ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২৬

চার দিবসে রামিসা হত্যার বিচার শেষ, দৃষ্টান্ত স্থাপন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৪:৫৫, ৪ জুন ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

টানা চার দিবসে বিচারকার্য শেষ করে দেশের ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে শিশু রামিসা হত্যা মামলা। এখন রায় ঘোষণার পালা। এ জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) ধার্য করেছেন ঢাকা মাহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। 

আজ বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের শুনানিতে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি জানায় রাষ্ট্রপক্ষ। এদিকে ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চায় আসামিপক্ষ। 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার নারকীয় ঘটনায় ভয়াবহতায় দেশব্যাপী আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়। সারা দেয় সরকারপ্রধান। নড়চরে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিচার বিভাগ।

ঘটনার মাত্র তিন দিনের মাথায় প্রধান আসামি সোহেল রানার দায় স্বীকারের পর বৃহস্পতিবার শুরু হয় শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্কের শুনানি।

সাক্ষীদের সাক্ষ্য, আলামত ও তথ্যে দুই আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুম করার মত গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে দুই আসামির মৃত্যদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ। এদিকে আদালতে ন্যায়বিচারের আবেদন জানিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে আলোচিত এ মামলায় রোববার রায়ের দিনে ঠিক করেন আদালত। 

এর আগে গত সোমবার (১ জুন) আদালত আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন মঙ্গলবার চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। গতকাল বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেরদের নির্দোষ দাবি করেন।

আর আজ বৃহস্পতিবার এ মামলার যুক্ততর্ক শুনানি শেষ করে রায় ঘোষণা তারিখ ধার্য করলেন আদালত।

নৃশংস এই ঘটনার ২০ দিনের মধ্যেই রায় ঘোষণার দিন ঠিক করে বিচার বিভাগ অনন্য এক নজির স্থাপন করেছে, মনে করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা দম্পতি কৌশলে আট বছরের শিশু রামিসাকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ পর হত্যা করে সোহেল। পরে লাশ গুম করার জন্য গলা কেটে মস্তক আলাদা করে সে। 

এ ঘটনায় মামলা করেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি