ঢাকা, রবিবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, || আশ্বিন ৮ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৫৩ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

খ্যাতনামা উচ্চাঙ্গসঙ্গীত শিল্পী ও সরোদবিশারদ, সঙ্গীত জগতের কিংবদন্তি ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭২ সালের আজকের এই দিনে ভারতের মাইসারে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি প্রথম বাঙালি যিনি সর্বপ্রথম পাশ্চাত্যে উপমহাদেশের রাগসঙ্গীতকে পরিচিত করেন।

১৮৬২ সালের এপ্রিল মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে বিখ্যাত এক সঙ্গীত পরিবারে তার জন্ম হয়। তার বাবা সঙ্গীতজ্ঞ সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁ।

ছোটবেলায় অগ্রজ ফকির আফতাবউদ্দিন খাঁর কাছে সঙ্গীতে হাতেখড়ি হয় আলাউদ্দিন খাঁর। মাত্র দশ বছর বয়সে বাড়ি থেকে পালিয়ে এক যাত্রাদলের সঙ্গে যোগ দেন তিনি। সুরের সন্ধানে যাত্রাদলের সঙ্গে ঘুরে বেড়ান গ্রামে গ্রামে। ওই সময় তিনি জারি, সারি, বাউল, ভাটিয়ালি, কীর্তন, পাঁচালি প্রভৃতি গানের সঙ্গে পরিচিত হন। পরে কলকাতায় গিয়ে তিনি প্রখ্যাত সঙ্গীত সাধক গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য ওরফে নুলো গোপালের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। বাঁশি, পিকলু, সেতার, ম্যাডোলিন, বেঞ্জো ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখেন সঙ্গীত পরিচালক অমৃত লাল দত্ত ওরফে হাবু দত্তের কাছ থেকে। সেইসঙ্গে তিনি লবো সাহেব নামে এক গোয়ানিজ ব্যান্ড মাস্টারের কাছে পাশ্চাত্য রীতিতে এবং বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ অমর দাসের কাছে দেশীয় পদ্ধতিতে বেহালা শেখেন। এ ছাড়া হাজারী ওস্তাদের নিকট মৃদঙ্গ ও তবলা শেখেন। এভাবে তিনি সর্ববাদ্যবিশারদ হয়ে ওঠেন।

ব্রিটিশ সরকার তাকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে। ভারত সরকার ১৯৫২ সালে তাকে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমি সম্মান’, ১৯৭১ সালে ‘পদ্মভূষণ’, ১৯৬১ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।

এসএ/

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি