ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৩ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা 

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৪৪, ৩ নভেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ইরানের কেশম দ্বীপে সোমবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে হামলার খবরের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসানে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা দেশটির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চালানো সীমিত পরিসরের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা।

হরমুজ প্রণালীর মধ্যে অবস্থিত কেশম দ্বীপটি ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ। 

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, দ্বীপটিতে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা আকাশে দুটি উড়োজাহাজ উড়তে দেখেছেন বলেও জানিয়েছেন।

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। তবে সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত এএফপির পক্ষ থেকে হামলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলেও সেন্টকম তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে ছোট পরিসরে সামরিক হামলা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ এসব হামলাকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকানোই এসব অভিযানের উদ্দেশ্য।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল পরিবহন করা হয়। তবে গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানের অবরোধের কারণে এই নৌপথে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এসব হামলার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। বড় ধরনের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে—এমন বার্তা যাতে প্রকাশ্যে না আসে, সে কারণেই হামলার বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের দিন সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে। তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে তার এই বক্তব্যে চলমান সংঘাতের অবসান নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।

ইরানের হরমুজ প্রণালী অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তবে সংঘাতের অবসানে সম্ভাব্য চুক্তির আশায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৭ শতাংশের বেশি কমে যায়।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি