ঢাকা, মঙ্গলবার   ২২ অক্টোবর ২০১৯, || কার্তিক ৮ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে যেসব বিষয় মেনে চলা উচিত

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৫:৩৭ ২৮ জুলাই ২০১৯

প্রতিটি নারীর জন্য পিরিয়ড বা মাসিক খুবই সাধারণ একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। প্রতি মাসে সঠিক সময়ে মাসিক শুরু হওয়ার মাধ্যমে নারীর শারীরিক সুস্থতাও নিশ্চিত হয়। 

এই মাসিকের সময় নারীদের কিছু কাজ করা থেকে, কিছু খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিৎ নিজেদের সুস্বাস্থ্যের জন্যে। তবে অনেকেই এ ব্যাপারে সচেতন নয়। গ্রামের মানুষগুলো পরিবারের কাছ থেকে যে পিরিয়ড সর্ম্পকে জ্ঞান লাভ করছে তা বিজ্ঞানী ও এবং ডাক্তারদের তথ্যের মাঝে অনেক অমিল পাওয়া গেছে।

একটা মেয়ের বয়স যখন ১২- ১৩ তখন তাঁর মাসিক হয় শুরু হয়। বয়স ৫২ বা তার কাছাকাছি বয়সে গিয়ে মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ডাক্তাররা যেটাকে বলে, সেটা হলো যদি পুরো এক বছর মাসিকটা বন্ধ থাকে, তখনই আমরা বলি সে মেনোপোজে গেছে। মেনেপোজের আগের সময়টাতে তার কিছু শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেয়। একারণে পিরিয়ডের সময় নারীদের বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন।

১। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাবেন না।

২।এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

৩।এসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকারস পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আটকে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪।এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার,জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে।


 


 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি