ঢাকা, রবিবার   ২২ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৬:০১, ২২ মার্চ ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

কুমিল্লা জেলা সদরে ভয়াবহ ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহতদের পরিচয় জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের দুই শিশুসহ মোট ১২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ৩ জন কন্যা শিশু।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার জাঙ্গালিয়া এলাকার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের নিচে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর সালামত উল্লাহর পুত্র মো. বাবুল চৌধুরী (৫৩), ঝিনাইদহের মহেশপুরের পিন্টু মিয়ার স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬), তার দুই মেয়ে খাদিজা আক্তার (৬) ও মরিয়ম আক্তার (৪), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের বিল্লাল হোসেনের পুত্র সোহেল রানা (৪৬), যশোরের চৌগাছার ফকির চাঁদ বিশ্বাসের পুত্র মো. সিরাজুল ইসলাম (৬২) ও তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৫৫)।

এছাড়া নোয়াখালীর সুধারামের মো. সেলিম মিয়ার পুত্র নজরুল ইসলাম রায়হান (৩৩), লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজুল দৌলার কন্যা সায়েদা (৯), ঝিনাইদহ সদরের মোক্তার হোসেন বিশ্বাসের পুত্র মো. জোয়াদ বিশ্বাস (২০), মাগুরার মোহাম্মদপুরের ওহাব শেখের পুত্র ফসিয়ার রহমান (২৬) এবং চাঁদপুরের কচুয়ার মোমিনুল হকের পুত্র তাজুল ইসলাম (৬৮)।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনটি পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা অতিক্রম করার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস রেললাইন পার হচ্ছিল। মামুন পরিবহনের বাসটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নোয়াখালী যাচ্ছিল। এ সময় দ্রুতগতির ট্রেনটি বাসটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে বাসটি ট্রেনের ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে যায়।

সংঘর্ষের পর বাসটিকে প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত ট্রেনের সঙ্গে টেনে নিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই কয়েকজন যাত্রীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহতদের স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করে দ্রুত কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি