ঢাকা, রবিবার   ২৫ আগস্ট ২০১৯, || ভাদ্র ১০ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

জামায়াতের খোলস বদল

প্রকাশিত : ২০:০৭ ২৬ মে ২০১৯

শুধু বাংলাদেশের রাজনীতির জগতে নয়, পুরো বিশ্বে ভূ-রাজনৈতিক সবচেয়ে বিধ্বংসী রাজনৈতিক মতাদর্শের একটি হচ্ছে সালাফিজম অথবা ওহাবী মতবাদ। ভারতীয় উপমহাদেশে সেই একই অসহিষ্ণু, চরমপন্থী রাজনৈতিক ধারা আবুল আলা মওদুদীর হাত ধরে বিস্তার লাভ করে এবং মওদুদীবাদ নামে পরিচিত হয়। মূলত জামায়াতে ইসলামী নামক রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে তা ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশে মূলধারার ক্ষমতা প্রত্যাশী রাজনীতিতে জড়িত আছে। ইসলামের প্রকৃত চর্চা অথবা প্রসার কোনকালেই জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্য ছিল না। ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে পেশী শক্তির মাধ্যমে নিজেরা ক্ষমতায় যাওয়া তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

এই প্রক্রিয়ায় বরং ধর্মকেই তারা বিশ্বব্যাপী বিতর্কিত করার প্রয়াস পাচ্ছে। ইসলামের নীতি ও নিয়মের যে ব্যাখ্যা বিশ্বের ১.৫ বিলিয়ন মুসলিম মেনে চলেন, বিশ্বাস করেন- তার থেকে একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে ইসলামকে একটি জঙ্গীরূপ দিচ্ছে এই মতবাদ। ইসলামের নামে সহিংসতা করছে নির্বিচারে। এবং তা শুধু বিধর্মীদের প্রতিই করছে না– বরং যে কোন মুসলমান যার জীবনাচরণ বা ধর্মের ব্যাখ্যা ওহাবী মতবাদের চেয়ে ভিন্ন- তাদের সবাইকে তারা নির্বিচারে কাফের, মুরতাদ ঘোষণা দিয়ে হত্যা করছে বা হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে। তাদের এহেন নিষ্ঠুর, মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ শান্তিপ্রিয়, নির্বিরোধী ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে শুধু মনঃকষ্ট দিচ্ছে তাই নয়, জগতজুড়ে মুসলমানদের হেয় করছে এবং কখনও কখনও বিপদের মুখেও ফেলে দিচ্ছে।

নৃশংসতার ক্ষেত্রে বিশ্বের সব সালাফিবাদী সংগঠনের চেয়ে বাংলাদেশের মওদুদীবাদী জামায়াতে ইসলামীর ট্র্যাক রেকর্ড সর্বাধিক নিষ্ঠুর বলে আমি মনে করি। ’৭১-এ ধর্মের নামে আলবদর, আল-শামস, রাজাকাররা যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তার নজির পৃথিবীর আর কোথাও নেই। মাত্র নয় মাসে ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল যে ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলো তারাই আজকের জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের পূর্বসূরি। যুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে তাদের রাজনীতি বন্ধ থাকলেও জিয়াউর রহমানের সময় তারা আবার প্রকাশ্য রাজনীতি করার অধিকার ফিরে পায় এবং স্বনামে আবার এই অপরাজনীতির বিষ ছড়িয়ে দিতে থাকে বাংলাদেশের মাটিতে। জামায়াতে ইসলামী যে একটি যুদ্ধাপরাধী দল এবং এদের মওদুদীবাদী রাজনৈতিক আদর্শ যে একটি মানবতাবিরোধী অপরাজনীতি– একথা শহীদ পরিবারগুলোর সদস্যরা স্বাধীন বাংলাদেশে এই চার দশক ধরেই বলে এসেছেন। অবশেষে, বাংলাদেশের মাটিতে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধের বিচারের নিমিত্তে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের অবজারভেশনে জামায়াতে ইসলামীকে একটি যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এই সত্যকে বিশ্ববাসীর কাছে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বাংলাদেশের মানুষ একাত্তরকে ভুলেনি, তাদের পক্ষে ’৭১-এর সেই ত্যাগ, সেই কষ্ট ভোলা সম্ভব না কোনদিন। বরং, আমি মনে করি সেই বেদনাদায়ক জন্ম ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষের সামগ্রিক সাইকি বা মননকে চিরদিনের জন্য প্রভাবান্বিত করে গেছে, বদলে দিয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধীরা যতই চেষ্টা করুক তা মুছে দিতে–সেটা সম্ভব হবে না কোনদিন। একই কারণে এই বাংলাদেশের মানুষের মনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ঘৃণা আছে এবং থাকবে। আর তাই ’৭৫-এর ২১ বছর টানা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, আন্তর্জাতিক বিপুল অর্থ সাহায্য পেলেও এবং সরকারের অংশ হতে পারলেও, এককভাবে কোন দিন ভোটে বিশাল জনসমর্থন লাভ করতে সমর্থ হয় নাই।

বরং, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পরে জামায়াত স্পষ্টভাবে তাদের প্রতি এ দেশের মানুষের ঘৃণা সম্মুখভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে বলে মনে হয়। বিশেষত, যুদ্ধাপরাধের বিচারে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের মধ্য দিয়ে জামায়াতের কালিমালিপ্ত চেহারা, তাদের দেশবিরোধী অবস্থান জনসমক্ষে আরও স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলো এবং আদালত কর্তৃক স্বীকৃত হলো, শাস্তিযোগ্য বিবেচিত হলো, সর্বোচ্চ শাস্তি পেল। সবচেয়ে বড় যা ঘটল তা হলো, তরুণ প্রজন্ম যে দেশবিরোধী এই কাজ ঘৃণা করে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে কখনও দেশবিরোধী কারও কোন অবস্থান মেনে নেবে না এ দেশবাসী- তা জামায়াতের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে সমর্থ হলো।

তাহলে কি উপায়? যদি তাদের নাম শুনলেই দেশবাসীর তাদের খুনী চেহারা মনে পড়ে যায়, ধর্ষণের অপরাধের চিত্র স্মরণ হয়, দেশের জন্মের বিরোধিতা করার ইতিহাস সবার মনে পড়ে যায়- তবে জামায়াত কিভাবে টিকে থাকবে, কিভাবে তারা তাদের অপরাজনীতিকে এ দেশের মাটিতে চালিয়ে যাবে? সমাধান সহজ- যে নাম নিয়ে এত ঝামেলা তাকে পরিবর্তন করে নতুন প্লাটফর্ম তৈরি করাই যে সহজ সমাধান এটা তো সহজবোধ্য। আর তাই, তারা অতীতের কালিমা লুকিয়ে ভিন্ন পরিচয়ে আবির্ভূত হবার নতুন ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে পুরনো অপরাজনীতি চালিয়ে যাবার নবউদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ যেন সাপের খোলস বদলের মতো। ভিতরে সেই একই সাপের বিষ। মওদুদীবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, হত্যা, ধর্মের অপব্যাখ্যা, ধর্মকে অপব্যবহার করে ক্ষমতায় যাবার আকাঙ্ক্ষা। নতুন নামে নতুন প্লাটফর্ম তৈরি করার মানে এই নয় যে- তাদের মূল নীতির কোন পরিবর্তন হয়েছে অথবা দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের কোন পরিবর্তন হবে। সাপ খোলস বদলালেই কি তার বিষ নষ্ট হয়ে যায়? যায় না। জামায়াত নাম পাল্টালেও একই দেশবিরোধী, মানবতাবিরোধী জামায়াতই থেকে যাবে। নাম পাল্টানো এই কৌশল জামায়াত এবারই প্রথম নিয়েছে তা নয়, আগেও করেছে। তখনও পরিবর্তন হয়নি জামায়াত,এবারেও হবে না এটা নিশ্চিত।

জামায়াত খোলস বদলে এবার নাম নিয়েছে, ‘জনআকাক্সক্ষার বাংলাদেশ’। কি পরিহাস! বাংলাদেশের জনগণের সবচেয়ে বড় আকাক্সক্ষা ছিল ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র পাকিস্তানের কষাঘাত থেকে বেরিয়ে এসে অসাম্প্রদায়িক স্বাধীন বাংলাদেশের। সেই আকাক্সক্ষা এত বড় ছিল যার জন্য আপাতদৃষ্টে বীর বাঙালী জীবন দিতে পিছপা হয়নি। সেই আকাক্সক্ষার বুকে গুলি করা জামায়াত নাম নিয়েছে ‘জনআকাক্সক্ষার বাংলাদেশ’। হাসব না কাঁদব তাই ভাবছি। পাকিস্তানীদের দালাল ঐ খুনী জামায়াতীরা বাংলাদেশের জনগণের আকাক্সক্ষার বোঝেটা কি? বলা হচ্ছে জামায়াতের ‘সংস্কারবাদী‘ অংশটা অতীতের ‘ভুলভ্রান্তি‘ থেকে বেরিয়ে এসে একটি ‘প্রগতিশীল‘ জামায়াত করতে চায় আর তাই এই উদ্যোগ। এই বাক্যের প্রতিটি শব্দ এত বিভ্রান্তিকর যে কথাগুলো হাস্যকর পর্যায়ে চলে গেছে। জামায়াতের আবার সংস্কার কি? বিষের কোন কোন অংশ শোধন করলে বিষ মধুতে পরিণত হয়? হয় না। জামায়াতের প্রতিটি আদর্শই ভ্রান্ত। সংস্কার করলে তো জামায়াতের পুরোটাই বাতিল করতে হবে, কিছুই রাখা যাবে না। সেটাই আসলে করণীয়। জামায়াতকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা এখন সময়ের দাবি।

বলা হচ্ছে, অতীতের ‘ভুলভ্রান্তি’ থেকে বেরিয়ে এসে নতুন সদস্যরা নতুনভাবে যাত্রা শুরু করতে চায়। এই অংশটি শুনে আমি শহীদ সন্তান হিসেবে প্রচণ্ডভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছি। ৩০ লাখ মানুষের পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত নিষ্ঠুর গণহত্যা তাদের কাছে শুধু ‘অতীতের ভুলভ্রান্তি’? জামায়াতীরা আসলেই সাইকোপ্যাথ, ঠাণ্ডা মাথার খুনি। এদের কোন অনুশোচনা নেই,অপরাধবোধ নেই, ক্ষমা চাওয়ার মতো বিবেক নেই।এরা ক্ষমার অযোগ্য। যারাই একবারও জামায়াতের আদর্শের প্রতি আনুগত্য দেখিয়েছে তাদের লিস্ট ধরে ধরে চিরদিনের মতো বাংলাদেশের মাটিতে রাজনীতি করার অধিকার কেড়ে নিতে হবে এবং এদের যে কোন সামাজিক কর্মকাণ্ডকে নজরদারীর মধ্য চিরকাল রাখতে হবে। এমন কি তাদের ধর্মের নামে করা যে কোন চ্যারিটি, এনজিও, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব কিছুকে নিরাপত্তা নজরদারীতে রাখতে হবে আজীবন।

বলা হচ্ছে, জামায়াতের যারা ’৭১-এর পরে জন্মেছে তারা কেন প্রবীণ জামায়াতী যুদ্ধাপরাধীদের অপরাধের দায় নেবে? এই প্রশ্নটা উদ্দেশ্যমূলক এবং এর উত্তর স্পষ্টভাবে বার বার দেয়া হলেও এরা বার বার এই একই গোল পাকাতে চেষ্টা করে। স্বাধীন বাংলাদেশে জামায়াতের সব অপরাধ জেনেও যে তরুণ একই বিষাক্ত রাজনীতিতে বিশ্বাস স্থাপন করে সেও একই রকম বড় অপরাধী, সেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একই অপরাধ করে চলছে ক্রমাগত। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে এ দেশের মানুষের বিরুদ্ধে সে একই অপরাধ করবে। এদের মাফ করা যাবে না, এদের একই অপরাজনীতিতে বাংলাদেশকে বিষাক্ত করে দেয়া যাবে না। নবীনরা কি তাদের পূর্বসূরিদের অপরাধ স্বীকার করেছে? সেই অপরাধের জন্য কি ক্ষমা চেয়েছে? জামায়াতের মানবতাবিরোধী আদর্শের ভ্রান্তি কি তারা বুঝতে পেরেছে? সেটা থেকে কি সরে এসেছে? যদি সরেই আসে তাহলে তারা কি মুক্তিযুদ্ধের চার মূলনীতিতে, বাংলাদেশের সংবিধানে বিশ্বাস স্থাপন করছে? নাকি তারা এখনও মওদুদীবাদে বিশ্বাস করে? কোথায় কোথায় তারা পরিবর্তন এনেছে তা কি কারও কাছে স্পষ্ট করেছে? না, করেনি। ধোঁকাবাজরা আবারও সেই ধোঁকা দিতেই নতুন করে মাঠে নেমেছে।

বরং,‘জনআকাক্সক্ষার বাংলাদেশ‘-এর নেতৃবৃন্দের বক্তব্য যা এসেছে পত্রপত্রিকার তার থেকে জানা যায়, তারা বঙ্গবন্ধুকে জাতির পিতা স্বীকার করেনি,তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারের সর্বোচ্চ সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের শহীদ মনে করে। এত স্পষ্ট উচ্চারণের পরেও কারও কি কোন বিভ্রান্তি আছে এদের জামাতী পরিচয় নিয়ে? বরং, এরা কত বড় বেইমান- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যাকারীদের শহীদ মনে করে!! এদের এই আদালত অবমাননাকর বক্তব্য, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিরুদ্ধাচারণ করা বক্তব্যের জন্য আমি শাস্তি দাবী করছি। এরা জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। নতুন বোতলে পুরনো মদ ঢুকিয়ে গেলানোর চেষ্টা করছে। এটা শুধুই একটি মুখোশ। ভিতরে সেই একই বীভৎস খুনি,ধর্ষকের মুখ। বাংলাদেশের জনগণের দ্বারা পরিত্যক্ত হয়ে যেহেতু জামায়াতের অস্তিত্ব বিপন্ন, এই নতুন নামে নতুন প্লাটফর্মে একই বিষাক্ত রাজনীতির টিকে থাকার অপচেষ্টা মাত্র।

আমি মনে করি,বাংলাদেশের অস্তিত্ব আজও হুমকির সম্মুখীন। যারা বাংলাদেশের জন্ম চায়নি, যারা বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তান বানানোর জন্য আজও চেষ্টা করে যাচ্ছে-তাদের চক্রান্ত কিন্তু বন্ধ হয়নি। নবগঠিত ‘জনআকাক্সক্ষার বাংলাদেশ’ তারই প্রমাণ। তারা যদি এদেশের মানচিত্র মুছে দিতে নাও পারে, তারা চেষ্টা করবে আমাদের মূলনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতে,আমাদের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র মুছে জঙ্গি জাতিতে পরিণত করতে, আমাদের উদার সূফীবাদী ধর্মচর্চার স্থলে অসহিষ্ণু মওদুদী চরমপন্থা কায়েম করতে,আমাদের হাজার বছরের বাঙালী জাতিসত্তা মুছে দিয়ে বিজাতীয় মরু সংস্কৃতি চালু করতে। তারা তৃণমূল থেকে শুরু করে শিক্ষা কেন্দ্র হয়ে আমাদের ঘরে ঘরে ঢুকে যাচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধের যে বাংলাদেশের জন্য লাখো শহীদের আত্মত্যাগ, যেই দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহ্বান, যে প্রগতিশীল সমাজের জন্য লাখো মা-বোনের সর্বোচ্চ ত্যাগ-সেই স্বপ্নের জন্য, দেশের জন্য,সমাজের জন্য- আজ আমাদের সচেতন হতে হবে। বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসের প্রতি যার আনুগত্য থাকবে না তাকে বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেয়া যাবে না। সবাইকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতি অনুগত হতে হবে। এ ব্যাপারে কোন আপোস করা যাবে না, কোন ছাড় দেয়া যাবে না। সব ছলনা, কৌশল, ষড়যন্ত্র, আপোসের মুখোশ উন্মোচন করে তাকে শক্ত হাতে দমন করতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পক্ষে অনড়, অটল থাকতে হবে। তবেই শুধু পৌঁছানো যাবে আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে- আমাদের আকাক্সক্ষার সেই সোনার বাংলায়।

লেখক : সহ-সাধারণ সম্পাদক, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি