ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির আসামি আবুল কালাম আজাদ
প্রকাশিত : ১৪:৫৩, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ। তাঁর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমর্পণ করেন তিনি।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী গেল বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। গত ২২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (কারা-২) শাখা থেকে জারি করা এক আদেশে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে সরকার।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয় হয় আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেওয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কারণে সে সব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেয়নি ট্রাইব্যুনাল।
অপর একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়েছে।
২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।
তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, নয়জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত এ রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
এর আগে ২০১১ সালের ১০ এপ্রিলে আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়। এরপর ২০১২ সালের মার্চে রাষ্ট্রপক্ষ তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করে। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে যান তিনি।
এএইচ
আরও পড়ুন










