ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ৮:১৪:৪৯

ত্বকের সজীবতা ফিরিয়ে আনুন ৩ মিনিটেই

ত্বকের সজীবতা ফিরিয়ে আনুন ৩ মিনিটেই

নিজের ত্বককে সুন্দর করার জন্য কত ভাবেই না যত্ন নেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, পার্লারে গিয়ে সপ্তাহে সপ্তাহে মোটা টাকা খরচ করা হয় একটু সতেজ ও সুন্দর ত্বক পাওয়ার জন্য। কিন্তু আপনি যদি এত কিছু না করে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মাত্র তিন মিনিট নিজের জন্য দিতে পারেন তাহলে নিজেই উপকৃত হবেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই একটি কাজ করলেই প্রতিদিন সকালে পাবেন সতেজ, ঝলমলে ও দীপ্তিময় চেহারা। মুছে যাবে চোখের কোলের কালি, মুখের কালো দাগ। এতে দামি কোনও উপাদানের প্রয়োজন নেই। আপনার ঘরে থাকা খুব সাধারণ প্রসাধনী সামগ্রী দিয়েই জলদি এই রূপচর্চা সেরে নিতে পারবেন। আর হ্যাঁ, এতে কেবল বাইরে থেকেই আপনার চেহারা সুন্দর হবে না। হবে ভেতর থেকেও তরতাজা। উপকরণ গোলাপ জল এক টেবিল চামচ, জাফরানের দানা তিনটি, বিশুদ্ধ অ্যালোভেরা জেল আধা চা চামচ, সামান্য উষ্ণ গরম পানি, এক টেবিল চামচ কালোজিরা, এক টেবিল চামচ মধু। ব্যবহারের পদ্ধতি গোলাপ জলের মধ্যে জাফরানের দানা ভিজিয়ে রাখুন। চাইলে আগের দিন থেকেই ভিজিয়ে রাখতে পারেন। যত বেশি ভিজিয়ে রাখবেন, তত বেশি তা কার্যকরী হবে। জাফরান রং ছেড়ে দিলে এই মিশ্রণে অ্যালোভেরা জেল দিয়ে দিন। ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিয়ে এক টুকরো তুলোর সাহায্যে পরিষ্কার মুখে এই মিশ্রণ ভাল করে মেখে নিন। মুখের উপর লাগানো প্রলেপ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এবার এক গ্লাস সামান্য উষ্ণ পানির মধ্যে কয়েক দানা জাফরান ও মধু মিশিয়ে খেয়ে ঘুমাতে যান। উপকারিতা ত্বকের রং উজ্জ্বল ও সুন্দর করতে, ত্বক থেকে বলিরেখা ও কালো দাগ মুছে দিতে জাফরান অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। জাফরান শুধু মাত্র বাইরে থেকেই কাজ করে না, ভেতর থেকেও ত্বকের জেল্লা বাড়াতে সাহায্য করে। আর এই জাফরান যখন মধুর সঙ্গে খাওয়া হয়, তখন তার কার্যকারীতা বহুগুণ বেড়ে যায়। অন্যদিকে ত্বককে টানটান, নরম ও দাগহীন রাখতে অ্যালোভেরা জেল অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। অ্যালোভেরা জেল ত্বকে সতেজ ভাব দেয় যা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বজায় থাকে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা জেল ত্বকের যে কোনও ক্ষয় পূরণ করতে সাহায্য করে। রূপচর্চার সব চেয়ে আদি উপাদান হচ্ছে গোলাপ জল। নিয়মিত এর ব্যবহারে ত্বকের কোমলতা বজায় থাকে এবং ত্বকের জেল্লা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/
গায়ের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করে বেছে নিন লিপস্টিক

নারীদের সাজগোজের প্রিয় একটি অংশ হচ্ছে লিপস্টিক। আর কিছু সাজুক আর না সাজুক বাহিরে বের হওয়ার সময় টুপ করে একটু ঠোঁটে লিপস্টিক দিয়ে বের হয়ে যান অনেকেই। দেখতেও বেশ সুন্দর লাগে। তবে যে কোনও রঙের লিপস্টিক দিলেই যে সুন্দর লাগবে তা কিন্তু নয়। স্কীনের সঙ্গে লিপস্টিকের রং ম্যাচ না করলে দেখতে খুব খারাপ লাগবে। তাই স্কীনের সঙ্গে ম্যাচ করেই লিপস্টিক পড়ুন। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের অধিকারিণী হলে লিপস্টিকের রঙের বিষয়ে আপনি সাহসী হয়ে উঠতেই পারেন৷ ভাবনাচিন্তা না করেই বেছে নিতে পারেন যে কোনও রং৷ সকালের অনুষ্ঠানে জন্য গোলাপি লিপস্টিক আদর্শ৷ বিকেলের কোনও অনুষ্ঠানের জন্য লালের যে কোনও শেড বেছে নিতেই পারেন আপনি৷   শ্যামবর্ণ কোনও অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় পোশাকের রং অনুযায়ী লিপস্টিক বেছে নেওয়াই ভাল৷ শ্যামবর্ণের মহিলাদের জন্য কমলার যে কোনও শেডে ঠোঁট রাঙাতেই পারেন আপনি৷ আপনার ইচ্ছানুযায়ী ক্রিমি, ম্যাট অথবা গ্লসি যে কোনও লিপস্টিক পরে হয়ে উঠতেই পারেন অপরূপা৷ কৃষ্ণবর্ণ গায়ের রং কালো নিয়ে খুঁতখুঁতুনি রয়েছে অনেকেরই৷ গায়ের রং নিয়ে ভাবনাচিন্তা না করে বরং মন দিন ঠোঁট রাঙানোর কাজে৷ গোলাপি অথবা মেরুন রঙে সাজিয়ে তুলুন নিজের ঠোঁট৷ ম্যাট শেড হলে বেছে নিতে পারেন যে কোনও লিপস্টিকই৷  লাল শেডের লিপস্টিক লাল লিপস্টিক পছন্দ করেন বেশিরভাগ নারীই৷ প্রায় সবার কালেকশনেই থাকে লাল লিপস্টিক৷ আপনার স্কিনটোন যাই হোক না কেন, ফরসা হোন বা কালো, ঠোঁট রাঙিয়ে তুলতেই পারেন লালের ছোঁয়ায়৷ ওয়াইল্ড বেরি কালো হোন বা ফর্সা, তাতে কি যায় আসে? পছন্দ হলে অনায়াসেই হাত বাড়াতেই পারেন ওয়াইল্ড বেরি শেডের লিপস্টিকের দিকে৷ কে বলতে পারে, ওয়াইল্ড বেরি ঠোঁটই হয়তো কারও মন ছুঁয়ে যেতে পারে৷ কেএনইউ/একে/

বর্ষায় নখের যত্ন নেবেন যেভাবে

বর্ষার এই ঝরঝর বৃষ্টিতে আমরা চুল ও পায়ের খুব ভালোভাবে যত্ন নেওয়ার চেষ্ট করি। কিন্তু কখনই নখের কথা চিন্তা করি না। অথচ এ সময় ত্বকের সঙ্গে নখেরও বেশি ক্ষতি হয়ে যায়। অতিরিক্ত বৃষ্টিতে পা সবসময় ভিজে থাকার কারণে দেখা যায়, নখের কোণে ফাংগাল জাতীয় ঘা তৈরি হয় যা পরবর্তীতে ভয়ানক কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া নখের চারপাশে চামড়া উঠতে থাকে এবং নখের রং পরিবর্তন হয়ে হলুদ রং ধারণ করে। মাঝে মাঝে নখের কোণ দিয়ে রক্ত-পুঁজও পড়তে থাকে। তাই এই বর্ষায় নখের যত্ন নেওয়া অতি জরুরি। বর্ষায় নখের যে কোনও রকম সংক্রমণ রোধ করতে হলে পা শুকনো রাখুন। বেশি ঘাম হলে মুছতে থাকুন। বৃষ্টিতে পা ভিজবেই, তবে এই ভেজাভাব যেন ত্বকে স্থায়ী না হয়। তাই ভেজা পা মুছে পাউডার ছড়িয়ে দিয়ে রাখুন। বাহির থেকে এসে রাতে শুতে যাওয়ার আগে উষ্ণ পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে ওর মধ্যে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট তারপর মুছে নিন। এতে নখে লেগে থাকা বৃষ্টির পানিতে ছিটকে আসা কাদা দূর হয়ে যাবে। পায়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। হ্যান্ড ও ফুট ময়েশ্চারাইজারই ব্যবহার করুন। কারণ এগুলোতে থাকে হাত-পায়ের ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট কার্যকরী উপাদান। বর্ষাকালে নখ দুর্বল হয়ে পড়ে। সহজে ভেঙে যায়। এই ঋতুতে রোজ দু’বার নখে পেট্রোলিয়াম জেলি বা নারকেল তেল ম্যাসাজ করতে পারেন। এতে নখে ইনফেকশন হবে না। নখকে সুস্থ রাখতে ত্বকের ভেতরে পুষ্টি খুব দরকার। সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন, আয়রন যুক্ত খাবার খেতে হবে। গোসলের সময় কুসুম গরম পানিতে নিমপাতা ও লবণ দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন। এতে নখের ফাংগাল ইনফেকশনের প্রবণতা কম হবে। বর্ষার সময় পায়ের ও হাতের নখ যাতে ছোট থাকে সেইদিকে বেশি খেয়াল রাখবেন। কেএনইউ/ এআর   

বর্ষায় ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর করার ঘরোয়া ৫ উপায়

বর্ষাকালে ঘর নিয়ে গৃহিনীদের চিন্তার শেষ নেই। একটু বৃষ্টি হলেই ঘর হয়ে উঠে স্যাঁতস্যাঁতে। উৎকট দুর্গন্ধময়ও হয়ে উঠে কখনো কখনো। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার কারণেই এই গন্ধ ছড়ায়। বাজার চলতি রুম স্প্রে দিয়ে এই গন্ধ থেকে সুরাহা মেলে ঠিকই। কিন্তু সবসময় কেমিক্যাল ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তাই বর্ষার সময় ঘরের গন্ধ দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করে দেখতে পারেন। *কফির বীজ জোগাড় করুন। দোকানেই কিনতে পাওয়া যায় কফির বীজ। এবার একটি মুখ খোলা পাত্রে সেটি রেখে ঘরের মধ্যে রেখে দিন। গন্ধ দূর হবে। সেই সঙ্গে ঘরে থাকবে কফির মিষ্টি সুবাস। *হাইড্রোজেন পার অক্সাইডও এক্ষেত্রে আপনাকে সাহায্য করতে পারে। দু’ভাগ জলের সঙ্গে এক ভাগ হাইড্রোজেন পার অক্সাইড মিশিয়ে নিন। এবার একটি স্প্রে-র বোতলে ভরে বাথরুম-সহ ঘরে এটি ছড়িয়ে দিন। মুহূর্তে চলে যাবে বর্ষার স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ। *ভিনিগারও এক্ষেত্রে আপনার সহযোগী হতে পারে। ভিনিগারের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশলে তা সুন্দর রুম ফ্রেশনারের কাজ করে। তবে শুধু ভিনিগার দিয়েও কাজ চালিয়ে নেওয়া যেতে পারে। বাড়ির রান্নাঘরে ভিনিগার সবসময়ই উপস্থিত থাকে। ফলে এর জন্য বেশি দৌড়ঝাঁপ করতে হবে না। * সুগন্ধি তেলও এক্ষেত্রে আপনার কাজে লাগতে পারে। এটি জলের সঙ্গে মিশিয়ে ঘরে স্প্রে করতে পারেন। ফ্রেশ ফিলিংস আসবে। * লেবু পাতা, ল্যাভেন্ডার, দারুচিনি জলে ভিজিয়ে রেখে সেই জলও ঘরে স্প্রে করতে পারেন। এতে প্রাকৃতিক সুবাস আসবে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

ব্রণ হলে ৫টি কাজ মোটেও করা যাবে না

ব্রণ শব্দটা খুবই বিরক্ত ও আতঙ্কের যেকোনো মেয়ের কাছে। কারণ একটা ব্রণ পুরো মুখের সৌন্দর্যটাই নষ্ট করে দেয়। বিষিয়ে দেয় জীবন। শারীরিক সমস্যার কারণে অনেক সময় মুখে ব্রণ হয়ে থাকে। তবে তা দূর করারও অনেক উপায় রয়েছে। এক ঝলকে দেখে নিন কি সেই উপায়- *মুখ পরিষ্কার রাখার জন্য ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধোয়ার মত বিকল্প আর কিছু নেই। দিনে অন্তত দুবার করে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করুন। তবে মুখে ব্রণ হলে দিনে একবার করে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। অতিরিক্ত মুখ ধোয়া ত্বক শুষ্ক করে দেয়। শুষ্ক ত্বকে তেল বেশি উৎপন্ন হয়। যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি করে। *ব্রণ দূর করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম ব্যাবহার করুন। বাড়িতে যে পেস্ট আপনি ব্যাবহার করেন তা লাগাতে পারেন ব্রনের স্থানে। তবে ব্রণের স্থানে একাধিক ক্রিম ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। *ব্রন হলে মেকআপ করা থেকে বিরত থাকুন। বেশি মেকআপ ব্যাবহার করলে ব্রন আরও স্থায়ী হতে পারে। *ব্রণ হলে কখনই তাতে নখ দিয়ে খোঁচাবেন না। তাহলে ওই জায়গায় দাগ হয়ে যেতে পারে। ব্রণের জায়গায় নখ দেওয়া বা চুলকানো থেকে দূরে থাকুন। *খুশকি থেকে অনেক সময় ব্রণ দেখা দেয়। নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুন। চুলে খুশকি দেখা দিলে তা দূর করার ব্যবস্থা করুন। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন / এআর /

বর্ষায় সুন্দর থাকতে চাইলে এভাবে সাজুন

ঝিরঝিরে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা হাওয়া বেশ লাগে তাই না? আর একমাত্র বর্ষাতেই প্রকৃতি আপনাকে এই কম্বো অফারটি দেবে। অন্য সময় মনের ভুলেও চাইবেন না। হয় রূক্ষ-শুষ্ক ত্বক নাহলে ঘামে প্যাঁচপেচে শরীর। তাই বলে বর্ষা মানে সব ভাললাগা একসঙ্গে, এমন ভাবারও কোনও কারণ নেই। কেননা এখনকার বৃষ্টিতে থাকা আদ্রতা শুধু শারীরিক অস্বস্তিই বাড়ায় না। সাজগোজেরও বারোটা বাজায়। তাইবলে বর্ষাকালে সাজবেন না তা তো হয় না। রঙিন থাকার এই সময়কে উপভোগ করুন। শুধু মেকআপ কিটে সামান্য হেরফের করুন। তাহলেই দেখবেন বর্ষাতেও সৌন্দর্যের রানির আসনে আপনিই। আচ্ছা কী করে নিজেকে সুন্দর রাখবেন, চলুন একবার দেখে নিই। এই সময় মেকআপ যাই করুন না কেন আদ্রতার কারণে খুব বেশিক্ষণ ফ্রেশ থাকা মুশকিল। তাইবলে ত্বককে ঠিকভাবে ময়শ্চারাইজ করবেন না তা কিন্তু নয়। ত্বকে ময়শ্চারের মাত্রা স্বাভাবিক রেখেই নিজেকে সাজান। অস্বস্তি এড়াতে ওয়াটার বেসড মেকআপ ব্যবহার করুন। মেকআপের সময় অতিরিক্ত ফাউন্ডেশন ও কনসিল এড়িয়ে যাওয়াই ভাল। তবে বেস মেকআপের জন্য অবশ্যই নামী কোম্পানির প্রাইমার ব্যবহার করতে পারেন। এই আবহাওয়ায় পাউডারের বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আদ্রতাকে বিট করতে হলে পাউডার সঙ্গে রাখাই যুক্তিযুক্ত। অনুষ্ঠানে গেলে হ্যান্ডব্যাগে রাখুন পাউডার। মাঝেমাঝে একবার পাফ বুলিয়ে নিলেই সাজগোজে ক্লান্তির ছাপ উধাও হবে কয়েক মিনিটে। একইভাবে মাস্কারা ও আইলাইনারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। চোখ ছাড়া তো সাজ সম্পূর্ণই হয় না। তবে বর্ষাকালে ওয়াটারপ্রুফ লাইনার ও মাস্কারা ব্যবহার করা উচিত। এতে বৃষ্টির পানি লেগে বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে। তবে কাজল ব্যবহার করলে তা ক্রিম বেসড হওয়াই ভাল। রঙের ক্ষেত্রে একটু চুজি হলে ভাল হয়। বাদামি বা সাদা কাজল পেনসিল আপনার মাস্কারা ও লাইনারকে আরও উজ্জ্বল করবে। বর্ষার মাদকতা নামবে চোখে। একই সঙ্গে আইশ্যাডো অবশ্যই ক্রিম বেসড হবে। হালকা বাদামি, ক্রিমি পিংক, প্যাস্টেল, বেজ রঙের আইশ্যাডো এবারের বর্ষায় ইন ফ্যাশন। অন্যদিকে ব্লাশার রাখুন পাউডার বেসড। তাতে লেপটে যাওয়ার ভয় সবসময় তাড়া করে ফিরবে না। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন একে//

ঘরে যে ৫ জিনিস রাখলে ফিরে আসবে সৌভাগ্য

অনেকেই হয়তো জানে না যে, গৃহসজ্জাকে নির্ভর করেই ঘরে সৌভাগ্য ডেকে আনা সম্ভব। সঠিক উপাদানে সঠিক গৃহসজ্জা যেমন শুভ শক্তিকে ডেকে নিয়ে আসে ঘরে, তেমনি ইচ্ছে মতন এলোমেলো ঘরদোরে সহজে প্রবেশ করে দুর্ভাগ্য ও অশুভ শক্তি। গৃহসজ্জার এমন কিছু আছে যা আপনার ঘরে রাখলে সৌভাগ্যের উদয় হবে। এমনি কিছু জিনিসের তালিকা দেওয়া হলো- ১) আয়না আয়নার ভুল ব্যবহার ঘরে দুর্ভাগ্য ডেকে আনে খুব সহজে। অন্যদিকে সঠিক ব্যবহারে বদলে যেতে পারে সবকিছুই। সর্বদা চারকোনা আয়না ব্যবহার করুন। মেঝে থেকে অন্তত চার থেকে পাঁচ ফিট উচ্চতায় আয়না ঝোলান। খুব ভালো হয় আয়না এমনভাবে ঝোলালে যেন সবুজের প্রতিফলন দেখা যায়। এতে ঘরে অর্থ ও সৌভাগ্য আসে। ২) বাঁশের আশবাব বা অন্য কিছু গৃহসজ্জায় বাঁশের তৈরি জিনিস ব্যবহার করতে ভুলবেন না। আসবাব হলে সবচাইতে ভালো। এছাড়াও শো পিস, রান্নাঘরের উপাদান, ইন্টেরিয়রের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ঘরে সৌভাগ্য ফিরে আসে। ৩) গাছপালা সবুজ গাছপালা ঘরে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য বয়ে আনে। বিশেষ করে এলোভেরা, পুদিনা, লাকি ব্যাম্বু, মানি প্লান্ট ইত্যাদি। সদর দরজায় গাছ রাখতে চাইলে সর্বদা গোল পাতা বিশিষ্ট গাছ রাখুন। ৪) নীল কাপড় নীল আকাশের রঙ। তাই গৃহসজ্জায় নীল রঙের যে কোন কাপড়ই সৌভাগ্য বয়ে আনে। ঘরের সাজে যতটা সম্ভব নীল ব্যবহার করুন। ৫) চমৎকার উইন্ড চাইম আজকাল উইন্ড চাইম অনেকের বাড়িতেই দেখা যায়। কিন্তু জানেন কি, এটা ঝোলাবার উপযুক্ত স্থানের কথায়? সৌভাগ্য ও অর্থের দেখা পেতে উইন্ড চাইম ঝোলাতে হবে ঠিক বাড়ির সদর দরজায়। ঘুম, খাওয়া, কাজ বা বিশ্রামের স্থানে কখনোই উইন্ড চাইম ব্যবহার করতে হয় না। শেষ কথা এই যে, ঘরে সৌভাগ্য আনতে চাইলে সর্বদা পরিষ্কার ও গোছানো রাখুন। কেএনইউ/একে/

বর্ষাকালে ত্বকের যত্নে ঘরোয়া ৫ টোটকা

বর্ষাকালে টিপটিপ বৃষ্টি অনেক আনন্দের। কিন্তু এই আবহাওয়া বেশিরভাগ প্রভাব পড়ে ত্বকের উপর। সারাদিনের বৃষ্টিতে ত্বক শুষ্ক ও নিস্প্রাণ হয়ে পড়ে। এছাড়াও আদ্র আবহাওয়ায় ত্বকে নানা ধরনের ফুসকুড়ি, একজিমাও হতে পারে। তাই ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ঘন ঘন মুখ ধোওয়া বর্ষাকাল মানেই কিন্তু বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ খুব বেড়ে যায়। তাই ঘাম, তেল সারাদিন ধরে মুখে জমতেই থাকে। আর বর্ষাকালে ওই অতিরিক্ত ঘাম, তেল থেকে হওয়া ব্রণর থেকে যদি নিজেকে বাঁচাতে চাও, তা হলে কিন্তু রোজ অন্তত তিনবার মুখ ধোওয়া মাস্ট। পছন্দের ফেসওয়াশ ব্যবহার করতেই পার। তার পর মুখে টোনার লাগাতে ভুলবে না। সানস্ক্রিনের ব্যবহার বর্ষাকাল মানেই তো অর্ধেক দিন সূর্য ঢাকা থাকে মেঘের আড়ালে। আর তাই তুমিও দিব্যি মনের আনন্দে সানস্ক্রিন না মেখে বেরিয়ে পড়ো। খবরদার! এটা কিন্তু একদম করবে না। যখনই বেরবে রাস্তায়, সানস্ক্রিন মাখতেই হবে। স্ক্রাব ব্যবহার তোমার স্কিনে যদি মরা কোষ আর তেল থাকে, তাহলে তো স্কিন এমনিতেই বিচ্ছিরি দেখতে হয়ে যায়। তাই রোজ যদি পারফেক্ট আর ফ্রেশ থাকতে চাও, তা হলে স্ক্রাব করে নিতে পার। স্ক্রাবার বাড়িতেও বানাতে পার, বা যে স্ক্রাবার তোমার সুট করে, সেটাও লাগাতে পার। বাড়িতে বানাতে হলে চালের গুঁড়ো আর গোলাপ জল মিশিয়ে চটজলদি একটা স্ক্রাব বানিয়ে নিতে পার। মুখ পরিষ্কার করতে এটা কিন্তু দারুণ কাজ দেয়। হলুদ-মধুর ফেসপ্যাক ঘরে বানিয়ে নিতে পার এটাও। বেসন, হলুদ, মধু মিশিয়ে দারুণ একটা ফেসপ্যাক হতে পারে। এটা নিয়ম করে মুখে লাগাতে পারলে দেখবে আকাশে মেঘ করলেও তোমার মুখ থাকবে জেল্লাদার। প্রচুর পানি খেতে হবে নিয়ম করে প্রচুর পানি খেতেই হবে। রোজ অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তোমার স্কিনকে সুন্দর রাখার এটা কিন্তু গোপন টোটকা। সূত্র : এনডিটিভি। কেএনইউ/

সুন্দর ত্বকের জন্য ভুলেও যে ৮ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না

ত্বককে সুন্দর ও উজ্জল করতে মেয়েরা সাধারণত বাজারের বিভিন্ন কেমিক্যাল দেওয়া প্রসাধনী ব্যবহার করে। কিন্তু এই প্রসাধনীগুলো ত্বকের সৌন্দর্যকে ভিতর থেকে বাড়াতে তো পরেই না, উল্টে স্কিনের মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়। এতে ত্বকের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, কিছু ক্ষেত্রে তো ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই ত্বককে সুন্দর এবং রোগমুক্ত রাখতে চাইলে এইসব প্রসাধনীর ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ১) ডিওডোরেন্ট বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে ডিওডোরেন্ট তৈরি করতে যে যে উপকরণগুলি ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তা অনেকে ক্ষেত্রেই ত্বকের সংস্পর্শে আসা মাত্র ইরিটেশন সৃষ্টি করে, যে কারণে চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া এবং ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। এই কারণেই তো বেশি মাত্রায় ডিওডোরেন্ট জাতীয় কসমেটিক্স ব্যবহার করতে মানা করেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা। ২) ব্লিচ ক্রিম ত্বককে ফর্সা বানাতে অনেকেই ব্লিচ ক্রিম মুখে লাগিয়ে থাকেন। এমন কসমেটিক্স ব্যবহারের কারণে কিছু ক্ষেত্রে ফল পাওয়া যায় ঠিকই। কিন্তু এমন ধরনের ক্রিম ত্বকের যে কী মাত্রায় ক্ষতি করে থাকে, সে খবর অনেকেই রাখেন না। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ ব্লিচ ক্রিমে উপস্থিত হাইড্রোকুইনোনে নামক একটি উপাদান ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন মাত্রায় স্কিনের ক্ষতি করে যে একাধিক ত্বকের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যায় বেড়ে। ৩) ট্যালকম পাউডার বেশ কিছুদিন আগে এক বিদেশি বেবি পাউডার প্রস্তুতকারক কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয়েছিল মার্কিন কোর্টে। অভিযোগ উঠেছিল দীর্ঘদিন ধরে সেই বেবি পাউডারটি ব্যবহার করলে নাকি ক্যান্সারের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিষয়টা কতটা ভয়ানক একবার ভেবে দেখুন! তবে একমাত্র ওই ব্র্যান্ডটি ব্যবহার করলেই যে শরীরের ক্ষতি হতে পারে, এমন নয়। গবেষণা বলছে, যে কোনও ধরনের পাউডার ব্যবহার করলেই হতে পারে নানা ধরনের রোগ। বিশেষত, অ্যালার্জি এবং ফুসপুসের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্যও কমতে শুরু করে। তাই সাবধান! ৪) কাজল চোখের সৌন্দর্য বাড়াতে অধিকাংশ মেয়েরাই চোখে কাজল ব্যবহার করে। কিন্তু এই প্রসাধনিটি মোটেও চোখের জন্য ভাল নয়। কারণ একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, কাজল বা সুরমা নিয়মিত ব্যবহার করলে চোখের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে কনজিভাইটিস, উভেইটিস, গ্লকোমা, ড্রাই আই এবং কনজাংটিভাল ডিসকালারেশনের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ৫) লিপস্টিক ঠোঁটের সৌন্দর্য বৃ্দ্ধি করতে সিংহভাগ মেয়েই এই প্রসাধনীটি ব্যবহার করে থাকেন। এটি নিয়মিত লাগালে ঠোঁটের আদ্রতা হারাতে শুরু করে। ফলে ঠোঁটের সৌন্দর্য তো কমেই। সেই সঙ্গে ঠোঁটকে কালো করে এবং মারাত্মক ক্ষতি হয়। আসলে বেশিরভাগ লিপস্টিকেই এমন কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা মোটেও ঠোঁটের জন্য ভাল নয়। ৬) নেইলপলিশ কাজল এবং লিপস্টিকের পর যে প্রসাধনিটির ব্যবহার সব থেকে বেশি মাত্রায় হয়ে থাকে, সেটি হল নেইলপলিশ। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে, রং বেরঙের এই প্রসাধনীটি নখ এবং ত্বকের কতটা ক্ষতি করে থাকে! বিশেষত লাল এবং কালো রঙের নেইলপলিশ যদি প্রতিদিন লাগানো হয়, তাহলে তো নখের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে নানাবিধ কেমিক্যালের প্রভাবে নখ হলুদ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে থাকে। প্রসঙ্গত, নেইল পলিশে অ্যাসেটোন নামক একটি উপাদান থাকে। এই কেমিকালটি নখকে দুর্বল করে দেয়। সেই সঙ্গে ধীরে ধীরে সৌন্দর্যও কমাতে শুরু করে। তবে নেইলপালিশ, লিপস্টিক, কাজল দেওয়া একেবারেই বন্ধ করলে কেমন হয়ে যায়, তাই হঠাৎ করে দুই একদিন পরতে পারেন। ৭) ময়েসশ্চারাইজার ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরিয়ে দিতে এই ক্রিমটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে ঠিকই। কিন্তু এই ধরনের কোনও ক্রিমই স্কিনের জন্য ভাল নয়। আসলে অধিকাংশ ময়েসশ্চারাইজারেই এমন কিছু উপাদান থাকে, যা স্কিন বেরিয়ারকে নষ্ট করে দেয়। ফলে ত্বকের আদ্রতা বাড়ার পরিবর্তে আরও কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বকের নিজস্ব যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা রয়েছে তাও দুর্বল হতে শুরু ৮) হেয়ার কালার এবং হেয়ার ডাই এই ধরনের প্রসাধনী থেকে একদিকে যেমন অ্যালার্জির মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তেমনি চুল পরা বেড়ে যাওয়া, ত্বকের প্রদাহ, সারা শরীরে লালা লাল ছোপ, চুলকানি এবং শ্বাস কষ্টের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে। প্রসঙ্গত, অনেক হেয়ার ডাইতে পিফেনাইলেনেডিয়ামাইন নামক উপাদান থাকে, যা ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তো বাড়াই, সেই সঙ্গে রিপ্রোডাকটিভ টক্সিসিটি, নিউরোটক্সিসিটি, অ্যালার্জি, ইমিউন টক্সিসিটি এবং নানাবিধ ত্বকের রোগের পথ প্রশস্থ করে। সূত্র : বোল্ডস্কাই্ কেএনইউ/  

বর্ষাতে ঘর-বাড়ির যত্ন নিবেন যে উপায়ে

এখন বর্ষাকাল। বর্ষাতে যেমন ত্বক ও চুলের যত্নের প্রয়োজন তেমনি ঘর-বাড়িরও যত্নের প্রয়োজন। তা না হলে এ সময় স্যাঁতস্যাঁতে ভাবসহ পোকা-মাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যাবে। যা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করতে সাহায্য করবে। তাই বর্ষাতে ঘর-বাড়ি পরিষ্কার রাখুন।    বর্ষাকাল আসার আগেই ভালো দেখে নিন বাড়ির ছাদ, মেঝে ও দুই দেয়ালের সংযোগস্থলগুলোতে কোথাও কোনও ফাটল বা আর্দ্রতা আছে কি না। দেখলে দ্রুত এর ব্যবস্থা নিন। প্রতি বছর বাড়ি রং করার অভ্যাস থাকলে বর্ষার আগেই তা সেরে ফেলুন। রং করার উপায় না থাকলে অন্তত প্রাইমার কিংবা হোয়াইট ওয়াশ করাতে পারেন। মেঝেরও প্রয়োজনীয় মেরামত করান।   মেঝেতে কার্পেট ব্যবহার করার অভ্যাস থাকলে বর্ষার ঋতুতে সেগুলো গুটিয়েই রাখুন। এতে কাদার দাগ বা বার বার ভিজে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করা যাবে কার্পেটকে। এমনিতেই ভারী কার্পেট পরিষ্কার করা খুব কষ্টসাধ্য। তাছাড়া বর্ষায় কার্পেট ভিজে ছাতা ধরে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ঝামেলা না বাড়ানোই বুদ্ধিমানের কাজ।   দরজা ও জানলার ধারে যদি কাঠের আসবাব থেকে থাকে তা কিছুটা দূরে সরিয়ে ফেলুন। বাড়িতে কাঠের কাজ চললে তা শেষ করুন বর্ষার আগেই। আলমারির ভেতর স্যাঁতসেঁতে ভাব কাটাতে রাখুন ন্যাপথলিন। খানিকটা নিমপাতাও রাখতে পারেন, নিম জলীয় ভাব কাটায়।   সব কিছু না কেচে আস্থা রাখুন ড্রাই ক্লিনিংয়ে। এমনিতেই বর্ষায় পোশাক শুকনো রাখা বড় দায়, আর ভালো করে না শুকোলে দুর্গন্ধ ছড়াবে অচিরেই। তাই প্রতিদিন কাচাকাচি কমান। যেটুকু না কাচলেই নয়, সেটুকুই কাচুন। প্রতিদিনের আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করেও এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।   জোলো ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় বাড়ির সদস্যদের স্বাস্থ্যের বিষয়টিও মাথায় রাখুন। ভুল করেও পানি জমতে দেবেন না আশপাশে। মশা ও অন্যান্য পোকা-মাকড় রুখতে পেস্টিসাইড ব্যবহার করুন। একদিন অন্তর ব্লিচিং পাউডার ও কার্বলিক অ্যাসিড ছড়ান বাড়ির চারপাশে।   প্রয়োজন পড়লে বর্ষার আগেই সম্ভব হলে একজন বিশেষজ্ঞ কারিগরের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। গোটা বাড়ির অবস্থান ও পরিস্থিতি বুঝে তিনিই উপযুক্ত পরামর্শ দিতে সক্ষম হবেন। তার উপদেশ মেনে নিন জরুরি ব্যবস্থা। বাড়ির মেরামতি বা নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে জোরদার করতে এও এক ভাল উপায়।  সূত্র : আনন্দবাজার।  কেএনইউ/ এসএইচ/

বর্ষায় রাতের পার্টির জন্য চোখের সাজ

পার্টিতে যাওয়ার আগে একটু মেকআপ করে স্নিগ্ধতার আবেশে নিজেকে মোড়াতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু সেজেগুজে বের হওযার পর যদি মাথার উপর ঝুম বৃষ্টি পড়ে তা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে কেমনটা লাগে সেটা যে সাজে সেই বুঝে। তাই বৃষ্টির দিনের উপযোগী সাজ জানাটাও খুব দরকার। আসুন জেনে নেওয়া যাক বৃষ্টি ভেজা রাতের উপযোগী চোখের সাজ কেমন হবে- ১. রাতের সাজের জন্য প্রথমে চোখের পাতায় হালকা আই শ্যাডো দিয়ে বেস করে নিন। এবার চোখের পাতার উপর ঘেসে ও নিচের ওয়াটার লাইন ঘেসে পুরো চোখে কাজল দিয়ে নিন। ২. কাজল দেওয়া হলে এবার চোখের নিচের কাজল স্মাজ করে ব্লেন্ড করে নিন ব্রাশ দিয়ে। ৩. এর পর চোখের বাইরের কোনার উপর দিয়ে একটু গাঢ় রঙের আই শ্যাডো দিন এবং আগের শ্যাডোর সঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন। ৪. এবার গাঢ় রঙের আই শ্যাডোর সঙ্গে মিলিয়ে চোখের উপরের পাতার আইলাইন বরাবর বাইরের দিকে একটু মোটা করে কাজল দিয়ে নিন। ৫. কাজল ব্রাশ দিয়ে স্মাজ করে আই শ্যাডোর সঙ্গে ব্লেন্ড করুন ভাল করে। এতে আই শ্যাডোয় স্মোকি ভাব আসবে চোখে। ৬. এবার চোখের ভেতরের কোণায় গোল্ডেন বা সিলভার পেন্সিল দিয়ে এঁকে নিন। গোল্ডেন বা সিলভার পেন্সিল না থাকলে আই শ্যাডো দিয়েই একে নিতে পারেন। ব্যাস, হয়ে গেল আপনার চোখের জমকালো সাজ। এবার শুধু চোখের সাজের সঙ্গে মিলিয়ে গালে একটু রঙের ব্লাশন ও ঠোটে লিপস্টিক বা লিপগ্লসের ছোঁয়া দিয়ে দিন। আপনার দিন বা রাতের সাজ সম্পূর্ণ বৃষ্টির সময়ের জন্য। এই সাজ যদি বৃষ্টির কারণে নষ্টও হয়ে যায় তবে ঝটপট ঠিকঠাক করে ফেলতে পারবেন। তবে সাজসজ্জার উপকরণ ব্যাবহারের আগে মনে রাখবেন সাজের সরঞ্জাম যেন একদম ওয়াটারপ্রুফ হয়। না হলে পানির সংস্পর্শে এসে সাজ নষ্ট হয়ে গিয়ে আপনার কষ্টটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। সূত্র : জিনিউজ। কেএনইউ/ এআর

রোজ গোলাপের পানি ব্যবহারে ত্বকের ৫ উপকারিতা

ত্বকের সৌন্দর্যে গোলাপের পানি ব্যবহারের কোনো জুড়ি নেই। এটি রুক্ষ্ম, শুক্ষ ও তৈলাক্ত সব রকমের ত্বকের জন্যই উপকারি। ফেস প্যাক, স্ক্রাব ও স্কিন টোনার সব কিছুর সঙ্গে গোলাপের পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে- ১. পিএইচ লেবেলে ভারসাম্য বজায় রাখে ত্বকের পরিচর্যা করার সময় পিইচ লেবেলের দিকে বিশেষ ধ্যান দিতে ভুলবেন না, দূষণ ও সূর্যের ইউবি কিরণের জন্য আজ আমাদের ত্বক খুবই ক্ষতি গ্রস্ত, এর জন্য ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা যায়, এক্ষেত্রে গোলাপের পানি পিএইচ লেবেলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ও আমাদের ত্বক সতেজ থাকে। ২. এস্ট্রিঞ্জেন্ট গোলাপ পানি এস্ট্রিঞ্জেন্ট-এর মতো কাজ করে, যার ফলে আপনি যখনি নিজের ত্বকে গোলাপ জলের ব্যবহার করেন তখন তা আপনার ত্বক থেকে ধুলো দূর করতে সাহায্য করে। ৩. এন্টিঅক্সিডেন্ট ভরপুর গোলাপ পানির মধ্যে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে. এই কারণে গোলাপ জল এন্টি-এজিং হিসাবে ব্যবহার করা হয়, এন্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের কোষ গুলিকে ভেতর থেকে দৃঢ়তা প্রদান করে তা সতেজ রাখে. যাতে করে মুখের ত্বক টানটান থাকে. ৪.স্কিন ও হাইড্রেট গোপাল পানি ত্বককে ভেতর থেকে হাইড্রেট করে তা সতেজ রাখতে সাহায্য করে. গোলাপ জল খুবই ভালো ময়েশ্চরাইজার. এটি ত্বককে পুষ্টি প্রদান করে. আপনি যদি প্রতিদিন গোলাপ জলের ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ত্বক সর্বদা মসৃন থাকবে এবং যৌবন কখনই নষ্ট হবে না. ৫. ফ্রেশ থাকার টোটকা আপনি কি জানেন, গোলাপ পানি এক মুহূর্তে আপনার মুডকে সতেজ করে দিতে পারে. আসলে,আপনি যখনই মুখে গোলাপজল ব্যবহার করেন, তখনি এটির সুন্দর গন্ধ আপনার মন সতেজ করে দেয়, যার ফলে স্ট্রেস আপনার আশেপাশে ঘেঁষতে পারে না। যেভাবে গোলাপ জলের ব্যবহার করবেন মুখ ধোয়ার পরে, তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে মুখের নিচের থেকে ওপর দিকে আলতো করে গোলাপ জল লাগান. আপনি রাতে শোয়ার আগে এর ব্যবহার করতে পারেন। সূত্র : এনডিটিভি। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি