ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, || আশ্বিন ৭ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

মনের পশু, কোরবানির পশু কার্ল মার্কস ও আব্রাহাম লিংকন

প্রকাশিত : ১৫:০৩ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | আপডেট: ১৪:৫১ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

২২ সেপ্টেম্বর ১৮৪২ সাল। ভোরের আলো ইতিমধ্যে বেশ খানিকটা ফুটে উঠেছে চারদিকে। জেমস শিল্ডস তার গায়ে চাপানো ওয়েস্ট কোটের পকেট থেকে ঘড়িটি বের করে বারবার শুধু চোখ বুলাচ্ছেন। তবে কি লিংকন আসবে না লড়তে তার সঙ্গে। মিসিসিপি নদীর এক পাশে মিজৌরি অন্য পাশে ইলিনয় রাজ্য। জেমস শিল্ডস এবং আব্রাহাম লিংকন দু’জনেরই আবাস ইলিনয় রাজ্যে হলেও অসিযুদ্ধের স্থান হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে নদীর যে পাশটায় মিজৌরি রাজ্য সেখানটায়। কারণ অন্য কিছু নয় ১৮৩৯ সালেই আইন করে ইলিয়ন রাজ্যে ডুয়েলিং অর্থাৎ অসি যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জেমস শিল্ডস ও আব্রাহাম লিংকন দু’জনই আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। এই তো কিছুদিন আগেই আব্রাহাম লিংকন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ইলিয়ন রাজ্যের সংসদ সদস্য হিসেবে। অন্যদিকে জেমস শিল্ডস ওই রাজ্যের নামডাকওয়ালা আইনজীবী। দু’জনই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলেই হয়তো তাদের মধ্যে এই অসিযুদ্ধ দেখার জন্য সহস্র লোকের আগমন ঘটেছে মিসিসিপি নদীর তীর ঘেঁষে। লিংকন ও শিল্ডস এই দু’জনের মধ্যে অসন্তোষ ধুমায়িত হয়ে উঠার পেছনের কারণটি নিছক তুচ্ছ ও ভিত্তিহীন। ইলিয়ন রাজ্যের একটি পত্রিকার নাম ‘সানগামো’। সেই পত্রিকায় রেবেকা নামে জনৈক ছদ্মবেশী লেখিকা জেমস শিল্ডসের নামে নিন্দে-মন্দ করে কিছু চিঠি লিখেছিলেন। সানগামো পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে সেই চিঠিগুলো প্রকাশিত হতে থাকে। লেখিকা রেবেকা শিল্ডসকে এই বলে দোষারোপ করতে থাকেন যে, একজন আইনজীবী হয়ে কিভাবে শিল্ডস ইলিয়ন রাজ্যের মানুষের অমঙ্গল হয়- এমন কিছু আইন তৈরিতে ভূমিকা রাখলেন। এ জন্য চিঠিগুলোতে তাকে কাপুরুষ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় এবং যেহেতু তার পূর্ব পুরুষ আয়ারল্যান্ড থেকে এসেছিলেন সেহেতু শিল্ডসকে আয়ারল্যান্ড ফিরে যেতে বলেন রেবেকা নামের ছদ্মবেশী সেই লেখিকা।


জেমস শিল্ডসের ধারণা যে, চিঠিগুলো হয়তো রেবেকা নামের ছদ্মবেশে আসলে আব্রাহাম লিংকন কিংবা লিংকনের প্রণয় কন্যা মেরি টড লিখে পত্রিকায় পাঠাচ্ছেন। এ জন্য তিনি লিংকনকে অসিযুদ্ধে আহ্বান করলেন। যেহেতু প্রথমে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন জেমস শিল্ডস। সেহেতু ডুয়েলিংয়ের নিয়ম বেঁধে দেওয়ার অধিকার লিংকনেরই। লিংকন বললেন, অসিযুদ্ধের অস্ত্র হবে তলোয়ার। আর স্থান মিজৌরির মিসিসিপি নদীর পাশে। রৌদ্রের তেজদীপ্ত আভা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার আগেই লিংকনও এসে উপস্থিত হলেন সেখানে। ছয় ফুট চার ইঞ্চি দীর্ঘকায় লিংকনের সামনে জেমস শিল্ডসকে বেশ খানিকটা খর্বকায়ই মনে হচ্ছিল। শিল্ডসকে দেখে মনে হচ্ছে যেন ক্রোধে তার সমস্ত শরীর কাঁপছে। অসিযুদ্ধের শুরুতেই অতিকায় লিংকন এক কোপে জেমস শিল্ডসের পাশের উইলো গাছের একটি প্রশাখা কচুকাটা করে দিলেন। এরপরই ঘটল ঘটনাটি। হঠাৎ দৈববাণীর মতো লিংকনের মনে কি যেন এক ভাবোদয়ের সৃষ্টি হল কে জানে? তিনি মনে মনে ভাবলেন কেন তিনি আজ শিল্ডসের সঙ্গে এখানে এই অসিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। যদিও সব দোষ জেমস শিল্ডসেরই। তিনিই লিংকনকে এখানে এই যুদ্ধে আহ্বান করেছেন। কিন্তু তারপরও তিনি কেন তার মনের অবাধ্য এই হিংস্র পশুটির নাগাল টেনে ধরতে ব্যর্থ হলেন। তবে কী জেমস শিল্ডসকে হারিয়ে তিনি তার হৃদয়শ্বরী মেরি টডকে মুগ্ধ ও বিমোহিত করতে চেয়েছিলেন। ছিঃ...ছিঃ... ছিঃ... নিজেকে আজ যথেচ্ছা ধিক্কার দিতে ইচ্ছে হল তার। লিংকন শিল্ডসকে উদ্দেশ্য করে বললেন, দেখতেই পাচ্ছ শিল্ডস। আমি তোমার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। আমার হাত দুটোও তোমার হাতের চেয়ে বেশ লম্বা। আমি চাইলেই আমার তলোয়ারের এক ঘায়ে তোমার মুন্ডুটি ধড় থেকে আলাদা করে দিতে পারি। কিন্তু এ যুদ্ধে আমি অংশ নিতে চাই না। আমাকে তুমি শুধু শুধুই সন্দেহ করছ। আমি সম্পূর্ণরূপে নির্দোষ ও নিরপরাধ। এসো তোমার প্রতি আমি আমার বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছি। ইত্যবসরে জেমস শিল্ডসও তার ভুল ঝুঝতে পারলেন এবং পরবর্তী দিনগুলোতে তারা একজন আরেকজনের বন্ধু হিসেবেই রইলেন।


ঈদুল আজহা উৎসবটি বছরান্তে আমাদের মাঝে ফিরে আসে একটি নির্দিষ্ট সময়ে। নানা রঙ ও বর্ণের গবাদিপশুর সমারোহে খণ্ড খণ্ড হাট বসে শহর-গ্রামবাংলার আনাচে-কানাচে। হরেক রঙের গরু, মহিষ, উট কিংবা ছাগল, ভেড়াগুলোকে দেখে মনে হয় যেন শিল্পীর পটে আঁকা কোন ছবি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো যে কোনো একটি পশু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোরবানি দিয়ে থাকি। গরিব-দুস্থদের মধ্যে গোশত বিলি-বণ্টন ছাড়াও এর অন্য একটি বৃহৎ তাৎপর্য রয়েছে। বেশিরভাগ সময়ই আমরা সেই তাৎপর্যটি বেমালুম ভুলে যাই। একটি কোরবানি সম্পাদন করার মধ্য দিয়ে প্রত্যেক মানুষের মনের পশুটিকেও কোরবানি দিতে হয়। কিন্তু সমাজে আমরা ক’জন সেই মনের পশুটির কথা একটিবার চিন্তা করি। মনের পশু তো অনেক দূরের কথা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই যে আমরা কোরবানি দিচ্ছি সেটাই ভুলে যাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। আমাদের সমাজে কোরবানি বিষয়টি বর্তমানে পরিণত হয়েছে একটি অলঙ্কারিক ও লোক দেখানো উৎসবে। অনেক মানুষই হাটের সবচেয়ে বড় ও তাগড়া গরুটি কিনে আশপাশের দু’চারপাড়া-মহল্লা ঘুরিয়ে এনে তারপর কোরবানি দেন। এটা করেন সাধারণত নিজের বিত্তবৈভব ও প্রতিপত্তি জাহির করার প্রয়াসে। সমাজে বর্তমানে এটি একটি হাস্যকর ও অসার প্রতিযোগিতায় পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর কোরবানি ঈদে ১০ কোটি পশু কোরবানি হয়। তার মধ্যে শুধু পাকিস্তানেই কোরবানি হয় এক কোটি পশু।

সত্যি করে বলতে গেলে বলতে হয়, বিশ্বজুড়ে ১০ কোটি কোরবানির পশু থেকে আহরিত গোশতের কতটুকু অংশ দুস্থ ও নিরন্ন মানুষের ভাগ্যে জোটে- সেটা বোধকরি সহজেই অনুমেয়। বিশেষ করে আমাদের দেশে দেখা যায় কোরবানি ঈদের আগেই ফ্রিজ রেফ্রিজারেটর কেনার মহোৎসব পড়ে যায় যাতে করে কোরবানির গোশতগুলো ভালো করে মজুদ করে রাখা যায়। ঈদুল আজহার অর্থ হচ্ছে আত্মত্যাগের ভোজ। তবে এই আত্মত্যাগ শুধু ভোজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার কথা নয়, এই আত্মত্যাগ হওয়া প্রয়োজন মনের পঙ্কিলতা, বিদ্বেষ ও হিংস্রতার। ঈদুল আজহার এই তাৎপর্য ও চেতনা আমাদের যেন কিছুই শেখাতে পারছে না আজকাল। আমাদের বেশিরভাগ মানুষের মনের ভেতরই বাস করে ভয়াবহ দৈত্যবৎ এক হিংস্র পশু যা আমাদের প্রায় প্রত্যেককেই গ্রাস করে রাখে। আজকাল আমরা এতটাই হিংস্র হয়ে উঠেছি যে, কারও কাজে ও কর্মে কিঞ্চিৎ ক্ষতিগ্রস্ত হলেই আমরা আমাদের সেই অঘোষিত প্রতিপক্ষকে আরও অধিক ও ভয়ানকভাবে আক্রমণ করি। অনেক ক্ষেত্রেই সেই আক্রমণ হয় কাপুরুষোচিত। ছুরি বসিয়ে দিই পেছন থেকে। রাজনৈতিক হীনস্বার্থসিদ্ধির জন্য রাতের অন্ধকারে তুলে নিয়ে আসি প্রতিপক্ষের কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে। চিরদিনের জন্য তাকে পাঠিয়ে দিই অজ্ঞাত কোনো স্থানে। মানুষের মনোজগতের এই যে ব্যাপক পরিবর্তন এটা কিন্তু অতীতে ছিল না।

এই তো পঞ্চাশ-একশ’ বছর আগেও কারও সঙ্গে কারও শত্রুতা থাকলে সেই শত্রুতা নিরসনে একজন আরেকজনকে অসি যুদ্ধে অর্থাৎ ডুয়েলিংয়ে আহ্বান করতেন। ইতিহাসে এরকম শত সহস্র উদাহরণ পাওয়া যাবে। তবে এই মুহূর্তে আমার কার্ল মার্কসকে নিয়ে একটি ঘটনা মনে পড়ছে। সেটা ছিল ১৮৩৬ সাল। কমিউনিজম দর্শনটির জন্মদাতা বিশ্ব বিশ্রুত কার্ল মার্কস যখন কলেজের পাঠ চুকালেন তখন তাকে তার বাবা হেনরিক মার্কস পাঠিয়ে দিলেন জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ে। বাবার দুই চোখে স্বপ্ন ছেলে একদিন অনেক বড় আইনজীবী হবে। এটা হয়তো অনেকেরই জানা নেই যে ছাত্রাবস্থায় কার্ল মার্কস মেধাবী কিংবা মনোযোগী ছাত্র ছিলেন না। আইন পড়ায় মন না দিয়ে ডুবে রইলেন মদ, জুয়া, নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ও কুসংসর্গে। মার্কসের বাবা ছেলের জন্য যে পরিমাণ টাকা পাঠাতেন তাতে পড়াশোনা ও দৈনন্দিন জলপানির খরচ হয়তো বা কোনো মতে নির্বাহ হতো কিন্তু তার এই জুয়ার টাকা জোগান দেবে কে? আর এ জন্যই কার্ল মার্কসকে টাকা ধারের জন্য হাত পাততে হতো ক্লাসের সতীর্থদের কাছে। কিন্তু ধীরে ধীরে ধার জমে গেল বিস্তর। ধার শোধ দেয়ার সামর্থ্য নেই কার্ল মার্কসের। এদিকে বন্ধুরা সব প্রতিনিয়ত তাগাদা দিচ্ছে। অবশেষে এক বন্ধু কার্ল মার্কসকে আহ্বান জানালেন- ধার শোধ দাও নইলে অসিযুদ্ধে অবতীর্ণ হও। প্রতিপক্ষ বন্ধুর ছুঁড়ে দেয়া চ্যালেঞ্জ ফিরিয়ে দেয়ার উপায় নেই- কারণ তা না হলে বন্ধুর পাওনা সমুদয় অর্থ শোধ করতে হবে তাকে। সে সামর্থ্যও নেই কার্ল মার্কসের। অবশেষে অসিযুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন তিনি। সেই ডুয়েলিংয়ে বেশ ভালোরকম আহত হন কার্ল মার্কস। নাকের ডগা থেকে কান অব্দি গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয় বন্ধুর তরবারির আঘাতে। সেই ক্ষতস্থান ঢাকতে ১৪টি সেলাই দিতে হয় ডাক্তার বেচারাকে। মার্কসের বাবা এসব শুনে নিদারুণ মর্মাহত হন। অবশেষে ছেলের যাবতীয় দেনা শোধ করে বন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে নতুন করে ভর্তি করিয়ে দিলেন বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, যে সব মানুষ আলোকিত ও বুদ্ধিমান তারা তাদের প্রতিপক্ষদের ঘায়েল করেন বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে।

যা হোক, মনের পশু নিয়ে কড়চা অনেক হলো এবার বনের পশু অর্থাৎ কোরবানি ঈদ নিয়ে দু-চার কথা বলা যাক। আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ৭১২ খ্রিস্টাব্দে রাজা দাহিরের বিরুদ্ধে সেই যে যখন যুদ্ধ করেছিলেন সেই তখন থেকে শুরু। ভারতবর্ষে ইসলাম ধর্ম প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে এর অনুষঙ্গ হিসেবে ইসলামিক উৎসব ও আচার-অনুষ্ঠানেরও বিস্তৃতি ঘটতে থাকে। তবে বাংলাদেশে ঈদুল আজহা তথা কোরবানি শুরু হয় মুঘল আমলে বঙ্গের রাজধানী ঢাকা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অর্থাৎ ১৬০৮ সালের দিকে। তবে সেই মুঘল আমল থেকে ইংরেজ আমলের অনেক দিন পর্যন্ত গরু কোরবানি হতো শুধু ঢাকায়। সে সময়ে মুসলমানদের জন্য ঢাকার বাইরে কোরবানি ঈদ পালন করাটা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল। কেন না স্থানীয় হিন্দু জমিদাররা মুসলমান প্রজাদের কোরবানি দিতে বাধা দিতেন। ৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৯০ সালের ‘সুধাকর’ পত্রিকাটির মাধ্যমে জানা যায় যে, বগুড়া জেলার নারহাট্টার জমিদারদের আমলারা মুসলমানদের কোরবানি দিতে দেয়নি। মুসলমানদের কোরবানি করতে না দেয়ার কারনে হিন্দু ও মুসলমান এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তিক্ততা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। অন্যদিকে ইংরেজ সরকার তা দেখেও না দেখার ভান করত। কারণ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব তাদের শাসনকার্যের সুবিধার্থে বিশেষভাবে প্রয়োজন ছিল। কোরবানি ঈদের আরেকটি নাম যে ‘বকরি’ ঈদ সেই নামটিও এ কারণেই উদ্ভব হয়। হিন্দু জমিদারের আওতাধীন মুসলমানরা যেহেতু গরু কোরবানি দিতে পারত না, সেই জন্য তারা ছাগল কিংবা খাসি কোরবানি দিত। আর বকরি নামটি সম্ভবত এসেছে আরবি সূরা বাকারা থেকে যার অর্থ গাভী। আরবি বাকারা শব্দটির অর্থ গাভী হলেও শব্দটি আংশিক বিকৃত হয়ে ছাগল শব্দটির সমার্থক শব্দ ‘বকরি’ হিসেবে কালক্রমে বিশেষভাবে প্রচলিত হতে থাকে।

প্রথাগতভাবে শুধু একটি পশু কোরবানি করে আমাদের দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। যদিও ধর্মীয় রীতিনীতির কারণে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই আমরা কোরবানি দিয়ে থাকি কিন্তু এর অন্তর্নিহিত তাৎপর্যও আমাদের অনুধাবন করতে হবে। মনের সব জটিলতা, হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে ঈদকে করতে হবে আরও মানবিক ও অর্থবহ- তবেই ঈদের খুশি হবে সার্বজনীন ও সবার জন্য কল্যাণকর।

লেখক : আইনজীবী, কথা সাহিত্যিক, কলামিস্ট।

//এআর


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি