ঢাকা, ২০১৯-০৬-২০ ৩:০৮:৪৬, বৃহস্পতিবার

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে স্বর্ণকার নিহত

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে স্বর্ণকার নিহত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তদের ছুরিঘাতে এক স্বর্ণকারের মৃত্যু হয়েছে। নিহত স্বর্ণকারের নাম মো. ইউনুস (৩৬)। গতকাল মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ইউনুসের যাত্রাবাড়ীর মীরহাজী বাগ বায়তুল আমান মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় রাত ২টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। পথে তিন যুবক তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান । বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত ইউনুস কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের সর্দারের ছেলে।  এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে রয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা। আই/কেআই
বনানীতে চার তলা ভবনে আগুন

রাজধানীর বনানী কবরস্থানের বিপরীতে ২৭ নম্বর রোডের একটি চারতলা ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে আগুন লাগে। ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, চারতলা ভবনের নিচতলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি গাড়ি সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত কিংবা ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুনের সূত্রপাত ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডের বৈদ্যুতিক মিটার থেকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনে রাজ ওভারসিজের কার্যালয় রয়েছে। আগুন লাগার পর ভবনের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আন্ডারগ্রাউন্ডে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় কেউ সিঁড়ি বেয়ে নামতে পারছিল না। অফিসের কর্মকর্তারা আটকা পড়েন। ওপর থেকে তাদের বাঁচাও বাঁচাও বলে কান্না করতে শোনা গেছে। টিআর/

অগ্নিকাণ্ড রোধে দ্রুত বিএনবিসি কোড বাস্তবায়নের দাবি

দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিএনবিসি -২০১৭ কোড বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। বিএনবিসি-২০১৭ কোড বাস্তাবায়িত হলে দেশে বড় ধরণের আর কোন ক্ষতি হবে না। এই কোড বাস্তবায়ন হলে বনানীর এফআর টাওয়ারের মত আর কোন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটবে না। সোমবার (১৭ জুন) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর পুরকৌশল বিভাগের উদ্যোগে আইইবি’র সেমিনার কক্ষে “Seismic Design by ASCE 7-05 (The Basis of Seismic Design By BNBC-2017)” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব দাবি জানান। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. আবদুস সবুর। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, এস.কে ঘোষ এসোসিয়েশন অব আইসিসি (ইন্টারনেশনাল কোড কাউন্সিল) প্রেসিডেন্ট এস.কে ঘোষ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ। এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী রাকিব আহসান এবং Eric Mousset, Team leader Package S-7 of URP: RAJUK, RTI International । অনুষ্ঠানে আইইবি’র পুরকৌশল বিভাগের সম্পাদক প্রকৌশলী শেখ তাজুল ইসলাম তুহিনের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন, আইইবি’র পুরকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান। সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্প প্রবন দেশ। ঢাকা শহর সহ সারাদেশে বিভিন্ন ধরণের বিল্ডিং তৈরী হচ্ছে। সকল এলাকার বিল্ডিংকে ভূমিকম্পের ঝূঁকি হতে নিরাপদ রাখতে ডিজাইনের সময়ই স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারগণকে অবশ্যই ভূমিকা রাখতে হবে। আইইবি ইতিমধ্যেই সকল পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশনে আইইবি’র পক্ষে প্রকৌশলীদের রাখার প্রস্তাব করেছে। যারা সবাই বিএনবিসি এর সিসমিক ডিজাইন অনুসরণ করে বিল্ডিং ডিজাইন অনুমোদন দিবে। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হবে বলে আইইবি প্রত্যাশা করে। এসি  

দেশে সাড়ে ৪ কোটি মানুষ ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত

বাংলাদেশে নন-অ্যালকোহলিক স্টিয়াটো হেপাটাইটিস(ন্যাশ) বা ফ্যাটি লিভার রোগে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি মানুষ আক্রান্ত। এর মধ্যে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ১৮ লাখ মানুষ। সচেতনতা না বাড়ালে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে। দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ন্যাশ দিবস উপলক্ষে বুধবার (১২ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ফোরাম ফর দ্য স্টাডি অব দ্য ইয়ার আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের লিভার বিভাগের চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)। এতে সভাপতিত্ব করেন ফোরাম ফর দ্যা স্টাডি অব দ্যা লিভার, বাংলাদেশের-এর চেয়ারম্যান শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডাঃ শেখ মোহাম্মদ নুর-ই-আলম (ডিউ), সহকারী অধ্যাপক, লিভার বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, খাদ্যে ভেজালে আমাদের দেশে শাস্তি হয় না। এটা নিশ্চিত করতে হবে। ন্যাশ একটা নীরব ঘাতক। এ রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক বলেন, একটা কথা প্রচলিত আছে, উকিল চায় দেশে অপরাধ বাড়ুক, তাহলে আয় বাড়বে। তেমনি ডাক্তার চায়, অসুখ বাড়লে আয় বাড়বে। কিন্তু কিছু চিকিৎসা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। এ রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ালে কমানো সম্ভব। এ রোগের সম্পূর্ণ চিকিৎসা নেই। ভেজাল ও তেলমুক্ত খাবার খেতে হবে। মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, পশ্চিমা বিশ্বে খাদ্যের কোয়ালিটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়, ফলে মানুষ ফাস্ট ফুড খেয়েও অসুস্থ কম হচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশে উঠতি পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো ভেজাল মিশিয়ে পুঁজি করছে। রাষ্ট্র যদি শক্তভাবে মোকাবিলা না করে, তা হলে ভেজাল দূর হবে না। জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে। কোয়ালিটি নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রকে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে। বক্তারা বলেন, ন্যাশ প্রধানত খাদ্যাভাস বা শারীরিক শ্রম না করলে হয়। এ রোগে মানবদেহের অন্যতম অঙ্গ লিভারের চর্বি জমে এর কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। সঠিক সময়ে প্রতিরোধ না করলে ধীরে ধীরে লিভারের কার্যক্ষমতা লোপ পায় যা লিভার সিরোসিস এমনকি লিভার ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো বাহ্যিক লক্ষণ না থাকায় মানুষ এ রোগের প্রতিকার সম্পর্কে সচেতন নয়। এজন্য সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। গোল টেবিল আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া, সম্প্রীতি বাংলাদেশ এর আহবায়ক, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভু-রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অবঃ) মোহাম্মদ আলী শিকদার, সাবেক সচিব মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, জি-টিভি ও সারাবাংলার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের সাবেক ডীন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে লিভার বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে এখনই এ রোগ সম্পর্কে জাতীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত সচেতনত তৈরী করা সম্ভব না হলে অদূর ভবিষ্যতে এদেশের মানুষ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকির মধ্যে পড়বে, তার মধ্যে লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যান্সার অন্যতম। ২০১৮ সালের ৫ জুন পৃথিবীর ১৫০ জন বিশিষ্ট লিভার বিশেষজ্ঞ লিভারের নীরব ঘাতক ন্যাশ সম্পর্কে বিশ্বব্যাপি সচেতনতা তৈরী ও এর নিরাময়ের লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক ঘোষণা পত্রে সই করেন যার মধ্যে ফোরাম ফর দ্যা স্টাডি অব দ্যা লিভার-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) এবং সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর অন্যতম। এই ঘোষণা পত্রেই ১২ জুনকে ‘আন্তর্জাতিক ন্যাশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফোরাম ফর দ্যা স্টাডি অব দ্যা লিভার ২০১৮ সালের ১২ জুন প্রথম আন্তর্জাতিক ন্যাশ দিবস অত্যন্ত গুরুত্বের সহিত পালন করেছিল। কেআই/

বিক্ষোভের মুখে বিএসএমএমইউ’র চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত

চিকিৎসক নিয়োগে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে নিয়োগপ্রার্থীদের অব্যাহত বিক্ষোভের মুখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসক নিয়োগ স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের বিএসএমএমইউ উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতের ঘোষণা দেন। এর আগে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সকালে বিএসএমএমইউতে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। একপর্যায়ে আজ ক্ষুব্ধ চিকিৎসকরা উপাচার্যকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে প্রশাসনের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ আন্দোলনরত চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হয়। বেশ কয়েক দিন ধরে বিএসএমএমইউতে ২০০ মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষার ফল বাতিল ও উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আসছেন পরীক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত ২০০ জন চিকিৎসক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল গত ১২ মে দুপুরে প্রকাশ হয়। পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরপরই দুর্নীতি অভিযোগ এনে অর্ধশতাধিক চিকিৎসক বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা কয়েক দফা উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। উপাচার্য ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের স্বজনদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য পরীক্ষার ফলে টেম্পারিং করা হয়েছে। টিআর/

আজও ঢাকায় ফিরছে মানুষ (ভিডিও)

পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে মঙ্গলবারও ঢাকায় ফিরছে দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ। সকালে সদরঘাট লঞ্চ র্টামিনালে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়। তবে, গাড়ী না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারন মানুষ। আবার লঞ্চে ভাড়া বেশি নেয়ারও অভিযোগ করেছেন অনেকে। ঈদের ছুটি শেষ হলেও এখনো ঢাকায় ফিরছে নগরবাসি। ভোররাতে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ছিল রাজধানীমুখি মানুষের ভিড়। কষ্ট হলেও পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পেরে খুশি তারা। তবে অধিকাংশ লঞ্চে বেশি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ যাত্রীদের। এদিকে, পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় লঞ্চ থেকে নেমেই ভোগান্তিতে পড়েন দক্ষিণ অঞ্চলের যাত্রীরা। যানবাহন না পেয়ে অনেকেই হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ

ঈদের ছুটি শেষ। সরকারি ৫ দিন ছুটির পর আজ রোববার ছিল প্রথম অফিস। তাই গতকাল থেকেই কর্মবস্ত শহর ঢাকায় ফেরা শুরু করেছে কর্মজীবিরা। তবে ঢাকায় এখনও আগের সেই কর্মচঞ্চলতা ফিরে আসেনি। অনেকে আগামীকাল থেকেই শুরু করবেন অফিস। তাই আজও রাজধানীতে লঞ্চ ও বাস টার্মিনালে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফেরা মানুষের ভিড়। ফেরার পথগুলো ছিলো ঢাকামুখী মানুষের ভীড়। তবে রাস্তায় গাড়ির চাপ তুলনামূলক কম। এখনো অনেকটা স্বস্তিতেই ফিরছেন যাত্রীরা। দেশের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চল থেকে রাজধানীতে প্রবেশের মুখ গাবতলী এলাকায় আজ ঘুরে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস থেকে নামা যাত্রী পরিবহনে সেখানে অপেক্ষায় রয়েছে শত শত সিএনজিচালিত অটোরিকশা। রয়েছে রাইড শেয়ারিং কোম্পানির গাড়িও। কিন্তু সেই তুলনায় যাত্রী উপস্থিতি কম। তবে বিকালে ও রাতে যাত্রী বাড়বে বলেই আশা করছেন অটোরিকশা চালকরা। এবার ৪ জুন থেকে ৮ জুন পর্যন্ত মোট পাঁচদিন ঈদের ছুটি কাটান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সেই হিসাবে শনিবারই শেষ হয়েছে ছুটি। পাঁচ দিনের অবকাশ কাটিয়ে জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা শুরু হয়েছে। সরকারি বিভিন্ন অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অনেকটা ফাঁকা। কিছু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী এলেও এখানো পুরোদমে অফিস চালু হয়নি। একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় চাকরি করেন আরিফুজ্জামান। ঈদের ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ায় শনিবার লঞ্চে ফিরে এসেছেন ঢাকায়। তিনি বলেন, রোববার থেকে অফিস খোলা। তাই রাজধানীতে ফিরে এলাম। সকাল থেকেই ঢাকার রাস্তায় গণপরিবহন ছিল হাতেগোনা। রিকশাও খুব একটা চোখে পড়েনি। বেশির ভাগ দোকানপাটই ছিল বন্ধ। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। সিনেমা হলগুলোতে লাইন ধরে টিকেট কাটতে দেখা গেছে অনেককে। যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। ঈদে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রংপুর গিয়েছিলেন তিনি। অফিস রোববার থেকে খুলেছে। এ ছাড়া দুই সন্তানের স্কুলও কাল থেকে খুলছে। তাই ঈদের এক দিন পরই ঢাকায় ফিরতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কাল থেকেই আবার সবকিছু আগের মতোই চলবে। ছেলেমেয়েদের স্কুল তো আর বাদ দেওয়া যাবে না।’ এদিকে রাজধানীর সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মহাখালী ও গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে, বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে অনেকে। কমলাপুর রেলস্টেশনেও ঢাকামুখী মানুষের ভিড় বাড়ছে। তবে ঈদের পর রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া কিছুটা বেশি দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কেউ কেউ। পরিবহনের সংখ্যাও কিছুটা কম বলে জানিয়েছেন তাঁরা। সায়েদাবাদে কে কে ট্রাভেলস বাস কাউন্টারের কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, সকাল থেকে মানুষ ফেরা শুরু করেছে। কোনো বাসে সিট খালি নেই। অনেক মানুষ দাঁড়িয়ে আসছে। এখন ফেরার পথেও ভাড়া কিছুটা বেশি গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। এ বিষয়ে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এবার ঈদে লোকজন নিরাপদে এবং অত্যন্ত সুন্দরভাবে লঞ্চে করে গ্রামে যেতে পেরেছে। এখন অফিসের ছুটি শেষে সবাই ফিরে আসছে। তবে মানুষের সমাগম কম। প্রতিদিনের মতো দক্ষিণাঞ্চল থেকে শতাধিক লঞ্চ ঢাকায় এসেছে। রাস্তার অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে কল্যাণপুরের শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার মো. বাবলু জানান, শুক্র ও শনিবার কুষ্টিয়া, পাবনা, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা গাড়িগুলো নির্ধারিত সময়ের দেড় থেকে ২ ঘণ্টা আগেই চলে এসেছে। যাত্রীরাও কোনো অভিযোগ করেননি। তবে আজ থেকে কিছুটা যানজট হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। এদিকে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে বাস, ট্রেন ও লঞ্চে না ওঠাসহ ঈদফেরত যাত্রীদের উদ্দেশে বেশকিছু সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর মধ্যে রয়েছে তাড়াহুড়ো করে কিংবা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যানবাহনে না ওঠা, ট্রেন কিংবা বাসের ছাদে চড়া থেকে বিরত থাকা, নদীপথে ফেরার সময় ছোট শিশুদের হাতছাড়া না করা, রাস্তার পাশে ডাব বা পানীয়জাতীয় কিছু না খাওয়াসহ মোট ১৪টি সতর্কতামূলক পরামর্শ দেয়া হয়েছে ডিএমপির পক্ষ থেকে। রাস্তায় যেকোনো সহযোগিতার জন্য পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ০১৭১৩-৩৯৮৩১১ এবং ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে ০১৭১১-০০০৯৯০ এই নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আরকে//

ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ (ভিডিও)

প্রিয়জনের সাথে ঈদের ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে নগরবাসী। ভোর থেকেই স্টেশন-টার্মিনালগুলে ছিল ঘরেফেরা মানুষের ঢল। কাল থেকে অফিস খুলছে,তাই পথের ঝক্কি ঝামেলা এড়াতে আগেভাগেই চলে আসার কথা জানিয়েছেন সকলে। আবারও ফিরে আসা ইট পাথরের নগরীতে। নাড়ীর টান নিয়ে গিয়েছিল শেকড়ে, জীবিকা আবার ফিরিয়ে আনছে ঢাকায়। ঈদের ছুটি শেষে, রোববার থেকে সরকারী বে-সরকারী অফিসে শুরু হবে কর্মব্যাস্ততা। কিছু বিড়ম্বনাকে সঙ্গী করেই নগরবাসীর এই ফিরতি রেলযাত্রা। ঈদের আগে যারা যেতে পারেন নি, তাদের অনেকে এখন যাচ্ছেন আপনজনের সানিধ্যে। গাবতলী বাসটার্মিনালেও দেখা মেলে পরিবার পরিজন নিয়ে রাজধানীতে ফেরা মানুষের। তাদের সাথে ফিরেছে প্রিয়সানিধ্যর সুখস্মৃতি। এদিকে লঞ্চ টার্মিলেও ভোর থেকে আসতে শুরু করে দক্ষিনবঙ্গের সব লঞ্চ। আপনজনের সাথে কিছুুদন কাটিয়ে আবারও ব্যাস্ততা বাড়বে কর্মক্ষেত্রে। নগরবাসীর আগমনে আবারও খুব শীঘ্রই রাজধানী ঢাকা ফিরবে তার পুরনো চেহারায়। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে :   এসএ/  

ঈদ শেষে রাজধানীমুখী মানুষ

প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ উপভোগ করে আজ থেকে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবি মানুষ।   দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সড়ক, নৌ ও রেলপথে পরিবার-পরিজন ‍নিয়ে ফিরছেন কর্মজীবিরা। তবে শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় তেমন একটা চাপ নেই। শুক্রবার সকালে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে লঞ্চে যাত্রীদের ঢাকায় ফিরতে দেখা যায়।  বরিশাল থেকে লঞ্চে ফেরা নাঈম হাসান জানান, প্রাইভেট একটি কোম্পানিতে চাকরি করায় ছুটির একদিন আগেই আসতে হচ্ছে। তবে ভিড় না থাকায় যাত্রা স্বস্তিদায়ক হলেও অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ার অভিযোগ করেন তিনি। বিউটি বেগম নামে আরেক যাত্রী জানান, ঘাটে অব্যস্থাপনার কারণে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ভাড়াও নিয়েছে অতিরিক্ত।   এদিকে বাসে করেও লোকজন ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে অনেক মানুষকে ফিরতে দেখা গেছে। তবে বাস টার্মিনালগুলোতে এখনও যাত্রীর চাপ কম। সায়েদাবাদ টার্মিনালের শ্যামলী কাউন্টারের ম্যানেজার আবুল কালাম বলেন, ‘আগামীকাল ছুটি শেষ হলে যাত্রীর চাপ বাড়বে।’ গাবতলী টার্মিনালে বরকত ট্রাভেলসের ম্যানেজার আশিকুর রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চল থেকে আজ সকালে যাত্রীবোঝাই বাস ঢাকায় এসেছে। সড়ক ও নৌপথের পাশাপাশি ট্রেনেও কর্মজীবি মানুষরা রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন। জীবনের টানে যখন কর্মজীবিরা ফিরছেন সে সময় আজও কিছু মানুষ ঢাকা থেকে দেশের বাড়ি যেতে ভিড় করেন সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ও বাস টার্মিনালগুলোতে। শনিবার সরকারি ছুটি শেষ হওয়ায় রোববার থেকে রাজধানী ফিরে পাবে তার  কর্মব্যস্ত রুপ। আই//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি