ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ৬:৫৫:৫২

পটুয়াখালিতে শাহী মসজিদ ঘিরে পর্যটন সম্ভাবনা(ভিডিও)

পটুয়াখালিতে শাহী মসজিদ ঘিরে পর্যটন সম্ভাবনা(ভিডিও)

পটুয়াখালীর প্রাচীন স্থাপনা শাহী মসজিদ দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। তবে রক্ষাণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সাড়ে চারশ’ বছরের পুরোনো শাহী মসজিদটি সংস্কারের পাশাপাশি সংরক্ষণ করা হলে পর্যটন সম্ভাবনা বাড়বে বলে মনে করেন এলাকাবাসী। উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে মজিদ বাড়িয়া গ্রামের শাহী মসজিদ। সঠিক ইতিহাস জানা না থাকলেও স্থানীয়দের ধারনা ১৪৬৫ খ্রিস্টাব্দের কোনো এক সময়ে  রোকুনউদ্দিন বরবক শাহ এর আমলে খান অজিয়াল খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন। প্রায় সাড়ে ৪শ বছরের প্রাচীন নির্মাণ শৌলি ও সুক্ষ কারুকাজে নির্মিত মসজিদটি এ অঞ্চলের মুসলিম ইতিহাস আর ঐতিহ্যের নিদর্শন। মসজিদটি দেখতে প্রতিদিনই দুর দুরান্ত আসেন বহু মানুষ।  তবে দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় মসজিদের অনেক কারুকাজ নষ্ট হয়ে গেছে। খসে পড়েছে ইট সুড়কিও। সম্প্রতি সংস্কার হলেও বর্ষার সময় মসজিদের ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। মজিদবাড়িয়া শাহী মসজিদটি এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে। শিগগিরি মসজিদটিসহ জেলার সকল প্রাচীন স্থাপনা সংরক্ষনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ঘুরে আসতে পারেন সীতাকুণ্ডের দর্শনীয় স্থানগুলো

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চল খ্যাত সীতাকুণ্ড। এর একদিকে সুউচ্চ পাহাড়, অন্যদিকে সুবিশাল সমুদ্র। প্রকৃতির এমন উদারতা দেশের অার কোথাও সচরাচর চোখে পড়ে না। দীর্ঘদিন ধরে সীতাকুণ্ড হিন্দুদের তীর্থ স্থান ও কৃষিভূমির জন্য বিখ্যাত হলেও গত দুই দশকের বেশি সময় ধরে পরিচিত হয়ে উঠছে পর্যটনের জন্য। এই জেলার পর্যটনক্ষেত্রগুলোতে একদিকে যেমন রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার অনেক পুরনো নিদর্শন তেমনি রয়েছে প্রকৃতির অপূর্ব সমারোহ। সীতাকুণ্ডের সৌন্দর্য্যের স্থানগুলো তুলে ধরা হলো- সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ পাহাড়: শুধু মহাকাব্য হিসেবেই নয়; হিন্দুধর্মে পুরাণ হিসেবে রয়েছে রামায়ণের ব্যাপক গুরুত্ব। রামায়নের প্রেক্ষাপটে রাম-সীতা-লক্ষণের কাহিনীর সঙ্গে ভারতবর্ষের যেসব স্থান জড়িত তার অন্যতম সীতাকুণ্ড। সীতাকুণ্ড পৌরসদর থেকে এক কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত চন্দ্রনাথ পাহাড়কে কেন্দ্র করে হাজার হাজার বছর ধরে এসব উপাখ্যান ঘুরছে মানুষের মুখে মুখে। পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত সীতার কুণ্ড, রাম-লক্ষণের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। হিন্দু গ্রন্থ অনুসারে সতী দেবীর দক্ষিণ হস্ত পতিত হয়েছিল এখানে। অাপনি এখানে বেড়াতে এলে শুধু বেড়ানোই হবে না, পাশাপাশি অনেক পুরাণ অাপনাকে ছুঁয়ে যাবে নিজের অজান্তে। সাড়ে তিন কিলোমিটার উঁচু চন্দ্রনাথ পাহাড়ের একেবারে উপরে অবস্থিত চন্দ্রনাথ মন্দির। সেখান থেকে শুরু করে একেবারে নীচ পর্যন্ত পুরো পাহাড় জুড়ে রয়েছে ছোট বড় অসংখ্য মন্দির। ঠিক কতোগুলো মন্দির এখানে রয়েছে তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। তবে অাপনি বেড়ানোর সময় অাপনার চোখে উল্লেখযোগ্য যে মন্দিরগুলো চোখে পড়বে সেগুলো হলো শংকর মঠ, ব্যাসকুণ্ড পুকুর, শয়ম্ভুথাথ বাড়ি ইত্যাদি। এছাড়া সীতাকুণ্ড সদর জুড়ে অাছে ক্রমধেশ্বরী কালী মন্দির, ভোলানন্দ গিরি সেবাশ্রম, কাছারী বাড়ি, শনি ঠাকুর বাড়ি, প্রেমতলা, শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রাহ্মচারী সেবাশ্রম, শ্রী রামকৃষ্ণ সেবাশ্রম, গিরিশ ধর্মশালা, দোল চত্বর, এন,জি,সাহা তীর্থযাত্রী নিবাস, তীর্থ গুরু মোহন্ত আস্তানা, বিবেকানন্দ স্মৃতি পঞ্চবটি, জগন্নাথ আশ্রম, শ্রীকৃষ্ণ মন্দির, মহাশ্মশান ভবানী মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, বিরুপাক্ষ মন্দির, পাতালপুরী, উল্টা কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির ইত্যাদি। এই পাহাড় ও তীর্থভূমিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর ঘটা করে পালিত হয় শিব চতুর্দশী মেলা। যা প্রায় হাজার বছরের ঐতিহ্য। বাংলাদেশ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা, মিয়ানমার থেকে এই মেলায় প্রচুর দর্শনার্থী এসে থাকে। প্রতি বছর মেলায় প্রায় ১০ লাখের বেশি লোকের সমাগম হয়। সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক: সীতাকুণ্ড পৌর সদর থেকে মাত্র মাত্র দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পার্শ্বে সমতল ভূমি ও পাহাড় জুড়ে স্থাপিত হয়েছে সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক। এখানেই প্রতিষ্ঠিত দেশের অন্যতম বোটানিক্যাল গার্ডেন সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন। প্রচুর গাছগাছালি ও সবুজের সমারোহে পাহাড়ের বুক চিরে উঠে গেছে সরু রাস্তা। এই রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে দেখবেন চিত্রা হরিণ, খরগোসসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী। পাহাড়ের উপরে অবস্থিত সৌন্দর্য্যের অন্যতম উৎস বিশাল ঝর্ণা। যা `সুপ্তধারা` নামে পরিচিত। এই পাহাড়ে বসেই কবি নজরুল লিখেছিলেন, "অাকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ওই"। দারোগাহাট সহস্রধারা: সীতাকুণ্ড পৌরসদরের দুই কিলোমিটার দক্ষিণে ও ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে দেড় কিলোমিটার পূর্বে গেলেই অাপনাকে থমকে দাঁড়াতে হবে। দেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা অাপনার সামনে অবস্থিত। সমুদ্রের মতো গর্জন নয়, তবে অদ্ভুত এক মোহনীয় ঝংকার তুলে হাজার হাজার সারিতে পাহাড় থেকে নেমে অাসছে ঝর্ণার স্রোতধারা। প্রতিদিন প্রচুর নারী- পুরুষ, স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা বেড়াতে অাসছে এখানে। তারুণ্যের এমন কোলাহল সাম্প্রতিক সময়ে অার কোথাও ঘটে বলে মনে হয় না। স্বপরিবারে এখানে বেড়াতে এসেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা সাইফুল অালাম। স্ত্রী ও চার বছরের সন্তানকে নিয়ে বেড়াতে এসেছেন তিনি। এ প্রতিবেদককে বলেন, ঝর্ণার সামনে এলে মন বড় হয়। অামি অামার সন্তানকে এখানে এনেছি যেন তার মনে ঝর্ণার মন ভালো হয়। বাঁশবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকত: সীতাকুণ্ড পৌরসদর থেকে তিন কিলোমিটার দক্ষিণে ও ডিটি রোড থেকে এক কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত বাঁশবাড়ীয়া সমুদ্র সৈকত। বেড়ীবাঁধ সংলগ্ন এ সৈকতে সারাবছরই ভীড় থাকে নারীপুরুষের। এ সৈকতে হাঁটার সময়ে অাপনাকে ছুঁয়ে যাবে সমুদ্রের জল। ইচ্ছে করলে প্যান্ট গুটিয়ে নেমে পড়তে পারেন পানিতে। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট-এ ছুটে বেড়ায় হরিণ। বালুচরে ঘুরে বেড়ায় সামুদ্রিক কাঁকড়া। দর্শনার্থীদের ভীড় অাছে, কিন্তু সমুদ্রের গর্জনে তাদের কোলাহল ঢাকা পড়ে। তৈরি করে এক অপূর্ব নিস্তব্ধতা। সূর্য ডোবার সময় হাত বাড়িয়ে ছুঁতে পারবেন সূর্য। এখানে বেড়াতে এসেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফারহানা সাঁথিয়া। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে অালাপকালে সাঁথিয়া জানায়, সে প্রায় এখানে ঘুরতে অাসে বন্ধুদের সাথে। এখানে অাসতে হলে কক্সবাজারের দূরত্ব নেই, পতেঙ্গার ভীড় নেই, অাছে সমুদ্রের গর্জন অার সৌন্দর্য্যের সমারোহ। গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত: সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সবচেয়ে অালোচিত পর্যটন ক্ষেত্র গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত সীতাকুণ্ডে অবস্থিত। সীতাকুণ্ড পৌরসদর থেকে দুই কিলোমিটার পশ্চিমে সমুদ্রের কোল ঘেঁষে অবস্থিত গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, প্রচুর ঘাস, অার সমুদ্রের পানি-এই নিয়েই গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। বিশাল সবুজ চর জুড়ে অাছে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ। সবুজ ঘাসে কান পাতলে শুনতে পারবেন মাটির ভেতরে সমুদ্রের গর্জন। উপরে পাখির ডাক, নীচে সমুদ্রের গর্জন- এমন অনুভূতি দেশের অার কোথাও নেই। দেশের ভেতরে প্রকৃতিকে এমনভাবে উপভোগ করার এমন সুযোগ কেন হাতছাড়া করবেন? ভাটিয়ারী বিএমএ লেক: শহরতলীর এলাকা ভাটিয়ারী। ভাটিয়ারী বাজার থেকে এককিলোমিটার ভেতরে গেলেই শুরু হয় উঁচু নীচু পাহাড়। পাহাড়ের বুক চিরে চিকন সাপের মতো বয়ে গেছে রাস্তা। খাড়া পাহাড় বেয়ে রাস্তা কখনো উঠে যায় অনেককখানি। অাবার নামে। কখনো বাঁক ফিরে। কখনো মোচড় দেয় ঘুমন্ত অজগরের মতো। রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে গেছে লেক। ভাটিয়ারী বিএমএ লেক। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমী ( বিএমএ) পাশে অবস্থিত বিধায় একে বলা হয় বিএমএ লেক। লেকের স্বচ্ছ পানিতে চুল অাঁচড়ানো সম্ভব। লেক সংলগ্ন পাহাড়গুলোর দিকে তাকালে দেখবেন, উঁচু নীচু পাহাড়গুলোর শুরু অাছে শেষ নেই। বুঝতেই পারবেন না অাপনি কী বাংলাদেশে অাছেন নাকি দার্জিলিংয়ে। অাপনার গাড়ি যখন পাহাড় বেয়ে উঠবে তখন সৌন্দর্য্যের পাশাপাশি ভয়ে অাপনার দম বন্ধ হয়ে অাসা বিচিত্র কিছু নয়। অাবার গাড়ি যখন নামবে মেরুদণ্ড বেয়ে নেমে যাবে শীতল স্রোত। তবে অাপনি স্বীকার করতে বাধ্য হবেন, দার্জিলিংয়ের সৌন্দর্য্য দেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন অাপনি। প্রকৃতি তার উদারহস্তে সাজিয়েছে অামার বাংলার মাটিকে। এখানে পাহাড় সমুদ্রের সঙ্গম যেমন ঘটেছে তেমনি অাছে প্রচুর বনজ পশুপাখির মিলন। এসব রেখে কেন যাবেন নেপাল, ভুটান বা ভারতের দার্জিলিং। সীতাকুণ্ড ঘুরে অাসুন, তাহলে সত্যতা পাবেন এমন দাবির। অা অা// এসএইচ/

রাজবন বিহারে পর্যটকদের ভিড় (ভিডিও)

পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় স্থান রাঙামাটির রাজবন বিহার। প্রতিদিন শত শত পূণ্যার্থী ও পর্যটকের পদচারনায় প্রানচঞ্চল থাকে এই বিহার। রাজবন বিহারে রয়েছে অসংখ্য বানরের বিচরণ। যা পর্যটকদের কাছে বেশ আনন্দময়। তবে বানরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মাঝে মাঝে উৎপাতের মুখে পড়তে হয় পর্যটকদের। ১৯৭৪ সালে তৎকালীন চাকমা রাজার দান করা ৩৩ একর জমিতে গড়ে তোলা হয় বৌদ্ধদের পবিত্র তীর্থস্থান রাঙামাটি রাজবন বিহার। বিহারে আকর্ষনীয় বৌদ্ধ মন্দির, প্যাগোডা, ভিক্ষু সংঘের বাসস্থান ছাড়াও রয়েছে নানা প্রজাতির গাছ ও জীব বৈচিত্র। এর পাশাপাশি এখানে রয়েছে ৬শ’র বেশী বানর। তবে এসব বানরের জন্য নেই পর্যাপ্ত খাবার। ফলে কখনো দর্শনার্থীর কাছ থেকে কেড়ে নিচ্ছে খাবার। আবার বিভিন্ন বাসা থেকেও খাবার চুরি করছে বানররা। বানরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাত বেড়েছে বলে স্বীকার করেছে রাজবন বিহার কর্তৃপক্ষ।  গৌতম দেওয়ান, সভাপতি, রাঙামাটি রাজবন বিহার পরিচালনা কমিটি। তবে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি বনবিভাগের কর্মকর্তারা। পর্যটক ও পূণ্যার্থীদের কাছে রাজবন বিহারকে আরো আনন্দময় ও নিরাপদ করতে বানরের জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করার দাবী রাঙামাটিবাসীর।  এসএ/আআ

সুন্দরবনে তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসব শুরু

প্রতি বছরের ন্যয় এবারও সুন্দরবনের দুবলার চর আলোরকোলে ঐতিহ্যবাহী তিন দিনব্যাপী রাস মেলা শুরু হচ্ছে আজ বুধবার। আগামী শুক্রবার পূর্ণস্নানের মাধ্যমে এ মেলা শেষ হবে। রাস পূর্ণিমায় নিরাপদে যাতায়াতের জন্য তীর্থযাত্রীদের জন্য সুন্দরবন বন বিভাগ ৮টি পথ নির্ধারণ করেছে। এ সব পথে বন বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও কোস্টগার্ড বাহিনীর টহল দল তীর্থযাত্রী ও দর্শনার্থীদের জানমালের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। অন্যান্য বছর মেলা শুরুর কয়েকদিন আগে থেকে দর্শনার্থীরা সুন্দরবনে গমন করলেও নিরাপত্তার সার্থে এ বছর ২১ নভেম্বর ৬ টা থেকে যেতে পারবে। ২৩ নভেম্বর রাতে ফিরে আসতে হবে সব দর্শনার্থীদের। প্রবেশের সময় এন্ট্রি পথে নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। যাত্রীরা নির্ধারিত রুটের পছন্দমতো একটিমাত্র পথ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন এবং দিনের বেলায় চলাচল করতে পারবেন। সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, সুন্দরবন পূর্ব বন এবারের রাস মেলায় বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশ, নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, বনিবিভাগ, রাস কমিটির সঙ্গে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেটও থাকবে। তিনি আরও বলেন রাস মেলায় আগত দর্শকরা বনবিভাগের চেকিং পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও নৌকা, লঞ্চ বা ট্রলার থামাতে পারবে না। পরিবেশ দূষণ করে এমন বস্তু, মাইক বাজানো, পটকা ও বাজি ফোটানো, বিস্ফোরক দ্রব্য, দেশীয় যে কোনও অস্ত্র এবং আগ্নেয়াস্ত্র বহন থেকে যাত্রীদের বিরত থাকতে হবে। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে অবস্থানকালীন সব সময় টোকেন ও টিকিট নিজের সঙ্গে রাখতে হবে। একে// 

গ্রিসের টিলা মানুষের কাছে বড় আকর্ষণ

গ্রিসের মধ্যভাগে এক অপূর্ব নিসর্গ স্থানীয় মানুষের কাছেও বড় আকর্ষণ৷ ছোট বয়স থেকেই মানুষ সেখানকার টিলায় চড়তে অভ্যস্ত৷ এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সুন্দর সম্পর্কও তৈরি হয়৷ গ্রিসের মূল ভূখণ্ডের মাঝে মেটেওরা-র জাদুময় টিলা৷ যারা পাহাড় চড়তে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এই এলাকা যাকে বলে স্বর্গরাজ্য৷ যেমন ভাঙ্গেলিস বাৎসিয়স৷ পাহাড়ের পাদদেশে কাসত্রাকি নামের ছোট্ট জনপদে তিনি থাকেন৷ তিনি বলেন, ‘পাহাড় চড়াই আমার জীবন, সবকিছু। ঘুম থেকে উঠে পাহা়ড় দেখেই মনে হয়, তার উপর চড়তে হবে৷ জায়গাটা খুব ভালোবাসি৷’ প্রায় ২ কোটি বছর আগে সেখানে এক নদীর স্রোত থেকে পাথর, বালু ও কাদামাটি জমে এই টিলাগুলি সৃষ্টি হয়। আরিস্টিডিস মিত্রোনাৎসিয়স বহু বছর ধরে মেটেওরায় পর্বতারোহীদের সঙ্ঘের সভাপতি ছিলেন৷ তিনি এখনো পাহাড়ে ওঠেন৷ প্রায়ই সেখানে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে দেখা হয়৷ ভাঙ্গেলিস বাৎসিয়স ও তার বন্ধু ক্রিস্টস সুরভাকাস পাহাড়ে চড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ক্রিস্টস সুরভাকাস মেটেওরা-র প্রায় ৮০০ রুটের মধ্যে অন্যতম সুন্দর পথ বেয়ে উঠছেন। প্রায় ২৫০ মিটার উঁচু এই টিলায় ওঠার সময় তার বন্ধু নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রাখছিলেন৷ ক্রিস্টস বলেন, ‘এ এক মুক্তির স্বাদ৷ নিজেকে জানার, নিজের সীমা জানা, তা অতিক্রম করার উপায়৷ প্রথাগত চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে ভাবার পথ৷ অনেকটা যোগাসনের মতো৷ আসনের কসরত করতে করতে আরামের চেষ্টা করা৷ পাহাড় চড়া ছাড়া জীবনের কথা ভাবতেই পারি না৷’ ক্রিস্টস সুরভাকাস ও ক্রিস্টস বাটালোইয়ানিস আগামী বছরগুলিতেও ঘনঘন এই চূড়ায় উঠবেন, এমনটা ধরেই নেওয়া যায়। তথ্যসূত্র : ডয়েচে ভেলে এমএইচ/

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত পতিসর কাছারী বাড়ি(ভিডিও)

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসর কাছারী বাড়ি। যেখানে গড়ে ওঠা রবীন্দ্র জাদুঘরে, প্রতিদিনই দেখা মেলে দর্শনার্থীর। তবে সংস্কারের অভাব আর যাতায়াত অসুবিধার কারনে আকর্ষণ কমছে জায়গাটির। জাদুঘরের পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্র, ভাল রেস্টুরেন্ট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মধ্য দিয়ে জায়গাটিকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দাবী বেড়াতে আসা মানুষ আর স্থানীয়দের। নওগাঁর আত্রাই উপজেলার নিভৃত গ্রাম পতিসর। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কালীগ্রাম পরগণার জমিদারী লাভ করে ১৮৯১ সাল থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত এখানে আসেন নিয়মিত। তার মৃত্যুর পর পতিসর কাছারী বাড়িতে স্থাপন করা হয় রবীন্দ্র জাদুঘর। জাদুঘরটি দেখতে আসেন দেশ-বিদেশ পর্যটকরা। জাদুঘরে স্থান পেয়েছে কবির স্মৃতি বিজড়িত ব্যবহৃত সামগ্রী আর দূর্লভ ছবি। জায়গাটিকে আধুনিকায়ন করতে গড়ে তোলা হয়েছে ডাক বাংলো, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ কৃষি প্রযুক্তি ইনষ্টিটিউট, রবীন্দ্র জার্নাল, সান বাঁধানো ঘাট আর নাগর নদীর উপর ব্রীজ। কার্যক্রম চলছে ১০ম তলা আন্তর্জাতিক রবীন্দ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের। তবে কাছারীবাড়ির সীমানা প্রাচীর না থাকা, বিনোদন ও খাবারের অভাব আর অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভিযোগ পাওয়া যায়। পতিসরকে আকর্ষনীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলা আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। নওগাঁ, নাটোর, পাবনা ও রাজশাহী জেলার মানুষের অন্যতম আগ্রহের জায়গা এই কাছারি বাড়ি। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জায়গাটির রক্ষনাবেক্ষণ পতিসরের আকর্ষণ আরো বাড়িয়ে তুলবে সবার কাছে।

সাগরকন্যা কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় (ভিডিও)

একই স্থান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখতে, সাগরকন্যা কুয়াকাটায় বাড়ছে পর্যটকের ভিড়। হোটেল-মোটেলে শুরু হয়েছে আগাম বুকিং। অতিথির ভ্রমণ আনন্দময় করতে, সাগরপথে সুন্দরবন দেখার আয়োজন করেছে হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সাগরজলে লালচে আভা ছড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। বালুতটে লাল কাঁকড়ার নৃত্য আর উত্তাল ঢেউ। রয়েছে সীমা বৌদ্ধ মন্দির, মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধবিহার, ঝাউবন, ইকোপার্ক, সোনার নৌকা, রাখাইন পল্লি ও লেম্বুর চর। এসবের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কুয়াকাটায় ভিড় করছেন পর্যটকরা। সৌন্দর্য পিপাসুদের চাপ সামাল দিতে এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে অর্ধশতাধিক হোটেল- মোটেল। অতিথির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। কুয়াকাটা সৈকত ও পর্যটন স্পট আরো আকর্ষণীয় করতে, মাস্টার প্ল্যান হাতে নিয়েছে সরকার।

তাজমহলে শুক্রবার ছাড়া নামাজ পড়া যাবে না

ভারতের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহলের মসজিদে শুক্রবার বাদে নামাজ পড়া নিষিদ্ধ করেছে ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ (এএসআই)। তবে শুক্রবারের নামাজে শুধু স্থানীয়রাই অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে এএসআই।   এএসআই বলছে, শুক্রবার তাজমহল বন্ধ থাকে। তাই স্থানীয়রা শুক্রবারের নামাজ পড়তে পারবেন এখানে। আর এজন্য তাদের কোনও প্রবেশ ফি দিতে হবে না। কিন্তু নামাজ অবশ্যই দুপুর দুইটার মধ্যে শেষ করতে হবে। এ ছাড়া অন্যান্য দিনের ক্ষেত্রে যেসব আগন্তুকরা টিকিট কেটে তাজমহল পরিদর্শন করতে ঢুকবেন তারা মসজিদে নামাজ পড়তে পারবেন। মসজিদের ইমাম সাইয়েদ আদিক আলীর পরিবারের সদস্যরা এই মসজিদে কয়েক দশক ধরে নামাজ পড়ে আসছেন। তবে এজন্য তাদেরকে প্রতিমাসে কর্তৃপক্ষকে টাকা দিতে হয়েছে। তাই কর্তৃপক্ষের নতুন নিষেধাজ্ঞায় অবাক হয়েছেন মসজিদটির ইমাম। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে আজ সোমবার প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তার। প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রত্নতত্ত্ববিদ বসন্ত শংকর বলছেন, সর্বোচ্চ আদালতের আদেশই বাস্তবায়ন করেছে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ। তাজমহল মসজিদে কেবল শুক্রবারেই নামাজ হবে এবং নামাজে শুধু স্থানীয়রাই অংশ নিতে পারবেন। প্রসঙ্গত, গত জানুয়ারিতে অনাবাসিকরা তাজমহল মসজিদে শুক্রবারের নামাজ পড়তে পারবেন না বলে একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করেন আগ্রার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া একে//

বিশ্বভ্রমণে ১১০তম দেশে পৌঁছে গেলেন নাজমুন নাহার 

বাংলাদেশি নারী হিসেবে বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন লক্ষ্মীপুরের মেয়ে নাজমুন নাহার। বর্তমান প্রজন্মের কাছে সাড়া জাগানো একজন সাহসী দেশপ্রেমী নারী হিসেবে বহুল পরিচিত লাভ করেন তিনি। বাংলাদেশের পতাকাবাহী এ নারীর বিশ্বজয়ের যাত্রা চলছে দুর্বার গতিতে একের পর এক। তার ভ্রমণকৃত দেশের সংখ্যা এখন ১১০। ইতোমধ্যে তিনি একশত দশটি দেশ ভ্রমণ করেছেন। পৃথিবীর বাকি দেশগুলোও ভ্রমণের স্বপ্ন দেখেন তিনি। সম্প্রতি তিনি তার ১১০তম দেশ ইরানকে নিয়ে একুশে টেলিভিশন অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেন।   অনেক আগেই ইতিহাসের পাতায় স্থান হয়েছে যার নাম। বর্তমানে তিনি আজারবাইজান সফর শেষে ইরানে পৌঁছেছেন। এবার তিনি ইরানের পথে পথে লাল সবুজের পতাকা উড়াবেন।  সম্প্রতি তিনি ইরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার’- এ ¯স্লোগানে বিশ্ব শান্তির বার্তা পৌঁছান। সেই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পতাকাকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেন। এ ছাড়াও তার অভিজ্ঞতার ঝুড়িতে যোগ হয়েছে সম্প্রতি ভ্রমন করা আজারবাইজানের জীবন, সংস্কৃতি ও প্রকৃতির কথা। চলতি মাসের ১৭ তারিখ বিকেলে স্টকহলম থেকে বাল্টিক এয়ারের ফ্লাইটে তিনি আজেরবাইজান যান। বাকু শহর থেকেই শুরু হয়েছে তার যাত্রা। তার অনাবিল উৎসাহে লাল সবুজের পতাকা ছুঁয়ে যাচ্ছে সর্বোচ্চ উচ্চতায়। লাল সবুজের পতাকাকে বুকে করেই তিনি অবিরাম ছুটছেন পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। নাজমুন নাহার আমাদের এই প্রজন্মের আইডল। পৃথিবীর মাঝে তার এই ছুটে চলা, নানান দেশের মানুষের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা, অজানাকে আবিষ্কার করার মাঝে তিনি খুঁজে পেয়েছেন জীবনের দর্শন। বাংলাদেশের পতাকা হাতে বিশ্ব শান্তির জন্য তার এই অভিযাত্রা অব্যাহত থাকুক পৃথিবীর বাকি দেশগুলোতে। নাজমুন আমাদের দেশের আলোকিত কন্যা আর  মানুষের আশার দিশারী হয়ে যুগ যুগ বেঁচে থাকুক এই পৃথিবীর সব মানুষের মাঝে। বাংলাদেশের সম্মান অনেক উঁচুতে নিয়ে যাক নাজমুনের মত সর্বকালের সূর্য সন্তানেরা। বিশ্ব ভ্রমণের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে বিশ্ব শান্তির দূত হিসেবে জন্য কাজ করে যাচ্ছেন বালাদেশের পতাকাবাহী নাজমুন নাহার। পৃথিবীর ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠছেন তিনি। বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দিচ্ছেন শান্তির বার্তা। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১১০টি দেশে বাংলাদেশের পতাকা বহনের মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি ও মানবতার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। বিশ্বের বাকি দেশের মানুষের কাছাকাছি পৌঁছবেন খুবই দ্রুত। বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্ববাসী গর্ব করবে তার বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রাকে। তিনি জানান, ইরানে পা দেওয়ার আগেই আমি মাথায় হিজাব পরে নিলাম। ইরানের রাষ্ট্রীয় আইনে সব নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, ইরানে সফররত সব নারী টুরিস্টদের জন্যও একই আইনের বিধান রয়েছে। ওয়েস্টার্ন ড্রেসআপের সঙ্গে ইরানের মেয়েরা মাথায় একটা ওড়না হিজাব পরে। ইরানের ইসলামিক কালচারের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমিও রাষ্ট্রীয় হিজাব আইনকে মেনে নিয়ে ইরানের পথে পথে ভ্রমণ করছি। প্রথম ইরানের তেহরানে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাবা বয়সী একজন আমার দিকে তাকিয়ে বললো আজনবি, তুমি কোথা থেকে এসেছো? বাংলাদেশ থেকে বলতেই তিনি খুব উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন। সকালে আমি হোস্টেলের লবির রেস্টুরেন্টে নাস্তা খেতে নেমেই দেখলাম সবার মাথায় হিজাব। হিজাব পরেই মেয়েরা খাবার পরিবেশনের মতো কাজ করছে। আর টুরিস্ট অতিথিদের মাথায় ও হিজাব পরা।  আমিও আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে নেমেছি। এই মাসটি ইরানি শিয়া পন্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাস। এটি শোকের মাস । তাই ইরানের বিভিন্ন জায়গায় এই কালো পতাকার উড্ডয়ন। ইমাম হাসান ও হুসাইনসহ তার পরিবারের প্রতি শোকের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এই মাস পালিত হয়। ইরানের ইতিহাস খুবই আকর্ষনীয়। আমি ছোট বেলা থেকেই ইরানের মানুষের জীবন, সংকৃতি ও তাদের ইতিহাসকে খুব কাছে থেকে জানার জন্য ও দেখার জন্য অতি উৎসাহিত ছিলাম। বাংলাদেশের পতাকাবাহী প্রথম বিশ্বজয়ী নারী পরিব্রাজক নাজমুন নাহারের জীবন, শিক্ষা আর এই বিশ্ব ভ্রমণ যাত্রার উদ্দীপনার পাশাপাশি দেশাত্ববোধের চেতনা এই দেশের প্রতিটি তরুণকে জাগিয়ে তুলবে। ইতিহাসজয়ী এই পরিব্রাজক নারীকে মনে রাখবে সমগ্র মানুষ। উল্লেখ্য, নাজমুন নাহার ১৯৭৯ সালের ১২ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার গঙ্গাপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ব্যবসায়ী বাবা মোহাম্মদ আমিন ২০১০ সালে পৃথিবী ছেড়ে গেছেন। মা তাহেরা আমিন। তিন ভাই এবং পাঁচ বোনের মধ্যে নাজমুন নাহার সবার ছোট। একে//

মৌলভীবাজারে ‘কমিউনিটি ট্যুরিজম’ চালু (ভিডিও)

পর্যটন দুনিয়ার সাম্প্রতিকতম কনসেপ্ট ‘কমিউনিটি ট্যুরিজম’ এবার চালু হলো মৌলভীবাজারে। নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীকে সামনে রেখে এই বিশেষায়িত ট্যুরিজম শুরু হল্ওে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন দরকার বলে মনে করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের জন্য পর্যটক নন্দিত মৌলভীবাজার। চা বাগান আর সবুজ বনভূমিতে সবুজের সমারোহ, হাওর বা জলপ্রপাত-- কি নেই এখানে? মৌলভীকাজারের মানুষের জীবনযাত্রায়ও আছে বৈচিত্র। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর বৈচিত্রময় জীবনধারা আর সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এখানে শুরু হয়েছে কমিউনিটি ট্যুরিজম। এই প্যাকেজে পর্যটক থাকতে পারবেন নৃ গোষ্ঠী পরিবারের বাড়িতেই। তাদের সাথেই থাকা-খ্ওায়া আর এলাকা ঘুরে দেখার সুযোগ! প্রাথমিকভাবে ১০টি নৃগোষ্ঠী পরিবারকে নিয়ে এই প্রকল্প শুরু হয়েছে। আয়োজকরা বলছেন, এতে নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর বর্ণিল জীবনযাত্রা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সাথে পরিচিত হতে পারবেন  পর্যটকরা। পাশাপাশি স্থানীয়দের বাড়তি উপার্জনেরও ব্যবস্থা হবে। এই বেসরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে পর্যটনখাত বিকাশের জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। কমিউনিটি টুরিজমের কারণে মৌলভীবাজারের প্রতি আকৃষ্ট হবেন দেশ-বিদেশের পর্যটকরা, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

দেশভ্রমণে শতকের পথে খুলনার মেয়ে আসমা

ভ্রমণ পিয়াসী একজনের নাম কাজী আসমা আজমেরী। আর মাত্র ১টি দেশ ঘুরলেই দেশভ্রমণে আসমা সেঞ্চুরি করে ফেলবেন। ফলে তার ছোট বেলার দুই চোখের দেখা স্বপ্ন পূরণ হবে। বাংলাদেশি আসমা একজন রোটারিয়ান। পাশাপাশি ঘুরে বেড়াচ্ছেন দেশ থেকে দেশান্তরে। তিনি ২০০৭ সালে প্রথম দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড দিয়ে ভ্রমণ যাত্রা শুরু করেন। ইতোমধ্যে তিনি ৯৮টি দেশ ভ্রমণ করে ৯৯ তম দেশ উজবেকিস্তানে অবস্থান করছেন। আসমা জন্মগ্রহণ করেন খুলনার বিখ্যাত কাজী পরিবারে। বড় হয়েছেন খুলনা শহরে। তার বাবার নাম কাজী গোলাম কিবরিয়া। মায়ের নাম কাজী সাহিদা আহমেদ। বাবা মায়ের এক মাত্র মেয়ে কাজী আসমা আজমেরী। আজমেরী একমাত্র ব্যক্তি যিনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে দেশ ভ্রমণ করছেন। তার আছে সবুজ কালারের পাসপোট। বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভ্রমণে বিভিন্ন জটিলতা থাকা সত্ত্বেও তিনি অন্য দেশের পাসপোর্ট নেননি। ২০০৮ সালে তার বন্ধুর মা বলেছিলেন, তিনি দুর্বল ও যোগ্যতাহীন। কারণ তার বন্ধু ২৬টি দেশ ভ্রমণ করলেও তিনি মাত্র ২টি দেশ ভ্রমণ করেছিলেন। তখন তিনি পঞ্চাশটি দেশ ভ্রমণ করার জন্য চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। চ্যালেঞ্জ করা আর সেটা সফল করা সহজ ছিল না। বাংলাদেশের নারীদের পক্ষে চ্যালেঞ্জ নেওয়া আসলেই কঠিন বিষয়। তারপর তিনি নিজের স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে ভ্রমণ শুরু করেন। তিনি ছোট বেলা থেকেই চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করতেন। সেই থেকে নিজের মধ্যে চ্যালেঞ্জ নিয়ে ৫০টি দেশ ঘুরার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন। তবুও তিনি দমে যাননি আরও ইচ্ছা শক্তি নিয়ে অন্যান্য দেশে যাওয়ার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ২০০৯ সালে ভিয়েতনাম ভ্রমণে গিয়ে ফিরতি টিকিট না থাকায় তাকে ২৩ ঘণ্টা আটকিয়ে রাখা হয়। তারপর ২০১৪ সালে ব্রাজিল ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে ৫০ টি দেশ ভ্রমণ সম্পন্ন করেছিল। তবুও থেমে থাকেন নি তিনি ইতোমধ্যে ৯৮ টি দেশ ভ্রমণ করে ৯৯ তম দেশ উজবেকিস্থানে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশি বিশ্ব ভ্রমণকারী কাজী আসমা আজমেরী বিশ্বের ভ্রমণকারীদের থেকে অন্য ধরনের। তিনি বাংলাদেশের মানচিত্র পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তুলে ধরছেন। তার অনেক সুবিধা থাকা সত্ত্বেও পাসপোর্ট পরিবর্তন করেন না। কারণ তিনি নিজ দেশের পাসপোর্ট নিয়ে ভ্রমণ করতে চান। তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন ইতিবাচক দিক দেশের কাছে তুলে ধরতে চান। এছাড়া তিনি দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান। আসমা বড় ইকবালনগর গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন। তারপর খুলনা মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর তিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে (বিবিএ) মার্কেটিং-এ স্নাতক করেন। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে একই বিষয়ে এমবিএ করেন। আসমা এখন থাকেন নিউজিল্যান্ড। কাজী আসমা আজমেরী বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকার বাহক হিসেবে পৃথিবীর অজানাকে জানার জন্য ঘুরবেন সারাবিশ্ব। আসমা একশত দেশ ঘুরে বিশ্ববাসীর কাছে নিজেকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবেন। যিনি ভ্রমনের মধ্য দিয়ে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, প্রকৃতি, দেশের মানুষ সম্পর্কে জানান দিচ্ছেন। বিশেষ করে তিনি পৃথিবীর মানুষের যে বৈষম্য সেটা ভালো করে তার মানবিক দৃষ্টি দিয়ে দেখছেন। তার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে মানুষের বৈষম্য দূর করার কাজও করবেন। তিনি জনপ্রিয়তার জন্য দেশ ভ্রমণ করেন না। তিনি প্রথমে দেশ ভ্রমণ করেন নিজের শখ থেকে। শখের বশে ভ্রমণ শুরু করলেও এখন তিনি অনুভব করেন ভ্রমণের মাধ্যমে নিজ দেশকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরা যায়। সেটা তাকে বেশি আনন্দ দেয়। কাজী আসমা আজমেরী বলেন, আমি ১০০টি দেশ ভ্রমণ শেষে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে দেশের মানুষের জন্য চক্ষু হাসপাতাল, একটি ডেন্টাল হাসপাতাল, একটি ট্রেনিং সেন্টার ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন। এজন্য তিনি সবার কাছে সহযোগীতা কামনা করেছেন। কাজী আসমা আজমারী বলেন, ‘আমি শৈল্পিকভাবে ইবন বেতুর, ঠাকুরমার ঝুলি, তেপা›তরের রাজ্যকন্যার গল্পে শুনে আমার শৈশবে কল্পনায় তাদের মনে মনে ভাবতাম। কিন্তু তারপর তাদের ছেড়ে দেওয়া যায় না। তাই আমি স্বাবলম্বী হওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। চাকরি করে স্বাবলম্বী হই। তারপর শুরু করি ভ্রমণ। স্বপ্ন নিয়ে আনন্দের সঙ্গে দেশ ভ্রমণ করে চলছি। উল্লেখ্য, তিনি ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড দিয়ে ভ্রমণ যাত্রা শুরু করেন। এর পর ২০০৯ সালে ভারত, নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং। ২০১০ সালে কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম, ব্রুনেই, চীন, ম্যাকাউ, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, তুরস্ক, মিশর, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০১১ সালে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, স্পেন, জার্মানি, পর্তুগাল, চেক প্রজাতন্ত্র, যুগোস্লাভাকিয়া, মিয়ানমার, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, জাপান। ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, নিউজিল্যান্ড, কুক দ্বীপ, টঙ্গা। ২০১৩ সালে নিউ ক্যালেডোনিয়া, তাহিতি, সলোমন দ্বীপ, নিউ, কিরিবাটি তাইওয়ান, ভানুয়াতু, মার্কিন যুক্তরাষ্ট। ২০১৪ সালে মেক্সিকো, গুয়াতেমালা, এল সালভাডর, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, কোস্টারিকা, পানামা, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর। ২০১৫ সালে পোর্ট রিকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি, বেলিজ, জ্যামাইকা, বাহামা, আরুবা। ২০১৬ সালে ক্রোয়েশিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, মন্টিনিগ্রো, কোসোভো, আবলানিয়া, ম্যাসেডোনিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মোল্দাভিয়া, পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, সুইডেন, ডেনমার্ক, ইতালি, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, নরওয়ে, কুয়েত। ২০১৭ সালে কিউবা, সামোয়া, কাতার। এবং ২০১৮ সালে ফিলিপাইন, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, কানাডা, জর্জিয়া, বেলারুশ, আজারবাইজান। তার স্বপ্ন বাংলাদেশের পতাকা হাতে বিশ্বের বাকি সব দেশ ভ্রমণ করবেন। এভাবে তিনি পৃথিবীর বাকি দেশে ঘুরবেন। তার মাধ্যমে বাংলাদেশের সুনাম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। ভ্রমণ বিশ্বে নাজমুন নাহারের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ইতিহাস গড়বেন কাজী বাড়ির মেয়ে কাজী আসমা আজমেরী। একে//

কক্সবাজারে শিশু পার্ক নেই (ভিডিও)

পর্যটন শহর কক্সবাজারে শিশুদের বিনোদনের জন্য কোন পার্ক নেই। শহর থেকে দূরে রামু উপজেলার রাজারকুলে বোটানিক্যাল গার্ডেন গড়ে তোলা হলেও, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তা ঝোপ-জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। তবে পার্ক গড়ে তোলার আশার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে প্রতিবছর ভ্রমণে আসেন দেশী-বিদেশী লাখো পর্যটক। কিন্তু দেশের অন্যতম এ পর্যটন নগরীর শিশু-বিনোদনের জন্য আজো গড়ে ওঠেনি কোন পার্ক। ২০১৩ সালে রামু উপজেলার রাজারকুল বনভূমির ৪০ একর জায়গায় একটি বোটানিক্যাল গার্ডেন গড়ে তোলে বন বিভাগ। কিন্তু লোকবল ও অর্থাভাবে তা এখন পরিত্যক্ত প্রায়। বোটানিক্যাল গার্ডেনটি পরিত্যক্ত হওয়ার কথা স্বীকার করে বন কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর কোন বরাদ্দ দেয়া হয়নি। দেয়া হয়নি দর্শনার্থীদের কাছ থেকে টিকেট নেয়ার অনুমতিও। তবে জেলা প্রশাসক জানান, শহরের ভেতর ৪ একর জমিতে শিশু পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সাগর-পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের পাশাপাশি আদর্শ পর্যটন নগরী হিসেবে শিশুদের জন্য পার্ক গড়ে তোলার প্রত্যশা স্থানীয়দের।  

সাতক্ষীরায় ৮ বিঘা জমিজুড়ে বটগাছ (ভিডিও)

বনবিবির বটগাছ। বয়স তিনশ বছরের বেশি। অবস্থান আট বিঘা জমিতে। খুঁজে পাওয়া যায় না এর গোড়া। সাতক্ষীরার দেবহাটায় রহস্যঘেরা এই বৃক্ষ দেখতে প্রতিদিন ভিড় করে অনেক মানুষ। সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা সদর থেকে কিছু দূর গেলেই বনবিবির বটগাছের দেখা মিলবে। প্রায় ৮ বিঘা জমিজুড়ে এর অবস্থান। জনশ্র“তি আছে, তিনশ বছর আগে জমিদার ফনীভূষণ ম-ল গাছটিকে দেবী জ্ঞান করে, নাম রাখেন বনবিবির বটগাছ। তখন থেকেই শুরু হয় এর পূজা। এই বৃক্ষের মূল কোথায়, তা জানা সম্ভব হয়নি। এটি দেখতে প্রতিদিনই জড়ো হয় দূর-দূরান্তের মানুষ। বিশাল এই গাছ নিয়ে অনেক কুসংস্কার প্রচলিত আছে। এর একটি হলো- যিনি এর ডাল কাটবেন, তিনি বিপদে পড়বেন। দীর্ঘদিন কেউ ডাল না কাটায়, বেড়েছে এর আকার-আয়তন। স্থানটি পর্যটকবান্ধব করতে উদ্যোগের কথা জানালেন জেলা প্রশাসক। সাতক্ষীরার এই বনবিবির বটগাছ ঘিরে প্রতিবছর বৈশাখে আয়োজন করা হয় মেলার।

এ বিভাগে আপনাদের মতামত ও লেখা পাঠান travel@ekushey-tv.com.

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি