ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:২৮:২১

নিমের তেলের ৯ গুণ

নিমের তেলের ৯ গুণ

চুল ও ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে নিম তেলের কোনো বিকল্প হয় না। সংক্রমণ কমানোর পাশাপাশি ত্বকের নানা রোগের প্রকোপ কমাতেও এটি দারুন কাজে দেয়। একাধিক স্টাডিতে এমনটি পাওয়া গেছে।  নিমের তেলের ৯টি অসাধারণ উপকারিতা তুলে ধরা হলো-১. ত্বক ফর্সা করে : অল্প সময়ে ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠতে চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় নিম তেলকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে ত্বকের অন্দরে কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। ২. ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে : শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা নিয়মিত এই তেল লাগালে সমস্য়া অনেকটাই কমে যায়। প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে ভালো করে সারা শরীরে মাসাজ করলেই দেখবেন ত্বক সুন্দর হতে শুরু করেছে। ৩. ব্রণর প্রকোপ কমে: নিম তেলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপাটিজ থাকায় এটি যদি মুখে লাগানো যায়, তাহলে ব্রণর সমস্য়া কমতে শুরু করে। কীভাবে লাগাতে হবে? ব্রণ কমাতে কয়েক ফোঁটা নিম তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্য়াভেন্ডর তেল মিশিয়ে ব্রণর উপর লাগান। ৪. ত্বকের বয়স কমে: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বাড়ুক, এমনটা যদি চান, তাহলে নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বকের মাসাজ করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা করলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিন টানটান হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। ৫. খুশকির সমস্যা দূর হয়: সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলেই এই ধরনের ত্বকের সমস্য়া হয়ে থাকে, যা নিম তেলের ব্য়বহারে একদম কমে যায়। এখানেই শেষ নেয়। স্কাল্পের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেলের জুরি মেলা ভার। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে এটি? আপনি যে শ্য়াম্পু ব্য়বহার করেন তাতে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান। তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করে দিয়েছে। ৬. মাশারা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না : বাড়িতে মশার উৎপাত বাড়লেই আমরা বাজার চলতি নানা ক্রিম লাগানো শুরু করি। কারও কি জানা আছে এই ধরনের সমস্য়ায় নিম তেল দারুন কাজে আসে। কীভাবে ব্য়বহার করতে হবে? খুব সহজ! ১০-১৫ ফোটা নিম তেল, হাফ কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গায়ে লাগান। তাহলেই দেখবেন মশারা আর ধারে কাছে ঘেঁষতে পারছে না। ৭. ত্বকের সংক্রমণের চিকিৎসায় কাজে আসে: এই ধরনের সংক্রমণ সাধারণত নোংড়া থাকলে হয়। আর এই রোগ হলে পায়ে যন্ত্রণা হওয়ার মতো লক্ষণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে থাকে। অ্যাথলিট ফুট নামে পরিচিত এই ত্বকের সমস্য়ার প্রকোপ কমাতে নিম তেলের সঙ্গে নারকেল তেল মিলিয়ে যে জায়গায় সংক্রমণ হয়েছে সেখানে লাগান। এমনটা রোজ করলে, অল্প দিনেই দেখবেন রোগ কমতে শুরু করেছে। ৮. একজিমার প্রকোপ কমায়: ত্বকের একধরনের প্রদাহজনিত রোগ হল একজিমা। নানা কারণে বহু মানুষ এই ধরনের ত্বকের সমস্য়ায় ভুগে থাকেন। একজিমার প্রকোপ কমাতেও নিম তেল দারুন কাজ দেয়। শরীরের যে যে জায়গায় একজিমা হয়েছে, সেখানে সেখানে নিম তেল লাগালে যন্ত্রণা কমে। তবে ভুলেও যেন সরাসরি ত্বকের উপর নিম তেল ব্য়বহার করবেন না। পরিবর্তে সামান্য় গরম জলে কয়েক ড্রপ নিম তেল মিশিয়ে তা দিয়ে স্নান করুন। এমনটা রোজ করলে দেখবেন রোগ কমতে শুরু করেছে। ৮. হাইপারপিগমেন্টটেশন দূর করে: ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বাড়লেই আশঙ্কা বাড়ে হাইপারপিগমেন্টটেশনের সমস্য়া হওয়ার। নিয়মিত যদি সারা শরীরে নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে লাগানো যায় তাহলে মেলানিনের মাত্রা কমে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই কমতে শরু করে হাইপারপিগমেন্টটেশনও। ৯. স্কিনের যত্নে কাজে আসে: নিমে অ্যান্টিব্য়াকটেকিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্র বন্ধ করতে এটি দারুন কাজে আসে। নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে মুখে লাগান, তাহলেই দেখবেন সমস্য়া কমতে শুরু করে দিয়েছে।সূত্র : বোল্ডস্কাই।/ এআর /
কিভাবে এলো ঈদের মেহেদি প্রচলন? 

বাংলাদেশে উৎসবে মেহেদীর রঙে হাত সাজানো খুব জনপ্রিয় একটি রীতি। ধর্মীয় যেকোন উৎসব থেকে শুরু করে বিয়ে-জন্মদিনসহ নানা অনুষ্ঠানে মেহেদীর রঙে হাত না রাঙ্গালে অনেকের কাছেই উৎসবের পরিপূর্ণতা পায় না। অন্যান্য উৎসবের মতো ঈদেও চলে মেহেদিতে হাত রাঙ্গানোর প্রতিযোগিতা। কিন্তু কিভাবে এলো এ মেহেদির প্রচলন? মেহেদি গাছের গাঢ় সবুজ রঙের পাতা থেকে যে মিষ্টি গন্ধের টকটকে লাল নির্যাস বের হয়, সেটা সবার মন কেড়ে নেয়। মেহেদি পাতা বেটে, শুকিয়ে, গুড়া করে বা পেস্ট করে শরীরের বিভিন্ন স্থান রাঙানোর ইতিহাস বহু পুরনো। আর উৎসবে বিশেষ করে ঈদ হলে তো কথাই নেই। বিয়েতে বর কনের হাতে মেহেদি থাকা চাই চাই-ই। মেহেদি দেয়ার কারণে কখনো কোন অ্যালার্জি বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার নজির না থাকায় যুগে যুগে এর জনপ্রিয়তা একবিন্দু কমেনি, বরং বেড়েছে। শরীরে এই মেহেদি দেয়ার ইতিহাস অনেক আগের। তবে ঠিক কবে কোথায় মেহেদির আবিষ্কার হয়েছিলো তার সঠিক কোন দিনক্ষণের ব্যাপারে কোন তথ্য মেলেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক তৌহিদুল হক জানিয়েছেন, লিখিত কোন দলিল না থাকলেও ইসলামের নবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর মেহেদি ব্যবহারের তথ্য মুসলমানদের এই মেহেদি ব্যবহারের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছে। পরে ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল সাম্রাজ্য এই মেহেদি দেয়ার প্রথাকে আরও প্রসারিত করে। মেহেদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে হযরত মোহাম্মদ (স.) এর একটি উক্তি রয়েছে। এই বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করে এই ভারতীয় উপমহাদেশে এক সময় মেহেদির ব্যবহার শুধুমাত্র মুসলিম জনগোষ্ঠী বা মুসলিম সমাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরবর্তীতে মুঘল সাম্রাজ্যের জনগণ এটাকে প্রসারিত করে। অধ্যাপক তৌহিদুল হক বলছিলেন। বিশ্বের নানা দেশের মেহেদি ব্যবহার হচ্ছে কিন্তু এর কারণ বা উদ্দেশ্য স্থানভেদে ভিন্ন। তিনি জানান, শুরুতে মেহেদির প্রচলন ধর্মীয় দৃষ্টিকোণের জায়গা থেকে শুরু হলেও পরে এই প্রথাটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় পেয়েছে। তবে এখন মানুষ এটাকে সার্বজনীন রূপে গ্রহণ করেছে। তবে একেক দেশে একেক ধরণের কারণ আর উদ্দেশ্যে মেহেদি ব্যবহার হয়। ইতিহাসের বইগুলোয়, মিসরের ফারাও সাম্রাজ্যে মমির হাতে ও পায়ের নখে মেহেদির মতো রঙ দেখা যায়। তবে সেটা মেহেদি দিয়ে রাঙানো কিনা সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মেহেদীর ব্যবহার বর্তমানে সার্বজনীন রূপ নিয়েছে। আবার বর্তমান যুগে বিভিন্ন ধর্মের বিয়ের উৎসবে মেহেদি সন্ধ্যা নামে আলাদা একটি দিনের আয়োজন করা হয়, যেখানে বর কনে থেকে শুরু করে পুরো পরিবার আনন্দে মেতে ওঠে শুধুমাত্র মেহেদির রঙে নিজেকে রাঙিয়ে তুলতে। আবার অনেকে চামড়ার বিভিন্ন রোগের জন্য হার্বাল ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করছে এই মেহেদি। আরকে//এসি  

ত্বকের যত্নে আমের রস 

আমের রস দিয়ে ত্বকের যত্ন। অবাক হচ্ছেন! অবাক হওয়ার কিছু নেই। কারণ অনেক রূপচর্চাবিদ আমের রস দিয়ে ত্বকের যত্ন বিষয়ক বিভিন্ন টিপস দিয়েছেন। আমের মধ্যে থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, কপার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি উপাদান ত্বকের যত্নে খুবই উপকারি।  তাই এই গরমে নিজের ত্বকের যত্ন নিতে কিভাবে আমের রসকে কাজে লাগাবেন এরকমই কিছু টিপস উপস্থাপন করা হলো। ১) ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে     অনেক সময় যত্নের অভাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। তা হলে সহজেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে আমের রসের ব্যবহার করতে পারেন। ১ চামচ আমের পাল্প, ২ চামচ ময়দা, ১ চামচ মধু দিয়ে একটি প্যাক বানান। এর পরে পুরো মুখের মধ্যে লাগান। ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) মৃত কোষ যত্নের অভাবে ত্বকের মধ্যে ধুলো, ময়লা জমতে থাকে এবং মুখের মধ্যে মৃত কোষগুলো থেকে যায়। ত্বকের যত্ন নিতে অনায়াসে আম ব্যবহার করতে পারেন। আমের পাল্পের মধ্যে ১ চামচ মধু, ১ চামচ দুধ মিশিয়ে একটি স্ক্র্যাবার বানিয়ে নিন। এর পরে মুখে ১০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এর পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ৩) নরম ও কোমল ত্বক নরম ও কোমল ত্বক রাখতে চাইলে ২ চামচ আমের পাল্প, ১ চামচ ওটস, ২ চামচ দুধ মিশিয়ে স্ক্র্যাবার বানিয়ে নিন। এর পরে ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। স্ক্র্যাবারটি মুখে শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে নিন। ৪) ব্রণ ব্রণ থেকে মুক্তি দিতে পারে আম। ১ চামচ আমের পাল্প, ২ চামচ টক দই ও ২ চামচ মধু দিয়ে প্যাকটি বানিয়ে নিন। ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এর পরে জল দিয়ে ধুয়ে নিন।    এমএইচ/এসি       

ত্বক ও চুলের যত্নে ক্র্যানবেরী

ক্র্যানবেরী একটি দারুণ খাবার। এটি হৃদরোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। টকটকে লাল রঙের উজ্জ্বল গোলাকার এই ফল খেতে খুবই সুস্বাদু। দারুন খাবারের তকমা তো এই ফলের আছেই, একই সঙ্গে পুষ্টিগুণেও পরিপূর্ণ। ক্র্যানবেরীতে ভিটামিন, খনিজ লবণ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ফাইটনিউট্রিয়েন্টস্‌ থাকে যা হৃদরোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। এছাড়াও এ ফল পাকস্থলীর প্রদাহ, মূত্রাশয়য়ের সংক্রমণ, শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা প্রভৃতি নিরাময়েও সহায়তা করে। হাড় শক্ত করে, দাঁতের সমস্যা কমায় এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। সাধারণত ফল হিসেবে, জ্যাম, সস বা জুস করে ক্র্যানবেরী খেতে ভালো লাগে। এই সব স্বাস্থ্যকর দিক গুলি বাদেও ক্র্যানবেরী ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। এখানে দেওয়া হলো ত্বক ও চুলের পরিচর্যায় ক্র্যানবেরী ব্যবহারের বেশ কয়েকটি উপায়। ১. ব্রন ও ছোপ দূর করতে আপনি কি ব্রন’র সমস্যায় ভুগছে? তাহলে ক্রানবেরী আপনার জন্য একদম ঠিক ওষুধ। জীবানু ও প্রদাহ প্রতিরধক উপাদান থাকায় ক্র্যানবেরী ব্রন ও ত্বকে হওয়া ছোপের সমস্যা দূর করে। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন C ও থাকে যা ত্বকের ছোপ হাল্কা করতে সাহায্য করে। কিভাবে ব্যবহার করবেন?কিছুটা ক্র্যানবেরী জুস নিন। তুলোয় করে নিয়ে ব্রন ও দাগছোপের ওপর সরাসরি লাগান। শুকোতে দিন তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ২. ত্বকের কোষ ছিদ্র বন্ধ হওয়া আটকায়। এটা মূলত তৈলাক্ত ত্বকের জন্য। ক্র্যানবেরীতে প্রাকৃতিক অ্যাসিড থাকে যা ত্বকের কোষ ছিদ্রগুলিকে বন্ধ হতে দেয় না এবং ব্রনের সম্ভাবনা কমায়। কিভাবে ব্যবহার করবেন?কিছুটা ক্র্যানবেরী জুস নিয়ে তুলোয় মাখিয়ে নিন। সারা মুখে লাগিয়ে খানিকক্ষণ রাখুন। ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ৩. হাইপার পিগমেন্টেড ত্বকের জন্য ক্র্যানবেরীতে বেশি পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যার ফলে তা ত্বকের পিগমেন্টেশন দূর করে। কিভাবে ব্যবহার করবেন? কিছু পরিমাণ ক্র্যানবেরী জুস আটার সঙ্গে মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে গোল গোল করে আঙ্গুল দিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন।ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ৪.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় ক্র্যানবেরীতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সাহায্য করে। কিভাবে ব্যবহার করবেন?দইয়ের সঙ্গে কিছুটা ক্র্যানবেরী জুস মিশিয়ে নিন। কয়েক মিনিট ম্যাসাজ করুন। ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের তারুন্য ফিরে পাবেন। ৫. ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখেত্বকের চামড়া যাদের ঝুলে গেছে তাদের অবশ্যই ক্র্যানবেরী ব্যবহার করা উচিৎ। ক্র্যানবেরীতে থাকা ভিতামিন C ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখে। ত্বকে কোলাজেন উৎপন্ন করে ফলে অক্সিজেন মাত্রা বজায় থাকে এবং আপনার ত্বক থাকে কোমল ও উজ্জ্বল। কিভাবে ব্যবহার করবেন?ক্র্যানবেরী জুস ও কমলা লেবুর জুস মিশিয়ে নিন। মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ৬.স্কাল্পের চুলকানি কমায়। জীবানু ও প্রদাহ প্রতিরোধক উপাদান থাকায় ক্র্যানবেরী স্কাল্পের চুলকানি জাতীয় সমস্যার সমাধান করে। কিভাবে ব্যবহার করবেন? ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ক্র্যানবেরি জুস মিশিয়ে নিন। মাথায় লাগিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন।কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ঠাণ্ডা জল দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন। ভালো ফল পেতে সপ্তাহে দুবার ব্যবহার করুন। ৭. চুলের উজ্জলতা বাড়ায়। প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও প্রোটিন থাকায় ক্র্যানবেরী জুস চুলে লাগালে চুলের উজ্জলতা বাড়ে। কিভাবে ব্যবহার করবেন? মায়োনিজের সঙ্গে কিছুটা ক্র্যানবেরী জুস মিশিয়ে নিনপুরো মাথায় এর প্রলেপ দিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। ঠাণ্ডা জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ৮. প্রাকৃতিক চুলের রঙ হিসেবেও কাজ করেক্র্যানবেরী জুস প্রাকৃতিক চুলের রঙ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার চুলে লাল রঙের আভা প্রতিফলিত হবে। কিভাবে ব্যবহার করবেন?কিছুটা ক্র্যানবেরী জুস নিয়ে তাতে জল মিশিয়ে নিন। মাথায় লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।ভালো রঙ পেতে দুই থেকে তিন দিন পর পরই ব্যবহার করুন তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে বাড়িতেই করুন ফেশিয়াল স্পা

বেশির ভাগ মানুষই সবচেয়ে বেশি সচেতন নিজের মুখ নিয়ে। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারলেই বয়স যেন থমকে যাবে আপনার কাছে! মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত মুখের ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ভাবছেন, পার্লারে যাওয়ার সময় কোথায়! তাছাড়া পার্লারে ফেশিয়াল, স্পা-এর খরচও তো কিছু কম নয়। তাহলে উপায়! উপায় আছে। মুখের সৌন্দর্য বজায় রাখতে বাড়িতেই করে নিতে পারেন ফেশিয়াল স্পা। তাহলে চলুন জেনে নিই ফেশিয়াল স্পা ঘরে করার সহজ ও কার্যকরী টিপস। স্ক্রাবিংয়ের জন্য লেবুর রসের সঙ্গে ব্রাউন সুগার মিশিয়ে পাঁচ মিনিট মুখে স্ক্রাব করুন। তারপর ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। মাস্কের জন্য আধা কাপ কোকো পাউডার, ২ চামচ টক দই, ২ চামচ মধু এবং ৩ চামচ ওটমিল পাউডার দিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করে নিন। সেটা মুখে লাগিয়ে রাখুন ১০-১৫ মিনিট। শুকিয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ পানিতে মুখ ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। ময়েশ্চারাইজিংয়ের জন্য মুখের ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য ছোট এক টুকরো আপেল বেটে তার সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। মিনিট পাঁচেক রেখে ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিজের মুখের সৌন্দর্য অটুট রাখতে সপ্তাহে একদিন মাত্র ৩০ মিনিট সময় বের করুন। এই পদ্ধতিতে সপ্তাহে মাত্র ৩০ মিনিটেই উপকার পাবেন। খরচও সামান্যই। তাহলে আর পার্লারে যাবেন কেনও! সূত্র: জিনিউজ একে//

৫ নিয়ম মেনে চললে সজীব থাকবে ত্বক

সারা দিন রোদে ঘোরাঘুরি করে কাজ করার ফলে ত্বকে যেন একটা কালচে ছাপ পড়ে যায় অনেকের। তবে রোদে ঘুরে নয়, বরং অফিসের এসি-তে সময় কাটানো সত্ত্বেও অনেকের ত্বক আর্দ্রতাহীন, ম্যাড়মেড়ে। তাহলে কী করবেন? শুধুমাত্র ক্নেনজার বা ময়শ্চারাইজার ব্যবহারেই যে ত্বকের যত্ন নেওয়া হয়ে যায়, এমনটা ভাববেন না যেন। কাজের চাপে সময় না পেলে বরং রাতেই নিয়ম করে ত্বকের পরিচর্যা শুরু করুন। জেনে নিন, তা কীভাবে করবেন- মেকআপ পরে ঘুমোতে যাবেন না মেকআপ পরে কখনও ঘুমোতে যাবেন না। হাল্কা ক্লেনজার দিয়ে মেকআপ তুলে ফেলুন। এর জন্য এক-তৃতীয়াংশ ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ আমন্ড বা অর্গানিক অয়েল মিশিয়ে নিন। তা দিয়ে আস্তে আস্তে মুখে মাসাজ করুন। এ বার হাল্কা গরম পানিতে একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে তা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন। এতে স্কিন পোরস খুলে যাবে। এ বার গোটা মুখটি মুছে ফেলুন। ডেড সেলগুলিও উঠে আসার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ব্যাকটেরিয়া দূরে চলে যাবে। ব্যবহার করুন স্কিন টোনার ক্নেনজিংয়ের পর ব্যবহার করুন স্কিন টোনার। টোনার হিসেবে সমস্ত ধরনের ত্বকের জন্যই গোলাপ জল খুবই উপকারি। একটি তুলোর বলে বরফ-ঠাণ্ডা গোলাপ জল নিয়ে তা দিয়ে মুখ ও ঘাড় মুছে ফেলুন। গ্রিন টি দিয়েও টোনারের কাজ চালাতে পারেন। গ্রিন টিয়ের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল টোনার তৈরি করে নিতে পারেন। অ্যান্টি-এজিং সেরাম ব্যবহার ক্লেনজিং-টোনিংয়ের পর এ বার পালা অ্যান্টি-এজিং সেরাম ব্যবহারের। এই ধরনের সেরামে প্লান্ট পলিফেনলস, কেরোটেনয়েডস এবং ফ্ল্যাভোনয়েডস থাকায় তা ত্বকে বুড়োটে ছাপ পড়তে দেয় না। ফলে ত্বকে উজ্জ্বলতা আসে। পিগমেন্ট কমাতেও সাহায্য করে। নাইট ক্রিম সেরামের পর নাইট ক্রিম নিয়ে প্রথমে কপালে, তার পর একে একে নাকে, গালে, চিবুকে এবং ঘাড়ে মেখে নিন। আঙুল দিয়ে উপরের দিকে সার্কুলার মোশনে মাসাজ করতে থাকুন। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রিমের ময়শ্চারাইজার ছড়িয়ে পড়বে গোটা মুখে এবং ঘাড়ে। ফেসিয়াল অয়েল নাইট ক্রিম মেখেই কাজ সারা হল, এমনটা ভাববেন না। এর পর ৪-৫ ফোঁটা ফেসিয়াল অয়েল আঙুলে নিয়ে নাক থেকে কানের দিকে সার্কুলার মোশনে মাসাজ করুন। ফেসিয়াল অয়েল ময়শ্চারাইজার ধরে রাখতে সাহায্য করবে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চুলে আদা ব্যবহারে মিলবে ৭ উপকার

চুলের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি স্কাল্পের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে আদার কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির ভেতরে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান চুলের গোড়ায় পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি চুলকে এতটাই শক্তপোক্ত করে তোলে যে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন- হেয়ার ফলের মাত্রা কমে মাত্রারিক্ত চুল পড়ছে নাকি? তাহলে চুলের পরিচর্যায় আজ থেকেই কাজে লাগাতে শুরু করুন আদাকে। দেখবেন হেয়ার ফলের মাত্রা তো কমবেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো। আসলে আদার ভেতরে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান হেয়ার ফলিকেলের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুল এতটাই শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে যে হেয়ার ফলের আশঙ্কা কমে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে ১ চামচ আদার পেস্ট নিয়ে তার সঙ্গে ১ চামচ অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি স্কাল্পে লাগিয়ে ধীরে ধীরে মাসাজ করতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে দুবার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই কেল্লা ফতে! খুশকির প্রকোপ কমে আদায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ, যা স্কাল্পে সংক্রমণের মাত্রা কমানের পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া আদ্রতাকেও ফিরিয়ে আনে। ফলে খুশকির সমস্যা কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে স্কাল্পে কোনও ধরনের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। এখন প্রশ্ন হল এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে কাজে লাগাতে হবে আদাকে? এক্ষেত্রে ২ চামচ আদার পেস্ট নিয়ে তাতে ৩ চামচ তিল তেল এবং হাফ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে তারপর সেই পেস্টটি ভার করে স্কাল্পে এবং চুলে লাগিয়ে ৩০ অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফলতে হবে চুলটা। সপ্তাহে কম করে দুবার এই পেস্টটিকে কাজে লাগালে দেখবেন খুশিকর মতো ত্বকের রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। চুলকে আদ্র রাখে পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়ার কারণে চুলের বারোটা বাজে। বিশেষত চুলের ভেতরে আদ্রতা কমে যাওয়ার কারণে চুল হয়ে যাচ্ছে রুক্ষ। আর একথা তো সবারই জানা আছে রুক্ষ চুলের আয়ু বেশি দিন হয় না। ফলে মাথা ফাঁকা হয়ে যেতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এমন পরিস্থিতির শিকার কি আপনিও হয়েছেন? তাহলে সপ্তাহে কম করে ২-৩ তিন আদার পেস্ট চুলে লাগাতে শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন স্কাল্প এবং চুলের ভেতরে আদ্রতা বাড়তে শুরু করেছে। ফলে চুল পড়ার হার তো কমবেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্যতাও বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো। চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, আদার ভেতরে থাকা জিঞ্জেরল নামক উপাদানটি স্কাল্পের ভেতরে প্রবেশ করার পর চুলের গোড়ায় রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর এমনটা হলে চুল সুন্দর হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ৩-৪ দিন আদার পেস্ট চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে, তাহলেই দেখবেন উপকার মিলবে একেবারে হাতে-নাতে! চুল উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে আদার ভেতরে উপস্থিত একাধিক উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিড, যেমন লাইনোলিক অ্যাসিড, চুলকে যেমন শক্তপোক্ত করে, তেমনি পুষ্টির ঘাটতি দূর করার মধ্যে দিয়ে চুলকে উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে ১ চামচ আদার পেস্টের সঙ্গে হাফ কাপ শসা, ১ চামচ নারকেল তেল এবং ১ চামচ তুলসি তেল মিশিয়ে বানানো পেস্ট, সপ্তাহে ২-৩ বার চুলে লাগাতে হবে, তাহলেই কেল্লা ফতে! চুলের গ্রাথ বাড়াতে কাজে আসে ২ চামচ আদার পেস্টের সঙ্গে পরিমাণ মতো পেঁয়াজের পেস্ট মিশিয়ে নিয়ে তা যদি নিয়মিত চুলে লাগানো যায়, তাহলে স্কাল্পের ভেতরে সালফারের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে আরও নানা সব উপকারি উপাদানের ঘাটতিও দূর হয়। ফলে চুলর গ্রোথ দারুনভাবে হতে থাকে। তাই তো বলি, অল্প বয়সেই যদি মাথা ফাঁকা হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে এই ঘরোয়া টোটকাটিতে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! আদা এবং রসুনের পেস্ট জিভে পানি আনা নানাবিধ নিরামিষ বাঙালি পদ বানাতে কাজে আসা আদা এবং রসুনের পেস্টকে কাজে লাগিয়ে বাস্তবিকই চুলের পরিচর্যা করা সম্ভব। আসলে এই দুটি উপাদানের ভেতরে থাকা সালফার এবং আরও সব উপকারি উপাদান একদিকে যেমন হেয়ার গ্রোথকে ত্বরান্বিত করে, তেমনি হেয়ার ড্যামেজের চিকিৎসা করার মধ্যে দিয়ে চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখন প্রশ্ন হল, আদা এবং রসুনের পেস্টকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে বানাতে হবে হেয়ার মাস্ক? এক্ষেত্রে ১ চামচ আদার পেস্টের সঙ্গে ২ চামচ মধু, ২ চামচ নারকেল তেল এবং ৩ টে রসুনের কোয়া ফেলে ভাল করে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রনটি চুলে লাগিয়ে কম করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে শ্যাম্পু দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে/এসএ/

ব্রণ, ফুসকুড়ির কালো দাগ দূর করতে পারেন ঘরোয়া উপায়ে

মুখের কালো দাগের সমস্যায় ভুগছেন? সাধারণত ব্রণ বা ফুসকুড়ি সেরে যাওয়ার পর মুখের ত্বকে এই ধরনের কালো দাগ রেখে যায়। ঠিকঠাক চিকিৎসায় ব্রণ এবং দাগের হাত থেকে মুক্তি মেলে ঠিকই, কিন্তু তার জন্য যে সব ওষুধ বা ক্রিম জাতীয় জিনিস ব্যবহার করতে হয় সেগুলি যেমন ব্যয়বহুল, তেমনই তা থেকে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ও থেকে যায়। কিন্তু যদি প্রাকৃতিক উপায়ে এই ধরনের কালো দাগ দূর করা যায়, তাহলে সবচেয়ে ভালো হয়। আয়ুর্বেদিক জার্নাল ফর মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে হদিশ দেওয়া হয়েছে তেমনই এক ঘরোয়া এবং নির্ভরযোগ্য উপায়ের, যার সাহায্যে মাত্র ৭ দিনে মুখের ত্বককে করে তোলা যাবে দাগমুক্ত। আসুন, জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে সহজে পাবেন দাগমুক্ত মুখ— ক) লেবুর রস সরাসরি মুখের দাগযুক্ত অংশে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট পরে সাদা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দিনে দু’বার এমনটা করুন। পরবর্তি ৫-৭ দিনে ফারাকটা দেখতে পাবেন।খ) এক চা চামচ মধুর সঙ্গে এক চা চামচ পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখের কালো দাগের উপর হালকাভাবে লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।গ) এ ছাড়াও, এক চা চামচ পাতিলেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন এক চা চামচ টম্যাটোর রস। সেই মিশ্রণে যদি এক চা চামচ ওটমিল দিয়ে নিতে পারেন তবে আরও ভালো ফল মিলবে। মুখে দাগের অংশে এই মিশ্রণ লাগিয়ে মিনিট ১৫ পরে সাদা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। দিনে বার দু’য়েক এমনটা করলে দ্রুত ফল মিলবে। আসলে লেবুতে যে সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে, তা ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। এটি ত্বকের ওপর একটি অদৃশ্য সুরক্ষাকবচ তৈরি করে। সেই সঙ্গে ব্রণ বা ফুসকুড়ির কারণ হিসেবে কাজ করে যেসব ব্যাকটেরিয়া, সেগুলিকেও মারে, এবং ত্বকের তৈলাক্তভাব দূর করে। তাহলে আর দেরি না করে আজই শুরু করে দিন এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঘরোয়া কৌশলগুলি আর এক সপ্তাহে পেয়ে যান দাগমুক্ত মুখ। তথ্যসূত্র: জি ২৪ ঘণ্টা। এসএইচ/

রোদপোড়া দূর করার ৩ সহজ উপায়   

রোদপোড়া ত্বকের ক্ষতি দ্রুত সারিয়ে তুলতে পারে তাৎক্ষণিক যত্ন। রোদের তাপে চামড়া পুড়লে প্রতিকারের জন্য রয়েছে প্রাকৃতিক উপায়। বিভিন্ন ফল ও সবজি দিয়ে ত্বকের রোদপোড়াভাব দূর করা যায়। চলুন জেনে নিই তিনটি ঘরোয়া উপায়- মধু ও পাকা পেঁপে   এক কাপ পাকা পেঁপে ও এক টেবিল-চামচ মধু ভালোভাবে মিশিয়ে রোদপোড়া অংশে লাগান। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টক দই ও টমেটোর রস এক টেবিল-চামচ টক দই ও টমেটোর রস মিশিয়ে রোদে পোড়া ত্বকে লাগান। তারপর আধা ঘণ্টা পরে ধুয়ে ফেলুন। টক দই ও টমেটোর রসের মিশ্রণ রোদপোড়া ত্বকে জাদুর মতো কাজ করে। ত্বক ঠাণ্ডা করতে বাঁধাকপি বাঁধাকপির পাতা রোদপোড়া অংশে প্রতিদিন ২০ মিনিট করে রেখে দিন। দেখবেন ‘ট্যান’ভাব কমে যাবে।   একে//এসি  

ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে টমেটোর ছয় উপকারিতা

শরীরকে ঠিক রাখতে টমেটো প্রয়োজনীয়। কিন্তু একথা কি জানেন, ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে সার্বিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেও এই সবজিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অল্প দিনে ত্বককে সুন্দর করতে হলে রোজ টমেটোর রস মুখে লাগাতে পারেন। ত্বকের ছয় ধরনের উপকারে আসে টমেটো। টমেটোর রসের সাহায্যে ত্বকের খেয়াল রাখলে কী কী উপকার পাওয়া যায়? ১. ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়:খেয়াল করে দেখবেন স্ট্রেস এবং পরিবেশ দূষণসহ আরও নানা কারণে সিংহভাগেরই ত্বকের বারোটা বেজে যায়। সেই সঙ্গে স্কিনের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যাওয়ার কারণে সৌন্দর্যতা কমে চোখে পরার মতো। এমন পরিস্থিতিতে আপনার হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যকে ফিরিয়ে আনতে কিন্তু নানাভাবে সাহায্য করতে পারে টমাটো। প্রসঙ্গত, একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত টমাটোর রস মুখে লাগালে ত্বকের অন্দরে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে সময় লাগে না। ২. ত্বকের বয়স কমে:আপনার বয়স কি ৩০ পেরিয়েছে? তাহলে প্রতিদিন টমাটোর রস লাগানো শুরু করুন মুখে। কারণ এই বয়সের পর থেকেই নানা কারণে ত্বক বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা প্রকাশ পাওয়ার কারণে সৌন্দর্য কমে চোখে পরার মতো। কিন্তু যদি টমাটোকে উদ্ধার কাজে লাগান, তাহলে ত্বকের এমন খারাপ অবস্থা হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। কারণ এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান ত্বকের অন্দরে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে স্কিনের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হওয়ার কারণে ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। ৩. সূর্যের খারাপ প্রভাব থেকে বাঁচায়:বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাড়ির বাইরে বেরনোর আগে যদি অল্প করে টমেটোর রস মুখে লাগিয়ে নেওয়া যায়, তাহলে অতি বেগুনি রশ্মির কারণে ত্বকের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে তাপ প্রবাহের কারণে ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। আসলে টমেটোর অন্দরে থাকা লাইকোপেন নামক একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৪. ত্বকের অন্দরে স্ট্রেস কমায়:নানা কারণে স্কিনের অন্দরে টক্সিক উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের সৌন্দর্য কমতে থাকে। এমনটা যদি দীর্ঘ দিন ধরে হয়, তাহলে কিন্তু বিপদ। কারণ সেক্ষেত্রে অল্প বয়সেই ত্বক বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। ফলে বয়স ৩০-এর খাতায় থাকলেও লোকের মনে হয় আপনি সিনিয়ার সিটিজেনদের কোটায় ঢুকে পরলেন বলে! তবে মজার বিষয় কী জানেন, আপনি যদি চান, তাহলে এমন ঘটনা কিন্তু আপনাদের সঙ্গে নাও ঘটতে পারে। কীভাবে এমনটা সম্ভব? এক্ষেত্রে প্রতিদিন মুখে এবং সারা শরীরে টমাটোর রস লাগিয়ে মাসাজ করতে শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ত্বকের সৌন্দর্য বেড়ে গেছে। ৫. ত্বকে জমে থাকা ময়লা ধুয়ে যায়:একথা নিশ্চয় জানা আছে যে পরিবেশে উপস্থিত ডাস্ট পার্টিকালরা প্রতিনিয়ত ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করে স্কিনের মারাত্মক ক্ষতি করে চলেছে। তাই তো দিনের শেষে সবাইকেই ভাল করে মুখ ধুয়ে শুতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু সমস্যাটা হল বাজার চলতি বেশিরভাগ ফেসওয়াশ জেলই এই কাজটি ঠিক মতো করে উঠতে পারে না। ফলে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এমন অবস্থায় ত্বককে বাঁচাতে যদি অ্যাভোকাডোর সঙ্গে টমাটোর রস মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার পাওয়া মেলে। ৬.মৃত কোষের স্তরকে সরিয়ে ফেলে:পরিমাণ মতো টমেটোর পেস্টের সঙ্গে ১ চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ভালো করে মাসাজ করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন ত্বকের ওপরে জমে থাকা মৃত কোষের স্তর সরে যেতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। তথ্যসূত্র: বোল্ড স্কাই।এসএইচ/

এই গরমে অ্যালোভেরার ৪ ব্যবহার   

অ্যালোভেরা শব্দটির সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশি পরিচিত। এই গাছটিও আমাদের দেশে খুবই সহজলভ্য। অ্যালোভেরা গাছকে অনেকে ‘বিস্ময়কর গাছ’ বলে থাকে।  ১) রূপচর্চায়    রূপচর্চার এক অনন্য উপাদান অ্যালোভেরা। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো ত্বকের কোনো ক্ষতি ছাড়াই মেকআপ তুলতে সাহায্য করা। ২) শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা ফেরাতে    এক চা চামচ অ্যালোভেরা একটু হলুদ, আধ চা চামচ মধু, এক চা চামচ দুধ,আর পরিমাণমতো গোলাপজল নিয়ে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে আপনার মুখের শুষ্কভাব দূর হবে এবং মুখে আসবে সজীবতা। ৩) চুলের পরিচর্যায়  চুল নিয়ে সবাই কম-বেশি চিন্তিত। কারো চুল পড়ে যাচ্ছে, চুল গজাচ্ছে না, মাথায় টাক বের হয়ে যাচ্ছে, চুল রুক্ষ হয়ে গেছে। এমন নানা সমস্যা রয়েছে। অ্যালোভেরা এই সমস্যার অনেক সমাধানই দিতে পারে। অ্যালোভেরা খুব ভালো কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। এটি চুলকে নরম, সিল্কি করে, চুলের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, খুশকি দূর করে। নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহারে চুল হয় ঝলমলে।   ৪) ওষুধ হিসেবে ব্যবহার অ্যালোভেরার ঔষধি গুণাগুণ বলে শেষ করা যাবে না। প্রাচীন যুগ থেকে অ্যালোভেরা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যে কোনো ঘা শুকাতে এটি খুব ভালো কাজ করে। অ্যালোভেরার ক্যাপসুল বা তরল অ্যালোভেরা খেলে ১০ দিনের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যাবে।     এমএইচ/এসি     

যে ৭ উপায়ে চুল বাঁচবে সূর্যের তাপ থেকে

প্রচণ্ড রোদে কিছুক্ষণ থাকার পর চুলের অবস্থাটা কেমন বেহাল হয়ে যায়। সূর্যালোকের প্রভাবে চুলের যে ক্ষতি হয় সেটা ধীরে ধীরে চুল রুক্ষ শুরু করে। তার উপর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির খারাপ প্রভাব তো রয়েছেই। এক পশলা বৃষ্টির পর যখন আবার রোদের তেজ বাড়ে, তখন চুলকে সুন্দর রাখতে কী করণীয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়াটা প্রয়োজন, না হলে কিন্তু মাথা চুল শূন্য হতে দেরি করবে না। এখন প্রশ্ন হল প্রচণ্ড গরমের সময় কী কী নিয়ম মেনে চললে চুলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমতে পারে? ১. অতি মাত্রায় কসমেটিক্সের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে: গরমের সময় প্রচণ্ড তাপের কারণে এমনিতেই চুল খুব শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে যায়। কারণ এক্ষেত্রে চুলের গোড়ায় কেমিকেলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে একদিকে যেমন চুল পড়ার হার বেড়ে যাবে অন্য দিকে  চুলের সৌন্দর্য কমবে তাই  শীত এবং বর্ষাকাল বাদে আর কোনও সময় চুল কালার করার কথা ভাববেন না যেন! ২. কান্ডিশনার লাগাতে ভুলবেন না: সূর্যের তাপের কারণে প্রথেমই চুলের যে ক্ষতিটা হয়, তাতে চুল শুষ্ক হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে চুলের গোড়া ফাটতে থাকে। তাই তো বেশি মাত্রায় কন্ডিশনার ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আসলে এমনটা করলে চুলের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুলের সৌন্দর্য তো বাড়েই। তার পাশাপাশি হেয়ার ফলের হারও কমতে থাকে। এমনটা হওযার কারণে চুলের সার্বিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো। ৩. শ্যাম্পু করুন সাবধানে বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে বাজার চলতি প্রায় বেশিরভাগ শ্যাম্পুতে এমন কিছু উপাদান থাকে, যার প্রভাবে স্কাল্প এবং চুল বেজায় আদ্র হয়ে পরে। এই কারণেই তো গরম কালে প্রতিদিন শ্যাম্পু করতে মানা করেন বিশেষজ্ঞরা। আর যদি করতেও হয়, তাহলে হার্বাল শ্যাম্পু ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। কারণ এমনটা করলে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমবে। প্রসঙ্গত, যাদের ভিষণ রকমের ঘাম হয়, তারা চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখতে এক দিন অন্তর অন্তর হার্বাল শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করতেই পারেন। ৪. সাঁতার কাটা: গ্রীষ্মকালীন তাপ প্রবাহের হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই সকাল বিকালে যত পারুন  সাঁতার কাটবেন। সাঁতার কাটার আগে ভুলেও শ্যাম্পু করবেন না! কারণ এমনটা করলে স্কাল্পের অন্দরে থাকা উপকারি তেলেরা সব ধুয়ে যায়। ফলে চুলের আরও বেশি মাত্রায় ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। তাই খেয়াল করে সাঁতার কাটার পর সব সময় শ্যাম্পু করবেন, আগে নয়। প্রসঙ্গত, যারা সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন, তারা এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন, যাতে ইথাইলিন টেট্রা-অ্যাসেটিক অ্যাসিড রয়েছে। কারণ এই উপাদানটি সুইমিং পুলের জলে থাকা ক্লোরিনের খারাপ প্রভাব থেকে চুলকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫. ভুলেও চুলে হিট দেবেন না: হেয়ার স্টাইলিং-এর জন্য অনেকেই চুলে সকাল-বিকাল হিট দিয়ে থাকেন। গরমের সময় এমনটা করা একেবারেই উচিত নয়। কারণ তাপ প্রবাহের কারণে এমনিতেই চুলের বারোটা বেজে যায়। তার উপর যদি হিট দেন তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে চুলের সৌন্দর্য সাময়িকভাবে বাড়লেও আদতে কিন্তু চুলের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়। তাই গরমের সময় চুলকে সুন্দর রাখতে এই বিষয়টি মাথায় রাখতে ভুলবেন না যেন! ৬. চুল কাটুন বারে বারে: বেশ কয়েকটা স্টাডিতে দেখা গেছে গরমের সময় নানা কারণে চুলের শেষ প্রান্ত বেশ খারাপ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে স্প্লিট হেয়ারের সমস্যা তো আছেই। তাই তো বলি বন্ধু, গরমকালে যখন দেখবেন চুল খারাপ হতে শুরু করেছে, তখনই একবার করে চুলের শেষ প্রান্তটা কেটে ফেলবেন। এমনটা করলে দেখবেন চুলের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমবে তেমনি মাত্রাতিরিক্ত হেয়ার ফলের আশঙ্কাও হ্রাস পাবে। ৭. সান প্রোটেকশন ক্রিম: গরমকালে সূর্যের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে চুলকে বাঁচানোর সব থেকে কার্যকারী উপায় হল  বাড়ি থেকে যখনই বের হবেন মনে করে হেয়ার সানস্ক্রিন অল্প করে মাথায় লাগিয়ে নেবেন। প্রসঙ্গত, আজকাল বাজারে এমন কিছু কন্ডিশনার পাওয়া যায়, যা হেয়ার সানস্ক্রিন হিসেবেও কাজ করে। এমন কোনও একটা ক্রিম কিনে এনে চুলে লাগালেও দেখবেন দারুন উপকার মিলছে। চুলের যত্নে এসব উপকারি টোটকা মেনে চললে চুল হবে স্বাস্থ্য বান আরও উজ্জ্বল। তাই আর দেরি কেন? আজই প্রয়োগ করুন উপকারি এই টোটকাগুলো। কেআই/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি