১২টি বাক্স বসিয়ে মৌ-চাষ করছেন। কৃষকরা জানান, সরিষা ক্ষেতে মৌ-চাষের ফলে কীটপতঙ্গ ও পোকামাকড় ফসলের ক্ষতি করতে পারছে না। এর ফলে দু’ভাবেই লাভবান হচ্ছেন তারা। মৌ-মাছি সরিষা ক্ষেত থেকে মধু আহরণ করে ফিরে আসে নিধারিত বাক্সে। এভাবে এক সপ্তাহ পর সংগ্রহ করা হয় মধু। সংগৃহিত মধু স্থানীয় ক্রেতাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। সরিষা ক্ষেতগুলো মৌ-চাষের আওতায় আনতে চাষীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। এবার গাজীপুরে সরিয়া আবাদ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার একর জমিতে। এসব ক্ষেত থেকে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩ টন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি