ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৫৭:০৫

‘এসো মিলি প্রাণের উৎসবে’

বকুলতলায় বসন্ত উৎসব

‘এসো মিলি প্রাণের উৎসবে’

জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ ‘এসো মিলি প্রাণের উৎসবে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বসন্ত উৎসব ১৪২৫ এর আয়োজন করেছে।আজ বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় দিনব্যাপী এ বসন্ত উৎসব শুরু হয়।শুরুতেই যন্ত্র সহকারে ধ্রুপদী সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এরপর একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহকাম উল্লাহ। এরপর একের পর এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা চলে। একক সঙ্গীত পরিবেশনা করছেন লাইসা আহমেদ লিসা, প্রিয়াঙ্কা গোপ, ফাহিম হোসেন চৌধুরী, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রী, শামা রহমান, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস ও সজীব। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে দলীয় নৃত্য থাকছে রেওয়াজ পারফর্মিং আর্ট, ভাবনা, নৃত্যম, তুরঙ্গম, নটরাজ, স্পন্দন, নৃত্যনন্দন ও আদিবাসী নৃত্যগোষ্ঠী অনন্ত রাঙামাটির পরিবেশনায়। এছাড়াও একক আবৃত্তি পরিবেশন করবেন সৈয়দ হাসান ইমাম, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলায়েত হোসেন ও নায়লা তারান্নুম চৌধুরী কাকলি। দলীয় পরিবেশনায় থাকছে সুরতীর্থ, সত্যেন সেন শিল্পীগোষ্ঠী, বহ্নিশিখা, রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ ও বাফা’র নানা পরিবেশনা। এছাড়াও বসন্ত কথন পর্বে থাকবেন বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি নাট্যজন আলী যাকেরসহ বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। সকাল ১০টায় চারুকলার বকুলতলা থেকে বের হবে বসন্ত শোভাযাত্রা। বিকালে আবির বিনিময় ও প্রীতি বন্ধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে চারুকলা, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে, পুরানো ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক ও উত্তরা ৩ নং সেক্টরের রবীন্দ্র স্বরণীর উন্মুক্ত মঞ্চে একযোগে।নানা আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের বকুলতলায় সকাল ৭টা থেকে সকাল ১০টা এবং বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বসন্ত উৎসব ১৪২৫ উদযাপিত হচ্ছে।বিকালের অনুষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার বকুলতলাসহ পুরনো ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্ক, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবর ও উত্তরার তিন নম্বর সেক্টরের রবীন্দ্র সরোবরের উন্মুক্ত মঞ্চে একযোগে চলবে।এসএ/
‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র ১৪২৫’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বাংলা চলচ্চিত্রের সর্ববৃহৎ উৎসব ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র ১৪২৫’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবটির উদ্বোধন করেন। এ বছর উৎসবটির আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ-এর প্রধান সহযোগী দেশের অন্যতম ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বাংলালিংক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ঢা.বি চলচ্চিত্র সংসদের সঞ্চালক অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং চলচ্চিত্রকার নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলালিংক-এর চিফ কর্পোরেট এ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, চিফ এথিক্স এ্যান্ড কমপ্লায়েন্স অফিসার এম নুরুল আলম, ব্র্যান্ডস এ্যান্ড কম্যুনিকেশনস ডিরেক্টর কাজী উরফি আহমেদ এবং হেড অফ ব্র্যান্ড, মার্কেটিং মো. কাশেদুল হক। পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসবে মোট ১৬টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৪টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সেরা বাংলাদেশী চলচ্চিত্রকে প্রদান করা হবে ‘হীরালাল সেন পদক’। এবার মোট ৬টি চলচ্চিত্রকে ‘হীরালাল সেন পদকের’ জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এই ৬টি চলচ্চিত্র হলো - দেবী, কমলা রকেট, জন্মভূমি, পাঠশালা, সনাতন গল্প এবং মাটির প্রজার দেশে। চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি এবারের উৎসবে থাকছে চলচ্চিত্র বিষয়ক একটি বিশেষ সেমিনার ও কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্রের পোস্টার প্রদর্শনী।  বাংলালিংক-এর চিফ কর্পোরেট এ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন,‘এই উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণের সক্ষমতা রয়েছে। এই উৎসবে দর্শকরা নির্মাতাদের চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রকৃত দক্ষতা উপলব্ধি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। বাংলালিংক সব সময়ই দেশীয় সংস্কৃতির প্রসারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই উৎসবের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা সেই প্রতিজ্ঞাকেই প্রতিফলিত করছে।” দেশীয় সংস্কৃতি প্রসারের লক্ষ্যে এ ধরনের বিভিন্ন উদ্যোগের সাথে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকবে বাংলালিংক।  

শিল্পকলায় ৪১ দেশের গান নিয়ে চলছে ‘বাজাও বিশ্ববীণা’

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে “বাজাও বিশ্ববীণা” শিরনামে বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার সঙ্গীত এবং নৃত্যালেখ্য অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে ৪১টি ভাষার গান পরিবেশিত হয়। জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানে দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেছে “ঢাকা সংস্কৃতিক দল” এবং নৃত্য পরিবেশন করেছে “ভঙ্গিমা ডান্স থিয়েটার”। সংগীত পরিচালনা করেছেন ইয়াসমিন আলী এবং নৃত্য পরিচালনা করেছেন সৈয়দা সায়লা আহমেদ। আয়োজন অংশ নেওয়া দেশগুলো হলো- মরক্কো, মালয়েশিয়া, শ্রীলংকা, রাশিয়া, নেদারল্যান্ড, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তান, কম্বোডিয়া, নেপাল, মেক্সিকো, ইন্ডিয়া, মিয়ানমার, কিউবা, মোজাম্বিক, সিংগাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ভানুয়াতু, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, ভুটান, ব্রুনাই, পাকিস্তান, ইউক্রেইন, ইতালি, জাপান, ব্রাজিল, ভিয়েতনাম, পাপুয়া নিউ গিনি, মালদ্বীপ, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, ফিলিপাইন, ফ্রান্স, পূর্ব তিমোর, চায়না, সুইজারল্যান্ড, থাইল্যান্ড, ফিজি, জার্মানি, আমেরিকা ও বাংলাদেশ। আরকে//

ছুটির দিনে শিশু প্রহরে উচ্ছ্বসিত শিশুরা

ছুটির দিনের সকালে অমর একুশে গ্রন্থমেলা শিশুদের পদচারণায় মুখর। পছন্দের বই কিনে খুশিতে আত্মহারা শিশুরা। তবে বইয়ের দাম বেশি বলে জানালেন অভিভাবকরা। বিক্রি ভালো হওয়ায় সন্তুষ্ট বিক্রেতারা। ছুটির দিনের বইমেলা শুধুর ছোটোদের। বাবা-মায়ের হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে মেলা প্রাঙ্গণে শিশুরা। রঙ বেরঙের বই দেখে খুশি শিশুরা। অনেক বইয়ের মাঝ থেকে কচি হাতগুলো বেছে নিচ্ছে নিজের পছন্দের বইটি। কেউ আবার ব্যস্ত বই পড়ায়।ভূতের বই, রুপকথা, বিজ্ঞান, ছবি আঁকার বই কিংবা ছড়া-পছন্দের বই হাতে পেয়ে খুশি সবাই।অভিভাবকরা বলছেন, নতুন প্রজন্মকে পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই মেলায় আসা। তবে বইয়ের দাম বেশি ধরা হচ্ছে বলে অভিযোগ অনেকের।মেলার শুরুতেই বেচাবিক্রি ভালো হওয়ায় খুশি বিক্রেতারা।এদিকে শিশু প্রহরে মেলা প্রাঙ্গনে আসেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার। কচিকাচাদের সাথে সময় কাটান তিনি। সিসিমপুরের হালুম, ইকরি, শিখু ও টুকটুকিকে নিয়ে আনন্দে মাতে শিশুরা। বিস্তারিত ভিডিওতে : এসএ/  

জালালউদ্দিন রুমী’র ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

শাহরিয়ার কবির নির্মিত মাওলানা জালালউদ্দিন রুমীর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘মিথাতস ড্রিম’ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। সোমবার বিকাল সাড়ে চারটায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। প্রদর্শনীর শুরুতে আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তুরস্কের কবি, নাট্যকার, অভিনেতা ও সুফী গবেষক তারিক গুণেরসেল। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, ঢাকাস্থ তুরস্ক দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপ-প্রধান এনিস ফারুক এরদেম, বাংলা একাডেমির মহা-পরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী, লেখক ও গবেষক অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, লেখক, গবেষক ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহরিয়ার কবির। কেআই/ এসএইচ/

যুগপূর্তি জাতীয় পিঠা উৎসবের সমাপ্তি শুক্রবার

২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুগপূর্তি জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪২৫ শেষ হবে ১ ফেব্রুয়ারি। ৩১ জানুয়ারি উৎসবের নবম দিন প্রয়াত সংগীত শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকাল চারটায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে বিশেষ এই আয়োজনে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী এন্ড্র কিশোর, সৈয়দ আব্দুল হাদী, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, খুরশিদ আলম, মনির খান, পলাশ, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবীসহ বিশিষ্ট শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন অব্দুল আজিজ এবং অনুষ্টান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করবেন জি এম জাকির হোসেন। দশ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত উৎসব প্রঙ্গনে প্রতিদিন বিকেল চারটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত পিঠাপ্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নাটক, নৃত্য, অবৃত্তি, সংগীত, কৌতুক ও যাদু পরিবেশিত হয়। ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে উৎসবের সমাপনি আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে. এম. খালিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশ বরেণ্য নাট্যকার ও নাট্যনির্দেশক মামুনুর রশীদ, দেশ বরেণ্য সংগীত শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি মিনু হক। বক্তব্য রাখবেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদ ১৪২৫-এর আহ্বায়ক ও একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী। জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদে সভাপতি ম. হামিদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির সচিব ও জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী আসাদুজ্জামান। জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব খন্দকার শাহ্ আলম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল বায়েজীদ। গত ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ বিকেল ৪টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে যুগপূর্তি জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪২৫ উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিষেশ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, মঞ্চসারথি আতাউর রহমান, দেশবরেণ্য নৃত্যগুরু আমানুল হক, দেশবরেণ্য চিত্রশিল্পী সমরজিৎ রায় চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি ম. হামিদ এবং স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদের সদস্য সচিব খন্দকার শাহ্ আলম। হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে উত্তরাধিকার ভোজনরশীক বাঙালির অনন্য এক ঐতিহ্য বাহারী পিঠা। সময়ের ব্যবধানে আধুনিতার ধারায় অনন্য এই ঐতিহ্য থেকে ক্রমেই দূরে সরে যাচ্ছি আমরা। নগরের মানুষদের বাঙালির অনন্য এই ঐতিহ্যের সঙ্গে নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জাতীয় পিঠা উৎসব উদ্যাপন পরিষদ যুগপূর্তি জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪২৫ আয়োজন করতে যাচ্ছে। পিঠা উৎসব শুরু হয় ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে। ধীরে ধীরে এই উৎসব বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতিক আঙ্গনের মানুষের মিলনমেলায় পরিনত হয়। ২০০৮ সালে শিল্প সংস্কৃতির পীঠস্থান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে জাতীয় পিঠা উৎসব আয়োজনের মূল লক্ষ্যই ছিলো নাগরিক জীবনে বিভিন্ন ধরনের পিঠাকে পরিচিত করে তোলা। এসএইচ/

ওস্তাদ আজিজুল ইসলামের একক বাঁশি সন্ধ্যা

ওস্তাদ আজিজুল ইসলাম যিনি ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম নামেও পরিচিত। পেশাগত জীবনে নাবিক, ভারতীয় ধ্রুপদী সঙ্গীতের একনিষ্ঠ অনুরাগী। কর্মজীবনের পাশাপাশি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শ্রবণ ও চর্চা অব্যাহত রাখেন। সঙ্গীতে প্রথাগত শিক্ষা নয়। সত্য ও সুন্দরের খোঁজে ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম ক্রমে ক্রমে হয়ে ওঠেন এক আত্মপ্রত্যয়ী সুরস্রষ্টা। তার শিল্পীজীবন উৎসর্গীকৃত হয়েছে শিল্পের উৎকর্ষ লাভের আকাঙ্খায়। তার বাঁশির সুর মন্ত্রমুগ্ধের মতো টানে মানুষকে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এই গুণী শিল্পীকে নিয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে জাতীয় নাট্যশালার মিলনায়তনে ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় একক বাঁশি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হামীর, চন্দ্রকোষ, মিশ্র খামবাজ ধূন, দরবারী কানাড়া এবং ঝিনঝটি ও ভাটিয়ালি রাগ পরিবেশন করেন। নিভৃতচারী এই শিল্পী ১৯৪৫ সালে রাজবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক বাড়ি সুরসম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর স্মৃতিধন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। শৈশব থেকে তিনি চট্টগ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। আইএসসি পাস করে মেরিন একাডেমির প্রথম ব্যাচে যোগদানের মাধ্যমে সামুদ্রিক জীবনে প্রবেশ তার। ভাটিয়ালি গানের প্রতি ছিল বিশেষ ঝোঁক। ভাটিয়ালি গানের বাঁশির সুর তাকে বেশি টানত। একনিষ্ঠ পরিশ্রমই তাকে পৌঁছে দিয়েছে স্বপ্নের বন্দরে। মাত্র ১৬ বছর বয়সে চট্টগ্রামের আর্য সঙ্গীত সমিতির প্রয়াত প্রিয়দা রঞ্জন সেনগুপ্তের কাছে হাতে খড়ি হয় আজিজুল ইসলামের। সাগরের বুকে নিঃসঙ্গ প্রহরগুলো কাটাতেন বাঁশি বাজানোর রেওয়াজ করে। সে সময় স্বর্গীয় পান্নালাল ঘোষের বাজানো রেকর্ড এবং অন্যান্য বিখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পীদের রেকর্ডগুলো ছিল তার নিত্যসঙ্গী। পরে ওস্তাদ বেলায়েত আলী খানের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বিশ্ব বিখ্যাত সরদবাদক ওস্তাদ বাহাদুর খানের শিষ্যত্ব নেন। পরে স্বর্গীয় পন্ডিত পান্নালাল ঘোষের ঘনিষ্ঠ শিষ্য পন্ডিত দেবেন্দ্র মুদ্রেশ্বর ও পন্ডিত ভি.জি. কার্নাডের কাছে তালিম নেন। এসএইচ/

কাল যাত্রাপালা : বিয়াল্লিশের বিপ্লব-এর দ্বিতীয় মঞ্চায়ন

আগামীকাল ২৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগের প্রথম যাত্রাপালা “বিয়াল্লিশের বিপ্লব”-এর দ্বিতীয় মঞ্চায়ন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে প্রসাদকৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য রচিত এ যাত্রাপালাটি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রখ্যাত যাত্রাশিল্পী ও নির্দেশক ভিক্টর দানিয়েল। সহযোগী নির্দেশক হিসেবে রয়েছেন মোফাখখারুল ইসলাম জাপান। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হবে উদীচী’র যাত্রাপালা “বিয়াল্লিশের বিপ্লব”-এর দ্বিতীয় মঞ্চায়ন। সেদিন বিকাল ৫টা থেকে হলের টিকেট কাউন্টারে পাওয়া যাবে যাত্রাপালার টিকেট। যাত্রাপালার নির্দেশক ভিক্টর দানিয়েল জানান, ১৯৪২ সাল বাংলাদেশ তথা ভারতবর্ষের রক্তক্ষরা স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের এক রক্তাক্ত অধ্যায়। অগ্নিযুগের অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশের গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে বাংলার মৃত্যুপাগল যৌবন সেদিন যেভাবে দাবানলের মতো জ্বলে উঠেছিল, জীবনপণ করে নির্ভীক সৈনিকের মতো আমৃত্যু যুদ্ধ করেছিল ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্যে, তাদেরই কিছু কাল্পনিক চরিত্রের সমাবেশ এ যাত্রায় চিত্রিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। এ যাত্রার চরিত্রগুলোর মধ্যে যেমন জন্মভূমি মায়ের মুক্তি সংগ্রামে নিবেদিত বীরসন্তানরা রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বার্থের মোহে অন্ধ ইংরেজের ক্রীতদাস। দেশপ্রেম ও বৃটিশবিরোধী বক্তব্য প্রচার করে চারণকবি মুকুন্দদাস শুরু করেছিলেন ‘স্বদেশী যাত্রা’। এসএইচ/  

জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা শুরু ১৯ জানুয়ারি

শিশুদের অধিকার সুরক্ষা এবং শারীরিক-মানসিক ও সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশব্যাপী জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি। আগামী ১৯ জানুয়ারি একযোগে সারাদেশে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা-২০১৯ শুরু হতে যাচ্ছে। এ বছর প্রতিযোগিতার প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘শিশুদের কল্যাণে আমরা সবাই’। অন্যান্যবারের মতো এবারও দেশের ৪৯০টি উপজেলায় এই প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে প্রাথমিক প্রতিযোগিতা শুরু হবে স্কুল পর্যায়ে। এরপর উপজেলা পর্যায়ে। পরে জেলা পর্যায়ে এবং পরবর্তীতে দেশে আটটি বিভাগে এবং সর্বশেষ ঢাকায় চূড়ান্ত পর্যায়ে জাতীয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট ২৩৭টি পুরস্কার দেওয়া হবে। এবার মোট ৩০টি বিষয়ে প্রতিযোগীরা অংশ নেবে। গান, নৃত্য, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্গন, আদিবাসীদের কয়েকটি ইভেন্ট, নাটক, উপস্থিত বক্তৃতা, হামদ, নাত, পল্লীগীতি, ভাওয়াইয়া, নজরুলগীতি, রবীন্দ্র সংগীত, ক্রীড়ায় কয়েকটি ইভেন্টসহ মোট ত্রিশটি বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ১৯ থেকে ২১ জানুয়ারি উপজেলা/থানা পর্যায়ে, ২৩ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে এবং ২৮ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পরে ঢাকায় হবে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। একে//

দেশব্যাপী শহীদ মিনার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শিশুনাট্য কর্মশালা

‘স্মৃতির মিনার মোর পবিত্র, ভাষার মান সমুন্নত’ শ্লোগানে দেশজুড়ে শহীদ মিনার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রোববার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে সারা দেশে জেলা শিল্পকলা একাডেমি এবং পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন শহীদ মিনার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে। সকাল সাড়ে ৯টায় কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন একাডেমির মহাপরিচালক ও পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা লিয়াকত আলী লাকী। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে কার্যক্রমের সূচনা করা হয়। এরপর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিশুরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতায় অংশগ্রহণ করেন। সকাল ১০টায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। এরপর শুরু হয় শিশু শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চিত্রাংকন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ভাষার মর্যাদা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী এই আয়োজনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঁচ শতাধিক শিশুর অংশগ্রহণে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পলিত হয়েছে। ‘বুকের মধ্যে আকাশ..’ এবং ‘মঙ্গল হোক এই শতকে..’ গানের সাথে নৃত্য পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃতদল। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী ফারিহা খালদুন, সাদিয়া সেমন্তি, মেহের জামান, সেজুতি ও শ্রাবন্তী। এছাড়াও শিশু আ্যাক্রোবেটিক দলের অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। পাঁচজন শিশু চিত্রশিল্পী অনুষ্ঠানের শুরু থেকে চিত্রাংকনে অংশগ্রহণ করেন। তারা হলেন নুসরাত জাহান নুহা, শাখাওয়াত হোসেন, সাফায়েত বিন ইমরান, নাজমুল ইসলাম ও ওয়ালিদ আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তামান্না তিথি ও আব্দুল্লাহ বিপ্লব। দুপুর ২টায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা সেমিনার কাক্ষে শুরু হয় শিশুনাট্য কর্মশালা। কর্মশালার মূখ্য প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন শিশুবন্ধু লিয়াকত আলী লাকী। ষাটজন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে কর্মশালাটি শেষ হবে বিকাল ৫টায়।   কেআই/এসএইচ/

নেত্রকোনায় সাত দিনব্যাপী চারুকলা বিষয়ক কর্মশালা শুরু

নেত্রকোনা জেলায় শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ৭ দিনব্যাপী চারুকলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।     বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে প্রশিক্ষণ বিভাগের ব্যবস্থাপনায় নেত্রকোনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ৮ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চারুকলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলবে। ৭ দিনব্যাপী এই কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের ইন্সট্রাক্টর (চারুকলা) জান্নাতুল ফেরদৌস কেয়া এবং নেত্রকোনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিষয়ক প্রশিক্ষক ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ শিল্পীবৃন্দ।   কর্মশালার সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নেত্রকোনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন। এই কর্মশালা শুরু হয় ৮ জানুয়ারি বিকাল ৪ টায়। কর্মশালার উদ্বোধন করেন, নেত্রকোণা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. খালিদ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির আসন গ্রহণ করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের প্রশিক্ষক সুসহ বনিক মলু। ৪০জন প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণে প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কর্মশালা চলবে। কেআই/এসি      

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি