ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ৪:১১:৫২

বিজয় দিবসে বিউটিফুল মাইন্ডের বিশেষ আয়োজন

বিজয় দিবসে বিউটিফুল মাইন্ডের বিশেষ আয়োজন

মহান বিজয় দিবস উদযাপন ও জাতীয় পতাকার রুপকার শিল্পী কামরুল হাসানের জন্মদিন স্বরণে চিত্র প্রদর্শনী, বিশেষ শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ১৩ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টায় বিউটিফুল মাইন্ড প্রাঙ্গনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ঠ অভিনেত্রী ও নাট্য ব্যক্তিত্ব ফেরদৌসী মজুমদার। এসএ/  
মাদাম তুসো জাদুঘরের আদলে সেলিব্রেটি গ্যালারি ঢাকায়

বিখ্যাত মানুষদের সান্নিধ্য পেতে চান সবাই। কিন্তু সেই সৌভাগ্য সবার হয় না। খ্যাতিমানদের অনেকে আবার পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। তাই সে ক্ষেত্রেও তাদের সাক্ষাৎ পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু এই অপূর্ণতা পূরণে বিশ্বে তৈরি হয়েছে ওয়াক্স মিউজিয়াম বা ‘মোমেম জাদুঘর’। লন্ডনের মাদাম তুসো এ ক্ষেত্রে বিখ্যাত। সিঙ্গাপুর ও ভারতসহ নানা দেশে এ ধরনের জাদুঘর আছে। এবার বাংলাদেশেও চালু হচ্ছে এমন একটি জাদুঘর। আজ শনিবার রাজধানীতে মাদাম তুসো জাদুঘরের আদলে চালু হতে যাচ্ছে সেলিব্রেটি গ্যালারি। আর বাংলাদেশে এমন গ্যালারি এটাই প্রথম। তবে এখানে যে ভাস্কর্যগুলো স্থান পাবে সেগুলো মোমেম নয়, ফাইভার গ্লাসের তৈরি। ‘সেলিব্রেটি গ্যালারি’ শিরোনামের এই গ্যালারিতে পৃথিবীর নানা অঙ্গনের বিখ্যাত সব ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি ভাস্কর্য স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের ভাস্কর মৃণাল হক ফাইবার গ্লাসের আশ্রয়ে বিশ্ববিখ্যাত কবি, রাষ্ট্রনায়ক থেকে নায়ক-নায়িকা, গায়ক-গায়িকা ও ফুটবলারের প্রতিকৃতি নির্মাণ করেছেন। সে সব ভাস্কর্য নিয়ে সাজানো হয়েছে এই সেলিব্রেটি গ্যালারি। ৩৭টি ভাস্কর্য নিয়ে কাজ শুরু হলেও প্রথমদিকে প্রদর্শিত হবে ৩২জন ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি। গ্যালারিটি স্থাপিত হয়েছে গুলশান-১ এর দুই নম্বর সড়কের ৫/এ নং বাড়িতে। প্রায় ১২ কাঠার ওপর নির্মিত দ্বিতল ভবনের নিচতলায় রয়েছে এ গ্যালারি। সূত্র জানিয়েছে, সপ্তাহের সাত দিনই খোলা থাকবে সেলিব্রেটি গ্যালারি। প্রতিদিন বেলা ১২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা সময় কাটাতে পারবেন এই প্রদর্শনালয়ে। সর্বসাধারণের প্রবেশে কোনও টিকেট সংগ্রহ করতে হবে কি-না জানতে চাইলে মৃণাল হক বলেন, এ ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রদর্শনী ছাড়া চার লাখ টাকায় ভাড়া নেওয়া এই গ্যালারির খরচ চালানো অসাধ্য। একে//

স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হচ্ছে শনিবার

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশব্যাপী একযোগে ৬৪টি জেলায় ‘বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৮’ আাগামীকাল (শনিবার) শুরু হবে। আট দিনব্যাপী উৎসব চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। উৎসবে মোট ৭০টি চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। আগামিকাল (শনিবার) ৮ ডিসেম্বর বিকেল ৫টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে উৎসবের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। শিল্পকলা একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, এই উৎসব উপলক্ষে গঠিত পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচক কমিটির সদস্যবৃন্দ উৎসবে প্রদর্শনের জন্য ৪৮টি স্বল্পদৈর্ঘ্য এবং ২২টি প্রামাণ্যচিত্রসহ ৭০টি চলচ্চিত্র মনোনীত করেছেন। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলায় নির্বাচিত চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্য চিত্রগুলো প্রদর্শিত হবে। চলচ্চিত্র নির্বাচক কমিটির সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক, বাংলাদেশ প্রামাণ্যচিত্র পর্ষদের উপদেষ্টা সাজ্জাদ জহির, শর্ট ফিল্ম ফোরামের এ কে রেজা গালিব, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ-এর সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মামুন এবং শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সহকারী পরিচালক চাকলাদার মোস্তফা আল মাস্উদ। স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উভয়ক্ষেত্রে পৃথকভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং বিশেষ জুরি পুরষ্কার প্রদান করা হবে। পুরষ্কার প্রদানের লক্ষে চলচ্চিত্র নির্মাতা সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী’কে চেয়ারম্যান করে ৫ সদস্যের একটি জুরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম, চলচ্চিত্র নির্মাতা ফরিদুর রহমান, চলচ্চিত্র গবেষক অনুপম হায়াৎ, কমিটির সদস্য সচিব বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডমির সচিব মো. বদরুল আনম ভূঁইয়া।স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উভয়ক্ষেত্রে পৃথকভাবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরষ্কারের অর্থমূল্য থাকবে ১ লাখ টাকা, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা ৫০ হাজার টাকা ও বিশেষ জুরি পুরষ্কার ২৫ হাজার টাকা। আগামি ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮ জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে উৎসবের সমাপনী দিনে পুরষ্কার ঘোষণা করা হবে এবং উৎসবে অংশগ্রহণ করা চলচ্চিত্রের সকল নির্মাতাদের সনদপত্র প্রদান করা হবে। একাডেমি থেকে জানানো হয়, ২০১৫ সাল থেকে শিল্পকলা একাডেমি এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে। এ ছাড়াও ২০১৭ সালে দেশব্যাপী ৬৪ জেলায় ‘বাংলাদেশ শিশু চলচ্চিত্র উৎসব’ আয়োজন করে একাডেমি। ৬৪টি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ফিল্ম সোসাইটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। (সূত্রঃ বাসস) কেআই// আরকে

শিল্পকলায় ‘ষড়ঋতুর পদাবলি’ অনুষ্ঠিত

সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা এই রূপসী বাংলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বৈচিত্রময় ঋতু। বাংলার প্রকৃতিতে ছয়টি ঋতুর স্বতন্ত্র উপস্থিতি এ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ভিন্ন ভিন্ন রূপ-রস-গন্ধ নিয়ে প্রতিটি ঋতুই স্বতন্ত্র সৌন্দর্যে অপরূপ। ঋতুতে ঋতুতে এ দেশে চলে সাজ বদল। এই সাজ বদলের পালায় বাংলাদেশের প্রকৃতি চির সজীব, চির বৈচিত্রময়। আমাদের শিল্প সংস্কৃতি ও সাহিত্য চর্চায় ঋতু বৈচিত্রের এই পালাবদলের প্রভাব বিদ্যমান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রযোজনা বিভাগের আয়োজনে ঋতু ভিত্তিক সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি নিয়ে ‘ষড়ঋতুর পদাবলি’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একাডেমির কণ্ঠশিল্পী ও নৃত্যশিল্পীদের অংশগ্রহণে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয় ছয়টি ঋতুকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন গান, নৃত্য ও আবৃত্তি। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, সচিব মো. বদরুল আনম ভূঁইয়া এবং প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক ড. কাজী আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন তামান্না তিথি। গ্রীষ্ম ০১. আজি নূতন রতনে ভূষনে যতনে, দলীয় সঙ্গীত ০২. দোলে নাগর দোলা দোলে ঘুরে ঘুরে, দলীয় নৃত্য ০৩. এক বৈশাখে দেখা হলো দু’জনার, একক সঙ্গীত, আবিদা রহমান সেতু ০৪. প্রখর দারুন অতি দীর্ঘ দগ্ধ দিন/ কেমনে রাখি আঁখি বারি রখিয়া চাঁপিয়া, একক সঙ্গীত, মোনালীন আজাদ বর্ষা ০১. অম্বরে মেঘ মৃদঙ্গ বাজে, একক সঙ্গীত, শারমিন আক্তার ০২. মাছের গান, একক সঙ্গীত, রাফি তালুকদার ০৩. শাত্তন গগনে ঘোর ঘনঘটা, দলীয় নৃত্য ০৪. মেঘের ডমরু ঘন বাজে, দলীয় সঙ্গীত ০৫. চঞ্চলা হাওয়ারে, একক সঙ্গীত, সুচিত্রা রানী সুত্রধর ০৬. দাওয়ায় করছে মেঘ, দ্বৈত সঙ্গীত, রুপসা/ রাফি তালুকদার শরৎ ০১. আমার রাত পোহালো, একক সঙ্গীত, মোহনা দাস ০২. শিউলি তলায় ভোর বেলায়, দলীয় নৃত্য ০৩. এসো শারদ প্রাতের পথিক, দলীয় সঙ্গীত হেমন্ত ০১. আবার আসিবে ফিরে জীবনানন্দ দাস, ড. কাজী আসাদুজ্জামান ০২. আয়রে ও আয়রে, দলীয় নৃত্য ০৩. আমার মাইঝা ভাই সাইঝা ভাই, দলীয় সঙ্গীত ০৪. কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে কোকিল ডাকে গাছে গাছে, একক সঙ্গীত, হীরক রাজা শীত ০১. পৌষ এলো গো, পৌষ এলো গো, দলীয় সঙ্গীত ০২. এ কি মায়া লুটাও কায়া জীর্ন শীতের মাঝে, দলীয় নৃত্য ০৩. পৌষের কাছাকাছি রোদ মাখা সেই দিন, একক সঙ্গীত, হিমাদ্রী রায় বসন্ত ০১.যেখানে সীমান্ত তোমার সেখানে বসন্ত আমার, একক সঙ্গীত, সোহানুর রহমান ০২. ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় করেছি যে দান, দ্বৈত সঙ্গীত, সুচিত্র / মোহনা দাস ০৩. তোমরা কুঞ্জ সাজাও গো, একক সঙ্গীত, রোকসানা আক্তার রুপসা ০৪. বসন্ত বাতাসে সই গো, দলীয় সঙ্গীত ও নৃত্য

বাংলাদেশ থেকে সাংস্কৃতিক দলের ইথিওপিয়া সফর

সম্প্রতি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় একটি সাংস্কৃতিক দল ইথিওপিয়া সফর করে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক মো. শাওকাত ফারুকের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের সাংস্কৃতিক দলে ছিলেন, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জি.এম.রফিকুল ইসলাম, স্বনামধন্য শিল্পী তপন চৌধুরী, ফাহমিদা নবীসহ পাঁচ সদস্যের সঙ্গীত দল এবং ছয় সদস্যের নৃত্য দল। ইথিওপিয়াতে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রতিষ্ঠার পর এ ধরনের উৎসবের আয়োজন এটাই প্রথম। ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস গত ২৩ নভেম্বর স্থানীয় গেটফাম ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে ‘বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি- Images of Bangladesh শীর্ষক’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবে ইথিওপিয়া সরকারের মন্ত্রীবর্গ, আদ্দিস আবাবার ১৩০টি বিদেশি কূটনৈতিক দূতাবাস, আফ্রিকান ইউনিয়ন, জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, সমাজের ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ, শিল্পী এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানস্থলটি অভ্যাগতদের মিলন মেলায় পরিণত হয়। উৎসবে ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম্ব্যাসেডর মার্কোস টেকলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রায় ৫০টি দেশের দূতাবাস প্রধান এবং তাদের পরিবার, বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন, জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ, ইথিওপিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উৎসবে অংশগ্রহণ করেন। উৎসবের শুরুতেই ছয়জন নৃত্যশিল্পীর পরিবেশনায় ‘জ্বলে ওঠো বাংলাদেশ’ শীর্ষক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। এর পরপরই মান্যবর রাষ্ট্রদূত তার স্বাগত ভাষণে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দকে সম্ভাষণ জানান। প্রায় দু’ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সমাজ-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন নৃত্য পরিবেশন করা হয়। বাংলাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী তপন চৌধুরী, ফাহমিদা নবী এবং যন্ত্রসঙ্গীত দল বিভিন্ন ধরনের বাংলা গান পরিবেশন করেন । সর্বশেষ একটি দেশাত্মবোধক নৃত্যে বাংলাদেশের চলমান অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি এবং আধুনিক বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা ফুটিয়ে তোলা হয়। উৎসবে আগত দর্শনার্থীবৃন্দ অত্যন্ত আগ্রহ ভরে বাংলাদেশ দূতাবাসের এ আয়োজন উপভোগ করেন। অনুষ্ঠান শেষে আগত দর্শনার্থীদের জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পরিবেশনায় সান্ধ্যভোজের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় ইলেক্ট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানের  রেকর্ডকৃত অংশ বিশেষ পরে স্থানীয় টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয়। কেআই/ এসএইচ/    

১ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছেন সমরেশ মজুমদার  

আগামী ১ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছেন বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী ঔপন্যাসিক সমরেশ মজুমদার। এ দিন পাঠকের সঙ্গে দিনভর আড্ডা দেবেন তিনি।        রাজধানীর বাংলা মোটরে অবস্থিত বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের অষ্টম তলায় অবস্থিত বাতিঘরে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী শনিবার বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত সমরেশ মজুমদার পাঠকদের সঙ্গে এ আড্ডায় অংশ নেবেন। আড্ডা সবার জন্য উন্মুক্ত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাতিঘর কর্তৃপক্ষ। সোমবার বাংলাদেশের পাঠকদের সঙ্গে আড্ডা প্রসঙ্গে ওই প্রতিষ্ঠানের ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে। সেখানে প্রায় ১০০ জন পাঠক আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। আমি তাদের অভিনন্দন জানিয়ে ছিলাম। কারণ তারা বাংলা বই পড়েন, আমার বইও পড়েন। এবার আমি যাচ্ছি আবার। ১ ডিসেম্বর ঢাকার বাতিঘরে। আর ৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বাতিঘরে। আমার আশা, যারা আমার বই পড়েন তারা আসবেন এবং আমার সঙ্গে গল্প-গুজব করবেন। একটা সুন্দর মতবিনিময় করবেন।’ সমরেশের জনপ্রিয় উপন্যাসের মধ্যে ‘অনিমেষ চতুষ্ক’ তার অন্যতম উপন্যাস সিরিজ। এতে রয়েছে উপন্যাস ‘উত্তরাধিকার’, ‘কালবেলা’, ‘কালপুরুষ’ ও ‘মৌষলকাল’ আট কুঠুরি নয় দরজা আঁটা। মঞ্চ নাটকের প্রতি ভীষণ আসক্ত ছিলেন তিনি। তাই তার প্রথম গল্প ‘অন্যমাত্রা’ লেখা হয়েছিল মঞ্চনাটক হিসেবে। তিনি তার লেখনী শুধু গল্প বা উপন্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ছোটগল্প, ভ্রমণ কাহিনি থেকে শুরু করে কিশোর উপন্যাস সবই এসেছে তার লেখায়।    উল্লেখ্য, সমরেশ মজুমদার ১৩৪৮ সনের ২৬শে ফাল্গুন, ১০ই মার্চ ১৯৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় জলপাইগুড়ি জেলা স্কুল থেকে। তিনি বাংলায় স্নাতক সম্পন্ন করেন কোলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে এবং মাষ্টার্স সম্পন্ন করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবনে তিনি আনন্দবাজার প্রকাশনার সাথে যুক্ত ছিলেন। গ্রুপ থিয়েটারের প্রতি তাঁর প্রচন্ড আসক্তি ছিলো। তাঁর প্রথম গল্প ‘অন্যমাত্রা’ লেখাই হয়েছিলো মঞ্চনাটক হিসাবে আর সেখান থেকেই তার লেখক জীবনের শুরু। তাঁর লেখা অন্যমাত্রা ছাপা হয়েছিলো দেশ পত্রিকায় ১৯৬৭ সালে। সমরেশ মজুমদারের প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’ ছাপা হয়েছিলো দেশ পত্রিকায় ১৯৭৬ সালে। তাঁর লেখনী গল্প বা উপন্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি ছোটগল্প, ভ্রমণ কাহিনী থেকে কিশোর উপন্যাস লেখনীতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। সমরেশ মজুমদারের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলির মধ্যে রয়েছে, ‘সাতকাহন’, ‘বুনোহাঁসের পালক’, ‘গর্ভধারিণী’, ‘তেরো পার্বণ’, ‘উজান গঙ্গা’, ‘মোহিনী’, ‘কুলকুণ্ডলিনী’, ‘অনি’, ‘দৌড়সহ অসংখ্য সাড়া জাগানো গ্রন্থ। তাঁর অসাধারণ লেখনীর শব্দের এই রূপকার জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অনেক পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৮২ সালে আনন্দ পুরষ্কার, ১৯৮৪ সালে সত্য আকাদেমী পুরষ্কার, বঙ্কিম পুরস্কার এবং আইয়াইএমএস পুরস্কার জয় করেছেন। স্ক্রীপ্ট লেখক হিসাবে জয় করেছেন বিএফজেএ, দিশারী এবং চলচিত্র প্রসার সমিতির এওয়ার্ড। সমরেশ কলকাতা, তথা বাংলার সর্বকালের অন্যতম সেরা লেখক হিসাবে বাঙালি পাঠকের কাছে ভীষণ জনপ্রিয়। কেআই/এসি    

বগুড়ায় প্রত্মনাটক ‘মহাস্থান’র মঞ্চায়ন শুরু আজ

বিভিন্ন প্রত্মতাত্ত্বিক স্থান নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রত্মনাটক করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এরই ধারাবাহিকতায় আড়াই হাজার বছরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে প্রত্ননাটক ‘মহাস্থান’ মঞ্চায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ড. সেলিম মোজাহার-এর রচনায় এবং লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনায় আজ শুক্রবার এবং আগামীকাল শনিবার বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রযোজনাটির মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। চুড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ২০-২২ নভেম্বর বগুড়ার মহাস্থানগড়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একডেমি প্রযোজিত এই প্রত্মনাটকটি ৩৫০ জন শিল্প-কলাকুশলীর অংশগ্রহণে নির্মিত প্রত্মনিদর্শন মহাস্থানগড়ের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের শৈল্পিক উপস্থাপনা। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় উদ্ধোধনী মঞ্চায়নের উদ্ধোধন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, প্রধান অতিথি হিসেব উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, বিশিষ্ট নাট্যজন অধ্যাপক আবদুস সেলিম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আলতাফ হোসেন, বগুড়া জেলার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ, বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার মো. আলী আশরাফ ভূইঞা বিপিএম। একে//

প্রত্মনাটক ‘মহাস্থান’র মঞ্চায়ণ ২৩ ও ২৪ নভেম্বর

বিভিন্ন প্রত্মতাত্ত্বিক স্থান নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রত্মনাটক করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এরই ধারাবাহিকতায় আড়াই হাজার বছরের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে প্রতœনাটক ‘মহাস্থান’ মঞ্চায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ড. সেলিম মোজাহার-এর রচনায় এবং লিয়াকত আলী লাকীর নির্দেশনায় আগামী ২৩ ও ২৪ নভেম্বর বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রযোজনাটির মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। চুড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ২০-২২ নভেম্বর বগুড়ার মহাস্থানগড়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একডেমি প্রযোজিত এই প্রত্মনাটকটি ৩৫০ জন শিল্প-কলাকুশলীর অংশগ্রহণে নির্মিত প্রত্মনিদর্শন মহাস্থানগড়ের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের শৈল্পিক উপস্থাপনা। আগামী ২৩ নভেম্বর ২০১৮ সন্ধ্যা ৬টায় উদ্ধোধনী মঞ্চায়নের উদ্ধোধন করবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, প্রধান অতিথি হিসেব উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক অধ্যাপক হাসান আজিজুল হক। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, বিশিষ্ট নাট্যজন অধ্যাপক আবদুস সেলিম, প্রতœতত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আলতাফ হোসেন, বগুড়া জেলার জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহাম্মদ, বগুড়া জেলার পুলিশ সুপার মো. আলী আশরাফ ভূইঞা বিপিএম। আরকে//

বিশ্ব কবিমঞ্চ আয়োজিত গ্রীষ্মকালীন কবিতা আসর

রাজধানীতে বিশ্ব কবিমঞ্চ আয়োজিত গ্রীষ্মকালীন কবিতা আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের ওয়াহিদুল হক সভা কক্ষে এ গ্রীষ্মকালীন কবিতা আসর অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব কবিমঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক পুলক কান্তি ধর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের কৃতি সন্তান বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, বঙ্গবন্ধু আবৃত্তি পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ড. নিরঞ্জন অধিকারী। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- আগরতলার প্রখ্যাত লেখক ও বঙ্গবন্ধু গবেষক ড. দেবব্রত দেবরায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ভারতের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ড. আশিস কমার বৈদ্য, বিশ্ব কবিমঞ্চ আগরতলা শাখার সম্পাদিকা সুমিত্রা বর্ধন। কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করেন সোনালী রায় বাগচি (আগরতলা, ভারত), রুপনারায়ণপুর পিস ওয়েলফেয়ার অরগানাইজেশন এর প্রেসিডেন্ট শতদ্বীপ সেন (রুপনারায়ণপুর, পশ্চিম বর্ধমান, ভারত), আবৃত্তি শিল্পী মৃণাল দেবনাথ (ত্রিপুরা, ভারত), কমরেড আলাউদ্দিনের মেয়ে আফরোজা অদিতি (ঢাকা, বাংলাদেশ), বিশ্ব কবিমঞ্চ কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য লিপি শেট (ঢাকা, বাংলাদেশ), বিশ্ব কবিমঞ্চ সাতক্ষীরা শাখার আহবায়ক ডা. মো. মুনসুর রহমান (ঢাকা, বাংলাদেশ), আসাদুজ্জামান (ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ), আবৃত্তি শিল্পী মাসুম আজিজুল বাসার (ঢাকা, বাংলাদেশ)। সংঙ্গীত পরিবেশনে অংশগ্রহন করেন সরোয়ার মাহিন (ঢাকা, বাংলাদেশ) ও স্বর্ণিমা রায় (আগরতলা, ভারত)। কবিতা পাঠে হামিদ সরকার, সাংবাদিক রাহাত খানের স্ত্রী অর্পণা খানসহ বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মানিত কবি, সাহিত্যিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

আজ শেষ দিনের ফোক ফেস্ট মাতাবেন যারা

রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব-২০১৮ এর শেষ দিন আজ শনিবার। উৎসব শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়, চলবে রাত ১২টা পর্যন্ত। আজ যাদের পরিবেশনা থাকছে- শাফকাত আমানত আলী ১৯৬৫ সালে লাহোরে জন্ম গ্রহণ করেন শাফকাত আমানত আলী। মাত্র চার বছর বয়স থেকেই সংগীতের তামিল নেন ওস্তাদ আমানত আলী খানের এই ছেলে। সুফি ও লোকজ সংগীতের জন্যও সমাদৃত তিনি। তবে উপমহাদেশে ব্যাপক পরিচিতি পান বলিউডে গান গেয়ে। কোক স্টুডিওর প্রায় সব সিজনেই জনপ্রিয়তা পায় তার গাওয়া গান। লাস মিগাস বার্সেলোনার ব্যান্ড দলটি যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালে। তাদের গানকে নির্দিষ্ট কোনও ঘরানায় ফেলা যায় না। দলের কাণ্ডারি চার কন্যা-বেগো সালাযার, মারতা রোবলস, আলিশিয়া গ্রিলো ও রসার লসকস। বাউল কবির শাহ বাউলসম্রাট শাহ আব্দুল করিমের কাছে গানে হাতেখড়ি। ১৯৭৬ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম তার। সংগীত চর্চা শুরু করেন ১৩ বছর বয়স থেকেই। দরদি গায়কি দিয়ে দর্শক মাতিয়ে রাখেন তিনি। বিচ্ছেদ ভাবের গান, ভাটিয়ালি, মুর্শিদী গানে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শায়ান চৌধুরী অর্ণব বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের এক উজ্জল নক্ষত্রের নাম শায়ান চৌধুরী অর্ণব। অর্ণব নামেই দেশ জুড়ে তার পরিচিতি। তার গানে নতুন করে জেগে উঠেছে একটা প্রজন্ম। তার জন্ম ১৯৭৯ সালের ২৭ জানুয়ারি। ক্লাস সেভেনেই অর্ণব হাতে তুলে নেন এসরাজ। পরে পড়তে যান শান্তিনিকেতন। সেখান থেকে ফিরে বন্ধুরা মিলে তৈরি করেন ব্যান্ড ‘বাংলা’। তুমুল জনপ্রিয়তা পেলেও ভেঙে যায় ব্যান্ডটি। গানে প্রতিদিনের জীবনযাপনের ছাপ থাকায় তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় অর্ণব। নকশিকাঁথা ২০০৭ সালে গড়ে ওঠে ব্যান্ড ‘গানওয়ালা’। বিভিন্ন সামাজিক সংকট নিয়ে গান করত তারা। ২০১১ সাল থেকে লোকগান নিয়ে মেতে ওঠে দলটি। নাম বদলে হয় ‘নকশিকাঁথা’। একে//

সুরের মূর্ছনায় ঢাকা মাতালেন শংকর-এহসান-লয়

শাহরুখ খানের কাল হো না হো, কাভি আলবিদা না ক্যাহে না, মাই নেম ইজ খান, ডন, ডন-২সহ অসংখ্য ছবিতে শাহরুখের কণ্ঠে যে গান শোনা যায়, তার জনক শংকর মহাদেবন, এহসান নুরানী ও লয় মেন্দোনসা। আর এই ত্রয়ী শুক্রবার গাইলেন ঢাকায় ‘দিওয়ালি’ কনসার্টে। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) দিওয়ালি কনসার্টে আলোর ঝলকানিতে মঞ্চে উঠলেন বলিউডের জনপ্রিয় এই তিন সঙ্গীতশিল্পী। তাদের পদচারণায় পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে অব্যক্ত সুরের আবেশ। জমকালো আলোকসজ্জা আর সুরের মূর্ছনায় বিমোহিত শ্রোতারা। মুহুর্মুহু করতালিতে প্রিয় শিল্পীদের স্বাগত জানালেন তারা। দর্শক-শ্রোতার হর্ষধ্বনিতে গিটারে বেজে উঠল নতুন সুর। দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শঙ্কর প্রথমেই ধরলেন তরুণদের মনমাতানো গান ‘দিল চাহাতা হে’। পুরো টিমের পারফরমেন্সে আস্তে আস্তে গরম হতে শুরু করে হেমন্তের আর্দ্র বাতাস। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে কনসার্টের উষ্ণতা। গানের ফাঁকে এই তিন শিল্পীর ২৩ বছরের একসঙ্গে গান কম্পোজিশনের কাজে কোনটি পছন্দের গান এটি দর্শকদের জানতে মন চায় কি-না জিজ্ঞেস করেন শঙ্কর। দর্শকরা জানার আগ্রহ প্রকাশ করলে শঙ্কর গেয়ে ওঠেন ‘কাল হোনা হো’ গানটি। গান শুরু হতেই মোবাইলের আলো জ্বেলে শিল্পীদের অভিবাদন জানান দর্শকরা। গানের তালে নাচের বোলে রাতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে জমে ওঠে অনুষ্ঠান। এক সময় সুর নামিয়ে অনুষ্ঠানের ইতি টানেন শিল্পীরা। একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি