ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন এমপি গাজী নজরুল

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৮:১২, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ঢাকার পল্লবী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় উচ্চ আদালত থেকে পাওয়া জামিনের কাগজপত্র নিম্ন আদালতে জমা দিয়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে নিজে উপস্থিত হয়ে জামিননামা দাখিল করেন তিনি।

মামলার প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গাজী নজরুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পেয়েছেন। সেই জামিনের নথি রোববার আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং কথিত ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁসের সন্দেহকে কেন্দ্র করে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে গত ২১ জুলাই পল্লবী থানায় মামলাটি করেন গাড়িচালক ওবায়দুর রহমান।
এই মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের জামিন পান।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আমিনুর রহমান (৫৫), মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোতাসসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)। মামলায় গাজী নজরুল ইসলামের বয়স ৭৪ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ওবায়দুর রহমান পল্লবীর কালশী এলাকার রোজগার্ডেন টাওয়ারে তাঁর বোনের বাসায় থাকতেন এবং গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়ি চালাতেন। আত্মীয়তার কারণে ওই বাসায় গাজী নজরুলেরও যাতায়াত ছিল।

বাদীর দাবি, একপর্যায়ে গাজী নজরুলের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগনির সম্পর্ক তৈরি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পরিবারের সদস্যদের জানান এবং গাজী নজরুলকে এ ধরনের সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, মগবাজারের একটি চক্র গাজী নজরুল ও তাঁর ভাগনির কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও সংগ্রহ করে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করছিল। গাজী নজরুলের সন্দেহ ছিল, ওই ভিডিও ওবায়দুর ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে দিয়েছেন।

বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার জের ধরে গত ১৪ জুলাই গাজী নজরুলের নির্দেশে অন্য আসামিরা তাঁর ওপর হামলা চালান।

ওবায়দুর অভিযোগ করেন, সেদিন বেলা ১১টার দিকে আমিনুর রহমান তাঁকে কৌশলে একটি ড্রয়িংরুমে নিয়ে যান। সেখানে থাকা অন্য আসামিরা তাঁকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে মেঝেতে ফেলে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় ওবায়দুরের মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম চিৎকার করে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা সেখান থেকে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আহত অবস্থায় ওবায়দুর স্থানীয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার পর আসামিরা তাঁকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করার হুমকি দিয়ে আসছেন।

এমএইচ 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি