দেশের পথে লিমনের মরদেহ, দ্রুতই আসবে বৃষ্টির লাশ
প্রকাশিত : ১১:২১, ৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ দেশে ফিরছে। আরেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দ্রুততম সময়ে দেশে পাঠাতে কাজ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস।
স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) রাত পৌনে ৯টায় জামিলের মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে অরল্যান্ডো বিমানবন্দর ছাড়ে। দুবাই হয়ে সোমবার (৪ মে) সকালে ঢাকায় পৌঁছাবে মরদেহ।
গত ২৫ এপ্রিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মায়ামিস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিহতের পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, টাম্পার স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ বিভাগের সমন্বয়ে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। দ্রুততম সময়ে মরদেহ দেশে পাঠাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
গত ১৬ এপ্রিল সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। এর আটদিন পর ২৪ এপ্রিল জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আর ৩০ এপ্রিল শনাক্ত হয় বৃষ্টির মরদেহ। এ ঘটনায় এখনও শোকাবহ স্থানীয় প্রবাসীরা।
এদিকে আগামী বুধবার (৬ মে) বাদ জোহর যুক্তরাষ্ট্রে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজা শেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা বলেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরইমধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
দুই শিক্ষার্থী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জামিলের রুমমেট হিশাম আবুঘেরহেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রোববার (২৬ এপ্রিল) হিলসবরো কাউন্টি আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়, বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহ’র বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। আর বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছিলেন।
এএইচ
আরও পড়ুন










