‘তেল নাই’ লেখা দুই পাম্পে মিললো ৫৪ হাজার লিটার জ্বালানি তেল
প্রকাশিত : ২২:২৬, ২৮ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২৩:০৯, ২৮ মার্চ ২০২৬
“তেল নাই” লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড টানিয়ে সরবরাহ বন্ধ রাখা ফরিদপুর সদর উপজেলার দুটি পাম্পে প্রশাসনের অভিযানে ৫৪ হাজার লিটার তেল পাওয়া গেছে। এ অপরাধে এক প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের পাশে কানাইপুর বাজারে অবস্থিত হোসেন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল সরবরাহ না করার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওই পাম্পে ৭ হাজার লিটার পেট্রোল, ৬ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন ও ১৪ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল মজুত পাওয়া যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত হোসেন ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সাবির চৌধুরীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে ভোক্তাদের জন্য পাম্পটি চালু করে বাস, ট্রাক, কৃষক, প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। এ সময় পাম্প কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
এছাড়া সদরের কানাইপুর এলাকায় রয়েল ফিলিং স্টেশনেও ভোক্তাদের কাছে শুধু ডিজেল বিক্রি করা হচ্ছিল, পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি বন্ধ ছিল। পরে যাচাই করে দেখা যায়, সেখানে ৩ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল, ৩ হাজার ৪০০ লিটার অকটেন ও ১৯ হাজার লিটার ডিজেল মজুত রয়েছে। পাম্পের মালিক ও ম্যানেজার মেশিনের সমস্যার কথা উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাৎক্ষণিকভাবে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।
ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়ার নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শফিকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দীপ্ত চক্রবর্তী এবং সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব রহমান আকাশ এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এমআর//
আরও পড়ুন










