ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪৯:৫২

বার বার সাপের কামড় খেয়েও বেঁচে আছেন তারা!   

বার বার সাপের কামড় খেয়েও বেঁচে আছেন তারা!   

ভারতে দুই ব্যক্তিকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। রাজস্থানে তাদের ঘিরে সৃস্টি হয়েছে বিস্ময়। যেখানে সাপের এক কামড়ে অসংখ্যা মানুষের প্রাণ যেতে পারে, সেই সাপের কামড় খেয়ে দিনের পর দিন বেঁচে রয়েছেন রাজস্থানের এই দুই ব্যক্তি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এমনটাই জানা যায়। জানা যায়, খবর পেয়ে চণ্ডীগড়ের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এর গবেষকরা ওই দুজনকে নিয়ে আসেন এবং তাদের ওপরে গবেষণা শুরু করেন। চিকিৎসক অসীম মেহরা, দেবাশিস বসু এবং সন্দীপ গ্রোভার এই দুই ব্যক্তিকে পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েছেন, সাপের বিষকে নেশার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করার মিথটি কতটা সত্য।    জানা গেছে, ওই দুই ব্যক্তি গত ১৫ বছর ধরে নেশা করে আসছেন। চিকিৎসক সন্দীপ গ্রোভার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ভারতে নেশার বস্তু হিসেবে সাপের বিষের ব্যবহার নিয়ে মাত্র চারটি রিপোর্ট রয়েছে। এই দুই ব্যক্তিকে পরীক্ষা করলে এই বিষয়ে আরও খানিকটা আলোকপাত ঘটতে পারে। এসি   
ঘামের গন্ধে কাছে আসে যে  সাপ

সারাদিন কাজের পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাসায় ফিরা হয়, ঠিক এ সময় শরীরে ঘামের গন্ধ ছোটে। আর এই গন্ধ নিয়েই বিছানায় ঘুমোতে যাওয়ার পর ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। কেননা মানুষের এই গন্ধে বিছানায় উঠে আসতে পারে ‘কালাচ’ সাপ। শুনেই হয়তো অবাক হবেন, কারণ এই সাপটি অনেকের কাছেই অপরিচিত। অনেকেই হয়তো জানেন না ক্লান্ত শরীরের ত্বক নিঃসৃত ঘামের গন্ধে নেশাতুর কালাচ সাপ। আপনার অজান্তেই সেই গন্ধ নিতে হাজির হবে বিছানায়। আসলে বিষধর সাপের যে এলিট ক্লাস, তার মধ্যে এই সাপের নামটি তেমন প্রচলিত নয়। অথচ এদের বিষ কিন্তু কেউটে বা অন্য বিষাক্ত সাপের থেকে বেশি তীব্র। পশ্চিমবঙ্গে এটি খুব বেশি পরিচিত। এদের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য এমনই যেটা অন্য বিষধর সাপেদের সঙ্গে মেলে না। প্রথম কথা, এই সাপ ফণাহীন। দ্বিতীয়ত, এই সাপ কামড়ালে ব্যথা হয় না। জায়গাটা ফোলেও না। ফলে যাকে কামড়াল, সে বুঝতেও পারে না। অথচ আস্তে আস্তে নার্ভবিষের লক্ষণগুলি দেখা যায়। শুরু হয় পেটে ব্যথা, গলায় ব্যথা কিংবা সারা শরীর জুড়ে অস্বস্তি। যেন জ্বর আসছে। চিকিৎসা সময়মতো শুরু না হলে অবধারিত মৃত্যু। কারণ আদতে ভীষণ শান্ত স্বভাবের এই কালাচ। যার দংশনে নিমেষে অনিবার্য মৃত্যু। শান্ত স্বভাবের হলেও সাপটির বিষ খুবই তীব্র। কাউকে কামড়ালে ব্যথা না হওয়ায় প্রথমাবস্থায় কেউ বুঝতেই পারবেন না যে তাকে সাপে দংশন করেছে। এমনকি কাটা জায়গা ফুলবেও না। থাকবে না কোনও অনুভূতিও। এই অবস্থায় অনেকের কাছেই সাপের কামড়ের ব্যাপারটি প্রথমে অজানাই থেকে যায়। তবে ধীরে ধীরে বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় গলা ও পেটের ব্যথা এমনকি অস্বস্তি বোধের মত লক্ষণগুলিও। সময়ে চিকিৎসার সুযোগ না হলে যার পরবর্তী পর্যায় মৃত্যু। কালাচকে কেউ কেউ ইন্ডিয়াম ক্রেট, কেউ আবার ব্ল্যাক ক্রেট এমনকি ঘামচিতি নামেও ডাকেন। মানুষের গায়ের ঘামের গন্ধ এদের খুবই প্রিয়। ঘামের গন্ধের টানে এরা মাঠ ছেড়ে মানুষের শোওয়ার ঘরে রীতিমতো বিছানায় উঠে লুকিয়ে পড়ে। ঘুমের ঘোরে গায়ে হাত পা পড়লে তখনই কামড় বসিয়ে পালিয়ে যায়। কোনও কিছুর কামড়ের ঘটনা ঘটুক না কেন অহেতুক ভীত হওয়া নয়। ঠাণ্ডা মাথায় এক মুহূর্তও দেরি না করে সোজা হাসপাতালে চলে যাওয়া উচিত। কালাচ সাপের কামড়ের বিশেষ লক্ষণগুলো- ১) গলা বা পেটে ব্যথা। তাও সাধারণত সকাল বা ভোরের দিকে। মনে রাখতে হবে, কালাচ কিন্তু নিশাচর সাপ। তাই তার কামড়ের প্রতিক্রিয়া ভোর বা সকালেই বেশি দেখা যাবে। ২) শরীরে এক ধরনের অস্বস্তিবোধ অনুভূত হবে। জ্বর আসবে। ৩) সময় গড়ালে রোগীর চোখের পাতা পড়ে আসবে। কিছুতেই সে চোখ তুলে তাকাতে পারবে না। ৪) মনে রাখতে হবে, কালাচের কামড়ে ক্ষতস্থান ফুলে যায় না। ব্যথাও হয় না। তাই এই বিষয় নজর রাখতে হবে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা করালে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে, না হলে মৃত্যু হবে। সূত্র : এ বেলা। কেএনইউ/  

এক পানীয়তে বেঁচে আছেন ১১২ বছর

পৃথিবীতে জন্ম হলেই মৃত্যুর স্বাদ একদিন না একদিন গ্রহণ করতেই হবে। কারও দ্রুত মৃত্যু হয় কারও দেরিতে কিন্তু পৃথিবীর সকলেই চায় দীর্ঘায়ুভাবে বাঁচতে। প্রাচীনযুগে অবশ্য শতায়ুর বেশিও মানুষ বেঁচে থাকত কিন্তু এ যুগে সে ভাগ্য খুব কম লোকেরই আছে। এই যুগে কেউ যদি সুস্থভাবে ১০০ বছরের বেশি বেঁচে থাকে, তাহলে তার বেঁচে থাকার কারণ জানার খুব ইচ্ছে হয়। তেমনই এক শতায়ু মহিলা হলেন ব্রিটেনের গ্রেস জোনস। তিনি নয় যুগেরও বেশি অর্থাৎ ১১২ বছরেও বেঁচে আছেন।  এই শতায়ু মহিলা নিজের মুখেই জানিয়েছেন তাঁর সুস্থ জীবনের রহস্য। কিছুদিন আগেই ১০৫ বছরের এক ব্রিটিশ মহিলা তাঁর শতায়ু হওয়ার কারণ জানিয়েছিলেন।তবে, এবার জানালেন গ্রেস জোনস। নিজেই এই আয়ুর জন্য হুইস্কিকেই ক্রেডিট দিলেন এই ভদ্র মহিলা। ব্রিটেনের ওয়র্কসের বাসিন্দা এই বৃদ্ধা জানিয়েছেন, ৫০ বছর বয়স থেকে প্রত্যেকদিন রাতে এক পেগ করে হুইস্কি খান তিনি। দু’খানা বিশ্বযুদ্ধ দেখেছেন জীবনে। ২৬ জন প্রধানমন্ত্রীর আমলে বেঁচেছেন এই মহিলা। তাঁর বন্ধুরা তাঁকে ‘অ্যামেজিং গ্রেস’ নামে ডাকতেন। বিগত ৬০ বছর ধরে বিখ্যাত গ্রাউস সিঙ্গল মল্ট হুইস্কি খাচ্ছেন। রাতে এক পেগ হুইস্কি কোনোদিন মিস করেন না তিনি। যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন তিনি এইভাবে হুইস্কি খেয়ে যাবেন বলেও জানান। তাঁর চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, এতটুকু হুইস্কি খাওয়া হার্টের পক্ষে ভালো বলেছেন। ২৭ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন তিনি। এখনও তিনি মোটামুটি সুস্থই। শুধু কানে একটু কম শোনেন। এখনও প্রত্যেক সপ্তাহে শপিং করতে যান তিনি। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/

প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে মিলল ৩ নতুন প্রজাতির হদিস

প্রশান্ত মহাসাগরের আটাকামা ট্রেঞ্চের শেষ ট্রিপে একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি ডিপ-সি ল্যান্ডার নামক একটা ডিভাইস আবিষ্কার করেছেন, যেটা ঠাণ্ডা, ঘন পানিতে ডুবে যাচ্ছে। বেইট, মনিটর, আন্ডারওয়াটার ক্যামেরা সমেত উচ্চ প্রযুক্তির ল্যান্ডারটি পেরু এবং চিলির সমুদ্রের আটাকামা ট্রেঞ্চের পাঁচ মাইল গভীরে একেবারে নিচে যেতে চার ঘণ্টা সময় নেবে। কিন্তু একবার পৌঁছে যেতে পারলে এমন কিছু বিরল দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করবে যা আগে কেউ কখনও দেখেনি। গবেষকদের ক্যামেরায় তিন ধরনের নতুন প্রজাতির স্নেইলফিস, যা সমুদ্রের ২১ হাজার ফুট নিচে বসবাস করে তা ধরা পড়েছে। নিউক্যাসেল ইউনিভার্সিটি গত সোমবার এ কথা ঘোষণা করেছে। ভিডিওতে নতুন আবিষ্কৃত স্নেইলফিসের আকৃতি অনেকটা বড় এবং জিলেটিন পূর্ণ থাকতে দেখা গেছে। এদের ত্বক স্বচ্ছ হওয়ায় ভিতরের সমস্ত অঙ্গের গতিবিধি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। বর্তমানে এই নতুন প্রজাতির প্রাণীদের গোলাপি, নীল এবং বেগুনি আটাকামা স্নেইলফিস নামকরণ করা হয়েছে। মাছগুলোর গায়ে কোনও আঁশ নেই। তাদের দেহের সবচেয়ে শক্ত অংশ তাদের দাঁত এবং কানের ভিতরের হাড়, যার সাহায্যে তারা ভারসাম্য রক্ষা করে, জানিয়েছে জনৈক গবেষণারত বিজ্ঞানী। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই তাদের সমুদ্রের গভীরে বসবাস করতে সাহায্য করে। বিজ্ঞানীরা একটা স্নেইলফিসকে পানির বাইরে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। সেটিকে লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে সংরক্ষণ করে গবেষণা চালানো হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন সদ্য আবিষ্কৃত এই স্নেইলফিশগুলোর সঙ্গে আগেকার কোনও প্রাণীর মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। গতবছর অ্যালেন জেমিসনের অন্য একটা গবেষণায় জানা গিয়েছিল মানুষের ফেলা প্লাস্টিক, মানুষের দূষণের ফলে সৃষ্টি হওয়া বেশ কিছু পদার্থ সমুদ্রের এতটাই গভীরে পৌঁছে গেছে যেখানে সূর্যালোক পৌঁছতে পারে না। তিনি বিষয়টি ‘অত্যন্ত দুশ্চিন্তাজনক’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

সংগ্রহশালা থেকে ৪২ লাখ টাকার পোকামাকড় চুরি!

বিষাক্ত ট্যারান্টুলা, মরুভূমির রোমশ বিছে, ম্যাডাগাস্কারের হিসহিস শব্দ করা আরশোলা- পারতপক্ষে এ সব এড়িয়েই চলেন মানুষ। কিন্তু এ রকমই প্রায় ৭ হাজার প্রাণী চুরি গেছে ‘ফিলাডেলফিয়া ইনসেক্টারিয়াম’ ও ‘বাটারফ্লাই প্যাভিলিয়ন’ থেকে! রাতারাতি নয়। চার দিন ধরে হয়েছে এই চুরি। ঘটনা আগস্ট মাসের। কিন্তু তা সামনে এসেছে সদ্য। প্রায় ৮০ শতাংশ কীটপতঙ্গ ও প্রজাপতি চুরি যাওয়ায় তিনতলা সংগ্রহশালাটির দু’টি তলাই বন্ধ করে দিতে হয়েছে। খোলা শুধু প্রজাপতির প্যাভিলিয়ন। চুরি যাওয়া ওই জীবন্ত সংগ্রহের দাম প্রায় ৫০ হাজার ডলার (প্রায় ৪২ লাখ টাকা)। প্রশ্ন উঠেছে, কেন এই চুরি? চোরেরা কী করবে এ সব নিয়ে? সংগ্রহশালাটির মালিক জন কেমব্রিজ বলছেন, `নিশ্চয়ই বেচে দেবে। আজকাল পুষ্যির বাজার বেশ চাঙ্গা। পুষ্যি হিসেবে রোমশ শেয়াল বা লেমুর শুধু নয়, পোকামাকড়ের বাজারও খুব ভাল। ২৫০ থেকে ৩৫০ ডলারে বিক্রি হতে পারে এক-একটি।` জনের চিন্তা, ঠিক হাতে না পড়লে ওগুলো মরেই যাবে। পুলিশ প্রশাসনকে যেটা বেশি ভাবাচ্ছে তা হল, ওই সংগ্রহে বেশ কিছু প্রাণী রয়েছে, যাদের বিষে মৃত্যু হতে পারে। যে কারণে ফিলাডেলফিয়া পুলিশের সঙ্গে এফবিআই-ও নেমেছে এই ঘটনার তদন্তে। কেউ গ্রেফতার হয়নি এখনও। তবে এক সন্দেহভাজনের বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া ১২টি প্রাণী উদ্ধার হয়েছে। চুরির ঘটনা প্রথম নজরে আসে জন ও তার কয়েক জন সহকর্মীর। তারা দেখেন, খাঁচা ও কীটপতঙ্গের পাত্রগুলো বিলকুল ফাঁকা। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে স্পষ্ট হয়, সংগ্রহশালার কর্মীদের উর্দি পরে পাঁচ জন কীভাবে ধীরে সুস্থে অপারেশন চালিয়েছে। পিছনের দরজা দিয়ে নয়, সামনের দরজা দিয়েই সেগুলো নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে। ২২ অগস্টের ফুটেজে জন দেখেন, ‘ফায়ারলেগড ট্যারান্টুলা’ রাখার ঘেরাটোপ ভাঙছে ওই পাঁচ জন। তার পরে সংগ্রহশালার পরিচালক মাকড়সাটিকে ছোট এক পাত্রে ঢুকিয়ে নিয়ে বেরিয়ে গেল। জন জানাচ্ছেন, প্রাণীগুলোকে অনেক সময় শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হত। তাই সহজেই বমাল বেরিয়ে যেতে পেরেছে চোরেরা। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শয়তানের চিঠি: ৩০০ বছর পর উদ্ধার

ইতালির সন্নাসিনী মারিয়া কোসিফিস্স ডেলার ওপর নাকি শয়তান ভর করেছিল। ওই সময় নাকি শয়তান তাকে দিয়ে একটি চিঠি লিখিয়েছিলেন। ১৬৭৬ সালে এই ঘটনা ঘটে। তবে শোনা যায়, সারা রাত ধরে সেই চিঠি লেখার সময় চিৎকার করেছিলেন ডেল। বারবার জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। ওই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫। ইতালির লুদার সাইন্স সেন্টারের গবেষকরা অনেক দিন ধরে চেষ্টার পর ওই চিঠির অর্থ খুঁজে পান। অর্থ খুঁজে পেতে তাদের সময় লেগেছে ৩শ বছর। গবেষকরা সাংকেতিক ভাষায় লেখা ওই চিঠির কিছু অংশের অর্থ বের করতে সক্ষম হয়েছেন। ওই চিঠিতে গ্রিক, আরবি, লাতিন ভাষার বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়েছে, সৃষ্টিকর্তা ভাবেন তিনি মানুষকে মুক্তি দিতে পারেন। কিন্তু এ ব্যবস্থা কারো ক্ষেত্রেই কাজ করে না। তবে লুদার সাইন্স সেন্টারের পরিচালক এ চিঠির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, সম্ভবত সিজোফ্রেনিয়ায় ভুগতেন ওই সন্নাসিনী। বিভিন্ন ভাষার ওপর তার ভালো দখল ছিল। সে জন্যই তার দ্বারা এমন চিঠি লেখা সম্ভব হয়েছে। সূত্র: মিরর এমএইচ/

পরকীয়া : স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে ২০ কিমি পাড়ি দিয়ে থানায় হাজির

স্ত্রীর মাথা কেটে ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছে এক যুবক। স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অন্য পুরুষের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। ঘটনাটি রোববার সন্ধ্যায় ঘটেছে ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের চিকমাগালুর জেলায়। অভিযুক্ত যুবকের নাম সতীশ। নিহতের নাম রূপা। নয় বছর আগে সতীশ বিয়ে করেন রূপাকে। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। স্ত্রী রূপার সঙ্গে একই গ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ছিল। সতীশ পুলিশকে জানিয়েছেন, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় তিনি বেঙ্গালুরু থেকে বাড়িতে ফিরে তাঁর স্ত্রী রূপার সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে দেখতে পান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনাস্থলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীর শিরশ্ছেদ করেন। পরে বিচ্ছিন্ন মাথা ব্যাগে ভরে তাঁর টু-হুইলার নিয়ে ২০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে স্থানীয় থানায় পৌঁছান। সেখানে ব্যাগ থেকে স্ত্রীর মুণ্ডুর চুলের মুঠি ধরে থানায় ঢুকে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পরে পুলিশ সতীশকে গ্রেফতার করে। চিকমাগালুর পুলিশ সুপার আন্নালাম কুপ্পাসামি বলেন, আমরা তাঁকে গ্রেফতার করেছি এবং তাঁকে ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের (আইপিসি) ৩০২ ধারা অনুযায়ী খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। সূত্র : এনডিটিভি। / এআর /

কুকুরের বদলে সেনাবাহিনীতে বেজি!

কুকুর যে কোনো রকমের বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে খুবই পারদর্শী। পুলিশ থেকে শুরু করে সেনাবাহিনী, দুই জায়গাতেই সমান দক্ষতায় কাজ করে চলেছে অসংখ্য স্নিফার ডগ। তবে কুকুরের পরিবর্তে আর কোনও প্রাণীকে এভাবে পারদর্শীতা দেখাতে সচরাচর দেখা যায় না। তবে এবার কুকুরের বদলি হিসাবে কাজ করবে বেজি। বিশ্বে এই প্রথম শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনী কুকুরের বদলি হিসাবে বিস্ফোরক উদ্ধারের কাজে বেজিকে ব্যবহার করবে। তারা তাদের বাহিনীতে বেজি নিয়োগ করেছে। শিকারী প্রাণী হিসেবে বেজি বা নেউলের সুনাম আছে। বিষাক্ত কোনও সাপ মারার জন্যও এই প্রাণী সুপরিচিত। শ্রীলঙ্কার সেনাকর্মকর্তারা বলছেন, ``মাইন এবং বিস্ফোরক খোঁজার কাজেও পারদর্শী বেজি। এদের ঘ্রানশক্তি কুকুরের থেকে কোনও অংশে কম নয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বেজি কিন্তু কুকুরকেও টেক্কা দিতে পারে। লঙ্কান সামরিক বাহিনীতে আপাতত দু`টি বেজিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে। বিভিন্ন রকম বিস্ফোরকের গন্ধ শুকিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা মনে করেন, বিদেশ থেকে আনা দামী কুকুরের থেকেও অনেক ক্ষেত্রে দেশি বেজি বেশী কার্যকর। তবে এক্ষেত্রে সঠিক ট্রেনিং প্রয়োজন। তাই বেজিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে কয়েকজনকে দায়িত্ব দিয়েছে বাহিনীটি। কর্মকর্তাদের দাবি, মাটি থেকে এক মিটার উপরে লুকনো কোনও বিস্ফোরক খুঁজে বের করতে পারে এই প্রাণীটি। বেজিকে প্রশিক্ষন দিতে ৬ মাসের মতো সময় লাগে বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সেনাকর্মকর্তারা। প্রশিক্ষণরত বেজিদের সেনা সদস্যদের মতো পরিচিতি নম্বর দেওয়া হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই বেজিদের কাজে লাগানো হবে বলে জানানো হয়েছে। সূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

যে শহরে আলো পেতে পাহাড়ের উপর আয়না

এমনিতেই প্রাকৃতিক অবস্থানের জন্য গোটা দেশেই সূর্যের আলো কম ঢোকে। উপত্যকা-শহর জুকনের আবার চার দিক পাহাড়ে ঘেরা। ফলে শীতকালে যে টুকু আলো বরাদ্দ ছিল, বিশাল বিশাল পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে তা আটকে যেত পাহাড়ের শীর্ষেই। শীতকালে আলোর সন্ধান পেতে কেব্‌ল কারে করে পর্বতে চড়তে হত বাসিন্দাদের। আর ভাবনাটা সেখানেই। মার্টিন অ্যান্ডারসন নামে এক ব্যক্তি বছর দশেক আগে বললেন এক পুরনো ভাবনার কথা। আলো মাখতে পাহাড়ে না চড়ে যদি আলোকেই নিজেদের দিকে ঘোরানো যায়? যদি কোনওভাবে সূর্যের আলোকেই প্রতিফলিত করা যায় জুকনের দিকে? নিজের হাতে স্যাম তৈরি করেন গোটা শহর। জলপ্রপাতের শক্তি থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে সার উৎপাদন করে বাইরের দুনিয়ায় পৌঁছে দিতেন এই ব্যবসায়ী। জনমানবহীন উপত্যকা দুনিয়ার কাছে জুকন পরিচিতি পায় সেই সময়েই। তবে আলো-আঁধারি থেকে মুক্তির বন্দোবস্ত অবশ্য করে যেতে পারেননি তিনি। তা করলেন মার্টিন। মার্টিনের ভাবনাতেই উঁচু পাহাড়ের বাধা টপকে শীতকালেও জুকন পেল সূর্যের আলো। তবে সরাসরি নয়, প্রতিফলিত হয়ে। সে জন্য প্রায় ১৫ মিটার বা ৫০ ফুট দীর্ঘ তিনটি আয়না তৈরি করা হল। হেলিকপ্টারে করে সেগুলোকে বসানো হল জুকন-সংলগ্ন পর্বতের গায়ে। ২০১৩ সালের অক্টোবরের শেষেই চালু হয় এই প্রক্রিয়া। ‘উদ্ভট’ এই ভাবনার সঙ্গী জোটেনি প্রথম দিকে। প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে প্রতি পদে। হাল ছাড়েননি মার্টিন অ্যান্ডারসন। ৪০০ মিটার উঁচু পাহাড় চুড়ায় স্বপ্নের আয়না বসিয়েই ছেড়েছেন। সূর্য যে দিকে ঢলবে, ১০ সেকেন্ড অন্তর শার্সিগুলোও বেঁকে যাচ্ছে সেই অনুযায়ী। আর পুরো প্রক্রিয়াটা নিয়ন্ত্রণ করছে কম্পিউটার। মার্টিনের উদ্দেশ্য ছিল একটাই। ওই উচ্চতায় শীতকালে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত যত টুকু সূর্যের আলো আসে, তা যেন আয়নাগুলোতে প্রতিফলিত হয়ে জুকনে এসে পৌঁছয়। শীতকালেও যেন সূর্যের উষ্ণতায় ঝকঝক করে ওঠে জুকন। আর এই জায়ান্ট মিরর বসানোর পরে এই শহরের নেমেছে পর্যটকদের ঢল। শুধু একটু রোদ্দুরের জন্য এ রকম উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় মানুষ থেকে পর্যটকদের মধ্যেও। মনোবিদদের দাবি, গা-হাত-পা আলোয় সেঁকাই কেবল নয়, মনের জন্যও দরকার হয় উষ্ণতার ছোঁয়া। নিকষ কালো অন্ধকারের সঙ্গে মন খারাপের সম্পর্ক মেনে নেন মনস্তত্ত্ববিদেরাও। তাই আয়না বসিয়ে আলো আসায় এই শহরের মানুষদের মনমেজাজও এখন আগের থেকে নাকি অনেক বেশি ভাল। আয়না বসিয়ে প্রায় এই শহরে যে রোদ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে তার জন্য খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকা৷ আমেরিকার অ্যারিজোনাতে প্রতিফলক কাচ ব্যবহার করে সূর্যের আলোর সাহায্যে ঘাস গজানোর পদ্ধতির কথা জেনেই নাকি আরও বেশি অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন মার্টিন। সূত্র: জিনিউজ একে//

হজ পালনে সাইকেল যাত্রায় ইন্দোনেশীয় পরিবার

পবিত্র মক্কায় হজ পালনের উদ্দেশ্যে এবার ব্যতিক্রম যানবাহন বেঁছে নিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার একটি পরিবার। পরিবারের ৫জন সদস্য এবার আকাশ পথে নয়, বাইসাইকেলে চড়েই যাবেন পূণ্যের নগরীতে হজ পালনে। আর এ দীর্ঘ পথযাত্রায় তারা বাংলাদেশের মাটিতেও পা রাখবেন। জানা যায়, বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। দেশটি থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মুসলিম হজ ও ওমরা পালনে সৌদি আরব গমন করে থাকেন। সাধারণত আকাশপথেই এই ধর্মীয় কাজটি পালন করতে যান তারা। কিন্তু এবার হাজারো দ্বীপপুঞ্জের দেশটি থেকে পাঁচ সদস্যের এক পরিবার বাইসাইকেল চালিয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে হজ পালন করার জন্য। এই পুণ্যের যাত্রায় রয়েছেন মুসলিস আবদুল্লাহ (৪৭), তার স্ত্রী জুলিয়ান্তি হুসিন (৪৭), তাদের সন্তান মির্জা হাকিম (১৫), আহমদ জাকি হাফিজ (১১) এবং ছয় বছর বয়সী অলিভিয়া ইয়ুমনা রয়েছেন। তাদের দিক-নির্দেশনায় সঙ্গে আছেন মুসলিসের বন্ধু মোহামেদ দামাহুরি মুতালিব (৬২)। জাভার মধ্যাঞ্চলের শহর যুগজাকার্তায় নিজেদের বাড়ি থেকে মক্কায় গিয়ে পৌঁছাতে তাদের পাড়ি দিতে হবে ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ। দেড়মাস আগে রওয়ানা দিয়ে এরইমধ্যে ৩ হাজার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে তারা মালয়েশিয়ার পেনাং শহরে এসে পৌঁছেছেন। সেখান থেকে তাদের আরো পাড়ি দিতে হবে ১০ হাজার কিলোমিটার পথ। এ বিষয়ে এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে মুসলিস আবদুল্লাহ বলেন, একটি স্বপ্ন দেখার পর সাইকেল চালিয়ে মক্কায় পৌঁছে হজ-ওমরা পালন করার চিন্তাটা আমার মাথায় আসে। এই পুণ্যযাত্রীরা আশা করছেন, তারা আগামী হজ মৌসুমের আগেই মক্কায় গিয়ে পৌঁছাবেন। কোথাও নিতান্তই প্রয়োজন পড়লে ফ্লাইটেও চড়তে পারেন তারা। এই যাত্রায় বেশ কিছু দেশ পাড়ি দিতে হবে মুসলিস পরিবারকে। মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার পর তারা পৌঁছাবেন থাইল্যান্ডে। সেখান থেকে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পেরিয়ে সৌদি ভূমির মক্কায় পৌঁছাবেন তারা। আরকে//

নীল ম্যাকাওকে চেনাতে বেঁচে থাকবে ‘ব্লু’

মিনেসোতা থেকে রিও, লম্বা পথ পাড়ি দিয়েছিল ‘ব্লু’। সেখানে তার অপেক্ষায় ছিল ‘জুয়েল’। স্পিক্স’স ম্যাকাও প্রজাতির শেষ জীবিত পুরুষ ‘ব্লু’। আর ‘জুয়েল’ শেষ নারী। দু’জনে প্রেমে পড়ে। বংশ রক্ষা হয়। অ্যানিমেটেড ছবি ‘রিও’-র শেষ এখানেই। কিন্তু বাস্তবে, বড্ড দেরি করে ফেলল ‘ব্লু’। শেষ রক্ষা হল না। ‘বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল’-এর গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক বছরে বেশ কিছু প্রজাতির পাখি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে পৃথিবী থেকে। দুঃখের খবর, এর মধ্যে রয়েছে স্পিক্স’স ম্যাকাও-ও। বিজ্ঞানীদের কল্যাণে এই প্রজাতির কয়েকটি ম্যাকাও অবশ্য এখনও বেঁচে রয়েছে। তবে গবেষণাগারের খাঁচায়। প্রকৃতিবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক শতকে অসংখ্য প্রজাতির পাখি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বিশেষ করে ছোট ছোট দ্বীপগুলোয়। এই তালিকায় গবেষকরা আলাদা করে উল্লেখ করেছে আটটি প্রজাতির নাম। যার মধ্যে পাঁচটিই দক্ষিণ আমেরিকার। এর জন্য বনজঙ্গল কেটে ফেলাকেই দায়ী করছেন গবেষকরা। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা এবং কংক্রিটের জঙ্গলের বাড়বৃদ্ধির সঙ্গে যুঝতে গিয়ে কোনও কোনও প্রাণী নিজেদের মধ্যে বদল ঘটাচ্ছে। যারা তা পারছে না, হার মানতে বাধ্য হচ্ছে তারা। ‘বার্ডলাইফ ইন্টারন্যাশনাল’-এর গবেষণায় আরও তিনটি প্রজাতির পাখির কথা বলা হয়েছে। ‘ক্রিপটিক ট্রিহান্টার’, ‘আলাগোয়াস ফোলিয়েজ-গ্লিনার’ এবং ‘পু-উলি’। স্পিক্স’স ম্যাকাওয়ের মতো এরাও এখন বিলুপ্ত। নীলরঙা ম্যাকাওকে চেনাতে বেঁচে থাকবে শুধু ‘ব্লু’। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি