ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ৮:১৪:৫২

মুখের বলিরেখা পরিহার করতে করণীয়

মুখের বলিরেখা পরিহার করতে করণীয়

সুন্দরকে কে না ভালোবাসে। তাই পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ হয়তো সুন্দর থাকার চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক সময় ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সম্ভব হয় না। মুখে অনেক সময় পড়ে যায় বলিরেখা। এর অন্যতম কারণ হলো- বয়স বেড়ে যাওয়া, সূর্যরশ্মি, পরিবেশ দূষণ, ধূমপান, পুষ্টির ঘাটতি ইত্যাদি। বলিরেখা দূর করতে বা প্রতিরোধে নানা ধরণের ক্রিম বাজারে প্রচলিত থাকলেও এর সমাধানে রয়েছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। নিম্নে এগুলো কয়েকটি তুলে ধরা হলো- লেবুর রস- ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুর রস প্রাকৃতিকভাবেই বলিরেখা দূর করতে সক্ষম। লেবুর রস মুখের ভাঁজগুলোতে লাগিয়ে ম্যাসাজ করতে হবে। লেবুর রস ত্বক উজ্জ্বলও করে তোলে। তবে অতিরিক্ত লেবুর রস ব্যবহারে ত্বকে ক্ষতি হতে পারে। তাই লক্ষ্য রাখতে হবে পরিমাণের দিকে। ডিমের সাদা অংশ ডিম শুধু শরীরের জন্যই যে খুব উপকারী তা নয়। বরং এর সাদা অংশটা ত্বকের জন্যও সমান উপকারী। বলিরেখা দূর করতে খুব সহজেই আমরা এটা ব্যবহার করতে পারি। এজন্য প্রথমে ডিমের কিছুটা সাদা অংশ ভালোভাবে ফেটিয়ে নিয়ে সরাসরি তা ত্বকে লাগাতে হবে। এরপর হালকাভাবে ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট রেখে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। অলিভ অয়েল বলিরেখা দূর করার প্রাকৃতিক আরেকটি উপাদান হলো অলিভ অয়েল। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক ফোঁটা অলিভ ত্বকে ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর তোয়ালে দিকে মুখ মুছে নিতে হবে। অ্যালোভেরা অ্যালোভেরাতে ম্যালিক এসিড রয়েছে যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। এজন্য পাতা থেকে জেল বের করে নিয়ে সরাসরি মুখে লাগাতে হবে। এরপর ১৫ মিনিট বা না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করে তা ধুয়ে ফেলতে হবে। জেলের সঙ্গে ভিটামিন ই তেল মিশিয়েও মুখে লাগানো যেতে পারে। গাজরভিটামিন এ সমৃদ্ধ এ সবজিটি ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন অব্যাহত রাখে। এতে করে ত্বক থাকে কোমল ও বলিরেখা মুক্ত। গাজর সিদ্ধ করে ব্লেন্ড করে পেস্ট বানিয়ে তা মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে আধাঘন্টা। এরপর ধুয়ে ফেলতে হবে। এর সঙ্গে মধুও মেশানো যেতে পারে। পানি পানত্বকের বলিরেখা দূর করার অন্যতম সহজ একটি উপায় হলো প্রচুর পানি পান করা। দৈনিক দুই লিটার করে পানি পানে ত্বক থাকে আর্দ্র্র ও বলিরেখা মুক্ত। কলা পুষ্টিকর এ ফলটি ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও অনেক উপকারী। পাকা কলা ভালোভাবে চটকে নিয়ে সরাসরি মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে প্রায় আধা ঘণ্টা। এরপর ধুয়ে নিতে হবে। এর সঙ্গে কিছু অ্যাভোকাডো ও মধুও মেশানো যেতে পারে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/
শ্রীদেবীর তৈরি ঘরোয়া টোটকাতেই মেয়ের ঘন কালো চুল!  

‘ধড়ক’ ছবি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই লাইম লাইটে শ্রীদেবী কন্যা জাহ্নবী। তার সৌন্দর্যে ঘায়েল  হয়েছে অনেকেই। ক্রমেই লম্বা হচ্ছে ভক্তদের লিস্ট। নিজের সৌন্দর্যের গোপন রহস্য এবার নিজেই খোলসা করলেন জাহ্নবী। এক ফ্যাশন ম্যাগাজিনের কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার লম্বা ঘন চুলের রহস্য প্রকাশ করেছেন জাহ্নবী কপূর। তিনি  জানিয়েছেন, কোনও নামী-দামি শ্যাম্পু নয়, মায়ের তৈরি ঘরোয়া টোটকা ব্যবহার করেই এমন সুন্দর হয়েছে তার চুল। শ্রীদেবী নিয়মিত মাথায় তেল মালিশ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন জাহ্নবীকে। তবে এই তেল ঘরেই তৈরি করতেন তিনি। কীভাবে বানাতেন তিনি এই হেয়ার অয়েল? এক কাপ নারকেল তেল আধ কাপ আমলকি কিছু শুকনো জবা ফুল এক চামচ মেথি  এবার একটি পাত্রে নারকেল তেল ঢালতে হবে। তার পর তার মধ্যে জবা ফুল, মেথি ও আমলকি মেশাতে হবে। শেষে হালকাভাবে ফোটাতে হবে মিশ্রণটি। প্রায় ৩০ মিনিট ফোটানোর পরে ঠাণ্ডা করে তার পরে একটি কাঁচের বোতলে ঢেলে রেখে ব্যবহার করতে হবে। শ্রীদেবীর পরামর্শ অনুযায়ী, সপ্তাহে তিন বার এই তেল মালিশ করলেই আপনার চুল ঘন কালো আর লম্বা হবে। তার এই টোটকা ব্যবহার করেই তার কন্যা হয়ে উঠেছেন অনেকের কাছে আকর্ষণীয়। তথ্যসূত্র: এবেলা। কেআই/ এসএইচ/ 

মুখের দাগ দূর করার ঘরোয়া ১০ টোটকা

মুখের ছোট্ট দাগ নিয়ে চিন্তার যেন শেষ নেই। কারণ এটিই যে সবার চোখে পড়ে। এই দাগ দূর করার জন্য আপনি নামিদামী ব্রান্ডের চড়া দামের ক্রিম ব্যবহার করেছেন তবুও তেমন আশানুরূপ ফল মেলেনি। নামি দামী অনুসঙ্গগুলোও যখন মুখের দাগ দূর করতে ব্যর্থ তখন ঘরোয়া ১০টি উপায় আপনি একবার অবলম্বন করে দেখতে পারেন।  এগুলো আপনার মুখের কালো দাগ তো দূর করবেই ত্বকের উজ্জ্বলতাও ফিরে পাবেন৷ *মধু আপনার মুখের দাগ দূর করার পাশাপাশি ত্বকও নরম করবেন৷ নিয়মিত মধু মুখে লাগালে আপনি ফল পাবেন৷ তবে মধুতে কোনও সাইড এফেক্টস হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখবেন৷ *শশা ত্বককে ঠান্ডা রাখে৷ তাছাড়া শশার রস দিয়ে ত্বকের কালো দাগ দূর করা যায়৷ আপনার ত্বক শশার রসটা পুরোপুরি টেনে নিলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ *আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে আটা, টক দই এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে লাগিয়ে ফেলুন৷ ব্লিচ হিসেবেও কাজ করবে এই মিশ্রণ৷ *অ্যালোভেরা কেটেও মুখে ঘসতে পারেন৷ রোজ এটা করলে আপনার দাগ আসতে আসতে হালকা হয়ে আসবে৷ *পাকা কলার পেস্ট তৈরি করে ফেসপ্যাকের মতো ব্যবহার করুন৷ কিছুক্ষণ রাখার পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ *লবঙ্গ এবং রসুন বেটে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন৷ প্রতি রাতে ঘুমনোর আগে দাগের ওপর লাগিয়ে ফেলুন৷ সকালে উঠে মুখ ধুয়ে ফেলুন৷ *টমেটো মুখের দাগ কিংবা ট্যানের ওপর খুব ভালো কাজ করে৷ টমেটোর রস বের করে মুখে লাগিয়ে ফেলুন৷ তারপর শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন৷ *কাঁচা হলুদ বেটে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ফেলুন৷ দেখবেন ত্বকের কোমলতার সঙ্গে দাগও হালকা হয়ে গিয়েছে৷ *ব্রনের দাগ দূর করতে, পরিমাণমত চন্দর গুঁড়োর সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করুন৷ মুখে লাগিয়ে শুকনো পর্যন্ত অপেক্ষা করে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷ *নারকেল তেল প্রতিদিন দাগের ওপর লাগান৷ মাস খানেক ব্যবহার করলে ফল পাবেন৷ সূত্র : কলকাতা টোয়েন্টি ফোর / এআর /

ত্বকের সৌন্দর্যে দুধের সর

দুধ শরীরের উপকার করা ছাড়াও ত্বকেরও উপকার করে থাকে। তবে ত্বকের যত্নে শুধু দুধ নয় দুধের সরও বেশ উপকারী। একাধিক গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, নিয়মিত বেশ দুধের সর মুখে লাগালে বা দুধ দিয়ে মুখ ধুলে অপূর্ব সুন্দরি হয়ে উঠতে বেশি সময়ই লাগে না। আর একথার প্রমাণ পাওয়া যায় ক্লিয়োপেট্রাকে দেখলেই। ইতিহাস থেকে জানা যায়, দুধের সর দিয়ে নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা করতেন মিশরের মহারানী। তাই তিনি এত সুন্দরি হয়ে উঠেছিলেন। সুতরাং ত্বকের পরিচর্যায় নিয়মিত দুধের সরকে কাজে লাগালে আপনিও সুন্দর হয়ে উঠুন। ১) ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয় ত্বককে উজ্জ্বল করতে দুধের সর খুবই উপকারি। এছাড়া কাঁচা দুধও মুখে লাগাতে পারেন। দুধের সর অল্প পরিমাণ নিয়ে ভাল করে মুখে লাগিয়ে ফেলুন। দশ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। এমনটা নিয়মিত করতে পারলে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। উল্লেখ্য, দুই চামচ দুধের সরের সঙ্গে এক চামচ মধু, এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। ২) ত্বককে পরিষ্কার করে সারা দিন ধরে বাহিরের ধূলো-বালি আমাদের ত্বকে লেগে মারাত্মক ক্ষতি করে। তাই দিনের শেষে দুধের সরকে কাজে লাগিয়ে ত্বককে পরিষ্কার করতে পারেন। আসলে দুধের সর স্কিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকে ক্ষতিকর উপাদানগুলোকে বের করে দেয়। ফলে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে একটা বাটিতে অল্প পরিমাণে দুধের সর ও পাকা পেঁপে নিয়ে একযোগে মিশিয়ে ভাল করে মুখে লাগিয়ে মাসাজ করতে হবে। কয়েক মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। ৩) ত্বকের ব্রণ কমিয়ে দেয় ত্বকের ব্রণ কমাতে দুধ ও দুধের সর খুবই কার্যকরী। এক্ষেত্রে দুই চামচ দুধের সরের সঙ্গে এক চামচ মধু এবং অল্প পরিমাণে গরম পানি মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টটা মুখে এবং গলায় লাগিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। এরপর মুখটা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। প্রসঙ্গত, নিয়মিত দুধ খাওয়া শুরু করলেও কিন্তু সমান উপকার পাবেন। ৪) ত্বকের প্রদাহ কমায় বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, পরিবেশ দূষণ এবং আরও নানা কারণে ত্বকের ভিতরে প্রদাহ সৃষ্টি হয়। ফলে নানাবিধ ত্বকের রোগ মাথা চাড়া দিযে ওঠার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই ত্বকের পরিচর্যায় কাজে লাগাতে হবে দুধ বা দুধের সরকে। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দুধের সর নিয়ে যদি মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে নিমেষে প্রদাহ কমে যাবে। ৫) মৃত কোষের আবরণ সরিয়ে ফেলে ত্বকের উপরে জমতে থাকা মৃত কোষেদের কারণে ত্বকের সৌন্দর্যটা নষ্ট হয়ে যায়। তাই ত্বকের পরিচর্যায় দুধের সরকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ পানি নিয়ে তাতে এক চিমটি লবণ দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর তাতে দুধের সর মিশিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করলেই ফল পাওয়া যাবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। কেএনইউ/

রূপচর্চায় স্ট্রবেরির ব্যবহার

স্ট্রবেরি খেতে সচরাচর দেখা না গেলেও এর গুরুত্ব অনেক। স্ট্রবেরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায়, ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া স্ট্রবেরিতে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামাটোরি উপাদান রয়েছে যা রূপচর্চায় খুবই কার্যকরী। ত্বক উজ্জ্বল করে : ত্বকের উজ্জ্বল বাড়াতে প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে স্ট্রবেরিতে। স্ট্রবেরি ত্বকের জেল্লা বাড়ায়। এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা ত্বকের উপর দাগছোপ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে। স্ট্রবেরির মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। স্ট্রবেরি অর্ধেক করে কেটে মুখে ও গলায় ঘষে নিন। কিছুক্ষণ রেখে পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। এভাবে কয়েকদিন করলে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে পাবেন। ত্বক সজীবতা রাখে : স্ট্রবেরি অন্যতম প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েট হিসাবে কাজ করে ত্বকের উপর। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি এবং স্যালিসাইলিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষ এবং ত্বকের বাড়তি মেদ থেকে ক্ষরিত রস দূর করে। এক কথায় স্ট্রবেরি ত্বকের পূর্ণগঠন ও সজীবতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাকা স্ট্রবেরি হাত দিয়ে চটকে ঘন ও মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। এতে এক চামচ চিনি ও অলিভ অয়েল একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ব্রণ দূর করে : যাদের মুখে ব্রণর সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য অন্যতম কার্যকরী ওষুধ স্ট্রবেরি। স্ট্রবেরির অ্যাসিডিক চরিত্র ব্রণ ও পিম্পলস্ প্রতিরোধ করে। খাওয়ার পাশাপাশি ব্যবহার করুন স্ট্রবেরি ফেস মাস্ক। পাঁচ থেকে ছয়টি পাকা স্ট্রবেরি চটকে নিন। মিশ্রণটিকে ঘন ও মসৃণ করতে দইও মেশাতে পারেন। ত্বকের উপর এই মিশ্রণটি লাগিয়ে নিন। এবার দশ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। সপ্তাহে দুদিন ব্যবহার করলেই উপকার পাওয়া যাবে। কালো ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বাড়ায় : স্ট্রবেরির মধ্যে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ মিনারেলস্ ও ভিটামিন। যা ঠোঁটের কালচেভাব দূর করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ঠোঁটের মৃত কোশগুলি এক্সফোলিয়েট করে। স্ট্রবেরির হাইড্রেশন চরিত্র ঠোঁটের সজীবতা বজায় রাখে। একটি স্ট্রবেরি নিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে নিন। মিশ্রণটি ঠোঁটের উপর লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। যাতে স্ট্রবেরির রস ঠোঁটে ভালো করে বসে যায়। ঠোঁট শুকিয়ে গেলে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে কয়েকবার এটি ব্যবহার করুন। দাঁতকে সাদা করে : স্ট্রবেরির মধ্য থাকা প্রাকৃতিক উপাদানগুলি দাঁত ঝলমলে সাদা করে। দাঁতে হলদেটে ভাব দূর করতে স্ট্রবেরির মধ্যে থাকা ভিটামিন ই কার্যকরী। এছাড়াও স্ট্রবেরির মধ্যে থাকা ম্যালিক অ্যাসিড হলদে দাঁতকে করে তোলে সাদা। একটা কিংবা দুটো স্ট্রবেরি ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। পেস্টটি দাঁতের উপর দশ মিনিট ঘষে নিতে হবে। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রত্যেকদিন দুইবার করে ব্যবহার করুন। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/ এসএইচ/      

ত্বকের যত্নে ৭টি ‘কমন’ ভুল

সবাই চায় সুন্দর থাকতে। আর সেই কারণেই মানুষ মুখের যত্ন নেয় সব থেকে বেশি। মুখের চামড়া ঠিক রাখতে, ব্রণ এড়াতে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখতে, বলিরেখা ঠেকিয়ে রাখতে- নানা পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়। কিন্তু অনেক সময়ে এমনটাও হয় যে যত্নের ওভারডোজ হয়ে গেল অজান্তেই। গণ্ডগোল হয় তখনই। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমন ৭টি ভুলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা করলে ক্ষতি হতে পারে মুখের ত্বকের। জেনে নিন সংক্ষেপে- ১। ব্রণ হলে বার বার সেখানে হাত চলে যায়। চেষ্টা করুন এমন না করতে। কারণ তাতে হাতের ব্যাকটেরিয়া মিশে যায় ব্রণের সঙ্গে। ২। সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন অনেকেই। কিন্তু তা শুধু মুখের জন্য। মনে রাখতে হবে, শরীরের অন্য অংশ, যেমন হাত, কাঁধ, পা-ও খোলা থাকে যেখানে সূর্যের তাপ লাগে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, ৩০ বা তার থেকেও বেশি মাত্রার এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। ৩। মোবাইল ফোনে বেশি কথা না বলাই ভাল। কারণ মোবাইল ফোনটি সারাক্ষণ গালে ঘষা লাগার ফলে, তার ব্যাকটেরিয়া মুখের ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। ৪। মদ্যপান বা ধূমপানের মাত্রা কমিয়ে দেওয়া উচিত। আর একেবারে ছেড়ে দিতে পারলে তো কথাই নেই। এর ফলে, বয়সের আগেই চামড়া কুঁচকে যায়। ৫। খুব বেশি কফি পান করলে ত্বকের ক্ষতি হয়। এর ফলে ত্বকের নমনীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৬। ত্বকের ডেড-সেল সরানোর জন্য এক্সফলিয়েশন খুবই জরুরি। কিন্তু তা সপ্তাহে দু’বারের বেশি একেবারেই নয়। ৭। ত্বকের যত্ন নিতে গিয়ে তাড়াতাড়ি ফল পাওয়ার জন্য বার বার প্রোডাক্ট বদল করা একেবারেই ঠিক নয়। কারণ যে কোনও জিনিসই কাজ করতে সময় নেয়। সূত্র: এবেলা একে//

চুল ফাটা রোধের ৬ উপায়

‘চুল তার কবেকার, অন্ধকার বিদিশার নিশা, মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য’। কবি জীবনান্দ দাশের বিখ্যাত কবিতা ‘বনলতা সেন’- এ বর্ণনা করেছেন প্রিয়তমার কুন্তলের সৌন্দর্য্য। চুলের হরেক রকমের বাহারি সাজ যে মানুষের সৌন্দর্য্য কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়, কবি তাই বুঝিয়েছেন। বিশেষ করে যে নারীর চুল যত সুন্দর, তার সৌন্দর্যও ততো বেশি। অার কথায় আছে, নারীরা সব কাজ ভুলে গেলেও চুলের পরিচর্যা করতে ভুলেন না। কিন্তু পরিচর্যা করার পরও যদি চুল সুন্দর না থাকে তাহলে কেমনটা লাগে! চুলে খুসকি, চুল পড়া, চুল ফাটা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি সমস্যা চুল ফাটা নিয়ে। চুলের অন্য সমস্যা সমাধান করা যায় কিন্তু চুল ফাটার সমস্যা রোধ করতে অনেক ঝামেলা। চুল ফাটা শুরু হলে আর থামতেই চায় না। তবে এর প্রধান কারণ হচ্ছে চুলের পুষ্টির অভাব। সুষম খাদ্য না খাওয়া, অতিরিক্ত পানি পান না করা, সঠিক সময়ে চুলের ডগা না কাটা এই সব একধিক কারণে চুল ফেটে যায়। চুলের এই সব সমস্যা সমাধানের জন্য যদি পুষ্টিকর খাবার খাওয়া যায় এবং ঘরে বানানো কিছু প্যাক ব্যবহার করা যায় তবে এর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। পাঠক আপনাদের জন্য আজকে থাকছে এমনই কিছু রেসিপি, যা দিয়ে আপনার চুলকে রক্ষা করতে পারবেন আগা ফাটা থেকে।  ১) কলা প্রথমেই চুলের পুষ্টির জন্য কলার কথা বলব। কেননা কলাতে রয়েছে পটাশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, ভিটামিন সি, এ এবং ই। যা চুলের ময়েশ্চারাইজা়র ধরে রাখে এবং চুলের ডগা ফাটা রোধ করে। তাই নিয়মিত কলা খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। এছাড়া একটি পাকা কলা, দুই চামচ টক দই, এক চামচ গোলাপজল ও আধা চামচ লেবুর রস দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি চুলে লাগান। এক ঘণ্টা পর ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। দেখবেন চুল ফাটা কমে যাবে। ২) ডিম চুলের পুষ্টি যোগাতে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়া একটি ডিমের সঙ্গে তিন চামচ আমন্ড অয়েল অথবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। অলিভ অয়েলে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চুলের আগা ফাটা রোধ করতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে এক চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিন। মিশ্রণটি হেয়ার মাস্কের মতো মাথায় লাগান। এক ঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন। উপকার হবে। ৩) পেঁপে পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। যা চুলে পুষ্টি যোগায়। এটি চুলের ডগা ফাটা রোধ করার পাশাপাশি চুলকে মসৃণ ও নরম করে তোলে। একটি পেঁপে ব্লেন্ড করে নিন। এবার এর সঙ্গে আধা কাপ টক দই মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি চুলে লাগিয়ে আধা ঘন্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ৪) মধু মধু ত্বক ও চুলের জন্য খুব উপকারী। এক চামচ মধুর সঙ্গে সামান্য টক দই মিশিয়ে চুলে লাগান। ২০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যম্পু করে ফেলুন। ৫) মসুরের ডাল মুসরের ডাল রূপচর্চা ও শরীরচর্চা উভয় কাজেই লাগে। এটি যেমন মুখের ত্বকের জন্য উপকারী তেমনই এটি মাথার ত্বকের জন্যও খুব ভালো। রাতে একটি পাত্রে খানিকটা মুসুর ডাল ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন পাটায় কিংবা ব্লেন্ড করে নিয়ে এর সঙ্গে এক চামচ মেথি গুঁড়ো ও এক কাপ টক দই মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ৬) নারকেল তেল চুল ফাটা রোধ করতে সবচেয়ে কার্যকরী সমাধান হলো নারকেল তেল। তেল চুলকে ময়েশ্চারাইজ় করতে সাহায্য করে। মাথার ত্বক ও চুলে ভালো রাখতে নিয়মিত নারকেল তেল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। চুল যেদিন শ্যাম্পু করবেন তার আগের রাতে তেল দিয়ে নিন। পরদিন সকালে শ্যাম্পু করে নিন। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/      

ত্বকের বলিরেখা দূর করার সহজ দাওয়াই

কিছু কিছু তেল রয়েছে যা ত্বকের জন্য খুব উপকারী। এর মধ্যে কোনওটি ত্বককে বলিরেখার হাত থেকে রক্ষা করে। কোনওটি আবার সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। কোনও কোনও তেল ত্বককে আর্দ্র করে। এমন কিছু প্রাকৃতিক তেলের সুলুকসন্ধান। সূর্যমুখীর তেল সূর্যমুখীর তেলে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন  ই, এ, সি ও ডি। ত্বকের যে কোনও সমস্যা সমাধান করতে এর জুড়ি মেলা ভার। ত্বককে ময়শচরাইজ করতে এই তেল খুব সাহায্য করে। বলিরেখা দূর করতেও সূর্যমুখীর তেল যথেষ্ট উপকারী। আমন্ড অয়েল স্বাস্থ্য ও ত্বক, দুটির জন্যই আমন্ডের তেল উপকারী। ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে এই তেল রক্ষা করে। এই তেল খুব হালকা হয়। চোখের নিচে ফোলা ভাব দূর করতেও এই তেল কাজে লাগে। নারকেল তেল এটি স্বাভাবিক ময়শচরাইজার। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। ত্বক নরম ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করে নারকেল তেল।  ডালিমের তেল ডালিম খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। পিউনিক অ্যাসিড, ফোলেট, পটাশিয়ামের মতো উপাদান থাকে এই ফলের তেলে। এছাড়া থাকে ভিটামিন কে, সি ও বি৬। এই তেল স্বাভাবিক ময়শচরাইজার ও ক্লিনজার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ত্বকে চকচকে ভাব ফিরে আসে। অলিভ অয়েল এই তেলে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য এই তেলের কোনও বিকল্প নেই। বলিরেখা কমাতেও সাহায্য করে এই তেল। সজনে তেল বুড়িয়ে যাওয়া ত্বককে চাঙ্গা করতে সবচেয়ে উপকারী সজনে তেল। এতে থাকে অ্যান্টি-এজিং উপাদান। সজনের বীজ থেকে তৈরি হয় এই তেল। মারুলা তেল এটি মারুলা নামে এক ধরনের গাছের ফল থেকে তৈরি। আফ্রিকা, মাদাগাস্কারের মতো জায়গায় এই ফল পাওয়া যায়। এই ফল থেকে তৈরি হওয়া তেলে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা ৬ ও ওমেগা ৯ থাকে। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে এই তেল। যে কোনও রকম ত্বকে এই তেল ব্যবহার করা যায়। কোনও জায়গা পুড়ে গেলে বা কেটে গেলে এই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

ব্রণ থেকে বাঁচতে ঘরোয়া ৮ টোটকা

চকচকে ত্বকে হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠে একটা ব্রণ। আর সেই একটা থেকে অল্প দিনেই ১০ টা। আর তারপর যত সময় যেতে থাকে, ব্রণর সংখ্যা ততো বাড়তে থাকে।  সেই সঙ্গে ত্বকের বারোটা বেজে যেতেও সময় লাগে না। আর এমন ঘটনা যখন ঘটতে থাকে, তখন দুশ্চিন্তাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর এই ব্রণ সাড়াতে আমারা বাজারের বিভিন্ন  প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি। অনেক সময় বাজারের এই প্রসাধনী ব্যবহারে ব্রণের মাত্রা আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। তাই আজকের এই আয়োজনে আপনাদের সুবিধার্থে ব্রণ সাড়ানোর বেশ কিছু ঘরোয়া টোটকা নিয়ে আলোচনা করা হলো। তুলসি পাতা এবং হলুদ ২০ টা তুলসি পাতার সঙ্গে ২ চামচ হলুদ গুড়ো ভাল করে মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেই পেস্টটি প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস জলে হাফ চামচ করে মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। এইভাবে ১৫-২০ দিন টানা খেলে দেখবেন ব্রণর প্রকোপ কমতে সময় লাগবে না। আর যদি দিনে তিনবার এই পেস্টটি খেতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই। আসলে তুলসি পাতা এবং হলুদে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিম এবং গোলাপ পানি চটপানি দি ব্রণর প্রকোপ যদি কমাতে চান, তাহলে নিম এবং গোলাপ পানি কে কাজে লাগাতে ভুলবেন না। কারণ এই দুটি উপদানে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান একদিকে যেমন ব্রণর প্রকোপ কমায়, তেমনি ত্বকের ভেতরে পি এইচ লেভেল বাড়তে শুরু করে। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো নিম পাতা নিয়ে ২-৩ মিনিট জলে ফুটিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পাতাগুলি সংগ্রহ করে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। এবার সেই পেস্টের সঙ্গে গোলাপ পানি  মিশিয়ে তা মুখে লাগানো শুরু করলেই ফল পাবেন। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে ৩-৪ দিন এইভাবে ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ব্রণর মতো ত্বকের রোগ সেরে যেতে সময় লাগবে না। অ্যালোভেরা জেল অনেক সময় ব্রণর কারণে পুরো মুখ জ্বালা করতে শুরু করে। আর তখনই আমরা খুঁটতে থাকি ব্রণগুলো। ফলে সারা মুখে দাগ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এক্ষেত্রে অ্যালো ভেরা জেল ভালো কাজে আসতে পারে। এটি ব্রণের যন্ত্রণা কমানোর পাশাপাশি প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ত্বককে সুন্দর করে তুলতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটির কোনো বিকল্প নেই। বরফের কেরামতি ব্রণের প্রদাহ কমাতে বরফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মুখের যেখানে যেখানে ব্রণ বেরিয়েছে, সেখানে বরফ ঘষা শুরু করুন। অল্প দিনেই দেখবেন ফল মিলতে শুরু করেছে। কাজে লাগান টুথপেস্টকে শুনতে একটু আজব লাগছে, কি তাই তো! তবে ব্রণ কমাতে টুথপেস্ট কিন্তু দারুন কাজে আসে। অল্প করে সাদা টুথপেস্ট নিয়ে ব্রণর উপর লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে দেখবেন ব্রণ অনেকটা কমে গেছে।  ডায়েটের দিকে নজর দিতে হবে খাওয়ার সঙ্গে ব্রণর একটা সরাসরি যোগ রয়েছে। তাই এই ধরনের ত্বকের রোগের প্রকোপ কমাতে ডায়েটের দিকে নজর দেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। এখন প্রশ্ন হল কী কী খাবার খেতে হবে এবং কী কী এড়িয়ে চলতে হবে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে প্রথমে ত্বকের প্রকৃতি বুঝে নেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। তাই এক্ষেত্রে একজন দক্ষ ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। পানির যাদু দেহের ভেতরে টক্সিক উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে অনেক সময় ব্রেণর প্রকোপ বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিক বের করে দিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা একান্ত জরুরি। সূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/

নারীকেল তেলের উপকারিতা

মানুষের চুল ও ত্বকের জন্য বেশ উপকারী এক উপাদান হিসেবে সুনাম আছে নারীকেল তেলের। তবে এটি শুধু চুলের জন্য তেলই না বরং আরও অনেক উপকারিতা আছে নারীকেল তেলের। নারীকেল তেল ব্যাকটেরিয়া এবং ফাঙ্গাস প্রতিরোধী হিসেবেও বেশ দারুণ কাজ করে। আজকের লেখায় পাঠকদের জন্য থাকছে নারীকেল তেলের এমনই পাঁচটি ব্যবহার। ১) ত্বকের ময়েশ্চারাইজার নারীকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি এসিড এবং ভিটামিন ই আছে। এর ফলে এটি প্রাকৃতিকভাবেই একটি ময়েশ্চারাইজার। যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য খুবই উপকারি হতে পারে এই তেল। এছাড়াও ত্বকে ময়েশ্চার বাড়াতেও সাহায্য করে নারীকেল তেল। ২) মেক আপ মুছে ফেলতে ত্বকে প্রসাধনী বা মেকাপ ব্যবহারের পর তা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে নারীকেল তেল। তরল আইলাইনার থেকে ওয়াটার প্রুফ মাস্কারা থেকে সবই তুলে ফেলতে পারে এই তেল। একটি বাটিতে কিছু তেল নিয়ে তাতে তুলো ভিজিয়ে নিন। এরপর তেল মাখা তুলো দিয়ে ত্বকে আলতো করে মুছে নিন। অনেকক্ষণ দাগ লেগে থাকে এমন মেকাপও তুলতে পারে নারীকেল তেল। ৩) ব্রণের বিরুদ্ধে লড়াই নারীকেল তেল অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া ধরণের হওয়ায় তা ত্বকে ব্রণ হওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি এসিড থাকায় তা ব্রণের জন্য দায়ী বিভিন্ন উপাদান ধ্বংস করে। ৪) হেয়ার মাস্ক আপনি যদি ময়েশ্চারাইজিং কোন হেয়ার মাস্ক নিতে চান তাহলে নারীকেল আপনার জন্য সেরা উপাদান হতে পারে। এই তেল ত্বকে মেসেজ করে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর দেখুন আপনার চেহারার ঔজ্ব্বল্য বেড়ে গেছে অনেকখানি। ৫) ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে নারীকেল তেল ত্বকে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন তৈরিতে সক্ষম। এতে আপনার ত্বক সজীব থাকবে দীর্ঘদিন। নারীকেল তেল ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে এর কোষগুলোকে সজীব করেন, ত্বকের পানির পরিমাণ বাড়ায় এবং শুষ্ক কোষগুলোকে জাগিয়ে তোলে। এতে আপনার ত্বক তার হারানো উজ্জল্য ফিরে পায়। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া। //এস এইচ এস// এসএইচ/

ত্বকের যত্নে টুথপেস্ট!

দাঁতের যত্নে টুথপেস্ট কী কাজ করে, তা তো আমাদের সবারই জানা। কিন্তু ত্বকের পরিচর্যাতে টুথপেস্টের ব্যবহার সম্পর্কে কোনও ধারণা আছে কি আমাদের। হ্যাঁ ত্বকের যত্নেও টুথপেস্ট ব্যবহার করা হয়। জেনে নিন ত্বকের কিছু সমস্যার সমাধানে টুথপেস্টের ব্যবহার। অনুজ্জ্বল ত্বকের সমস্যায়: চটজলদি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে টুথপেস্টের জুড়ি মেলা ভার! বাইরে যাবার আগে যদি ত্বকের যত্ন নেবার জন্য যথেষ্ট সময় না থাকে তাহলে ব্যবহার করুন টুথপেস্ট। সাধারণ ফেসওয়াসের মতোই টুথপেস্ট ব্যবহার করুন এবং প্রচুর পরিমাণে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ত্বক। মুখের বলিরেখার সমস্যায়: শুধু যে বয়স বাড়লেই ত্বকে বলিরেখা পড়ে, তা কিন্তু নয়! অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব, অনিদ্রা ইত্যাদি কারণেও আকালে ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। টুথপেস্টকে জলে মিশিয়ে পাতলা করে নিন। এবার মুখ, গলায়, ঘাড়ে এটির প্রলেপ লাগান। না শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। পেস্ট শুকিয়ে গেলে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এভাবে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। বলিরেখার সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে। হোয়াইট হেডস-এর সমস্যায়: ধুলো-ময়লা, দূষণ, মেকআপ ইত্যাদির কারণে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে। ফলে দেখা দেয় ব্ল্যাক হেডস। ব্ল্যাক হেডস-এর পূর্ববর্তী অবস্থা হলো হোয়াইট হেডস। এতে লোপকূপের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়। যে সব জায়গায় এই হোয়াইট হেডস রয়েছে যেমন, নাক, কপাল, চিবুক— সে সব জায়গায় পুরু করে টুথপেস্টের প্রলেপ লাগান। শুকিয়ে গেলে খুঁটে খুঁটে তুলে ফেলুন। এরপর ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ফলাফল মিলবে চমকে দেওয়ার মতো! ব্রণ-এর সমস্যায়: ব্রণর সমস্যাতেও টুথপেস্ট দারুন কার্যকরী। বিশেষ করে ব্যথাযুক্ত ব্রণর ক্ষেত্রে। রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণর ওপর টুথপেস্টের প্রলেপ লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে উঠে দেখবেন ব্রণর ফোলাভাব অনেক কমে গিয়েছে আর ব্যথাও অনেক কম। তথ্যসূত্র: জিনিউজ ২৪ঘণ্টা। এসএইচ/

৭ উপায়ে দূর করুন মুখের ক্লান্তি

বিভিন্ন কারণেই সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর দেখা যায় ত্বক অনুজ্জ্বল, বিবর্ণ ও রুক্ষ হয়ে আছে। বিশেষ করে ঘুম ভালো না হলে মেকআপ করেও ত্বকের ক্লান্তি ঢাকা যায় না। দেখে নিন মুখ থেকে ক্লান্তির ছাপ মুছে ফেলার খুব সহজ ৭ উপায়- ১) চোখের জন্য ব্যবহার করুন ন্যুড বা গোলাপি আই পেন্সিল: বেশিরভাগ মানুষই কালো কাজল ব্যবহার করেন। কেউ হয়তো গাড় বাদামী বা নীল কাজল ব্যবহার করেন কদাচিৎ। কিন্তু ন্যুড কালারের আই পেন্সিল চেহারা থেকে ক্লান্তি দূর করতে পারে নিমিষেই। চোখের নিচের পাতায় ভেতরের দিকে (ওয়াটার লাইন বরাবর) ব্যবহার করুন ন্যুড বা পিঙ্ক আই পেন্সিল। নিমিষেই চোখ উজ্জ্বল দেখাবে। ২) চোখের কোনায় একটু হাইলাইটার: রাত জাগা হলে চোখের কোণাতেই সবচেয়ে বেশি ক্লান্তি জমে থাকে। চোখের ভেতরের দিকের কোনায় (অর্থাৎ নাকের দিকে) ছোট একটি ব্রাশ দিয়ে হাইলাইটার মেখে নিন। সোনালী আইশ্যাডো অথবা পাউডার হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। ৫) গাড় ব্লাশ বা কনট্যুর ব্যবহার করবেন না: সকাল সকালই মুখে গাড় কন্ট্যুর করা হলে ক্লান্তি আরও বেশি ফুটে উঠবে। অন্যদিকে গাড় রঙের ব্লাশ ব্যবহার করলে মুখ দেখাবে জ্বরতপ্ত। বরং মুখে হালকা গোলাপি আভা নিয়ে আসে, এমন ব্লাশ ব্যবহার করুন আলতো হাতে। ৩) ব্যবহার করুন লিপ বাম: সকাল সকাল ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করবেন না, মুখ আরও রুক্ষ দেখাবে। বরং হালকা রঙের লিপ বাম ব্যবহার করতে পারেন। এতে ঠোঁট প্রাকৃতিকভাবেই লালচে এবং পুরুষ্টু দেখাবে। ৪) মাসকারা ব্যবহার করতে ভুলবেন না: চোখের পাপড়ি কার্ল করে এরপর মাসকারা ব্যবহার করুন। এতে চোখে বড় এবং উজ্জ্বল দেখাবে, দূর হবে রাতের ক্লান্তি। ভলুমিনাইজিং মাসকারা ব্যবহার করতে পারেন এক্ষেত্রে। ৫) ব্যবহার করুন বরফ: ত্বকে আলতো করে বরফ মাসাজ করলে একদিকে যেমন ত্বকের লালচেভাব দূর হয়, তেমনই ত্বক মসৃণ দেখায়। যাদের চোখের নিচে ফুলে থাকে সকালে, তারা বরফ মাসাজ করতে পারেন। এতে ফোলাভাব দূর হবে। ৬) বিশেষ কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করুন: কিছু বিশেষ প্রসাধনী ত্বক থেকে ক্লান্তি দূর করতে কার্যকর। যেমন রিফ্রেশিং আই রোল-অন, রিফ্রেশিং অ্যালো জেল ইত্যাদি। ৭) ছোপ ছোপ দাগ দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন হালকা গোলাপি অথবা ল্যাভেন্ডার রঙের কালার কারেক্টর। এতে হাইলাইটার বা শিমার ব্যবহার না করলেও ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। কালার কারেক্টরের ওপরে ব্যবহার করুন ‘ব্রাইটেনিং’ কনসিলার। আরকে//

চুল কাটানোর ৭ ভুলে বয়স্ক দেখায়!

চুল বা হেয়ারস্টাইলে যেমন ফুটে উঠে নিজের তারুণ্য। তেমনি সে চুল কাটানোর ৯টি ভুল নিজেকে দেখায় বয়স্ক। আর এই ভুলগুলো কমবেশি সকলেই করে থাকেন! জেনে নিন, এসব ভুল আপনিও করছেন না তো? ১) শুষ্ক ও ফ্ল্যাট চুল: বয়সের সাথে সাথে চুল শুষ্ক হয়ে আসে। চুল থেকে ঢেউ খেলানো ভাব চলে যায়, চুল ম্লান হয়ে পড়ে। বেছে নেওয়া উচিৎ এমন হেয়ারস্টাইল যাতে চুল ঢেউ খেলানো বা হালকা কোঁকড়া মনে হয়। এছাড়া চুলের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করতে পারেন। ২) বেশি গাড় রঙের ডাই ব্যবহার: চুল পেকে যাওয়া শুরু করলে অনেকেই চুল ডাই করেন। কিন্তু বেশি গাড় বা বেশি উজ্জ্বল রঙের ডাই আপনাকে আরও বুড়িয়ে দেয়। বরং আপনার মুখের আশেপাশের চুলে হাইলাইট করাতে পারেন। এতে তারুণ্যের দিপ্তি ফুটে ওঠে মুখে। ৩) নিয়মিত ট্রিম না করা: চুল লম্বা করতে গিয়ে অনেকেই মাসের পর মাস চুল কাটা বন্ধ রাখেন। কিন্তু ট্রিম না করলে চুলের আগা ফাটা বেড়ে যায়। বয়সের সাথে চুলের আগা বেশি ফাটে। ফলে ট্রিম করাটাও বেশি জরুরী হয়ে পড়ে। ছয় থেকে আট সপ্তাহ পর পর চুলের আগা ট্রিম করিয়ে নিন। ৪) ঠিক জায়গায় সিঁথি না করা: সারা জীবন একই জায়গায় সিঁথি করে যান অনেকে। সিঁথির জায়গা পাল্টালেই অনেকটা পাল্টে যায় চেহারা। একদম মাঝখানে সিঁথি না করাই ভালো। আবার কানের কাছাকাছি চলে গেলেও দেখতে মোটেই ভালো লাগে না। কপালের মাঝখানে থেকে একটু ডানে বা বামে সিঁথি করতে পারেন। ৫) বছরের পর বছর স্টাইল একই রাখা: অনেকদিন ধরে একই হেয়ারস্টাইল আছে আপনার। সেটাই পছন্দ হয়ে গেছে এবং এটাই আপনাকে মানায়। কিন্তু বছরের পর বছর একই স্টাইলে চুল কাটানোর কারণে আপনাকে বয়স্ক দেখা যেতে পারে। তাই মাঝে মাঝে হেয়ারস্টাইল পাল্টান। ৬) ভুল ধরণের ব্যাংস: কপালের ত্বকে ভাঁজ ও বলিরেখা ঢাকতে অনেক নারীই ব্যাংস হেয়ারকাট করান। কিন্তু ভারী ব্যাংসের কারণে চেহারা আরও বয়স্ক লাগতে পারে। এর বদলে সাইড ব্যাংস এবং হালকা ধরণের ব্যাংস কাট দিতে পারেন। ৭) চাঁছাছোলা হেয়ারকাট: কয়েক বছর আগেও বিভিন্ন ধরণের লেয়ার বা স্টেপ কাটের চল ছিল। এখন অনেকে আবার বব বা একদম চাঁছাছোলা ইউ কাট বা ভি কাটের প্রতি ঝুঁকে পড়ছেন। এ ধরণের কাটগুলো চেহারা থেকে লাবণ্য শুষে নেয়। তারুণ্য ধরে রাখতে মুখের চারপাশে ঘিরে থাকা লেয়ার কাট উপকারী। আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি