ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩৪:১৯

ক্যাফেতে পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে মাছ

ক্যাফেতে পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে মাছ

নাগরিক জীবনের সীমাহীন ব্যস্ততা ভুলে প্রিয়জনের সঙ্গে নিরিবিলি বসে সুখের মুহূর্তগুলো ভাগাভাগি করতে পছন্দ করেন সবাই। আর তাই একটু সুযোগ পেলেই প্রিয়জন, পরিবার-পরিজনকে নিয়ে সময় কাটান বিনোদন কেন্দ্রে, ক্যাফে, রেস্টুরেন্টে। শুধু খাওয়াই নয়, ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য প্রিয়জনের সঙ্গে মাঝে মধ্যেই রেস্টুরেন্টে খেতে যান অনেকে। ক্যাফেতে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে সুখের মুহূর্ত উপভোগ করছেন, আর জলে ডুবে থাকা আপনার পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। ভাবুন তো, যদি কোনো ক্যাফেতে বসে আপনি এরকম ভিন্ন কোনো অনুভূতি পান, তবে কেমন লাগবে। একদিকে ক্যাফেতে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে সুখের মুহূর্ত উপভোগ করছেন, আর অন্যদিকে জলে ডুবে থাকা আপনার পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। এরকমই একটি ব্যাতিক্রমি ক্যাফে অ্যানিমেল ক্যাফে। ক্যাফেটি ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরে অবস্থিত। অ্যানিমেল ক্যাফেতে গেলে আপনি এক কাপ গরম কফি উপভোগ করতে পারবেন। সঙ্গে পাবেন বিড়াল, কুকুরের মতো অত্যন্ত আদুরে সব পোষা প্রাণী। কিন্তু ভিয়েতনামের এমিক্স কফি পৃথিবীর একমাত্র ক্যাফে, যেখানে গেলে আপনি পাবেন এক অন্যরকম অনুভূতি। এমক্সি কফি ক্যাফেতে রয়েছে দুটি প্লাবিত মেঝে। আর সেখানে ছাড়া রয়েছে ছোট-বড় শত শত মাছ। এই ক্যাফেতে আপনি চেয়ারে বসে থাকবেন, আর আপনার পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ডুবে থাকবে পানিতে। প্রিয়জনের মুখোমুখি বসে কফিতে চুমুক দিচ্ছেন, আর আপনার পায়ের ওপর সাঁতার কাটছে হরেক  রঙের দৃষ্টিনন্দন মাছ।  রঙবেরঙের মাছের এই ক্যাফেতে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে দুটি কাজ অবশ্যই করতে হবে, আর তা হলো জুতা খুলে বাইরে রাখতে হবে এবং পা পরিস্কার করে তারপর ঢুকতে হবে। তবেই আপনি প্রিয়জনের সঙ্গে সেখানে আপনার সেরা মুহূর্তটি কাটাতে পারবেন। অন্যথায় আপনি সেখানে প্রবেশের অনুমতি পাবেন না। এমিক্স ক্যাফের এই আইডিয়া এসেছে ২৩ বছরের তরুণ গুইয়েন ডক হোয়ার মাথা থেকে। তিনি চেয়েছিলেন অ্যানিমেল ক্যাফের ধারণায় ভিন্নমাত্রা যোগ করতে। 
৩৭ বছর ধরে পিৎজা খাচ্ছেন যিনি

মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের মানুষদের মধ্যে পিৎজা প্রেম অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেকটাই বেশি৷ ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ পিৎজা অপারেটরসের তথ্য অনুযায়ী, মোট জনবসতির ৯৩ শতাংশ মাসে একদিন পিৎজা খেয়ে থাকে৷ তাই আমেরিকানদের পিৎজা প্রেমী বললেও ভুল বলা হবে না৷ মাইক রোমান, নিউ জার্সির বাসিন্দা৷ যিনি দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে ডিনারে প্লেন চিজ পিৎজা খেয়ে নজির গড়ছেন৷ সম্প্রতি নিউ জার্সির বাসিন্দা রোমান বিষয়টি পডকাস্টের মাধ্যমে সামনে আনেন৷ এই পিৎজা প্রেমী জানান, এখন তার বয়স ৪১ বছর৷ পিৎজা খাওয়ার অভ্যেসটি খুব ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয়৷ যদিও খাওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট খুঁতখুঁতে তিনি৷ রোমান যোগ করেন, বাড়ির লোকেরা বারবার বলা সত্বেও কোনও কাজ হয়নি৷ এরপর থেকে তিনি প্রতি রাতেই ডিনারে পিৎজা খেতে শুরু করেন৷ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ধীরে ধীরে পিৎজা খাওয়ার প্রতি ভালোলাগা বাড়তে শুরু করে এবং ডিনার টাইম ক্রমশই স্পেশাল হয়ে ওঠে৷ তিনি এও জানান, পিৎজা খেয়ে তিনি কখনও বোর হবেন না৷ দীর্ঘদিন যাবত পিৎজা খাওয়ার ফলে তার স্বাস্থ্যের উপর কোনও খারাপ প্রভাব পড়েনি৷ তিনি যথেষ্ট সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

বিয়ের গাউন সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে!

বিয়ের পোশাক জীবনে সাধারণত একবারই পরা হয়। বর্নিল সাজে অতিথিদের সামনে হাজির হয় বর কণে। পুরো আয়োজনে অতিথিদের আকর্ষণের অনেক বস্তু থাকলেও কণের পোশাকের প্রতি কমবেশি সবারই আলাদা নজর থাকে। আর সে পোশাকই যদি ‘ব্যতিক্রম’ কিছু হয় তাহলে তো চোখ তোলারই জো নেই। এমনটিই হয়েছে চীনের প্রত্যন্ত একটি গ্রামে। ২৮ বছর বয়সী তান লিলি নামে এক তরুণী সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে বিয়ের পোশাক তৈরি করে বেশ আলোচিত হয়েছেন। পোশাকটি তৈরিতে সিমেন্টের ব্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে ৪০টি। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তার ইউনিক পোশাকের সেই ছবি। বাড়ি তৈরির পর তান লিলি’র ঘরে ৪০টি সিমেন্টের ব্যাগ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। বৃষ্টিস্নাত এক বিকেলে হঠাৎ খেয়ালের বশে তিনি ওই সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে গাউন আকৃতির একটি বিয়ের পোশাক তৈরি করে ফেলেন। এরপর সেই পোশাক পরিহিত ছবি ইন্টারনেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেন। যা এখন আলোচিত। ১৮ বছর বয়সে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া তানের বাবা চার বছর আগে ক্যান্সারে মারা যান। গত বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বৃষ্টি থাকায় মাঠে না গিয়ে চোখের সামনে পড়ে থাকা সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে মাত্র তিন ঘণ্টায় বিয়ের এ পোশাকটি তৈরি করে ফেলেন। সূত্র: সিনহুয়া। / এআর /

১২ বছর পর ফুটে যে ফুল

ফুল প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নিদর্শণ। ফুল ভালোবাসার প্রতীক। প্রতি বছরই নতুন করে গাছে গাছে ফুল ফোটে। কিন্তু প্রকৃতিতে এমন একটি গাছ আছে যে গাছে ফুল ফুটে ১২ বছর পর পর। এমনই একটি ফুলের সন্ধান পাওয়া গেছে ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতমালায়। সেখানে নীলকুরিঞ্জি নামের নীল রঙের এক অদ্ভুত ফুল আছে যা ১২ বছর পর পর ফুটে। এ এলাকার আদিবাসীদের কাছে নীলকুরিঞ্জি শুভবার্তার প্রতীক। এর বৈজ্ঞানিক নাম স্ট্রোবিল্যান্থেস কুনথিয়ানা। এই ফুলটি ভারতের তামিলনাড়ু ও কেরালা রাজ্যের নীলগিরি পাহাড়ে বেশি পাওয়া যায়।  স্থানীয়দের কাছে এটি কুরুঞ্জি নামেও পরিচিত। নীলকুরিঞ্জি ফুল প্রায় ২৫০ প্রজাতির হয়ে থাকে । এর মধ্যে শুধু ভারতের বিভিন্ন জায়গায় ৪৬টির মতো প্রজাতি দেখতে পাওয়া যায়। ফুলটির বৈশিষ্ট্য: *এই ফুলটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ১২ বছর পর পর ফুটা। *ফুলটি দেখতে অনেকটা ঘন্টার মতো। *ফুলগুলো যখন ফুটে তখন নীল-বেগুণি রঙ্গের গালিচার মতো মনে হয়। *ফুলগুলো সাধারণত থোকায় থোকায় ফোটে। * কুঁড়ি থেকে ফুল ফোটা পর্যন্ত প্রতিনিয়ত রং বদলাতে থাকে। ফুলের এরকম নান্দনিক পরিবর্তন দেখার জন্য দেশ-বিদেশর পর্যটকরা ভীড় করেন এখানে। নিজের মাতো করে প্রকৃতিকে উপভোগ করতে চান তারা। তথ্যসূত্র: বিবিসি / এআর /

দ. কোরিয়ার বাসিন্দাদের বয়স এক বছর বেশি হওয়ার কারণ

জানেন এমনও দেশ আছে যেখানে আপনি ভোট দিতে না গেলে বিপুল জরিমানা দিতে হয়! চলুন এমনই বেশ কিছু অদ্ভুত ভিনদেশি নিয়ম সম্বন্ধে জেনে নেওয়া যাক- লা চানক্লা ছোটদের নিয়মানুবর্তিতা শেখানোর অস্ত্র। লা চানক্লাকে নিয়ে ঠিক এমনটাই বলা হয়। এটা আসলে চপ্পল। লাতিন আমেরিকা এবং স্পেনে মা-দাদীরা চপ্পল দিয়েই ছোটদের শাসন করে থাকেন। ইউরোপের বেশ কিছু দেশে যেখানে বাচ্চাদের শাসন করলে জেল পর্যন্ত যেতে হতে পারে, সেখানে ইউরোপেরই এক দেশে এ রকম ব্যবস্থা চমকে দেয়। ভোট না দিলে জরিমানা নির্বাচন ঘিরে প্রতিটা মানুষের আলাদা মতামত থাকে। অনেকেই ভোট দেন না এবং সগর্বে ঘোষণাও করেন। কিন্তু জানেন কি অস্ট্রেলিয়ায় এমন করা মানা। কারণ ভোট না দিলে সেখানে জরিমানা করা হয়। যেমন সম্প্রতি তাসমানিয়ায় নির্বাচনে ৬ হাজার ব্যক্তি অংশ নেননি। তাদের ২৬ ডলার করে জরিমানা হয়েছে। চার্চ ট্যাক্স চার্চগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে রাখার জন্য ১৯৩৯ সালে অ্যাডলফ হিটলার এটা চালু করেন। এই আইন অনুযায়ী একজন আয়করদাতাকে তার মোট করের ৮-৯ শতাংশ চার্চ ট্যাক্স দিতে হয়। অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, আইসল্যান্ড, ইতালি, সুইডেনে এখনও এই আইন চালু রয়েছে। ব্যাটেল অফ অরেঞ্জ ফেব্রুয়ারি বা মার্চের শুরুতে ‘ব্যাটেল অফ অরেঞ্জ’ উৎসব হয় উত্তর ইতালির শহর ইভরিয়ায়। একে অপরের দিকে কমলালেবু ছোড়েন অংশগ্রহণকারীরা। শোনা যায়, এটা প্রতীকী উৎসব। অতীতে রাজার হাত থেকে ভায়োলেটা নামে এক মেয়েকে বাঁচাতে পাথর ছোড়েন গ্রামবাসীরা। পাথরের প্রতীকই এখানে কমলালেবু। পুরো পরিবার এক বাইকে পুরো পরিবার চলেছে একটা বাইকে চেপে! এক সময়ে এই ছবিটা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়েছিল। প্রচুর হাসাহাসিও হয়েছিল। খুবই বিপজ্জনক পরিস্থিতি। কিন্তু পাকিস্তানে এই ছবি মোটেই বিরল নয়। যদিও পাকিস্তানেও এটা বেআইনি। কারণ এতে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। একটি কলাপাতায় একসঙ্গে খাওয়া দাওয়া ইন্দোনেশিয়ার একটি রীতি বট্রাম। যেখানে একটি কলাপাতায় একসঙ্গে অনেকে বসে খাওয়া দাওয়া করেন। এতে মানুষের মধ্যে ঐক্য বৃদ্ধি পায় বলে বিশ্বাস করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দাদের বয়স এক বছর বেশি! ভারত বা আমেরিকা বা অন্য কোনও দেশের ২ বছরের শিশুর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২ বছরের শিশুর মধ্যে আসলে বয়সের পার্থক্য কিন্তু ১ বছর! কেন? কারণ দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মের সঙ্গে সঙ্গেই শিশুদের বয়স ধরা হয় ১ বছর। ফলে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের যে কোনও বয়সের মানুষের চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দাদের বয়স এক বছর বেশি হয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

যুদ্ধ করবে রোবট সেনা, লড়াই হবে মহাকাশেও: গবেষণা

অদূর ভবিষ্যতে মহাকাশেও যুদ্ধ হবে। আর সেই লড়াইয়ে অংশ নেবে রোবট সেনা। যুদ্ধে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান প্রয়োগে কমতে থাকবে আবেগ, অনুভূতির গুরুত্ব। এমনটিই বলা হয়েছে ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন এক গবেষণায়। ভবিষ্যতে ব্রিটেনকে কী ধরণের প্রতিরক্ষা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে? - সে সম্পর্কে আগাম ধারণা দিতেই ‘দ্য ফিউচার স্টার্ট টুডে’ শিরোনামে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে। ব্রিটেন ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস এবং অস্ট্রেলিয়া সহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের বিশেষজ্ঞরা এই গবেষণা রিপোর্ট তৈরিতে অংশ নেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘যদিও আরো অনেকদিন হয়তো যুদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার মুখ্য ভূমিকা মানুষেরই থাকবে, কিন্তু রোবটের ক্রমবর্ধমান প্রয়োগ এবং আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভূমিকার কারণে যুদ্ধের মৌলিক চরিত্র বদলে যাবে। আবেগ, অনুভূতির গুরুত্ব কমতে থাকবে। রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে রণাঙ্গনে মোতায়েনের জন্য জিন অদল-বদল করে, ওষুধ প্রয়োগে বিশেষ ধরণের মানব সেনা তৈরির সম্ভাবনা প্রবল। এসব সৈন্যদের শারীরিক এবং মানসিক শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা হবে সাধারণ মানুষের চেয়ে বহুগুণ শ্রেয় । বলা হয়েছে, দিন দিন প্রযুক্তির যে দ্রুত উন্নতি হচ্ছে, তাতে আগামী ৩০ বছরে মানুষের ক্ষমতা দ্রুত হারে বাড়তে থাকবে। যুদ্ধক্ষেত্রে এসব প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং সেইসাথে মানুষ ও যন্ত্রের সমান্তরাল ব্যবহারে সামরিক ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাব। তবে একই সাথে রিপোর্টে বলা হয়েছে - রাষ্ট্রের "নীতি, নৈতিকতা এবং আইনি" সীমানা স্পষ্ট করতে হবে। সূত্র : বিবিসি। / এআর /

ব্যাংকের সিলিং থেকে বেরিয়ে এলো দেড় মিটার অজগর

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের ন্যানিং শহরের একটি ব্যাংকে মিটিং চলাকালে হঠাতই সিলিং থেকে বেরিয়ে আসে বড়সড় এক অজগর! সে সময়ে ব্যাংকের এক কোনায় দাঁড়িয়ে মিটিং করছিলেন কয়েকজন সহকর্মী। এতে সবাই হতচকিত হয়ে যায়। জানা যায়, আরেকটু হলে একজনের গায়ের ওপরেই পড়ছিল দেড় মিটার লম্বা সে অজগরটি। তবে গায়ের ওপর না পড়লেও আকস্মিক এমন ঘটনায় আতঙ্কিত কর্মীরা কোনোক্রমে লাফিয়ে সরে যায় সেখান থেকে। ব্যাংকটির সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, একটি কর্নারে সুশৃঙ্খলভাবে দাঁড়িয়ে মিটিং করছিলেন ব্যাংকের অধঃস্তন কয়েকজন কর্মী। মিটিং চলাকালেই সিলিং থেকে একজনের পাশ ঘেঁষে পড়ে দেড় মিটার লম্বা একটি অজগর। আতঙ্কিত কর্মীরা তখন কোনোরকমে সেখান থেকে সরে যান। এরই মধ্যে মাথা তুলে এগোতে শুরু করে অজগরটি। ভিডিওতে আরও দেখা যায়, এক পর্যায়ে একটি সোফার পেছনে আশ্রয় নেয় অজগরটি। পরে অজগরটিকে সেখান থেকে সরাতে সাপ ধরার পেশাদার লোকজনদের খবর দেওয়া হয়। তারা এসে বস্তাবন্দি করে নিয়ে যায় অজগরটি। তবে বড় এই অজগরটি কীভাবে ব্যাংকের সিলিং পর্যন্ত পৌঁছাল বা ব্যাংকের ভেতরেই বা কীভাবে ঢুকলো তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। সূত্র: বিবিসি। / এআর /  

পাঁচ মাস বয়সেই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ অঙ্গরাজ্য ভ্রমণ

বয়স মাত্র ৫ মাস। ঘুরেছেন ৫০ টি অঙ্গরাজ্য। তাও আবার যুক্তরাষ্ট্রের মতো শহরগুলো। মাত্র এক সপ্তাহে এই মাইলফলক ছুঁলেন এই শিশু। নাম হারপার ইয়েটস। হারপার ইয়েটস হলো কানাডার বাসিন্দা সিন্ডি লিম এবং ট্রিসট্যান ইয়েটসের কন্যা।  ওই দম্পত্তিটি ছুটি পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোতে ভ্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন। হরপারের জন্মের আগে এই দম্পত্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের ১৯ টি অঙ্গরাজ্য ভ্রমণ করেছিল। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন যে যুক্তরাষ্ট্রের বাকী ৩১ টি অঙ্গরাজ্যে ভ্রমণ করবেন। কিন্তু পরে তারা সিদ্ধান্ত পাল্টিয়ে তাদের সন্তানকে নিয় পুরো ৫০ টি অঙ্গরাজ্যেই ভ্রমণ করেন। লিম বলেন, কোনো রেকর্ড গড়ার জন্য এই ভ্রমণে অংশগ্রহণ করিনি। আমরা মূলত নিজেদের সময়টাকে ভালোভাবে উপভোগ করতে চেয়েছি।  এটা ছিল আমাদের জীবনের সবচেয়ে ভালো সময় কাটানো। হরপারের পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য ভ্রমণ করে ৩ বছরের কম বয়সী শিশু রেকর্ড অর্জন করেন। হরপারের মা-বাবা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে পৌঁছার পর তাদের মেয়েকে নিয়ে ছবি তুলেছেন এবং তাদের ইন্ট্রাগ্রামে শেয়ার করেছেন। এসময় তারা বিভিন্ন বিজয় সূচক চিহৃ ব্যবহার করেছেন।  শিশুটির মা-বাবা মনে করেন, এই ভ্রমণ তাদের জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় অভিজ্ঞতা। তথ্যসূত্র: সিএনএন এমএইচ/  

চাঁদের পাথর নিলামে!

নিলাম হবে চাঁদের পাথর। ওজন প্রায় সাড়ে পাঁচ কেজি। এমন বিশাল আকারের চাঁদের টুকরার দাম নিলামে আকাশছোঁয়া হতে চলেছে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ওই পাথরের দাম উঠতে পারে ৫ লক্ষ ডলার। সারা বিশ্বে এর থেকে বড় চাঁদের টুকরা আর পাওয়া যায়নি। বস্টনে অবস্থিত এক মার্কিন নিলাম সংস্থা ওই নিলামের আয়োজন করেছে। অনলাইনে ওই নিলাম হবে বলে জানা গেছে। এই চাঁদের পাথর পৃথিবীতে এসেছিল বহু বছর আগে, চাঁদের সঙ্গে কোনও ধূমকেতুর সংঘর্ষের ফলে। বিভিন্ন সময়ে চাঁদের পাথর পাওয়া গেছে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে। কিন্তু এত বড় টুকরা এর আগে পাওয়া যায়নি। মোট ৬টি টুকরা রয়েছে ওই চাঁদের পাথরে। যার মধ্যে সব থেকে বড় টুকরোটির ওজন প্রায় ৩ কেজি।  কারা কিনতে পারে এই পাথর? এক ঐতিহাসিক মিউজিয়ামের কথা শুনা যাচ্ছে। ওই মিউজিয়াম ছাড়াও কোনও কোনও সৌখিন ধনী ব্যক্তিও টার্গেট করতে পারেন চাঁদের টুকরাকে। হাজার হোক, হাতে চাঁদ পাওয়া বলে কথা। ক্ষমতায় কুলোলে কে চাইবে না সেই স্বপ্ন সত্যি হোক।  সূত্র: এবেলা একে//

যে কারণে অধিকাংশ মিউজিয়ামে ছবি তোলা নিষিদ্ধ

প্রায় সব কিছুই ক্যামেরায় ধরে রাখতে চায় মানুষ। কোথাও বেড়াতে গেলে ক্যামেরা থাকাটা মাস্ট। আর এখন মোবাইলে ক্যামেরা তো রীতিমতো বিপ্লব এনে দিয়েছে। কিন্তু ছবি তোলার বিশেষ ইচ্ছা থাকলেও বিশ্বে বেশির ভাগ মিউজিয়ামের ভিতরে আপনি ক্যামেরা নিয়ে ঢুকতেই পারবে না। কেন জানেন? পেশাদার আলোকচিত্রীরা ছবি তোলার জন্য যা খুশি সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে মিউজিয়ামের সামগ্রীর ক্ষতি হতে পারে। তাই বিশেষ অনুমতি ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মিউজিয়ামে পেশাদার আলোকচিত্রীদের ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। বেশির ভাগ মিউজিয়ামে থাকে মহামূল্যবান ছবি। ক্যামেরার ফ্লাশে আলো বেশ ‘ইনটেন্স’। ছবি তুলতে দিলেই ছবির সামনে ছবি দেখার চেয়ে তোলার জন্য ভিড় বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ছবি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোনও ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তা নগণ্য। ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফ যত কমবে, দর্শকদের অভিজ্ঞতা ততই সমৃদ্ধ হবে, এমনটাই বলছেন মিউজিয়াম বিশেষজ্ঞরা। মিউজিয়ামে গিয়ে ছবি তুলে তা শেযার করলে, মিউজিয়ামে যাওয়ার আগ্রহ অনেক কমে যাবে বলে মনে করেন বেশির ভাগ মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।যদিও কোনও কোনও ক্ষেত্রে আগ্রহ তৈরি করে ডিজিট্যাল মাধ্যম। কিন্তু এতে শিল্পের মান কমে যেতে পারে বলে মনে করেন বেশির ভাগ শিল্প রসিক। সেই কারণেই ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা থাকে, অনেক ক্ষেত্রেই। যে কোনও শিল্পের ক্ষেত্রে কপিরাইট একটা বড় ইস্যু। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছবি বা ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে ছবি তোলা যায় না। যেমন সিনেমা হলে প্রবেশ করে ছবি বা ভিডিয়ো তোলায় বিধিনিষেধ থাকে।

রাস্তার মাঝে কেন হলুদ বা সাদা দাগ?

নিয়ম মেনে হোক বা নিয়ম না মেনে, রাস্তা তো পার হতেই হয় সকলকে৷ আর ব্যস্ত রাস্তায় পারাপার মানেই জেব্রা ক্রসিং ধরে পার হতে হয়৷ আর জেব্রা ক্রসিং দিয়ে কেন পার হতে হয় তা সকলেরই কমবেশি জানা৷ তবে চলার পথে রাস্তায় টানা হলুদ ও সাদা লাইন খেয়াল করেছেন কখনও? এর অর্থ জানা রয়েছে আপনার? আমাদের মনে হয় পুলিশের জরিমানা এড়াতে এটা জেনে রাখাই ভাল৷ তার চেয়েও বড় কথা, এই অজ্ঞতার চড়া মাশুল হয়তো আপনাকেই গুনতে হতে পারে কোনও সময়। দুর্ঘটনা যে হারে বাড়ছে, তাতে এমন আশঙ্কা থেকেই যায়। এক কথায়, আপনি কোথায় ওভারটেক করতে পারবেন, আর কোথায় পারবেন না, তা এই লাইনেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙা ভাঙা সাদা লাইন যদি দেখেন, তার অর্থ, ওই রাস্তায় আপনি লেন বদলাতে পারেন, কিন্তু, তা সাবধানে, সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। আর রাস্তায় টানা হলুদ লাইনের অর্থ, আপনাকে ওই রাস্তায় ওভারটেক করার অনুমতি রয়েছে৷ কিন্তু, হলুদ লাইন ক্রস করে বেরোতে পারবেন না। আর যদি সেটাই দুটো হলুদ লাইন পাশাপাশি সমান্তরাল ভাবে যায়, তার অর্থ আপনি কোনও ভাবেই লাইনের বাইরে বেরোতে পারবেন না৷ এই তথ্য জানার পর এবার আরও সচেতন হয়ে যান৷ যাতে কোনও ভাবেই আর এই ভুলটা না হয়৷ টিআর/  

যে কূপের পানিতে সবকিছু হয়ে যায় পাথর!

রূপকথার গল্পের কোনো চরিত্র যেন নেমে এসেছে কূপের পানিতে। পানির ছোঁয়ায় সবকিছু হয়ে যায় পাথর! কিন্তু আমরা এগুলো কথা সব সময় রূপকথার গল্পেই শুনে এসেছি। শুনলে অবাক হবেন যে এমনটা এখন বাস্তবেই হচ্ছে। তবে মানুষ বা যাদুর কাঠির ছোঁয়ায় না, কুপের পানির ছোঁয়ায়! ইংল্যান্ডের নেয়ার্সবরো টাউনে আছে রহস্যময় একটি কূপ। নাম ‘মাদার শিপটন গুহা’যার পানি সব কিছুকে পাথর করে দেয়। আশ্চর্য এ ক্ষমতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই কূপ। এর মধ্যে গাছের পাতা, কাঠের টুকরো পড়ার কিছু পরেই জমে পাথর হয়ে যায়। এর থেকেই ছড়িয়েছে আতঙ্ক। ভয়ে অনেকেই কূপের ধারে-কাছে যেতে চান না। যদি একবার কেউ পড়ে যায় তাহলে আর রক্ষা নেই। কৌতূহলী অনেকে উপর থেকে টুপি, জুতো রুমালসহ বিভিন্ন বস্তু কূপের পানিতে ফেলেছেন। কিছুক্ষণ পরেই সে সব পাথর হয়ে গেছে। কেউ দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন টেডি বিয়ার, সাইকেল, কেটলি। দড়ির কিছু অংশসহ ঝুলন্ত বস্তুগুলি সম্পূর্ণ পাথরে পরিণত হয়েছে। কূপের ধারে এখনো ঝুলছে অষ্টাদশ শতকের টুপি, চেইন। দুইশো থেকে দুইশো পঞ্চাশ বছর ধরে একই রকম অবস্থা চলছে। কৌতূহলী অনেকে সাহস নিয়ে ভয়ঙ্কর এই কূপের ধারে যান। কোনোরকমে কূপের গা দিয়ে কিছু একটা ঝুলিয়ে দেন। পানির স্পর্শ লাগতেই ওই সব বস্তু পাথর হতে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে, এই কূপের পানিতে এমন কিছু রয়েছে যার রাসায়নিক মাত্রা সবকিছু পাথরে পরিণত করে দেয়। সূত্র: ডয়েচে ভেলে। / এআর /

হ্রদের পানি রঙ বদলায় ক্ষণে ক্ষণে

হৃদের পানি রঙ বদলায় ক্ষণে ক্ষণে। মাস খানেক আগে যেখানে পানির রঙ ছিল সাদা, এখন তা নীল ও লাল, কয়েক মাস পরে আবার তা হবে  কোলো ও ফিরোজায়। এর রহস্য নিয়ে বহু গবেষণা হচ্ছে। কিন্তু তা ভেদ হয় নি আজও। বলছি ইন্দোনেশিয়ার কেলিমুতু আগ্নেয়গিরির তিনটি হ্রদের কথা। কেলিমুতুর পশ্চিম প্রান্তের হ্রদ তিওউ আতা ম্বুপু-র রঙ সাধারণত নীল। আর দু’টি হ্রদ তিওউ নুওয়া মুরি কু ফাই ও তিওউ আতা পোলো-র রঙ যথাক্রমে সবুজ এবং লাল। কিন্তু এই রঙ সর্বদা এক থাকে না। প্রায়শই এরা রঙ বদলায়। বদলাতে বদলাতে হ্রদের পানি মাঝে মাঝে কালোও হয়ে যায়। কয়েক মাস আগে যেখানে পানির রঙ সাদা, ফিরোজা নীল ও লাল ছিল, কয়েক মাস পরে তা দাঁড়ায় কালো, ফিরোজা নীল ও কোকাকোলা ব্রাউন। এই ঘটনা ২০০৯-এর। আবার ২০১০ এ তিনটি হ্রদের পানির রঙই সবুজের তিন রকম শেড হয়ে দাঁড়ায়। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা জানান, জলাশয়ের পানির রঙয়ের জন্য দায়ী থাকে ওই জলে অবস্থানরত ব্যাকটেরিয়া, শ্যওলা ইত্যাদি। কিলিমুতুর হ্রদগুলোর রং-রহস্য কিন্তু সেদিকে হাঁটে না। অনেকে মনে করেন এই রং-বাহারের পিছনে আগ্নেয়গিরির গ্যাসের কিছু ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কিছু নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। সূত্র: ডেইলি মেইল / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি