ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৬:২২

কন্ডিশনার ব্যবহার করার সঠিক পদ্ধতি

কন্ডিশনার ব্যবহার করার সঠিক পদ্ধতি

অনেক নারীই সিল্কি আর শাইনিং চুলের জন্য কন্ডিশনার ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু অনেকেই আবার নিয়মিত ব্যবহারের পরেও কাঙ্কিত ফলাফল পান না। ভাল মানের কন্ডিশনার নিয়মিত ব্যবহার করে যারা আকর্ষণীয় চুল পাচ্ছেন না তারা হয়তো সঠিক নিয়মে কন্ডিশনার ব্যবহার করছেন না। আর তাই জেনে নিন কন্ডিশনার ব্যবহারের সঠিক কিছু নিয়ম। ১) প্রথমত, কন্ডিশনার চুলে দেয়ার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, চুলে কোনো শ্যাম্পু অবশিষ্ট নেই। শ্যাম্পু করার পর ভাল করে ধুয়ে নিন চুল। শ্যাম্পুর শেষ বিন্দু চুল থেকে সরে গেলে তবেই কন্ডিশনার দিন। ২) অনেকেই মনে করেন কন্ডিশনার অনেক বেশি দিতে হয়। এটা ভুল ধারণা। ছোট একটি মুদ্রার সমান কন্ডিশনার আপনার হাতের তালুতে নিন। তারপর দুই হাতের তালুতে ভাল করে ঘষে নিন। সবশেষে আঙ্গুল দিয়ে চুলের মধ্যে কন্ডিশনার মাখিয়ে নিন। ৩) চুলের আগা থেকে গোড়ার দিকে আস্তে আস্তে হাতের আঙ্গুল দিয়ে চুলে মাখিয়ে নিন কন্ডিশনার। ৪) মনে রাখবেন, কন্ডিশনার দেওয়া হয় চুলে। তাই মাথার ত্বকের চামড়ায় কন্ডিশনার দিবেন না। মাথার স্কালপে যেন কন্ডিশনার না লেগে যায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। ৫) আমরা অনেক সময়ই কন্ডিশনার ব্যবহারের ইতিবাচক ফল দেখতে না পাওয়ার কারণ হল আমরা কন্ডিশনার প্রয়োগ করেই সাথে সাথে ধুয়ে ফেলি। এটা ঠিক না। চুলে কন্ডিশনার মাখিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ৬) সবশেষে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ততক্ষণ ধুতে থাকুন যতক্ষণ না আপনার মনে হচ্ছে যে, আপনি সিল্কি, মসৃণ এবং চকচকে চুল পাচ্ছেন।   সূত্রঃ টাইমস অব ইন্ডিয়া এসএইচএস/এমআর
শীতে ত্বকের সুরক্ষায় ৭টি প্রাকৃতিক উপায়

চলছে শীতকাল। বাঙ্গালীদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় হলেও শুষ্ক এ মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের ত্বক। তাই সারা বছর ত্বকের যত্ন নিলেও এ মৌসুমে হতে হয় আরেকটু সাবধানী। অন্যদিকে ভেজালে ভরা বাজারের প্রসাধনী। এরচেয়ে নিজেই ত্বকের সুরক্ষায় ঘরে বসে অবলম্বন করতে পারেন কিছু প্রাকৃতিক উপায়। চলুন সেগুলো জেনে আসা যাক। ১) কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া শীতকালের সবথেকে বড় সমস্যা হল নিরার্দ্র বাতাস। শুষ্ক এ বাতাস তখন সম্ভবপর সব জায়গা থেকে পানি শুষে নিতে চায়। সম্ভবপর সব জায়গার মধ্যে পরে আপনার মুখের ত্বকও। আর তাই দিনে অন্তত তিন বার কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন আপনার মুখমণ্ডল। অনেকেই শীতকালে গোসলের জন্য গরম পানি ব্যবহার করে। গরম পানি ত্বককে শুষ্ক করে দেয়। তাই কুসুম গরম পানি দিয়ে সারাদিনে অন্তত তিনবার ধুয়ে ফেলুন আপনার ত্বক। ২) ময়েশ্চারাইজিং করা ত্বককে সুরক্ষিত রাখার শক্তিশালী উপায় হচ্ছে একে ময়েশ্চারাইজিং করা। ময়েশ্চারিং ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে। তবে এরজন্য নামীদামী ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম কেনার দরকার নেই। আমাদের ঘরেই আছে অনেকগুলো প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজিং ক্রীম। নারিকেল তেল, কাস্টার তেল, অলিভ অয়েল, বাটারমিল্ক, শশা এগুলো উত্তম ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত এগুলো আপনার ত্বকে মাখুন। এসব প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার শুধু আপনার ত্বকে আর্দ্রতাই ধরে রাখবে না বরং আপনার ত্বককে করবে আগের থেকে অনেক উজ্জ্বল ও প্রাণোবন্ত। ৩) প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন শীতকালে ঘাম হওয়ার কারণে পানি পান করার প্রয়োজনীয়তা খুব একটা অনুভূত হয় না। তবে ঘাম ছাড়াও আরও অনেক উপায়ে শরীর থেকে পানি নিঃসরিত হয়। আর ত্বকের কোষকে সজীব রাখতে পানির বিকল্প নেই। শুধু পানি খেতে ভাল না লাগলে লেবু, কমলা বা এ ধরনের কিছুর জুস বানিয়েও খেতে পারেন। ৪) রাতে ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ঘুমান রাতের ঘুমের মধ্যে একটা বড় সময় আমরা কোন ধরনের কাজ ছাড়া থাকি। এ সময় যদি মুখে ময়েশ্চারাইজিং জাতীয় কিছু মেখে ঘুমানো যায় তবে তা সবথেকে বেশি কার্যকরী হয়। ময়েশ্চারাইজিং ক্রীম বা অয়েল রাতে মেখে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমিয়ে সকালের ওঠার পর আপনার ত্বক অনেক সতেশ এবং সজীব লাগবে। সেসঙ্গে ত্বক হয়ে ওঠবে আগের থেকে আরও কোমল। ৫)নির্জীব চামড়া উঠিয়ে ফেলুন নিয়ম করে ত্বকের মরা চামড়া বা নির্জীব কোষ সরিয়ে ফেলুন। পুরনো মৃত কোষগুলো সরিয়ে নিলে নতুন চামড়া হতে সাহায্য করবে। আর এমনি করে আপনি ফিরে পেতে পারেন আপনার উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক। ৬) প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করুন ত্বকের যত্নে আমরা মূলত বাজারের কেমিক্যাল প্রসাধনীর উপর বেশি নির্ভরশীল। তবে তা সাময়িক সময়ে আমাদেরকে ভাল ফলাফল দিলেও ভবিষ্যৎ পরিণামের জন্য খারাপ হয়। তাই ত্বকের যত্নে ঘরোয়া উপাদান এবং প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করার চেষ্টা করুন। মোদ্দা কথা, প্রসাধনীর ওপর নির্ভরশীলতা কমান। ৭) সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করুন ত্বকের যত্নে নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করাটা খুবই জরুরি। তবে তার থেকেও জরুরি সঠিক উপায়ে এবং সঠিক নিয়মে ত্বক পরিষ্কার করা। ত্বক পরিষ্কার করার মানে এই না যে, ত্বক শুষ্ক করে ফেলতে হবে। অনেকেই এমনটা করে থাকেন। পানি দিয়ে ত্বক পরিষ্কারের পর ত্বককে খালি ফেলে রাখবেন না। এমনটা করলে আপনার ত্বক থেকে আর্দ্রতা কমে যাবে। ত্বক পরিষ্কারের পরপরই ত্বকে ময়েশ্চার ক্রিম বা তেল মেখে নিন। এতে করে তা আপনার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে। তাই আর দেরি না করে এখন থেকেই শুরু করুন শীতে ত্বকের যত্ন। এস এইচ এস/এএ

চুল পড়ায় লেজার চিকিৎসা : ডাক্তার কী বলেন

চুল পড়া বর্তমান সময়ের অতিপরিচিত সমস্যা। কমবেশি সবারই পড়ে। বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। এটি হচ্ছে সৌন্দর্যের একটি অলংকারের মতো। মানুষের সৌন্দর্যে বিশাল অবদান রাখে চুল। সাধারণত প্রতিদিন যদি ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়ে একে আমরা স্বাভাবিক বলেই ধরে নিই। আর এর থেকে যদি বেশি চুল পড়ে একে চুল পড়া বলতে পারি। চুল পড়া রোধে বিভিন্ন চিকিৎসা বর্তমানে রয়েছে। আজকের আলোচনার বিষয় ‘চুল পড়ার চিকিৎসায় লেজারের ভূমিকা’। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহেদ পারভেজ বড়ভুঁইয়া। যত্ন নেওয়ার পরও কারও কারও মাথায় চুল পড়ে যায়। মাথা টাক হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় বাংলাদেশে কী ধরনের আধুনিক চিকিৎসা রয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ পারভেজ বড়ভুঁইয়া বলেন, চুল পড়া রোধে আধুনিক চিকিৎসা বলতে আমরা যেটা করে থাকি, সেটি হলো প্লাটিলেট রিচ প্লাজমা থেরাপি বা পিআরপি থেরাপি। এটি মাসে একটা নিতে হয়। ছয় থেকে আটটা নিলে চুল পড়া কমে আসে। মানুষের নিজের রক্তটাই অন্য একটা অবস্থায় নিয়ে সেটা আমরা মাথার ত্বকে দিই। কোনো ধরনের ব্যথা বেদনা অনুভব হয় না। এ ছাড়া চুল পড়া প্রতিকারে রয়েছে মাইক্রোনিডলিং থেরাপি, স্টিম সেল থেরাপি এবং হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যানটেশন। এগুলো আমরা করে থাকি। আজকাল এই চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজনই হয় না। ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পিআপি, হেয়ার ট্র্যান্সপ্ল্যান্ট, মাইক্রোনিডলিং থেরাপি, স্টিম সেল থেরাপি- এগুলোর মাধ্যমে চুলের চিকিৎসা করা হয়। এগুলোর মাধ্যমে চুলকে ধরে রাখা সম্ভব হয়। চুল পড়া চিকিৎসায় লেজারের ভূমিকা কি? এ প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ পারভেজ বড়ভুঁইয়া বলেন- এ ক্ষেত্রে একটি লেজার চিকিৎসা বিশেষ ভূমিকা পালন করে সেটা হচ্ছে– এলএলএল (লো লেভেল লেজার)। যেটা চুল পড়াটাকে সাময়িক ভাবে কমিয়ে দেয়। তবে এটা কেউ কেউ দীর্ঘ মেয়াদেও ব্যবহার করে। তারপরেও বলবো দুই তিন বছর একটানা ব্যবহার না করা উচিৎ। সব চেয়ে মজার ব্যপার যেটা হচ্ছে- ইউএসএফডিএ কিন্তু লো লেভেল লেজার ডিভাইজটাকে অনুমোদন করেছে। কিন্তু ট্রিটমেন্টটাকে এখনও অনুমোদন দেয়নি। যার কারণে সেটাকে আমরা অতটা গ্রহণযোগ্য কিছু মনে করছি না। তবে আমরা কিছু পিআরপি থেরাপি এবং সাথে কিছু কনজারভেটিভ ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকি। এছাড়াও মাইক্রোনিডলিং থেরাপির মাধ্যমে চুলের চিকিৎসা করা হচ্ছে। শ্রুতিলিখন : সোহাগ আশরাফ এসএ/

শীতে শিশুর চাই বাড়তি যত্ন

শীতের দিনে কখনও গরম, কখনও মেঘলা, কখনও বৃষ্টি। ভোরের দিকে শীত শীত ভাব। শীতের দিনে বাইরে বেড়াতে যাওয়া বা রুমের মধ্যে থাকায় চাই মোটা কাপড়। গোসলের জন্যও দরকার পড়ে গরম পানির। শীত মানেই সবার জন্য চাই বাড়তি যত্ন। নিজেরা এই আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিলেও শিশুদের নিয়ে চিন্তায় থাকেন সবাই। শীতে কম বেশি সর্দি-কাশি বা জ্বরের সমস্যা থাকে প্রায় সব শিশুর। এই অবস্থায় শিশুদের প্রতিদিন গোসল করানো উচিত কিনা তা নিয়ে সংশয় থাকেন বাবা-মা। শিশুর ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ভয়ে প্রতিদিন গোসল করাতে চান না মায়েরা। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এর ফলে আরও অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে শিশু। শীতকালে আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে যায়। তাই আমাদের মতো শিশুদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। তখন শিশুর শরীরে পানির প্রয়োজন পড়ে। তাই শিশুর বাড়তি যত্ন নিতে প্রতিদিনই গোসল করান শিশুদের। তবে এক্ষেত্রে কিছু সাবধানতা অবশ্যই মেনে চলতে হবে। শিশুকে কখনই ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করাবেন না। কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে গোসল করান। মনে রাখবেন, গোসল করানোর সময় যেন বাথরুমের দরজা, জানালা বন্ধ থাকে। গোসলের পর পরই গরম তোয়ালে দিয়ে শিশুকে মুড়ে নিন। ভাল করে মাথা, কান মোছাবেন। এই সব জায়গায় পানি জমে শিশুর ঠান্ডা লাগতে পারে। শিশুকে অবশ্যই গ্লিসারিনযুক্ত সাবান দিয়ে গোসল করাতে হবে। গোসলের পর সারা শরীরে ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে দিন। না হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। গোসলের পর শিশুকে খালি গায়ে রাখবেন না। গরম জামা-কাপড়, মোজা, পরিয়ে দিন। এই সময় কিছুক্ষণ শিশুকে রোদে রাখতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। তবে জন্মের পর এক মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে সপ্তাহে ২ দিন গোসল করানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। তারপর থেকে প্রতিদিনই গোসল করাতে পারেন। যদি শিশুর ঠান্ডা লাগে, বুকে সর্দি জমে, বা নাক দিয়ে পানি পড়ে তাহলে শিশুকে গোসল না করানোর কথাই বলে চিকিৎসকরা। এ ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন। / আর / এআর

ব্রণ থেকে মুক্তির ৬টি ঘরোয়া উপায়

সব বয়সের মানুষই ব্রণ বা ফুসকুড়ি  সমস্যায় ভোগেন। অনেক চেষ্টা করেও বেশিরভাগ মানুষ এর থেকে মুক্তি খুঁজে পান না। এর ফলে ক্রমশ হতাশায় ভুগতে থাকেন। ব্রণ বা ফুঁসকড়ি সাধারণত গাল, কপাল, কাঁধ, বুক, নাক এবং গলায় হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা জানান, হরমোনের পরিবর্তনের জন্য  ব্রণ এর সমস্যা দেখা দেয়। ব্রণর সমস্যা সমাধানের জন্য অনেকেই অনেক ওষুধ ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তাতে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। অথচ, আমাদের হাতের কাছে রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়, যার মাধ্যমে কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ব্রণ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।এবার জেনে নেয়া যাক  সেগুলি কী কী- ১) টুথপেস্ট:  ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে সবথেকে ভালো ঘরোয়া জিনিস হল টুথপেস্ট। সারারাত ত্বকের ক্ষতিগ্রস্থ জায়গা, যেখানে ব্রণ হয়েছে, সেখানে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) মধু:  ত্বক পরিস্কার রাখতে মধুর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্রণ-অ্যাকনের উপর মধু ব্যবহার করুন। একঘণ্টা পর পনি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩) লেবুর রস:  সমপরিমান লেবুর রস এবং গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রণর জায়গায় ব্যবহার করুন। খুব সহজেই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ৪) রসুন-: অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয়। ব্রণর উপর সরাসরি রসুন বাটা ব্যবহার করুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ৫)ভিনেগার: ভিনেগার ব্রণের সমস্যায় দারুণ কাজ করে। তুলোয় ভিনেগার লাগিয়ে ব্রণে লাগান। ৫ মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পুরো মুখে ভিনেগার লাগাবেন না। ৬) ডিম:  ব্রণর জায়গায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। এর পর সেটি শুকাদে দিন। টানা ৪ বার ব্যবহার করুন। সূত্র:জি নিইজ   এম / এআর

যে খাবার বেশি খেলে ত্বক নষ্ট হয়

ত্বক এমনই জিনিস যা যতই যত্ন নিন না কেন ডায়েট যদি স্বাস্থ্যকর না হয় কখনই উজ্জ্বল দেখাবে না। তাই ডায়েট থেকে প্রথমেই বাদ দিতে হবে এমন খাবার যা ত্বকের ক্ষতি করে। জেনে নিন এমনই কিছু খাবার। লবন: বেশি লবন খেলে মুখ ফোলা দেখাতে পারে। চোখের চারপাশের চামড়া খুবই পাতলা ও নরম হয়। দ্য ন্যাশনাল হার্ট লাং অ্যান্ড ব্লাড অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী, দিনে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবন খেলে চোখের কোল ফুলে যেতে পারে। দুগ্ধজাত খাবার: এই ধরনের খাবার থেকে অনেক উপকার পাই আমরা। কিন্তু দুগ্ধজাত খাবার বেশি খেলে চোখের কোল ভারী হয়ে যায়, ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দেয়। চিনি: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা মিষ্টি খাবার শুধু যে শরীরের মেদ বাড়ায় তাই নয়, ত্বক শুষ্ক করে দেয়। ফলে চোখের কোল, কপালে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহলের নেশায় ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। চোখের কোলে ফোলা ভাব আসতে পারে। গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার: গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে ত্বকের ধরন বদলে যেতে পারে। কপাল, গালে লাল লাল অ্যাকেন দেখা দিতে পারে। যেটা গ্লুটেন অ্যালার্জির লক্ষণ। সূত্র : আনন্দবাজার। আরকে//এআর

ত্বকের যত্নে আমলকী

উপকারী ফল আমলকী ত্বকের যত্নেও খুবই উপকারি। এতে রয়েছে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট । আমলকীর রসের সঙ্গে আরও কিছু প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বক থাকবে উজ্জ্বল ও সতেজ। এবার আমরা দেখে নেব  কিভাবে অমলকী ত্বকের যত্নে কিভাবে কাজ করে। ১. ত্বক মসৃণ করে আমলকী ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে দারুণ কাজে দেয়। এক্ষেত্রে রোজ সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করলে একমাসের মধ্যেই চোখে পরার মতো ত্বকের পরিবর্তন হয় । এছাড়া আমলকীর রস মুখে সরাসরি ব্যবহার করলে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল হয় এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। ২. স্কিনের বয়স কমায় আমলকীর রস নিয়মিত পান করলে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ সহজে পরে না। আর যদি এমনটা করতে ইচ্ছা না হয়, তাহলে আমলকীর রসের সঙ্গে বাদাম তেল মিশিয়ে মুখে মাখতে পারেন। এমনটা করলে ব্রণ সহ যে কোনও দাগ দূর হয় এবং ত্বককে সুন্দর রাখে। ৩. মৃত কোষের স্তর সরে যায় আমলকীর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। যে কারণে এই ফলটির নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের মরা কোষ দূর হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমলকীর রসের সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মধু, গোলাপ জল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানাতে হবে। অল্প পরিমাণে এই পেস্ট নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করলে ত্বক থেকে মরা কোষ দূর হবে এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে দুবার এই পেস্ট ব্যবহার করতে হবে। ৪. ছোপ দূর করে আমলকীর রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাখলে মুখের কালো ছোপ ভাব দূর হয়। শুধু তাই নয়, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এই মিশ্রন খুবই উপকারি ভূমিকা নেয়। ৫. টক্সিক উপাদান শরীরে থেকে বের করতে আমলকীর রস প্রাকৃতিক উপায়ে রক্ত শোধন করতে পারে। ফলে ত্বকের যাবতীয় সমস্যাও দূর হতে সময় লাগে না। এছাড়া আমলকীর রসের সঙ্গে পুদিনা পাতার রস মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগালে খুব দারুন উপকার পাওয়া যায়। এই মিশ্রণটি মুখে সারা রাত লাগিয়ে রেখে পরের দিন  ধুয়ে নিলে ব্রণ এবং অ্যাকনের মতো সমস্যা থেকে খুব সহজে মুক্তি পাওয়া যায়। ৬. কোলাজেনের ঘাটতি দূর হয় আমলকীর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বকের অন্দরে প্রচুর পরিমাণে কোলাজেন তৈরি করে, সেই সঙ্গে ত্বকে স্থিতিস্থাপক গুণ বৃদ্ধি করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বক ফর্সা হতে শুরু করে। এক্ষেত্রে কয়েক চামচ বাদাম গুঁড়ো, ২ চামচ চন্দন গুঁড়ো, তিন চামচ আমলকীর রস মিশিয়ে একটি মিশ্রন তৈরি করে নিতে হবে। এই মিশ্রন মুখে মাখলে যে কোনও দাগ এবং বয়সের ছাপ দূর হবে। ৭. স্কিন ডিজিজের চিকিৎসায় আমলকী বাঁটা, কয়েক চামচ দুধের সঙ্গে মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে নিন। ৪০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এই মিশ্রণটি ত্বককে যে কোনো ধরনের সমস্যা থেকে দূরে রাখবে এবং ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করবে। ৮. দাগ দূর করে আমলকীর রসের সঙ্গে অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে মুখে মাখুন। এতে মুখের যাবতীয় দাগ দূর হয় এবং বয়সের ছাপ কমতে শুরু করে। সূত্র:বোল্ড স্কাই এম/এআর

ত্বক ও চুলের যত্নে নারিকেলের পানি

নারিকেলের তেল ও দুধের মতই নারিকেলের পানি ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী। বর্তমান সময়ে চুলের যত্নে অনেকেই নারিকেলের পানি ব্যবহার করছে। তাই আপনিও ত্বক ও চুলের যত্নে নারিকেলের পানি ব্যবহার করতে পারেন। তা ব্যবহার করার কয়েকদিনের মধ্যেই আপনি এর ফলাফল দেখতে পাবেন। বর্তমানে কিছু কিছু বিউটি কেয়ারে নারিকেলের পানি ব্যবহার করা হচ্ছে। নারিকেলের পানিতে ওমেগা-৩ ফেটি এসিড, বিটামিন সি, এনজাইম, এমাইনো এসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম জাতীয় মিনারেল থাকে যা ত্বক ও চুলের যত্নে অত্যন্ত কার্যকরী। নারিকেলের পানি কীভাবে ব্যবহার করবেন আসুন তা জেনে নেই। ফেইস মাস্ক হিসেবে নারিকেলের পানি  হলুদ ও চন্দন গুড়া এবং নারিকেলের পানি হচ্ছে ফেইস মাস্ক করার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। এক টেবিল চামচ করে হলুদ ও চন্দনের গুড়া নিন এবং তিন থেকে পাঁচ টেবিল চামচ নারিকেলের পানি নিয়ে হলুদ ও চন্দনের গুড়ার সাথে মিক্স করুন। এই মিক্স করা উপাদানগুলো আপনার মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে তা ধুয়ে ফেলুন। ফেইসওয়াস হিসেবে নারিকেলের পানি ফেইস মাস্ক তৈরি করতে বেশ কয়েকটি উপাদান ব্যবহার হলেও ফেইসওয়াসের ক্ষেত্রে আপনি শুধু নারিকেলের পানি ব্যবহার করবেন। ঘুম থেকে উঠে এবং ঘুমাতে যাওয়ার সময় প্রতিদিন দু’বার নারিকেলের পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। সূত্র:বোল্ড স্কাই এম/ডব্লিউএন  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি