ঢাকা, রবিবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, || আশ্বিন ৭ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

১৯৭৫ থেকে ২০১৯-ষড়যন্ত্র পিছু ছাড়ছে না

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৯:১০ ১৩ আগস্ট ২০১৯ | আপডেট: ১৯:১২ ১৩ আগস্ট ২০১৯

আজ পহেলা আগস্ট। শোকের মাসের পয়লা দিন। আগস্ট মাস এলেই মনটা যেন কেমন হয়ে যায়। আনমনা হয়ে ভাবি এমনটা কেন হলো, কি করে হলো। কি করে মানুষ এতবড় বিশ্বাসঘাতক হতে পারে, কি করে দেশ ও জাতির সঙ্গে এতবড় মোনাফেকী করতে পারে।

যে মানুষটার জন্ম না হলে বাংলাদেশ কোনো দিন স্বাধীন হতো না, সেই মানুষটিকেই কিনা স্বপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায়। এটা তো এখন দিবালোকের মতো সত্য, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ছিল, যার সঙ্গে যোগ দিয়েছিল এদেশীয় একটি গোষ্ঠী।

এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারীদের বিচার হয়েছে এবং একাংশের শাস্তি কার্যকরও হয়েছে। কিন্তু ৪৪ বছর পর ২০১৯ সালে এসে এখনও দেখছি পঁচাত্তরের ষড়যন্ত্রকারী এবং ওই হত্যাকাণ্ডের সুবিধাভোগিরা সেই একই উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। তাই ৪৪ বছর পরে এসে আবার ফিরে তাকাতে হচ্ছে সেদিন ষড়যন্ত্রের জাল কিভাবে বোনা হয়েছিল এবং কিভাবে তারা এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপটটি তৈরি করেছিল।

ঘরের শত্রু বিভীষণ, এনিমি উইদিন। এটিই সবচাইতে বিপজ্জনক দিক। বিশ্বের বড় বড় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিশ্লেষণে দেখা যায় হত্যাকাণ্ডের শিকার যিনি হয়েছেন তার একেবারে কাছের বা ঘনিষ্ট কোন ব্যক্তির যোগসাজস ও সহযোগিতা না থাকলে এমন হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করা কোনভাবেই সম্ভব হতো না। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগার থেকে ফিরে এসে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিলেন। যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশ। রাস্তাঘাট, কল-কারখানা কিছুই নেই। বৈদেশিক মুদ্রা বলতে এক ডলারও নেই। ভারত থেকে এক কোটি শরণার্থী ফিরে আসছে তাদের পুনর্বাসন। পাকিস্তানে আটকা পড়া প্রায় চার লাখ বাঙালির স্বজনদের আহাজারি।

বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার সপ্তম নৌবহর। উপযুক্ত অজুহাত পেলেই ঝাপিয়ে পড়বে, এমন আশঙ্কা। পাকিস্তানের সহায়তায় জামায়াত নেতা গোলাম আজমের লন্ডন বসে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার আন্দোলন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্য হওয়ার বিরুদ্ধে চীনের একের পর এক ভেটো প্রয়োগ। এতসব বড় বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে স্বল্প সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু একটা স্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে ফেলেছিলেন।

কিন্তু এনেমি উইদিন, সরকারের প্রশাসন এবং তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের ইন্টারনাল ষড়যন্ত্রকারিরা ততদিনে মোক্ষম ছদ্মবেশ ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর একেবারে কাছাকাছি থেকে হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রটি প্রস্তুত করে ফেলতে সক্ষম হয়। প্রশাসনে শতকরা নব্বই ভাগ কর্মকর্তা ছিলেন তারাই, যারা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় একই পদে বসে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সকল অপকর্মের সহযোগী হয়েছেন।

কিউবার অবিসংবাদিত নেতা, যাকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা শতবারেরও অধিক চেষ্টা করেও হত্যা করতে পারেনি, সেই ফিদেল ক্যাস্ট্রো বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, শেখ মুজিব, পাকিস্তানি মনোভাবাপন্ন প্রশাসন দিয়ে তুমি বাংলাদেশ তৈরি করতে পারবে না, চালাতেও পারবে না। কাপুরুষেরা বীরদের সাফল্যে সব সময় হীনমন্যতা, ঈর্ষাপরায়ণতা ও পরশ্রীকাতরতায় ভোগে। ফলে বীরোচিত অর্জনের প্রতি তাদের কোন আগ্রহ থাকে না, বরং সেই অর্জনকে শেষ করতে পারলেই তারা পুলকিত হয়, যুগে যুগে দেশ কাল পাত্র ভেদে এটাই দেখা গেছে।

একাত্তরে ঢাকায় বসে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সহযোগী বাঙালি কর্মকর্তারা, যখন স্বাধীন দেশেও গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে গেল তখন সহজাত কারণেই ষড়যন্ত্রকারীরা সহজেই তাদের ব্যবহার করতে সক্ষম হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যখন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় তখন রাষ্ট্রের প্রশাসনসহ প্রধান প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার টপ পোস্টে কর্মরত ছিলেন ওইসব কর্মকর্তা, যারা ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দালালি করেছেন, আর নয়তো সেই সব কর্মকর্তা যারা পাকিস্তানে আটকা পড়েছিলেন। সুতরাং যা হবার তাই-ই হয়েছে।

একটা উদাহরণ দেই। ১৯৭৪ সালে একটা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল এবং তাতে কিছু মানুষ মারা যায়। ওই সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্যের চালান মাঝপথে এসেও ফেরত যায়। সে সময়ে বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য সচিব ছিলেন আবদুল মোমেন খান। তখন খাদ্য সচিব হিসেবে তিনি কতখানি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বা ব্যর্থ হয়েছিলেন সেই প্রশ্নটি ওঠা স্বাভাবিক। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসেই ওই আবদুল মোমেন খানকে খাদ্যমন্ত্রী বানালেন।

দুর্ভিক্ষের সময় রংপুরের এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধি নারী বাসন্তীকে জাল পরিয়ে ছবি তুলে সেই ছবি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া হলো বাংলাদেশের নারীরা অভাবের কারণে ইজ্জত রক্ষা করতে পারছে না। পরবর্তীতে জানা গেছে কারা কিভাবে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতিবন্ধী নারীকে জাল পরিয়ে ছবি তোলে এবং তা প্রচার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, তখন একখানা শাড়ী কাপড়ের চাইতে একখানা জালের মূল্য ছিল অনেক বেশি। পঁচাত্তরের ষড়যন্ত্রকারিরা প্রথমে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিরোধী কর্মকর্তাদের দ্বারা সরকারের প্রশাসনকে পরিপূর্ণভাবে পাকিস্তানিকরণের মাধ্যমে নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেয়। তাতে ১৫ আগস্টে বিষাদ সিন্ধু রচনার প্রথম ক্ষেত্রটি তৈরি হয়ে যায়।

তারপর আদর্শের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত এমন নেতা তাজউদ্দিন আহমদকে বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুর কাছে চলে আসল বিশ্বাসঘাতক খোন্দকার মোশতাক ও তার গ্রুপ। তাতে আরেক ধাপ এগিয়ে যায় শত্রুপক্ষ। হত্যাকাণ্ডের ফুট সোলজার হিসেবে যারা কাজ করেছেন তারা তৎকালীন উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের আশির্বাদপুষ্ট হওয়ার কারণে অপ্রতিরোধ্য জায়গায় চলে যায়। তারপরই আসে সেই কাল রাত্রি ১৫ আগস্ট ১৯৭৫। জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের জড়িত থাকার কথা এখন আর গোপন কিছু নয়।

পঁচাত্তরের রক্তাক্ত অধ্যায়ের বেনিফিশিয়ারি হিসেবে ক্ষমতায় আসা সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের হাত ধরে রাজনৈতিক পুনরুত্থান ঘটে সেসব দল ও রাজনৈতিক পক্ষের, যারা মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কখনোই মেনে নিতে পারেনি। ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল, দীর্ঘ ২১ বছর রাষ্ট্র যেভাবে পরিচালিত হয়েছে ও যারা পরিচালনা করেছেন তারা এবং তাদের আদর্শ ও দৃষ্টিভঙ্গির একটু নিখুঁত নির্মোহ মূল্যায়ন করলে দেখা যাবে, তারা সবাই মিলে চেষ্টা করেছেন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও দর্শন যেন বাংলাদেশে আর কখনো ফিরে না আসে। পরিণতি, বাংলাদেশ নামের খোলসে, আরেকটি পাকিস্তান। তারা পরিপূর্ণভাবে সফল হয়নি এটা যেমন ঠিক, তেমনি এটাও ঠিক, দেশ ও রাষ্ট্রযন্ত্রের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন কিছু শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পেরেছেন, যাতে ক্ষমতার বাইরে থেকেও লক্ষ্য অর্জনে তারা যেন লড়াইটা অব্যাহত রাখতে পারে।

১৯৭৫ সাল থেকে ফাস্ট ফরোয়ার্ড করে আমরা ২০১৯ সালে চলে এলে কি দেখতে পাই। প্রথমত দেখতে পাই, গত ১০-১১ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সর্বদিক থেকে রাষ্ট্র একটা মর্যাদাপূর্ণ আসনে অধিষ্ঠিত এবং বিশ্বের নামজাদা সব আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং থিঙ্কট্যাংকের প্রিডিকশন হলো এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশকে আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। দ্বিতীয়ত, দেখতে পাই, রাষ্ট্রকে পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের দর্শন ও আদর্শের ওপর পরিপূর্ণভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে প্রশংসনীয় অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তৃতীয়ত দেখতে পাই, ১৯৭৫ সালের পর পুনরুত্থিত ও নতুনভাবে আবির্ভূত মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিরোধী পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি ক্রমশই কোণঠাসা হচ্ছে। তবে অপতৎপরতা ও অপপ্রচারের মাধ্যমে যে কোন অঘটন ঘটানোর মতো সক্ষমতা এখনো অটুট আছে।

প্রশাসনের সকল সেক্টরে এদের বড় সংখ্যক কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, যারা দিনে বঙ্গবন্ধু, আর রাতে বিভীষণ। এদের মধ্যে অনেকেই বর্তমান সরকারি দলের কিছু নেতার আশির্বাদপুষ্ট ও ছত্রছায়ায় আছে বলে কেউ কিছু বলতে পারছে না। যেমনটি দেখেছিলাম ১৯৭৫ সালের প্রথম দিকে, সে সময়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর সহযোগী।

একথা সত্যি যে, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষের জনবলগত ও রাষ্ট্রের সকল অঙ্গনে নেটওয়ার্কভিত্তিক একটা শক্তি থাকলেও নিজেদের হিমালয়সম ভুল রাজনীতির পরিণতিতে তারা প্রকাশ্য রাজনীতিতে তেমন আর সুবিধা করতে পারবে না। তাই পরাজয় উন্মুখ অশুভ শক্তির সহজাত স্বভাবের অনুসরণে তারা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিবে সেটাই স্বাভাবিক। সেই ষড়যন্ত্রের মূল টার্গেট শেখ হাসিনা। কারণ, শেখ হাসিনা সক্রিয় থাকা পর্যন্ত তাদের কোন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই, যে পর্যন্ত তারা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পাকিস্তানপন্থী রাজনীতি থেকে ফিরে না আসে। তাই ২০০৯ সাল থেকে তারা ষড়যন্ত্রের ক্ষেত্র প্রস্তুতসহ ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের অনবরত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার বহু চেষ্টা হয়েছে। বিএনপি-জামায়াত তো সশস্ত্র পন্থায় করতে চেয়েছে, আর ২০০৭-২০০৮ সালে করতে চেয়েছে ছদ্মবেশি এক বড় ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী। ২০০৯ সালে নতুন করে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর নতুন ষড়যন্ত্রের শুরু হয় ওই বছর ভয়াবহ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে। তারপর শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, সশস্ত্র জঙ্গিদের মাঠে নামানো, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে বানচাল করার অপচেষ্টা, ২০১৫ সালের প্রথম দিকে লাগাতার অবরোধের নামে জ্বালাও পোড়াওয়ের মাধ্যমে নিরীহ মানুষ হত্যা সবই ছিল বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। এতে তারা ফেল করেছে। কিন্তু থেমে নেই। চাকরিতে কোটা বিরোধী আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ওপর ভর করে তারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। এ পর্যন্ত ষড়যন্ত্রের সর্বশেষ সংস্করণ ছিল এই মর্মে গুজব সৃষ্টি যে, পদ্মা সেতুতে মানুষের মাথা লাগবে, আর সে জন্যে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কর্তৃপক্ষ দেশের সর্বত্র ছেলেধরা লাগিয়ে দিয়েছে।

ষড়যন্ত্রকারীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দেশজুড়ে একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করে রেখেছিল, যার ফলে দেখা গেল এক জায়গায় গুজব ও গণপিটুনিতে তথাকথিত ছেলেধরা নিহত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তাতে মারা পড়ে দশজন, আহত হয় অনেকে। তবে মিডিয়া ও প্রশাসনের তড়িত ভূমিকার কারণে ষড়যন্ত্রকারীরা বেশি দূর এগোতে পারেনি।

এর মধ্যে আবার প্রিয়া সাহা নামের একজন বাংলাদেশী নাগরিক কি করে যেন কিভাবে আমেরিকান প্রশাসনের একেবারে অন্দরমহলে ঢুকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও অবাস্তব অভিযোগ তুলে জননিরাপত্তার জন্য একটা বাড়তি হুমকি সৃষ্টি করেছেন। প্রিয়া সাহার এই কর্মকাণ্ডকে ছোট বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এগুলো সবই ষড়যন্ত্রের অংশ। কে কোথা থেকে কি করছে তা বুঝে ওঠা মুশকিল। কারণ আজকাল ছদ্মবেশী পোশাকের কোন অভাব নেই, সহজেই পাওয়া যায়। সুতরাং সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের পিছু ছাড়ছে না।

লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

এমএইচ/

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি