আশুলিয়ায় ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে কর্মকর্তার মৃত্যু, থানায় মামলা
প্রকাশিত : ১২:৫৫, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
আশুলিয়ায় শারমিন গ্রুপের একটি কারখানার ১০তলা ভবন থেকে পড়ে এক কর্মকর্তার মৃত্যু ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে পুরো সাভার-আশুলিয়া জুড়ে। এটি 'আত্মহত্যা' নাকি হত্যা, এ নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা আলোচনা।
ঘটনার পরে এ ব্যাপারে তার স্বজনেরা আশুলিয়া থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ না নিলে থানা কম্পাউন্ডের সামনে অনশনে বসেন তারা। এক পর্যায় পুলিশ আজ বৃহস্পতিবার তাদের অভিযোগ গ্রহণ করে।
নিহতের ভাই ফখরুল হাসান বাদী হয়ে ওই কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসমাইল হোসেন ও পরিচালক শারাব হোসেনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
স্বজনদের দাবি এটি হত্যাকাণ্ড। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে না। তদন্ত চলছে জানা যাবে।
জানা যায়, বুধবার সকালে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার শারমিন গ্রুপের বহুতল ভবন থেকে পড়ে মো. জামাল উদ্দিন (৩৯) নামে এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। তার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে চারিদিকে এটি হত্যা না আত্নহত্যা এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। স্বজনদের দাবি সে আত্মহত্যা করতে পারে না, তাদের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। অফিসেই কোন কিছু হয়েছে।
তবে ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান মুঠোফোনে বলেন, আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে না। তবে আমরা তদন্ত করছি কি হয়েছে তা পরে জানা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে এ ঘটনার পর কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিতে গেলে গণমাধ্যম কর্মীদের কারখানার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
নিহত মো. জামাল উদ্দিন গাজীপুর সদরের বুরুলিয়া (ডুয়েট সংলগ্ন) এলাকার মৃত মো. সেকেন্দার আলীর ছেলে। তিনি শারমিন গ্রুপের ডিভিশন-৩-এর সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এএইচ
আরও পড়ুন










