ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:০৮:৪৮

প্রত্যাশা পূরণে চাই কমনওয়েলথ সংস্কার: প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশা পূরণে চাই কমনওয়েলথ সংস্কার: প্রধানমন্ত্রী

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং প্রত্যাশা পূরণের জন্য কমনওয়েলথকে তার লক্ষ্য অর্জনে সংস্কারের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, চারটি স্তম্ভের নিরিখে এই সিএইচওজিএম-এ চিহ্নিত লক্ষ্য অর্জন করতে চাইলেও সংস্কার অপরিহার্য। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকালে ২৫তম কমনওয়েলথ হেডস অব গভর্নমেন্ট সভায় (সিএইচওজিএম) ল্যানকেস্টার হাউজে তাঁর প্রদত্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কমনওয়েলথের বিভিন্ন সংস্থার ভূমিকা ও কার্যক্রমের পুনর্গঠন প্রয়োজন, যাতে সদস্য দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং প্রত্যাশা পূরণ হয়। আমরা কমনওয়েলথের একটি ব্যাপক সংস্কারের জন্য একটি বিশিষ্ট ব্যক্তি গ্রুপ (ইপিজি) গঠনের সুপারিশ করছি, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে কমনওয়েলথ সচিবালয় পুনর্গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এই সিএইচওজিএম সভায় নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনেই এর প্রয়োজন রয়েছে। তিনি চার্টার এবং ২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডা নিয়ে লক্ষ্যমাত্রার আলোকে মহাসচিবের কৌশলগত পরিকল্পনা-২০২০-২১-এর মূল্যায়ন করেন।. বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সচিবালয়ের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই পদক্ষেপটিকে কমনওয়েলথের বৃহত্তর ও ব্যাপক সংস্কারের একটি অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত, যাতে এটি আরো মানুষ এবং উন্নয়ন কেন্দ্রিক হতে পারে। এই প্রসঙ্গে তিনি পরামর্শ দেন যে, সচিবালয় যেনো উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি স্থানান্তর, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলির সহায়তায় তার লক্ষ্যকে আরো জোরদার করে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কমনওয়েলথ ঘোষণার কানেকটিভিটি, সাইবার সিকিউরিটি, গভর্ননেন্স এবং ব্লু চার্টার সম্পর্কিত বিষয় বাস্তবায়নের জন্য কমনওয়েলথ সচিবালয়ের উচিত একটি অ্যাকশন প্লান তৈরি করা। শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দুই বছরের মধ্যে কমনওয়েলথ তাদের কাজের ফলশ্রুতিকেন্দ্রিক প্রয়াসগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করবে, যার মধ্যে থাকবে বাণিজ্য, অর্থনৈতিক ও টেকসই উন্নয়ন এবং অধিকাংশ সদস্য দেশের বাস্তব চ্যালেঞ্জসমূহ। নাজুক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে কমনওয়েলথ মিনিস্ট্রিয়াল অ্যাকশন (সিএমএজি) গ্রুপের ভূমিকা স্পর্শকাতর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর পর্যবেক্ষণ থেকে বলেন, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভালোভাবে বুঝে সে অনুযায়ী এবং কমনওয়েলথ ঐক্যের চেতনাকে সামনে রেখে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। শেখ হাসিনা বলেন, গণতন্ত্র ও সুশাসন, আইনের শাসনই লক্ষ্য থাকতে হবে। কেন না, এগুলো হলো টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর গণতন্ত্র রক্ষা, শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গণতান্ত্রিক ও সুশাসনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে সহায়তা ও সম্পৃক্ত হওয়াটাই সবচেয়ে ভালো উপায়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ২৫তম সিএইচওজিএম কমনওয়েলথকে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য দারিদ্র্যমুক্ত, প্রগতিশীল, সমৃদ্ধ, স্পন্দনশীল এবং স্বপ্নদর্শী কমনওয়েলথ হিসেবে অনুধাবনে এক ধাপ এগিয়ে নিতে পারে। বাসস   আর  
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তসলিমার বিরুদ্ধে মামলা    

তসলিমা নাসরিন ও উইমেন চ্যাপ্টারের সম্পাদক সুপ্রীতি ধরসহ চার জনের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। বাকি দু’জন হলেন উইমেন চ্যাপ্টারের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুচিষ্মিতা সিমন্তি ও উপদেষ্টা সম্পাদক লীনা হক। বৃহস্পতিবার ঢাকার সাইবার ক্রাইম ট্রাইবুনালে যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ২০০৬ এর ৫৭ ধারায় মামলাটি করা হয় বলে জানা গেছে।    ট্রাইব্যুনাল মামলার বিষয়ে শুনানি নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে অভিযোগটির বিষয়ে তদন্ত করার আদেশ দিয়েছেন। তবে কত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে তা জানাতে পারেননি আইনজীবী।  বাদীপক্ষের আইনজীবী হুজ্জাতুল ইসলাম আল ফেসানী বলেন, ‘লেখিকা তসলিমা নাসরিন, উইমেন চ্যাপ্টারের সম্পাদক সুপ্রীতি ধর, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুচিষ্মিতা সিমন্তি ও উপদেষ্টা সম্পাদক লীনা হকের বিরুদ্ধে পবিত্র ইসলামের অবমাননার অভিযোগে দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বায়্যিনাতের সম্পাদক আল্লামা মুহম্মদ মাহবুব আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। আমি তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেছি।’ মামলা দায়েরের পর শুনানি শেষে ট্রাইবুনালের বিচারক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে অভিযোগটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।    বাদীর আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘উইমেন চ্যাপ্টার নামক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সুপ্রীতি ধর, সুচিষ্মিতা সিমন্তি ও লীনা হকেরা প্রায়ই পবিত্র দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক লেখা প্রকাশ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ এপ্রিল বিকেলে তসলিমা নাসরিনের ‘ধর্ষকের কাছে নারীর কোনো ধর্ম নাই’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে। ওই নিবন্ধে লেখা হয়, ‘পয়গম্বরও আরব দেশে ইহুদি পুরুষদের মেরে ওদের মেয়েদের নিজের সঙ্গীদের মধ্যে বিতরণ করেছিলেন।’ আইনজীবী জানান, লেখিকার এই বক্তব্যে বাদীর দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত লাগায় তিনি লেখিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েব সাইটের সম্পাদকদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছেন। এসি  

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে: যুক্তরাষ্ট্র   

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন নিয়ে তদন্ত চলছে এবং এর ভিত্তিতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সফররত যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক দূত স্যাম ব্রাউনবেক।    বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে ব্রাউনবেক এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “আপনারা আরও পদক্ষেপ দেখবেন।” তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে এসে বুধবার কক্সবাজারের কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে গিয়ে রোহিঙ্গাদের মুখে তাদের নির্যাতনের কাহিনী শোনেন ব্রাউনবেক।    রাখাইনে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ ঘটনা ঘটেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, যেসব শিশুর সঙ্গে তার কথা হয়েছে তাদের প্রত্যেকে বলেছে, তাদের সামনেই পরিবারের কোনো সদস্য বা নিকটাত্মীয়কে ছুরিকাঘাত, গুলি বা হত্যা করা হয়েছে। “একটি শিশু বলেছে, তার দাদা-দাদি দুজনকেই গুলি করে হত্যা করতে দেখেছে সে। এটা ভয়াবহ সহিংসতা। মায়ের সামনেই তার ১২ বছরের মেয়েকে কেটে ফেলা হয়েছে।” ইমামকে পিটিয়ে নারীদের ধর্ষণের ঘটনা দেখতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র আগেই এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধন’ আখ্যায়িত করে ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন চালু করেছিল বলে জানান বিশেষ দূত ব্রাউনবেক। গত ২৫ অগাস্ট থেকে রাখাইনে রোহিঙ্গাবিরোধী এই অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া মিয়ানমারের জেনারেল মং মং সোয়েসহ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রাউনবেক বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরে আলোচনার সময় একজন ছাড়া সবাই বলেছে মুসলিম হওয়ার কারণেই তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিভাগের দায়িত্বে থাকায় সুনির্দিষ্টভাবে রোহিঙ্গাদের কাছে এই প্রশ্নের জবাব চেয়েছিলেন বলে জানান তিনি। “এটা ধর্মীয় সংখ্যালঘুর বিরুদ্ধে জাতিগত নিধন। আমরা এর তদন্ত চালিয়ে যাব।” তদন্ত এগিয়ে চলায় ‘নতুন পদক্ষেপ আসছে’ বলে জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন হতে হবে তাদের সম্মতি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে। এসি  

লন্ডন থেকে ১৩ ফাইলে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী    

লন্ডন থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ১৩টি ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ২৫তম কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকে যোগ দিতে এখন লন্ডনে রয়েছেন। লন্ডনে ব্যস্ত কর্মসূচি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ব্যবস্থায় অফিস চালিয়ে যাচ্ছেন বলে লন্ডনে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম। ফাইলে স্বাক্ষর ও নিষ্পত্তি করছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইহসানুল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে সব গুরুত্বপূর্ণ ফাইল তার কাছে পাঠানোর জন্য অফিসকে নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশের পর প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ডিজিটালাইজেশনের সুবিধা ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো ই-মেইল করেন। ১৭ এপ্রিল লন্ডনে পৌঁছার পর প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত ক্রয় কমিটি, জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও জননিরাপত্তা বিভাগ সংশ্লিষ্ট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন।    এমএইচ/এসি  

বৈঠকে বসছেন শেখ হাসিনা-নরেন্দ্র মোদি   

যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসছেন। বৃহস্পতিবার লন্ডনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় বসবেন তারা।    ভারতীয় সরকারি সংবাদসংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদনে বলছে, শেখ হাসিনার সঙ্গে বসা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া ও সিসেলিসহ কমপক্ষে ১০টি দেশের প্রধানদের সঙ্গেও বৈঠকে মিলিত হবেন নরেন্দ্র মোদি। গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের দীর্ঘদিন পর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে বৈঠকে বসছেন প্রতিবেশী দেশের এ দুই রাষ্ট্রপ্রধান। তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহীদ খাকান আব্বাসির সঙ্গে মোদির বৈঠকে বসার সম্ভাবনা নেই বলে দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। ভারতের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, এই সম্মেলন কমনওয়েলথের পারস্পরিক সহযোগিতাসহ বিশ্ব নেতাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নেয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ৯১ বছর বয়সী ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কমনওয়েলভুক্ত ৫৩ দেশের প্রতিনিধিদের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। ওই নৈশভোজের আগে বাকিংহাম প্যালেসে মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র : পিটিআই। এসি  

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে ইসি

প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কমিশনকে চিঠি দিয়েছে। কমিশনও এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত সেমিনারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কথা বলেন । প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে উল্লেখ করে প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান ও ভোটাধিকার প্রয়োগসংক্রান্ত এক সেমিনারে বক্তারা বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা। দ্রুততার সাথে তাদের পরিচয়পত্র প্রদানের পাশাপাশি ভোটাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা। সেমিনারে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, এর আগে প্রবাসীদের ভোটাধিকার দিতে ২০০৮ সালে পোস্টাল ভোট চালু হলেও তা কার্যকর করা যায়নি।   এমএইচ/ এআর

এশিয়ার মূল চাবিকাঠি স্থিতিশীলতা: প্রধানমন্ত্রী

এশিয়ার ভবিষ্যতের প্রধান চাবিকাঠি হিসেবে শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এ অঞ্চলের অধিকতর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য এশিয়াকে আরো শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অঞ্চলে পরিণত করতে সেতুবন্ধন ও যোগাযোগ গড়ে তুলতে এশীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বুধবার ‘এশিয়ান লিডারস রাউন্ড টেবিল : ক্যান এশিয়ান কিপ গ্রোয়িং’ শীর্ষক কমনওয়েলথ বাণিজ্য ফোরামের একটি অনুষ্ঠানে ভাষণকালে তিনি এ আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা বিশ্বাস করি স্থিতিশীলতার মাঝেই এশিয়ার ভবিষ্যৎ নিহিত। এ জন্য আমাদের আন্তঃসম্পর্ক ও যোগাযোগ এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের মত বিনিময় ও সমঝোতা প্রতিষ্ঠার প্রয়াসের প্রয়োজন রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সীমান্তের মধ্যকার সমৃদ্ধি ও সমতা প্রবৃদ্ধি বয়ে আনবে এবং সম্মিলিত বিকাশের মাধ্যমে আমরা শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল অঞ্চল গড়ে তুলতে পারি। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হুগো সুইরি অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন এবং এর সঞ্চালক ছিলেন স্টান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার সিইও জেরিন দারুওয়ালা। তিনি বলেন, এশিয়ার দেশগুলোকে প্রবৃদ্ধিতে কেবল অভ্যন্তরীণ নয় বরং এশিয়ার অঞ্চলব্যাপী আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপুল জনশক্তি, সবচেয়ে বড় বাজার এবং প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এই এশিয়ার আয়ত্তে ছিল বিগত দিনের বিশ্ব এবং আগামী বিশ্বও তাকিয়ে আছে এশিয়ার দিকে। তিনি বলেন, গর্বের বিষয় হচ্ছে যে, এশিয়ার মানুষ সহিষ্ণু, কঠোর পরিশ্রমী, সামর্থবান, প্রতিভাবান ও আশাবাদী। শেখ হাসিনা বলেন, বিগত ৭০ বছরে এশিয়া অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। অনেক অর্থনীতিবিদ ও বিজ্ঞজন এশিয়ার এই সাফল্যকে বিম্ময়কর হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, সত্যিকার এশিয়ার চেতনার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে এ অঞ্চলের দেশগুলোকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ, বিশ্ব এখন দ্রুত বদলাচ্ছে। ডিজিটাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে নিকটতর করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সমৃদ্ধির পাশাপাশি বৈষম্যও সৃষ্টি করছে। এ প্রসঙ্গে তিনি এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার হুমকি হিসেবে সন্ত্রাসবাদ, সংঘাত, আর্থিক অভিঘাত ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জের সঙ্গে এ অঞ্চলের অগ্রযাত্রার পথে আরো অনেক বাধা-বিপত্তি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় শেখ হাসিনা এশিয়ার প্রতিভা বিকাশে তরুণ, নারী ও সর্বোপরি নাগরিকদের ওপর আরো বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল, গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি চালিত আগামীদিনের এশিয়ার জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। বাসস এমএইচ/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি