ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ৭:১৯:১২

দেশের মানুষের জন্য জীবনকে উৎসর্গ করেছি: প্রধানমন্ত্রী

দেশের মানুষের জন্য জীবনকে উৎসর্গ করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা তরুণদের করা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, তার খুব শখ ছিল ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু অংকে খুব ভালো ছিলাম না। যে কারণে নবম শ্রেণিতে গিয়ে মানবিক বিভাগে ভর্তি হলাম। তখনই ডাক্তারি পড়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। এরপরে মনে করলাম লেখাপড়া শেষ করে শিক্ষক হবো।
কাল শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

আগামীকাল শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বিনয় এবং শ্রদ্ধায় কাল জাতি শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করবে। ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকহানাদার বাহিনী ও তার দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামস মিলিতভাবে বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন।শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ নানা পেশাজীবী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, মৌন মিছিল ইত্যাদি। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এদিন সকাল ৭ টা ৫ মিনিটে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ৭টা ৬ মিনিটে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে শহিদ পরিবারের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা সকাল ৭টা ২২ মিনিটে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। পরে সর্বস্তরের জনগণ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এদিন বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য বেসরকারি টিভি চ্যানেল বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন উপলক্ষে দেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন আওয়ামী লীগ প্রতিবারের মত এবারও দেশবাসীর সঙ্গে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্য সহকারে এই শোকাবহ দিনটিকে স্মরণ ও পালন করবে। এ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে-সাথে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ। সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন এবং বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। এছাড়াও এদিন বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন মিলতনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে দলটি। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে সংশ্লিষ্টদের অনেকের বিচারের রায় কার্যকর হলেও বুদ্ধিজীবী হত্যায় সরাসরি জড়িত চৌধুরী মইনুউদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান পলাতক থাকায় বিচার এখনও কার্যকর করা সম্ভব হয়নি ।শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর সন্তান আসিফ মুনীর তন্ময় বাসসকে বলেন, ‘আমার পিতার হত্যাকাণ্ড এবং তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল চৌধুরী মইনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান। আমার বাবার হত্যার সাথে জড়িতদের রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কাছে বিজয়টা অসম্পূর্ণই থেকে যায়।’মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আল-বদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়। পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দু’টি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত। মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আল-বদর বাহিনী আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আল-বদর ঘাঁটিতে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে।শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন- অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা. আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।অনেকেই মনে করেন, একাত্তরে ত্রিশ লাখ শহীদের মধ্যে বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে হত্যার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তারা শহীদ হন এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে। হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী তাদের পরাজয় আসন্ন জেনে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার লক্ষ্যে বুদ্ধিজীবী নিধনের এই পরিকল্পনা করে। তারা স্পষ্ট দেখে চরম বিপর্যয় আসন্ন, পরাজয় একেবারেই সন্নিকটে- তখনই তারা সেই পরিকল্পনা কার্যকর করে। তালিকাভুক্ত বুদ্ধিজীবীদের চোখ বেঁধে নিয়ে হত্যা করে। তারা স্বাধীন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে এভাবেই অন্ধকার করার পাঁয়তারা করেছিল। তথ্যসূত্র: বাসস। এসএইচ/  

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি

আগামীকাল শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।   কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এবং ৭টা ৪৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন এবং ৮টা ৪৫ মিনিটে রায়ের বাজার বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধা নিবেদন।    একই দিন বিকেল তিনটায় রাজধানীর ফার্মগেইটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলের পক্ষ থেকে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীরা বক্তব্য রাখবেন।   আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ এক বিবৃতিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সংগতি রেখে কর্মসূচি গ্রহণ এবং যথাযথ মর্যাদায় সারাদেশে পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।এসি       

আমেরিকার যুদ্ধবিরতির ৩য় প্রস্তাবেও সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো(ভিডিও)

আজ ১৩ই ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এইদিনে মুক্তিসেনারা বিজয় নিশান উড়াতে উড়াতে ঢাকার পূর্ব ও উত্তর দিক থেকে ১৫ মাইলের মধ্যে ঢুকে পড়ে। যুদ্ধক্ষেত্রে দিশেহারা পাকসেনারা সৈয়দপুর, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে হয় আত্মসমর্পন করে, নয়তো রণে ভঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যায়। জাতিসংঘের মূলতবি অধিবেশনে আমেরিকার যুদ্ধবিরতির তৃতীয় প্রস্তাবেও ভেটো দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন। সামরিক শক্তিতে অগ্রসর রাষ্ট্র পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ের এক বিস্ময়কর গৌরবের দিন ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর। চারদিক থেকে ঢাকায় ক্রমেই অবরুদ্ধ পাকবাহিনী। উত্তরে টাঙ্গাইল থেকে অগ্রসরমান কাদেরিয়া বাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী পাকবাহিনীর হাল্কা প্রতিরোধ ভেঙ্গে কালিয়াকৈর হয়ে ঢাকায় ঢোকার অপেক্ষায় তখন। আর এস ফোর্সের প্রধান শফিউল্লাহ বাহিনী নিয়ে ঢাকার উপকন্ঠ ডেমরায় পৌঁছান। ঢাকার চারদিক শুধু নয়, দশ দিগন্তেই উড়তে থাকে মুক্তিসেনাদের বিজয়কেতন। আর ভারতীয় বিমান থেকে ফেলা হয় আত্মসমর্পনের লিফলেট, ঢাকার ভেতরে গেরিলা যোদ্ধারা চোরাগুপ্তা হামলা চালিয়ে মনোবল ভেঙ্গে দেয় পাকসেনাদের। অসহায় জেনারেল নিয়াজি বার বার ইসলামাবাদে সাহায্যের আবেদন করতে থাকেন। তবে, সেই সাহায্য আর আসেনি। তৃতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো দিলে শেষ আন্তর্জাতিক বাধাও দূর হয়। অল্প কয়েকটি স্থান ছাড়া পরাজিত, ক্লান্ত শ্রান্ত পাকিস্তানী সৈন্যরা পালিয়ে জড়ো হতে থাকে ঢাকায়। এদিন সাংবাদিক সেলিনা পারভীনকে ধরে নিয়ে যায় আলবদর বাহিনী। ১৮ ডিসেম্বর তার ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায় রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে।

সহিংসতার ঘটনা খতিয়ে দেখতে সিইসির নির্দেশ

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত দুই দিন ধরে নির্বাচনি প্রচারের সময় সহিংসতার ঘটনা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। এবারের ঘটনা গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির পুনরাবৃত্তি কি না তাও খতিয়ে দেখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন সিইসি। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে করণীয় নির্ধারণে সশস্ত্র বাহিনীসহ সব বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে এই নির্দেশ দেন সিইসি। বৃহস্পতিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী এবং ইসি সচিবইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন। বৈঠকে সিইসি গত দুই দিন ধরে ঘটে যাওয়া এসব সহিংসতার ঘটনায় তৃতীয় কোনো শক্তির উত্থানের আলামত কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য সব গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কোনো বাহিনীর কতসংখ্যক জনবল কতদিনের জন্য নিয়োজিত করা হবে, সে বিষয়গুলোতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এ বৈঠক। আরকে//

রূপগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশক্রমে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান মনিরকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার রাতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে ওসি মনিরুজ্জমানকে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। ওই থানায় নতুন ওসি হিসেবে যোগদান করেছেন আব্দুল হক। তিনি আড়াইহাজার থানায় কর্মরত ছিলেন। গত এক মাস আগে আড়াইহাজার থেকে প্রত্যাহার হয়ে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ে ছিলেন আব্দুল হক। প্রত্যাহারকৃত ওসি মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আমি চেষ্টা করেছি রূপগঞ্জ থেকে মাদক, সন্ত্রাসসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে। আমি এ উপজেলার মানুষের মঙ্গল কামনা করি। আরকে//

মেট্রোপলিটন কেন্দ্রে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৬ সদস্য

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পাহারায় থাকবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১৬ জন সদস্য। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য তিন জন, অঙ্গীভূত আনসার সদস্য ১২ জন ও একজন করে থাকবেন গ্রাম পুলিশ। তবে কেন্দ্র যদি ঝুঁকিপূর্ণ হয়, সেখানে বাড়তি দুই পুলিশ সদস্যসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন মোট ১৮ জন। ইসি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মেট্রোপলিটনের বাইরে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ সদস্যসহ ১৪ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দু’জন পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন সদস্য রাখা হবে। আর পার্বত্য এলাকা, দুর্গম ও দ্বীপ এলাকায় প্রতিটি ভোটকেন্দ্র দু’জন অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্য একজন বাড়িয়ে ১৬ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে। ইসি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইসি সূত্র জানায়, ভোটকেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে, ভোটের দিন ও ভোটের পরের দিন পর্যন্ত মোট চার দিন মাঠে থাকবেন। বেসরকারি প্রশাসনকে সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সারাদেশে সেনাবাহিনী সদস্য মোতায়েন করা হবে। তবে উপকূলবর্তী এলাকায় মোতায়েন থাকবেন নৌবাহিনীর সদস্যরা। এর আগে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনেও একইভাবে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করেছিল ইসি। যদিও ২০০৮ সালে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হয়। ওই সময়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও)-তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্ভুক্ত ছিল। আরকে//

আগামি ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষে আগামী ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সেনা সদস্যরা নির্বাচনী এলাকায় থাকবেন।      নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠি থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।  চিঠিতে বলা হয়েছে, আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি নির্বাচনী এলাকার সার্বিক শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধের জন্য ভোটগ্রহণের দুইদিন আগে থেকে ২৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মোতায়েনকৃত সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, ব্যাটালিয়ন আনসারের মোবাইল বা স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা প্রয়োজন হবে।  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠিতে জনপ্রশাসন সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বুধবার একাদশ সংসদ নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত বৈঠকের কার্যপত্রে নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজে সহায়তা করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ইসি সূত্রে জানা গেছে, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভোটগ্রহণের আগে ও পরে ভিন্ন মেয়াদের জন্য সেনা, র‌্যাব ও পুলিশসহ অন্য বাহিনী মোতায়েন করতে যাচ্ছে ইসি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামবেন। ১ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা নির্বাচনী এলাকায় থাকবেন। বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সদস্যরা স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন।  কেআই/এসি  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি