ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সেই সোহাগ ভূঁইয়া
প্রকাশিত : ১৮:৫৯, ১৮ মে ২০২৬ | আপডেট: ১৯:৪৩, ১৮ মে ২০২৬
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছাত্রনেতা সোহাগ ভূঁইয়া। আসন্ন কমিটিতে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন।
সোহাগ ভূঁইয়া মনে করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ, একাধিক মামলা, কারাভোগ ও রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হওয়াসহ দলের জন্য তার ত্যাগ তাকে এ পদের একজন যোগ্য দাবিদারে পরিণত করেছে।
দলের সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা বলছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলন, বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় ধারাবাহিক সক্রিয়তার কারণে সোহাগ ভূঁইয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে তিনি শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, এক নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সর্বশেষ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে সোহাগ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ৭৬টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন এবং রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হন। দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘মাঠের কর্মী’ ও ‘ত্যাগী ছাত্রনেতা’ হিসেবে পরিচিত।
এ ছাড়া তাকে পাঁচ দিন গুম করে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার পরিবারের ২১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। পাঁচ দিন পর গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তার সন্ধান মেলে। একটি মামলায় আদালত তাকে ১০ বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দেন এবং তিনি সেই সাজা ভোগ করছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি মুক্তি পান।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবার এমন ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করছে যারা মাঠে সক্রিয়, সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে দক্ষ। সেই বিবেচনায় সোহাগ ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এ পদের জন্য আরও কয়েকজন নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। শেষ পর্যন্ত দলীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তেই চূড়ান্ত নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে।
এ বিষয়ে সোহাগ ভূঁইয়া বলেন, “দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, ইনশাআল্লাহ তা যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব। আমার কাছে সর্বক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্তই বড়। পদ-পদবির বিষয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটিই চূড়ান্ত।”
এমআর//
আরও পড়ুন










