ঢাকা, মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০, || শ্রাবণ ২৭ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

শুভ জন্মদিন সাংবাদিক লিটন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৩:০৬ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আজ ১৮ সেপ্টেম্বর। সিনিয়র সাংবাদিক বদরুল হাসান লিটনের ৫০ তম জন্মদিন আজ। ১৯৬৯ সালের এই দিনে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মির্জাপুর (তালতলি) গ্রামের একটি সম্ভান্ত পরিবারে জন্মগ্রহন করেন তিনি। পিতা মকসেদ আলী শাহ ও মাতা বদরুন্নেছা’র পঞ্চম সন্তান বদরুল হাসান লিটন। তিনি জমিদার মরহুম আব্দুস সাঈদ শাহ’র নাতি।

বদরুল হাসান লিটন বেড়ে উঠেছেন গ্রামে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। প্রায় ২৪ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত তিনি।

বর্তমানে তিনি একুশে টেলিভিশনের রাজশাহী বিভাগীয় প্রতিনিধি, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার রাজশাহী ব্যুরো প্রধান ও অনলাইন পত্রিকা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এর রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। 

এছাড়াও তিনি রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সানশাইন পত্রিকার যুগ্ম বার্তা সম্পাদক ও পদ্মাটাইমস টোয়েন্টিফোর ডটকম এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৯৯৫ সালে পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন সাংবাদিক বদরুল হাসান লিটন। এ অঞ্চলের প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক রাজশাহী বার্তা’য় বাগমারা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে তার সাংবাদিকতা শুরু। তিনি রাজশাহী থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক দুনিয়া ও দৈনিক বার্তার বাগমারা প্রতিনিধি এবং ঢাকা থেকে প্রকাশিত ভোরের ডাক পত্রিকায় রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন।

সাংবাদিক বদরুল হাসান লিটন বাগমারা প্রেসক্লাব ও তাহেরপুর আঞ্চলিক প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

ছাত্রজীবনে বদরুল হাসান লিটন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি তাহেরপুর ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও বাগমারা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি তাহেরপুর পৌরসভা বাস্তবায়ন প্রথম কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

সাংবাদিকতা শুরুর দিকের স্মৃতিচারণ করে বদরুল হাসান লিটন বলেন, ‘সাপ্তাহিক রাজশাহী বার্তায় আমার সাংবাদিকতার হাতেখড়ি। ৯৫ সালের দিকে বাগমারা এলাকায় পত্রিকা খুবই কম যেত। আর সাপ্তাহিক রাজশাহী বার্তা যেতই না। রাজশাহী বার্তায় কাজ শুরু পর নিজের লেখা এলাকার সংবাদ মানুষকে পড়ানোর জন্য পত্রিকা নিয়ে গিয়ে নিজের পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতাম।’

লিটন বলেন, ‘আমার যতদুর মনে পড়ে প্রথম যেদিন লেখা বের হয় সেদিন ১০ কপি পত্রিকা তাহেরপুর নিয়ে গিয়ে নিজেই বিলি করেছিলাম। পরবর্তিতে ৩০ কপি পর্যন্ত নিজে নিয়ে গিয়ে পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। তবে যখন চাহিদা বেড়ে ৫০ কপি পত্রিকা তাহেরপুর যেতে লাগলো তখন একজন ছেলে ঠিক করে তাকে দিয়ে বিতরণ করতে শুরু করি। প্রায় তিন মাস নিজে পাঠকের কাছে পত্রিকা পৌঁছে দিয়েছি। এভাবেই আমার সাংবাদিকতা শুরু।’


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি