ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৫:৩০:১৪

স্বাধীনতা বিরোধীরা একাত্তরের মতো আক্রমণ করতে পারে

স্বাধীনতা বিরোধীরা একাত্তরের মতো আক্রমণ করতে পারে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের সংখ্যালঘু নির্যাতনের আশঙ্কা প্রকাশ করছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। সংগঠনটি জানায়, চলতি বছর ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হলেও স্বাধীনতা বিরোধীরা এখনও সক্রিয়। তারা যে কোনো সময় একাত্তরের মতো আক্রমণ করতে পারে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ শঙ্কার কথা জানান সংগঠনটির আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চলতি বছর এখন পর্যন্ত তিনটি বড় ধর্মীয় উৎসব পালিত হয়েছে কোনো রকম অঘটন ছাড়াই। দেশের মানুষের সম্প্রীতি মনোভাবের কারণেই অন্ধকারের কুশীলবরা কোনো অঘটন ঘটাতে পারেনি। দেশের মানুষ তার যোগ্য নেতৃত্বে সব ধরনের অপশক্তি রুখে দিতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, আমরা এখন আর সংখ্যালঘু মনে করি না। বাঙালির যে কোনো উৎসবের সঙ্গে অর্থনীতির যোগ রয়েছে। সম্প্রীতি উদযাপিত দুর্গোৎসবে বাণিজ্যিক লেনদেন হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। বঙ্গবন্ধুর দেশে কোনো অঘটন ঘটলে আমরা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবো। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুর রহমান বলেন, যারা গণতন্ত্রের নামে দেশে অঘটন ঘটিয়েছে আমরা সেই শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে চাই না। সম্প্রীতির দেশকে রক্ষায় নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। এর বিকল্প মানেই সম্প্রীতি নষ্ট, নির্যাতন, একাত্তরের পরাজিত শক্তির উত্থান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ড. অসিম কুমার সরকার, ড. মামুন আল মাহতাব, ড. নুজহাদ চৌধুরী। এসএইচ/
বাংলাদেশের ন্যায় এসডিজি ট্র্যাকার ব্যবহার করবে পেরু সরকার

বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ-দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে নাগরিক কেন্দ্রিক পরিষেবা সরবরাহের ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার পেরু সরকার বাংলাদেশের ন্যায় তাদের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের ট্র্যাকিং করবে ‘এসডিজি ট্র্যাকার’ সিস্টেম ব্যবহার করে। এসডিজি এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের এটুআই এবং পেরু সরকারের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড ইনফরমেটিক্স (আইএনইআই)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং পেরুর পক্ষে আইএনইআই-এর ডেপুটি চিফ ড. আনীবাল সানসেজ এগুইলার নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। দুবাইয়ের ইউএন ওয়ার্ল্ড ডাটা ফোরামে আজ ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ এটুআই, আইএনইআই এবং চিলড্রেন ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড ফাউন্ডেশন (সিআইএফএফ) যৌথভাবে সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এটুআই কর্তৃক নাগরিক কেন্দ্রিক সেবা প্রদান সম্পর্কিত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ এবং এসডিজি ট্র্যাকারের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য একটি শক্তিশালী পদ্ধতি, এসডিজি ট্র্যাকার ব্যবহার করবে। এই ট্র্যাকার পদ্ধতিটি সমন্বিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন পর্যবেক্ষণ সক্ষম এবং সূচক দ্বারা নির্দেশক। এসডিজি ট্র্যাকার সিস্টেমটির মাধ্যমে প্রতিটি উন্নয়ন প্রেক্ষাপট এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ক্ষেত্রে সমন্বয় করা যায়। এটি অন্তর্ভুক্তিকরণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দক্ষ সম্পদ বরাদ্দ এবং কার্যকর নীতিনির্ধারণের দিকে পরিচালিত করবে। নাগরিক কেন্দ্রিক পরিষেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার বিনিময় সহজতর করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিশ্বব্যাপী দক্ষিণ-দক্ষিণের দেশগুলোর মধ্যে কাজ করে চলেছে সাউথ সাউথ নেটওয়ার্ক ফর পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন (এসএসএনফোরপিএসআই)। অংশীদারিত্ব এসডিজির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য এবং তাদের অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। উল্লেখ্য, এটুআই এবং পরিকল্পনা কমিশনের আওতাধীন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) যৌথভাবে এসডিজি ট্র্যাকার ডিজাইন এবং বাস্তবায়ন করেছে। এই ট্র্যাকার সিস্টেমটির মাধ্যমে অনলাইন ডাটা ভান্ডার তৈরি করে সঠিকভাবে এসডিজি’র নির্দেশকগুলোর উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ করা যায়। বাংলাদেশের এটুআই এবং পেরুর আইএনইআই যৌথভাবে এসডিজি ট্র্যাকার, সাউথ-সাউথ কোঅপারেশন এবং নাগরিক কেন্দ্রিক নাগরিক পরিষেবার বিকাশকে শক্তিশালী করে তুলবে এবং আরও কার্যকর করবে। এটি ভবিষ্যতে জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন ও এসডিজি অর্জনে আরও নতুন সুযোগ এবং সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে। এই অংশীদারিত্ব যৌথ সহযোগিতামূলক প্ল্যাটফর্ম সাউথ সাউথ নেটওয়ার্ক ফর পাবলিক সার্ভিস ইনোভেশন-এর মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। যেখানে সরকার, বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, একাডেমী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ (এই নেটওয়ার্কের সদস্য) তাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নাগরিক সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্ভাবন করছে। এটি সরকার এবং নাগরিকদের এসডিজি এবং অন্যান্য উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জনে সহায়তা করবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ইউএনডিপি এবং ইউএসএইড এর সহায়তায় এটুআই নাগরিকবান্ধব সেবা প্রদান নিয়ে কাজ করে চলেছে, যা এখন দেশের গন্ডি পেরিয়ে দক্ষিণের অন্যান্য দেশগুলোর সাথে উক্ত সেবা প্রদানের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর আনীর চৌধুরী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, আইএনইআই-এর টেকনিক্যাল কোঅপারেশন স্পেশালিস্ট মি. লুইস কেলি রোসাসকো, এটুআই-এর হেড অব রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট এ্যান্ড ডাটা ড. রমিজ উদ্দিন এবং ইউএন স্ট্যাটিস্টিক্স ডিভিশন ও মেক্সিকোর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যাটিস্টিক্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি (আইএনইজিআই) এর প্রতিনিধিরা। এসএইচ/

২২ দিনের ৩ দিনই শুক্র-শনিবার

২০১৯ সালের সরকারি  ছুটির খসড়া তালিকা প্রস্তুত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আগামী বছর ২২ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এতে দেখা গেছে, ৩ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। আবহাওয়া অধিদফতর, বাংলা একাডেমি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতামত নিয়ে করা তালিকাটি এখন মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদিত হতে পারে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সুত্রে জানা গেছে। জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৩দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। কোনো শুক্র ও শনিবার এই ছুটি পড়েনি। এর বাইরে খসড়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর জন্য ঐচ্ছিক ছুটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ ছুটির মধ্যে রয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারী  শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, ১ মে মে দিবস, ১৮ মে বুদ্ধপূর্ণিমা, ৩১ মে জুমাতুল বিদা, ৫ জুন ঈদুল ফিতর, ১২ আগস্ট ঈদুল আজহা, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, ২৩ আগস্ট শুভ জন্মাষ্টমী, ৮ অক্টোবর দুর্গাপূজা (বিজয়া দশমী), ১০ নভেম্বর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন (বড়দিন)। নির্বাহী আদেশে ছুটির মধ্যে রয়েছে, ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ২১ এপ্রিল শবে-বরাত, ২ জুন শবে-কদর, ৪ ও ৬ জুন ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের দিন, ১১ ও ১৩ আগস্ট ঈদুল আজহার আগে ও পরের দিন এবং ১০ সেপ্টেম্বর আশুরা। ঐচ্ছিক ছুটির (মুসলিম পর্ব) রয়েছে, ৪ এপ্রিল শবে-মেরাজ, ৭ জুন ঈদুল ফিতরের তৃতীয় দিন, ১৪ আগস্ট ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন, ২৩ অক্টোবর আখেরি চাহার সোম্বা এবং ৯ ডিসেম্বর ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম। হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে, ১০ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পূজা, ৪ মার্চ শিবরাত্রী ব্রত, ২১ মার্চ দোলযাত্রা, ৩ এপ্রিল হরিচাঁদ ঠাকুরের আবির্ভাব, ২৮ সেপ্টেম্বর মহালয়া, ৭ অক্টোবর দুর্গাপূজা (নবমী), ১৩ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজা এবং ২৭ অক্টোবর শ্যামাপূজা। এছাড়া ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষ, ৬ মার্চ ভস্ম বুধবার,১৮ এপ্রিল পুণ্য বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল পুণ্য শুক্রবার, ২০ এপ্রিল পুণ্য শনিবার, ২১ এপ্রিল ইস্টার সান-ডে এবং ২৪ ও ২৬ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব (বড়দিনের আগে ও পরের দিন) হচ্ছে খ্রিস্টান পর্বের ঐচ্ছিক ছুটি। ঐচ্ছিক ছুটির (বৌদ্ধ পর্ব) মধ্যে রয়েছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা, ১৩ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তি, ১৬ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা, ১৩ সেপ্টেম্বর মধু পূর্ণিমা এবং ১৩ অক্টোবর প্রবারণা পূর্ণিমা। পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা ও এর বাইরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির মধ্যে রয়েছে- ১২ ও ১৫ এপ্রিল বৈসাবি ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অনুরূপ সামাজিক উৎসব। কেআই/

মাত্র ৫ মিনিটেই মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন! 

মাত্র ৫-৭ মিনিটেই মোবাইলের আইএমআইএ (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) পরিবর্তন করে ফেলা যায়। বিশেষ সফটওয়্যার দিয়ে খুব সহজে এই কাজটি করা হয়। চোরাই ও ছিনতাই করা মোবাইল সেটের আইএমআইএ নম্বর পরিবর্তন করে পুনরায় বিক্রি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ফ্ল্যাশ ডিভাইস ব্যবহার করে যেকোনও মোবাইল আনলক করে, অপরাধী চক্রের কাছে তুলে দিত।     মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) কাওরান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজত সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. এমরানুল হাসান একথা জানিয়েছেন। এর আগে সোমবার অভিযান চালিয়ে ৫৩১টি মোবাইল চোরাই মোবাইল, দু’টি সিপিইউ ও আইএমইএই নম্বর পরিবর্তনের কাজে ব্যবহৃত ৬টি ডিভাইসসহ আটক করে র‍্যাব-৩। আটক ১৫ জন ৫-৬ মাস ধরে এ কাজ করছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মোতালেব (২৬), রিপন (৩৭), মান্নান (৩৯), রাশেদ খান (২৪) আনিস মোল্লা (২৮) জাহিদুল ইসলাম (২১) পলক (১৯) রাশেদুল ইসলাম (২১) নাঈম সর্দার (১৮) স্বপন (২৬) রানা হামিদ (২২) মাসুদ রানা (২৪) নাজিম (২৬) কামাল হোসেন (১৭)। র‌্যাব চোরাই চক্রের বিরুদ্ধে সোমবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত গুলিস্তান পাতাল মার্কেট ও ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ১১টি দোকানে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় কাগজবিহীন পাঁচ শতাধিক মোবাইল। আটকৃকতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, ছিনতাই, চোরাই মোবাইল কিনে আইএমইআই পরিবর্তন করে নানান অপরাধে কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করে আসছিল। অভিযানের সময় আইএমইআই নম্বর পরিবর্তনের কাজ করছিল। তারা বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাত্র পাঁচ-সাত মিনিটের মধ্যেই আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে ফেলে। এছাড়া যেকোনও আন্ড্রয়েড মোবাইলের লক খুলে আবার বিক্রি করতো। র‍্যাব-৩ এর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান বলেন, ‘আইএমআইএ নম্বর পরিবর্তানের সময় কয়েকজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। মাসুদ লাকুরিয়া এ চক্রে মূল হোতা। প্রায় ৬ মাস ধরে তারা এ কাজ করছে। মোতালেব ও মান্নান নামে দুজন নিজস্ব লোক দিয়ে দোকানে মোবাইল বিক্রি করতো।’ র‍্যাব-৩ এর সদস্যরা আলী ইলেকট্রনিক্স, সিমলা ইলেকট্রনিক্স, সাকিব ইলেকট্রনিক্স, আজমেরি ইলেকট্রনিক্স, আবির ইলেকট্রনিক্স, সুমাইয়া টেলিকম, ইলেকট্রনিক্স কর্নার, ইলোক কনিক্স কর্নার, আলামিন ইলেকট্রনিক্স, রহমত ইলেকট্রনিক্স এবং সিটি ইলেকট্রনিক্সে অভিযান চালায়। এসি 

ঘাতক দলাল নির্মূল কমিটির দাবি বাস্তবায়নের চিন্তা আছে ইসির

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পাঁচ দাবি বাস্তাবায়নের চিন্তা আছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)র বলে জানিয়েছেন সংস্থাটি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বৈঠক শেষ সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সবনির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হুমকি প্রদানকারীদের শাস্তির আওতায় আনা জামায়াতের অনুসারীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে ঘোষণাসহ যে সকল দাবি নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হয়েছে এসব দাবি বাস্তবায়নে নির্বাচন কমিশনের চিন্তা আছে। ঘাতক দলাল নির্মূল কমিটির কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও জানানো হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৯২টি নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভোটের সংখ্যা ১২ থেকে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত। যার বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ।   টিআর/    

সুষ্ঠু নির্বাচনে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৫ দফা দাবি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে পাঁচ দফা দাবি নিয়ে বৈঠকে বসেছে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বৈঠকটি শুরু হয়। ইসির কাছে কমিটির পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ঝুঁকিপূর্ণ সব নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে হুমকি প্রদানকারীদের শাস্তির আওতায় আনা জামায়াতের অনুসারীদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলকে ঘোষণা করতে হবে যে,তাদের সঙ্গে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই;নির্বাচনের সময় মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধানবিরোধী এবং ভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা--বিদ্বেষ প্রচারকারীদের শাস্তির আওতায় আনা `৭১-এর গণহত্যাকারীদের সন্তান বা পরিবারের অন্যান্য সদস্য, যারা সর্বোচ্চ আদালতের রায় অগ্রাহ্য করছেন, তাদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অযোগ্য ঘোষণা এবং সেনাবাহিনীকে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করলে তাদের অন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে বলে দাবিতে জানানো হয়। কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে আরও জানানো হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৯২টি নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভোটের সংখ্যা ১২ থেকে ৪৮ শতাংশ পর্যন্ত। যার বেশিরভাগ ঝুঁকিপূর্ণ। বৈঠকে সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত রয়েছেন। এতে কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল উপস্থিত রয়েছেন। টিআর/

মঈনুল পাকিস্তানি হানাদারদের দালালি করতো : প্রধানমন্ত্রী

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় সে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর দালালি করত। ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যে লোক একজন নারী সাংবাদিককে কটূক্তি করলো তার বাচনভঙ্গী ছিল খুব খারাপ। তার কাছে অাপনারা কী অাশা করবেন? অাজ সোমবার গণভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফর শেষে দেশে ফেরা উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের অায়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ইত্তেফাক থেকে সিরাজুদ্দীন সাহেবকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। এ জন্য সে ( মঈনুল হোসেন) কম দায়ী না। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনী মোশতাক একটা দল করেছিল। মঈনুল হোসেন সেই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। খুনী বজলুল, ডালিম, পাশা এদের নিয়ে সে একটা দল করেছিল। তার রাজনৈতিক দলে কারা? জাতির পিতার অাত্মস্বীকৃত খুনীরা। তার কাছ থেকে ভালো ব্যবহার অার কী পাবেন? প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ইত্তেফাকে একটা মার্ডার হয়। নিজে মার্ডার করে নিজের ভাইকে ফাঁসানোর চেষ্টা চালিয়েছিল। কাকরাইলের বাড়ি নিয়েও ঝামেলা অাছে। সেখানেও একটা মামলা অাছে। অাপনারা সাংবাদিকরা পারলে খুঁজে দেখেন। কাজেই ওনার গুণের শেষ নাই। প্রধানমন্ত্রী অতীত স্মরণ করে বলেন, ওনি ( মঈনুল হোসেন) গিয়েছিলেন ব্যানিস্টারি পড়তে। পড়ে এসে তিনি সাহেব হলেন। মানিক কাকা (তোফাজ্জেল হোসেন মানিক মিয়া) পান্তা ভাত খেতেন। কিন্তু মঈনুল সাহেব ইংরেজি খাবার ছাড়া খেতে পারতেন না। সে জন্য ইংরেজি রান্নার বাবুর্চি রাখা হলো। তার মা অামার মাকে এসব বুঝাতেন। সেই যুগে ১০০ টাকা দিয়ে ইংরেজি খাবার রান্নার জন্য বাবুর্চি রাখা হয়েছিল। কাক ময়ুরের পুচ্ছ পরলে যা হয় অার কী! প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক নারী সাংবাদিককে প্রকাশ্যে টকশোতে কটূক্তিতে করে অালোচনায় অাসেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন। তার বাবা প্রথিতযশা সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। অা অা//এসএইচ/

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাই কমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নতুন হাই কমিশনার নিয়োগ পেয়েছেন সাঈদা মুনা তাসনিম, যিনি থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, সাঈদা মুনা তাসনিম নতুন দায়িত্বে নাজমুল কাওনাইনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। বিসিএস একাদশ ব্যাচের কর্মকর্তা তাসনিম এর আগে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন ও লন্ডনে বাংলাদেশ মিশনসহ বিভিন্ন গুরুত্ব পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ ও বহিঃপ্রচার অণুবিভাগের মহাপরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেন ১৯৯৩ সালে। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৮৮ সালে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং পরে যুক্তরাজ্যের লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনকূটনীতি ও পরিকল্পনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত জীবনে সাঈদা তাসনিম তিন সন্তানের জননী। আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি