ঢাকা, রবিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, || অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৮

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৪৪, ২১ নভেম্বর ২০২১ | আপডেট: ০৮:৪৬, ২১ নভেম্বর ২০২১

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস রোববার। ১৯২৬ সালের এই দিনে বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ আয়োজিত এক ফোরামে ২১ নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসেবে পালনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

একবিংশ শতাব্দির শুরুতেই মুদ্রণ মাধ্যমকে ছাপিয়ে জায়গা করে নেয় সম্প্রচার মাধ্যম। বর্তমান বিশ্বে টেলিভিশন সব থেকে শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

রুশ বংশোদ্ভূত প্রকৌশলী আইজাক শোয়েনবার্গের কৃতিত্বে ১৯৩৬ সালে প্রথম টিভি সম্প্রচার শুরু করে বিবিসি। টেলিভিশন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু হয় ১৯৪০ সালে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর টেলিভিশনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়। গত শতাব্দীর ৫০-এর দশকে টেলিভিশন গণমাধ্যমের ভূমিকায় উঠে আসে।

প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অসহায়ের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে একুশ শতকে গোটাবিশ্বে টেলিভিশনকেই সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রযুক্তির উৎকর্ষে ও সময়ের দাবিতে বাংলাদেশেও গণমাধ্যমে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছে টেলিভিশন। 

প্রতিদিনের খবরাখবর ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এখন টেলিভিশনের গুরুত্ব অপরিসীম। টেলিভিশনকেই তথ্য-বিনোদনের প্রধান উৎস বলে বিশিষ্টজনরা মনে করেন।

এই সম্প্রচার মাধ্যমকে সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গায় রাখার পাশাপাশি নানা প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশের জন্য সম্প্রচার মাধ্যম টেলিভিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম একটি বড় জায়গা দখল করলেও টেলিভিশনের আবেদন আরও বাড়বে বলেও মনে করেন তারা।


এএইচ/


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি