ঢাকা, সোমবার   ২০ মে ২০২৪

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন অভিযাত্রী বাংলাদেশ এবং লি কুয়ান ইউর অভিজ্ঞতা

অরুণ কুমার গোস্বামী

প্রকাশিত : ১৭:০৮, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | আপডেট: ১১:৫৭, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার জীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং উজ্জ্বলতম কীর্তি বাংলাদেশের ‘উন্নয়ন’। যেমন বঙ্গবন্ধুর জীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও উজ্জ্বলতম কীর্তি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ অনুসারে সততা, আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার সাথে তৃতীয় বিশ্বের একটি স্বল্পোন্নত দেশ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করার পর ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে ক্লান্তিহীনভাবে পথ পরিক্রমণ করছেন শেখ হাসিনা।  

জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের কারণে প্রিয় মাতৃভূমির উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করতে পারেননি। কিন্তু তার সুযোগ্য কন্যা সেই অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পাদন করছেন। তৃতীয় বিশ্বের একটি দরিদ্র দেশ থেকে লি কুয়ান ইউ যেমন দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুরকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তেমনি, বাংলাদেশকে যারা ভালোবাসেন সেইসব দেশপ্রেমিক মানুষের মনে তার ৭৪তম জন্মবার্ষিকীতে সংকল্প হচ্ছে, ‘নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও অবৈধ ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারা’ ও ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়ক অভিমুখে বাংলাদেশের যাত্রা অব্যাহত রাখা।

উন্নয়নের জন্য আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ (১৯২৩-২০১৫)’র অনুসৃত নীতি-কৌশল অন্যান্য দেশে অনুসরণযোগ্য কী না সে সম্পর্কে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গবেষক ও বিশ্লেষকগণ বিস্তর আলোচনা করে আসছেন। প্রসঙ্গক্রমে, দেশে-বিদেশের অনেকের মনেই প্রশ্ন শত ষড়যন্ত্র ও বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে উন্নয়নের ‘মহাসড়কে’ এগিয়ে চলেছে, সেটি সিঙ্গাপুরের উন্নয়নে লি কুয়ান ইউ সরকারের নেতৃত্বের সাথে কীভাবে তুলনা করা করা যেতে পারে? সিঙ্গাপুরের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে লি কুয়ান ইউ মালয়েশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৬৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করেন। তিন দশকেরও অধিক সময় রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তাকে সিঙ্গাপুরের স্বাধীনতার জনক হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। এছাড়াও তার নেতৃত্বে এক প্রজন্মের মধ্যেই দেশটি তৃতীয় বিশ্ব থেকে প্রথম বিশ্বের দেশে রূপান্তরিত হয়। অপর দিকে, বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবার পর ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হওয়ার লক্ষ্যে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।  

আধুনিক নগর-রাষ্ট্র ২৭৭.৩ বর্গমাইল আয়তন বিশিষ্ট দ্বীপদেশ সিঙ্গাপুরের জাতির পিতা ও প্রথম প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউর সরকারি নেতৃত্বের বয়স যখন দুই দশক পূর্ণ হয়েছিল তখন ধর্মীয়-উপনিবেশ পাকিস্তানের শোষণের নাগপাশ ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দক্ষিণ এশিয়ার ৫৫ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৭৫এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর থেকে দেশের উন্নয়নের গতি বিভ্রান্তির পাঁকে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। দীর্ঘ চার দশক পরে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশ্ব সম্প্রদায়ের নিকট আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কিন্তু উন্নয়নের পথ খুবই কন্টকাকীর্ণ। লি কুয়ান ইউ কর্তৃক সিঙ্গাপুরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার পথেও  বাধা ছিল। তিনি সেইসব বাধা অতিক্রম করেছেন। এই প্রেক্ষিতে লি কুয়ান ইউ কর্তৃক অনুসৃত পথ, বাংলাদেশের উন্নয়নের বাধা অতিক্রম করার ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করতে পারে।   

সিএনএন এর গ্রাহাম অ্যলিসনের মতে উন্নত-হতে-আগ্রহী জাতিসমূহের নেতৃবৃন্দের কাছে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও চলমান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য, লি’র জীবনী ও কর্মকাণ্ড থেকে শেখার আছে। দুই বছর আগের খবর Lee Kuan Yew: The Grand Master's Insights on China, the United States, and the World  শীর্ষক গ্রন্থের সব লেখক লি কুয়ান ইউকে উন্নয়নে সরকারি নেতৃত্বের ভূমিকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাবে লি যা বলেছিলেন সেসবকিছু ওই গ্রন্থে স্থান পেয়েছে।

উন্নয়নে সরকারি নেতৃত্বের ভূমিকা সম্পর্কে লি কুয়ান ইউর কৃতকর্ম ও বক্তব্য থেকে অ্যলিসন পাঁচটি মূল বিষয় তুলে ধরেছেন। লি’র মতে শাসন হচ্ছে প্রথম ও প্রধানত ফলাফল সম্পর্কিত। তার কথা হচ্ছে, ‘কোনো আদর্শ ধারণার মহত্ব বা জাঁকজমক নয়, এগুলো আসলে, নিয়ম ও ন্যায়বিচার সৃষ্টি করতে সক্ষম কিনা তাই হচ্ছে যেকোনো আইনি ব্যবস্থার এসিড টেস্ট।’ সরকারের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্কে তিনি একদম পরিষ্কার ছিলেন। 

দ্বিতীয়, সুপিরিয়র কাজের জন্য দরকার সুপিরিয়র নেতৃত্ব। লি নেতাদের কাছ থেকে বৃদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই সুপিরিয়রিটি আশা করেন। আধুনিক পাশ্চাত্য গণতান্ত্রিক তত্ত্ব যেখানে শাসন ক্ষেত্রে নাগরিকদের অংশগ্রহণের উপর জোর দেয়া হয়, এর বিপরীতে তার মত হচ্ছে ‘অভিভাবক’ সম্বন্ধে প্লেটোর অথবা চীনের ঐতিহাসিক ম্যান্ডারিনদের ধারণার কাছাকাছি। উত্তম সরকারের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে সব নেতাদের বেশীরভাগ জনসাধারণের জন্য ভালো সবকিছু তাদের নিজেদের ব্যক্তি স্বার্থের প্রশ্নের ঊর্ধ্বে রাখা।

তৃতীয়, সফল সমাজগুলো সকল ব্যক্তির জন্য কড়াকড়িভাবে সুযোগের সমতার নিশ্চয়তা দেয়, কিন্তু এ ব্যাপারে বাস্তবিকতাকে মেনে নেয় যে, ফলশ্রুতিতে এগুলো অসমতা সৃষ্টি করবে। লি’র মতে, একটি সফল সমাজের নির্যাস হচ্ছে সুযোগের সমতার ভিত্তিতে নিবিড় প্রতিযোগিতা যা প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার সর্বোচ্চ অবস্থান অর্জনে সক্ষম করে তোলে। কিছু বিষয় তাকে ব্যথিত করেছে। সেগুলো হচ্ছে ভারতে বর্ণভিত্তিক, ইউরোপে শ্রেণিভিত্তিক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রেসভিত্তিক, লিঙ্গ অথবা অন্যান্য অপ্রাসঙ্গিক গুণাবলীর ভিত্তিতে সুযোগের সমতার অস্বীকৃতি। 
চতুর্থ, গণতন্ত্র সম্পর্কে, বিশেষত: পাশ্চাত্যের উদার গণতন্ত্রের ব্যাপারে লি’র সাংঘাতিক ক্ষোভ ছিল। অংশত: এই দৃষ্টিভঙ্গী সৃষ্টি হয়েছে তার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে, তবে এটি মতাদর্শ সম্পর্কে গভীরতর দার্শনিক বিতৃষ্ণার প্রতিফলন। যেমনটি তিনি বলতে পছন্দ করতেন, ‘এসিড টেস্ট হচ্ছে কৃতকর্ম, প্রতিশ্রুতি নয়।’ এশিয়ায় লক্ষ লক্ষ অধিকার বঞ্চিত লোক ‘তত্ত্ব’ সম্পর্কে সতর্ক না আর তা জানেও না। তারা অধিকতর উত্তম জীবন যাপন করতে চায়। তারা অধিকতর সমান ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ চায়।’ বিপরীতক্রমে, তিনি যুক্তি দেখান যে বেশীরভাগ দেশের যা দরকার তা হচ্ছে ‘শৃঙ্খলা’ গণতন্ত্র নয়।  

পঞ্চম, কোন নেতাকে তিনি সবচেয়ে বেশী প্রশংসা করতেন ? নিকট অতীত হতে, তিনি তিনজনের উপর গুরুত্ব আরোপ করতেন - চার্লস দ্য গ্যল, দেং জিয়াও পিং এবং উইনস্টন চার্চিল। 
‘দ্য গ্যল, কারণ তার ছিল প্রচণ্ড মনের জোর; দেং, কারণ তিনি চীনকে একটি ভগ্ন-পৃষ্ঠ রাষ্ট্র থেকে পরিবর্তন করে এনেছেন, তা না হলে এটিও সোভিয়েত ইউনিয়নের মত অন্তর্বিস্ফোরিত হত; আর চার্চিল, কারণ অন্য কোনো ব্যক্তি হলে ছেড়ে দিতেন। 

উপরে উল্লিখিত লি কুয়ান ইউ’র কৃতকর্ম ও বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি।  (১) পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র ও সরকার প্রভৃতি সম্পর্কে পাশ্চাত্যের ধ্যান-ধারণা থেকে প্রাচ্যের ধ্যান-ধারণার পার্থক্য; (২) সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশ দুটি দেশই এক সময় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীনে ছিল, কিন্তু উন্নয়নের দিক দিয়ে সিঙ্গাপুর এখন ব্রিটেন ও আমেরিকা উভয়কেই ছাড়িয়ে গিয়েছে; (৩) সরকার সম্পর্কে পাশ্চাত্যের ধারণা এবং প্রাচ্যের ধারণার মধ্যে পার্থক্য আছে; (৪) উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন ‘শৃঙ্খলা’, স্থিতিশীলতা যা পাশ্চাত্যের মত গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমে প্রাচ্যের দেশে অর্জন করা সম্ভব নয়; (৫) ‘উন্নয়নের’ স্বার্থে শৃঙ্খলা অর্জনের জন্য প্রয়োজনে লি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন । (৬) ধর্ম তথা কনফুসীয় চেতনা সিঙ্গাপুরের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় স্থিতিশীলতা, কর্তৃপক্ষের আদেশ মান্য করা ও শিক্ষার প্রতি ঐকান্তিকতা সৃষ্টি করেছে, যা সেদেশের উন্নয়নে মূল ভূমিকা পালন করেছে।

এর বিপরীতে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের বিয়োগান্তক ঘটনার পর পিতার আদর্শ অনুসরণ করে অব্যাহতভাবে সংগ্রাম করে দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রথমে ১৯৯৬ সালের ১২ জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০০৮ এর ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত  নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার এবং যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার  ছাড়াও দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গিয়েছেন। দারিদ্র্যের হার হ্রাসকরণ, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সূচকগুলোতে তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি লাভ করার ফলে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে। এমনকি বিশ্বের জনপ্রিয় ফোর্বস ম্যাগাজিন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সফল নারী নেতৃত্বের তালিকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম স্থান পেয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা এখনো এমনকি যুক্তরাজ্যও কার্যকর করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় ফোর্বস ম্যাগাজিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের প্রশংসা করে লিখেছে, প্রায় ১৬ কোটিরও বেশী মানুষের বসবাস বাংলাদেশে। সেখানে দুর্যোগ কোনো নতুন ঘটনা নয়।। আর  এই করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে দ্র্রুত সিদ্ধান্ত নিতে  ভুল করেননি তিনি। তার এই ত্বরিৎ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম বিষষয়টিকে প্রশংসিত বলে উল্লেখ করেছে। 

বাংলাদেশে অশিক্ষা-কুশিক্ষা, শোষণ-নির্যাতন, হত্যা ও দেশে গোলযোগ সৃষ্টির বাহন হিসেবে এক শ্রেণীর প্রভাবশালী মানুষ ধর্মকে ব্যবহার করে আসছে সেই পাকিস্তানী ধর্মীয় উপনিবেশের আমল থেকে। তাই স্বাধীন বাংলাদেশে সমতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য ধর্মের এইরূপ ব্যবহার বন্ধের আশু পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। বাংলাদেশের অধিকার বঞ্চিত মানুষ চায় শেখ হাসিনা সরকারের ‘সমতা ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড’ বাধাহীনভাবে এগিয়ে যাক। 

লেখক: ইনস্টিটিউশনালাইজেশন অব ডেমোক্র্যাসি ইন বাংলাদেশ’ গবেষণা গ্রন্থের লেখক;  ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ; চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও পরিচালক, সাউথ এশিয়ান স্টাডি সার্কেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

এসি
 


Ekushey Television Ltd.





© ২০২৪ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি