ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯, || ভাদ্র ৭ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

কবি ও অনুবাদক অরুণাচল বসু’র প্রয়াণ দিবস আজ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:২৪ ২৪ জুলাই ২০১৯

কবি ও অনুবাদক অরুণাচল বসু’র প্রয়াণ দিবস আজ। তিনি ১৯৭৫ সালের আজকের এই দিনে না ফেরার দেশে চলে যান। তিনি বর্তমান বাংলাদেশের যশোরের ডোঙ্গাঘাটায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম অশ্বিনীকুমার বসু এবং মাতা লেখিকা সরলা বসু।

অরুণাচল ছোটো থেকেই আঁকা এবং লেখালেখি করতেন। মাত্র ছয়-বছর বয়েসেই কবিতা লেখায় হাতেখড়ি তার। বেলেঘাটার দেশবন্ধু হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময়ে সুকান্ত ভট্টাচার্যের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল। অল্পবয়সেই তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন; প্রত্যক্ষ রাজনীতি থেকে সরে আসেন পার্টির বিভাজনের কিছু পরে। তিনি কিছুকাল ‘সোভিয়েত দেশ’ পত্রিকা ফেরি, ‘স্বাধীনতা’ পত্রিকায় প্রুফ রিডারের চাকরি করেছেন, একসময় লন্ড্রি ব্যবসাও চালিয়েছেন।

অরুণাচল বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দীর্ঘদিন কবিতা, গান, ছড়া ইত্যাদি লিখেছেন। তিনি চীনা, তুর্কী, জাপানী এবং রুশ ভাষার অনেক কবিতা অনুবাদ করেছেন। প্রথম-জীবনে চিত্রশিল্পী হিসাবে পরিচিত হয়েছিলেন। এছাড়া নতুন সংস্কৃতি নামক একটি সংস্থার মূল সংগঠকও ছিলেন।

কবির জীবদ্দশায় মাত্র দুটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল— ‘পলাশের কাল’ ও ‘দূরান্ত রাধা’। এ ছাড়া ‘কবি কিশোর সুকান্ত’ (সরলা বসুর সাথে), ‘সুকান্ত : জীবন ও কাব্য’ প্রভৃতি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। অনুবাদক হিসাবেও তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। মূলত রাশিয়ান কবিতার অনুবাদ করলেও অন্যান্য দেশের কবিতাও অনুবাদ করেছিলেন। প্রায় সাঁইত্রিশ বছর তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এবং পাণ্ডুলিপিতে লেখালেখি করেছেন। এ ছাড়াও তার আঁকা বিভিন্ন পত্রপত্রিকার প্রচ্ছদ আকারে প্রকাশ হয়েছিল। মৃত্যুর প্রায় সাতাশ বছর পরে ‘অরুণাচল বসুর সংকলিত কবিতা’ নামে তার রচিত কবিতা, গান ও অনুবাদ নিয়ে একটি সংকলন প্রকাশিত হয়।

তিনি সেরিব্রাল থ্রম্বোসিসে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের ২৪ জুলাই (বাংলা ৭ শ্রাবণ ১৩৮২) মৃত্যুবরণ করেন।

এসএ/

 

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি