ঢাকা, সোমবার   ২১ অক্টোবর ২০১৯, || কার্তিক ৬ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

অগণিত লাশের মধ্যে আমি তাকে পাগলের মতো খুঁজেছি: পান্না কায়সার

প্রকাশিত : ১২:৩৬ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ১২:৫৩ ২২ জানুয়ারি ২০১৮

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ শহীদুল্লা কায়সারের স্ত্রী পান্না কায়সার

পান্না কায়সার বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর। ১৯৬৯ সালে শহীদুল্লা কায়সারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের অল্প সময়ের ব্যবধানে তিনি স্বামীকে হারান। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় আলবদর বাহিনীর কিছু সদস্য শহীদুল্লা কায়সারকে তাঁর ২৯ বি কে গাঙ্গুলী লেনের বাসা  থেকে ধরে নিয়ে যায়। তারপর তিনি আর ফিরে আসেননি। স্বামীকে হারিয়ে পাগল পারা হয়ে যান পান্না কায়সার। অসংখ্য লাশের মাঝে খুঁজে বেড়িয়েছেন প্রিয় স্বামীকে। কিন্তু তার কোনো হদিস পাননি।

এরপর ছোট্ট দু’সন্তানকে নিয়ে পাড়ি দেন দীর্ঘপথ। যে পথটি ছিল তার অজানা। শপথ নেন বধ্যভূমির তীরে দাঁড়িয়ে। আজীবন চলবেন স্বামীর দেখানো পথে। তাই নানা ঝড়ে আক্রান্ত হলেও কখনো দমে যাননি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেন নতুন সংগ্রাম। যুক্ত হন রাজনীতির সঙ্গে। ১৯৯৬-২০০১ সালের জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের হয়ে এমপি হন। পেশা হিসেবে বেছে নেন শিক্ষকতাকে। বর্তমানে সময় কাটছে তার লেখালেখিতে। মুক্তিযুদ্ধ, বিজয় দিবস ও তার জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা হয় ইটিভি অনলাইনের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আউয়াল চৌধুরী

ইটিভি অনলাইন: শহীদুল্লা কায়সারের সঙ্গে আপনার পরিচয় কিভাবে হয়েছিল?

পান্না কায়সার: শহীদুল্লা কায়সার তখন দৈনিক সংবাদে কাজ করত। তার প্রতিটি লিখা আমি পড়ার চেষ্টা করতাম। একবার তাকে মুনীর চৌধুরী স্যারের রুমে দেখেছিলাম। কিন্তু কথা বলার সুযোগ হয়নি। তার সঙ্গে দেখা করার খুব ইচ্ছে হতো। সেই সুযোগটি হচ্ছিল না। সুযোগটি আসে আমার বোনের মাধ্যমে। আমার বড় বোনের শ্বশুর পক্ষের এক আত্মীয়ের সম্পর্ক তাদের সঙ্গে। সেই সুবাধে আপুর সঙ্গে একদিন তাদের বাসায় যাই। ওখানে যাওয়ার পর আমার শাশুড়ি আমাকে পছন্দ করে ফেলে। বারবার বিভিন্ন বিষয় জিজ্ঞস করছে। আমিও লজ্জা পাচ্ছিলাম। শহীদুল্লা বাসায় এসে আমার ব্যাপারে জানার পর সোজা আমাদের বাসায় চলে আসেন। আমার সঙ্গে কথা বলতে চায়। আর আমিতো তাকে দেখে একেবারে থ। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। সে আমাকে পছন্দ করে ফেলে। এভাবেই আমাদের বিয়ে হয়। দু:খের বিষয় হলো এক কারফিউতে আমাদের বিয়ে হয় আরেক কারফিউতে আমি তাকে হারাই।

ইটিভি অনলাইন: তার সঙ্গে আপনার স্বল্প সময়ের সম্পর্ক কেমন ছিল?  

পান্না কায়সার: তাকে আমি পেয়েছি মাত্র ২ বছর ১০ মাস। এই দিনগুলো কেটেছে স্বপ্নের মতো। সে তো খুব ব্যস্ত থাকতো। রাজনীতি আবার সংবাদপত্রে কাজ করে। অনেক সময় দেরি করে বাসায় ফিরতো। আমি খুব রাগ করতাম। সে মুহুর্তের মধ্যে রাগ দূর করে দিত। অনেক সময় বাসায় বসে নিউজ তৈরি করতো। সংবাদের জন্য হেড লাইন তৈরি করবে আমাকে বলতো পাশে বসে থেকো। ও যখন যা লিখতো আমি পাশে বসে থাকতাম। লিখে আমাকে পড়তে দিতো। তারপর ভালো মন্দ নিয়ে আলোচনা হতো। এভাবে কত স্মৃতি যে আছে তা বলে শেষ করা যাবে না।

ইটিভি অনলাইন: শেষ মুহুর্তের কোনো স্মৃতি কি মনে পড়ে?  

পান্না কায়সার:  তাকে নিয়ে যাওয়ার আগের দিন অর্থাৎ ১৩ ডিসেম্বর রাতেও আমাকে একটা প্রেমপত্র লিখে। প্রেমপত্রে ও (শহীদুল্লা) লেখে ‘প্রিয় বউ, আমার আবর্তমানে আমার সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, আমার চেতনায়, আমার আদর্শে বড় করবে। তুমি ভালো থেকো। আমি জানি তুমি ভালো থাকবে। আমি তোমাকে যতটুকু শিক্ষা দিতে পেরেছি। বিশ্বাস করি তোমার কাজে লাগবে। কারো অনুকম্পা নয়, মাথা উচুঁ করে বাচঁবে। ইতি তোমার শক’। এই চিঠি পড়ে আমি তাকে বলি তুমি এ ধরণের চিঠি কেন লিখেছ। তুমি না বললে দেশ স্বাধীন হয়ে যাচ্ছে। আর আমিই বা কেন কারো অনুকম্পা নিয়ে থাকবো। তুমি থাকতে অন্যের অনুকম্পা নিয়ে বাঁচবো কেন? তখন সে বললো, ধর- এটা আমার একটা প্রেমপত্র। আমি বললাম, তুমিতো অনেক চিঠি আমাকে লিখেছ, সব আমার হৃদয়ে গাঁথা আছে। এই চিঠিটার ভাষাটাও আমার হৃদয়ে গাঁথা আছে। আমার মনে হয় সে চলে যাবে সে জন্যই নানা আঙ্গিকে, নানা কৌশলে সত্যিকারের সঙ্গী বানাবার জন্য এই অনুশীলন আমাকে দিয়ে করিয়েছে। ওকে নিয়ে যাওয়ার পরে মনে আশা ছিল হয়তো ফিরে আসবে। সবাই আমাকে শান্তনা দিচ্ছিল কান্নাকাটি না করতে। সবাই বলছে নিশ্চয় শেষ সময়ে তাকে তারা কিছু করবে না। তখন আমার মনে হলো ও এত বড় একজন সাংবাদিক তাকে মেরে ফেলবে এটা বিশ্বাস করা যায় না। 

ইটিভি অনলাইন: শহীদুল্লা কায়সারকে কিভাবে নিয়ে গেল?

পান্না কায়সার:  আমার হাত থেকে রাজাকার আল বদরের গুন্ডারা তাকে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যায়। আমি কখনো বুঝতে পারি নাই এই মানুষটাকে এইভাবে হারিয়ে ফেলবো। তিনি ছিলেন অনেক সচেতন এবং নিষ্ঠাবান একজন। আন্ডারগ্রাউন্ডে কাজ করেছেন। পুলিশের হাতে বারবার আটক হয়েও বেঁচে ফিরে এসেছেন। কিন্তু এই রাজাকারদের হাত থেকে বাঁচতে পারলো না। ওরা ঘরে ঢোকার পর জিজ্ঞেস করেছিল শহীদুল্লা কায়সার কে? ও যদি সে সময় সত্যি কথাটা না বলে একটু মিথ্যে বলতো তাহলে হয়তো বেঁচে যেতো। সে সময় বাড়ি ছিল একেবারে অন্ধকার। তাদের চিৎকারে আমার বাচ্চা কোল থেকে নিচে পড়ে যায়। তবে ও সব সময় সত্য কথা বলতো। আর সত্য বলার খেসারতটা এত বেদনাদায়ক হবে এটা কখনো বুঝতে পারিনি।

ইটিভি অনলাইন: উনাকে উদ্ধারে কি করেছিলেন?   

পান্না কায়সার:  তাকে নিয়ে যাওয়ার পর একেবারে দিশেহারা হয়ে যাই। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না। প্রথমে আমি বিষয়টা পত্রিকা এবং তার কিছু বন্ধুকে জানালাম। ও সুযোগ পেলে আমাকে বলতো, কখনো যদি আমার কিছু হয় তোমার বা আমার আত্বীয় স্বজন কতটুকু তোমাকে দেখে রাখবে জানি না। তবে আমার বন্ধুরা তোমাকে আগলে রাখবে। হ্যাঁ, তার এ কথাটার প্রমাণ আমি পেয়েছি।     

এরপর দৈনিক সংবাদের সম্পাদক জুহুর হোসেন মামাকে ফোন করলাম। তিনি আমাকে কতোয়ালী থানায় ফোন করতে বললেন। আমি সেখানে ফোন দিলাম। একজন উর্দুভাষী ধরলো। আমি তাকে ইংরেজিতে বললে তখন ওই লোক বলে ‘ও, শহীদুল্লা কায়সার’। তখন আমার মনে হলো ওরা আগে থেকে সব কিছুই জানত। আমাকে তারা থানায় আসতে বললো। এ কথা শুনে সবাই আমাকে নিষেধ করতে লাগলো। ওরা আটকে রাখতে পারে। কারণ নারীদের প্রতি তাদের খারাপ দৃষ্টি। এ সময় আমার দেবর (জহির রায়হান) বলে ভাবী আপনার পায়ে পড়ি আপনি সেখানে যেতে রাজি হবেন না। আর যাওয়া হয়নি থানায়।  এরপর ১৫ তারিখ জয় বাংলা শ্লোগান দেওয়া হচ্ছে। তখন আমি ছোটদাকে বলি জয় বাংলা শুরু হয়ে গেছে, চল আমরা বাহিরে যাই। তাকে খুঁজি। তিনি আমাকে বললেন আমরা আর একটা বেলা অপেক্ষা করি, আরেকটু দেখি। আমার তখন মনে হয়েছে ওরা হয়ত সব বুঝে ফেলেছে, ও আর নেই।     

ইটিভি অনলাইন : এরপর কি হলো?

পান্না কায়সার : তারপর ১৬ ডিসেম্বর আমার দেবর বলে, চলেন বড়দাকে (বড় ভাই) নিয়ে আসি। আমার ধারণা ছিল ওকে নিয়ে আসতে যাচ্ছে, নিশ্চয়ই তার খোঁজ পাওয়া গেছে। আমরা রিকশা করে রওয়ানা দিই। এ সময় জহুর মামার সঙ্গে দেখা। তিনি আমাকে প্রথম ধাক্কা দিয়ে জীবন চলার জন্য শক্ত করে দেন। তার কিছু কথা আমাকে চলার শক্তি এবং সাহস জোগান। আমরা রায়ের বাজার যাই। সেখানে দেখি শুধু লাশ আর লাশ। আমি তখন দেবরকে বলি এখানে কি খুঁজে পাব? তিনি বলেন, সামনে গিয়ে দেখি। আমি পায়ের স্যান্ডেল খুলে জমিতে নেমে পড়ি। কত মানুষ সেখানে আহাজারি করছে। অগনিত লাশ কারো চেহারা ভালোভাবে বুঝা যাচ্ছে না। আমি তখন শহীদুল্লা কায়সারের পা খুঁজতে লাগলাম। কারণ আমি তার পা থেকে মাথা পর্যন্ত প্রতিটি লোমকূপ সম্পর্কে জানি। তার পা ছিল উজ্জল সুন্দর। তাই সবার পায়ের দিকে বার বার তাকাচ্ছিলাম। কিন্তু কারো পা আছে কারো পা নেই। ফলে খুঁজে আর পাই না। কত লাশের পাশ দিয়ে গেছি। লাশের পর লাশ পড়ে আছে। তাদের সরিয়ে পাগলের মতো তাকে খুঁজি। কিন্তু সে কোথায়, নেই। এক সময় ক্লান্ত হয়ে উপরে উঠে আসি। সেখানে আমি শপথ করি। শহীদুল্লা কায়সার যে আদর্শকে লালন করেছে সেই আদর্শ থেকে আমি কখনো বিচ্যুৎ হবো না। তার আদর্শে বাকি জীবন কাটিয়ে দেবো। তার সন্তানদের মানুষ করবো। ওই তীরে দাঁড়িয়ে আরো শপথ করি আল্লাহ তুমি আমাকে শুধু শক্তি দাও, সাহস দাও, ধৈর্য্য দাও। আমি যেন এই মানুষটির নামে সারা জীবন ধৈর্য্য ধরে চলতে পারি। আমি যেন নুয়ে না পড়ি।

ইটিভি অনলাইন: তার নিখোঁজের পরবর্তী সময় কিভাবে পার করলেন?

পান্না কায়সার:  সে অসম্ভব দূরদর্শী ছিল। আমাদের দেশের একটা মধ্যবিত্ত পরিবারে যা হয়, সেটা সে আগেই বুঝতে পেরেছিল। এই বাড়িতে এক সময় আমি ছিলাম সবার কেন্দ্রবিন্দু। শহীদুল্লা কায়সারের কথা ছাড়া একটা ধুলাও নড়তো না। সে হারিয়ে যাওয়ার পর আমার কাছে মনে হয়েছে আমি এ বাড়ির সবার কাছে বোঝা হয়ে আছি। আমার তখন মনে হলো নিজেকে নয় এখানে থেকে আমি আমার স্বামীকে ছোট করছি। সব কিছু যেন কেমন হয়ে গেল। তার নিখোঁজের ৭ দিনের মাথায় আমি ওই বাড়ী ছেড়ে চলে আসলাম। তারপর দু:খ কষ্টেই দিন যেতে থাকলো।  

একবার বঙ্গবন্ধুর কাছে গেলাম। তিনি আমাকে দেখেই বলেন আস আস বস। আমাকে তিনি শহীদুল্লাহ কায়সারের কারণে অনেক আগে থেকেই চিনতেন।  অনেকবার শহীদুল্লার সঙ্গে আমি তার কাছে গিয়েছি। পরে তিনি আমাকে কাছে বসালেন। আমার চেহারা দেখে বললেন খুব অসুবিধায় আছ। আরে দূর, কত বড় অসুবিধা তুমি পার করে এসেছ, যুদ্ধ করে এসেছ। জীবনে যুদ্ধ করতে হলে কিছু হারাতে হয়। নিতে হয় কিছু দিতে হয়। আর বড় কিছু পেতে হলে বড় কিছু দিতে হয়। তুমি বড় কিছু পেয়েছ, দুইটা সন্তান পেয়েছ, স্বাধীনতা পেয়েছ। তুমি অনেক কিছু হারিয়েছ। আমরা তো আছি, বল তোমার কি দরকার? আমি বহু পরীক্ষা দিতে পারি কিন্তু মুখে বলতে পারি না। এরপর বললাম আমি একটা থাকার জায়গা চাই। একটা কুঁড়ে ঘর অমাকে দেন। আর আমি একটা চাকরি চাই। তখন তিনি বললেন, এখন এই মুহুর্তে যদি আমি অর্ডার করি তোমার একটা চাকরি হয়ে যাবে। কিন্তু আমি সেটা করবো না। তুমি তোমার যোগ্যতা দিয়ে চাকরি অর্জন কর। তারপর আমরা পাশে আছি। বিসিএস পরীক্ষা সামনে আছে। ওই সময় আমি আমার সব কাগজপত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। তিনি বললেন, এগুলো তোমার কাছে রেখে দাও, আর বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নাও। বাড়ির ব্যবস্থা আমি করে দেব। এটাকে করুণা মনে করো না। 

ইটিভি অনলাইন: মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তীতে পথ চলায় কিভাবে সাহস যুগিয়েছেন?

পান্না কায়সার:  এই সাহসটা আমাকে শহীদুল্লা কায়সারের বন্ধুরা দিয়েছে। আর নিজে থেকেও সাহস সঞ্চয় করেছি। ‘ভয় কি মরেণে রাখিতে সন্তানে’ এই গানটা ছোটবেলা থেকে আমি অনেক শুনেছি। আর আমার বাবা একজন মিশুক মানুষ ছিলেন। তার ভোগ বলে কিছু ছিল না। সারা জীবন ত্যাগ ছিল। শহীদুল্লা কায়সারের সান্নিধ্য আমার একটা বড় শিক্ষা ছিল। এগুলোকে আমি কাজে লাগাতে চেষ্টা করেছি। কতটুকু পেরেছি আমি জানি না। তবে এখনো আমি চেষ্টা করছি। আমি যেন কারো মুখাপেক্ষী না হই। এমনকি আমার সন্তানের কাছেও। আমার ছেলে মেয়েকে (শমী কায়সার ও অমিতাভ কায়সার) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কতটুকু গড়তে পেরেছি, তা জানি না, তবে কখনো কখনো মনে হয় আমি পেরেছি।

ইটিভি অনলাইন: নতুন প্রজন্মের জন্য কিছু কি বলার আছে?

পান্না কায়সার:  এই প্রজন্মই এখন আমার আশার স্থল। সাংবাদিকদের আমার অনেক ভালো লাগে। তোমরা আমার ছেলে মেয়ে। এ প্রজন্মের তরুণ ছেলে মেয়েদের দেখলে আমার বুকের মধ্যে আশা জাগে। এদের চোখে মুখে কিন্তু সাংঘাতিক রকমের একটা আলোরন কাজ করে। একটা বোধ কাজ করে। একটা প্রত্যয়, চেতনা কাজ করে। ভেতরে একটা মশালের আলো আমি দেখতে পাই। এই কারণে আমি খেলাঘরে আরো বেশি মনোযোগি হই। এই প্রজন্মের সন্তানেরাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করবে। তারাই এগিয়ে নিয়ে যাবে এই পতাকা।

 ইটিভি অনলাইন : আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

পান্না কায়সার : আপনাকেও ধন্যবাদ। ইটিভি অনলাইনের প্রতি শুভ কামনা।

 

এসি/ এআর

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি