ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২২ আগস্ট ২০১৯, || ভাদ্র ৭ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

কবি বেলাল চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত : ০৮:৪৮ ২৪ এপ্রিল ২০১৯ | আপডেট: ১২:৪৫ ২৪ এপ্রিল ২০১৯

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি বেলাল চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৮ সালের আজকের এই দিনে রাজধানীর ধানমণ্ডির আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

১৯৩৮ সালের ১২ নভেম্বর ফেনীর শর্শদীতে বেলাল চৌধুরীর জন্ম। রফিকউদ্দিন আহমদ চৌধুরী ও কবি মনিরা আখতার খাতুন চৌধুরী দম্পতির নয় সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ তিনি। ১৯৫২ সালে বামপন্থি রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে জেলে যান তিনি। সাংবাদিকতা, জেলখাটা ও গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার বিচিত্র পর্ব পেরিয়ে ১৯৬৩ সালে কলকাতায় পাড়ি জমান বেলাল চৌধুরী। সেখানেই তার সাহিত্যজগতের পূর্ণ আর্ভিভাব ঘটে। বেলাল চৌধুরী ১৯৭৪ সালে কলকাতা থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকেই প্রগতিশীল রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন ওতপ্রোতভাবে। জাতীয় কবিতা পরিষদ ও পদাবলি কবিতা সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

কলকাতা-বাসের সময় সাহিত্য পত্রিকা কৃত্তিবাস সম্পাদনায় যুক্ত হয়ে পড়েন তিনি। পরে বিভিন্ন সময় সম্পাদনা করেছেন পল্লীবার্তা, সচিত্র সন্ধানী, ভারতবিচিত্রা। সম্পাদনা করেছেন বন্ধু সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিবাহ উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকাও।

স্বনামের পাশাপাশি তিনি বল্লাল সেন, ময়ূরবাহন, সবুক্তগীন ছদ্মনামেও লিখেছেন। তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- নিষাদ প্রদেশে, বেলাল চৌধুরীর কবিতা, আত্মপ্রতিকৃতি, স্থির জীবন ও নিসর্গ, জলবিষুবের পূর্ণিমা, সেলাই করা ছায়া, কবিতার কমলবনে, বত্রিশ নম্বর, যে ধ্বনি চৈত্রে শিমুলে, বিদায়ী চুমুক। তার অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে- স্টম্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানল, ডুমুরপাতার আবরণ, চেতনার রঙ চন্দ্রশিলা, মিশ্রচিত্রপট, নিরুদ্দেশ হাওয়ায় হাওয়ায় ও জীবনের আশ্চর্য ফাল্কগ্দুন।

একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন তিনি।

এসএ/

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি