ঢাকা, শনিবার   ১৫ আগস্ট ২০২০, || শ্রাবণ ৩১ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

পর্ব-৩

হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজন কায়িক পরিশ্রম

প্রকাশিত : ১৫:০৭ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ১১:০৯ ২ অক্টোবর ২০১৭

এবারের বিশ্ব হার্ট দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পাওয়ার ইওর হার্ট, শেয়ার ইওর হার্ট’। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে। অর্থাৎ বিশ্বে প্রতিবছর ১ কোটি ৭৭ লাখ বা মোট মৃত্যুর ৩১ শতাংশ ঘটে হৃদরোগের কারণে। এ প্রেক্ষাপটে হার্ট সুস্থ রাখতে কায়িক পরিশ্রমকে বেশি জরুরি।  

হার্ট সুস্থ রাখার ব্যাপারে তিনি একুশে টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার আহম্মদ বাবুকে বলেন, হার্ট সুস্থ রাখার জন্য প্রয়োজন প্রতিদিন কায়িক পরিশ্রম করা। এরমধ্যে হাঁটা একটি ব্যায়াম, যা হার্ট সুস্থ রাখে। একজন মানুষ যদি প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে হাঁটেন তাহলে তার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১৭ শতাংশ কমে যায়। তিনি যদি সপ্তাহে ৩ ঘন্টা হাঁটেন তাহলে ৩৫ শতাংশ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যায়। এতে রক্তে যে খারাপ চর্বি, যেটাকে আমরা এলডিএল বলি সেটা কমে যায় এবং যেটাকে ভালো চর্বি বলি এসডিএল সেটা বেড়ে যায়। এতে হার্ট এর্টাকের ঝুঁকি কমে যায়।

এছাড়া হাঁটার আরো অনেক উপকারিতা আছে। যেমন-অক্সিজেন বেড়ে যায়, লাংসের ক্যাপাসিটি বেড়ে যায়। যদি ডায়াবেটিস থাকে সেটা কনট্রোল হয়। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে সেটা কন্ট্রোল হয়। দুঃচিন্তা থাকলে সেটাও কমে যায়। এছাড়াও যদি কারো ডায়াবেটিস থাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তামাক জাতীয় পণ্য পরিহার করতে হবে এবং সর্বোপরী খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।

সুষম খাদ্য যেমন- প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন মতো যেন থাকে সেভাবে গ্রহণ করতে হবে। চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। তাহলে হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমে আসবে। হ্রদরোগ আমাদের দেশে দিনদিন বেড়েই চলছে। হ্রদরোগের ভিতরে করোনারি হার্টের ডিজিজ আমরা যেটাকে বলি হার্ট অ্যাটাক। হার্ট অ্যাটাকের ইনসিডেন্স দিনদিন বেড়েই যাচ্ছে।

আমরা প্রচুর হার্ট অ্যাটাকের রোগী পাই। তাদের চিকিৎসা করতে হয়। অর্থাৎ হার্ট অ্যাটাকের দিন দিন বেড়েই চলেছে।

হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা ব্যয় বহুল। আমরা জেনেই গেলাম হার্ট অ্যাটাক কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়। তারপরও হার্টের অসুখ হয়েই যায়, হার্ট অ্যাটাক হয়েই যায়। আমাদের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ভালো এবং উন্নত মানের চিকিৎসা হচ্ছে। প্রথমত: যদি করো  হার্ট অ্যাটাক হয়, বুকে তীব্র ব্যাথা হয়, অস্থির লাগে তাহলে তার ব্যাগে থাকুক নিকটস্থ ফার্মেসি থেকে কেনা ৪টি এসপিরিন ট্যাবলেট। যার দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সাথে সাথে খেয়ে নিয়ে যদি নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে ইমেডিয়েটলি চিকিৎসা শুরু করা যায় তবে ভালো হয়।

সরকারি এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি যাতে কমানো যায়। হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা যাতে ভালো হয় উন্নত মানের হয়, প্রাইভেট চিকিৎসা যাতে আরো ভালো হয় সেদিকে সরকার নজর রাখছে।

লেখক : জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের পরিচালক।

ডব্লিউএন

 


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি