ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩১:২২

হাদিসের অপব্যাখ্যা রোধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সৌদি

হাদিসের অপব্যাখ্যা রোধে ব্যবস্থা নিচ্ছে সৌদি

হযরত মোহাম্মদ (স.) এর বাণী (হাদিস) ব্যবহার করে কোনো জঙ্গী গোষ্ঠী যেন সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দিতে না পারে এজন্য সৌদি সরকার নতুন ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ গঠন করেছে। বাদশাহ সালমান পবিত্র মদিনা নগরী থেকে এ ফরমান ঘোষণা করেন। বিশ্বের নামকরা ইসলামী চিন্তাবিদদের এই প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ করা হবে বলেও জানান তিনি। দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সহিংসতা এবং অপরাধের পক্ষে সাফাই হিসেবে যেসব ভুয়া ইসলামী লেখার বরাত দেয়া হয়, সেগুলো নির্মূল করাই হবে এই প্রতিষ্ঠানের কাজ। উল্লেখ্য, আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটের (আইএস) মতো জঙ্গী গোষ্ঠীগুলো নবী মোহাম্মদ (স.) এর হাদিস এবং অন্যান্য ধর্মীয় লেখার অপব্যাখ্যা করে তাদের কার্যক্রমের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। মোহাম্মদ (স.) এর যেসব বাণী সংকলন করা হয়েছে, সেগুলি `হাদিস` হিসেবে পরিচিত। ইসলামে কোরআনের পর এই হাদিসকেই বিভিন্ন বিষয়ে ধর্মীয় নীতি বা ব্যাখ্যার জন্য নির্ভরযোগ্য সূত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় । সৌদি কর্তৃপক্ষ মনে করছে, জঙ্গী গোষ্ঠীগুলো যেভাবে হাদিসের অপব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাসবাদের পক্ষে সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করে সেটা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা দরকার। সূত্র: বিবিসি।   আর/এআর
আশুরার তাৎপর্য ও শিক্ষা

আশুরা মানে হচ্ছে দশ। আশুরা শব্দটি যেহেতু মহররম মাসের জন্যই ব্যবহৃত হয় তাই ১০ই মহররমকে আশুরা দিবস বলা হয়। আশুরা তথা ১০ই মহররম-এর কথা কমবেশি আমরা সবাই জানি। এটি নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক দিবস। শুধু ঐতিহাসিক বললেই যথেষ্ট হবে না; বরং ইসলামের ইতিহাসে যতগুলো ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ দিবস আছে তার মধ্যে আশুরা হচ্ছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী এবং অতি স্মরণীয় ও বরণীয় দিবস। আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তবে দেখব এই ঐতিহাসিক ১০ই মহররম বিভিন্ন কারণে স্মরণীয়। এ তারিখে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ও বড় বড় ঘটনা ঘটিয়েছেন। এর মধ্যে দশটি ঘটনা খুবই প্রণিধানযোগ্য। এ দশটি ঘটনার মধ্যে দু’চারটির উদ্ধৃতি এভাবে দেয়া যায়। যেমন এ তারিখে হযরত আদম (আ.)-এর তওবা কবুল হয়েছিল। এ তারিখে হযরত ইউনুস (আ.)কে আল্লাহ তায়ালা মাছের পেট থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ দিনেই হযরত আইয়ুব (আ.)কে আল্লাহ তায়ালা কুষ্ঠ রোগ থেকে পরিত্রাণ দিয়েছিলেন। এদিনে হযরত নূহ (আ.) আল্লাহ পাকের নির্দেশে মহাপ্লাবন নামক গজব থেকে বাঁচার জন্য কিশ্তিতে আরোহণ করেছিলেন। এই দিনেই হযরত ইবরাহীম (আ.) নমরূদের আগুন থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। এমনিভাবে খুবই উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ দশটি ঘটনা এদিন ঘটেছিল বলেই এ দিবসটির নামকরণ আশুরা করা হয়েছে। কিন্তু যে কারণে উম্মতে মুহাম্মদীর নিকট এ দিনটা আরও স্মরণীয় ও গুরুত্বের দাবী রাখে, তা হলো কারবালার সে মর্মস্পর্শী, হৃদয়বিদারক করুণ ঘটনা বা কাহিনী। সে ঘটনার কথা বলতে গেলে কণ্ঠ স্তব্ধ হয়ে আসে, লিখতে গেলে কলম পর্যন্ত থমকে দাঁড়ায়। আর সে ঘটনার শিকার হয়েছিলেন দুনিয়ার ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূল আল্লাহর হাবীব স্বয়ং জনাব মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দৌহিত্র, কলিজার টুকরা। নামাজের সিজদা দিতে গেলে নানাজীর কাঁধ বা পিঠ মোবারকে সওয়ার হয়ে চড়ে বসতেন এবং সেই হযরত আলী ও মা ফাতেমার আদরের দুলালী হযরত হোসাইন (রা.)। এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট সীমিত কলেবরের বক্ষ্যমাণ নিবন্ধে তুলে ধরা সম্ভব হয়নি। কেবল সেদিন হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) তাঁর পুরো পরিবারের লোকজনকে একত্রিত করে পরামর্শের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন সেটুকু পাঠকদের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস পাচ্ছি। হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) তাঁবুতে ফিরে এসে পরিবারের সবাইকে নিয়ে বৈঠকে বসলেন। এ ছিল এক অদ্ভূত বৈঠক। এর এজেন্ডা মাত্র একটি- অর্থাৎ বাঁচতে চাই নাকি মরতে চাই। পরিবারের সবার কাছে প্রস্তাব রাখলেন- তোমরা কি ইয়াজিদকে খলীফা বলে স্বীকার করতে চাও, নাকি চাও না? যদি চাও তবে তার দুটো পরিণতি আছে আর যদি স্বীকার না কর তারও দুটো পরিণতি আছে। যদি তাকে স্বীকৃতি দাও তাহলে- ১. আমরা সবাই বেঁচে যাব এবং ২. ইসলামের মধ্যে এমন এক মারাত্মক অন্যায় বা বিদায়াত ঢুকে যাবে যা কিয়ামত পর্যন্ত ইসলামকে কলুষিত করে রাখবে। ইসলামে রাজতন্ত্র বৈধ হয়ে যাবে এবং পরবর্তী যুগের লোকেরা বুঝতেই পারবে না আল্লাহর রাসূল কোন ইসলাম রেখে গেছেন। আর যদি ইয়াজিদের খেলাফতের স্বীকৃতি না দাও তাহলে তার পরিণতিও হবে দুটি। ১. ইসলাম চির কলংকমুক্ত অবস্থায় টিকে থাকতে পারবে এবং ২. আমরা একজনও বেঁচে থাকতে পারব না। এখন বল তোমরা কি করবে? যদি বাঁচার সিদ্ধান্ত কর তাহলে ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আর যদি মরার সিদ্ধান্ত নাও তাহলে ইসলাম তার স্বস্থানে স্বমহিমায় টিকে থাকবে। এখন ভেবে দেখ জীবনকে কুরবানী করে ইসলাম বা দীনকে টিকাবে না-কি ইসলামকে কুরবানী করে জীবনকে রক্ষা করবে? সবার কাছ থেকে জবাব এল যেহেতু ইসলামের জন্যই জীবন তাই ইসলামের জন্যই জীবনকে বিসর্জন দিতে চাই। ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর পরিবারের লোকজন দেখলেন যে, এ মুহূর্তে জান বাঁচানো ফরয নয়; বরং জান বা জীবন দান করাই ফরয হয়ে পড়েছে। তাই তাঁরা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন যে, আমরা ইসলাম রক্ষার জন্য মরতে চাই। দশই মহররম অর্থাৎ আশুরার এই রাতে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হলো তা ছিল এক অভিনব সিদ্ধান্ত যার কোনো উদাহরণ ইতোপূর্বেও কোন দিন সৃষ্টি হয়নি, পরেও কোন দিন হবে না। এরপর ইমাম হুসাইন (রা.)সহ তাঁর পরিবারের লোকজনকে কিভাবে শহীদ করা হলো সে করুণ ইতিহাস সবারই কমবেশি জানা। তাই সেদিকে না গিয়ে এতটুকু বলতে চাই- ইয়াজিদ ছিলেন আল্লাহর রাসূলের জলিলে কদর এক সাহাবীর ছেলে। তিনি অন্যায়ভাবে অর্থাৎ স্বৈরাচারী কায়দায় ক্ষমতায় আরোহণ করতে চেয়েছিলেন। এটুকু অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য আল্লাহ পাক তাঁর হাবীবের কলিজার টুকরার আত্মাহুতির মাধ্যমে দুনিয়ার বুকে এক অভিনব দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখালেন যে কোন অবস্থায়ই অন্যায়কে সমর্থন করা যাবে না, সে যত বড় শক্তিধর বা ক্ষমতাধরই হোক না কেন। অথচ বর্তমান যুগে আমরা কত হাজার প্রকার অন্যায় ও জুলুম নির্যাতন নীরবে সয়ে যাচ্ছি বা প্রশ্রয় দিচ্ছি- তা কি একবারও ভেবে দেখেছি। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর পবিত্র কালামে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন- তোমাদের কি হলো, তোমরা আল্লাহর পথে অসহায় নর-নারী ও শিশুদের জন্য যুদ্ধ করবে না, যারা দুর্বলতার কারণে নির্যাতিত হচ্ছে এবং ফরিয়াদ করছে- হে আমাদের রব! এ জনপদ থেকে আমাদেরকে বের করে নিয়ে যাও, যার অধিবাসীগণ জালেম এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের কোন বন্ধু, অভিভাবক ও সাহায্যকারী তৈরি করে দাও। [আন্-নিসা] উল্লিখিত আয়াতে এমন সব মজলুম শিশু, নারী ও পুরুষদের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যারা মক্কায় ও আরবের অন্যান্য গোত্রের মধ্যে ইসলাম গ্রহণ করেছিল এ অপরাধে তাদের উপর অমানুষিক অন্যায় ও জুলুম নির্যাতন চালানো হয়েছিল কিন্তু তাদের হিজরত করার কিংবা কাফেরদের জুলুম থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার ক্ষমতাও ছিল না। অথচ বর্তমান সময়টাও সে অবস্থার চেয়ে কোন অংশে কম নয়। এ অবস্থা দেখেও যদি আমরা চুপচাপ বসে থাকি তাহলে আর যাই হোক, আমরা বেহেশতি মুসলমানদের দলভুক্ত হতে পারব না এবং আল্লাহর পাকড়াও থেকে আমরা রক্ষা পাব না।লেখক: ব্যাংকার।//এআর

পবিত্র আশুরা আজ

আজ রোববার। মহররমের দশ তারিখ, পবিত্র আশুরা। পৃথিবী সৃষ্টির সূচনা থেকে এ যাবৎ অসংখ্য বিস্ময়কর ঘটনার দিন আজ। ইতিহাসে বিশাল জায়গা করে আছে পবিত্র আশুরা। কারবালার শোকাবহ ঘটনাবহুল এ দিনটি মুসলমানদের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।  ৬১ হিজরি সালের এই দিনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তাঁর পরিবার ও অনুসারীরা সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন। কারবালার এই শোকাবহ ঘটনা ও পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী সবাইকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলতে প্রেরণা যোগায়। এ ছাড়া ১০ মহররম আশুরার দিন মহান আল্লাহতায়ালা পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন এবং আবার এদিন কেয়ামত হবে। এর বাইরে এদিন হযরত ইব্রাহিম (আ.) নমরুদের অগ্নিকুণ্ড থেকে রক্ষা পেয়েছেন, হযরত ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে মুক্তি পান। পবিত্র আশুরার দিন মুসলিম জাহানের জন্য যে কারণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, সেটা  হলো, এদিনে স্বৈরাচারী ইয়াজিদ বাহিনী হযরত ইমাম হোসাইন (রা.) কে সপরিবারে কারবালার মরু প্রান্তরে নির্মমভাবে হত্যা করে। হযরত ইমাম হোসাইন ক্ষমতার জন্য ইয়াজিদের বিরুদ্ধে লড়াই করেননি। বরং তিনি লড়াই করেছিলেন ইয়াজিদের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে। সত্যের পতাকা সমুন্নত রাখার জন্য তিনি সপরিবারে জীবন দিয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন। পবিত্র আশুরার মিছিল উপলক্ষে  ডিএমপি অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। /এম/এআর  

পবিত্র আশুরা ১ অক্টোবর

বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবার ১৪৩৯ হিজরি সালের পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আজ থেকে পবিত্র মহররম মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ১ অক্টোবর রোববার সারাদেশে পবিত্র আশুরা উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান। সরকারি এক তথ্য বিবরণী থেকে এসব জানানো হয়েছে। সভায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হাফিজুর রহমান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মিজান-উল-আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফজলে রাব্বী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মজিবর রহমান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) মো. শাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও শাহ মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান,  চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান ও লালবাগ শাহী মসজিদের খতিব মাওলানা আবু রায়হান  প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। //এম//এআর

দেশে ফিরলেন আরও ৭১৯৫ হাজি

পবিত্র হজ পালন শেষে দ্বিতীয় দিনের বৃহস্পতিবার ফিরতি ১৮টি ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন আরও সাত হাজার ১৯৫ জন হাজি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৮টি ও সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত ১০টিসহ মোট ১৮টি ফ্লাইটে তারা দেশে আসেন। হজ বুলেটিন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়। সরকারি ব্যবস্থাপনার প্রথম ফিরতি ফ্লাইট বিজি-২০১২ বুধবার রাত ৮টা ২২ মিনিটে ৪১৯ জন হাজি নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ থেকে মোট এক লাখ ২৭ হাজার ২২৯ জন পবিত্র হজ পালন করেন। অন্য দিকে হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি গিয়ে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৭২ জন পুরুষ ও ১৯জন নারী। এদের ৬৭ জন মক্কা, ৭ জন মদিনা ও ১৬ জন মিনায় মারা যান। সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর রাজশাহী জেলার মো. আবদুস সালাম (৫৩) পবিত্র মক্কা আল-মুকাররমায় মৃত্যুবরণ করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর ছিল সি ৯০৫৫১০৮। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফিরতি হজ ফ্লাইট চলবে।   আর/টিকে

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি