ঢাকা, মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রাথমিকের বই ছাপা ৮০ ভাগ শেষ, পৌঁছানোর টার্গেট নভেম্বরে

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:১৪, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৬, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক-মাধ্যমিকের জন্য ছাপানো হচ্ছে ৩১ কোটি বই। ৩০ নভেম্বর দেশব্যাপী বই পৌঁছাতে পুরোদমে কাজ চলছে। তবে এবার বইপ্রতি ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৬৮ টাকা। যা আগেরবারের চেয়ে ৪৪ শতাংশ বেশি। 

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- এনসিটিবি বলছে, কতিপয় সিন্ডিকেটের কারণে কোমলমতিদের বই ছাপাতে বেড়েছে ব্যয়। 

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক-মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য ২১শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে বই ছাপার কাজ করছে এনসিটিবি। ১৩০টি ছাপাখানায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক- দুই ধাপে চলছে ছাপা। 

প্রাথমিকের বই প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হলেও ১৫ শতাংশ কাজ হয়েছে ষষ্ট থেকে নবম শ্রেণীর বই। 

গেল ৩ বছরের মধ্যে এবার দরপত্র আহ্বান ও কার্যাদেশ আগেভাগে সম্পন্ন হওয়ায় বেশ ফুরফুরে এনসিটিবি। 

এবার ডিসেম্বর নয় বরং নভেম্বরের ৩০ তারিখের মধ্যে ডেডলাইন দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। ফলে প্রাথমিকের প্রায় ৯ কোটি বইয়ের ৮০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্নের দাবি এনসিটিবির। 

কাগজের মান, কালি, ছাপা ও বাঁধাই অন্যান্য বছরের তুলনায় মানে-গুণে উন্নত করতে কোনো অবহেলা নেই বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান। 

তবে গেল ৩ বছরে নিম্নমানের বই সরবরাহের দায়ে কালো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে এবারও কাজ দেয়া এবং সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার দায় স্বীকার করেন এনসিটিবি চেয়ারম্যান। ফলে কিছুটা ব্যয় বৃদ্ধি হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

কয়েকটি শ্রেণীর সিলেবাসে সামান্য সংযোজন-বিয়োজন ও পরিমার্জন করে টেকসই বই সরবরাহকে গুরুত্ব দিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি