ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ২১:৫৩:২০

স্বাধীনতা দিবসে সানিয়া-মালিকের শুভেচ্ছা

স্বাধীনতা দিবসে সানিয়া-মালিকের শুভেচ্ছা

ভারত-পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ছিল যথাক্রমে ১৪ ও ১৫ আগস্ট। আর এ দিবসে দুই দেশের মানুষকে শুভেচ্ছায় ভাসিয়েছেন জনপ্রিয় খেলোয়ার দম্পতি সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিক। মঙ্গলবার ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা পাকিস্তানের স্বাধীনতা নিয়ে টুইটে লিখেছিলেন, আমার পাকিস্তানি অনুরাগীদের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। ভারতীয় ভাবীর পক্ষ থেকে তোমাদের অনেক অনেক অভিনন্দন এবং ভালোবাসা। এই টুইটের পরই নেটিজেনদের রোষানলে পড়েন সানিয়া। তাঁকে এক নেটিজেন প্রশ্ন করেন ‘আপনার স্বাধীনতা দিবস কবে’? জবাবে সানিয়া বলেন, আমার এবং আমার দেশের স্বাধীনতা দিবস কাল (১৫ আগস্ট)। আশা করি আপনার ধন্দ দূর করতে পেরেছি। সানিয়া এতেই থামেন নি। খোঁচা দিয়ে লিখেন, সম্ভবত আপনার স্বাধীনতা দিবস কবে সেটি নিয়ে আপনি কনফিউজড। গতকাল ভারতের স্বাধীনতা দিবসে তেরঙ্গার রঙে সুসজ্জিত হয়েই দেশবাসীকে আজাদির শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন তিনি। একই সঙ্গে পাক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকও ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বিশ্বের সব ভারতীয়দের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। শোয়েব মালিকও গিন্নি তো বটে, ভারতীয়দের স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। এই অলরাউন্ডারের টুইট, ‘সারা বিশ্বের ভারতীয়দের (বিশেষ করে যে একজন ঘরে আছে, তাকেও) স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’ সেই শুভেচ্ছা বার্তা আবার রিটুইট করেন সানিয়া। এ দিন একটি ভিডিও পোস্টও করেছেন এই ভারতীয় টেনিস তারকা। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, আমি দেশের হয়ে যে দিন প্রথম খেলেছি সেদিনই  স্বাধীনতা উপলব্ধি করেছি। বুধবার হাদরাবাদে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সঙ্গেই তেলেঙ্গানা সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহন করেছেন সানিয়া। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন কূটনীতিক ক্যাথরিন হাদ্দাও। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /
গাম্পার ট্রফি বার্সার

মূল মৌসুম শুরুর আগ ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যু’তে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হুয়ান গাম্পার ট্রফি ঘরে তুললো আর্নেস্তো ভালভার্দের শিষ্যরা। ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হুয়ান গাম্পারের স্মরণে প্রতি বছর এই প্রীতি ম্যাচ খেলে থাকে বার্সা। বুধবার রাতে মাঠে নামে বার্সা-জুনিয়র্স। নিজেদের মাঠে বার্সেলোনার লিওনেল মেসি জ্বলেছেন নিজের মতো করেই। একটি করেছেন, আরেকটি করিয়েছেন। মেসি এবং দুই ব্রাজিলিয়ান ম্যালকম ও রাফিনহার গোলে বোকা জুনিয়র্সকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় বার্সা। বার্সেলোনার অধিনায়ক হওয়ার পর টানা দুই ম্যাচে দুটি শিরোপা এনে দিয়েছেন মেসি। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক ফুটবলার ও সভাপতি হুয়ান গাম্পারের স্মরণে ১৯৬৬ সাল থেকে প্রতিবছর আগস্টে এই ম্যাচটি আয়োজন হয়ে আসছে। যেখানে ৫৩তম এই আসরে ৪১তম ট্রফি উচিয়ে ধরলো কাতালানরা। টানা জয় পেল ৬বার। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে ম্যালকমের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। মেসি থেকে পাস পেয়ে কোনাকুনি শটে গোলটি করেন এই মিডফিল্ডার। বিরতির আগে ৩৯তম মিনিটে মেসি নিজেই গোল করে স্কোর লাইন ২-০ করেন। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বার্সা। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে দারুণ এক গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন রাফিনহা। বদলি হিসেবে নেমে লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে বল দেওয়া নেওয়া করে গোলটি করেন তিনি। ম্যাচের বাকি সময় আর কোনও গোল না হলে শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সা। আগামী শনিবার আলাভেসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে লা লিগা মিশন শুরু করবে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। প্রস্তুতির জন্য তাই মেসি, কুতিনহো, পিকেসহ শক্তিশালী একাদশই মাঠে নামিয়েছিলেন বার্সা কোচ। প্রীতি ম্যাচ হওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্তন এনেছিলেন ১১টি। সূত্র: গোলডটকম একে//

রিয়ালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন অ্যাতলেটিকো

দিয়েগো কস্তার দ্রুততম গোল করার রেকর্ডের দিনে রিয়াল মাদ্রিদকে উড়িয়ে দিয়ে উয়েফা সুপার কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ফলে রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের আনন্দে মৌসুম শুরু করলো দিয়েগো সিমেওনের দল।এস্তোনিয়ার তালিনে বুধবার রাতে ম্যাচটি ৪-২ গোলে জিতেছে আতলেতিকো। শুরুতে পিছিয়ে পড়ার পর করিম বেনজেমা ও সের্হিও রামোসের গোলে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল রিয়াল। কিন্তু কস্তার দ্বিতীয় গোলে সমতা টানে গতবারের ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়নরা। আর অতিরিক্ত সময়ে পার্থক্য গড়ে দেয় সাউল নিগেস ও কোকের গোল।দিয়েগো কস্তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাচ শুরুর ৫০ সেকেন্ডের মাথায় এগিয়ে যায় আতলেতিকো। মাঝমাঠের আগে থেকে দিয়েগো গদিনের উঁচু করে বাড়ানো বল প্রথম হেডে সামনে বাড়ানোর পথে পরাস্ত করেন সের্হিও রামোসকে, দ্বিতীয় হেডে পিছনে ফেলেন রাফায়েল ভারানেকে আর সবশেষে ছয় গজ বক্সের বাইরে বাইলাইনের কাছ থেকে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে গোলটি করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।প্রতিযোগিতার ইতিহাসে দ্রুততম গোলের আগের রেকর্ডটি ছিল এভার বানেগার দখলে। ২০১৫ সালে বার্সেলোনার কাছে ৫-৪ ব্যবধানে হারের ম্যাচে তৃতীয় মিনিটে তখনকার রেকর্ডটি গড়েছিলেন সেভিয়ার আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডার।১৭তম মিনিটে ইয়ান ওবলাকের নৈপুণ্যে ব্যবধান ধরে রাখে আতলেতিকো। মার্সেলোর নিচু ক্রসে মার্কো আসেনসিওর ফ্লিক ঝাঁপিয়ে এক হাত দিয়ে ঠেকান স্লোভেনিয়ার গোলরক্ষক।টানা আক্রমণ করতে থাকা রিয়াল ২৭তম মিনিটে সমতায় ফেরে। ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা গ্যারেথ বেলের দারুণ ক্রসে হেডে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড বেনজেমা।দুই মিনিট পর এগিয়েও যেতে পারতো ইউরোপ চ্যাম্পিয়নরা; কিন্তু আসেনসিওর শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।৬৩তম মিনিটে রামোসের সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় রিয়াল। কর্নার থেকে উড়ে আসা বল স্প্যানিশ ডিফেন্ডার হুয়ানফ্রানের হাতে লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।৭৯তম মিনিটে সমতা ফেরায় আতলেতিকো। সতীর্থের বাড়ানো বলে বাইসাইকেল কিকের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন কস্তা। রিয়ালের রক্ষণ দলকে বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে সাইড-লাইনে বল পেয়ে হুয়ানফ্রান দ্রুত ডি-বক্সে ঢুকে ছোট করে বাড়ান আনহেল কোররেয়াকে। তিনি বাড়ান ছয় গজ বক্সে; অনায়াসে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলে জন্ম নেওয়া কস্তা।নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটের একেবারে শেষ মুহূর্তে নায়ক হতে পারতেন মার্সেলো। কিন্তু বাঁ-দিক থেকে বেলের ক্রস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান লেফট-ব্যাক।অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ভাগে ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুবার বল জালে জড়িয়ে জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলে আতলেতিকো।৯৮তম মিনিটে বাঁ-দিকের বাইলাইন থেকে ঘানার মিডফিল্ডার টমাসের ক্রসে দারুণ ভলিতে দলের তৃতীয় গোলটি করেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার সাউল নিগেস। আর ১০৪তম মিনিটে ভিতোলোর পাসে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন আরেক স্প্যানিয়ার্ড কোকে।বাকি সময়ে তেমন কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি গত মাসে ইউভেন্তসে পাড়ি জমানো ক্লাবের সর্বোচ্চ গোলদাতা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ছাড়া প্রথম কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে নামা রিয়াল মাদ্রিদ।প্রতি বছর নতুন মৌসুমের শুরুতে আগের মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপাজয়ী ও ইউরোপা লিগের চ্যাম্পিয়নের মধ্যে লড়াইটি হয়ে থাকে। এবারই প্রথম একই শহরের দুটি ক্লাব এই লড়াইয়ে মুখোমুখি হলো।আর প্রথম ক্লাব হিসেবে তিনবার প্রতিযোগিতাটিতে খেলার সুযোগ পেয়ে প্রতিবারই শিরোপা জয়ের কীর্তি গড়লো আতলেতিকো। এর আগে ২০১০ ও ২০১২ সালে দুবার জিতেছিল তারা। আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে ছাড়া প্রথম কোনো প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে নেমে হারের মুখ দেখলো রিয়াল।এসএ/

বাংলাদেশ ও ভুটান সেমিফাইনাল আজ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের আজ কঠিন পরীক্ষা। আজ সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভুটান। থিম্পুর চালিমিথান স্টেডিয়ামের মাঠে খেলা শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টায়। গত বছর প্রথম সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ নারী ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল ভুটান। ৩-০ গোলের সেই হার এখনও ভুলে যায়নি তারা। আজ বাংলাদেশকে নিজেদের ঘরের মাঠে পেতে যাচ্ছে ভুটান। ঘরের মাঠের সব সুবিধা তুলে নিতেই মাঠে নামবে দলটি।সাফের দ্বিতীয় আসরে বাংলাদেশ ১৪-০ গোলে পাকিস্তানকে, দ্বিতীয় খেলায় ৩-০ গোলে নেপালকে হারিয়ে বি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে ওঠে। ‘এ’ গ্রুপে ভুটান ৬-০ গোলে শ্রীলঙ্কাকে হারালেও দ্বিতীয় খেলায় ভারতের কাছে ১-০ গোলে হারে। শ্রীলঙ্কা গ্রুপের দুই খেলায় হেরে যাওয়ায় বিদায় নেয়। ভুটান গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছায়। ভুটানের সোনম লামহো হ্যাটট্রিক করেছিল। বাংলাদেশের ছোট সামসুন নাহারও হ্যাটট্রিক করে। দুই দলে আক্রমণে তেজ থাকলেও বাংলাদেশের শক্তিটা বেশি। গোলপোস্ট থেকে শুরু করে প্রত্যেক পজিশনে বাংলাদেশের মেয়েদের সমান শক্তি আছে। অনেক দিন ধরে এই খেলোয়াড়রা টানা অনুশীলনে রয়েছে। ক্লান্তি বাঁধা না হলে ভুটানকে হারাবে এমনটা মনে করছেন ফুটবল দলের সংশ্লিষ্টরা।গত সাফে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন, ভারত রানার্সআপ, নেপাল তৃতীয় এবং ভুটান চতুর্থ হয়। আজ বাংলাদেশ ভুটান সেমিফাইনালের আগে একই মাঠে ভারত ও নেপাল প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে।এসএ/

আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলবেন না মেসি   

রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকেই বিদায় নেওয়ার পর থেকেই মেসিকে নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে হেরে সেই যে মাঠ ছেড়েছিলেন, আর হয়তো দেশের জার্সিতে সেই ফুটবল ম্যাচে নামবেন না লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার মহাতারকাকে নিয়ে স্থানীয় মিডিয়ায় প্রকাশ, আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে তিনি সাময়িক বিরতি নিয়েছেন মেসি। আগামী সেপ্টেম্বরে গুয়াতেমালা ও কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে দু`টি ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে মেসি খেলছেন না নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। চলতি বছর আর তিনি দেশের হয়ে কোনও ম্যাচে খেলবেন না এমনটাও নাকি বার্সেলোনার মহাতারকা জানিয়ে দিয়েছেন।    এদিকে, মেসির সাময়িক বিরতিটা যে চিরকালীন হয়ে যেতে পারে সেটার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন কার্লোস তেভেজ। যে তেভেজ রাশিয়া বিশ্বকাপ চলাকালীন বলেছিলেন, ২০২২ বিশ্বকাপেও মেসি খেলবেন। সেই তেভেজ এখন বলছেন, ``আমি বুঝতে পারি যদি মেসি ফের জাতীয় দলের হয়ে না খেলে সেটা কী কারণে হবে। আসলে যখন কেউ তার সবটা উজাড় করে দেওয়ার পরেও তাঁকে নিয়ে এমন খারাপ সমালচোনা চলে তাতে তার কতটা খারাপ লাগে, দলের বাকিদের কতটা আঘাত লাগে।`` সঙ্গে তেভেজ বলেন, `` আমি মেসির এই ব্যাপারটা বুঝি কারণ আমিও ওর দিকে আছি। অবসরের সিদ্ধান্তটা খুব ব্যক্তিগত ব্যাপার। লিওকে সব ব্যাপারগুলো চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।`` প্রসঙ্গত, রাশিয়ায় ব্যর্থ সাম্পাওলিকে সরিয়ে আর্জেন্টিনা অন্তবর্তীকালীন কোচ হিসেবে লিওনেল স্কালোনি ও পাবলো আইমারকে নিয়ে এসেছে। ফ্রান্সের কাছে হারের পর মেসিকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে তেভেজকে রাশিয়ায় কাঁদতে দেখা গিয়েছিল। রাশিয়া বিশ্বকাপ শুরুর আগে জোর গলায় তেভেজ বলেছিলেন, এবারের বিশ্বকাপটা মেসির হতে চলেছে। মেসি দলকে একেবারে কঠিন অবস্থা থেকে টেনে তুলে দলকে নক আউটে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মেসির দুরন্ত ফুটবলের সৌজন্যেই ২-১ এগিয়েও ছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু তারপরই সব ওল্টপাল্ট হয়ে যায়। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের কাছে ৩-৪ গোলে হেরে বিদায় নেয় আর্জেন্টিনা, তখনই আশঙ্কা করা হয়েছিল মেসি হয়তো আর দেশের হয়ে খেলবেন না। ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হারের পরে মেসি অবসর নিয়েছিলেন। তবে পরে দেশবাসীর আবেদনে সাড়া দিয়ে জাতীয় দলে ফেরেন। কোয়ালিফিকেশন পর্বের শেষ ম্যাচে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা আর্জেন্টিনাকে হ্যাটট্রিক করে জিতিয়ে রাশিয়ার টিকিট এনে দিয়েছিলেন। এসি     

উয়েফার সংক্ষিপ্ত তালিকায় রোনালদোর বাইসাইকেল কিক

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচের ৬৪ মিনিটের সময় জুভেন্টাসের ডি বক্সের মধ্যে লাফিয়ে উঠে বাইসাইকেল কিক নেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। জিয়ানলুইজি বুফন তার জায়গা থেকে নড়ার সুযোগ পাননি। বলটি গিয়ে জালে আশ্রয় নেয়। দুর্দান্ত সেই গোলটি এখনো চোখে লেগে আছে দর্শকদের। মঙ্গলবার উয়েফার বর্ষসেরা গোলের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে রোনালদোর সেই গোলটিও স্থান পেয়েছে। তার পাশাপাশি ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে অসাধারণ ভলিতে ফরাসি ক্লাব লায়নের নারী ফুটবলার লুসি ব্রোঞ্জির করা গোলটিও স্থান পেয়েছে। তবে রোনালদোর গোলটি সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেলেও চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে গ্যারেথ বেলের করা বাইসাইকেল গোলটি স্থান পায়নি। ১১টি গোলের তালিকায় স্থান হয়নি বেলের গোলটির। গত বছর উয়েফার সেরা গোলদাতা হয়েছিলেন ক্রোয়াট তারকা মারিও মানজুকিচ। এর আগের দুই আসরের সেরা ছিলেন বার্সা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ২০১৮ মৌসুমে হওয়া উয়েফার প্রতিটি প্রতিযোগিতা থেকে একটি করে গোল নিয়ে এই তালিকা নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া ইউরোপ লিগ থেকে এই তালিকায় জায়গা পেয়েছে দিমিত্রি পায়েতের গোল। ফুটবলপ্রেমীরা উয়েফার ওয়েবসাইটে তালিকায় স্থান পাওয়া সবগুলো গোল দেখতে ও ভোট দিতে পারবে।উয়েফার মৌসুম সেরা গোলের সংক্ষিপ্ত তালিকা: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ), লুসি ব্রোঞ্জ (লিওঁ নারী দল), ওলগা কারমোনা (স্পেন নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল), এলিসান্দ্রো (ইন্টার মিলা), এলিওট এম্বলটন (ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দল), ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন (ডেনমার্ক), পাওলো এস্ত্রেলা (পোর্তো যুব দল), ইভা নাভারো (জার্মানি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল), দিমিত্রি পায়েত (মার্সেই), গনসালো রামোস (পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৭), রিকার্দিনিয়ো (পর্তুগাল ফুটসাল দল)।

তাসকিনের ডাক না পাওয়ার দুই কারণ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি টোয়েন্টি কোনো ফরমেটেই দলে ছিলেন না। এর আগের সিরিজেও তার দেখা মেলেনি। বলছি পেসার তাসকিন আহমেদের কথা। কোথায় যেন হারিয়ে গেছে তার ফর্ম। যেন নিজের ছায়ার মধ্যেই নিজেকে খুঁজছেন। গতকাল এশিয়া কাপের জন্য দল ঘোষিত হলো। ক্রিকেটে এই উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় আসরের জন্য ৩১ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করে বিসিবি। এতে ঠাঁই পেয়েছেন কয়েকজন নতুন মুখ। তবে স্থান পাননি তাসকিন আহমেদ। কিন্তু কেন একসময় নিয়মিত থাকা এ পেসার দলের বাইরে? তাসকিন সবশেষ ছিলেন নিদাহাস ট্রফির টি-টোয়েন্টি দলে। তবে তার পারফরম্যান্সে চোখে পড়ার মতো কিছু ছিল না। এর পর ইনজুরিতে পড়েন তিনি। পরে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে তাকে ‘এ’ দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। উড়াল দেন আয়ারল্যান্ডে। কিন্তু বিধিবাম! ফের ইনজুরিতে পড়েন তিনি। ফিল্ডিং করতে গিয়ে হাতের তালু ফেটে যায় তার। সেই ইনজুরি নিয়ে দেশে ফিরে আসেন তাসকিন। এখন রয়েছেন পুনর্বাসনে। সব মিলিয়ে এশিয়া কাপে খেলার মতো অবস্থায় নেই দেশসেরা এ গতিতারকা। মূলত এ কারণেই প্রাথমিক দলেও জায়গা পাননি তিনি। ইনজুরির পাশাপাশি ফর্মটাও ভোগাচ্ছে তাসকিনকে। বাদ পড়ার আগে গতির পেছনে ছুটতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেন তাসকিন। অথচ তার মতো একজন অভিজ্ঞ সিমার এশিয়া কাপে বেশ দরকার ছিল। ৩১ জনের দলে ঠাঁই মেলেনি আরেক পেসার শফিউল ইসলামেরও। গেল বছর দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি দলে ছিলেন তিনি। তবে পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। এর পর দল থেকে বাদ পড়েন। তখন থেকে বাইরেই রয়েছেন তিনি। / এআর /

স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রোল সানিয়া

তিনি ভারতের বিখ্যাত টেনিস তারকা। তবে সংসার পেতেছেন পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে। কিছুদিন পর ওই দুজনের ঘর আলো করে আসছে সন্তান। হ্যা সানিয়া মির্জার কথাই বলছি। এই সুদর্শনী আগেই বলেছিলেন, সন্তানের নাম নিজের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা হবে নাকি শোয়েবের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা হবে তা নিয়ে তার জোরালো কোনো অবস্থান নেই। শোয়েব চাইলে তার নামের সঙ্গে মিলিয়ে সন্তানের নাম রাখতে পারেন। সানিয়া-শোয়েব সব সময় রোমান্সে ঠাসা থাকলেও তাদের সমালোকচকা সর্বদা কান খাড়া করে রেখেছেন। পান থেকে চুন খসলেই এক হাত নিয়ে নিচ্ছেন। এবারও তাই হলো। পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে সেদেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রোল হলেন টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জা। পাকিস্তান আর ভারতের স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে তফাৎ মাত্র কয়েক ঘণ্টার। ১৪ই আগস্ট মঙ্গলবার সানিয়া মির্জা তাঁর টুইটারে পাকিস্তানের মানুষকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। এরপরই তার কমেন্ট বক্সে একজন লেখেন, ‘আপনার স্বাধীনতা দিবস আজ তাই না?’ সানিয়াও পাল্টা লেখেন, ‘আমার এবং আমার দেশের স্বাধীনতা দিবস আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ই আগস্ট। আজ আমার স্বামী শোয়েব মালিক ও তাঁর দেশ পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন।’ সানিয়া ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আরও লেখেন, ‘আপনার স্বাধীনতা দিবস কবে? আপনাকে একটু কনফিউসড দেখাচ্ছে। যদিও টুইটারে এই প্রথম নয়। এর আগেও সানিয়াকে বেশ কিছু অপ্রীতিকর মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই তিনি অত্যন্ত ভদ্র ভাবে তাঁর জবাব দিয়েছেন। টেনিসের ময়দান হোক বা তাঁর পোশাক বা শোয়েবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সোশাল মিডিয়ায় বারবার আক্রান্ত হতে হয়েছে সানিয়াকে৷ এই মুহূর্তে সানিয়া ও শোয়েব তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায়। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর ভাবী সন্তানকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সঞ্চালক জিজ্ঞেস করেন, ভবিষ্যতে সানিয়া নিজের সন্তানকে কোন খেলার ময়দানে দেখতে চান? উত্তরে সানিয়া যা বলেন তা একেবারে আউট অফ সিলেবাস। সানিয়ার জবাব ছিল, টেনিস বা ক্রিকেট নয়। তিনি তাঁর সন্তানকে ডাক্তার হিসেবে দেখতে চান। পাশাপাশি সানিয়া এও বলেন তিনি তাঁর সন্তানের জাতীয়তা নিয়ে এখনও কিছু ভাবেননি। তার জাতীয়তা ভারত বা পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন দেশও হতে পারে। এরপর যখন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি ছেলে না মেয়ে চান? তিনি বলেন, এতে কিছু যায় আসে না। যদিও তাঁর স্বামীর বরাবরই ইচ্ছে কন্যাসন্তান। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

হোয়াটমোর-সিডন্স-হাথুরুর চেয়ে ব্যতিক্রম স্টিভ রোডস

ডেভ হোয়াটমোর, জেমি সিডন্স আর চন্ডিকা হাথুরুসিংহে- তিনজনের তুলনায় তার নাম-ডাক, সুনাম, সুখ্যাতি এবং পরিচিতি কম। বাংলাদেশের কোচ হওয়ার আগ পর্যন্ত সে অর্থে তাকে কেউ চিনতেন না। ঠিক‘লো প্রোফাইল’ বলা না গেলেও, বাস্তব সত্য হলো টাইগারদের নতুন কোচ স্টিভ রোডস আগে তিন প্রশিক্ষকের মতো হাই প্রোফাইল কোচ নন। তা না হওয়াটা যে খুব দোষের, তাতে যে ‘মহাভারত অশুদ্ধ’ হয়ে যাবে তাও নয়। সত্যি কথা বলতে, বাংলাদেশের আগের তিন কোচের মধ্যে ডেভ হোয়াটমোর আর জেমি সিডন্সের পরিচিতি ও নাম-ডাক ছিল আগে থেকেই। ১৯৯৬’র বিশ্বকাপজয়ী শ্রীলঙ্কার কোচ ডেভ হোয়াটমোরকে সবাই এক নামেই চিনতো। জেমি সিডন্সর নাম ডাকও ছিল মোটামুটি। সে তুলনায় কোচ হিসেবে হাথুরুসিংহের তেমন পরিচিতি ছিল না। তাকেও লো প্রোফাইল কোচই ভাবা হয়েছে। বাংলাদেশের কোচ হবার পরই তাকে সবাই চিনেছে, জেনেছে। টাইগারদের কোচিং করিয়েই আজ বিশ্বজোড়া পরিচিতি খ্যাতি মিলেছে এ লঙ্কান কোচের। স্টিভ রোডসও অনেকটা তেমন। তাকে হাতে গোনা অল্প কিছু মানুষ চেনে। এক কথায় কোচ হিসেবে তার পরিচিতিও বেশ কম। ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটেই যা কোচিং করিয়েছেন। ছিলেন ওস্টারশায়ারের কোচ। স্টিভ রোডস শেষ পর্যন্ত কতদূর যাবেন, বাংলাদেশের কোচ হিসেবে হোয়াটমোর, সিডন্স ও হাথুরুসিংহের মতো সফল হবেন কি-না? তার অধীনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের উন্নতি হবে কি না, টাইগাররা সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে আরও ওপরে উঠবে কি উঠবে না- তা সময়ই বলে দেবে। তবে একটা খবর হলো, এ ইংলিশ কোচের শুরুটা অন্যরকম। ঠিক হোয়াটমোর, সিডন্স কিংবা হাথুরুর মতো নয়। বলার অপেক্ষা রাখে না, আগের তিন কোচের কারোই শুরু ভালো হয়নি। হাথুরুসিংহে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে নাকাল হয়ে ফিরেছিলেন। মানে তার অধীনে টিম বাংলাদেশ টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি, তিন ফরম্যাটে নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরেছিল।স্টিভ রোডস কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার ক’দিনের মধ্যে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। তাই বুঝি তাকে অন্যরকম মনে হচ্ছে। না না, বিষয়টা মোটেই তেমন নয়। রোডসকে অন্যরকম মনে হবার কারণ ভিন্ন। একটু পিছন ফিরে তাকালেই পরিষ্কার হবে ডেভ হোয়াটমোর, জেমি সিডন্স আর চন্ডিকা হাথুরুসিংহে- তিন কোচই শুধু সাফল্যের পিছনে ছুটেছেন। জয়ের নেশায় তারা ‘তৈরি ছেলের পিতা’ হতে চেয়েছেন। তাদের কোচিং আমলে শুধু ‘ইনফর্ম’ প্লেয়াররা অগ্রাধিকার পেয়েছেন। ঘুরে ফিরে কয়েকজন ক্রিকেটারকে দিয়েই সব ফরম্যাটে দল সাজানো হয়েছে। যে কারণে একটি সম্ভাব্য সেটআপ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। ডেভ, সিডন্স ও হাথুরু মনেপ্রাণে চেয়েছেন, যেসব ক্রিকেটার প্রতিষ্ঠিত, পরিণত, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থিতু হয়ে গেছে এবং ফর্মে আছে- শুধু তাদের দলে রাখতে। তাতে কোচিং করানো তুলনামূলক সহজ হতো। কিন্তু এতে করে ফর্মের বাইরে থাকা অন্য ক্রিকেটাররা সেভাবে মূল্যায়িত হননি। একবার কেউ বাজে ফর্মের কারণে বা ইনজুরিতে পড়লে পরেরবার আর তাকে সেভাবে বিবেচনায় আনা হয়নি। ওই তিন কোচের লক্ষ্য ও পরিকল্পনাই ছিল, যেসব ক্রিকেটার ফর্মে আছে, যারা সবদিক থেকে তৈরি- শুধু তাদের দিয়েই দল সাজানো এবং খেলতে নামা।কেউ একটি বা দুটি সিরিজ খারাপ খেললে তাকে বাদ দিয়ে যে ফর্মে আছে, তাকেই নেয়া হয়েছে। তাতে করে কিছু প্রতিভা অকালে ঝরে না গেলেও তাদের জাতীয় দলে ফেরার পথ রুদ্ধ হয়ে গেছে। যেমন শাহরিয়ার নাফীস, নাঈম ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাকরা আর ফিরতে পারেননি।কিন্তু শুরু দেখে মনে হচ্ছে স্টিভ রোডস ঠিক ওই পথে হাঁটতে চান না। তার চিন্তা-ভাবনা ভিন্ন। তাই তিনি প্রথাগত পথে না হেঁটে এশিয়া কাপের আগে মাত্র দু’সপ্তাহের কিছু বেশি সময় হাতে পাবার পরও বলেছেন, আমি আরও কিছু ক্রিকেটারকে দেখতে চাই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে টেস্ট, ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে গড়-পড়তা তার ২০-২২ জন ক্রিকেটারকে কাছ থেকে দেখা হয়ে গেছে। তারপরও তিনি বলেছেন, এশিয়া কাপের আগে আমি ৩০ জনের ক্যাম্প করতে চাই। সেখানে আরও কিছু ক্রিকেটারকে দেখতে চাই যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজ যায়নি। এই যে, বাকিদের খুঁটিয়ে দেখার চিন্তা, বিকল্প অনুন্ধানের ইচ্ছে- সেটাই রোডসের স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বলে মনে হচ্ছে। তিনি পূর্বসুরির মতো হাতে পাওয়া তৈরি পারফরমারদের দিয়েই মাঠে নামতে নারাজ। আরও কোনো ভালো পারফরমার বা ভালো বিকল্প আছে কি-না? তা খুঁটিয়ে দেখতে আগ্রহী।আর সে কারণেই এশিয়া কাপের ঠিক ১৮/১৯ দিন সময় আগেও ৩১ জনের প্রাথমিক ক্যাম্প। এ রকম অবস্থায় সারাজীবন বড়জোর গড় পড়তা ২০/২২ জনকে নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হতো। এই যে ভিন্ন পথে হাঁটার প্রবণতা, যারা বর্তমানে জাতীয় দলে খেলছে, তাদের সাথে আরও কেউ আছে কি-না? তাদের মান যাচাই, কাছ থেকে পরখ করার এই ইচ্ছেটাই দেশের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের জন্য কল্যাণকর ও মঙ্গল। এতে করে একসময় ছিলেন অথচ বর্তমানে মূল দলের বাইরে এবং সম্ভাবনায় তরুণদের জাতীয় দলে খেলার ক্ষেত্র বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে জাতীয় দলে থাকা ক্রিকেটাররে মধ্যে ভালো করার তাগিদ বাড়বে। সচেতনতা বাড়বে। ভালো করার ইচ্ছে-প্রবণতা বাড়বে। আগের মতো কেউ আর নিজের অবস্থান নিশ্চিত ভাবতে পারবেন না। বলার অপেক্ষা রাখে না, মাঝে ঘুরে-ফিরে সেই ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, এনামুল বিজয় ও সাব্বিররাই দলে ছিলেন। এবার তাদের সাথে মুমিনুল এবং এ’ দলের হয়ে আয়ারল্যান্ডে ভালো খেলা তরুণ পেসার খালেদ, শরিফুল এবং ব্যাটসম্যান ফজলে মাহমুদকে ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে। তার মানে, তারা দেশের বাইরে অনভ্যস্ত কন্ডিশনে আইরিশদের সাথে ভালো খেলার পুরস্কার পেয়েছেন। এভাবে এ’ দলে ভালো খেলা পারফরমারদের মূল দলে ক্যাম্পে ডাকার অর্থ তাদের উৎসাহিক করা। পাশাপাশি যারা মূল দলে থেকেও সেভাবে পারফরম করতে পারছেন না, তাদের ভালো খেলার বাড়তি তাগিদ তৈরি হওয়া।  

নির্দোষ প্রমাণিত হয়েই দলে ফিরলেন স্টোকস

অবশেষে ব্রিস্টলে পাবের বাইরে ঝামেলার ঘটনায় নির্দোষ প্রমাণিত হলেন বেন স্টোকস। সব দিক বিবেচনা করে, ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখে ২৭ বছরের ইংল্যান্ডের তারকা এই অলরাউন্ডারের কলঙ্ক মুছে দিল ব্রিস্টলের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট। আর নির্দোষ প্রমাণিত হয়েই জাতীয় দলে ফিরে আসছেন তারকা ক্রিকেটার। এই অল-রাউন্ডারকে ভারতের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্টের দলে ফেরালেন ইংল্যান্ড নির্বাচকরা। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ এগিয়ে থেকে শনিবার ট্রেন্ট ব্রিজে বিরাটদের বিরুদ্ধে নামছে রুটবাহিনী। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্টোকসের ব্রিস্টল কাণ্ডের বিচার যত এগোচ্ছিল মনে হচ্ছিল, তিনি দোষী প্রমাণিত হবেন। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল। আর দোষী প্রমাণিত হলে স্টোকসকে তিন বছর জেলে কাটাতে হত। সিসিটিভিতে পরিষ্কার দেখা গিয়েছিল স্টোকস দুজন ব্যক্তিকে মারছেন। স্টোকসের দাবি ছিল, তিনি আত্মরক্ষার জন্যই এই কাজ করেছেন। এমনও শোনা গিয়েছিল স্টোকস পুরো মদ্যপ অবস্থায় এই কাজ করেছিলেন। তবে সেটা উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের তারকা এই অলরাউন্ডার। শেষ পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখে স্টোকসকে ছেড়ে দিল আদালত। এই কাণ্ডের জন্য অ্যাসেজ সিরিজে খেলা হয়নি স্টোকসের।  প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্য়াচ জিতে, রাতে নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন স্টোকস। স্টোকসের সঙ্গে ছিলেন তার সতীর্থ জো রুট, জনি বেয়ারস্টো ও আলেক্স হেলেস। রুট আর বেয়ারস্টো আগে নাইট ক্লাব ছাড়েন। তারপর স্টোকস মারামারি শুরু করেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, ব্রিস্টলের দুই সমকামী ব্যক্তিকে উত্যক্ত করার পরে রায়ান আলি ও রায়ান হেল নামের দুই ব্যক্তিকেও বেদম মারধর করেন স্টোকস। স্টোকসের দাবি ছিল, এক সমকামী প্রেমিক যুগলকে হেনস্থা করছিলেন সেই সেনাকর্মী। তাই তিনি মেজাজ হারিয়ে এই কাজ করেছিলেন। একজনের পশ্চাদ্দেশে নাকি জ্বলন্ত সিগারেট চেপে ধরেছিলেন বলে স্টোকসের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছিল। সূত্র: এনডিটিভি একে//

আজ রাতে মাঠে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

উয়েফা সুপার কাপ ফুটবলে রাতে মাঠে নামবে দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়। আর এই ম্যাচ দিয়েই অভিষেক হতে পারে চেলসি থেকে রিয়ালে যোগ দেয়া গোলরক্ষক থিবা কোর্তোয়ার। গত মৌসুমে লা লিগায় দুদলের মুখোমুখির ম্যাচটি ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে। এদিকে, দুর্দান্ত ফর্ম কাটাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। নিজেদের শেষ তিন ম্যাচে অপরাজিত রয়েছে দলটি। তবে, সুবিধা করতে পারেনি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে যায় তারা। আর এই ম্যাচে রিয়ালের বিপক্ষে জয়ের জন্যই মাঠে নামবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ।

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি