ঢাকা, বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, || অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২১:৪৮ ১ আগস্ট ২০১৯ | আপডেট: ২১:৫১ ১ আগস্ট ২০১৯

বাংলাদেশে অর্থনীতি বিষয়ক সাংবাদিকতার অন্যতম দিকপাল এ এইচ এম মোয়াজ্জেম হোসেনের প্রথম মূত্যুবার্ষিকী আজ। ফুসফুসের জটিলতায় বেশ কিছু দিন রোগে ভুগে ২০১৮ সালের ১ অগাস্ট আজকের এই দিনে মারা যান তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

১৯৯৩ সালে বাংলাদেশের প্রথম অর্থনীতি বিষয়ক ইংরেজি দৈনিক হিসেবে ফাইনানশিয়াল এক্সপ্রেসের যাত্রার শুরু থেকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন মোয়াজ্জেম হোসেন।

পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে কাজ শুরুর পর কয়েক দশকের সাংবাদিকতা জীবনে বাংলাদেশ অবজারভার, ডেইলি স্টার, নিউ নেশন, ইউএনবি, ঢাকা কুরিয়ারে কাজ করেছেন তিনি।

ফেনীর সন্তান মোয়াজ্জেম হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে ১৯৬৭ সালের স্নাতক এবং পরের বছর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

এরপর পাকিস্তানের করাচিতে হাবিব ব্যাংকে অফিসার পদে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি; কিন্তু পরে পেশা বদলে চলে আসেন সাংবাদিকতায়।

১৯৭০ সালে পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন মোয়াজ্জেম হোসেন, পরে বাংলাদেশ অবজারভারে বিশেষ সংবাদদাতা হয়েছিলেন।

কয়েক দশক ইংরেজি সাপ্তাহিক ‘হলিডে’তে বিশ্লেষণধর্মী অর্থনৈতিক প্রতিবেদন লেখেন  মোয়াজ্জেম হোসেন। কাজ করেন নিউ নেশন, ইউএনবি, ঢাকা কুরিয়ারে।

১৯৯১ সালে এস এম আলীর সম্পাদনায় দি ডেইলি স্টার প্রকাশিত হলে এর ‘বিজনেস এডিটর’ হিসেবে যোগ দেন তিনি ।

১৯৯৩ সালে ফাইনানশিয়াল এক্সপ্রেস প্রকাশ শুরু করেন তিনি। ইন্টারন্যাশনাল পাবলিকেশনস লিমিটেডের (আইপিএল) মালিকানায় ইংরেজি এই দৈনিকটি প্রকাশিত হচ্ছে। আইপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকেরও দায়িত্বও তিনি পালন করছিলেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন ১৯৯৫ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) এবং ১৯৯৭ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন।

তিনি জনতা ব্যাংক ও ন্যাশনাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য ছিলেন।

অর্থনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মোয়াজ্জেম হোসেন।

আরকে/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি