ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:২৮:৪৩

হোটেলে বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ

হোটেলে বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হওয়ার কারণ

হোটেলে থাকেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কিন্তু লক্ষ্য করেছেন কি, হোটেলের বিছানার চাদর এবং বালিশের ওয়ার— সব সময়ই সাদা। কিন্তু কখনও মনে প্রশ্ন জেগেছে কি, এরকম কেনও করা হয়? হয়ত আপনি ভাবছেন এ আবার কী কথা! কিন্তু না, এর পিছনে রয়েছে যুক্তিগ্রাহ্য কারণ। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্ট (আইআইএইচএম) কলকাতা’র ‘হাউস কিপিং’- এর অধ্যাপক তরুণ সরকার জানান, নয়ের দশকের শুরুতে ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপ তাদের হোটেলের ঘরগুলোতে সাদা বালিশ-চাদর-তোয়ালের ব্যাপক ব্যবহার শুরু করে। তিনি আরও জানান, ১৯৭০-’৮০ সালেও ইউরোপ এবং আমেরিকার বেশ কয়েকটি নামি হোটেলে সাদা চাদর-বালিশ ব্যবহারের চল ছিল। তবে ১৯৯০-এর গোড়ায় ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ডিজাইন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন হুভারই ওয়েস্টিন হোটেল গ্রুপের ঘরগুলোতে সাদা চাদর-বালিশ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। এ ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি যুক্তিও দিয়েছিলেন হুভার। ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেলের ডিজাইন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন হুভার। এরিন হুভার-এর যুক্তি ছিল, সাদা চাদর-বালিশ হোটেলের অতিথিদের মনে পরিচ্ছন্নতার অনুভূতি তৈরি করে। এনে দেয় মানসিক তৃপ্তি। এরিন হুভারের যুক্তি মেনে এই পদ্ধতির ব্যবহারের ফলে ওয়েস্টিনের হোটেলগুলোর ব্যবসা অনেকটাই বেড়েও যায়। অতিথিদের পছন্দের হোটেলের তালিকার জায়গা করে নেয় ওয়েস্টিনের হোটেলগুলো। পরবর্তীকালে প্রায় সবাই এই পন্থা অনুসরণ করতে শুরু করেন। এ কথা আমরা প্রায় সবাই জানি যে, সাদা রং অনেক বেশি আলোর প্রতিফলন ঘটায়। তাই সাদা চাদর-বালিশ, পর্দা ব্যবহারের ফলে হোটলের ঘরগুলো আরও উজ্জ্বল বলে মনে হয়। তাছাড়া সাদা চাদর-বালিশ, পর্দা ময়লা হলে সবকটি এক সঙ্গেই ধুয়ে নেওয়া যায়। অন্যান্য যে কোনও রঙের ক্ষেত্রে এক রঙের কাপড়ের থেকে আরেকটায় রং লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই সাদা রঙের চাদর ব্যবহারে আখেরে হোটেলেরই সাশ্রয়। এছাড়া সাদা রঙ যে দেখতেও ভাল লাগে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে এরিন হুভারের যুক্তি গ্রহনযোগ্য হয়ে ওঠে সবার কাছে। হোটলের ঘরগুলোর দেওয়ালের রং ঘন ঘন পাল্টানো সম্ভব নয়। আর ঘরের দেওয়ালের রঙের সঙ্গে বিছানার চাদর-বালিশ বা পর্দার রং না মিললে দেখতেও ভাল লাগে না। তাছাড়া ঘন ঘন মানানসই রঙের চাদর-বালিশ আর পর্দা পাওয়া মুসকিল। বানাতে দেওয়াও বেশ খরচসাপেক্ষ। তাই সাদা রঙের চাদর-বালিশ বা পর্দার ব্যবহারে এই সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে অনায়াসে। হাউস কিপিং-এর অধ্যাপক তরুণ সরকার আরও জানান, নামি হোটেল গ্রুপগুলো সর্বত্র তাদের ঘরগুলোর গুণমান (স্যান্ডার্ড) অপরিবর্তিত রাখার জন্য সাদা চাদর-বালিশ বা পর্দা ব্যবহার করে থাকে। কারণ সাদা রঙের চাদর-বালিশ বা পর্দা অপেক্ষাকৃত সস্তা এবং সহজলভ্যও। ‘ব্যতিক্রমী কিছু সৃষ্টি করতে চাইলে, খুঁটিনাটি বিষয়েও নিখুঁত পর্যবেক্ষণ জরুরি’— এই মতাদর্শকেই সামনে রেখে এরিন হুভারের এই পদক্ষেপ হোটেল ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন এনে দেয়। সামান্য চাদর-বালিশের রং হোটেল ব্যবসার ক্ষেত্রে বা হোটেলের অতিথিদের ভাবনা চিন্তায় কতটা প্রভাবিত করতে পারে তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন হুভার। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে শতাধিক নামি হোটেলে এমনই আরও নানা খুঁটিনাটি বিষয় মাথায় রেখে ব্যবহার করা হয় সাদা রঙের চাদর-বালিশ। তবে এরিন হুভারের যুক্তি বা ব্যাখ্যাগুলোই সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য। সূত্র: জিনিউজ একে//
তিন ফ্রুট প্যাকে গরমে থাকুন ফ্রেশ

রোগ প্রতিরোধ করার পাশাপাশি ফল মানুষের শরীরকে তাজা রাখে। আবার রূপচর্চারও বড় অনুসঙ্গ ফল। এজন্য বাড়িতে ফ্রুট ফেসপ্যাক। এখানে রইল ঘরোয়া উপায়ে তৈরি তিন রকম ফ্রুট ফেসপ্যাকের কথা। স্ট্রবেরি ও মধুর ফেসপ্যাক একটি পাত্রে তিনটি স্ট্রবেরি কেটে রাখো। তাতে দুই টেবিল চামচ মধু মেশাও। ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটাকে মুখে লাগাও। তারপর সার্কুলার মোশনে ম্যাসেজ করো। মিনিট কুড়ি প্যাকটি লাগিয়ে রেখে দাও। শুকিয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ জলে ধুয়ে নাও। স্ট্রবেরি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। মধু আবার শুষ্ক ত্বকের ময়শ্চারাইজ়ার হিসেবে কাজ করে। পেঁপে, কলা ও মধুর ফেসপ্যাক এই প্যাকটি শুষ্ক ত্বকের জন্য। পেঁপে, কলা একটি পাত্রে ভাল করে মিশিয়ে নাও। তার সঙ্গে দুই টেবিলচামচ মধু মেশাও। তারপর মিনিট ১৫ প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রেখে দিন। পেঁপে, কলা ও মধুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজ়ার যা শুষ্ক ত্বকে এনে দেয় লাবণ্য। অরে়ঞ্জ, স্ট্রবেরির ফেসপ্যাক ত্বক তৈলাক্ত হলে ত্বকে ব্রণর সমস্যা দেখা দেবেই। অরে়ঞ্জ, স্ট্রবেরি ও অল্প হলুদ গুঁড়ো একসাথে মিশিয়ে নিয়ে প্যাকটিকে মুখে লাগান। এ ধরনের ফলে থাকে ভিটামিন সি, যা তোমার ত্বকের তৈলাক্ত ভাবকে কমিয়ে আনবে। প্যাকটিকে শুকিয়ে নিয়ে ধুয়ে ফেলো। সপ্তাহে দু’দিন এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পার। সূত্র : সংবাদ প্রতিনিধি। / এআর /

পা অস্বাভাবিক ঘাম থেকে সুরক্ষার উপায়

পায়ে অস্বাভাবিক ঘাম হলে কার না অস্বস্থি লাগে। মোজা ভেজা ভেজা বা চটচটে ভাব। কিন্তু জুতো খোলার উপায় নেই। কারণ, জুতো খুললেই প্রচণ্ড দুর্গন্ধ! মোজায় পারফিউম বা পাউডার মেখেও লাভ হয় না। তাহলে উপায়! উপায় আছে। জেনে নিন কী ভাবে মুক্তি পাবেন এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে।• সুতির মোজা ব্যবহার করুন;• যাঁদের এমন সমস্যা হয়, তাঁদের ঘন ঘন চা বা কফি না খাওয়াই ভাল;• মশলাদার (স্পাইসি) খাবারদাবার এড়িয়ে চলুন;• সপ্তাহে অন্তত একবার জুতোর ভিতরে সুগন্ধি পাউডার দিয়ে, ভালো করে কাপড় দিয়ে মুছে নিন;• মাঝে মধ্যে জুতোগুলোকে রোদে দিন;• একই মোজা দু’দিনে ব্যবহার করবেন না;• নিয়মিত পা পরিষ্কার রাখুন। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে গরম পানিতে একটু নুন ফেলে ভাল করে পা ধুয়ে নিন;• ভাল করে পা মুছে, ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।/ এআর /

কার্লার ছাডা়ই স্টাইল করুন চুল

নিত্যদিনের ব্যস্ততার মধ্যে নিজের যত্ন নেওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে৷ তবে এরই মাঝে পার্টি, বিয়েবাড়ি, সেলিব্রেশন তো থাকেই৷ এসবের সময় এলেই চুল হয়ে ওঠে গুরত্বপূর্ণ জিনিস৷ রোদের প্রখর রশ্মিতে কমবেশি সব মেয়েদেরই চুল খারাপ হয়৷ তারওপর কোনও অনুষ্ঠানে যেতে গেলে চুলে হিট দিয়ে স্টাইল করতেও বেশ সমস্যা হয়৷ কারণ ইলেকট্রিক হিটে চুল আরও বেশি নষ্ট হয়৷ স্ট্রেট চুল ছাড়া অনেকেরই কার্লি হেয়ার বেশ পছন্দের৷  বাড়িতেই আপনি চুল কার্ল করতে পারবেন বিভিন্ন পদ্ধতিতে৷ তবে এক্কেবারে হিট ছাডা়৷ কার্লার ছাড়াই কার্ল করতে পারবেন আপনি নিজেই৷ তবে পদ্ধতি গুলি একটু সময়সাপেক্ষ৷ স্টাইল করতে গেলে সময় তো লাগেই৷ ১) রাতে শুতে যাওয়ার আগে পুরো চুলের এক একটি ভাগ নিয়ে বিনুনি করে ফেলুন৷ প্রায় ১০-১২ টা ভাগ করে বিনুনি করতে হবে৷ বিনুনিগুলো বেশ টাইট করে করবেন যাতে আলগা না হয়ে যায়৷ সারারাত রেখে দেওয়ার পর, পরের দিন সকালে বিনুনি খুলে ফেলুন৷ চুল খুলতেই পেয়ে যাবেন ছোট ছোট ডিপ কার্লস৷ যেকোন রকমের মুখের শেপেই এই স্টাইল মানানসই৷   ২) প্রথমে চুলের একটি সেকশন নিয়ে পুরো চুলটা পাকিয়ে ফেলুন, অর্থাৎ ট্যুইস্ট করুন৷ পুরোটা করে একটা ছোট্ট খোঁপা করে ফেলুন৷ বেশ কিছুক্ষণ রেখে দেওয়ার পর, খুলে ফেলুন৷ স্পাইরালের মতো কার্লস পেয়ে যাবেন আপনি৷ এই কার্লসগুলি দীর্ঘস্থায়ী৷ ৩) আবারও চুলের একটা ভাগ নিয়ে নিজের দুটো আঙুলের মধ্যে চুলটাকে জড়াতে থাকুন৷ ধীরে ধীরে চুলটা জড়ানো হয়ে গেলে একটা লম্বা শরু ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখুন৷ এক-দুই ঘন্টা রাখার পর চুলটা খুলে ফেলুন৷ এই পদ্ধতিতে আপনি সফ্ট কার্লস পেয়ে যাবেন৷ ৪) এবারের পদ্ধতিটা স্ট্র দিয়ে৷ কোল্ড ড্রিঙ্ক খাওয়ার স্ট্রতে গোটা চুলটা জড়িয়ে নিন৷ স্ট্রয়ের মাঝখানের জায়গাটাতেই একমাত্র জড়াবেন৷ তারপর স্ট্রয়ের সাইডগুলোকে ফোল্ড করে ববি পিন বা গার্ডার দিয়ে আটকে দিন৷ কয়েক ঘন্টা রেখথে খুলে ফেলুন৷ ৫) বড়ো হেয়ারব্যান্ড নিয়ে মাথার ওপরে পরে নিন৷ চুলগুলোকে হেয়ারব্যান্ডের নীচেই রাখবেন৷ তারপর এক একটা ভাগ নিয়ে হেয়ারব্যান্ডে আসতে আসতে জড়াতে থাকুন৷ এক রাত রেখে দিয়ে পরের দিন খুলে ফেলুন৷ এই পদ্ধতিতে আপনি ন্যাচারাল কার্লস পেয়ে যাবেন৷ সূত্র : জিনিউজ। টিআর/ এআর

নখ মজবুত রাখতে ৫ খাবার

সুস্থ জীবন ধারণের জন্য উচ্চ পুষ্টিমূল্য সম্পন্ন খাদ্য গ্রহণ প্রয়োজন। শরীরের যত্ন নেওয়ার সময় আমরা প্রায়ই আমাদের নখের যত্ন নিতে ভুলে যাই। একথা অস্বীকার করা সম্ভব নয় যে আমাদের নখ দেখে আমাদের শরীরের অবস্থা বোঝা সম্ভব হয়। নখ ভালো রাখার জন্য যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি নখের যত্নের জন্য উপকারী। এখানে ৫টা খাবারের উল্লেখ করা হলো যেগুলো আমাদের নখ মজবুত করতে সাহায্য করে। মাছ-সুস্থ মজবুত নখের জন্য প্রোটিন জাতীয় খাদ্যগ্রহণ প্রয়োজন। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ আমাদের দেহের জন্য অন্ত্যন্ত জরুরি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ, প্রোটিন এবং সালফারের উৎকৃষ্ট উৎস। মাছ নখ মজমুত এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে। ডিম-ডিম ভিটামিন ডি এর উৎকৃষ্ট উৎস। প্রোটিন ছাড়াও ডিমে ভিটামিন বি12, বায়োটিন এবং আয়রন থাকে যা নখকে পুরু করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম যোগ করুন আর ফলাফল দেখুন! সবুজ কড়াইশুটি-এগুলো দেখতে ছোট হলেও এর পুষ্টিগুণ প্রচুর। সবুজ করাইশুটিতে প্রোটিন, বেটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি থাকে। এগুলো নখের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ওটস-ওটসে কপার, জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি থাকে যা আমাদের শরীরের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ। আর নখের যত্ন নিতে গেলে আমাদের শরীরের যত্ন নেওয়াও প্রয়োজন। সবুজ শাকসবজি-ক্যালশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টিওক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ সবুজ শাকসবজি পুষ্টির পাওয়ার হাউজ। পালংশাক, ব্রকলি ইত্যাদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যুক্ত করলে আপনার নখ খুব সুন্দর এবং মজবুত হবে। সুতরাং, আপনি যদি দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস ছেড়ে নখ বড় করার কথা ভেবে থাকেন তবে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এইসমস্ত খাবার যোগ করুন আর নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে যান! তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

হাতের কোন আঙুলের আংটি কি ইঙ্গিত করে

একটা সময় ছিল, যখন শুধু অনামিকাতেই আংটি পরা হতো। আজকাল সব আঙুলে, এমনকি বৃদ্ধাঙ্গুলেও আংটি পরার চল হয়েছে। জ্যোতিষিরা বহুকাল থেকে ভাগ্য পরিবর্তনে হাতে বিভিন্ন পাথরের আংটি ব্যবহারের করে আসছে। তাদের মতে, বিভিন্ন আঙুলে আংটি ব্যবহারে বিভিন্ন ভাগ্য নির্ধারণ করে। তবে আধুনিক যুগে তা বিশ্বাস না করলেও ফ্যাশন হিসেবে সব আঙুলেই আংটি পরতে দেখা যায়। দেখা যাক কোন আঙুলে আংটি পরলে কি ইঙ্গিত প্রকাশ করে- বৃদ্ধাঙ্গুল সাধারণত এই আঙুলটি আংটি পরার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনকার শহুরে পুরুষদের মনস্ততত্ত্ব অনুযায়ী, অর্থের প্রাচুর্য, পরিবারের বিরাট সম্পত্তির বহিঃপ্রকাশ করতে অনেকেই এই আঙুলকে আংটি পরার জন্য বেছে নিচ্ছেন। তবে এই আঙুলে বেশি বড় কিংবা বড় পাথর দেওয়া মোটা আংটি না পরাই ভালো। তর্জনী আঙুল বুড়ো আঙুলের পরেই যে আঙুলটি সব থেকে বেশি ব্যবহৃত হয়, সেটা হল তর্জনী আঙুল। গবেষণায় দেখা গেছে, এই আঙুলটি বেশিরভাগ ফাঁকা রাখতে পছন্দ করেন। তবে এটা সাম্প্রতিক ধারণা। কয়েক শো বছর আগে পর্যন্ত এ আঙুলেই আংটি পরতে বেশি পছন্দ করতেন। এই আঙুল ফ্যামিলি রিং, ফ্রেটারনাল রিং প্রভৃতি পরার জন্য আদর্শ। মধ্যমা আঙুল হাতের সব থেক বড় ও মোটা আঙুল হচ্ছে মধ্যমা আঙুল। মনস্ততত্ত্ববিদরা বলেন, যারা প্রথমবার আংটি পরেন, তারা মধ্যমাকেই প্রথমে বেছে নেন। কারণ একটাই, এটা দেখতে `ম্যানলি` লাগে। তবে যে কোন ভারি কাজের সময় একটু অসুবিধা হতে পারে, তাই ছোট আংটি পরাই ভালো। অনামিকা আঙুল সাধারণত ডান বা বাম হাতের অনামিকায় বিয়ে বা বাগদানের সময় আংটি পরা হয়ে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এই রীতি চলে আসছে। মনে করা হয়, বাগদানের আংটি পরা হয় ডান হাতে। বিয়ের আংটি পরা হয় বাঁ হাতে। আরও একটি ব্যাপার এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে, এই আঙুলের সঙ্গে নাকি হৃদয়ের সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই অনামিকা আঙুলে আংটি পরা হয়। কনিষ্ঠা আঙুল কড়ে আঙুলে আংটি পরা নিয়ে বিশেষ কোনো রীতি কিংবা নিয়ম জড়িত নেই। তাই এই আঙুলে হালকা কাজ করা কিংবা শুধু চক্রাকৃতির আংটি পরতে পারেন। কড়ে আঙুলে ভারী আংটি না পরাই ভালো। কেএনইউ/ এসএইচ/      

গ্রীষ্মে সিল্কি চুল পাওয়ার ৬ টোটকা

সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ত্বকের যেমন বিশেষ ভূমিকা রয়েছে, তেমনি চুলের সৌন্দর্যকেও উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। তাই ত্বকের পাশাপাশি চুলের যত্ন নেওয়াটাও একান্ত প্রয়োজন। তাই সিল্কি চুলের স্বপ্ন পূরণ করতে যে যে বিষয়গুলো অনুসরণ করবেন তা উল্লেখ করা হলো। ১) অ্যালো ভেরা জেল ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের সৈন্দর্য বাড়াতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে অ্যালো ভেরা জেলে উপস্থিত একাধিক উপকারি এনজাইম, চুলের ভেতরে প্রবেশ করে হেয়ার গ্রোথকে ত্বরান্বিত করে। সেই সঙ্গে হেয়ার ড্যামেজের চিকিৎসাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেভাবে ব্যবহার করবেন ২ চামচ অ্যালো ভেরা জেল নিয়ে তার সঙ্গে ২ চামচ পানি ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রনটি একটা স্প্রে বটলে নিয়ে চুলে ভাল করে স্প্রে করতে হবে। এইভাবে লপ্তাহে ৩-৪ দিন চুলের পরিচর্যা করলে দেখবেন উপকার মিলতে শুরু করেছে। ২) অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল অলিভ অয়েল এবং নারকেল তেলের ভেতরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং আরও সব উপকারি উপাদান চুলের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। সেই সঙ্গে চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।এর মাধ্যমে হেয়ার গ্রোথ যেমন সুন্দর ভাবে হতে থাকে, তেমনি সার্বিকভাবে চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। যেভাবে ব্যবহার করবেন ২-৩ চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল নিয়ে তা গরম করে নিতে হবে। তারপর হলকা গরম করে নেওয়া তেলটি স্কাল্পে লাগিয়ে কম করে ১৫ মিনিট ভাল করে মাসাজ করতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করার পর ধুয়ে ফেলতে হবে। ৩) দই অল্প সময়ে চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে চান? তাহলে ১ কাপ দইয়ের সঙ্গে ২ চামচ আমলা পাউডার মিশিয়ে নিন। তরপর দুটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে  মিশ্রনটি স্কাল্পে এবং চুলে ভাল করে লাগান। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১-২ বার এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগালে স্কাল্পের ভেতরে ভিটামিন ডি এবং বি৫-এর মাত্রা বাড়তে শুরু করবে। আর এর মাধ্যমে চুল সুন্দর হয়ে উঠবে। ৪) ডিম পুষ্টি ঘাটতি দূর করে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে ডিম দারুনভাবে কাজে করে। আসলে এর ভেতরে থাকা প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই চুলের পরিচর্যায় ডিমকে কাজে লাগাতে পারেন। যেভাবে ব্যবহার করবেন ১ টা ডিমের কুসুমের সঙ্গে ১ চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেটি ভাল করে চুলে লাগিয়ে কম করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হব। সময় হয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে । এইভাবে সপ্তাহে ১-২ বার চুলের খেয়াল রাখলেই দেখবেন সিল্কি এবং প্রাণবন্ত চুলের অধিকারি হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। ৫. পেঁয়াজের রস চুলকে সুন্দর এবং উজ্জ্বল করে তুলতে বাস্তবিকই পেঁয়াজের রসের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই অল্প সময়ে চুলকে সুন্দর করে তুলতে চাইলে পেঁয়াজের রসকে কাজে লাগাতে পারেন। যেভাবে ব্যবহার করবেন পরিমাণ মতো পেঁয়াজের রসের সঙ্গে ৩-৪ ড্রপ ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে তা ভাল করে চুলে লাগাতে হবে। তারপর ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে । সপ্তাহে ২ বার এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগালে দেখবেন চুল সুন্দর হয়ে উঠতে শুরু করেছে। ৬) অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ১ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনগার, ১ কাপ ঠান্ডা পানিতে মিশিয়ে তা দিয়ে ভাল করে চুলটা ধুতে হবে। এইভাবে সপ্তাহে একবার চুলের পরিচর্যা করলে দেখবেন সিল্কি চুলের অধিকারি হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। সূত্র : বোল্ডস্কাই। এমএইচ/ এআর

চল্লিশের পরও চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখার ৫ উপায়

চল্লিশ বছর হলেই আমাদের চেহারায় বাধ্যর্ক্যের ছাপ পড়ে যায়। শুধু নারীদেরই নয়, পুরুষদেরও ত্বক থেকে তারুণ্য বিদায় নিতে শুরু করে। তাই ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই প্রয়োজন। না হলে অকালেই বুড়িয়ে যেতে হবে। এমন ৫ টি কৌশল আছে যেগুলি ঠিক মতো মেনে চললে পঞ্চাশেও চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। • বিভিন্ন ফলের রস ত্বকের জন্য খুব উপকারী। যেমন, গাজর, শসার রস, টোম্যাটো, কমলাবেলুর মতো ফলের রস খেতে পারলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।• গোসলের আগে গোটা শরীরে অলিভ অয়েল মেখে নিতে পারলে তা ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।• পানিতে ভেজানো খেজুর ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার, ত্বক হয়ে উঠবে ঝকঝকে ও তারুণ্য ভরা।• পুরুষদের চূড়ান্ত  কর্মব্যস্ততার মধ্যেও ১৫ দিন অন্তর অন্তত একবার ফেশিয়াল করা উচিত। না, তার জন্য পার্লারে যাওয়ার দরকার নেই। মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। বা মুলতানি মাটিতে সামান্য গোলাপজল মিশিয়েও মুখে মাখিয়ে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।• সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা উষ্ণ জলের সঙ্গে এক চামচ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে পেট থাকবে পরিষ্কার আর শরীর থাকবে ঝরঝরে। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।এই নিয়মগুলি মেনে চলতে পারলে সুফল পাওয়া যাবে। আপনার চেহারায় যৌবন হবে দীর্ঘস্থায়ী।সূত্র : জিনিউজ।/এআর /

ত্বকের যত্নে কাঠ বাদাম

কাঠ বাদাম শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারি নয়, এটি রূপচর্চাতেও অসাধারণ কাজ করে। কাঠবাদামে রয়েছে ডায়েট ফাইবার যা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বককে উজ্জ্বল রাখার কাজও করে। তবে চলুন জেনে নেই ত্বকের যত্নে কাঠ বাদামের যেসব উপকারিতা রয়েছে-   তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করে ত্বকের ভিতরে থাকা সিবেসিয়াল গ্ল্যান্ড থেকে যদি বেশি মাত্রায় তেল বেরতে শুরু করে তাহলে ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত দেখাবে। এতে মুখ বেশ কালো দেখায়। সেই সঙ্গে ব্রণসহ আরও বিভিন্ন ত্বকে সমস্যা দেখা দেয়। এই ধরণের সমস্যাকে দূর করতে কাঠ বাদামের ভূমিকা রয়েছে। এক্ষেত্রে এক মুঠো বাদাম গুঁড়ো নিয়ে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে উঠে পানি ছেঁকে নিয়ে পরিমাণ মতো দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার সেই পেস্টটি মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর হলকা গরম পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে প্রতিদিন এই ফেস মাস্কটিকে কাজে লাগালে তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর হবে, সেই সঙ্গে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করে গরম কালেও ত্বকে শুষ্কতা দেখা যায়। এ সময় প্রতিদিন এক বাটি করে বাদাম খাওয়ার পাশাপাশি বাদাম দিয়ে বানানো ফেসপ্যাক মুখে লাগাতে হবে। এতে ত্বকের ভিতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে যে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসবে। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে গুঁড়ো বাদাম, ওটস এবং দুধ একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করতে হবে। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে ৩-৪ দিন ত্বকের পরিচর্যা করলেই ত্বকের শুষ্কতা দূর হবে। ত্বকের যে কোন দাগ দূর করে ত্বকের যে কোন দাগ কমাতে সাহায্য করবে কাঠ বাদাম। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো মুলতানি মাটি নিয়ে তার সঙ্গে বাদাম গুঁড়ো এবং গোলাপ জল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টটি মুখে লাগিয়ে শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে একদিন অন্তর অন্তর ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন মুখের সব দাগ মিলিয়ে গেছে। ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে পরিমাণ মতো চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে বাদাম গুঁড়ো এবং দুধ মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। এতে ত্বকের উপরি অংশে জমে থাকা মৃত কোষের স্তর সরে যাবে। সেই সঙ্গে ত্বকের ভিতরে কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে উঠতে সময় লাগবে না। ত্বকের বয়স কমাতে ত্বকের বয়স কমাতে ত্বকের পরিচর্যার প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাদামকে কাজে লাগাতে পারেন। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বাদামের ভিতরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের ভিতরে পানির ঘাটতিকে দূর করে। সেই সঙ্গে কোলাজেনের উপাদান বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বলিরেখার মাত্রা কমায়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো বাদাম গুঁড়োর সঙ্গে সম পরিমাণে অলিভ অয়েল এবং দই মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটি নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করলে দেখবেন ত্বকের বয়স কমবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/  এআর

নতুনরূপে আসছে স্বর্ণের হেয়ার স্ট্রেইট

চুলকে সোজা করা প্রচলিত দিন দিন বেড়েই চলছে। আর এই চুলকে সোজা করতে ব্যবহার করছে হেয়ার স্ট্রেইট। মেয়েরা এখন সাজসজ্জার উপকরণ হেয়ার স্ট্রেইটকে সঙ্গী হিসেবে সবসময় নিজের কাছে রাখছে। যেখানেই বেড়াতে যাক না কেন হেয়ার স্ট্রেইট ব্যবহার করা চাইই চাই।    উত্তর ইংল্যান্ডের শিল্পনগরী লিডসভিত্তিক কোম্পানি গুড হেয়ার ডে বা জিএইচডি অনেক বছর ধরে বিভিন্ন হেয়ার স্টাইলিং উপকরণ প্রস্তুত করে আসছে। এবার তারা নিয়ে এসেছে এক নতুন হেয়ার স্ট্রেইটনার, যা তৈরি ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে। আর এমন স্ট্রেইটনার তৈরি হয়েছে কেবলই ৭০ পিস। আর প্রতিটি হেয়ার স্ট্রেইটনারের দাম এক হাজার পাউন্ডেরও বেশি। কিন্তু অদ্ভুত কথা হচ্ছে, স্বর্ণের এ হেয়ার স্ট্রেইটনারগুলো বিক্রির জন্য তৈরি হয়নি। এগুলো এ কোম্পানির একটি টিকিট প্রতিযোগিতার উপহারস্বরূপ তৈরি হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য ক্রেতাদের গুড হেয়ার ডে থেকে ১৩৯ পাউন্ড দাম দিয়ে যেকোনো একটি গোল্ড স্টাইলার কিনতে হবে। আর এ স্টাইলারের প্যাকেটের ভেতরে যদি থাকে গোল্ডেন টিকিট, তাহলে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে বহুদামি স্বর্ণের স্ট্রেইটনারের মালিক হয়ে যেতে পারে। কেএনইউ/টিকে

নিজেকে আকর্ষণী করতে চুলে ফুল বাঁধুন ৫ নিয়মে

নিজেকে সুন্দর দেখাতে মানুষ কত কিছুই না করে। এর মধ্যে চুলে তাজা ফুল দিয়ে হেয়ারস্টাইল অন্যতম একটি পন্থা। তাই সুন্দর দেখাতে এবং অন্যদের মধ্যে নিজের বিশেষত্ত্বকে ফুটিয়ে তুলতে ফুল দিয়ে হেয়ারস্টাইল করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে চুল ফুল বাঁধার ৫ টি নিয়ম তুলে ধরা হলো। ১) সবুজ শাড়ি ও হলুদ গাঁদা এই স্টাইলে চুলের দৈর্ঘ্য লম্বা হতে হবে। প্রথমে চুল ভাল করে আঁচড়ে নিন। চুলগুলো এক পাশে করে নিতে হবে। এর পর ফ্রেঞ্চ রোলের মতো খোঁপা বাঁধুন। পছন্দ মতো ক্লিপ দিয়ে গাঁদা আটকে নিন। ফুলের আকার যেন ছোট হয়। সুতি বা হ্যান্ডলুম শাড়ি এবং বিপরীত রঙের ব্লাউজ়ের সঙ্গে এই লুকে তৈরি করতে পারেন নিজের স্টাইল। ২) লাল শাড়িতে জুঁইয়ের মালা. এই খোঁপার জন্য প্রথমে সামনের দিকের চুল পাফ করতে হবে। এতে ভলিউম আসবে। এর পর সামনের চুল উলটে, পনিটেল করুন। এ বার খোঁপা বাঁধুন। আবার বিনুনি করেও খোঁপা বাঁধা যায়। চুলের ভলিউম বুঝে জুঁইয়ের মালা খোঁপার চারপাশে এমন ভাবে জড়িয়ে দিন, যাতে খোঁপার বেশি অংশ দেখা না যায়। মালার দৈর্ঘ্য যেন ঘাড় ছুঁয়ে যায়। খোঁপা যেন বেশি উপরে বাঁধা না হয়, খেয়াল রাখবেন।   ৩) রাতে গোলাপি গোলাপ এই হেয়ারস্টাইলে সাইড পার্টিং করে, সেটাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে, সেই অংশগুলিকে পেঁচিয়ে বসিয়ে নিন। তার পর খানিকটা চুল নিয়ে মাঝখানে ছোট বুফোঁ করে নিন। বাকি চুল নিয়ে মেসি বান করুন। এ বার খোঁপায় গোলাপ লাগান। গোলাপের রঙের সঙ্গে শাড়ির রং মিশে গেলে তো কথাই নেই। তবে হালকা রঙের শাড়ির সঙ্গে এই লুক আনবে বৈচিত্র।   ৪) সাদা গোলাপের বাহার মাঝখানে সিঁথি করে অল্প কার্ল করে নিন। এ বার সিঁথির দু’পাশ থেকে ছোট ছোট চুলের গোছা পেঁচিয়ে পিছনের দিকে আটকান। একই ভাবে মাঝখান থেকেও চুলের অংশ নিয়ে পেঁচিয়ে বসান। মাঝখানে গোলাপ আটকে নিন।   ৫) সুতির শাড়ি, সঙ্গে সূর্যমুখী এই স্টাইল কোঁকড়া চুলে ভাল মানাবে। না হলে কার্ল করে নিন। সাইড পার্টিং করে কিছুটা চুল টুইস্ট করে ডান দিকে কানের পাশে আটকে নিন। গোড়া বেঁধে হাত খোঁপা করে নিন, খানিকটা আলুথালু ভাবেই। খোঁপার নীচে সূর্যমুখী এমন ভাবে লাগান, যাতে কানের উপর না যায়। সূর্যমুখী বাছার সময় শাড়ির রঙের ব্যাপারেও সচেতন হবেন।   এমএইচ/টিকে

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করার সহজ উপায়

ত্বকের সমস্যা কম বেশি প্রত্যেকেরই রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকেরই ত্বক আলাদা আলাদা রকমের। কারো তৈলাক্ত ত্বক তো কারো শুষ্ক। কারো আবার সংবেদনশীল। গরমকাল আসছে, শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা খুব সমস্যায় পড়তে চলেছেন। তাই এখনই জেনে নিন, কীভাবে এই শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করবেন- ওটমিল শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করার তো অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এর জন্য ওটমিল খুবই উপকারী একটি উপাদান। ওটমিল ত্বকের স্বাভাবিক pH মাত্রা বজায় রেখে ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে তাড়াতাড়ি। ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন যাদের প্রচণ্ড মাত্রায় শুষ্ক ত্বক, তারা গোসল করেই সঙ্গে সঙ্গে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এর ফলে ত্বকের শুষ্কভাব দূর হবে, আবার ত্বক ভালোও থাকবে। তবে, ময়শ্চারাইজার বেছে নেওয়ার সময়ে মনে রাখতে হবে যে, চড়া গন্ধযুক্ত ময়শ্চারাইজার ব্যবহার কম করতে হবে এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ত ময়শ্চারাইজার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া শুষ্ক ত্বকের সমস্যা থেকে বাঁচতে আরো একটা পরামর্শ বিশেষজ্ঞরা দিয়ে থাকেন। তা হল, প্রচুর পরিমানে পানি খাওয়া এবং সঠিক ডায়েট মেনে খাবার খাওয়া। সূত্র: জিনিউজ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি