ঢাকা, শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১ অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে নিয়োগপত্র না পেলে পরবর্তীতে বিবেচনা: শিক্ষামন্ত্রী

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৭:২৯, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৯:০৬, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে কোনো প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে, পরবর্তীতে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে পাঠানো হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী এই বার্তা দেন।

ফেসবুক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন লেখেন, আমরা লক্ষ্য করছি যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগপত্র প্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ১ অক্টোবরের মধ্যে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে তা পরবর্তীতে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর জারি করা আদেশে সারাদেশের প্রায় দেড় হাজার সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাওয়া থেকে বাদ পড়েছেন। তবে ঠিক কী কারণে তাদের নামে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়নি, সে বিষয়ে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। বাদ পড়া অনেক প্রার্থী ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, পুলিশ বা গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনে 'নেগেটিভ রিপোর্ট' থাকায় তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এই বিষয়ে জানতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মহাপরিচালক (ডিজি) শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং জেলা-উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারাও এ নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। ফলে সঠিক তথ্য না পেয়ে বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হাহাকার তৈরি হয়েছে, যা তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করছেন। 

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করে জেলাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করেছিল অধিদপ্তর।

এমএইচ 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি