এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি
প্রকাশিত : ১৩:০১, ৭ মে ২০২৬
ফাইল ছবি
বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা জারি করেছে সরকার। একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন।
বুধবার (৬ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে। এদিন থেকেই তা কার্যকর হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন শিক্ষকরা। তবে সেখানে পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় আবেদন করতে পারবেন তারা। এ ছাড়া স্বামী/স্ত্রীর নিজ জেলা অথবা স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল জেলায় বদলির জন্যেও আবেদন করতে পারবেন তারা।
এতে বলা হয়, শিক্ষকরা প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদনের জন্য যোগ্য হবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর দুই বছর পর ফের বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন।
এতে আরো বলা হয়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুজন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে (নারী ও জ্যেষ্ঠতা) বদলির সুযোগ পাবেন। তবে এক বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। বদলির জন্য আবেদনকারী শিক্ষকরা আবেদনে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে নারী প্রার্থী, দূরত্ব, স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল ও জ্যেষ্ঠতা অনুযায়ী অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। চাকরির জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্যপদের চাহিদা অনলাইনে প্রকাশ করবে। শূন্য পদের বিপরীতে অধিদপ্তর শিক্ষকদের আবেদন আহ্বান করবে। কোনো শিক্ষকের এমপিও বন্ধ, সাময়িক বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য হবেন না।
এ ছাড়া সরকারও জনস্বার্থে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বদলি করতে পারবে।
এএইচ
আরও পড়ুন










