ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৪ ১২:২২:০৯, বুধবার

গরিলাদের সেলফি! ছবি ভাইরাল

গরিলাদের সেলফি! ছবি ভাইরাল

সেলফি তোলার কায়দা কী শুধুমাত্র মানুষের জানা আছে? অন্য প্রাণীরা কি সেলফি তোলার ভঙ্গি জানে না? সম্প্রতি কঙ্গোর অভয়ারণ্যে সেফটি অফিসারের সঙ্গে দুই গরিলার সেলফি বদলে দিল সেই ধারণা। মানুষের মতো গরিলাও যে সেলফি তোলার ভঙ্গিমা জানে, সেটা দেখিয়ে দিল ভাইরাল হওয়া ওই ছবিগুলি। আফ্রিকার কঙ্গোতে রয়েছে ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক। পৃথিবীর বুকে থাকা গরিলাদের ষাট শতাংশই বাস করে এখানে। তবে ওই এলাকায় রয়েছে চোরাশিকারিদের উৎপাত। সে জন্য চোরাশিকারীদের হাত থেকে গরিলাদের রক্ষা করতে অ্যান্টি পোচিং অফিসাররা সদা সতর্ক। সম্প্রতি সেখানকার এক অ্যান্টি পোচিং অফিসারের সঙ্গে সেলফি তোলায় মজেছিল ভিরুঙ্গা ন্যাশনাল পার্কের দুই গরিলা নাকাশি ও মাতাবিশি।  গরিলাদের রক্ষার বার্তা দিয়ে ওই ছবিগুলি অ্যান্টি পোচিং ইউনিটের তরফে ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়েছে। তার পর থেকেই ভাইরাল হয়েছে ছবিগুলি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে,অ্যান্টি পোচিং অফিসারের সঙ্গে বিভিন্ন ভঙ্গিতে পোজ দিচ্ছে গরিলারা। এই সেলফি তোলা গরিলারা যে উপভোগ করছে তা তাদের অভিব্যক্তিতেই স্পষ্ট। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/
ভারতে ২৪ বার নির্বাচনে হেরেও হাল ছাড়েননি যে ব্যক্তি

একবার নয় দুইবার নয়, গুণে গুণে ২৪ বার নির্বাচনে হেরেও জয়ের আশা ছাড়েনি ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পুনের শিবাজি নগর এলাকার বাসিন্দা বিজয় প্রকাশ খন্দকার। গত দুই মাস ধরে ৭৩ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি এলাকায় ঘুরে-ঘুরে তার পক্ষে নির্বাচনী সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে দেখাতে চাই, পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে দলীয় রাজনীতি একমাত্র উপায় নয়। আমি আমার মতো আরো স্বতন্ত্র প্রার্থী দেখতে চাই। এর মাধ্যমে আমরা দুর্নীতি দূর করতে পারবো।’ তিনি যে সংসদীয় আসনে লড়ছেন সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩শে এপ্রিল। গত ১১ই এপ্রিল ভারতের নির্বাচন শুরু হয়েছে। সাত দফায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়ে ভোট গণনা শুরু হবে ২৩শে মে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া খন্দকার আশা করেন তিনি এক সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হতে পারলে তিনি প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিককে ১৭ হাজার রুপী দেবেন। তার মতে, অন্য জায়গায় খরচ কমালে এ অর্থ দেওয়া কোন কঠিন কাজ নয়। ১৯৮০`র দশকের শেষ পর্যন্ত মহারাষ্ট্র প্রদেশের বিদ্যুৎ সংস্থায় কাজ করেছেন। খন্দকারকে এখন দেখা যায় শহরজুড়ে একটি স্টিলের ঠেলাগাড়ি নিয়ে ঘুরছেন। সে গাড়িতে তার নির্বাচনী প্রতীক লাগানো রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে ‘বুট জুতার বিজয়’। কারণ তার নির্বাচনী প্রতীক বুট জুতা। তিনি যখন শহরজুড়ে এই ঠেলাগাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ান তখন এটি এক মজার পরিবেশ তৈরি করে। অনেকে তাকে উপেক্ষা করে। আবার অনেকে তার সাথে সেলফি তুলতে চায়। খন্দকার ২৪টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় নির্বাচন। ২০১৪ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে ৩০০০ স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল। এদের মধ্যে মাত্র তিনজন জয়লাভ করেছিল। ভারতের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছিল ১৯৫৭ সালের নির্বাচনে। তখন ৫৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। ভারতের নির্বাচনী আইন অনুযায়ী যেসব প্রার্থী জাতীয় রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পায় তাদের নাম ব্যালট পেপারের সবচেয়ে উপরের দিকে থাকে। এরপর থাকে প্রাদেশিক দলগুলোর প্রার্থীদের নাম। সর্বশেষ থাকে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নাম। নির্বাচনের জন্য বিজয়প্রকাশ খন্দকার তার ডাক নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন যেটির প্রথম অক্ষর শুরু হয়েছে ইংরেজি সর্বশেষ বর্ণ ‘জেড’ দিয়ে। ব্যাটল পেপারে নাম সবার শেষে রাখার জন্য তিনি নামের এ পরিবর্তন করেছেন। খন্দকার বলেন, ‘ভোটারদের কাছে আবেদন হচ্ছে, ব্যালট পেপারে সর্বেশেষ প্রার্থীকে ভোট দিন।’ তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিলেন জাপানে এক অন্ধ নাবিক

প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিয়েছেন জাপানে একজন অন্ধ নাবিক। ওই নাবিকের নাম মিৎসুহিরো ইওয়ামোতো। এটাই প্রথম কোনো দৃষ্টিশক্তিহীন ব্যক্তির প্রথম প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দেয়া। তিনি শনিবার একটানা নৌযান চালিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি দিয়েছেন। অন্ধ এ নাবিক যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেন। প্রায় দুই মাস সমুদ্র ভ্রমণ শেষে শনিবার সকালে জাপানের ফুকুশিমা বন্দরে পৌঁছেন। তিনি ১২ মিটার নৌযানে করে এই কঠিন কাজটি সম্পন্ন করেন।  ৫২ বছর বয়সী অসীম সাহসী নাবিক ইওয়ামোতো সান ডিয়াগোর বাসিন্দা। তিনি ২৪ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে নৌচালনায় সহকারী মার্কিন নাগরিক ডউগ স্মিথের সঙ্গে রওনা দেন। স্মিথ ইওয়ামোতোকে বাতাসের দিক পরিবর্তনের মতো তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন। ছয় বছর আগে তিনি প্রথমবার এই কঠিন কাজটি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সেবার তার ইয়টটি তিমির আঘাতে ডুবে যায়। তার ইয়টটি ১৪ হাজার কিলোমিটার জলপথ পাড়ি দিয়ে ফুকুশিমায় পৌঁছলে সেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ তাকে স্বাগত জানায়। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি দেশে পৌঁছেছি। আপনাদের ধন্যবাদ।’ সূত্র : এএফপি এসএ/

গাড়ির দরজা খুলতেই খুলে গেলো ভাগ্যের দরজা

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর ক্যারোলিনার বাসিন্দা জন হেপবার্ন। প্রায়ই তিনি লটারির টিকেট কেনেন। এবারও তিনি পাঁচটি টিকেট কিনে ছিলেন। সাধারণত টিকেট কিনে তিনি তার ব্যক্তিগত গাড়ির দরজায় রেখে দেন। এবারও ক্রয় করা পাঁচটি লটারির টিকিট গাড়ির দরজায় রেখে দিয়েছিলেন। গত শুক্রবার ড্র হয় সেই লটারির। কিন্তু তিনি নিজেও জানতেন না যে কি ঘটতে যাচ্ছে তার ভাগ্যে। টিকেটগুলো গাড়ির দরজা থেকে নেওয়ার সময় খুব জোরে বাতাস আসে। পাঁচটি টিকিটের মধ্যে কয়েকটা বাতাসে উড়ে যায়। পরে যে কয়টা টিকেট ছিল তাই চেক করেন হেপবার্ন। আর এতেই ঘুরে যায় ভাগ্যের চাকা। তিনি দেখলেন- তার কেনা পাঁচটি টিকেটের মধ্য কেবল একটি টিকেট অবশিষ্ট আছে এবং ভাগ্যগুণে ওই একটিতেই চার লাখ ৮৯ হাজার ২১১ ইউএস ডলার জিতে যান তিনি। এই প্রসঙ্গে হেপবার্ন বলেন, যখনই আমি লটারির টিকেট কিনি গাড়ির দরজায় রেখে দিই। কয়দিন আমি সেগুলো চেকও করি না। অনেক সময় গাড়ির দরজা খুললে বাতাস এসে সেগুলো উড়িয়ে নিয়ে যায়। হেপবার্ন বলেন, লটারিতে কত টাকা জিতেছি তা জানতে আমার ছেলে আমাকে সাহায্য করেছে। সে যখন আমাকে এই কথা বলেছে তখন আমি বিশ্বাস করতে পারিনি। হেপবার্ন আরও জানান, এই টাকা দিয়ে তিনি তার নাতি-নাতনির জন্য ভালো কিছু করার পরিকল্পনা করেছেন। এ ছাড়া তার কিছু ঋণ আছে তা পরিশোধ করবেন। সূত্র : এপি নিউজ এসএ/

যুক্তরাষ্ট্রে পোষা পাখির আক্রমণে ব্যক্তির মৃত্যু

শখ করে অদ্ভুত আর বড় পাখিটি পুষেছিলেন। কোনও দিন ভাবেননি সেই পোষ্যের আঘাতে মৃত্যু হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ক্যাসাওয়ারি নামে এক পাখির আক্রমণে শুক্রবার মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মার্ভিন হ্যাজস (৭৫)। নিজের খামার বাড়িতেই পাখিটিকে রেখেছিলেন তিনি। স্থানীয় সময় সকাল ১০টা নাগাদ ফ্লোরিডার আলাচুয়ার আপৎকালীন চিকিৎসা পরিষেবা বিভাগে ফোন যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। মার্ভিনের বান্ধবী জানিয়েছেন, মার্ভিন ওই পাখিটিকে খুব ভালবাসতেন। পক্ষীবিদরা জানিয়েছেন, ক্যাসাওয়ারি নামের এই পাখিগুলি খুব বিপজ্জনক। উটপাখি বা এমুপাখি প্রজাতির ক্যাসওয়ারিরাও উড়তে পারে না। গোটা শরীর কালো পালকে, গলা নীল ও লাল রঙের পালকে ঢাকা। মাথায় থাকে একটা শক্ত ঝুঁটি, যা দেখতে অনেকটা শিরস্ত্রাণের মতো। ক্যাসাওয়ারিদের পায়ে তিনটি আঙুলে লম্বা, শক্ত ও ধারালো নখ থাকে। নখগুলি ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত বড় হতে পারে। উড়তে না পারলেও ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দৌড়তে পারে। আর কাউকে আক্রমণ করতে হলে পা দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে। সেই সময় লম্বা, ধারালো নখের আঘাতে ফালা ফালা করে দিতে পারে প্রতিপক্ষকে। সাধারণত এরা ২০০ পাউন্ড ওজনের হয়। উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট। তবে মার্ভিনের পাখিটি প্রায় ৭ ফুট উচ্চতার ছিল। সাধারণত এরা ৪০ থেকে ৫০ বছর বাঁচে। ক্যাসাওয়ারি মূলত নিউ গিনি, অস্ট্রেলিয়া, ক্যুইন্সল্যান্ডে পাওয়া যায়। চিড়িয়াখানায় এদের এমন ভাবে ঘিরে রাখা হয় যাতে মানুষ সহজে কাছে আসতে না পারে। মানুষ কাছে এলেই এরা আক্রমণ করতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় ক্যাসাওয়ারি কখনও কখনও অন্যান্য পাখিদের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ১৯৯৯ সালে ক্যুইন্সল্যান্ড পার্কস অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিসের আধিকারিক ক্রিস্টোফার কফ্রন একটি গণনা করেন। সেখানে দেখা গিয়েছে ২২১ বার মানুষ ও পাখিদের আক্রমণ করেছে ক্যাসাওয়ারিরা। তার মধ্যে ১৫০ বার মানুষকে আক্রমণ করেছে। মার্ভিনের পাখিটিকে এখন সুরক্ষিত জায়গায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা কর্মীরা। ফ্লোরিডার ফিস অ্যান্ড ওয়াল্ড লাইফ কমিশন সেটিকে বিক্রি, নিলাম, বা অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার এমএইচ/

৩০ বছর ধরে ফাঁকা পড়ে আছে এই গ্রাম!

ছোট্ট একটি গ্রাম। গোটা গ্রামে সাকুল্যে রয়েছে মাত্র ৬টা পাথরের বাড়ি। দীর্ঘদিনের অযন্তে সেগুলিও রং হারিয়ে ধূসর হয়েছে। কিন্তু গোটা গ্রাম বিগত ৩০ বছর ধরে ফাঁকা পড়ে আছে। স্থানীয়দের মুখে মুখে পরিত্যাক্ত এই গ্রামটিকে ঘিরে নানা ‘ভূতুড়ে’ কাণ্ড কারখানার কথা শোনা যায়। স্থানীয়দের মধ্যে বিশ্বাস, সন্ধের পর এই গ্রামে নেমে আসে অশরীরী, ভূত-প্রেতরা! চতুর্দিকের পরিবেশও কেমন যেন থমথমে। এ বার এই গ্রামটিকে বিক্রির জন্য একটি অনলাইন সংস্থাকে বরাত দেওয়া হয়েছে। দাম ৯৬ হাজার মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৭ কোটি টাকার সমান)। স্পেনের উত্তরে গ্যালিসিয়ায় রয়েছে ‘আকোরাদা’ নামের ছোট্ট এই গ্রাম। একটা সময় এখানে বসবাস করতেন ইগলেসিয়াস পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বিগত ৩০ বছর ধরে একেবারে ফাঁকা পড়ে আছে আকোরাদা গ্রাম। শুধুমাত্র ইগলেসিয়াস পরিবারের এক ৫৭ বছরের সদস্য তাদের পৈতৃক ভিটেমাটির দেখভাল করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। কিন্তু কী এমন ঘটল যে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হলেন ইগলেসিয়াস পরিবারের সদস্যরা? জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে বিশ্বজুড়ে আর্থিক সংকটে উপার্জন হারিয়ে বেজায় ফাঁপড়ে পড়েন লক্ষ লক্ষ মানুষ। এই সময় বেঁচে থাকার তাগিদে, উপার্জনের চেষ্টায় গ্রাম ছেড়ে শহরে বসবাস শুরু করেন অনেকে। আর্থিক সংকটের সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা হলেও দায়ি এখানকার অনুন্নত যোগাযোগ আর চিকিৎসা ব্যবস্থা। আধুনিক জীবনযাপনের তেমন সুযোগও ছিল না এখানে। তাই একে একে ‘আকোরাদা’র বেশির ভাগ মানুষ অন্যত্র চলে গিয়েছেন। স্পেনের ‘আকোরাদা’র মতো একের পর এক প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে ইউরোপের অনেক গ্রাম। স্পেনের গ্রামোন্নয়ন দফতরের সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করবেন। গ্রাম ছেড়ে শহরে বসবাসের এই সংখ্যাটা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় বসতি ক্রমশ ফিকে হচ্ছে। আর ‘আকোরাদা’ গ্রামকে ঘিরে যে সব ভৌতিক গল্প বা জনশ্রুতি রয়েছে, সে বিষয়ে কী বলছেন এ গ্রামের বিক্রির বরাত পাওয়া ‘এস্টেট এজেন্সি এক্সপার্ট’ আলদেয়াস আবানদোনাদাস? আসলে বহু বছর ধরে পরিত্যক্ত থাকার ফলে গ্রামের চেহারাই বদলে গিয়েছে। লোকজনের বসবাস না থাকায় চতুর্দিকের পরিবেশও স্বাভাবিক ভাবেই থমথমে। তবে আবানদোনাদাস জানান, ইউরোপের এমন অন্তত ৪০টি পরিত্যক্ত গ্রাম বিদেশিরা কিনে নিয়েছেন। জায়গাগুলির মালিকানা বদলের পর সেগুলির পরিবেশও অনেকটাই বদলে গিয়েছে। গ্রামগুলিতে ফিরেছে প্রাণের স্পন্দন! ‘আকোরাদা’র ক্ষেত্রেও এমনটাই আশা আবানদোনাদাসের। তথ্যসূত্র: জি নিউজ এমএইচ/

ফার্টিলিটি চিকিৎসক যখন নিজেই ৪৯ সন্তানের জনক

নেদারল্যান্ডস এর ঘটনা। সেখানে একজন ফার্টিলিটি চিকিৎসকের কাজ ছিল সন্তান জন্মদানে সমস্যা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ডাক্তারি সহায়তা দেওয়া এবং তাদের সন্তান নিতে সহায়তা করা। কিন্তু তিনি এ সব ব্যক্তিদের অনুমতি না নিয়ে নিজেই ৪৯টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সেই চিকিৎসক বছর দুয়েক আগে মারাও গেছেন। এখন ডিএনএ পরীক্ষায় ধীরে ধীরে এ সব তথ্য বের হচ্ছে। ঠিক যা ঘটেছিলো ডা. ইয়ান কারবাতের ক্লিনিক ছিল নেদারল্যান্ডসের রটারড্যাম এলাকায়। এ সব ক্লিনিকে আসতেন সন্তান নিতে সমস্যা রয়েছে এমন নারী ও দম্পতিরা। ফার্টিলিটি ক্লিনিকের একটি কাজ হল কোনও পুরুষের কাছ থেকে তার দান করা শুক্রাণু সংগ্রহ করা। অনেক ক্ষেত্রে শুক্রাণু দানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হয়। আবার অনেক সময় চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিরা শুক্রাণু দানকারীকে নিজেরা পছন্দ করে নিয়ে আসেন। এরপর সেই শুক্রাণু দিয়ে ল্যাবে ভ্রূণ তৈরির পর সহায়তা নিতে আসা ব্যক্তিদের সন্তান জন্মদানে সহায়তা কর হয়। ডা. ইয়ান কারবাতে এ সব ক্ষেত্রে নিজেই নিজের শুক্রাণু ব্যবহার করতেন বলে এখন জানা যাচ্ছে। তাও আবার চিকিৎসা সহায়তা নিতে আসা লোকজনের কোনও অনুমতি ছাড়াই। ঘটনাটি যেভাবে বের হল এই চিকিৎসকের ক্লিনিকে সহায়তার মাধ্যমে জন্ম নেওয়া একটি শিশুর চেহারা দেখতে মারাত্মকভাবে মিলে যাচ্ছিলো ডা. কারবাতের সঙ্গে। সেখান থেকেই সন্দেহের শুরু। ২০১৭ সালে তার সহায়তায় জন্মানো ৪৯ ব্যক্তি ও তাদের বাবা ও মায়েরা একই সন্দেহ থেকে আদালতে মামলা করেন। যাদের বেশিরভাগেরই জন্ম ৮০ দশকে। তাদের সন্দেহ হচ্ছিলো এই চিকিৎসকের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু ওই বছরই ৮৯ বছর বয়সে মারা যান সেই চিকিৎসক। এরপর তার বাড়ি ও অফিস থেকে বহু কাগজপত্র জব্দ করা হয়। সেই বছরই ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করে এই ব্যাপারে আদালত জানতে পারে। কিন্তু এতদিন সবগুলো মামলার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশের ব্যাপারে কিছু বাধা নিষেধ ছিল। এখন আদালত তথ্য প্রকাশ করার অনুমতি দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সন্তানদের প্রতিক্রিয়া এগারো বছর ধরে নিজের বাবাকে খুঁজেছেন তার ক্লিনিকে চিকিৎসার মাধ্যমে জন্ম নেওয়া একজন। অবশেষে তিনি জেনেছেন তার বাবা স্বয়ং তার মায়ের চিকিৎসক। তিনি বলছেন, ‘১১ বছর ধরে খোঁজার পর এখন আমি আমার জীবনে ফিরে যেতে পারবো। একটি অনিশ্চিত অধ্যায়ের অবশেষে সমাপ্তি হল। আমি খুশি যে অবশেষে আমি আমার প্রশ্নের জবাব পেয়েছি।’ ডা. কারবাত নিজেকে দাবি করতেন ‘এসিস্টেড রিপ্রোডাকশন’ বিষয়ক একজন পথিকৃৎ হিসেবে। যদিও ২০০৯ সালেই তার ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো। তার বিরুদ্ধে সে সময় অভিযোগ ছিল তিনি শুক্রাণু দানকারীদের সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠছে তার জন্ম দেওয়া সন্তানের সংখ্যা হয়ত আরও বেশি হবে। সূত্র: বিবিসি

দুবাইয়ে বিস্ময়কর স্থাপনা কুরআনিক উদ্যান

সংযুক্ত আরব আমিরাতের গড়ে তোলা হয়েছে কুরআনিক উদ্যান বা ‘হলি কুরআন পার্ক’। দেশটির দুবাই প্রদেশের আল-খাওয়ানিজ অঞ্চলে ৬৪ হেক্টর জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে এই পার্ক। পবিত্র কোরআনের বর্ণিত ঘটনার আলোকে মূলত এটি নির্মাণ করা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ এ কুরআনিক পার্কের উদ্বোধন করা হয়। এরপর সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এক অফিসাল টুইটে বলা হয়েছে, কুরআনিক পার্ক গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্ম-বর্ণের মানুষের সঙ্গে বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির সেতুবন্ধ। কুরআনে বর্ণিত বিভিন্ন সৃষ্টি, উদ্ভিদ ও ঘটনার সঙ্গে মিল রেখেই তৈরি করা হয়েছে এ কুরআনিক গার্ডেন। এ কুরআনিক গার্ডেনে রয়েছে মূল প্রবেশদ্বার, প্রশাসনিক ভবন, ইসলামিক বাগান, শিশুদের খেলার স্থান, দর্শনীয় স্থান, উন্মুক্ত আঙ্গিনা এবং কুরআনের অলৌকিক ঘটনার বর্ণনাসমৃদ্ধ এলাকা। কুরআনে বর্ণিত ঘটনার কোনো বর্ণনার চিত্রায়ন ও সাজসজ্জা বাদ যায়নি এ পার্কে। এ পার্কে রয়েছে মরুদ্যান, পাম বাগান, নয়নাভিরাম লেক, চলমান রাস্তা এবং সাইক্লিনিং ট্র্যাক ও হাঁটার রাস্তা। কুরআনে বর্ণিত দারুচিনি, জলপাই, মরিচ, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, গম, আদা, কুমড়া, তরমুজ, তেঁতুল, আঙ্গুর, কলা, ডুমুর, ডাল, ভুট্টা, বার্লি, শসা, আম, কাছিড়, তুঁত এবং বিভিন্ন মসলার উদ্ভিদ দ্বারা সজ্জিত করা হয়েছে এ কুরআনিক পার্ক। কুরআনিক গার্ডেনে এমন কিছু উদ্ভিদের বাগান রয়েছে, যা দ্বারা ভেষজ চিকিৎসা করা যায়। এখানে রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আকর্ষণ দৃষ্টিনন্দন ঝরনা। গ্লাস নির্মিত স্বচ্ছ ভবন। কুরআনের বর্ণনায় একটি গুহার আবহও তৈরি করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ৫৪ প্রজাতির মধ্যে ৩৫টি পার্কের অভ্যন্তরে প্রদর্শিত হচ্ছে। অবশিষ্ট ১৫টি গ্রিন হাউজে প্রদর্শিত হবে এবং আরো ২০টি প্রজাতি পার্কের বাইরে প্রদর্শিত হবে। পার্কে একটি টানেল আছে, যা অলৌকিক ঘটনার অডিওসহ চিত্র তুরে ধরতে ব্যবহার হচ্ছে। পর্যাপ্ত খোলা জায়গা এবং পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে এ কুরআনিক পার্কে। প্রকল্পটি নির্মাণে দুবাই মুদ্রায় ২৭ মিলিয়ন অর্থ ব্যয় করা হয়েছে। কোন টিকেট ছাড়াই দর্শনার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন। এই পার্ক সর্বশেষ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, এই পার্ক সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। কোরআনের বর্ণিত ঘটনার আলোকে প্রতিটি বিষয় এখানে তুলে আনা হয়েছে মানুষের অনুধাবনের জন্য। এছাড়া এই উদ্যানে আছে গ্লাস হাউজ, শিশুদের খেলার স্থান, দর্শনীয় স্থান, কোরআনে বর্ণিত ঘটনার বর্ণনা সমৃদ্ধ এলাকা। আগত দর্শনার্থীর সুবিধার্থে প্রতিটি নির্মাণের পাশে লিখে দেওয়া হয়েছে কোরআনের বর্ণিত ঘটনার প্রসঙ্গিক আয়াত। এখানে কৃত্তিম গুহা নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া রয়েছে, যেখানে ঘটনার আলোকে প্রাসঙ্গিক ভিডিও দেখানো হচ্ছে। এই পার্কটি বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের সঙ্গে বুদ্ধিভিত্তিক যোগাযোগের সেতু বন্ধন রচনা করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। এই পার্ক মুসলমানদের আগ্রহী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া মুসলমানের অর্জনগুলো অন্য ধর্মের মানুষকে আগ্রহী করছেন দেশটির কর্তৃপক্ষ।  কেআই/ 

গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না – এর পেছনের গল্প

বাসে একজন নারী দাঁড়িয়ে আছেন যার গায়ে পরিহিত টি-শার্টে লেখা ‘গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না’। এরকমই কয়েকটি ছবি বাংলাদেশে গত কয়েকদিন যাবৎ ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঢাকার একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক নারীদের পোশাক ও অলঙ্কার তৈরির প্রতিষ্ঠান এই ডিজাইনের টি-শার্টটি তৈরি এবং বাজারজাত করেছে। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের একজন এবং টি-শার্টের ডিজাইনার জিনাত জাহান নিশা গণমাধ্যমকে  জানান,  গণপরিবহনে নিজের সাথে হওয়া হয়রানিমূলক ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবেই এ ধরণের পণ্য তৈরি করার চিন্তা আসে তার মাথায়। ‘কয়েকবছর আগে পাবলিক বাসে একবার যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার পর প্রতিবাদ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলাম।’ নিশা জানান, একজন বয়স্ক ব্যক্তির দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার পর বাসেই প্রতিবাদ করেন তিনি, কিন্তু সেসময় সেখানে উপস্থিত মানুষজন তাকে সহায়তা না করে উল্টো প্রতিবাদ থামানোর জন্য তাকে চাপ দেন। ‘নিজে হয়রানির শিকার হওয়ার পরও প্রতিবাদ করতে না পারা এবং উপস্থিত মানুষজনকে অন্যায়কারীর পক্ষ নিতে দেখে সেদিন খুবই অপমানিত হয়েছিলাম।’ ঐ ঘটনার আগেও যৌন হয়রানির শিকার হলেও সেবারের ঘটনা তার ওপর অন্যরকম প্রভাব ফেলেছিল বলে জানান নিশা। এর পরপরই প্রতিবাদ হিসেবে ‘গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না’ লেখা একটি খোঁপার কাঁটা তৈরি করেন এবং তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাজারে ছাড়েন নিশা। ‘বি আঁকা, ডিজাইন করার মত কাজগুলোর মাধ্যমেই আমি আমার অনুভূতি শেয়ার করি এবং হালকা বোধ করি।’ খোঁপার কাঁটাটি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে বাজারে ছাড়া হলেও এই পণ্যের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্য ছিল না বলে জানান নিশা। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশে গণপরিবহনে যৌন হয়রানির শিকার অধিকাংশ নারীই তাদের সাথে ঘটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন না। ঐ নারীদের জন্য প্রতিবাদের একটি মাধ্যম হিসেবে গত বছর নববর্ষের আগে খোঁপার কাঁটাটি বাজারে ছেড়েছিলেন বলে জানান তিনি। খোঁপার কাঁটাটি বাণিজ্যিক সফলতা না পেলেও ঐ পণ্য সম্পর্কে দারুণ ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় এবছরেও একই বার্তা সম্বলিত পণ্য বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেন বলে জানান নিশা। ‘বাংলাদেশে ভিড়ের বাসে নারীদের যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনা খুবই সাধারণ।’ তিনি বলেন, "বাসে ভিড়ের মধ্যে গায়ের সাথে ধাক্কা লাগাটা খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকেই ভিড়ের সুযোগটা নেন, যার প্রতিবাদ করা প্রয়োজন।" নিশা বলেন, বাসে অনেক পুরুষের সাথেই ছোঁয়া বা ধাক্কা লাগলেও সেসব পুরুষের মধ্যে কারা সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেন তা একজন নারী সহজেই বুঝতে পারেন। ‘বাসে পুরুষদের সাথে ধাক্কা লাগলে বা তারা আমার গা ঘেঁষে দাঁড়ালে আমার কোনো সমস্যা নেই। আমাদের দেশে ভিড়ের বাসে সেরকম হতেই পারে। কিন্তু অনেকেই সেই অবস্থার সুযোগ নিতে চান, যা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ তথ্যসূত্র: বিবিসি এমএইচ/

বিশ্বের সবথেকে মূল্যবান রান্নাঘর

নিজের জীবনের ৩০টা বছর সারা বিশ্বের নানা রান্নাঘরে কাটিয়েছেন মিশেলিন তারকা শেফ বিকাশ খান্না। তিনি নিজেই গর্ব করে বলেন, সারা বিশ্ব জুড়ে বিভিন্ন রকমের রান্নাঘরের ভেতরে ৩০টা বছর অতিবাহিত করেছেন, সুস্বাদু খাবার খেয়েছেন তিনি। রান্নাঘরের ছবি তোলা তার শখ। এযাবৎ তিনি রান্নাঘরের যে সব ছবি তুলেছেন তার মধ্যে থেকে সেরা ছবিটি তিনি সম্প্রতি পোস্ট করেছেন। বিকাশের ম্নের ভীষণ কাছে থাকা একটি ছবি এটি, সে কারণেই নিজের পোর্টফোলিওতে একটি বিশেষ স্থানে রয়েছে তা। রান্নাঘরেও সন্তানের জন্য একজনের মায়ের ভালোবাসা যথযথভাবেই চিত্রিত। বিকাশ খান্না তার ইন্সটাগ্রামে ছবিটি শেয়ার করেছেন, নাম দিয়েছেন ‘সবচেয়ে মূল্যবান রান্নাঘরের ছবি’। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের জিরোতে একটি রান্নাঘরের মধ্যে ছবিটি তোলেন তিনি। বাচ্চাকে পিঠে বেঁধে রান্না করছেন মা। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে খিলখিল করে হাসছে একরত্তি বাচ্চাটি। ৪৭ বছর বয়সী এই সেলিব্রিটি শেফ ছবিটি ভাগ করে নেওয়ার সময় লিখেছেন, ‘রান্নাঘরে ৩০টা বছর কাটিয়েছি, কিন্ত এটি আমার দেখা সবচেয়ে মূল্যবান রান্নাঘরের ছবি।’ অনলাইনে পোস্ট হতেই ছবিটি বহু মানুষের মন জয় করেছে নিমেষেই। মন্তব্য বিভাগে একজন লিখেছেন, ‘বাচ্চাটা কীইই খুশি। ঈশ্বর ওদের আশীর্বাদ করুন।’ কেউ আবার লিখেছেন, ‘একেবারে একমত এবং সব মায়েদের জন্য গ্র্যান্ড স্যালুট!’ নিউইয়র্কের বাসিন্দা বিকাশ খান্না প্রায়ই ইনস্টাগ্রামে তার ভ্রমণের ছবি শেয়ার করেন, যেগুলোর মধ্যে একটা বড় অংশই খাবারের সঙ্গে সম্পর্কিত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি রাজস্থানের একটি ছাদ থেকে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। এর আগে, বিকাশেরই তোলা কাশ্মীরের একটি ভাসমান সবজি বাজারের একটি ছবিও ভীষণ সাড়া ফেলেছিল। সূত্র: এনডিটিভি একে//

মাটির নিচের এই গ্রামে এখনও বসবাস ৩০০০ মানুষের!

উপর থেকে দেখে বোঝার কোনও উপায় নেই যে এখানে পায়ে তলায় (মাটি থেকে ২২-২৩ ফুট গভীরে) বসবাস করছে একটা গোটা গ্রাম! কারণ গোটা গ্রামটাই গড়ে উঠেছে মাটির নিচে। এই গ্রামের প্রতিটি বাড়ির স্থাপত্য পরিকল্পনা এক কথায় অসাধারণ! ঘরগুলোতে তাপমাত্রা শীতকালে ১০ ডিগ্রি কম হয় না আর গ্রীষ্মে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকে না। কোথায় রয়েছে এমন গ্রাম? আসুন জেনে নেওয়া যাক- চীনের হেনান প্রদেশের সানমেনশিয়ায় রয়েছে এই অদ্ভুত গ্রাম। প্রায় ২০০ বছর ধরে এখানে মাটির তলাতেই বাড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন কয়েক হাজার মানুষ। সানমেনশিয়া এলাকায় এমন অন্তত ১০ হাজার ঘরের সন্ধান মিলেছে। এগুলোর বেশির ভাগই বর্তমানে পরিত্যক্ত। মাটির নিচে তৈরি এই ঘরগুলোকে চীনা ভাষায় বলা হয় ‘ইয়ায়োডং’, যার অর্থ হল গুহা ঘর। জানা গেছে, একটা সময়ে এখানে প্রায় হাজার বিশেক মানুষের বসবাস ছিল। কিন্তু আধুনিক সুযোগ সুবিধার অভাবে এবং প্রতিকূল জীবনযাত্রার চাপে অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে যান। তবে এখনও সানমেনশিয়া এলাকার এই গুহা ঘরগুলোতে প্রায় ৩ হাজার মানুষ বসবাস করেন। মাটি থেকে ২২-২৩ ফুট গভীরে তৈরি এই ঘরগুলো লম্বায় ৩৩ থেকে ৩৯ ফুট পর্যন্ত হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, হেনান প্রদেশের সানমেনশিয়ায় ‘ইয়ায়োডং’-এ বসবাসের ইতিহাস ২০০ বছরের বেশি প্রাচীন নয়। তবে চীনের পার্বত্য এলাকায় আজ থেকে প্রায় ৪ হাজার বছর আগে, ব্রোঞ্জ যুগে এই ধরনের গুহা ঘর তৈরি করে বসবাস করতেন একদল মানুষ। ২০১১ সাল থেকে এই গ্রামটির সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে এই সব ‘ইয়ায়োডং’ বা গুহা ঘরগুলোতে বিদ্যুত সংযোগসহ সব রকম আধুনিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ইয়ায়োডংগুলো ভূমিকম্পেও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। আশ্চর্য এই ঘরগুলোর আকর্ষণে এই এলাকায় বর্তমানে পর্যটকদের আনাগোনা অনেকটাই বেড়ে গেছে। পর্যটক টানার জন্য এখন ‘ইয়ায়োডং’ ভাড়া দেওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। এক মাসের জন্য ভাড়ায় এই ‘ইয়ায়োডং’-এ থাকতে চাইলে আপনাকে গুনতে হবে প্রায় ২ হাজার ৮১ টাকা (২১ ইউরো)। পছন্দ হয়ে গেলে কিনেও নিতে পারেন এ রকম একটি গুহা ঘর। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই ‘ইয়ায়োডং’-এর দাম বাংলাদেশি মূদ্রায় প্রায় ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৫৩৬ টাকা (৩২ হাজার ইউরো)। সূত্র: জি নিউজ একে//

জঞ্জালের উপাদান দিয়ে অভিনব শিল্পকর্ম

শুধু জঞ্জাল থেকে শিল্পসৃষ্টির কাজ করেই সন্তুষ্ট নন পর্তুগালের এক শিল্পী৷ পরিবেশ দূষণ ও প্রাণিজগতের দুর্দশা সম্পর্কেও সচেতনতা সৃষ্টি করতে চান তিনি৷ একটি প্রদর্শনীর মাধ্যমে তিনি অনেক মানুষের মনে প্রভাব সৃষ্টি করতে পেরেছেন৷ পর্তুগিজ শিল্পী আর্তুর বর্দালু বিভিন্ন পশুর আদলে ভাস্কর্য সৃষ্টি করেন৷ তাকে ভাস্কর্যের সঙ্গে স্ট্রিট আর্টের মেলবন্ধন বলা চলে৷ আবর্জনাই তার উপাদান৷ বাস্তব প্রেক্ষাপটে কল্পনির্ভর তার ‘আপসাইক্লিং’ শিল্প৷ আর্তুর নিজে মনে করেন, ‘প্রাণীদের মাধ্যমে আমরা সহজেই মানুষের অভিব্যক্তির কাছাকাছি রূপ পেতে পারি৷ জঞ্জালের কারণে প্রকৃতি নষ্ট হচ্ছে, এই গ্রহ ধ্বংসের পথে চলেছে৷ দূষণ ও জঞ্জালের কারণে যারা এই প্রক্রিয়ার শিকার হচ্ছে, এই সব উপাদান দিয়ে তাদের চিত্র সৃষ্টি করা হচ্ছে৷’ পুরানো পুতুল, গাড়ির টায়ার, মোবাইল ফোন অথবা পাইপ- মানুষ যা কিছু ফেলে দেয়, বর্দালো সে সব শিল্পে পরিণত করেন৷ জঞ্জাল দিয়ে তৈরি তার ৩০টি ভাস্কর্য প্যারিসের এক সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত হচ্ছে৷ আর্তুর বর্দালু বলেন, ‘শিল্পকর্মের সাহায্যে আমি সবার জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছি৷ শুধু হাতে গোনা শিল্পবোদ্ধা নয়, জনসাধারণের কাছে আনতে চেয়েছি৷ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য এটা করেছি৷ কারণ তারাই তো সবকিছু বদলানোর ক্ষমতা রাখে৷’ ২০১৪ সালে নিজের শহর লিসবনে তিনি প্রথম ‘বিগ ট্র্যাশ অ্যানিম্যাল্স’ গড়ে তোলেন৷ রাজপথ বা জঞ্জালের স্তূপে তিনি সৃষ্টির উপাদান খুঁজে পান৷ আবর্জনা দিয়ে ভাস্কর্য সৃষ্টি করে প্রাক্তন এই গ্রাফিটি শিল্পী স্ট্রিট আর্ট জগতে দ্রুত খ্যাতি অর্জন করেছেন৷ রোম, বার্লিন, লন্ডন, তাহিতি অথবা লাস ভেগাস- সব জায়গায় তিনি পরিচিতি পেয়েছেন৷ প্যারিসে প্রদর্শনীর জন্য বর্দালো ঠিক সময়ে দুটি নতুন সৃষ্টির কাজ শেষ করেছেন৷ গ্যালারির খুব কাছেই সে দু’টি ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে৷ ফ্রান্সের রাজধানীতে একক প্রদর্শনীর জন্য এর চেয়ে ভালো বিজ্ঞাপন আর হতে পারে না৷ প্রায় ৭০০ বর্গমিটার জুড়ে তার সৃষ্টিকর্ম শোভা পাচ্ছে৷ অনেক দর্শক তা দেখে মুগ্ধ৷ কেউ বলেন, ‘সত্যি চমকপ্রদ! আমি কখনও শিল্পের এমন রূপ দেখিনি৷ খুবই বুদ্ধিমত্তা ও চাতুর্যের সঙ্গে প্লাস্টিক ও জঞ্জাল মিশিয়ে আসল বাস্তবসম্মত প্রাণী সৃষ্টি করা হয়েছে৷ তিনি আমার অন্যতম প্রিয় শিল্পী৷’ আরেকজন বলেন, ‘পরিবেশের ক্ষতি বন্ধ করতে আমরা কী করছি, তিনি মানুষকে সে বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করতে বাধ্য করছেন৷ যেমন না জেনেই আমরা কীভাবে প্রাণীদের ক্ষতি করছি৷ ফলে আমরা ভাবতে বাধ্য হচ্ছি৷’ ‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’ শিরোনামে এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে বর্দালো জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বোঝাপড়ার প্রতি সচেতন করতে চেয়েছেন৷ তার কাছে এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়৷ আর্তুর বলেন, ‘২০ বছর পর আজকের শিশুরা ক্ষমতার দায়িত্ব নেবে৷ আমি যে সব বার্তা পাঠাতে চাইছি, তারা সে সব পেলে হয়ত আমরা আরও ভালো এক পৃথিবীতে থাকতে পারবো৷’ বর্দালো-র ‘বিগ ট্র্যাশ অ্যানিম্যাল্স’ মনে দাগ কাটে বৈকি৷ সেই প্রভাব শুধু প্যারিসে প্রদর্শনীর দর্শকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

প্লাস্টিক বর্জ্যের বিকল্প

প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশের যে ক্ষতি করছে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তার প্রকৃত কুফল ভোগ করতে হবে বলে সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা৷ ইন্দোনেশিয়ার এক কোম্পানি প্লাস্টিকের নানা বিকল্প কাজে লাগিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধানসূত্র দিচ্ছে৷ ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে জঞ্জালের এই স্তূপের আয়তন প্রায় ৩৫ হেক্টর৷ তা সত্ত্বেও সেই পাহাড়ে জায়গা হচ্ছে না৷ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার ফলে দুর্গন্ধ অসহনীয় হয়ে উঠেছে৷ অনেক মানুষ সেই জঞ্জাল ঘেঁটে প্লাস্টিকসহ মূল্যবান বস্তুর খোঁজ করে৷ গ্রিনহোপ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো বলেন, এটা হলো টাংগেরাং শহরের জঞ্জালের স্তূপ৷ প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টন শক্ত বা নিরেট বর্জ্য এখানে আসে, প্রায় ১৫ থেকে ৩০ শতাংশই প্লাস্টিক৷ প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন৷ তার কাছে জঞ্জালের এই পাহাড় কমানোরও পরিকল্পনা রয়েছে৷ প্লাস্টিক বর্জ্য পুরোপুরি পঁচে যেতে কমপক্ষে ৫০০ বছর সময় লাগে, যা পরিবেশের জন্য বিপর্যয় বয়ে আনে৷ তান্দিয়ো নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার৷ তিনি প্রচলিত প্লাস্টিকের এমন বায়োডিগ্রেডেবল বিকল্প সৃষ্টি করছেন, যা সহজেই পরিবেশের সঙ্গে মিশে যেতে পারে৷ সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো বলেন, ইন্দোনেশিয়ায় প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহারের গড় হার মাত্র ৮ শতাংশ৷ এমনকি ১০ শতাংশও নয়৷ বিশ্বব্যাপী প্লাস্টিক রিসাইক্লিং-এর হার ১৫ শতাংশের মতো৷ তাই সেই হার বাড়াতে এখনও অনেক কাজ বাকি৷ তবে আমরা যাই করি না কেন, তা যথেষ্ট হবে না৷ একটি প্লাস্টিক ব্যাগ যতবারই পুনর্ব্যবহার করা হোক না কেন, সেটি শেষ পর্যন্ত এমন কোনও বিশাল জঞ্জালের স্তূপে গিয়ে পড়বে৷ প্লাস্টিকের পাহাড় প্রতিদিন বেড়ে চলেছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও ফল বটে৷ দারিদ্র্য ও পরিবেশ কিন্তু দারিদ্র্যও এই সমস্যায় ইন্ধন জোগাচ্ছে৷ ইন্দোনেশিয়ার অনেক মানুষ পথের ধারে ছোট স্টল থেকে মোড়কসহ পণ্য কেনেন, কারণ সেটা তাদের সামর্থ্যের মধ্যে থাকে৷ প্যাকেজিং-এর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটি চূড়ান্ত অপচয় বটে৷ সুগিয়ান্তো বলেন, প্রতিদিন তারা এটাই কিনতে পারে৷ একবার ব্যবহারের জন্য মোড়কের এই সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়? সব মোড়ক ডিগ্রেডেবল করে তোলাই আমাদের সমাধানসূত্র৷ সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো বহু বছর ধরে বিকল্প মোড়ক নিয়ে গবেষণা করছেন৷ তার গ্রিনহোপ কোম্পানি সহজলভ্য কাসাভা বা ম্যানিয়োক গাছের শিকড় থেকে নিঃসৃত ট্যাপিওকা নামের মাড় জাতীয় পদার্থ দিয়ে বায়োডিগ্রেডেবল পলিমার তৈরি করে৷ সেটি প্রক্রিয়াজাত করে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে কাজে লাগানো যায়৷ সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো বলেন, ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম প্রধান খুচরা বিপণির জন্য কাসাভা-ভিত্তিক বাজারের থলে তৈরি করা হয়েছে৷ প্লাস্টিকের বিকল্প গ্রিনহোপ প্লাস্টিকের বেশ কয়েকটি কার্যকর বিকল্প সৃষ্টি করেছে৷ এমনকি কুকুরের মলের জন্যও সম্পূর্ণ বায়োডিগ্রেডেবেল কৌটা তৈরি করেছে এই কোম্পানি৷ এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন অ্যামেরিকার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে কাসাভা চাষ হয়৷ সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো বলেন, এই হলো কাসাভা গাছ, এটি মাটির নিচে বড় হয়৷ শুধু বের করে নিলেই চলে৷ লোকে শুধু কন্দ বের করে নেয়, যা স্টার্চের উৎস৷ গাছের কাণ্ড প্রায় ২-৩ মিটার দীর্ঘ হতে পারে৷ গাছের পাতা সালাদের মধ্যে খাওয়া যায়৷ কাসাভা সস্তা ও সুলভ৷ তার পুষ্টির মাত্রাও বেশি নয়৷ তাই অনায়াসেই অন্য কাজে ব্যবহার করা চলে৷ ইন্দোনেশিয়ার মতো উন্নয়নশীল দেশে প্লাস্টিকের বিকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ সেটাই গ্রিনহোপ সংস্থার অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ৷ পরিবেশবান্ধব সমাধানসূত্রের মূল্য সাধারণত একটু বেশি হয়৷ সুগিয়ান্তো তান্দিয়ো ও তার সহযোগী টমি চিপ্তাজায়া পরিবেশ ও অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে মেলবন্ধন ঘটাতে চান৷ টমি বলেন, আমরা যে টন টন প্লাস্টিক সৃষ্টি করেছি, তা আসলে বাস্তবে দূর হয় নি৷ চোখের সামনে থেকে সরে গেলেও তা উধাও হয়ে যায়নি৷ মহাসাগরের নিচে তা ভেসে বেড়াচ্ছে, অথবা কোনও আবর্জনার স্তূপের মধ্যে রয়েছে৷ উৎপাদনের সময় এই মূল্য ধরা হয়নি৷ আমরা অর্থনীতি ও কার্যকারিতা নিয়ে মশগুল হয়ে থাকি বটে, কিন্তু এ সব বস্তূর আসল পরিবেশগত মূল্য আমাদের দিতে হয় না৷ অপরিশোধিত তেল দিয়েই প্রায় ৯০ শতাংশ প্লাস্টিক তৈরি হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর৷ প্লাস্টিক বর্জ্য কমাতে কিছু না করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তার কুফল ভোগ করতে হবে৷ শুধু ইন্দোনেশিয়া নয়, গোটা বিশ্বের জন্য প্লাস্টিকের বিকল্প খোঁজা প্রয়োজন৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি