আ.লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের দুর্নীতির তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি
প্রকাশিত : ২২:১৮, ৫ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২২:২৪, ৫ নভেম্বর ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ বিভিন্ন দপ্তরে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কি না, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য চেয়েছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আগামী বৈঠকে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার বিবরণ জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যাগত শরণার্থী এবং গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত অ-উপজাতীয়দের রেশন কার্ড বিতরণে চলমান অনিয়ম দূর করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে কমিটি। প্রকৃত উপকারভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে তাদের কাছে যেন রেশন পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তরের বর্তমান শূন্য পদের সংখ্যা এবং তা পূরণে এ পর্যন্ত কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক সাজেক ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় মন্ত্রণালয় কী ভূমিকা নিয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত জানতে চেয়েছে কমিটি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় 'টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্প'-এর অধীনে কর্মরত পাড়াকর্মীদের সম্মানী ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের বর্তমান হ্রাসকৃত ভাতা একটি সম্মানজনক পর্যায়ে পুনর্নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে।
বৈঠকে চলতি অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ, তার সুষম বণ্টন, খাদ্যশস্য বরাদ্দে অনিয়ম এবং উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরিস্থিতি সরজমিনে দেখতে আগামী ডিসেম্বর মাসে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাথে বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংসদীয় কমিটির সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু এবং কমিটির সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা, দীপেন দেওয়ান, শাহজাহান চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও মাছুম মোস্তফা।
এমএইচ
আরও পড়ুন










