ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৮:০৮

   সা’দ ইস্যুতে মুরব্বিদের ব্রিফিং দুপুরে

  সা’দ ইস্যুতে মুরব্বিদের ব্রিফিং দুপুরে

  টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে আজ শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মুরব্বিদের ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। মাওলানা সা’দ বিতর্ক ও তাবলিগ ইস্যুতে সৃষ্ট জটিলতা কেন্দ্র করে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। বিশ্ব ইজতেমার মুরব্বি প্রকৌশলী মাহফুজ জানান, দুপুর ২টার দিকে বিদেশি তাঁবুতে ওই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। ইজতেমা ময়দানে হাজী সেলিম মিয়ার কামরায় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মুফতি নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফিং করবেন। চলতি বছর বিশ্ব ইজতেমায় ভারতের নেজামুদ্দিনের মুরব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভির বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে তাবলিগ জামাতের দুটি গ্রুপের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বের মধ্যেই ঢাকা আসেন তিনি। ইজতেমায় যোগ দেওয়ার জন্য তার ঢাকায় আগমনকে ঘিরে সংগঠনটির একাংশের কয়েকশো অনুসারী শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় তাকে কাকরাইলে নিয়ে যাওয়া হয়। অবশেষে বিশ্ব ইজতেমায় অংশ না নিয়েই সফরসঙ্গীদের নিয়ে ১৩ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকা ত্যাগ করেন মাওলানা সাদ কান্ধলভি।   একে//এসএইচ
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু শুক্রবার

টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে আগমীকাল শুক্রবার। ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশ নেবেন রাজধানী ঢাকাসহ ১৬টি জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের খিত্তাওয়ারি অবস্থান নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় মুসল্লিদের অংশ নেওয়ার জন্য জেলাওয়ারি পুরো প্যান্ডেলকে ২৮টি খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে। খিত্তা অনুযায়ী এসব জেলাগুলো হচ্ছে- ১নং খিত্তায় ঢাকা-০১, ২নং খিত্তায় ঢাকা-০২, ০৩ নং খিত্তায় ঢাকা-০৪, ৪নং খিত্তায় ঢাকা-১৯, ৫নং খিত্তায় ঢাকা-২০, ৬নং খিত্তায় ঢাকা-২১, ৭নং খিত্তায় ঢাকা-০৩, ৮নং খিত্তায় ঢাকা-২৩, ৯নং খিত্তায় ঢাকা-২২, ১০নং খিত্তায় ঢাকা-০৬, ১১নং খিত্তায় জামালপুর-০১, ১২নং খিত্তায় জামালপুর-০২, ১৩নং খিত্তায় ফরিদপুর, ১৪নং খিত্তায় কুড়িগ্রাম, ১৫নং খিত্তায় ঝিনাইদহ, ১৬নং খিত্তায় ফেনী, ১৭নং খিত্তায় সুনামগঞ্জ, ১৮নং খিত্তায় ঢাকা-০৭, ১৯নং খিত্তায় ঢাকা-০৫, ২০নং খিত্তায় চুয়াডাঙ্গা, ২১ নং খিত্তায় কুমিল্লা-০১, ২২নং খিত্তায় কুমিল্লা-০২, ২৩নং খিত্তায় রাজশাহী-০১, ২৪নং খিত্তায় রাজশাহী-০২, ২৫নং খিত্তায় খুলনা-০১, ২৬নং খিত্তায় ঠাকুরগাঁও, ২৭নং খিত্তায় খুলনা-০২ ও ২৮নং খিত্তায় পিরোজপুর জেলার মুসল্লিরা অবস্থান নেবেন। এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর চার দিন বিরতি দিয়ে আগামীকাল ১৯ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় পর্ব। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমা। উল্লেখ্য, ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একে//এসএইচ

মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব

মুসলিম উম্মাহর সুদৃঢ় ঐক্য, দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি এবং দেশের কল্যাণ কামনা করা হয় মোনাজাতে। আখেরি মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত করতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে রহমত প্রার্থনা করা হয়। লাখ লাখ মুসল্লির কণ্ঠে ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’, ধ্বনিতে মুখরিত হয় টঙ্গীর তুরাগ তীরের ইজতেমা ময়দান। এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব। রোববার সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত শুরু হয়। এবারের মোনাজাত হয়েছে বাংলায়। পরিচালনা করেছেন কাকরাইল মসজিদের হাফেজ মাওলানা জোবায়ের। এর আগে হেদায়তি বয়ান করেন মাওলানা আব্দুল মতিন। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে বাস, ট্রাক, ট্রেন, নৌকা-লঞ্চসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে হাজার হাজার মুসল্লি টঙ্গীতে জমায়েত হন। আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত মুসল্লিদের আগমন অব্যাহত ছিল। মোনাজাতের সময় ইজতেমা ময়দান ও আশেপাশের এলাকায় নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। খানিক পর পর শুধু ভেসে আসে আমিন, ছুম্মা আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন ধ্বনি। আর মানুষের কান্নার আওয়াজে বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি লাভের আশায় আঁকুতি জানান মুসল্লিরা। মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও নিজ নিজ গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত করার জন্য দুই হাত তুলে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে রহমত প্রার্থনা করেন তারা। নানা বয়সী বিভিন্ন পেশার মানুষের পাশাপাশি নারীদেরও মোনাজাতে অংশ নিতে দেখা যায়। এমনকি বাসা-বাড়ি ও কারখানার ছাদ, নৌকা, বাসের ছাদ, ফুটওভার ব্রিজ-যে যেখানে পেরেছেন সেখানে বসেই দু’হাত তুলে মোনাজাতে অংশ নেন তারা। গণভবন থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী আখেরি মোনাজাতে বঙ্গভবন থেকে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও গুলশানের কার্যালয় থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অংশ নেন। ইজতেমা ময়দানে মূল মঞ্চে বসে আখেরি মোনাজাতে শরিক হন মুসলিম দেশের কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা ও পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা। বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমার আসর। এসএইচ/

দ্বিতীয় দিনে মুখর ইজতেমা ময়দান

লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের ইবাদত, বন্দেগী, জিকির, আসকার আর আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে মুখর তুরাগপাড়ের বিশ্ব ইজতেমা ময়দান। আজ শনিবার ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে চলছে পবিত্র কোরআন  ও হাদিসের আলোকে বয়ান। শনিবার বাদ ফজর বয়ান করেন বাংলাদেশের মাওলানা মো. নূরুর রহমান। এছাড়া আজ আরও বয়ান করবেন মাওলানা ফারুক হোসেন ও বাংলাদেশের মাওলানা ড. মো. জাহাদ। দুদিন ধরে ইজতেমা মাঠে সার্বক্ষণিক ইবাদত-বন্দেগিতে মগ্ন রয়েছেন লাখ লাখ মুসল্লি। আজ শনিবার বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় দিনে দেশ-বিদেশ থেকে আগত মুরুব্বিরা বয়ান করছেন। প্রথম পর্বের ইজতেমায় রাজধানী ঢাকাসহ ১৪ জেলার মুসল্লিরা ইজেতেমায় অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন জেলার মুসল্লিদের জন্য পুরো ময়দানকে ২৭টি খিত্তায় (ভাগে) ভাগ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট খিত্তায় নির্দিষ্ট জেলার মুসল্লির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে প্রথম ধাপে অংশগ্রহণ করেছেন ঢাকার একাংশসহ নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠিী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, নরসিংদী এবং বগুড়া জেলার বাসিন্দরা। প্রতিটি জেলার জন্য রয়েছে নির্ধারিত স্থান। প্রত্যেকেই নিজ নিজ খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন। রোববার আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হবে। ১৯ জানুয়ারি শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।   একে//এসএইচ

ইজতেমা ময়দানে লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায়

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের প্রথম দিনে শুক্রবার লাখো মুসল্লি একসাথে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। তাবলিগ জামাতের মুসল্লি ছাড়াও ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোর মুসল্লিরাও জুমার নামাজে অংশ নেন। টঙ্গীর তুরাগ তীরে ইজতেমা ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজে খুৎবা পাঠ শুরু হয় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে জুমার নামাজে ইমামতি করেন রাজধানীর কাকরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের। এদিন ইজতেমা ময়দানে আগত মুসল্লি ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে ঢাকার আশপাশের এলাকার লাখ লাখ মুসল্লি হাজির হন। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমার পুরো ময়দান পূর্ণ হয়ে যায়। পরে মুসল্লিরা মহাসড়ক ও অলি-গলিসহ বিভিন্ন স্থানে পাটি, চটের বস্তা ও খবরের কাগজ বিছিয়ে জুমার নামাজে শরিক হন। জুমার নামাজে অংশ নেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও গাজীপুর ২ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদ হাসান রাসেলসহ বিভিন্নস্তরের মানুষ। ইজতেমার প্রথম পর্বে কনকনে শীত উপেক্ষা করে লাখো মুসল্লি বয়ান, তাশকিল, তাসবিহ-তাহলিলে অংশ নেন। তীব্র শীতের কারণে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মুসল্লিরা প্যান্ডেলের বাইরে বের হননি। আজ বাদ ফজর জর্ডানের মাওলানা শেখ ওমর খতিবের বয়ানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার মূল কাজ শুরু হয়। মাওলানা শেখ ওমরের বয়ান বাংলায় তরজমা করেন বাংলাদেশের মুরব্বি আব্দুল মতিন। প্রথম পর্বে দেশের ১৪ জেলার মুসল্লিদের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্থান, ইরান, ইরাক ও জর্ডানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন। ইজতেমা আয়োজক কমিটি জানায়, ইজতেমার প্রথম দিনে ৪ হাজার বিদেশি মুসল্লি অংশ নিয়েছেন। ইজতেমার পরিবেশ রক্ষায় প্রতিদিন ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই পর্বে পরিচালিত হবে। সিসি ক্যামেরায় বিদেশিদের জন্য ৪টি খিত্তা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রথম পর্বের ইজতেমায় রাজধানী ঢাকাসহ ১৪ জেলার মুসল্লিরা ইজেতেমায় অংশ নিয়েছেন। বিভিন্ন জেলার মুসল্লিদের জন্য পুরো ময়দানকে ২৭টি খিত্তায় (ভাগে) ভাগ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট খিত্তায় নির্দিষ্ট জেলার মুসল্লির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে প্রথম ধাপে অংশগ্রহণ করেছেন ঢাকার একাংশসহ নারায়ণগঞ্জ, শেরপুর, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, গাইবান্ধা, লক্ষীপুর, সিলেট, চট্টগ্রাম, নড়াইল, মাদারীপুর, ভোলা, মাগুরা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠিী, পঞ্চগড়, নেত্রকোনা, নরসিংদী এবং বগুড়া জেলার বাসিন্দরা। প্রতিটি জেলার জন্য রয়েছে নির্ধারিত স্থান। প্রত্যেকেই স্ব-স্ব খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন। ইজতেমা ময়দানের রয়েছে ১৭টি প্রবেশ পথ। ইজতেমা ময়দানের চারদিকে ১৫টি সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার বসানো হয়েছে। মাঠ জুড়ে রয়েছে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশের কড়া নজরদারি।   আর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি