ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৬:১৫

শীতের রাতের পার্টি সাজ

শীতের রাতের পার্টি সাজ

বর্তমান চলছে শীতের আমেজ। আর শীত মানেই পার্টি সিজন। কিন্তু শীতের রাতে পার্টির সাজ কেমন হবে? এই কনকনে ঠান্ডা মাথায় রেখে পার্টিতে সবার চোখে পড়ার মত সাজ কে না চায়? প্রকৃতিতে যেহেতু প্রচন্ড ঠান্ডা তাই ম্যাট নয় বরং হালকা সাজে সৌন্দর্য বাড়িয়ে নেওয়াটাই উত্তম। কেউ কেউ পার্লারে গিয়েও পার্টির সাজ সাজতে পারেন। কীভাবে শীতের রাতের পার্টিতে যাওয়ার জন্য বাসায় সাজগোজ করবেন আসুন জেনে নিই। সাজতে বসার আগে প্রথমে ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ফেলুন। কিংবা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিতে পারেন। মুখে যখন মেকআপ তুলবেন তখন আপনার ব্যবহারিক ক্রীম লাগানো যাবে না। এখন ফাউন্ডেশন লাগার আগে অল্প করে প্রাইমার লাগিয়ে নিন। প্রাইমার মুখের মেকআপকে দীর্ঘস্থায়ী রাখে ও ত্বককে মসৃণ করে। তাই প্রাইমার লাগাতে হবে। এরপর ত্বকের যেখানে দাগ, ছোপ ও ডার্ক সার্কল আছে সেখানে কিছু প্রাইমার লাগিয়ে আঙ্গুলের সাহায্যে আলতো করে ঘষে নিন, তাহলে সেগুলো ঢাকা পড়বে। এরপর স্পাঞ্জ দিয়ে মুখে ফাউন্ডেশন লাগান। বেশি লাগানো যাবে না। তবে যে কোনো ফাউন্ডেশন লাগালেই চলবে না। স্কিনের সঙ্গে ম্যাচ করে ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে। মুখের ফাউন্ডেশন লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে গলায় ঘাড়ে ও হাতেও লাগাতে হবে। কেননা মুখের সঙ্গে গলা, ঘাড় ও হাত ম্যাচ না করলে দেখতে খারাপ লাগবে। ফাউন্ডেশন লাগানো হয়ে গেলে ফেসপাউডার ব্যবহার করবেন এতে মুখের সুন্দর গ্লো আসবে। রাতের পার্টির জন্য গোল্ডেন টিন্টেড ফেসপাউডার ব্যবহার করা ভালো। তাহলে রাতের অন্ধকারে মুখ উজ্জ্বল দেখাবে। মেকআপ শেষে ব্লাশার লাগালে পুরো মেকআপের মধ্যে ব্যালেন্স রাখতে সুবিধা হবে। গোলাপী কিংবা ব্রাউন ব্লাশার লাগালে দারুণ লাগবে। ঠোঁট একে নিয়ে হালকা গোলাপী কালারের লিপস্টিক দিয়ে নেন। হালকা গোলাপী লিপস্টিক অন্যান্য কালারের থেকে সুন্দর দেখাবে। চোখের সাজগোজের সময় প্রথমে হালকা কালারের আই-শ্যাডো লাগিয়ে নিন। ঠোঁটে যে কালারের লিপস্টিক লাগিয়েছেন সে কালারের আই-শ্যাডো লাগালে ভালো হয়। আই-শ্যাডো এমনভাবে লাগাবেন যাতে চোখের নিচে কিংবা ত্বকে না লাগে। আই-শ্যাডো লাগানো হয়ে গেলে আইলানা দিবেন। চোখের কোণায় আইলানা একটু টেনে দিবেন এতে সৌন্দর্য কমবে না বৈকি বাড়বে। চোখের নিচে কাজল দিয়ে একে নিন। চোখের পাতাগুলোতে মাশকারা লাগিয়ে নিন। এখন কপালে একটি ছোট সাজের টিপ লাগিয়ে নিন। কানে মাঝারি আকারের ও হালকা দুল পরবেন। শীতে গলায় কিছু না পরলেই বেশি ভালো লাগে। সূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া /কেএনইউ/          
শীতে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ফেসপ্যাক

শীতকাল নিয়ে আমাদের বরাবরই বেশ আগ্রহ কাজ করে। তবে এই ঋতুতে সবথেকে বিড়ম্বনায় পরতে হয় ত্বকের যত্ন নিয়ে। শুষ্ক এ মৌসুমে আদ্রতার অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ত্বক। ত্বকের যত্নে প্রসাধনী কিনতে গেলেও আছে আসল-নকল ঝামেলা। তাই এবারের শীতে ত্বকের যত্নে নিজেই তৈরি করুন ফেসপ্যাক। ১) মধু ও দুধ দুধের সর বা মালাই নিজেই একটি প্রাকৃতিক ‘ময়েশ্চারাইজিং ক্রীম’ যা আদ্রতার উত্তম যোগানদাতা।ত্বককে নমনীয় এবং কোমল করতে খুবই কার্যকর দুধের মালাই।পাশাপাশি মধু হচ্ছে একটি প্রাকৃতিক এন্টি-ব্যাক্টেরিয়া। ত্বকে মধুর ব্যবহার করলে ব্রণ উঠবে না। কারণ ব্রণের হওয়ার জন্য যেসব ব্যাক্টেরিয়া দায়ী তা নষ্ট করবে মধু। মধু ও দুধের প্যাক তৈরি করতে একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ দুধের মালাই এবং মধুর নিয়ে ভাল করে মিশান।মিশ্রণটিকে আপনার ত্বক ও চেহারার ওপর মেখে ১৫ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি ধুয়ে ফেলুন।তারপর ভাল করে পানি মুছে ফেলুন। তাতক্ষণিকভাবেই আপনার ত্বকে উজ্জ্বলতা লক্ষ্য করতে পারবেন। প্রতিদিন এটি নিয়মিত করুন। ২) কোকোয়া বাটার এবং অলিভ অয়েল কোকোয়া বাটার এবং অলিভ অয়েলের মিশ্রণও আপনার ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে।আদা বাটা পেস্ট আপনার ত্বক থেকে ময়লা ও ধূলোবালি পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।এক টেবিল চামচ কোকোয়া বাটার এবং সমপরিমাণ অলিভ অয়েলের সাথে হাফ টেবিল চামচ আদা বাটা মিশিয়ে নিন।আপনার ত্বকে মেখে নিন মিশ্রণটিকে। বিশেষ করে চেহারায় এবং গলার কাছের অংশে।১৫ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩) দুধ-কলা আধনিক চিকিতসা বিজ্ঞানে ডাক্টাররা দুধ ও কলা একসাথে খেতে বারণ করেছেন। তবে আপনি চাইলে এ দিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে মাখতে পারেন। এজন্য কোন নিষেধাজ্ঞা নেই।কলায় প্রচুর হাইড্রো-কার্বন থাকায় তা আপনার ত্বককে ভেজা ভেজা রাখবে। তবে আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে দুধের পরিবর্তে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও কলা ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ফেলে নিচের জীবিত কোষকে উপরে তুলে আনে। এতে আপনার ত্বক আরও সজীব লাগে। একটি কলার সম্পূর্ণটা একটি বাটিতে নিয়ে চটকে নিন। এরসাথে এক টেবিল চামচ দুধ মেশান।আপনার ত্বকে মিশ্রণটিকে মাখুন। ২০মিনিট রেখে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত এর ব্যবহারে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আগের থেকে আরও সজীব। ৪) এলোভেরা এবং বাদাম বা তিলের তেল যদি আপনার মনে হয় যে, আপনার ত্বম রুক্ষ তাহলে নিয়ে আসুন এলোভেরা এবং বাদাম বা তিলের তেল। ৮-১০ ফোটা বাদাম বা তিলের তেলের সাথে এক টেবিল চামচ এলোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। তারপর সেটিকে হাতের তালুতে ঘষে নিন। এরপর পুরো মিশ্রণটিকে আপনার চেহারা ও ত্বকে একটি নির্দিষ্ট দিক থেকে মেখে নিন এবং ঘষতে থাকুন। এমনটা করবেন অন্তত ১৫মিনিট। এরপর সারারাত মিশ্রণটিকে আপনার ত্বকে রেখেই ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন। অনেক কোমল এবং সজীব ত্বক পাবেন আপনি। ৫) পেপে ও দুধ পেয়ে খাদ্য পুষ্টিগুণ এবং খনিজে সমৃদ্ধ একটি খাবার। অন্যদিকে দুধে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই আছে। ভিটামিন-ই শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে খুবই কার্যকর ভূমিকা রাখে। মাঝারি আকারের একটি পেপের অর্ধেকটা নিন। এরসাথে কাচা দুধ মিশিয়ে ভর্তা করে নিন। প্যাকটিকে আপনার ত্বকে ভাল করে মেখে নিন। এরপর এটির শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কলের পানিতে ধুয়ে ফেলুন।আশা করা যায়, ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। ৬) গাজর ও মধু গাজর ও মধুর মিশ্রণ ত্বকের মৃত কোষকে সরিয়ে সজীব কোষগুলোকে জাগিয়ে তোলে। এছাড়া কুচকানো ত্বকের যত্নেও কার্যকর এ মিশ্রণ।গাজরে তাকা প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন এ কাজে সাহায্য করে।একটি আস্ত গাজর নিয়ে তার সাথে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিন। তারপর এটিকে ভাল করে চটকে মিশ্রণ তৈরি করুন।মুখে ১৫মিনিট মিশ্রণটি রেখে ধুয়ে ফেলুন। তাহলে আর দেরি কেন? বাজারে নামিদামি ব্র্যাণ্ডের আসল-নকল দ্বিধায় না পরে নিজেই তৈরি করে ফেলুন নিজের ফেস প্যাক। আর তাও ঘরে বসেই। সূত্রঃ এনডিটিভি //এস এইচ এস// এআর  

চুল পড়ার কারণ ও প্রতিকার

বয়স বাড়লে মাথায় টাক পড়ে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু অল্প বয়সে টাক পড়া একটি সমস্যা। বর্তমান সময়ে ছেলেদের সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার কারণ এটি। মেয়েরাও চুল নিয়ে কম ভোগেন না। চুল পড়া রোধ, চুল ঘন ও সুন্দর করতে মানুষ কত কিছু যে করে তার ইয়ত্তা নেই। কিন্তু সঠিক পরামর্শের অভাবে অনেকেই ভালো কিছুর পরিবর্তে ভুল চিকিৎসা করে বিপদে পড়েন। তবে একটু সচেতন থাকলে চুল পড়া প্রতিরোধ করা যায়। একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) ‘দি ডক্টরস্’ অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেছেন ডা. জাহেদ পারভেজ বড়ভুঁইয়া। প্রশ্ন : চুল পড়ার কারণগুলো কি? ডা. জাহেদ পারভেজ : একজন ব্যক্তির লাইফস্টাইলের সঙ্গে চুল পড়া, চুল ধরে রাখার একটা সম্পর্ক আছে। কতটুকু তার ইনভারমেন্টাল এক্সপেজার হচ্ছে, সে কি ব্যবহার করছে, তার খাদ্যাভাস, তার ঘুমের অভ্যাস- সবকিছু মিলিয়ে চুলের স্বাস্থ্যের উপর একটা প্রভাব ফেলে। যেমন ধরেন, কেউ যদি বাইক চালায় তার ডাস্ট এক্সপেজার খুব বেশি হয়। সেক্ষেত্রে তাকে শ্যাম্পু নিয়মিত করতে হবে। আবার কেউ বাসায় থাকছে, ফাস্টফুড খাচ্ছে অতিমাত্রায়, তার ক্ষেত্রে চুলের যত্ন হবে অন্য রকম। এছাড়া যারা দূষণ সংক্রান্ত কোনো কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের ক্ষেত্রেও চুল পড়ার মাত্রা বেশি। এছাড়া আমরা কিছু কারণ জানি, যেমন ধরেন আমাদের দেশে, বিশেষত মেয়েরা রক্তশূন্যতায় ভোগেন- এটাও চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, চুলের চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরণের দামি ওষুধ দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু খেয়াল করা হচ্ছে না যে সে রক্তশূন্যতায় ভুগছে। সেটা একটা সাধারণ ওষুধের মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। পাশাপাশি আমরা জানি, কিছু হরমোনাল ইনফ্লুয়েন্স, এর মধ্যে থাইরয়েড হরমোন একটা জরুরি বিষয়। এটা কম হলেও চুল পড়তে পারে, আবার বেশি হলেও পড়তে পারে। জেনেটিক বংশধারায়ও চুল পড়তে পারে। কারও ভাগ্য খারাপ হলেও, হয়তো অন্য ভাই-বোনের নেই, কিন্তু তিনি একটি জিন ক্যারি করে নিয়ে এসেছেন, সেটির জন্য চুল পড়ে যাচ্ছে। প্রশ্ন : ফাস্টফুডের সঙ্গে চুল পড়ার কি সম্পর্ক? ডা. জাহেদ পারভেজ : ফাস্টফুডে যে ফ্যাট থাকে তাকে ট্রান্সফ্যাট বলে। গবেষণায় দেখা গেছে, ট্রান্সফ্যাট আমাদের শারীরিক অন্যান্য অসুবিধা করার পাশাপাশি হেয়ার রুডকে দুর্বল করে। ফাস্টফুড খাওয়া যাবে, কিন্তু পরিমিত পরিমাণে। প্রশ্ন : চুল পড়া রোধে অনেকেই তেল ব্যবহার করে থাকেন। তেলের কি কোনো ভূমিকা আছে? ডা. জাহেদ পারভেজ : বেশিরভাগ গবেষণায় দেখা গেছে, তেল চুলটাকে নরম রাখে, একটা জৌলুস দেয়। কিন্তু চুল বৃদ্ধির ক্ষেত্রে খুব একটা হেরফের হয় না। প্রশ্ন : চুলের যত্নের জন্য কি কি করণীয়? ডা. জাহেদ পারভেজ : চুল নিয়মিত পরিস্কার করতে হবে। প্রকারভেদে দুইবার শ্যাম্পু করা যেতে পারে। শ্যাম্পুর ক্ষেত্রে পরমর্শ হচ্ছে- যার চুল শক্ত তাকে ময়েশ্চারাইজার বেশি এমন শ্যাম্পু, যার চুল নরম তাকে ভলিউমাইজিং শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। সবচেয়ে ভালো হয় প্রতি দশ দিনে একদিন ক্লারিফাইং শ্যাম্পু ব্যবহার করা। এগুলো বাজারে পাওয়া যায়। মোট কথা চুলের অবস্থা ভেদে শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে।   ডা. জাহেদ পারভেজ বড়ভুঁইয়া সহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল   শ্রুতিলিখন : সোহাগ আশরাফ   /ডিডি/ এআর

চুল পরা বন্ধে ঘরোয়া টোটকা

চুল পরে যাওয়া কম বেশি সবার কাছেই  বাজে একটা অভিজ্ঞতার নাম। চুল পরা বন্ধ করতে আমরা কত কিছুই না করে থাকি। একের পর এক প্রসাধনী ব্যবহার করি চুল পরা বন্ধ করার জন্য। তবে প্রতিদিন যদি ৫০-১০০ টি মত চুল পরে তাহলে তা খুবই সাধারণ ব্যাপার। অন্যদিকে মুঠো মুঠো চুল পরে যেতে শুরু করলে তখন তা যথেষ্ট চিন্তার কারণ। এই দুশ্চিন্তাকে দূর করতে ঘরোয়াভাবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। আমাদের এ আয়োজনে চুল পরা বন্ধ করার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হলো। নারকেল  নারকেল তেলের কি কি গুণ আছে, তা  আমরা সবাই জানি। তবে, অনেকেই আছেন যারা চুল পড়া শুরু হলে চুলে তেল দেওয়া বন্ধ করে দেন, যা একেবারেই উচিত নয়। কারণ নারকেল তেল চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে নারকেল তেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, খনিজ উপাদান এবং প্রোটিন থাকে, যা চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে পারে। নারকেল তেলের পাশাপাশি নারকেলের দুধ চুলে ব্যবহার করা যায়। পদ্ধতি  কিছুটা নারকেল তেল গরম করতে হবে। তারপর চুলের গোঁড়া থেকে আগা অবধি ভাল করে মালিশ করতে হবে। একঘণ্টা রেখে চুলে শ্যাম্পু করে নিতে হবে। পেঁয়াজের রস পেঁয়াজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে, যা চুল লম্বা করতে এবং কোলাজেন উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। চুলের গোঁড়ায় পেঁয়াজের রস লাগালে চুল পরা বন্ধ হয় এবং নতুন চুল গজায়। পদ্ধতি একটি পেয়াজ টুকরো টুকরো করে কেটে তার মধ্যে থেকে রস বের করে নিতে হবে। এবার সেই রস মাথায় ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে এবং চুল শুকিয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে দুইবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। রসুন পেঁয়াজের মতো রসুনেও উচ্চমাত্রায় সালফার থাকে। এটি ব্যবহার করলে চুল দ্রুত বৃদ্ধি পায়।  পদ্ধতি কয়েকটি রসুন থেঁতো করে নিতে হবে। এবার তার মধ্যে নারকেল তেল ঢেলে কয়েক মিনিটের জন্য ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর ঠাণ্ডা করে মাথায় মালিশ করতে হবে। ৩০ মিনিট রেখে তারপর চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে দুবার এটি করলে চুল ভালো থাকবে। হেনা  হেনা অনেকেই চুলে ব্যবহার করে থাকেন। হেনা মূলত চুলে রঙ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, হেনার বহু গুণ রয়েছে। হেনা চুলকে গোঁড়া থেকে শক্ত হতে সাহায্য করে। হেনার সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপাদান মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে চুলে মাখলে চুল ভাল থাকে।  পদ্ধতি একটি পাত্রে ২৫০ মিলিলিটার সরষের তেল নিতে হবে। এরমধ্যে ৬০ গ্রাম পরিষ্কার করে শুকিয়ে রাখা হেনা পাতা অথবা মেহেন্দি পাতা দিতে হবে। এবার এটি ফুটাতে হবে এবং তেলটি ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এই তেল প্রতিদিন মাথায় মালিশ করতে হবে। এই তেল খুব যত্ন করে হাওয়া রোধক পাত্রে রেখে দিতে হবে। জবা জবা ফুল চুলের জন্য দারুণ উপকারি। এটি চুলকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে, চুল সাদা হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। এমনকি, খুশকি দূর করাসহ চুল পরে যাওয়া বন্ধ করে। পদ্ধতি কয়েকটি জবা ফুলের সঙ্গে তিলের তেল এবং নারকেল তেল মিশিয়ে বেঁটে নিতে হবে। এবার চুলের গোঁড়ায় ভাল করে লাগাতে হবে। কয়েক ঘণ্টা চুলে রেখে দিতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। আমলকি যাদের খুব বেশি চুল পরে যাওয়ার সমস্যা আছে, তাদের জন্য আমলকী খুবই উপকারি। কারণ, আমলকীর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। পদ্ধতি আমলকির রস বা আমলকী গুঁড়ো লেবুর রসের সঙ্গে মেশাতে হবে। এবার চুলের গোঁড়ায় লাগাতে হবে এবং শুকিয়ে না যাওয়া অবধি রেখে দিতে হবে। এবার অল্প গরম জলে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। ডিম ডিমের মধ্যে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা আমাদের চুল পরা বন্ধ করতে পারে। যেমন- সালফার, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, আয়োডাইন, জিঙ্ক এবং প্রোটিন। এই প্রতিটি উপাদানই চুল বৃদ্ধি করতে দারুণভাবে সাহায্য করে। পদ্ধতি একটি ডিমের সাদা অংশ নিতে হবে। এরমধ্যে এক চা চামচ অলিভ অয়েল মেশাতে হবে। এই দুই উপাদান ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্টের মতো বানাতে হবে। এবার চুলের গোঁড়ায় লাগাতে হবে। ১৫-২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জল এবং শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। সূত্র: বোল্ড স্কই এম / এআর  

বাড়ি থেকে পোকামাকড় দূর করে যেসব গাছ

শীত বা গ্রীষ্ম অথবা বর্ষাকাল, পোকামাকড়ের অত্যাচারে বাড়িতে টেকাই দায়। পোকামাকড়ের ঘেনঘেনানিতে ভুগতে হয় সবাইকে। মশার কারণে জ্বর, এছাড়া বিভিন্ন পোকামাকড়ের কারণে আমাদের বিভিন্ন রোগ দেখা যায়। অনেক চেষ্টা করেও বাড়ি থেকে কিছুতেই পোকামাকড়ের উপদ্রব কমাতে পারছেন না? তাহলে জেনে নিন, বাড়িতে কোন কোন গাছ পুঁতলে পোকামাকড় আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না। *গাঁদা ফুলের গাছ :  শীতকাল আসলে অনেকেই বাড়িতে গাঁদা ফুলের গাছ লাগিয়ে থাকে। গাঁদা ফুল দিয়ে ঘর সাজায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনে ফুলের চাহিদা মেটাতেও গাঁদা ফুল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনার যদি মনে হয় যে, গাঁদা ফুল শুধুমাত্র সৌন্দর্যের কারণেই ব্যবহার করা হয়, তাহলে ভুল ভাবছেন। গাঁদা ফুল গাছের উপকারিতা অনেক। এই গাছে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার ফলে এই গাছের কাছে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় আসতে পারে না। তাহলে বাড়ি থেকে মশা এবং অন্যান্য পোকামাকড় দূর করতে অবশ্যই গাঁদা গাছ বসান। *বেসিল পাতা : খাবারে স্বাদ বাড়াতে আমরা বেসিল পাতা ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়ানোই নয়, মশা-মাছি দূর করতেও সাহায্য করে এই গাছ। *পুদিনা পাতা :  পুদিনা পাতা খাবারের স্বাধ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে হজমেও সহায়তা করে। কিন্তু খাবারের বাইরেও এর আরও অনেক গুণাগুণ রয়েছে। পুদিনা পাতার গন্ধ মশা দূর করতে সাহায্য করে। সূত্র : জিনিউজ। //এআর

অবাঞ্ছিত লোম দূর করার ঘরোয়া উপায়

শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ থেকে অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে অনেকে পার্লারে ছুটে যান। মহিলাদের এটা সবসময়ই প্রয়োজন হয়। তবে অনেকেরই হয়ত জানা নেই পার্লারে না গিয়ে বাড়িতেই খুব সহজেই এই অবাঞ্ছিত লোম দূর করা যায়। বর্তমানে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ওয়াক্সিং। তবে পার্লারে গিয়ে এই পদ্ধতি খুব ব্যয়বহুল। সকলের পক্ষে হয়ত সবসময় এত টাকা দিয়ে ওয়াক্সিং করানো সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে বাড়িতে ‘বডি সুগারিং’ এর মাধ্যমে আপনারা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে পারেন। প্রাচীন মিশরের প্রায় সকল নারীই সৌন্দর্য সচেতন ছিলেন। আর সেই সময়ের সৌন্দর্য চর্চার কিছু বিষয় এখনও ব্যবহৃত হয়। ‌যার মধ্যে অন্যতম লেবু ও চিনি’। উপকরণ – চিনি দুই কাপ। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ লেবুর রস। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ পানি। ঘরোয়া পদ্ধতি – সব উপকরণ একটি সস প্যানে অল্প তাপে গরম করতে হবে। সব উপরকরণ একসঙ্গে মিশে গেলে দেখবেন হালকা ব্রাউন রঙ চলে আসছে। এটা ভালো ভাবে মিশে গেলে ঠাণ্ডা করে একটি পাত্রে ভরে রাখতে হবে। মিশ্রণটি এমন পাত্রে রাখবেন ‌যাতে পরে আবার প্রয়োজনে গরম করে নিতে পারেন। এরপর মিশ্রণটি অল্প ঠাণ্ডা করে নিয়ে ত্বকে লাগান পাতলা কোনও কাঠি কিংবা প্লাস্টিকের পাত দিয়ে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন ৫-১০ মিনিট। তারপর পাতলা সুতির কাপর দিয়ে ‌যেভাবে ওয়াক্সিং করেন সেভাবে লোম তুলে ফেলুন। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন

নবমীতে যেভাবে সাজাবেন নিজেকে

পূজার সাজে এখনো গরদের আবেদন আছে। শাড়ি পরার ঢংটা পুরোনো কিন্তু সাজে রয়েছে নতুনের ছোঁয়া। আর নবমী তাই সাজ হবে একট অন্যরকম। দিনের এবং রাতের বেলায় চাই ভিন্ন ছোঁয়া, ভিন্ন পোশাক। সাধারণত দিনের বেলায় সাজে ‘ন্যাচারাল লুক’ধরে রাখাটাই বেশি জরুরি। দিনে মন্দিরে অঞ্জলি দেওয়ার সময় প্রকৃতির সজীব ভাবটা চাই সাজে। এদিন আপনি চাইলে যে কোনো রংয়ের শাড়ি পরতে পারেন। দিনের উৎসবে ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার বা ফাউন্ডেশন হালকা করে লাগাতে পারেন। এটি হালকা করার জন্য এতে কিছুটা পানি মিশিয়ে নিন। এবার খুব অল্প পরিমাণে লাগিয়ে পাউডার বুলিয়ে নিন। মেকআপের শুরুতে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করেই সানস্ক্রিন লোশন লাগাবেন। পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে চোখে আইশ্যাডো লাগান। আপনি চাইলে ঠোঁটে হালকা রঙ এর লিপস্টিকের সঙ্গে হালকা ব্রাউন রংয়ের ব্লাশন লাগাতে পারেন। এবার কপালে বড় লাল টিপ দিন। চাইলে পায়ে মোটা করে আলতা পরতে পারেন। সোনার পাশাপাশি রুপার গয়নাও জলজল করবে পূজার নবমীর সাজে। একটা সুতি শাড়ি পরে এ ধরনের একটি বালা পরে নিতে পারেন। পূজার সময় গরমে আরামের পাশাপাশি অন্যের চোখে স্নিগ্ধতা দেবে এ ধরনের সাজ। বের হওয়ার আগে ভালো মানের পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন। আপনার চুল সামনের দিকে সেট করে পিছনে খোপা করে রাখুন। আর কানের পিছনে কিছু ফুল গুজে দিন, এতে সজীব লাগবে। রাতের সাজ : নবমীতে সান্ধ্য পূজা হয়। তাই সাধারণত সন্ধ্যার পরই মন্দিরে যান সবাই। সন্ধ্যা হওয়ার কারণে এদিন সবাই জমকালো সাজে সাজেন। ভারি গয়না, রং-বৈচিত্র্যপূর্ণ পোশাক, ভারী মেকআপ, চুলের সাজ, তাজা ফুল এদিন রাতের সাজের অনুষঙ্গ। তাছাড়া বেত, বাঁশ বা কাপড়ের গয়না তো এখন বেশ চলছে। এ ধরনের উপাদানের বালা তিন থেকে চারটি হাতে জড়ালে সাজে আসবে উৎসবের আমেজ। আর মেকআপ করার জন্য ফাউন্ডেশন দেওয়ার আগেই প্রাইমার লাগিয়ে নিন। কনসিলার আপনার মুখের দাগ, চোখের নিচের কালি ঢেকে দেয়। ঠোঁটে গাঢ় রঙ এর লিপস্টিক, কপালে শাড়ীর রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বা বড় লাল টিপ লাগান। আর বিবাহিতরা সিঁথিতে সিঁদুর এর সঙ্গে ভারি গয়না পরে পারফিউম ব্যবহার করুন। শাড়ির সঙ্গে চুলের সাজ হতে পারে ব্লো আইরন,  কারলিং,  স্পাইরাল রিং,  রিং বান, ফ্রেঞ্চ বেণী অথবা খোপা। আর/ডব্লিউএন

অষ্টমীতে সাজুন স্নিগ্ধ সাজে

অষ্টমীর দিনের শুরুটা হয় অঞ্জলি দিয়ে। মন্দিরে ঘুরে এবং আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন সময় কাটে। একসঙ্গে খাবার খাই। রাতে বাড়িতে সবাই মিলে বেশ মজা করি । একসঙ্গে সারা রাত ঠাকুর দেখা হয়। এসব আনুষ্ঠানিকতায় নিজেকে আকর্ষনীয় হিসেবে তুলে ধরতে হলে খেয়াল রাখতে হবে সাজ-পোশাকের দিকেও। পোশাক পরা থেকে শুরু করে চুল, মুখের সাজ -সবকিছুতেই যেন পূজার আবহ থাকে। এজন্য অন্যান্য দিনের চেয়ে অষ্টমীর সাজ হতে হবে জমকালো এবং পরিপটি। আসুন জেনে নিই অষ্টমীর স্নিগ্ধ সাজ সম্পর্কে- দিনের সাজ এ দিন শাড়ি ও পোশাক হতে হবে গাঢ় রংয়ের। লাল, মেরুন, তসর, সিল্ক, কাতান অথবা সাদার-লাল পাড় শাড়ি বেছে নিতে পারেন । আঁচলে ভারি কাজ আছে এ রকম লাল পাড়ের শাড়ি এক প্যাঁচ করে পরলে ভালো দেখাবে। অষ্টমীর দিন সকালে লাল শাড়ি পরার প্রচলন আছে। মেকআপের শুরুতে ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে টোনার বুলিয়ে সানস্ক্রিন লোশন লাগিয়ে নিতে হবে। দিনের সাজে মেকআপ যতটা সম্ভব হালকা হওয়া উচিত। পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে  চোখে আইশ্যাডো লাগান। পেনসিল আই লাইনার দিয়ে কিছুটা মোটা করে লাইন টেনে আইশ্যাডো ব্রাশ দিয়ে স্মাঞ্জ করে দিন। মাশকারা দিন ঘন করে। ঠোঁটে লাল রংয়ের লিপস্টিক লাগাতে পারেন। সঙ্গে হালকা পিংক ব্লাশন। কপালে বড় লাল টিপ লাগিয়ে নিতে পারেন। বিবাহিতদের সিঁথিতে সিঁদুর তো আছেই। পায়ে আলতা দিতে পারেন পছন্দ অনুযায়ী।গোল্ড প্লেটের গহনা বেছে নিতে পারেন এদিন। বাইরে বের হওয়ার আগে ভালো মানের পারফিউম ব্যবহার করে নিন। চুল সামনের দিকে সেট করে পেছনে কার্ল করে ছেড়ে বা বেঁধে নিতে পারেন। কানের পেছনে চুলে গুঁজে দিন বেলি ফুলের মালা বা সাদা ও লাল জারবেরা। রাতের সাজ অষ্টমীর রাতের সাজটা চাই জমকালো। ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে তার ওপর ফেইস পাউডার লাগিয়ে নিন। চোখের ওপর মনমতো আইশ্যাডো লাগিয়ে নিন। চোখের ভেতরের কোণে হাইলাইটার ব্যবহার করে নিন। চোখে গাঢ় করে কাজল পরুন। এতে চোখ আরও আকর্ষণীয় দেখাবে। গালে গাঢ় রংয়ের ব্লাশন বুলিয়ে নিন। চোখের মেকআপ কিছুটা হালকা হলে ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক লাগাতে পারেন। কপালে বড় লাল বা শাড়ির রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে টিপ পরতে পারেন। কিছুটা ভারি গহনা পরে সবশেষে সুগন্ধী ব্যবহার করুন। শাড়ির সঙ্গে মানিয়ে চুল বেঁধে বা ছেড়ে রাখতে পারেন। সাজকে আরোও আকর্শনীয় করে তোলার জন্য পছন্দমতো ফুল গুজেঁ নিতে পারেন আপনার চুলে । /এম/এআর      

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি