ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩৪:৫৬

বাড়ি থেকে পোকামাকড় দূর করে যেসব গাছ

বাড়ি থেকে পোকামাকড় দূর করে যেসব গাছ

শীত বা গ্রীষ্ম অথবা বর্ষাকাল, পোকামাকড়ের অত্যাচারে বাড়িতে টেকাই দায়। পোকামাকড়ের ঘেনঘেনানিতে ভুগতে হয় সবাইকে। মশার কারণে জ্বর, এছাড়া বিভিন্ন পোকামাকড়ের কারণে আমাদের বিভিন্ন রোগ দেখা যায়। অনেক চেষ্টা করেও বাড়ি থেকে কিছুতেই পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন, বাড়িতে কোন কোন গাছ পুঁতলে পোকামাকড় আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না। *গাঁদা ফুলের গাছ :  শীতকাল আসলে অনেকেই বাড়িতে গাঁদা ফুলের গাছ লাগিয়ে থাকে। গাঁদা ফুল দিয়ে ঘর সাজায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ফুলের চাহিদা মেটাতেও গাঁদা ফুল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে, গাঁদা ফুল শুধুমাত্র সৌন্দর্যের কারণেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভুল ভাবছেন। গাঁদা ফুল গাছের উপকারিতা অনেক। এই গাছে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার ফলে এই গাছের কাছে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসতে পারে না। তাহলে বাড়ি থেকে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় দূর করতে অবশ্যই গাঁদা গাছ বসান। *বেসিল পাতা : খাবারে স্বাদ বাড়াতে আমরা বেসিল পাতা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মশা-মাছি দূর করতেও সাহায্য করে এই গাছ। *পুদিনা পাতা :  পুদিনা পাতা খাবারের স্বাধ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে হজমেও সহায়তা করে। কিন্তু খাবারের বাইরেও এর আরও অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতার গন্ধ মশা দূর করতে সাহায্য করে। সূত্র : জিনিউজ। //এআর
অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া উপায়

শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে অনেকে পার্লারে ছুটে যান। মহিলাদের এটা সবসময়ই প্রয়োজন হয়। তবে অনেকেরই হয়ত জানা নেই পার্লারে না গিয়ে বাড়িতেই খুব সহজেই এই অবাঞ্ছিত লোম দূর করা যায়। বর্তমানে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ওয়াক্সিং। তবে পার্লারে গিয়ে এই পদ্ধতি খুব ব্যয়বহুল। সকলের পক্ষে হয়ত সবসময় এত টাকা দিয়ে ওয়াক্সিং করানো সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাড়িতে ‘বডি সুগারিং’ এর মাধ্যমে আপনারা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে পারেন। প্রাচীন মিশরের প্রায় সকল নারীই সৌন্দর্য সচেতন ছিলেন। আর সেই সময়ের সৌন্দর্য চর্চার কিছু বিষয় এখনও ব্যবহৃত হয়। ‌যার মধ্যে অন্যতম লেবু ও চিনি’। উপকরণ – চিনি দুই কাপ। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ লেবুর রস। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ পানি। ঘরোয়া পদ্ধতি – সব উপকরণ একটি সস প্যানে অল্প তাপে গরম করতে হবে। সব উপরকরণ একসঙ্গে মিশে গেলে দেখবেন হালকা ব্রাউন রঙ চলে আসছে। এটা ভালো ভাবে মিশে গেলে ঠাণ্ডা করে একটি পাত্রে ভরে রাখতে হবে। মিশ্রণটি এমন পাত্রে রাখবেন ‌যাতে পরে আবার প্রয়োজনে গরম করে নিতে পারেন। এরপর মিশ্রণটি অল্প ঠাণ্ডা করে নিয়ে ত্বকে লাগান পাতলা কোনও কাঠি কিংবা প্লাস্টিকের পাত দিয়ে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন ৫-১০ মিনিট। তারপর পাতলা সুতির কাপর দিয়ে ‌যেভাবে ওয়াক্সিং করেন সেভাবে লোম তুলে ফেলুন। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন

নবমীতে যেভাবে সাজাবেন নিজেকে

পূজার সাজে এখনো গরদের আবেদন আছে। শাড়ি পরার ঢংটা পুরোনো কিন্তু সাজে রয়েছে নতুনের ছোঁয়া। আর নবমী তাই সাজ হবে একট অন্যরকম। দিনের এবং রাতের বেলায় চাই ভিন্ন ছোঁয়া, ভিন্ন পোশাক। সাধারণত দিনের বেলায় সাজে ‘ন্যাচারাল লুক’ধরে রাখাটাই বেশি জরুরি। দিনে মন্দিরে অঞ্জলি দেওয়ার সময় প্রকৃতির সজীব ভাবটা চাই সাজে। এদিন আপনি চাইলে যে কোনো রংয়ের শাড়ি পরতে পারেন। দিনের উৎসবে ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার বা ফাউন্ডেশন হালকা করে লাগাতে পারেন। এটি হালকা করার জন্য এতে কিছুটা পানি মিশিয়ে নিন। এবার খুব অল্প পরিমাণে লাগিয়ে পাউডার বুলিয়ে নিন। মেকআপের শুরুতে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করেই সানস্ক্রিন লোশন লাগাবেন। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চোখে আইশ্যাডো লাগান। আপনি চাইলে ঠোঁটে হালকা রঙ এর লিপস্টিকের সঙ্গে হালকা ব্রাউন রংয়ের ব্লাশন লাগাতে পারেন। এবার কপালে বড় লাল টিপ দিন। চাইলে পায়ে মোটা করে আলতা পরতে পারেন। সোনার পাশাপাশি রুপার গয়নাও জলজল করবে পূজার নবমীর সাজে। একটা সুতি শাড়ি পরে এ ধরনের একটি বালা পরে নিতে পারেন। পূজার সময় গরমে আরামের পাশাপাশি অন্যের চোখে স্নিগ্ধতা দেবে এ ধরনের সাজ। বের হওয়ার আগে ভালো মানের পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন। আপনার চুল সামনের দিকে সেট করে পিছনে খোপা করে রাখুন। আর কানের পিছনে কিছু ফুল গুজে দিন, এতে সজীব লাগবে। রাতের সাজ : নবমীতে সান্ধ্য পূজা হয়। তাই সাধারণত সন্ধ্যার পরই মন্দিরে যান সবাই। সন্ধ্যা হওয়ার কারণে এদিন সবাই জমকালো সাজে সাজেন। ভারি গয়না, রং-বৈচিত্র্যপূর্ণ পোশাক, ভারী মেকআপ, চুলের সাজ, তাজা ফুল এদিন রাতের সাজের অনুষঙ্গ। তাছাড়া বেত, বাঁশ বা কাপড়ের গয়না তো এখন বেশ চলছে। এ ধরনের উপাদানের বালা তিন থেকে চারটি হাতে জড়ালে সাজে আসবে উৎসবের আমেজ। আর মেকআপ করার জন্য ফাউন্ডেশন দেওয়ার আগেই প্রাইমার লাগিয়ে নিন। কনসিলার আপনার মুখের দাগ, চোখের নিচের কালি ঢেকে দেয়। ঠোঁটে গাঢ় রঙ এর লিপস্টিক, কপালে শাড়ীর রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বা বড় লাল টিপ লাগান। আর বিবাহিতরা সিঁথিতে সিঁদুর এর সঙ্গে ভারি গয়না পরে পারফিউম ব্যবহার করুন। শাড়ির সঙ্গে চুলের সাজ হতে পারে ব্লো আইরন,  কারলিং,  স্পাইরাল রিং,  রিং বান, ফ্রেঞ্চ বেণী অথবা খোপা। আর/ডব্লিউএন

অষ্টমীতে সাজুন স্নিগ্ধ সাজে

অষ্টমীর দিনের শুরুটা হয় অঞ্জলি দিয়ে। মন্দিরে ঘুরে এবং আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন সময় কাটে। একসঙ্গে খাবার খাই। রাতে বাড়িতে সবাই মিলে বেশ মজা করি । একসঙ্গে সারা রাত ঠাকুর দেখা হয়। এসব আনুষ্ঠানিকতায় নিজেকে আকর্ষনীয় হিসেবে তুলে ধরতে হলে খেয়াল রাখতে হবে সাজ-পোশাকের দিকেও। পোশাক পরা থেকে শুরু করে চুল, মুখের সাজ -সবকিছুতেই যেন পূজার আবহ থাকে। এজন্য অন্যান্য দিনের চেয়ে অষ্টমীর সাজ হতে হবে জমকালো এবং পরিপটি। আসুন জেনে নিই অষ্টমীর স্নিগ্ধ সাজ সম্পর্কে- দিনের সাজ এ দিন শাড়ি ও পোশাক হতে হবে গাঢ় রংয়ের। লাল, মেরুন, তসর, সিল্ক, কাতান অথবা সাদার-লাল পাড় শাড়ি বেছে নিতে পারেন । আঁচলে ভারি কাজ আছে এ রকম লাল পাড়ের শাড়ি এক প্যাঁচ করে পরলে ভালো দেখাবে। অষ্টমীর দিন সকালে লাল শাড়ি পরার প্রচলন আছে। মেকআপের শুরুতে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে টোনার বুলিয়ে সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে নিতে হবে। দিনের সাজে মেকআপ যতটা সম্ভব হালকা হওয়া উচিত। পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে  চোখে আইশ্যাডো লাগান। পেনসিল আই লাইনার দিয়ে কিছুটা মোটা করে লাইন টেনে আইশ্যাডো ব্রাশ দিয়ে স্মাঞ্জ করে দিন। মাশকারা দিন ঘন করে। ঠোঁটে লাল রংয়ের লিপস্টিক লাগাতে পারেন। সঙ্গে হালকা পিংক ব্লাশন। কপালে বড় লাল টিপ লাগিয়ে নিতে পারেন। বিবাহিতদের সিঁথিতে সিঁদুর তো আছেই। পায়ে আলতা দিতে পারেন পছন্দ অনুযায়ী।গোল্ড প্লেটের গহনা বেছে নিতে পারেন এদিন। বাইরে বের হওয়ার আগে ভালো মানের পারফিউম ব্যবহার করে নিন। চুল সামনের দিকে সেট করে পেছনে কার্ল করে ছেড়ে বা বেঁধে নিতে পারেন। কানের পেছনে চুলে গুঁজে দিন বেলি ফুলের মালা বা সাদা ও লাল জারবেরা। রাতের সাজ অষ্টমীর রাতের সাজটা চাই জমকালো। ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে তার ওপর ফেইস পাউডার লাগিয়ে নিন। চোখের ওপর মনমতো আইশ্যাডো লাগিয়ে নিন। চোখের ভেতরের কোণে হাইলাইটার ব্যবহার করে নিন। চোখে গাঢ় করে কাজল পরুন। এতে চোখ আরও আকর্ষণীয় দেখাবে। গালে গাঢ় রংয়ের ব্লাশন বুলিয়ে নিন। চোখের মেকআপ কিছুটা হালকা হলে ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক লাগাতে পারেন। কপালে বড় লাল বা শাড়ির রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে টিপ পরতে পারেন। কিছুটা ভারি গহনা পরে সবশেষে সুগন্ধী ব্যবহার করুন। শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে চুল বেঁধে বা ছেড়ে রাখতে পারেন। সাজকে আরোও আকর্শনীয় করে তোলার জন্য পছন্দমতো ফুল গুজেঁ নিতে পারেন আপনার চুলে । /এম/এআর      

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি