লালবাগ থানার মামলায় শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডের আবেদন
প্রকাশিত : ১৩:৫৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৫:০৮, ৭ এপ্রিল ২০২৬
লালবাগ থানার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সাবেক স্পিকার ড শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আদালতে তোলা হয়েছে। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করেছে ডিবি।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর ১ টা ৫৫ মিনিটে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (সিএমএম) আনা হয়। এসময় তাকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন তাকে ২ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে শুনানি হবে।
আবেদনে বলা হয়, মামলার ১ নম্বর আসামি শেখ হাসিনা ও ৩ নম্বর আসামি শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ অন্যরা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে কুশীলব ছিলেন। তাদের সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনায় পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ নির্দেশে অস্ত্র মামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামি তার নাম-ঠিকানা এবং মামলার তদন্ত সহায়ক গুরত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।
তার দেওয়া তথ্য মামলা তদন্তে সহায়ক হবে মন্তব্য করে আবেদনে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পালিয়ে যাওয়াসহ তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে জেল হাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ডিএমপির লালবাগ থানার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এই মামলার বাদী মো. আশরাফুল। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও রয়েছেন। শিরীন শারমিন চৌধুরী এই মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবিপ্রধান বলেন, শিরিন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। মামলাগুলো তদন্ত চলছে।
এর আগে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, ধানমন্ডির ওই বাসাটি শিরীন শারমিন চৌধুরীর চাচাতো ভাই আরিফ মাসুদ চৌধুরীর।
এএইচ
আরও পড়ুন










