ঢাকা, ২০১৯-০৪-১৯ ১২:৩৭:১৫, শুক্রবার

কেরানীগঞ্জে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

কেরানীগঞ্জে ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ছুরিকাঘাতে রাসেল (১৫) নামে এক কিশোরকে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার রসুলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসআই শাহ আলম জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা রাসেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হয়েছে বলে জানান এসআই। একে//
বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে দরপত্র আহবান (ভিডিও)

হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার সিদ্ধান্ত  ২৫ এপ্রিল চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এরজন্য দরপত্র আহবান করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভবনটি ভাঙা হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী। এদিকে ভবন ভাঙার আইনী নির্দেশের পর সিলগালা করায় মালামাল সরাতে না পেরে ক্ষোভ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।  বিজিএমইএ কমপ্লেক্স হাতিরঝিলের বিষফোঁড়া নামে অসহনীয় হয়ে উঠেছিল নির্মাণের পর থেকেই। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর অভিযোগে উচ্চ আদালতের নির্দেশে শেষমেশ ভবনটি ভাঙার সিদ্ধান্ত এখন চূড়ান্ত। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মালামাল সরাতে না পেরে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বিজিএমইএ ভবন না ভাঙার আবেদন যারা করেছেন তাদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন বিদায়ী সভাপতি। এদিকে মুচলেকা দেয়ার পরেও ভবন ভাঙতে ১ বছরের সময় চেয়ে করা কর্তৃপক্ষের আবেদন ৩ দিনের মধ্যে প্রত্যাহার চেয়ে উকিল নোটিশ পাঠিয়েছেন মামলার অ্যামিকাস কিউরি। অন্যদিকে কোন পদ্ধতিতে ভবনটি ভাঙা হবে সে বিষয়ে সচিবালয়ে নিজ দফতরে গণপূর্ত মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, সিদ্ধান্ত নেয়ার পরবর্তি ৯০ দিনের মধ্যে ওই স্থান সম্পূর্ণ খালি করে দেওয়া হবে। নিরাপত্তার জন্য আইনশৃংক্ষলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।  

বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ চলছে (ভিডিও)

অবশেষে রাজধানীর হাতিরঝিলে অবৈধভাবে নির্মিত বহুতল বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে আজ। ভবনের গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, টেলিফোন লাইনসহ সব ইউটিলিটি সার্ভিস বিচ্ছিন্নের কাজ চলছে। গত বছর ২রা এপ্রিল সর্বোচ্চ আদালত ভবনটি অপসারণে বিজিএমইএকে ১ বছর ১০ দিন সময় দেন। সে সময় শেষ হয়েছে গেলো ১২ এপ্রিল। সকালে রাজধানীর হাতিরঝিল লেকে অবৈধভাবে নির্মিত বহুতল বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ প্রস্তুতি শুরু হয়। রাজউক পরিচালক প্রশাসন খন্দকার অলিউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বহুতল বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজে সার্বিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে তারা। মালামাল সরিয়ে নেওয়ার পর ভাঙার কাজ শুরু করা হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে সকাল থেকে বিজিএমইএ ভবনের সামনে রাজউক কর্মকর্তারাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্যরা অবস্থান নেন। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ভবন ভাঙার গাড়ি।

রাজধানীর ৪৫ পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ

রাজধানীতে পথচারীর হাঁটা বা রাস্তা পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে, এমন ৪৫টি পয়েন্ট চিহ্নিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশও (ডিএমপি)। এসব ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টের কোথাও ফুটওভার ব্রিজ, কোথাও আন্ডারপাস, আবার কোথাও জেব্রা ক্রসিং নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে। ডিএমপির চিহ্নিত করা দুর্ঘটনাপ্রবণ পয়েন্টগুলোর একটি কারওয়ান বাজারের সিএ ভবনের সামনের সড়ক। গত দুই সপ্তাহে রাস্তা পার হতে গিয়ে এখানে নিহত হয়েছেন দুই পথচারী। কয়েক দিন পর পরই এখানে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়। একই অবস্থা রামপুরা এলাকার ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কেও। এর বাইরে তেজগাঁওয়ের নাবিস্কো ফ্যাক্টটির সামনে, কাকলী ও গুলশান-১ ক্রসিংয়েও প্রায়ই দুর্ঘটনায় নিহত হচ্ছে পথচারী। মেরুল বাড্ডার বৌদ্ধমন্দিরের সামনের সড়কটিও দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনা বেশি ঘটছে যমুনা ফিউচার পার্কের সামনেও। এখানেই রাস্তা পার হতে গিয়ে গত মাসে বাসচাপায় নিহত হন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী। এর জেরে গত বছরের আগস্টের পর ফের দানা বেঁধে ওঠে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলন। ঢাকার আরেকটি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা হলো কুড়িল চৌরাস্তা। সড়কটিতে সবসময় দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করে। ফলে রাস্তা পারাপারের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনায় পড়ছেন পথচারীরা। একই অবস্থা হাউজ বিল্ডিংয়ের উত্তর পাশের সড়কেও। উত্তরা মডেল টাউনের ১০ নম্বর সেক্টর এলাকার আইইউবিএটি ক্যাম্পাসের সামনের সড়কটিকেও দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ডিএমপি। রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাণহানি ঘটে জাহাঙ্গীর গেট এলাকায়ও। আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের সামনের সড়কটি আরো ঝুঁকিপ্রবণ। মিরপুর-১০-এর আইডিয়াল স্কুলের সামনের অংশটি দুর্ঘটনাপ্রবণ। গাবতলীর মাজার রোড ও গরুর হাট ক্রসিং এলাকায় কয়েকদিন পর পরই সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে গাজীপুরের কোনাবাড়ী বাসস্ট্যান্ডও। এর বাইরে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসের সামনের সড়কটিকে চিহ্নিত করা হয়েছে ঝুঁকিপ্রবণ হিসেবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে ঢাকায় ৪৭৭টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৩৯ জন। ২০১৫ সালে ৪৮৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন ২২৯ জন। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় ১২৩টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ১৩৭ ও আহত হন ৩৩৭ জন। ২০১৭ সালে ঢাকায় ২৬৩টি দুর্ঘটনা ঘটার তথ্য দিচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউট। তাতে ২৭৬ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ৩৫৮ জন আহত হয়েছিলেন। সে বছর ১৪৫টি দুর্ঘটনায় বাসের সম্পৃক্ততা ছিল। ২০১৮ সালে ঢাকায় ২৮০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮৬ জন নিহত ও আহত হন আরো ৫৩২ জন। এসব দুর্ঘটনার একটা বড় অংশ ঘটেছে এই ১৮টি পয়েন্টে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে এসব এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের সুপারিশ করেছে ডিএমপি। অন্যদিকে ফুটওভার ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও প্রায়ই পথচারী নিহতের ঘটনা ঘটছে বিমানবন্দর ক্রসিংয়ে। বিজয় সরণি মোড়েও একই অবস্থা। এ রকম আরো পাঁচটি স্থানে জরুরি ভিত্তিতে আন্ডারপাস নির্মাণের সুপারিশ করেছে ডিএমপি। এগুলো হলো উত্তরা মডেল টাউনের ১০ নম্বর সেক্টর এলাকার আইইউবিএটি ক্যাম্পাসের সামনে, তালতলা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া ও পূরবী সিনেমা হলের সামনে। হাতিরঝিলসংলগ্ন পুলিশ প্লাজার সামনের সড়কটিও পথচারীদের জন্য মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১০০ মিটারের মধ্যে আন্ডারপাস থাকা সত্ত্বেও প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী নিহতের ঘটনা ঘটছে গাবতলী ক্রসিং এলাকায়। শান্তা ক্রসিং, বটতলা মোড়, মেরুল বাড্ডা ক্রসিং, লাভ রোড ক্রসিং, তিব্বত ক্রসিং, কামারপাড়া ক্রসিং, ১২ নম্বর সেক্টর ময়লার মোড়, ১০ নম্বর সেক্টরের ব্রিজ, হাউজ বিল্ডিং আলাওল এভিনিউ, ফার্মগেট পুলিশ বক্স থেকে কনকর্ড টাওয়ার, প্রতিরক্ষা ক্রসিং (মিরপুর রোড), সনি সিনেমা ক্রসিং, টেকনিক্যাল ক্রসিং, বঙ্গবন্ধু কলেজ (সিরামিক রোড), টিঅ্যান্ডটি ক্রসিং, প্রশিকা ক্রসিং ও গাবতলী ক্রসিংকে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকিপ্রবণ পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলোয় অতিসত্বর জেব্রা ক্রসিং দেয়ার সুপারিশ করেছে ডিএমপি। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম বলেন, রাজধানীর যেসব পয়েন্টে অতিমাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে, সেগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। এখন এ পয়েন্টগুলোয় দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য কী করা যায়, তা ভেবে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে বেশকিছু দুর্ঘটনাপ্রবণ পয়েন্টে জেব্রা ক্রসিং, আন্ডারপাস ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের সুপারিশও করা হয়েছে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

নিখোঁজ তালহার অপেক্ষায় পরিবার

গাজীপুর মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ইমাম তালহা নামের এক ব্যক্তি হারিয়ে গেছে। তার পিতার নাম নূর মোহাম্মদ। তার বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেস্বরী থানায়। জানা গেছে, তিনি কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। গাজীপুর মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল থেকে বের হওয়ায় পর তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি । যদি কোনো হৃদয়বান ব্যাক্তি তার দেখা পান নিচের নিম্নোক্ত নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পশ্চিম থানা, গাজীপুরে সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে। জিডি নং - ৩৬৩,পশ্চিম থানা, গাজীপুর। যোগাযোগের মাধ্যম (০১৭৬৮৮৫৬৩৪০, ০১৭২৬৭৫৯৭২৮,০১৭৮৬৯১২৪৪৬, ০১৭১৭৫২৫৩৭৫ )

রাজধানীতে বেড়েছে পানি সমস্যা (ভিডিও)

রমজান আসন্ন। রাজধানীতে বেড়েছে পানি সমস্যা। কোথাও দিনে- রাতে এক-দু’বার এলেও তা যৎসামান্য। আবার টাকা দিয়েও ওয়াসার গাড়িবাহি পানি না পাবার অভিযোগ করেছেন মহল্লাবাসী। ঘটনাস্থল শ্যামলীর আদাবর। রাত তখন পৌনে তিনটা। ওয়াসার গাড়ি থেকে পানি নিচ্ছেন মহল্লার মানুষ। গোপীবাগ, টিকাটুলির আর মিরপুরের এমন দৃশ্য নিত্যদিনের। এসব এলাকার মতোই শ্যামলী, উত্তরা, মহম্মদপুর, বাড্ডা, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষের শেষ ভরসা ওয়াসার গাড়িবাহী পানি। ক’দিন আগেও পানির এমন সমস্যা ছিল না রাজধানীতে। রমজান আসন্ন তাই দুর্নীতিবাজও চক্রও সোচ্চার। এরিমধ্যে পানির জন্য হাহাকার দেখা দিয়েছে বেশ কিছু এলাকায়। এসব নিয়ে ভূক্তভোগীদের অভিযোগের শেষ নেই। ওয়াসা বলছে, এ সমস্যা সাময়িক। অবিলম্বে পানি সমস্যার সমাধান চান বিভিন্ন ওয়ার্ডের মানুষ। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে : এসএ/  

পহেলা বৈশাখে নগরীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা : ডিএমপি কমিশনার

পহেলা বৈশাখে নগরীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে নগরীতে নিরাপত্তার কোন সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই। তবে কেউ কোনো ধরণের নাশকতার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। তিনি আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এসময় অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) শাহাবুদ্দিন কোরেশী, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম) মনিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বাংলা নববর্ষ ঘিরে নগরীর উৎসব স্থলগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, হাতিরঝিল, গুলশান পার্ক, রবীন্দ্রসরোবর ও বাহাদুরশাহ পার্কসহ প্রত্যেকটি উৎসব স্থলে সিসি ক্যামেরা থাকবে।তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। শোভাযাত্রার চারদিক ঘিরে থাকবে পুলিশের বিশেষায়িত টিম সোয়াত। পথিমধ্যে কেউ শোভাযাত্রায় প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া শোভাযাত্রায় মুখোশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, নিরাপত্তায় সোয়াতের সাথে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ, পোশাকধারী পুলিশ, চারুকলার টিম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেচ্ছাসেবীরা সহযোগী হিসেবে থাকবে। যারা অংশ নেবেন তাদের চারুকলা থেকেই প্রবেশ করতে হবে।তিনি বলেন, নগরীর বেশকয়েকটি সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। শতাধিক মাইক ব্যবহার করে কমান্ড সেন্টারের ব্যবস্থা থাকবে। ছিনতাই ও ইভটিজিং প্রতিরোধে বিশেষ টিম থাকবে। ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্কের লেকে ডুবুরী দল থাকবে। অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলে তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, রমনা পার্কে মোট ৮টি গেট থাকবে। এর মধ্যে তিনটি শুধু প্রবেশ ও তিনটি প্রবেশ ও বাহির এবং দুটি শুধু কেবল বাহির হওয়ার গেট থাকবে। কাকরাইল মসজিদ সংলগ্ন গেট, মৎসভবন গেট ও শিশু পার্কের বিপরীত গেট দিয়ে প্রবেশ ও বাহির হওয়া যাবে। শিখা চিরন্তনী বরাবর একটি নতুন গেট দিয়ে শুধু বাহির হওয়া, হেয়াররোডের গেট ও রুপসী বাংলার কাছাকাছি গেট দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। রমনা রেষ্টুরেন্টের কাছাকাছি যে দুটি গেট রয়েছে একটি দিয়ে প্রবেশ ও অপরটি দিয়ে বের হওয়া যাবে। এদিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোট ৭টি গেট থাকবে। এর মধ্যে শাহবাগের ছবির হাট ও রমনা কালি মন্দির গেট বন্ধ থাকবে। বাকি গেটগুলোর মধ্যে তিনটি দিয়ে প্রবেশ ও দুইটি দিয়ে বাহির হওয়া যাবে। বিকেল পাঁচটার মধ্যে দর্শনার্থী প্রবেশের সকল গেট বন্ধা করে দেয়া হবে এবং পুনরায় বিকেল ৬টার মধ্যে উৎসবস্থল থেকে বের হয়ে আসতে হবে। কমিশনার বলেন, পহেলা বৈশাখে পার্কে বেড়াতে আসা দর্শনার্থীদের কেউ ভূঁভূজেলা বাঁশি বাজিয়ে বিরক্ত করতে পারবে না। এটা বিরক্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। তাই এটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সাথে উৎসব স্থলগুলোতে কেউ ধূমপান করতে পারবে না। ভূঁভূজেলা বাজানো ও ধুমপানকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি